

কুমিল্লা
রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত কয়েকটি টেলিকম দোকানে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা
করে অবৈধ অশ্লীল ভিডিও কন্টেন্ট বিক্রির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামিরা হলেন- কুমিল্লা নগরীর রেইসকোর্স এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে এম. আর টেলিকমের
মালিক জহিরুল ইসলাম (৩৬) ও পশ্চিম রেইসকোর্স এলাকার মোঃ আব্দুর রশিদের ছেলে মা টেলিকমের
মালিক জাকির হোসেন (৪৫)।
অভিযানে
তাদের দোকান থেকে পর্নোগ্রাফি ভিডিও সংরক্ষিত বিভিন্ন ডিভাইস উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত
দ্রব্যাদির মধ্যে রয়েছে ২টি হার্ডডিস্ক, ৩টি পেনড্রাইভ, ৬টি মেমোরি কার্ড ও একটি কার্ড
রিডার।
গ্রেফতারকৃত
আসামিদের স্থানীয় থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জব্দকৃত আলামতও পুলিশের
কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ
ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


গত ২৬ জুন কুমিল্লা মুরাদনগরের পঞ্চকিট্রি
ইউনিয়নের বাহারচর গ্রামে এক হিন্দু নারীর সাথে অশোভনীয়
ঘটনা ঘটে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ভাইরাল হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা
যায় যে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। এ সময়ে একই
গ্রামের এবং পূর্বপরিচিত মোঃ ফজর আলী (৩২) এর সাথে উক্ত নারী ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়িয়ে
পড়েন। একই সাথে ফজর আলীর ছোট ভাই শাহপরান এর সাথেও তার (ভুক্তভোগী) সখ্যতা গড়ে উঠে।
ঘটনার দিন রাতে বড় ভাই ফজর আলী উক্ত
নারীর ঘরে অবস্থানকালে ছোট ভাই শাহপরান ও কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ঘরে ঢুকে তাদেরকে
মারধর করে এবং ভিডিও ধারণ করে।
উক্ত মারধরের ফলে ফজর আলী আহত হয়ে
প্রথমত কুমিল্লা এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে
গত ২৭ জুন উক্ত নারী মুরাদনগর থানায় ধর্ষণের
অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য যে, এ বিষয়ে তিনি (ভুক্তভোগী)
ডাক্তারী পরীক্ষা করাতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী যথেষ্ট তৎপর রয়েছে
এবং মোঃ ফজর আলীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আটক করেছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ।
এছাড়া ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশোভন ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে
ইতোমধ্যে সর্বমোট ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় যে, বিষয়টি
ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত এবং পারস্পারিক সমঝোতার মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে।
এখানে
বল প্রয়োগ, দরজা ভাঙ্গা বা ধর্ষণের সরাসরি কোন সম্পৃক্ততা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত
হয়নি। তথাপি প্রকৃত ঘটনাটি তদন্তের পূর্বেই অশোভন ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ছড়িয়ে দিয়ে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিঃসন্দেহে
অনাকাঙ্খিত। তবে আইন প্রযোগকারী সংস্থা কর্তৃক দুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন
পূর্বক দোষীদের অচিরেই শাস্তির আওতায় আনা
হবে বলে আশা করা যায়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলের পর কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন।
আজ শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুম্মার নামাজ শেষে ছাতিপট্রি মসজিদে তাঁর উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন এবং বেগম জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
দোয়া মাহফিল শেষে বিকালে হাজী ইয়াছিন নগরীর ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের তেলিকোনা, গোবিন্দপুকুরপাড় ও আশপাশ এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লাকে নিয়ে তাঁর উন্নয়ন–ভিশন তুলে ধরে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, তরুণ ভোটার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
গণসংযোগ চলাকালে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের সংগ্রামের প্রতীক। তাঁর দ্রুত আরোগ্য পাওয়াই এখন আমাদের প্রত্যাশা। এজন্যই আজ আমরা আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে দোয়া করেছি।
কুমিল্লা–০৬ আসনের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আরও বলেন,“এই এলাকার মানুষ পরিবর্তন চায়, ন্যায়বিচার চায়। আমি ঘরে ঘরে যাচ্ছি মানুষের কথা শুনতে। শান্তিপূর্ণভাবে আমরা মাঠে আছি—মানুষের আস্থা অর্জন ও তাদের প্রত্যাশার প্রতিদান দেওয়াই আমার লক্ষ্য।”
রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা নিয়ে হাজী ইয়াছিন বলেন,“দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায়, জবাবদিহি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ঘোষিত এই ৩১ দফা জনগণের প্রকৃত আশা–আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। কুমিল্লাকে আমরা একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও নাগরিকবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
গণসংযোগ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন—মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুব রহমান দুলাল, আব্দুল জলিল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মজিবুর রহমান কামাল, রিয়াজ খান রাজু, মনির হোসেন পারভেজ, কুমিল্লা মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকি রাকিব, সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, ১৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফরহাদ হোসেন ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর হাবিবুল্লা, ১৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব, ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জুবায়ের আলম জিলানীসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিভাগের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ হাজারের অধিক মোটরসাইকেল নিয়ে শোভাযাত্রা করেছে তরুণরা। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) মহাসড়কের কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডস্থ হোটেল নুরজাহানের সামনে থেকে এই মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা শুরু হয়। জুমার নামাজের পর থেকেই কুমিল্লা নামে বিভাগের দাবিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় জড়ো হয় তরুণরা। ঘন্টা খানিকের মধ্যেই কয়েক হাজার বাইকারের মিলনমেলায় পরিণত হয় মহাসড়কের এই অংশটি।
সকলের মুখে মুখে শ্লোগান ‘দাবি মোদের একটাই কুমিল্লার নামে বিভাগ চাই।’ কারো হাতে ও কারো বুকে জাতীয় পতাকা , কারো কণ্ঠে শ্লোগান। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা রূপ নেয় রঙিন উৎসবে। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাকে স্বাগত জানিয়ে অনেকে দোকানপাটের সামনে দাঁড়িয়ে সকল শ্রেণির মানুষ একাত্মতা প্রকাশ করেন।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করা ইঞ্জিনিয়ার শিহাব উদ্দিন ও নুর মোহাম্মদ মজুমদার জানান, প্রাচীন সমতট অঞ্চলের রাজধানী ছিল কুমিল্লা। হাজার হাজার ঐতিহ্যে ভরা কুমিল্লা যখনই বিভাগের ঘোষণার দ্বারপ্রান্তে যায় তখনই নানান মহল থেকে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। নোয়াখালীসহ বৃহত্তর কুমিল্লার ৬টি জেলার বিভিন্ন দপ্তরের ৪২টি আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লায় অবস্থিত। অবিলম্বে কুমিল্লা নামে বিভাগ দিতে হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ পুলিশের অধঃস্তন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ কেন্দ্রে শৃঙ্খলাপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে এ বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।
সকাল ১০টায় কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কর্মরত এএসআই (নিরস্ত্র) হতে এসআই (নিরস্ত্র) পদে উন্নীতকরণের জন্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
আর বিকেল ৩টায় কনস্টেবল ও নায়েক থেকে এএসআই (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতির লক্ষ্যে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষার সার্বিক তদারকি ও কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন।
এ সময় পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিস থেকে আগত প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষকবৃন্দসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আন্তর্জাতিক মানবকল্যাণমূলক সংগঠন রোটারি ইন্টারন্যাশনাল-এর নতুন বছরের শুভ সূচনা উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১ জুলাই) কুমিল্লা এরিয়ার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়।
র্যালিটির উদ্বোধন করেন রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮১ (ডি ৬৫ বাংলাদেশ) এর এসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ডা. তৃপ্তিশ চন্দ্র ঘোষ। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, "রোটারি ইন্টারন্যাশনালের মূল লক্ষ্যই হলো মানবসেবাকে প্রাধান্য দিয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। কুমিল্লা রেনেসাঁস ক্লাব সেই পথেই নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে।"
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব রেনেসাঁস কুমিল্লার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নুরুল ইসলাম রিপন, বর্তমান ক্লাব সভাপতি জীবন কুমার সাহা, আইপিপি আবু তানভীর, সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম, ক্লাব সদস্য ডা. সিমা আক্তার, ডা. আনোয়ার হোসেন, আবুল কালাম জুয়েল, মোশারফ হোসেন সহ কুমিল্লা অঞ্চলের বিভিন্ন রোটারি ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে, মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে রোটারি ক্লাব অব রেনেসাঁস কুমিল্লার পক্ষ থেকে এক শারীরিক প্রতিবন্ধীকে একটি হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। এতে করে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতি ক্লাবের সহানুভূতি ও দায়বদ্ধতার প্রতিফলন ঘটে।
নতুন রোটারি বর্ষের এই আয়োজন কুমিল্লা শহরে একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়—রোটারি কেবল একটি সংগঠন নয়, এটি একটি মানবতার আন্দোলন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা কান্দিরপাড়স্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) হাজী মোস্তাক মিয়া।
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


একটি শিশুর শৈশবের চিত্রাঙ্কন হচ্ছে অভিভাবক বা শিক্ষক।
আমরা যেভাবে চাইব সেভাবে তারা গড়ে উঠবে। আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে রূপদান করবে। তাই বলে ভূল রূপদান যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা আমাদের ভালোবাসা তাদের দিতে পারি কিন্তু চিন্তাভাবনা নয়, কারণ তাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। আসলে কোমল শিশুরা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু চাপিয়ে দিলে তাদের স্বপ্নগুলো ভেঙে যায়। নিজে থেকে কিছু করার বা চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। হারিয়ে ফেলে তার সৃজনীশক্তি।
তাদের মানসিক বিকাশ হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। চিত্রাঙ্কন হতে পারে তার অন্যতম মাধ্যম।
শিশুরা
তার আশপাশের সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না, পরিবেশ তার ছবির ভাষায় তুলে ধরবে ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে প্রায় ৪ লাখ টাকার মাদকসহ এক মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।
আটককৃত তাফাজ্জল হোসেন ভুট্টু (৪৬) উপজেলার গোপচর গ্রামের রাশেদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে গৌরীপুর বাজারের কাঠপট্টিতে সেকান্দরের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ৪৬ বোতল বিদেশি মদ ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টোকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, গৌরীপুর বাজারে মাদকের একটি বড় চালান ঢুকছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যের যৌথ অভিযান চালিয়ে ৪৬ বোতল বিদেশি মদসহ এক মাদক কারবারীকে আটক করা হয়েছে। যার অনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা।
মাদক আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল
(২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে শাহ আলম (৪০) নামক ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৪
কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী শাহ আলম (৪০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বারপাড়া গ্রামের মৃত শেখ ফরিদ
এর ছেলে।
র্যাব
জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে ঢাকা, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে
বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান
পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত
থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলায় গত জুলাই মাসে ১১টি হত্যা মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া জুলাই মাসে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৩২টি। ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে ৮ টি। বিভিন্ন অপরাধে জুলাই মাসে জেলায় মোট মামলা করা হয়েছে ৪৭৫টি।
রবিবার (১০ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল কায়সার। এ সময় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিবরণীতে জানানো হয়, ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, নারী ও শিশু নির্যাতন, চাঁদাবাজি, চুরি, দ্রুত বিচার, মাদকদ্রব্য আইনে মামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্ষণ, আহত, অস্ত্র উদ্ধার ও চোরাচালানের মামলা কমেছে।
এ ছাড়া জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত হন এবং সাতজন আহত হন। এই মাসে ৩৫৯টি মামলা করেন ২১১টি ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এসব মামলায় ২৪ লাখ ৮০ হাজার ৪৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ ছাড়া ২৮৪ জনকে অর্থদণ্ড, পাঁচজনকে কারাদণ্ড, ৭০ জনকে উভয় দণ্ডসহ মোট ৩৫৯ জনকে বিভিন্ন অপরাধে দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায়, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় যানজট নিরসন, মহাসড়কে যান চলাচলে শৃঙ্খলা, শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা, ভাঙাচোরা সড়ক মেরামত, পরিবেশ দূষণ, পলিথিনের ব্যবহার রোধসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সমাধানে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় উপস্থিত জেলা পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি কদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্য উদ্ধারে অভিযান এবং যানজট নিরসনে নিয়মিত চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়সার উল্লেখিত এবং আলোচিত বিষয়গুলো দ্রুত নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
মন্তব্য করুন