

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় মাদক বিক্রির অর্ধকোটি টাকা ও সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি আভিযানিক টিম। আটক মাদক ব্যবসায়ীর নাম মো. মোস্তফা (৩০)। তিনি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল গ্রামের ভূইয়াপাড়ার নুরুল হকের পুত্র।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) চান্দিনা থানায় মাদক আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে ওই গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মোস্তফাকে আটক করে। এ সময় তার ঘর থেকে মাদক বেচা বিক্রি ও লেনদেনের ৫২ লাখ ৮৮ হাজার টাকা, ৩ হাজার ৬৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৪টি মোবাইল ফোন ও একটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে সেনা বাহিনী চান্দিনা ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. আল সোয়ানূর ইসলাম বলেন, 'মাদক ব্যবসায়ী মোস্তফার তথ্যটি আমাদের কাছে আসলে আমরা মোস্তফার গতিবিধির ওপর নজরদারি বাড়াই। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তার বাড়িতে অভিযান চালাই। এ সময় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির তাই অর্ধকোটিরও বেশি টাকাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করে চান্দিনা থানা পুলিশে সোপর্দ করি।'
চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, 'মাদক ব্যবসায়ী মো. মোস্তফার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। মামলার সকল প্রক্রিয়া শেষে তাকে আজ বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলের পর কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন।
আজ শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুম্মার নামাজ শেষে ছাতিপট্রি মসজিদে তাঁর উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন এবং বেগম জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
দোয়া মাহফিল শেষে বিকালে হাজী ইয়াছিন নগরীর ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের তেলিকোনা, গোবিন্দপুকুরপাড় ও আশপাশ এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লাকে নিয়ে তাঁর উন্নয়ন–ভিশন তুলে ধরে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, তরুণ ভোটার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
গণসংযোগ চলাকালে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের সংগ্রামের প্রতীক। তাঁর দ্রুত আরোগ্য পাওয়াই এখন আমাদের প্রত্যাশা। এজন্যই আজ আমরা আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে দোয়া করেছি।
কুমিল্লা–০৬ আসনের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আরও বলেন,“এই এলাকার মানুষ পরিবর্তন চায়, ন্যায়বিচার চায়। আমি ঘরে ঘরে যাচ্ছি মানুষের কথা শুনতে। শান্তিপূর্ণভাবে আমরা মাঠে আছি—মানুষের আস্থা অর্জন ও তাদের প্রত্যাশার প্রতিদান দেওয়াই আমার লক্ষ্য।”
রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা নিয়ে হাজী ইয়াছিন বলেন,“দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায়, জবাবদিহি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ঘোষিত এই ৩১ দফা জনগণের প্রকৃত আশা–আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। কুমিল্লাকে আমরা একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও নাগরিকবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
গণসংযোগ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন—মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুব রহমান দুলাল, আব্দুল জলিল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মজিবুর রহমান কামাল, রিয়াজ খান রাজু, মনির হোসেন পারভেজ, কুমিল্লা মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকি রাকিব, সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, ১৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফরহাদ হোসেন ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর হাবিবুল্লা, ১৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব, ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জুবায়ের আলম জিলানীসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা হাজী
আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
আজ
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য ফোন
করা হয়েছে। হাজী ইয়াছিনের একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্র কালের কণ্ঠকে এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
এদিন
দুপুরের দিকে বিএনপির এই নেতাকে সংসদ সচিবালয় থেকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে প্রস্তুত
থাকার জন্য ফোন করা হয়েছে।
তবে
তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হাজী
ইয়াছিন অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তার অনুসারীরা
দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে রাজপথে লাগাতার আন্দোলন করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি স্বতন্ত্র
প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লা-৬ আসনে (সদর, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ও কুমিল্লা সিটি কপোরেশন)
নিজের মনোনয়ন জমা দেন। পরবর্তীকালে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুরোধে তিনি মনোনয়ন
প্রত্যাহার করেন এবং দলীয় প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করতে তার পক্ষে নির্বাচনী
প্রচারণায় অংশ নেন।
১৯৯৬
সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন কুমিল্লা-৯ আসনে থেকে সংসদ
সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে তিনি কুমিল্লা কোতয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত
হন। ২০০১ সালে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মনোনিত হন। ২০০৯ সালে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা
বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হন।
২০২২
সালের ৩০ মে হাজী ইয়াছিনকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ঘোষণা করা হয়। সর্বশেষ
২০২৫ সালের ১২ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের
সদস্য মনোনীত হন তিনি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
১৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং করেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন।
এ সময় কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ মোল্লা টিপু , সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিব ও কুমিল্লার তরুণ বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান হাজী ইয়াছিনকে বিএনপির ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আপনার নেতৃত্বে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রত্যেক প্রার্থী যেন বিজয়ী হয় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান হাজী ইয়াছিনকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সব কয়টি সংসদীয় আসনের সমন্বয়ক হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করেন। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী এ কথা নিশ্চিত করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
২০ ফেব্রুয়ারী রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানাধীন রামপুর
এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ তুহিন (৩৫) এবং মোঃ জুয়েল নামক ২
জন মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা এবং মাদক
পরিবহন কাজে ব্যবহৃত ১ টি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী মোঃ তুহিন (৩৫)
ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানার দৌলা গ্রামের আজাহার উদ্দিন এর ছেলে এবং ২নং আসামী মোঃ
জুয়েল (২৮) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পাচরা গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় দুটি ভিন্ন এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানকালে অস্ত্র ব্যবসায়ী হায়দার ও পেনু মির্জাকে ৪টি শর্টগানসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, তারা ছদ্মনাম ব্যবহার করে অস্ত্রের ব্যবসা করতো। ২২ জুলাই ভোররাত ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত শহরের দুটি ভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে দুইজন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন কুমিল্লা কোতয়ালী থানার মুরাদপুর এলাকার মো. আবু হায়দার (৪০), কোতয়ালী থানার নূরপুর এলাকার মজিবর রহমান (৩৮)। মজিবরের ছদ্মনাম নাম পেনু মির্জা ।
অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে শর্টগান ৪টি, বিদেশি চাকু ১টি, ছেনি ১টি, অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ২টি, বাটন ফোন ২টি ,পাসপোর্ট ১টি, এলজির কার্তুজ ১টি উদ্ধার করা হয়।
যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, অল্প পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হলেও গোয়েন্দা তথ্য ও মোবাইল ফরেনসিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। যেমন, প্রাথমিক অডিও বিশ্লেষণে জানা যায়, পেনু মির্জা ৭.৬৫ পিস্তল এক লক্ষ টাকায় বিক্রি করতেন। এছাড়া হায়দার আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করতেন বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়।
এই দুই অস্ত্র ব্যবসায়ী এখন পর্যন্ত চারটি আগ্নেয়াস্ত্র বহনের প্রমাণসহ ধরা পড়লেও তাদের চ্যানেলে দুটি ৭.৬৫ পিস্তল লেনদেন হয়েছে। এমন তথ্য ইতোমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থার হাতে এসেছে।
এছাড়া, অপরাধ জগতে ছদ্মনাম ব্যবহারের প্রবণতাও এই অভিযানের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, যেমন পেনু মির্জা নামটি। মূল পরিচয় গোপন রাখতে এটি ব্যবহৃত হতো।
নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী (২৩ বীর) ও র্যাব-১১-এর যৌথ অভিযান ধারাবাহিকভাবে ফলপ্রসূ প্রমাণিত হচ্ছে বলে জানায় যৌথ বাহিনী।
কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহিনুল ইসলাম বলেন, যৌথ বাহিনী আসামিদের থানায় হস্তান্তর করার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার সুয়াগাজী ও জগোপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে।
আজ দুপুরে উক্ত অভিযানে মোট ৩৯ বোতল কিং ফিশার বিয়ার ও ৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয় এবং আসামি পলাতক।
সেনাবাহিনীর এই তাৎক্ষণিক ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি এনে দিয়েছে এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে আরো উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতজ্ঞ শচীন দেববর্মন এর ১১৮ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসনের
আয়োজেন নগরীর চর্থাস্থ শচীন দেববর্মনের বাড়ীতে শিল্পীর মূর্যালে শ্রদ্ধা নিবেদন করা
হয়।
শুরুতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ
থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা
কালচারাল কমপ্লেক্স, জাসাস কুমিল্লা, বাংলা সংস্কৃতি বলয়, কুমিল্লা জিলা স্কুলসহ বিভিন্ন
সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন শিল্পীর মূর্যালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
(সার্বিক) পষ্কজ বড়ুয়া, জেলা কালচারাল কর্মকর্তা আয়াজ মাবুদ, কবি নজরুল ইন্সটিটিউট
কেন্দ্র কুমিল্লার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলামিন, জাসাস কুমিল্লার আহবায়ক সিরাজুল
ইসলাম মিলন, কালচারাল কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক
শেখ ফরিদ আহমেদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লাকে নিয়ে হাজী ইয়াছিনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জনসাধারণের কাছে তুলে ধরতে একটি গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকালে নগরীর ছাতীপট্টি অজিত গুহ কলেজ এলাকা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় হাজী ইয়াছিন উপস্থিত না থাকলেও তার পক্ষে নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচি পরিচালনা করেন। কর্মসূচিটি ছাতীপট্টি থেকে শুরু হয়ে চকবাজার–তেলিকোনা হয়ে গুধীরপুকুর পাড়ে গিয়ে শেষ হয়।
গুধীরপুকুর পাড়ে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়া এখন সময়ের দাবি। জনগণের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই ৩১ দফার লক্ষ্য।
তারা জানান, হাজী ইয়াছিন কুমিল্লার মানুষের পাশে থেকে যে উন্নয়ন–ভিশন দিয়েছেন, তা আগামী দিনে কুমিল্লার আধুনিক নগর বিকাশে ভূমিকা রাখবে।
বক্তারা আরো বলেন, কঠিন সময়েও হাজী ইয়াছিন দলের প্রতি যে নিষ্ঠা ও ত্যাগ দেখিয়ে গেছেন তা কুমিল্লার বিএনপিকে প্রেরণা দেয়। সংগঠনের প্রতিটি নেতা–কর্মীর মাঝে তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রয়েছে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, সদর দক্ষিণ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু সায়েম মজুমদার, সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়া জুয়েল—সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকরা জানান, আগামী দিনগুলোতে এই কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে আরও বিস্তৃত আকারে পরিচালিত হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা মাধাইয়ায় আদাভর্তী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেলে আব্দুল খালেক নামে একজন পথচারী নিহত হয়েছে।
ঘটনার পর নিহতের লাশ উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যায় স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ভোর পাঁচটার দিকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে উপজেলার মাধাইয়া অংশে বাঁশ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আবদুল খালেক পার্শ্ববর্তী দেবিদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বেতুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিন পেশায় কসাই।
স্থানীয় বাঁশ ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম জানান, ভোর পাঁচটার দিকে আবদুল খালেক গরু জবাই করতে মহাসড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা আদা ভর্তি একটি ট্রাক ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পথে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালেককে চাঁপা দিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় খালেক। এ সময় খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে ট্রাকের নিচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যায়
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
মৃত্যুর
আগ পর্যন্ত কামলা হয়ে কুমিল্লা-৩ আসনের মানুষের
পাশে থেকে তাদের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান
ও সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এবং পাঁচবারের সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ।
তিনি
বলেন, ‘অতীতে আমি আপনাদের কামলা হয়ে যেভাবে পাশে ছিলাম, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেভাবে
কামলা হয়ে থাকতে চাই। নেতা হিসেবে নয়, আমি আপনাদের কামলা হিসেবেই থাকতে চাই।’
শনিবার বিকালে কুমিল্লার বাঙ্গরা উমালোচন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জনসভায়
বক্তব্যের শুরুতে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান কায়কোবাদ বলেন, ‘আমরা কি চিন্তা করতে পেরেছিলাম
বাঙ্গরা হাইস্কুল মাঠে আমরা আজকে সমাবেশ করতে পারব? আমরা কি চিন্তা করতে পেরেছিলাম
শেখ হাসিনার দেশ থেকে এভাবে পালিয়ে যাবে? আমরা কি চিন্তা করেছিলাম সেই স্বৈরাচারদের
অনেকে জেলখানায় যাবে এবং বিচারের মুখোমুখি হবে। এসব ব্যবস্থা করেছে আল্লাহ।’
এসময়
আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জানানোর জন্য সবাইকে একবার সূরা ফাতিহা পাঠ করান তিনি।
অন্তর্বর্তী
সরকার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনাকে এই সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা বানিয়েছে আল্লাহ। এই আওয়ামী লীগ সরকার আর কিছুদিন থাকলে অনেকের মত
আপনাকেও জেলখানার স্বাদ গ্রহণ করতে হতো। আল্লাহ আপনাকে সেই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ দিয়েছে।
এজন্য আপনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন এবং জনগণের আশাকে পূরণ করার চেষ্টা করুন।’
তিনি
বলেন, ‘এই মুহূর্তে জনগণের একটিই আশা, সেটি হল নির্বাচন। সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে এই
সংস্কারের মাধ্যমে বড়লোকদের উপকার হবে গরিবদের কোনো উপকার হবে না। আপনাদের সংস্কারের
প্রয়োজন নেই। সংস্কার ছেড়ে দিন তাদের ওপরে, যারা জনপ্রতিনিধি হবে। তাদের কাছে পরামর্শ
রেখে যান। আপনাদের পরামর্শকের সামনে রেখে এই সেই সরকার এগুলো পালন করার চেষ্টা করবে।
কাজী
শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ আরও বলেন, ‘যেভাবে বাংলাদেশের জনগণ একত্রিত হয়ে আন্দোলন
করেছিল, সেই আন্দোলনের ফসলকে ইউরোপ-আমেরিকা সমস্ত পৃথিবী একসেপ্ট করে নিয়ে স্বাগত
জানিয়েছে। আগে অনেকে অনেক কথা বলেছি অনেকে অনেক ভাষায় কথা বলেছে, কারো কথা শুনে নাই।
কিন্তু এই আন্দোলনের মাধ্যমে যখন বাংলাদেশের নারীরা, যুবকেরা ও মেহনতি মানুষ একত্রিত
হয়ে ঢাকা শহরের রাস্তায় নেমে পড়ল তখন তারা সবাই একযোগে চিৎকার করে বলে উঠল আমরা
তোমাদের সঙ্গে আছি। এরপর সবাই বলল এই স্বৈরাচারের বিচার হবে, বিচার করতে হবে। কিন্তু
এর আগে কিন্তু এই বিচারের কথা কেউ বলে নাই।
তিনি
বলেন, আমরা সবাই একত্রিত হয়ে যেমনিভাবে এই স্বৈরাচারকে পতন করিয়েছি, এমনিভাবেই একত্রিত
থাকতে হবে যেন আমাদের দাবি আদায় ও সুন্দর নির্বাচন আদায় করতে পারি।
এসময়
সৃষ্টিকর্তাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আল্লাহর কাছে আমাদের বলতে হবে, চাইতে হবে যেভাবে
স্বৈরাচার সরকারকে আমাদের মাঝখান থেকে বিদায় করেছে সেভাবেই একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা
করে দাও।
নারীদের
প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে বিএনপির জনপ্রিয় এই নেতা বলেন, ‘যতবার নির্বাচন করেছি ভোটের
সেন্টারে গিয়ে দেখেছি মহিলাদের লাইনটা অনেক বড়। আর এ কারণেই দেখা যেত ভোটের যে রেজাল্ট
এখানে আমাকেই আল্লাহপাক বেশি ভোট দিয়েছে।’
এসময়
তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে বলে হিন্দু ভোট আওয়ামী লীগের, আমাদের আন্দিকুট ইউনিয়নে কয়েকটা
গ্রাম আছে যেখানে হিন্দু মুসলমানের চেয়েও বেশি। ওই সেন্টারে আল্লাহ পাক আমাকে সমসময়
আমাকেই জিতিয়েছে।
জনসভা
বিকেল ৪টায় শুরু হলেও দুপুর থেকেই নেতাকর্মীরা মিছিলে মিছিলে সভাস্থলে এসে জমায়েত
হোন। নেতাকর্মীদের নানা শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। বিকেল চারটার আগেই পরিপূর্ণ
হয়ে পড়ে জনসভাস্থল। জনসভায় উপস্থিত জনতার মধ্যে পুরুষের সঙ্গে নারীদের উপস্থিতিও
ছিল চোখে পড়ার মতো।
কুমিল্লা
মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জনের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি
ছিলেন, বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য
রাখেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান সরকার,সদস্য সচিব তারেক মুন্সী, যুগ্ম
আহ্বায়ক তৌফিক আহমেদ মীর, সাবেক মেজর মো. শাজাহান, মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম
আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শামীমা
আক্তার রুবি,উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি কাজী তাহমিনা আক্তার, মুরাদনগর উপজেলা যুবদলের
আহ্বায়ক সোহেল সামাদ,মুরাদনগর উপজেলা হিন্দু পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দয়ানন্দ
ঠাকুর প্রমুখ।
মন্তব্য করুন