

৩ বছর বিরতির পর অনেকটা নীরবেই হয়ে গেল ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০২৩’-এর আয়োজন। গেল ২৮ জানুয়ারি বসেছিল এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আসর।
সেখানে ২০ প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০২৩’ এর মুকুট উঠেছে ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার, মডেল ও টিকটকার শাম্মি ইসলাম নীলার মাথায়।
এছাড়া প্রথম রানারআপ হয়েছেন আকলিমা আতিকা কণিকা ও দ্বিতীয় রানারআপ শাকিরা তামান্না।
জানা যায়, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন শাম্মি ইসলাম নীলার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ঢাকায়। দুই ভাই-বোনের মধ্যে ২৩ বছর বয়সী নীলা বড়। রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএতে পড়াশোনা করছেন তিনি।
নীলার ছোটবেলা থেকেই তার ইচ্ছা ছিল ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার। তিন বছর ধরে মডেলিং করছেন তিনি। ফ্যাশন আর বিউটি নিয়ে কয়েকটি বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের সঙ্গে ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে নিয়মিত কাজ করছেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমেও তার পরিচিতি বেশ। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম আর টিকটক - তিন মাধ্যমেই জনপ্রিয় নীলা। বিশেষ করে টিকটকে তার কয়েকটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ফেসবুকে তার ৫৬ হাজার অনুসারী। ইনস্টাগ্রামে তা ছাড়িয়ে গেছে এক লাখ ১০ হাজার।
ভবিষ্যতে মডেলিং ও অভিনয় করতে চান নীলা। পাশাপাশি প্রাণীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করবেন তিনি।
প্রসঙ্গত, বিজয়ী নীলা বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন মিস ওয়ার্ল্ডের ৭১তম আসরে। এবারের মূল আয়োজনটি হবে ভারতে। এই আসরে যোগ দিতে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লি যাবেন নীলাসহ বিভিন্ন দেশের বিজয়ী সুন্দরীরা। আগামী ৯ মার্চ ভারতে অনুষ্ঠিত হবে ‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০২৩’ প্রতিযোগিতা।
মন্তব্য করুন


আজ (৬ মে) থেকে সারা দেশে টানা সাত-আট দিন বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া
অধিদপ্তর। কোথাও কোথাও কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া
অধিদপ্তর।
পরবর্তী
পাঁচ দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতে বলা হয়েছে,
এ সময়ও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। সে হিসেবে আগামী এক সপ্তাহ টানা
বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওবিদ
মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত ওই পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিন দেশের বিভিন্ন জেলায় ভারি বৃষ্টি, কোথাও কোথাও
বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দমকা হাওয়াসহ শিলাবৃষ্টির আভাস রয়েছে
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
এ
সময়ের শুরুতে দিনের তাপমাত্রা কমতে এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। পরে তা
অপরিবর্তীত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নে এক প্রবাসীর বাড়িতে সংঘটিত দুর্ধর্ষ ডাকাতির
ঘটনায় মা ও তার স্কুলছাত্রী কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান
চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ভুক্তভোগীরা শনাক্ত করেছেন বলে
জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার
(৮ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার সিকদারপাড়া ডলুনিঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মাতামুহুরী
তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো
এলাকা ঘিরে ফেলে। মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ছয়জনকে
গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা
হলেন, রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে বাবু (২৩), কেফায়েত হোসেন ওরফে পুইত্যা
(২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) এবং মোহাম্মদ তারেক (২৬)।
পুলিশ
পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ জানান, খবর পেয়ে মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্র ও চকরিয়া থানা পুলিশের
একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মা ও মেয়েকে উদ্ধার
করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি
হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে
(ওসিসি) ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়রা
জানান, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল গভীর রাতে বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে
প্রবেশ করে। পরে তারা ঘরের মূল দরজা খুলে অন্য সদস্যদের ঢুকতে সহায়তা করে। ডাকাতরা
পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল
লুট করে নেয়। একপর্যায়ে বাড়িতে থাকা এক নারী ও তার দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত কন্যাকে সংঘবদ্ধভাবে
ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী
স্কুলছাত্রীর মামা সাইদুল ইসলাম মারুফ বলেন, “আমার ভাগ্নির শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।”
স্থানীয় বাসিন্দা মো. রকিব জানান, ডাকাতরা প্রথমে গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে এবং পরে
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাট চালায়। এরপর তারা পরিবারের সদস্যদের ওপর পাশবিক নির্যাতন
চালিয়ে পালিয়ে যায়।
সহকারী
পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাস বলেন, “প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে একদল ব্যক্তি বাড়িতে
প্রবেশ করে ডাকাতি সংঘটিত করে এবং ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান
শুরু করে। এ পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত
রয়েছে।”
চকরিয়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ
চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীদের
ডাক্তারি পরীক্ষা, চিকিৎসা ও অন্যান্য আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলা দায়েরের কার্যক্রম
এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এদিকে, জড়িতদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একই
সঙ্গে এলাকায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি, রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে
বিশেষ অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীতে র্যাব ফোর্সের ১৪৮টি দলসহ সারাদেশে ৪৩২টি টহল
দল মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার
(২২ নভেম্বর) সকালে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান
খান এ তথ্য জানান।
তিনি
জানান, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রদানে দেশের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার
গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহনকে র্যাব টহলের মাধ্যমে এস্কর্ট প্রদান করে নিরাপদে গন্তব্যে
পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ
গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
ভূঞাপুরে বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘ র্ষে সুরুজ আকন্দ নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।
রবিবার
(৩১ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পশ্চিম ভূঞাপুর নতুন বাইপাস রোডে এ দুর্ঘটনা
ঘটে। নিহত সুরুজ আকন্দ পশ্চিম ভূঞাপুর গ্রামের কালু আকন্দের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, ভূঞাপুর বা জার থেকে আলম ও সুরুজ আকন্দ মোটরসাইকেলযোগে নিজ বা ড়ি পশ্চিম ভূঞাপুরে
যাচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা তারাকান্দিগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের
মুখোমুখি সংঘ র্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সুরুজ আকন্দ নিহত হন। আহত হন মোটরসাইকেল চালক
আলম। তাকে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ
বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বির রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার
করে থানায় আনা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


কৃষি
ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, ভারত-পাকিস্তান
যুদ্ধ ভয়ের কোনো কারণ নেই, আমাদের সীমান্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। এখানে কোন ধরনের
সমস্যা নেই। কৃষকরা ভালোভাবে ধান কাটতে পারবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে বিরল উপজেলার মোকলেছপুর ইউনিয়নের ঢেলপীর ব্লকে বোরো ব্রি
ধান-৮৮ কাটার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
কৃষি
উপদেষ্টা বলেন, দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। যখন আমাদের সাড়ে ৭ কোটি
মানুষ ছিল; সেই সময়ে কৃষিজমির সংখ্যা বেশি ছিল। কিন্তু এখন লোকসংখ্যা ১৮ কোটি, ফলে
কৃষি জমি কমে গেছে। উন্নত জাত এবং কৃষকদের কঠোর ও বিজ্ঞানীদের কঠোর পরিশ্রমের কারনে
ধানের উৎপাদন ভালো।
কৃষি
জমির ব্যাপারে কৃষি উপদেষ্টা বলেন, নতুনভাবে আইন করা হবে। ভূমি ব্যবহার নীতিমালা, কৃষি
জমি সুরক্ষা আইন নতুনভাবে করার চিন্তা-ভাবনা আছে, কিছুদিনের মধ্যেই তা করা হবে। ভাটা
যেন না চলে; সেজন্য আমরা নতুনভাবে চিন্তাভাবনা করছি।
এ
সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) তরিকুল ইসলাম, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার
শহীদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ
আলীসহ রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী বছর ২০২৫ সালের সরকারি ছুটির
তালিকা অনুমোদন করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। আগামী বছর সাধারণ ও নির্বাহী
আদেশ মিলিয়ে মোট ২৬ দিন ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন। শুক্রবার
৫টি ও শনিবার ৪টি।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর
তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের
সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে
পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
আগামী বছর সাধারণ ছুটি ১২ দিন ও নির্বাহী
আদেশের ছুটি ১৪ দিন। ছুটি গত বছর থেকে মোট ৪ দিন বেড়েছে।
অনুমোদিত ছুটির তালিকায় অন্তর্ভূক্ত বিষয়সমূহ হলো:
(১) জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের
গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় পর্ব উপলক্ষ্যে ১২ (বার) দিন সাধারণ ছুটি। এ ছুটির মধ্যে ৫টি সাপ্তাহিক
ছুটির দিন (৩টি শুক্রবার ও ২টি শনিবার)।
(২) বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ
ধর্মীয় পর্ব উপলক্ষ্যে ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি। এর মধ্যে ৪টি সাপ্তাহিক ছুটির দিন (২টি শুক্রবার
ও ২টি শনিবার)।
(৩) ধর্মীয় পর্ব উপলক্ষ্যে প্রজাতন্ত্রের
কর্মচারীদের বছরে অনধিক ০৩ দিনের এচ্ছিক ছুটি ভোগের জন্য ধর্মীয় পর্বসমূহের বিবরণ।
(৪) পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা ও এর
বাইরে কর্মরত বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীদের প্রধান সামাজিক উৎসব
বৈসাবি বা অনুরূপ সামাজিক উৎসব উদযাপন উপলক্ষ্যে ২ দিন ঐচ্ছিক ছুটি। এ ছুটির মধ্যে
একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন (০১টি শনিবার)।
(৫) ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের জন্য ১২ দিন
সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ
প্রস্তাবিত মোট ছুটি (০৯ দিনের সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে ৫টি শুক্রবার ও ৪টি শনিবার ব্যতীত)
২৬ - ০৯ = ১৭ দিন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের অনুমোদিত
মোট ছুটি (২ দিনের সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ব্যতীত) ছিল ২২ - ০২ = ২০ দিন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের মাটিতে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
আজ রবিবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারা আমাদের জন্য ভালো মাইলফলক হবে। কিন্তু যেহেতু বাংলাদেশ একটা সংকটকালীন পার করছে, আবার একইসঙ্গে যারা আমাদের মেহমান হয়ে আসবেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব। সবকিছু বিবেচনায় এটা ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে নেই, এখন এটা রাষ্ট্রীয় ব্যাপার। ড. মুহাম্মদ ইউনূস (অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা) স্যার আছেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নতুন নিয়োগ পেয়েছেন। সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেব। আইসিসির সঙ্গেও আমাদের আলোচনা চলমান আছে। তারপর এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।
বেশ কয়েকটি এজেন্ডা নিয়ে আগামী ২০ আগস্ট ক্রিকেট বোর্ডগুলোর সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে বসবে আইসিসি। তারা চাচ্ছে সেই সময়ের মধ্যে যেন বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়।
সূচি অনুযায়ী আগামী ৩-২০ অক্টোবর বাংলাদেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। যার জন্য আয়োজকদের হাতে আর মাত্র দেড় মাস বাকি। সে হিসেবে দ্রুত জটিলতার অবসান চায় আইসিসি।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি
ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ (২৬নভেম্বর)প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় কেউ ফেল করলে অথবা কাঙ্ক্ষিত
ফল না পেলে, তা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন সোমবার(২৭নভেম্বর)
থেকে শুরু হবে। যা চলবে আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
শুধুমাত্র এসএমএসের মাধ্যমে এই ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। প্রচণ্ড গরমে মানুষের নাভিশ্বাস অবস্হা ।
তীব্র তাপদাহে ইতোমধ্যে সারা দেশে বেশ কয়েকজনের হিট অ্যাটাকে মৃত্যুও হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন নগরবাসীকে ব্যাগে পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
তীব্র তাপপ্রবাহের এই পরিস্হিতিতে সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই অবস্থা থেকে সবাইকে বাঁচানোর জন্য তারা নিয়মিত ‘হিট অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন’ চালাচ্ছেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেন ঢাকায় তাপমাত্রা বাড়ছে তা খুঁজে বের করার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেটার চেষ্টা সম্পর্কে বুশরা জানান, তার মতে, ঢাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রা কমাতে আরও বেশি গাছ লাগানো জরুরি।
তিনি বলেন, আমাদের এখানে রাস্তার ধারে ২ লাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর উপযুক্তভাবে রক্ষণাবেক্ষণও করতে হবে। নগরে বনায়ন করা খুব জরুরি। এখানে যে ফাঁকা এবং পরিত্যক্ত জায়গাগুলো পড়ে আছে সেখানে সবুজায়ন করার দিকেও আমরা নজর দিয়েছি। আমাদের এখানে আরও অনেক পার্ক এবং সবুজে ঘেরা জায়গা দরকার। তাতে তাপমাত্রা যেমন কমবে, তেমনই পাখিসহ নানা প্রাণীও ফিরে আসবে।
হিট অফিসার আরো বলেন, ঢাকা শহরের প্রায় ৮০ শতাংশ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এর ফলে নানা রকম সমস্যার সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রাও। দিন দিন বাড়তে থাকা জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে সংকটে পড়া ঢাকার তাপমাত্রা গ্রামাঞ্চলের চেয়ে বেশি হচ্ছে।
নগরের তাপমাত্রা কমাতে ঢাকায় বনাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনার বিষয়ে বুশরা আফরিন বলেন, ঢাকায় তাপমাত্রা কমানোর জন্য আমরা ‘টু অ্যাবেল ফরেস্ট’ অর্থাৎ দুটি বন করার চেষ্টা করছি। একটা হচ্ছে মিরপুর কল্যাণপুরের দিকে; অন্যটি বনানীর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে।
তিনি বলেন, এই বন দুটি যে শুধু নগরের হিট কমাবে তা নয় পাশাপাশি দূষণ প্রতিরোধেও সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহ কমাতে শহরের ফাঁকা জায়গাগুলোতে গাছ লাগনো হবেও বলে জানান তিনি।
বুশরা বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহে আমরা নিজেরা যদি সচেতন থাকি- আমরা যদি বাসা থেকে বের হওয়ার আগে আমাদের ব্যাগে একটা পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র সঙ্গে রাখি তাহলে কিন্তু অনেকটাই নিরাপত্তা পেতে পারি।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা
এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘শুধু জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক
প্রথাগত শিক্ষা নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না, আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে
গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি
বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রূপান্তর
করা, যাতে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।’
আজ
শনিবার (০৯ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন
সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকাস্থ
চীনা দূতাবাসের উদ্যোগে এবং চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির ব্যবস্থাপনায়
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বর্তমান
শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিল্প এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের
মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় নেই। এই শূন্যতা দূর করতে হবে। আমাদের বিশাল জনশক্তিকে আমরা
দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে চাই, যারা সরাসরি কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা
করতে পারবে।' ড. মিলন বলেন, ‘আমরা গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতে এখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে
পারিনি।
তবে
এটি অর্জনে যা যা প্রয়োজন, বর্তমান তারেক রহমানের সরকার সবই করবে। শিক্ষকদের উদ্দেশে
আমার আহ্বান—শুধু বছর শেষে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। প্রতিদিনের শ্রেণিকক্ষে
পাঠদান ও সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।’
চীনে
উচ্চশিক্ষার সুযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চীনের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত এবং খুব
বেশি ব্যয়বহুল নয়। বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সেখানে সফলভাবে পড়াশোনা
করছে।’ তিনি বলেন, “বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমরা সরকার
থেকে ‘তৃতীয় ভাষা’ শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেছি। বিশেষ করে
চীনা ভাষা শিখলে আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার বিশাল
দুয়ার উন্মোচিত হবে।”
শিক্ষামন্ত্রী
আরো জানান, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে সরকার ইতিমধ্যে পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডারে
পরিবর্তন আনছে। চীনের সঙ্গে শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষকদের
দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড.
মাহদী আমিন।
আরো
বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক; বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি
কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ; বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.
বি. এম. বদরুজ্জামান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান
মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
ফোরামে
দু-দেশের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং চীন ও বাংলাদেশের
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন