

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার (৮ মে) প্রথম ধাপের কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে সোমবার (৬ মে) রাত ১০টায় নির্বাচন পরিচালক-২ এর উপসচিব আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরিত চিঠিতে নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
গতকাল (৬ মে) রাত ১১টার দিকে কুমিল্লা
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান এ স্থগিত আদেশের
সত্যতা নিশ্চিত করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সালেহা আক্তার পলি নামের এক প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। যাচাই বাছাই শেষে তার প্রার্থিতা বাতিল করেন জেলা নির্বাচন কমিশনার। পরে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। সোমবার (৬ মে) দুপুরে হাইকোর্ট তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন।
এ দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যালট পেপার ছাপাতে না পারার কারণে এ নির্বাচন পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুর নাম সিমরান (৬ মাস)। সে কুমিল্লা নগরীর নুরপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শিমুল মিয়ার কন্যা। এই সর্বশেষ মৃত্যুর ঘটনায় জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জুন হামের উপসর্গ নিয়ে সিমরানকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক ডা. মিয়া মঞ্জুর আহমেদ।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুদের নিয়মিত ও সময়মতো টিকা গ্রহণ না করানো এবং অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণেই মূলত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আশার কথা হলো, আগের তুলনায় বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নতুন রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আরও ৩০ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ হাজার ১৩৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে যথাযথ চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৫৮৭ জন। বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় ও চিকিৎসকরা শিশুদের সময়মতো হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি শিশুদের শরীরে তীব্র জ্বর, ফুসকুড়ি বা র্যাশ, কাশি কিংবা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বর্ণাঢ্য র্যালী আলোচনা সভা, ভূমিকম্প ও অগ্নিকান্ড বিষয়ক মহড়ায় সচেতনতা বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে সকালে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমী থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জিলা স্কুল মাঠে ভূমিকম্প ও অগ্নিকান্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ মহড়ায় অংশ নেয়। মহড়া শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়া, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবেদ আলী, কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল হাফিজ, ফায়ারা সার্ভিসের সহকারি পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম ভূইয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যোগে যাকাত শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(৬ মার্চ) বিকাল ৪ টায় নগরীর গোল্ডেন স্পুন অডিটরিয়ামে মহানগর জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ড.আবরার আহমেদ।বিশেষ আলোচক হিসাবে আলোচনা করেন ড.মাসুদুল হক চৌধুরী,আড়াইবাড়ী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতী আমিনুল ইসলাম।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমান এর সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন,মহানগর জামায়াতে নায়েবে আমীর যথাক্রমে মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন,অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন,মহানগর জামায়াতে কর্মপরিষদ সদস্য এড এয়াকুব আলী চৌধুরী,অধ্যাপক মজিবুর রহমান,কাজী নজীর আহম্মেদ,অধ্যাপক জাকির হোসেন,কাজী মোতাহের আলী দিলাল প্রমুখ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে। আল্লাহতাআলার আইন দিয়ে দেশ না চললে কেউ সুখ শান্তি পাবে না। এখানে চুরি, হত্যা রাহাজানিসহ যতধরনের অপকর্ম চলতে থাকবে। ইসলাম মানেই সুবিচার, ইসলাম মানলেই সুবিচার হবে। ইসলাম যতদিন না থাকবে কোথাও সুবিচার কায়েম হবে না। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইসলাম কায়েমের মাধ্যমেই সমাজের সকল স্তরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী সমাজ, রাষ্ট্র ও বিচার বিভাগ চালাবে না তারা কাফের, ফাসেক ও জালেম।
সেমিনার সম্মিলিত সকলের অংশগ্রহণে ইফতার করার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের জানাজা জেলা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় শতাধিক আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
আজ শুক্রবার (১৬ আগস্ট) জুমার নামাজের পর এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় উপস্থিত আইনজীবীরা আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এরপর তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার কাজিরগাঁও এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলি এলাকায় গত ৫ আগস্ট গুলিবিদ্ধ হন আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ। এরপর ১০ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় মারা যান তিনি।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়া তার বক্তব্যে বলেন, আবুল কালাম আজাদ একজন বিচক্ষণ আইনজীবী ছিলেন। তাঁর এমন মৃত্যুতে তিনি শোক প্রকাশ করে যারা তাঁকে হত্যা করেছে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আ হ ম তাইফুর আলম বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের নিমর্মতার বলি হয়েছেন আমাদের সহকর্মী আবুল কালাম আজাদ। তাকে নগরীর মোগলটুলি এলাকায় নিমর্মভাবে পিটিয়ে ও গুলি করে আহত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্য হয়। তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। আমরা এই ঘটনায় জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিকেলে নগরীর প্রতিটি সড়কে বিজয় মিছিলের পাশাপাশি বেশ সহিংসতা চলে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আদালতে হামলার খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যাই আমি, আমার ছেলে শাফিউল হক আলভী, আরফানুল হক অবরিন এবং অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। এরপর তারা মাগরিবের নামাজ পড়তে নগরীর মোগলটুলী এলাকায় পৌঁছালে তাদের ওপর হামলা ও গুলি করা হয়। এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ আহত হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি করছি।
এ সময় বক্তব্য দেন পিপি জহিরুল ইসলাম সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, কেন্দ্রীয় বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুর রশীদ ইয়াছিন।
জানাযার নামাজ শেষে আইনজীবী আবুল কালাম আজাদের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার কাজিরগাও এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক ও মাদক বিক্রির
নগদ টাকাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানার চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশের একটি চৌকস টিম।
কোতয়ালী মডেল থানার চকবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত অফিসার ইনচার্জ মোঃ মঈন উদ্দিন এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মীর সিরাজুল ইসলাম, এএসআই(নি:) মোঃ ইলিয়াস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে (৩ডিসেম্বর) মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭ টার সময় কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়ন শাহপুর পূর্বপাড়া মো: সহিদ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ বোতল বিদেশি মদ, ৪৮ বোতল ফেনসিডিল, ৯৩ বোতলের স্কাপসিরাপ, ৭৯ বোতল বিয়ার, ৭৭৫ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ১০,৮২,০৭০ টাকাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো, কোতয়ালী মডেল থানার শাহপুর গ্রামের মৃত আবেদ আলীর ছেলে মো: আব্দুল সাত্তার (৫২) ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার লালমাই দক্ষিণ কাছার গ্রামের আব্দুল হাই এর ছেলে মোঃ পারভেজ (১৫)।
চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মোঃ মঈন উদ্দিন বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামী আব্দুল সাত্তার ও মোঃ পারভেজ এর বিরুদ্ধে মাদক মামলা দায়ের শেষে আদালতের মাধ্যমে জেলে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী ১। আমজাদ হোসেন ফরহাদ এবং ২। মোঃ মাইন উদ্দিন নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করা হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৭০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি
পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। আমজাদ হোসেন ফরহাদ (২৭) ফেনী জেলার সদর থানার মরুয়ারচর গ্রামের মৃত সাদেক এর ছেলে
এবং ২। মোঃ মাইন উদ্দিন (২৮) একই গ্রামের মৃত মাস্টার সৈয়দ আহমেদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা
দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত পিকআপ ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
গাঁজা সংগ্রহ করে ফেনী, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের
নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক
অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে
র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন তেলিকোনা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী শাহীন নামক একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন
কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী শাহীন (৬০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার গাজীপুর গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত
সিএনজি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে
কুমিল্লাসহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে
বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান
পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত
থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীতে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মধ্যে ড্রেনে পড়ে স্মৃতি (৮) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) রাত ৯টার দিকে নগরীর ছোটরা পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত স্মৃতি কালিয়াজুড়ি বদরপুর এলাকার বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে মায়ের সঙ্গে ফুটপাত দিয়ে যাওয়ার সময় স্মৃতি মায়ের হাত থেকে ছিটকে জলাবদ্ধ সড়কের ভাঙা স্ল্যাবের ফাঁক দিয়ে ড্রেনে পড়ে যায়। এ সময় আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করেন। প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর কিছুটা সামনে ড্রেনের ভেতরে আটকে থাকা অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার ও সংস্কারের কাজ চলছিল। কয়েকটি স্থানে ড্রেনের ঢাকনা খোলা ছিল এবং অনেক স্ল্যাব ভাঙা অবস্থায় ছিল। টানা বৃষ্টির কারণে সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় খোলা ড্রেন ও ভাঙা স্ল্যাব পানির নিচে ঢেকে যায়, ফলে পথচারীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসী জানান, নগরীর বিভিন্ন সড়কের পাশের ড্রেন দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। অনেক জায়গায় স্ল্যাব ভাঙা কিংবা ফাঁকা থাকায় এসব ড্রেন কার্যত ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ড্রেনগুলো সংস্কার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম গেছে। এটি একটি দুর্ঘটনা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলায় নানার
বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নদীতে ডুবে মাহিরা নামের আড়াই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি
ঘটেছে শনিবার (২৭ জুলাই) সকালে তিতাস উপজেলার বাঘাইরামপুর গ্রামে।
নিহত মাহিরা উপজেলার বন্দরামপুর গ্রামের
মুছা সরকারের মেয়ে।
নিহতের নানা জালাল উদ্দীন বলেন, প্রতিদিনের
মতো মাহিরা বাড়ির অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলতে বের হয়। তার কিছুক্ষণ পর অন্যসব শিশুরা
ফিরে এলেও তাদের সঙ্গে মাহিরাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। অনেক খোঁজাখুঁজির
পর কোথাও না পেয়ে বাড়ির পাশে নদীর তীরে কাদা-পানির মধ্যে মাহিরাকে ভাসতে দেখি। তাৎক্ষণিকভাবে
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


বস্ত্র ও পাট এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সপ্তাহখানেক আগেও
কুমিল্লায় ত্রাণ দিয়েছি। আজ জরুরি ওষুধ যা বন্যা পরবর্তী সময় দরকার হয় ও একদল বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক নিয়ে এসেছি। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। দ্রুত বন্যায় ক্ষয়-ক্ষতির নিরূপণ
ও বন্যা দুর্গতদের পুনর্বাসনে কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকার। ক্ষতির পরিমাণ দেখে বন্যায়
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা হবে
শনিবার (৩১ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
উপজেলা ও বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের জরুরি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণের পর এসব কথা
বলেন তিনি। এসময় শিশু ও গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও এইচ অ্যান্ড এইচ ফাউন্ডেশনের হেলথ কেয়ার
প্রজেক্ট কনসালটেন্ট ডা. রেহানা খানমের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রতিনিধি দল বন্যায়
অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে
আহত হয়ে কুমিল্লার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ৬ জনের চিকিৎসার
খোঁজ-খবর নিলেন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। পরে বন্যার কারণে অসুস্থদের পরিদর্শন ও
চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।
বস্ত্র ও পাট এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের নিজ উদ্যোগ ও এইচ অ্যান্ড এইচ ফাউন্ডেশন, পিএসও, এস এস
গ্রুপের ও অন্যান্য সংগঠনের সহায়তায় প্রায় ৭০ হাজার ওষুধ এবং ১০০০ প্যাকেট শিশুখাদ্য
বিতরণ করা হয়েছে, এর মধ্যে পাউডার দুধ, চকোলেট, ম্যাংগো বার,বিস্কুট, চিপস, চানাচুর
ইত্যাদি প্রদান করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম সেনা
ক্যাম্পের লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রহমতুল্লাহ, সার্কেল
এএসপি জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহেদা বেগমসহ সেনাবাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তা
ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন