

কুমিল্লা সংরক্ষিত নারী আসনের
সাবেক সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী
লীগের সহ-সভাপতি এবং লক্ষীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি
কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলামকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর
গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার রাতে গুলশানের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা
হয়।
আজ শনিবার (১০
মে) সকালে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ
রবিউল হোসেন ভূঁইয়া।
তিনি জানান, কুমিল্লা সংরক্ষিত নারী আসনের
সাবেক সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জানা গেছে, সেলিনা ইসলাম আলোচিত অর্থ ও
মানবপাচার মামলায় কুয়েতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি লক্ষীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি কাজী শহীদ
ইসলাম পাপুলের স্ত্রী। সেলিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ সম্পদ অর্জন ও
মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছিল।
তিনি একাদশ জাতীয় সংসদের
সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪৯ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ
সদস্য ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আয়োজিত গণসংবর্ধনায় যোগ
দিতে ঢাকায় যাওয়ার পথে নরসিংদীতে হামলার শিকার হয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।
গত বুধবার দিবাগত গভীর রাতে নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার আমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ থেকে বিএনপির নেতাকর্মীদের বহনকারী যাতায়াত পরিবহনের
একটি বাস রাজধানীর পূর্বাচল অভিমুখে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শিবপুর উপজেলার আমতলা এলাকায়
দুর্বৃত্তরা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাসটিতে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় বাসটি
ভাঙচুর করা হয় এবং চালককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আহত চালককে উদ্ধার করে শিবপুর
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই
স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা চান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে
পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ
সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক
পোস্টে অভিযোগ করে বলেন, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার আমতলা রাস্তায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী
বাহিনী হঠাৎ আমাদের গাড়িবহরে হামলা চালায়। এতে গাড়ির চালক গুরুতর আহত হন। আমরা ৯৯৯-এ
ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা নিয়েছি।
তবে শিবপুর
মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কুহিনর মিয়া জানান, কিশোরগঞ্জ থেকে
ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা যাতায়াত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মনোহরদীর ড্রেনের ঘাট
এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানের চালকের সঙ্গে তর্কে জড়ায়। পরে শিবপুরের আমতলা এলাকায় এসে
ওই পিকআপ ভ্যানের চালক ও তার সহযোগীরা বাসটি আটকে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। ঘটনার বিস্তারিত
তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত নয়টি কলেজের কোন পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। নয় কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৩ জন। নয় কলেজের মধ্যে আটটিই স্কুল ও কলেজ। অর্থাৎ স্কুল থেকে কলেজ হয়েছে। দক্ষ শিক্ষক না থাকার কারণে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার শূন্য নয় কলেজের।
কলেজ গুলো হল- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়ন স্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ হাইস্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর সদর উপজেলার কেমব্রীজ সিটি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার নিদারাবাদ ইউনিয়ন হাইস্কুল ও কলেজ, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাইটশালা আদর্শ হাইস্কুল ও কলেজ, লালমাই উপজেলা সূর্য মেমোরিয়াল হাইস্কুল ও কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার চাঁনপুর আদর্শ হাইস্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার সেবাগরাম ফজলুর রহমান স্কুল ও কলেজ, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার জীবগাঁও জেনারেল হক হাইস্কুল ও কলেজ।এর মধ্যে জিনোদপুরে ৩ জন, তোরাবগঞ্জে ৪ জন, কেমব্রীজে ৪ জন, নিদারাবাদে ৬ জন, ষাইটশালাতে ৬ জন, সূর্যতে ৬ জন, চাঁনপুরে ১১ জন, সেবাগরামে ১২ জন ও জীবগাঁওয়ে ১৯ জন করে পরীক্ষার্থী ছিল।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন বলেন, এই নয়টি কলেজের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখ নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর
সদস্যদেরকে দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৫
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তোরণে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। একটি নির্বিঘ্ন
ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে
দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের
সকল শহীদ, যুদ্ধাহত এবং অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করেন এবং ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট
মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সকল শহীদ, আহত এবং অংশগ্রহণকারী সর্বস্তরের জনগণের প্রতিও
শ্রদ্ধা জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম ১৯৭১ সালে
রণক্ষেত্রে। সেসময় ২১ নভেম্বর সেনাবাহিনীর সাথে নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তানি
বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়েছিল বলে ২১ নভেম্বরকে মুক্তিযুদ্ধের একটি মাইলফলক হিসেবে গৌরবের
সাথে পালন করা হয়। তবে মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সংগ্রামের সূচনা ঘটে ২৫শে মার্চের
রাত থেকেই। আমরা যদি বিজয় অর্জন না করতাম তাহলে এই বীর সেনাদের মৃত্যুদন্ড ছিল অনিবার্য,
অসহনীয় হয়ে যেত তাঁদের পরিবারের সকল সদস্যের জীবন।
ড. ইউনূস আরও বলেন, মুক্তিকামী সেনা, নৌ ও বিমান
বাহিনীর অকুতোভয় বীর সেনানীরা জীবনের পরোয়া না করে, পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা
না করে এদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তারাই এদেশের আপামর জনসাধারণকে সাহস
জুগিয়েছেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জল-স্থল ও আকাশপথে সম্মিলিতভাবে
প্রতিরোধ গড়ে তুলে দেশমাতৃকাকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে এনেছেন। যুদ্ধ বেগবান
ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে তখন বাংলাদেশ ফোর্সেস গঠন করা হয়েছিল। যার অধীনে ১১টি সেক্টরে
দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি গেরিলা প্রশিক্ষণ
দেওয়া হয়।
এরই চূড়ান্ত রূপ আমরা দেখি ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর
সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সম্মিলিত অভিযানে। পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে
এই যৌথ অভিযানই ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের চুড়ান্ত বিজয়
এনে দিয়েছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র
বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
ড. ইউনূস বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ
জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনী সবসময় জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং
২০২৪ এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও চলমান দেশ পুনর্গঠনের কাজে সশস্ত্র বাহিনী মানুষের
পাশে দাঁড়িয়ে আস্থার প্রতিদান দিয়েছে। তিনি গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক নেতৃত্বের প্রতি
অনুগত থেকে বাহিনীর পেশাগত দক্ষতা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে এই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে
বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, একটি শান্তি প্রিয় জাতি হিসেবে আমরা সকল
বন্ধু রাষ্ট্রের সাথে সম্মানজনক সহাবস্থানে বিশ্বাসী। তথাপি, যেকোন আগ্রাসী বহিঃশত্রুর
আক্রমন থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমাদেরকে সদা প্রস্তুত এবং সংকল্পবদ্ধ থাকতে
হবে। এ লক্ষ্যে আমাদের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং উন্নত
বিশে¡র সাথে তাল মিলিয়ে বাহিনীগুলোতে যুগোপযোগী প্রযুক্তি সংযোজনের প্রয়াস অব্যাহত
রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, বিগত ৩৭ বছরে জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা ৪৩ টি দেশে ৬৩ টি মিশন সম্পন্ন করেছে এবং বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ১০টি মিশনে অংশগ্রহণকারী রয়েছে। তিনি বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের সাফল্যের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা যাতে বিশ্বের চ্যালেঞ্জিং ও বিপদজনক অঞ্চল সমূহে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারে সেজন্য তাদের সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রাপ্তির চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে দ্বাদশ শ্রেণির টেস্ট (নির্বাচনী) পরীক্ষা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই পরীক্ষা নিতে পারবে না বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
আজ রোববার (৯ নভেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক “এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার” স্বাক্ষরিত এক জরুরি নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস চলমান রাখতে হবে। তবে বোর্ডের পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনোভাবেই নির্বাচনী পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। নির্বাচনী পরীক্ষার তারিখ ও অন্যান্য নির্দেশনা পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। বিষয়টিকে বোর্ড অতীব জরুরি বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে আন্তর্জাতিক
মঞ্চে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার
রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে
রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাইন অপসারণের কথা স্মরণ
করেন।
তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশের
অন্যান্য পণ্যও আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান। বর্তমানে রাশিয়ায় বাংলাদেশের মোট
রপ্তানির ৯০ শতাংশ তৈরি পোশাক।
বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায়
বাংলাদেশে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং খাদ্য নিরাপত্তা,
জ্বালানি অনুসন্ধান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সহায়তা বাড়ানোসহ পারস্পরিক স্বার্থ
সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচনা করেন।
বাংলাদেশের খাদ্যশস্য এবং সারের বড় একটি অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি
করা হয় উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক
অংশীদার।
গত বছর রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ ২ দশমিক ৩ মিলিয়ন টনেরও বেশি গম
আমদানি করেছে এবং চলতি বছর আমদানির পরিমাণ ইতোমধ্যে ২ মিলিয়ন টন অতিক্রম করেছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি
কোম্পানি গ্যাজপ্রম ভোলা দ্বীপে এবং দেশের অভ্যন্তরে আরও পাঁচটি গ্যাস কূপ
অনুসন্ধান করতে আগ্রহী।
তিনি আরও জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ
চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি আগামী বছর চালু হতে পারে।
তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশে এলএনজি রপ্তানিতে আগ্রহী।
প্রধান উপদেষ্টা অর্থনৈতিক ও শিক্ষা সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের
মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল
ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে বলে নিশ্চিত
করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মত অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির
বৈঠক হতে চলেছে।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বাসসকে বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের
মধ্যে আগামীকাল বৈঠক হবে। ব্যাংককে আজ বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ
হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে
কথা বলতে দেখা গেছে। বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ
সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন। ২
থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় ওটিটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ট্যাপম্যাড দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের সম্প্রসারণ যাত্রা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশের শীর্ষ টেলিকম অপারেটরগুলোর একটি রবি আজিয়াটা লিমিটেড – এর সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে।
পাকিস্তানে অসাধারণ সাফল্যের পর, ট্যাপম্যাড এখন বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য নিয়ে আসছে প্রিমিয়াম মানের লাইভ স্পোর্টস এবং বিনোদন অভিজ্ঞতা, যা দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নির্দেশ করে।
এই অংশীদারিত্বের ফলে রবি গ্রাহকরা ট্যাপম্যাডের বিশাল লাইভ ও অন-ডিমান্ড কনটেন্ট লাইব্রেরিতে অবিচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার উপভোগ করতে পারবেন। মোবাইল ব্যালেন্স বা সরাসরি বিলিংয়ের মাধ্যমে সহজেই সাবস্ক্রিপশন সক্রিয় করা যাবে, যা রবির শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও ট্যাপম্যাডের উন্নত স্ট্রিমিং প্রযুক্তিকে একত্রিত করে যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে নির্বিঘ্ন এইচডি-মানের স্ট্রিমিং নিশ্চিত করবে।
ট্যাপম্যাডের সিইও ইয়াসির পাশা এ প্রসঙ্গে বলেন, “রবির সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব ট্যাপম্যাডের আঞ্চলিক সম্প্রসারণে আরেকটি মাইলফলক। বাংলাদেশের দর্শকগোষ্ঠী প্রাণবন্ত ও উৎসাহী, এবং আমরা আনন্দিত যে আমরা তাদের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম আনতে পারছি যা সুবিধা, সাশ্রয়ী এবং উন্নত মানের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।”
এই সহযোগিতার মাধ্যমে ট্যাপম্যাড সীমান্ত অতিক্রম করে ডিজিটাল বিনোদনের মান আরও উন্নত করছে।প্ল্যাটফর্মটির বিশাল ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক কনটেন্ট সংগ্রহ স্থানীয় রুচি অনুযায়ী সাজানো, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেছে যা পাকিস্তানসহ পুরো অঞ্চলে তাদের সাফল্যের পরিচায়ক।
রবি আজিয়াটার মার্কেটিং প্রধান শওকত কাদের চৌধুরী বলেন, “আমরা ট্যাপম্যাডের সঙ্গে অংশীদারিত্বে আনন্দিত। এর ফলে আমাদের ব্যবহারকারীদের জন্য প্রিমিয়াম মানের স্পোর্টস ও বিনোদন অভিজ্ঞতাকে আরও সহজলভ্য করবে। এই অংশীদারিত্ব আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবনের প্রতিশ্রুতি এবং গ্রাহকদের বিনোদন অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করার প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করে।”
ট্যাপম্যাডের সিওও আলী রানা বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের জন্য এক উচ্ছ্বাসপূর্ণ সুযোগ।এখানে আমরা ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দর্শকদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারব। আমাদের লক্ষ্য হলো ট্যাপম্যাডের সাফল্য নির্ধারণকারী আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং মান বজায় রাখা, পাশাপাশি স্থানীয় দর্শকদের প্রত্যাশা ও পছন্দ অনুযায়ী অভিজ্ঞতা সাজানো।”
ট্যাপম্যাড বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আরিফ আদিত্য বলেন, “এই অংশীদারিত্ব আমাদেরকে বাংলাদেশের নতুন দর্শকদের সঙ্গে যুক্ত হতে এবং তাদের জন্য এমন এক উচ্চমানের, ব্যবহারবান্ধব স্ট্রিমিং অভিজ্ঞতা দিতে সহায়তা করছে যা বৈশ্বিক উদ্ভাবন ও স্থানীয় প্রাসঙ্গিকতাকে একত্রে প্রতিফলিত করে।”
দক্ষিণ এশিয়ার ডিজিটাল বিনোদন শিল্পে প্রায় এক দশকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ট্যাপম্যাড ইতোমধ্যে নিজেকে অঞ্চলের অন্যতম বিশ্বস্ত ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। প্রযুক্তি, অংশীদারিত্ব ও স্থানীয় কনটেন্টে ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণ এশিয়ার দর্শকদের লাইভ স্পোর্টস ও অন-ডিমান্ড বিনোদনের অভিজ্ঞতাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে।
রবির শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো এবং ট্যাপম্যাডের পরীক্ষিত দক্ষতাকে একত্রিত করে, এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য সহজলভ্য ও উচ্চমানের ডিজিটাল বিনোদনের এক নতুন অধ্যায় সূচনা করছে।
ট্যাপম্যাড সম্পর্কে :
ট্যাপম্যাড হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেড সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি আঞ্চলিক ওটিটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, যা লাইভ স্পোর্টস এবং অন-ডিমান্ড কনটেন্ট সরবরাহ করে। সহজ ব্যবহারযোগ্য ইন্টারফেস, নির্ভরযোগ্য স্ট্রিমিং এবং সাশ্রয়ী সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানের মাধ্যমে ট্যাপম্যাড দক্ষিণ এশিয়ার লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারীর জন্য একটি বিশ্বস্ত বিনোদন সঙ্গী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রবিবার (২৫ আগস্ট ২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জল, স্থল ও আকাশ পথে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। মানবতার সেবায় পরিচালিত এই অভিযানকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ ২১ টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ১৬ জন মুমূর্ষ রোগীকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হতে উদ্ধারপূর্বক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৩ জন শিশু, ৬ জন অন্তঃসত্ত্বা নারী, ২ জন পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগী ও ৫ জন বার্ধক্য জনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি রয়েছেন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও ২,১৪৭ প্যাকেট ত্রান ফেনী সদর, ফাজিলপুর, ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী, পরশুরাম ও মধুগ্রাম এলাকায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও বন্যা দুর্গত এলাকায় সেনা সদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শনে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, বিপি, ওএসপি, বিএএম, এনডিসি, পিএসসি কুমিল্লা ও ফেনী জেলায় গমন করেন। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান পারস্পরিক প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার আওতায় ভারতে দীর্ঘ সময় আটকে থাকা ১২৮ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী অবশেষে নিজ দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বঙ্গোপসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তাদের গ্রহণ করে।
এই প্রত্যাবাসনের অংশ হিসেবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের মালিকানাধীন পাঁচটি মাছ ধরার ট্রলারও হস্তান্তর করে। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও কূটনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে সম্পন্ন এই উদ্যোগকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
একই দিনে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক থাকা ২৩ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীকেও নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। এ সময় ভারতের মালিকানাধীন দুইটি ফিশিং ট্রলার ভারতীয় কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
বঙ্গোপসাগরের মধ্যবর্তী সীমান্ত এলাকায় দুই দেশের কোস্ট গার্ড কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এই বিনিময় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিন পর নিজ পরিবারের কাছে ফেরার সুযোগ পাওয়ায় উভয় দেশের মৎস্যজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে।
এই বড় পরিসরের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাংলাদেশের একাধিক মন্ত্রণালয় ও সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন আইনগত ও প্রশাসনিক বিষয়গুলো নিষ্পত্তিতে সহায়তা করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মূলত সাগরে মাছ ধরার সময় বৈরী আবহাওয়া ও দিকভ্রান্তির কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে আন্তর্জাতিক সীমা অতিক্রম করায় এসব মৎস্যজীবী আটক হন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে মৎস্যজীবীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে কর্তৃপক্ষ।
ফেরত আসা বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে। উভয় দেশের কোস্ট গার্ডের মতে, এ ধরনের সহযোগিতামূলক উদ্যোগ সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দায় থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা মুক্তি পেতে পারে না
বলে মনে করে বিএনপি। আজ বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজার
আগে দলের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ করা হয়।
বিএনপির স্থায়ী
কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী নজরুল ইসলাম খান লিখিত বক্তব্য
পাঠ করেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা
উপস্থিত ছিলেন।
নজরুল ইসলাম
খান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী হাসিনার ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা মামলায় ২০১৮
সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই বছরেরও বেশি সময় অন্ধকার কারাগারে আবদ্ধ থাকার সময়
উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে খালেদা জিয়া দারুণভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। দেশবাসী সাক্ষী হলো,
পায়ে হেঁটে যিনি কারাগারে প্রবেশ করেছিলেন; নির্জন কারাগার থেকে তিনি বের হলেন চরম
অসুস্থতা নিয়ে।’
‘দেশ-বিদেশের
চিকিৎসকদের মতে, পরবর্তী সময়ে গৃহবন্দিত্বের চার বছর বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দেওয়ার
কারণেই তার অসুস্থতা বৃদ্ধি পায় এবং তার ফলশ্রুতিতে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানতেই
হলো এই অপরাজেয় নেত্রীর। তাই এই মৃত্যুর দায় থেকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা কখনও মুক্তি
পেতে পারে না’- বলেন নজরুল ইসলাম খান।
নজরুল ইসলাম
উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রের মাতা ও আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মঙ্গলবার ভোর ৬টায়
মারা যান। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মন্তব্য করুন