

কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক
মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে পৃথক পৃথক স্থানে ১ কোটি ৫ লক্ষ ৯৬ হাজার ১৫০
টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য এবং চোরাচালানী পণ্য জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের
দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিজিবির বিশেষ টহলদল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বাংলাদেশের
অভ্যন্তরে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন স্থান থেকে উল্লেখিত মূল্যমানের মাদকদ্রব্য, ভারতীয়
শাড়ি, থ্রি-পিস এবং কসমেটিক্স সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য এবং পণ্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস এবং বিভিন্ন ধরনের কসমেটিক্স রয়েছে, যা চোরাচালানের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে আনার চেষ্টা করা হচ্ছিল। বিজিবি এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে এক হাজতীর জন্য জুতার ভেতরে বিশেষভাবে লুকানো গাঁজা সরবরাহের চেষ্টা চালানোর সময় ধরা পড়েছেন এক দর্শনার্থী। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি বর্তমানে কারা হেফাজতে রয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন।
কারা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে কুমিল্লা নগরীর বাদশা মিয়া বাজার এলাকার জোলমত মিয়ার ছেলে শান্ত কারাগারে আটক হাজতি (বন্দি নং- ৪০০১/২৪) মোতালেব হোসেনের জন্য ১ জোড়া চামড়ার জুতা ও কিছু পোশাক নিয়ে কারা ক্যান্টিনে আসেন। সেগুলো তিনি দায়িত্বরত কারারক্ষী (নং-২২৪১৮) মোঃ মাসুদের কাছে হস্তান্তর করেন। জুতার গঠন দেখে কারারক্ষীর সন্দেহ হলে তিনি সহকর্মী কারারক্ষী (নং-২৩০৫৬) মোঃ সানিকে বিষয়টি দেখান। পরে শান্তকে রিজার্ভ গার্ডে নিয়ে গিয়ে জুতার নিচের সোল খুললে সাদা পলিথিনে মোড়ানো তিনটি গাঁজার প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিনিয়র জেল সুপার জানান, দর্শনার্থী শান্তকে আটক করে রিজার্ভ গার্ডে রাখা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-কুমিল্লা
সরাসরি রেললাইন (কর্ডলাইন) চালুর বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়েছে। বৈঠকে সম্ভাব্য রেললাইন বাস্তবায়ন নিয়ে একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা
হয়।
মঙ্গলবার
(১২ মে) অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
বৈঠকে
টেকনিক্যাল টিম ঢাকা-কুমিল্লা সরাসরি রেললাইন সংক্রান্ত পরিকল্পনা, সম্ভাব্য রুট এবং
প্রকল্পের বিভিন্ন কারিগরি দিক তুলে ধরে একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ
হাবিব, সচিব ফাহমিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় টাকা না পেয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ ছেলেকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার লাকসাম পূর্ব ইউনিয়নের উত্তর এলাইস গ্রামে এ হত্যার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন লাকসাম থানার ওসি শাহাবুদ্দিন।
নুরজাহান বেগম (৮০) ওই গ্রামের পশ্চিম পাড়া মিয়াজি বাড়ির মৃত হাবিবুর রহমানের স্ত্রী। এই দম্পতির সাত ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবার বড় আসাদুজ্জামান বাহারের (৫০) বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
লাকসাম পূর্ব ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হানিফ সরকার জানান, বাহার প্রায় ২০ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। বিষয়টি আমরা সবাই জানি। বেকার অবস্থায় নিজ বাড়িতে মায়ের সঙ্গেই থাকত সে। প্রায়ই টাকার জন্য ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করত। শুক্রবার দুপুরে টাকা চেয়ে না পাওয়ায় মাকে হত্যা করেছে সে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. তাজুল ইসলাম জানান, বাহার ছোটকাল থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। এ কারণে বিয়ের পরপরই তার স্ত্রীও তাকে তালাক দিয়ে চলে যায়।“আমরা তাকে ‘পাগলা বাহার’ নামে ডাকি। সবসময় তার মাথা গরম থাকে। একটু এদিক-সেদিক হলেই সে পাগলামী শুরু করে। ”
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) শাহাবুদ্দিন জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত ছেলে আসাদুজ্জামান
বাহারকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের
মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


এমদাদুল
হক সোহাগ, কুমিল্লা:
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন খাল দিয়ে অপসারিত স্যুয়ারেজ ও গৃহস্থালীর তরল বর্জ্যের কারনে প্রাণী ও মৎসকূল বিলীনের পাশাপাশি ফসলী জমি পতিত জমিতে পরিণত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকার অন্তত সাতটি পয়েন্টে থেকে নমুনা সংগ্রহের পর সেগুলো ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা শেষে সেই তথ্য জানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়।
জানা যায়, কৃষক সমবায় ঐক্য পরিষদ নামের একটি সামাজিক সংগঠনের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো: আমিরুল কায়ছার পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লা উপ-পরিচালক মোসাব্বের হোসেন মোহাম্মদ রাজীবকে কুমিল্লা ইপিজেড এর সাধারণ বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) এর পরিশোধিত তরল বর্জ্য এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন খাল সমূহের বিভিন্ন পয়েন্টের স্যুয়ারেজ ও গৃহস্থালী তরল বর্জ্যের গুণগত মান পরীক্ষার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ২০ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের প্রতিনিধিদল কুমিল্লা এসে কুমিল্লা ইপিজেড এর সাধারণ বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) এর পরিশোধিত তরল বর্জ্য এবং অপরিশোধিত তরল বর্জ্য নমুনা সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন খালের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে যেমন রেইসকোর্স, টমসনব্রিজ, ইপিজেড সীমানার বাহিরের সিটি কর্পোরেশনের খাল, ইপিজেড সীমানার ভেতরের খাল, সিইটিপি আউটলেট ও সিটি কতর্পোরেশনের খালের পানির মিশ্রণের পয়েন্ট, রাজাপাড়া এলাকার ব্রীজ এর নিচ দিয়ে প্রবাহীত খাল এবং দীশাবন্দ এলাকা সহ মোট সাতটি পয়েন্ট থেকে পানির নমুনা সংগ্রহ করে প্রতিনিধি দলটি। চট্টগ্রামে পরিবেশ অধিদপ্তরের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার বিশ্লষেণে দেখা যায়, দ্রবীভূত অক্সিজেন, সাসপেন্ডেড সলিডস,জৈবিক/বায়োকেমিক্যাল অক্সিজেনের চাহিদা, রাসায়নিক অক্সিজেনের চাহিদা, বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা, অ্যামোনিয়া নাইট্রোজেন, ফসফেট এর মান পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ২০২৩ এর মৎস চাষে ব্যবহার্য ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানিতে নির্গমনের এবং পয়: নির্গমনের জন্য নির্ধারিত মান মাত্রার তুলনায় অনেক বেশি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের পরিচালক নাসিম ফারহানা শিরীন। গত ০৬ ফ্রেব্রুয়ারী ২২.০২.১৫০০.১৮৬.০০২.১৯ স্মারকে নমুনা সংগ্রহের গুণগত বিশ্লষন ফলাফল কুমিল্লা কার্যালয়ে প্রেরণ করেন।
রিপোর্ট
বিশ্লেষণে দেখা যায়, রেইসকোর্স খালে ময়লা পানিতে COD অর্থাৎ রাসায়নিক অক্সিজেনের চাহিদা
পাওয়া গেছে ২২৯, টমছন ব্রিজ এলাকায় ২০৭, ইপিজেড সীমানার বাইরে ২৭৩, ইপিজেড সীমানার
ভিতরে ৩১২, রাজাপাড়া ব্রিজ এর নিচে ১৬৯, দিশাবন্দ এলাকার পানিতে ১৭৭ যার মানমাত্রা
৫০ এবং ১২৫ এর নিচে থাকার কথা।
BOD অর্থাৎ জৈবিক/বায়োকেমিক্যাল অক্সিজেনের চাহিদা পাওয়া গেছে রেইসকোর্স এলাকায় ৪৯.৩, টমছন ব্রিজ এলাকায় ৪৬.১, ইপিজেড সীমানার বাইরে ৫৯.২, ইপিজেড সীমানার ভিতরে ৫২.৫, রাজাপাড়া ব্রিজ এর নিচে ৩২.১, দিশাবন্দ এলাকার পানিতে ৩১.৫ যার মানমাত্রা ৬ এবং ৩০ এর নিচে থাকার কথা। PO4 বা ফসফেট পাওয়া গেছে রেইসকোর্স এলাকায় ২০.২, টমছন ব্রিজ এলাকায় ১৮.২, ইপিজেড সীমানার বাইরে ১৯.৭, ইপিজেড সীমানার ভেতরে ৩২.৫, রাজাপাড়া ব্রিজ এর নিচে ৫.৫, দিশাবন্দ এলাকার পানিতে ৯.৯ যার মানমাত্রা ০.৫ এবং ১৫ এর নিচে থাকার কথা। NH3-N মানে অ্যামোনিয়া নাইট্রোজেন পাওয়া গেছে রেইসকোর্স এলাকায় ৩৭.৫, টমছন ব্রিজ এলাকায় ৩০.৫, ইপিজেড সীমানার বাইরে ৪১.৭, ইপিজেড সীমানার ভেতরে ৫০.৬, রাজাপাড়া ব্রিজ এর নিচে ১৩.১৬, দিশাবন্দ এলাকার পানিতে ২৪.৯ যার মানমাত্রা ০.৩ এর নিচে থাকার কথা। এই রিপোর্ট অনুযায়ী কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের স্যুয়ারেজ ও গৃহস্থী বর্জ্যের কারনেই খাল সমূহে মাছ সহ অন্যান্য জলজপ্রাণী বেঁচে থাকার উপযুক্ত পরিবেশ নেই বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সচিব মোহাম্মদ মামুন ( সিনিয়র সহকারী সচিব) মুঠোফোনে জানান, তিনি গত ১৬ ফেব্রুয়ারীতে সিটি কর্পোরেশনে যোগদান করেছেন। এ বিষয়ে তাঁর তেমন কিছু জানা নেই।
কুসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামছুল আলম বলেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের খালের পানির যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে সেটার রিপোর্ট ভালো আছে। আমাদের পানির কারনে প্রাণী ও মৎসকূল বিলীন, কৃষিজমি নষ্ট হয়েছে বিষয়টি ঠিক না। আপনারা এসব ভুয়া খবর কোথায় পান? রিপোর্ট আমাদের পক্ষে বলে ফোন কেটে দেন।
কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোসাব্বের হোসেন মোহাম্মদ রাজীব বলেন, সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন খালের নমুনা সংগ্রহের পর যে রিপোর্ট এসেছে তাতে প্রাণী ও মৎসকূল বিলীনের প্রমাণ মিলেছে। গত ০৮ ফেব্রুয়ারী কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মহোদয় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনকে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণের জন্য বলেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো: আমিরুল কায়ছার এর মুঠোফোনে কল করলে তিনি একটি অনুষ্ঠানে আছেন এবং পরবর্তীতে কথা বলবেন বলে জানান।
কুমিল্লার
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়া সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি আমরা
জেনেছি। গত আইন শৃঙ্খলা সভায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনকে দ্রুত স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট
প্ল্যান্ট স্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বিএসটিআই, কুমিল্লা ও উপজেলা প্রশাসন, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পরিচালিত অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে 'মুড়ি' পণ্যের গুণগত মান সনদ গ্রহণ ব্যতীত প্রস্তুত, বিক্রয়-বিতরণ করায় "বিএসটিআই আইন-২০১৮" অনুযায়ী কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর বেলতলীর কৃষ্ণপুরে মেসার্স খোরশেদ চিড়া ও মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার টাকা) এবং কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর গোপিনাথপুরের মেসার্স মমতা মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে "বিএসটিআই আইন-২০১৮" এবং "ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮" অনুযায়ী ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার টাকা) অর্থদণ্ড করা হয়।
উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ রেফাঈ আবিফ এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই, কুমিল্লা অফিসের কর্মকর্তা জনাব ইকবাল আহম্মদ, ফিল্ড অফিসার (সিএম) এবং প্রকৌ: আরিফ উদ্দিন প্রিয়, পরিদর্শক (মেট্রোলজি)।
জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


আজ
সোমবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার কুমিল্লা সিটি কলেজ মিলনায়তনে মাদকমুক্ত জাতি গঠনে
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া
খানম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার চৌধুরী
ইমরুল হাসান, সদর দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক, সংগঠক
ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক শাহাজাদা এমরান, কুমিল্লা সিটি কলেজের পরিচালনা পর্ষদ এর
সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা।
সেমিনারে
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, কুমিল্লা সিটি কলেজের প্রভাষক মাহদি প্রমি।
সেসিনারে
সভাপতিত্ব করেন, কুমিল্লা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মো: নাদিমুল হাসান চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিগণ একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনে মাদকাসক্ত মুক্ত বাংলাদেশ গঠনে
সবাইকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করার আহবান করেন। শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে বিরত থাকার জন্য
বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য ও উপদেশ প্রদান করেন।
কুইজ
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদকের ক্ষতিকর দিক লেখা সম্বলিত
খাতা, কলম,স্কেল ও জ্যামিতি বক্স বিতরণ করা হয়।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপস্থিত সবাইকে মাদকবিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করান এবং সবাই মিলে "মাদক কে না বলুন"লাল কার্ড প্রদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্ট্রগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের আয়োজনে ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় কুমিল্লা জিমনেসিয়ামে কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
কাবাডি প্রতিযোগিতায় চট্ট্রগ্রাম বিভাগের ৮টি জেলা পুলিশ দল অংশ নিচ্ছে। দুটি গ্রুপে লীগ পর্যায়ে খেলবে।
গ্রুপ-ক দলে কুমিল্লা জেলা, চাঁদপুর খাগড়াছড়ি ও লক্ষীপুর জেলা দল। গ্রুপ-খ দলে বান্দরবান জেলা, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও আর আর এফ চট্ট্রগ্রাম।
১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুর ৩ টায় কাবাডি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন করা হবে।
উদ্বোধনী খেলায় ৫০/১৫ পয়েন্টে চাঁদপুর জেলাকে হারায় কুমিল্লা জেলা।
কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্ট্রগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মংনে খোয়াই মারমা।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, মতিউল ইসলাম, কামরান হোসেন, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন জাকির।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
হাসনাত আবদুল্লাহ'র প্রতি হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কুমিল্লা দেবীদ্বারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের আহত, শহীদ পরিবার ও ছাত্র-জনতা।
মঙ্গলবার (২০শে মে) দুপুরে দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পরে দেবীদ্বার পৌর মার্কেট গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা হাসনাত আবদুল্লাহ'র কে হত্যার হুমকির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আওয়ামীলীগ দোসরদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ সময় বক্তারা বলেন, গতকাল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হাসনাত আব্দুল্লাহ ভাইকে নিয়ে এই ধরনের কথা বলায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না হাসানাত আব্দুল্লাহ কে ছিলেন, আজকে তারা স্বাধীনভাবে প্রেস ক্লাবে কথা বলতেছে কার জন্য।
তারা আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে তারা ১৭ সেকেন্ডের জন্য তাদের স্থান প্রেস ক্লাবে হয় নাই। কিন্তু আজকে তারা স্বাধীনভাবে সবকিছু করতেছে এসব বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলপ্রসু। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না যে জাতি বিপ্লবীদের অমর্যাদা করে সে জাতি ভবিষ্যৎ অন্ধকার। তাদেরকে অনুরোধ করবো আপনারা আপনাদের সম্মান রক্ষা করুন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
১৭ টি উপজেলা এবং
মহানগরের সংগঠকদের নিয়ে আয়োজিত হলো জাতীয় নাগরিক পার্টি (ন্যাশনাল সিটিজেন
পার্টি - এনসিপি) কুমিল্লা জেলা পর্বের প্রস্তুতি সভা।
বুধবার (১৪ মে) নগরীর কাজী নজরুল ইনস্টিটিউট
অডিটোরিয়ামে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রায় আড়াইশো সংগঠক
এখানে অংশগ্রহণ করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি থেকে
পরীক্ষিত যারা দলীয় রাজনীতিতে আসতে চান এবং এনসিপির আত্মপ্রকাশের পর থেকে যারা
প্রান্তিক পর্যায়ে দলের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করছেন তাদের নিয়ে এই সাংগঠনিক
প্রস্তুতি সভা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের
সদস্যরা এবং আহত কয়েকজন বিপ্লবী।
এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে উক্ত সভা পরিচালনা করেন যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও কুমিল্লা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক নাভিদ নওরোজ শাহ্ এবং কেন্দ্রীয় সদস্য হাফসা জাহান। প্রতিটি উপজেলা থেকে আসা সংগঠকদের বক্তব্য তারা শোনেন এবং উত্তরে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত
কামনা করা হয়। পরবর্তীতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয় এবং সকলের মধ্যে পরিচয়
বিনিময় হয়। গত এক মাস কুমিল্লা মহানগর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় যারা আওয়ামী
লীগের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করে যাচ্ছিলেন তাদের প্রতি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে বিনম্র শ্রদ্ধায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০.২০ টায় কালো ব্যাজ ধারণ ও শোক র্যালি, সকাল ১০.৪০ টায় বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা এবং বাদ যোহর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
শহীদ মিনারে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মাসুদা কামাল বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সাধারণভাবে জানি, সমাজের দু’টি শ্রেণি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি হচ্ছে ধনী শ্রেণি, আরেকটি হচ্ছে জ্ঞানী বা বুদ্ধিজীবী শ্রেণি যাদেরকে সাধারণ মানুষ অনুসরণ করে। বুদ্ধিজীবীরাই একটি সমাজ ও জাতির বিবেককে জাগ্রত করে রাখেন। আমাদের শত্রুরা পরিকল্পনা করেছিলেন, এই দুই শ্রেনিকে ধ্বংস করে দিতে পারলেই একটি জাতি ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়া যাবে।আমরা সেই সকল বুদ্ধিজীবী যাদেরকে ৭১-এ হত্যা করা হয়েছে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
এই দুই শ্রেণি ছাড়াও আরও একটি শ্রেণি আছে, সেটি হলো যুব সমাজ যেটি আমরা জুলাই বিপ্লবে দেখলাম। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে আমাদের সমাজের পরিবর্তন এনেছে। সেই সকল শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
শোক র্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
মন্তব্য করুন