

কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে পিকআপে করে মাদক পরিবহনকালে ৮৯ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
আজ (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে অভিনব কৌশলে পিকআপের
পিছনে মালামাল পরিবহণের ক্যারেটের মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। জুয়েল
রানা এবং ২। মোঃ আকাশ নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামী’দ্বয়ের
কাছ থেকে ৮৯ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। জুয়েল রানা (৩১) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার চন্ডীপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম এর ছেলে এবং ২। মোঃ আকাশ (৩২) একই থানার উত্তর বাসুদেরপুর গ্রামের মোঃ খোকন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে দিনাজপুর সহ অন্যান্য জেলায় মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ
করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডার (এজিপি) এডভোকেট মোঃ আবু
মুছা ভূঁঞা ১৯৭৯ সালের ২৫ নভেম্বর কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার বাগমারা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত
মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি
বাগমারা দাখিল মাদ্রাসায় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে মুরাদনগর
বাঁশ কাইট পীতাম্বর জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে ১ম বিভাগে মাধ্যমিক পাশ করেন।
তৎপর চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ১৯৯৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
হয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে অর্নাস করেন।
পরে উক্ত বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়াকালীন সময়ে
বিএনসিসি ও স্কাউট এর সাথে জড়িত ছিলেন।
অ্যাড.
আবু মুছা ভূঁঞার দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তবে
দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার এর অনুপ্রেরণায় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত হন তিনি। সেই
সুবাদে এডভোকেট মোঃ আবু মুছা ভূঁঞা ১৯৯৬-৯৭ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র দলের
রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে "ওয়াসিম-ছানাউল্লাহ পরিষদ" এর পাশের ক্ষেত্রে ভূমিকা
রাখেন এবং ১৯৯৯ সালে কুমিল্লা আইন কলেজে অধ্যয়নরতকালে ছাত্র সংসদ "নাজমূল-মহান
পরিষদ" এর নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালের ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ
বার কাউন্সিল থেকে সনদ প্রাপ্ত হয়ে একই সালে ৩১ অক্টোবর কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে
যোগদান করে পেশাগত জীবনে আত্ম প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তরুণ আইনজীবী হিসেবে জাতীয়তাবাদী
আইনজীবী ফোরামের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য
হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লাস্থ দেবীদ্বার সমিতির নির্বাচন
কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দেবীদ্বার সমিতির "ক্রীড়া সম্পাদক"
হিসেবে মনোনীত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এড. আবু মুছা ভূঁঞা ২০১০ সালে সর্ব সম্মতিক্রমে
দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়ন বিএনপির "সভাপতি" নির্বাচিত হয়ে বর্তমানেও
পুনরায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপি'র "মানবাধিকার বিষয়ক
সম্পাদক" হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। পরে ২০২২ সালের ২৯ মে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি)'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম এর স্বাক্ষরিত কুমিল্লা উত্তর জেলার আহবায়ক
কমিটির "সদস্য" মনোনীত হন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, কুমিল্লা
ইউনিটের "যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক" হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও জেলা
আইনজীবী সমিতির "লাইব্রেরী সেক্রেটারি" হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।
তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার
আইনজীবী ও কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু'র নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের
মামলা পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। অ্যাড. মুছা ভূঁঞা বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের
সকল প্রকার দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সরকারের পতনের পর যখন দেশের ক্রান্তিলগ্নে
অতিক্রম করে তখন ১৫নং বরকামতা ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়াও
তিনি জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী
হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সর্বশেষ গেলো ৩রা জুন দেবীদ্বার উপজেলাধীন বাগমারা ইসলামিয়া
আলীম মাদ্রাসা'র গভর্ণিং বডির "সভাপতি" মনোনীত হয়েছেন। তিনি দীর্ঘ দেড় যুগেরও
বেশি সময় ধরে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে আইন পেশা পরিচালনা করে আসছেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলায় গত জুলাই মাসে ১১টি হত্যা মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া জুলাই মাসে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৩২টি। ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে ৮ টি। বিভিন্ন অপরাধে জুলাই মাসে জেলায় মোট মামলা করা হয়েছে ৪৭৫টি।
রবিবার (১০ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল কায়সার। এ সময় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিবরণীতে জানানো হয়, ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, নারী ও শিশু নির্যাতন, চাঁদাবাজি, চুরি, দ্রুত বিচার, মাদকদ্রব্য আইনে মামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্ষণ, আহত, অস্ত্র উদ্ধার ও চোরাচালানের মামলা কমেছে।
এ ছাড়া জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত হন এবং সাতজন আহত হন। এই মাসে ৩৫৯টি মামলা করেন ২১১টি ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এসব মামলায় ২৪ লাখ ৮০ হাজার ৪৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ ছাড়া ২৮৪ জনকে অর্থদণ্ড, পাঁচজনকে কারাদণ্ড, ৭০ জনকে উভয় দণ্ডসহ মোট ৩৫৯ জনকে বিভিন্ন অপরাধে দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায়, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় যানজট নিরসন, মহাসড়কে যান চলাচলে শৃঙ্খলা, শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা, ভাঙাচোরা সড়ক মেরামত, পরিবেশ দূষণ, পলিথিনের ব্যবহার রোধসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সমাধানে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় উপস্থিত জেলা পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি কদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্য উদ্ধারে অভিযান এবং যানজট নিরসনে নিয়মিত চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়সার উল্লেখিত এবং আলোচিত বিষয়গুলো দ্রুত নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
নগরীতে তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তর কুমিল্লা।
আজ সোমবার কান্দিরপাড় ভিক্টোরিয়া কলেজ রোড়ে জম-জম টাওয়ারে অবস্থিত তিনটি প্রতিষ্ঠান জম-জম ক্যান্টিন, ক্যাফে কর্ণার এবং গোল্ডেন স্পুন চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এ সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (MRP) চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানটি
পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো.
কাউছার মিয়া।
উক্ত
অভিযানে সহযোগিতা করেন ক্যাব কুমিল্লা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মাসাউদ আলম, অফিস সহকারী
ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি দল।
সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া জানান, পণ্যের মূল্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত এমন অভিযান চলবে। ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় আমরা সর্বদা সচেষ্ট।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার মথুরাপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ১০ বিজিবির কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ।
জানা যায়, সীমান্ত থেকে প্রায় ৫০০ গজ ভেতরে নির্ভয়পুর এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়।
জব্দ করা শাড়িগুলোর আনুমানিক মূল্য ৭২ লাখ ১৬ হাজার টাকা। জব্দ করা এসব মালামাল বিধি অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়।
কুমিল্লা ১০ বিজিবির কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
তিনটা বগি রেখেই ১ কিলোমিটার দূরে চলে গিয়ে থেমেছে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী ‘উদয়ন এক্সপ্রেস’ ট্রেন। বুধবার সকাল ৬টায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হাসানপুর স্টেশন সংলগ্ন ৩টি বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আর এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
জানা গেছে, বিচ্ছিন্ন হওয়া বগির পাশে ছিলো ‘গার্ড ব্রেক’ বগি। এ বগিতে থাকেন ট্রেন পরিচালক বা গার্ড। সেখানে ক্যান্টিন ও ১৫টি যাত্রীর আসনও থাকে। এদিকে উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হওয়া ট্রেনের যাত্রীদের মাঝে চরম দুভোর্গ দেখা গেছে এবং বড় ধরনের ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে প্রাণে রক্ষা হাজারো যাত্রী । ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় সিলেট থেকে চট্টগ্রাম ‘উদয়ন এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি চট্টগ্রাম পৌঁছাতে বিলম্ব হয়। প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টা করে উদয়ন ট্রেনের রেখে যাওয়া বগি গুলো পুনরায় ট্রেনের ইঞ্জিনের সাথে সংযোগস্থল হলে ট্রেনটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে হাসানপুর এলাকা ছেড়ে যায়।
কুমিল্লা হাসানপুর রেলস্টেশন মাস্টার নাসির উদ্দিন বলেন, সকাল ৬টা পাঁচ মিনিট সময় উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন কুমিল্লা হাসানপুর রেলস্টেশন পার হয়। পরে হাসানপুর গুণবতীর মাঝখানে উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন দুই ভাগ হয়ে যায়। তবে সেটা হাসানপুর রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে। ট্রেনের কর্মচারীরা ট্রেন ঠিক করে আনুমানিক আধা ঘণ্টা পর ডাউনলাইন থেকে গাড়ি ছেড়ে যায়। তবে আমি প্রত্যক্ষভাবে ঘটনাস্থলে যেতে পারিনি। ২০ মিনিট পর ডাউন লাইন দিয়ে গাড়ি যাতায়াত শুরু করে। এখন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে নিজেদের নির্বাচনি ‘ইশতেহার’ ঘোষণা করেছে কুমিল্লা-৬ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী, কুমিল্লা মহানগরীর আমীর ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
ইশতেহারে একটি ‘সমৃদ্ধ কুমিল্লা বিনির্মাণের অঙ্গিকার’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়কে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার প্রকাশ করেন কুমিল্লা-৬ আসনের এগার দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী। রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের প্রাধান্য, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত, প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ গঠন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপসহ বিভিন্ন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে কাজী দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনী ইশতেহারে।
যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল ইশতেহারে:
বিভাগ বাস্তবায়ন-
ক. কুমিল্লাকে কুমিল্লা নামেই আমরা বিভাগ করার যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবো।
খ. বৃহত্তর কুমিল্লার বিভিন্ন জেলাগুলোর সহজতর যোগাযোগ সুবিধা বিবেচনায় রেখে বিভাগীয় দপ্তর স্থাপন করা।
আধুনিক নগরায়ন-
নগরীর উল্লেখযোগ্য স্থাপনা সংস্কার করে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা করা।
বিমান বন্দর-
কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-
ক. পরিকল্পিত ড্রেনেজ সিস্টেম প্রতিষ্ঠা। খ. খাল ও জলাধারগুলো পর্যাপ্ত খনন ও পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা। গ. ইপিজেডের বিষাক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন।
যানজট নিরসন-
ক. ফুটপাথ দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করা। খ. ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা।গ. পর্যাপ্ত ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ফুটওভারব্রীজ নির্মাণ করা। ঘ. সড়কে অবৈধ পার্কিং বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ।
রেললাইন-
কুমিল্লা-ঢাকা সরাসরি রেললাইন নির্মাণ করা হবে কুমিল্লাবাসী যাতে স্বল্প সময়ে ট্রেনে চলাচল করে কুমিল্লা-ঢাকা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে।
শিক্ষা-
ক. প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন।খ. কুমিল্লা জিলা স্কুল ও ফয়জুন্নেছা সরকারি স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন করে ভর্তির কোটা বৃদ্ধি করা হবে।গ. সদর দক্ষিণে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কামিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। ঘ. তরুণ সমাজকে দক্ষ করে তুলতে কয়েকটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ।
স্বাস্থ্য-
ক. কুমিল্লা সদর হাসপাতালকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ।খ. শিশু ও মায়েদের সুচিকিৎসার লক্ষ্যে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ।
গ. ক্যান্সার ও হৃদরোগীদের চিকিৎসায় আধুনিক হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা-
ক. গোমতী নদীতে বিদ্যমান চাঁনপুর ব্রীজকে প্রশস্থ করে পাকা করা এবং নদীর দু’পাড় রক্ষায় বাঁধ উঁচু করে নির্মাণ করা। খ. সকল ধরণের সড়ক প্রশস্থ করে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ।
মাদকমুক্ত কুমিল্লা গড়া-
ক. সর্বগ্রাসী মাদককে নির্মূলের লক্ষ্যে মোটিভেশন কার্যক্রম জোরদার করা।
খ. মাদক নিষিদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।গ. প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং সেল গঠন করা।
বেকারত্ব নিরসন-
ক. কুমিল্লায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন গঠন। খ. ফ্রিল্যান্সিং আইটি পার্ক প্রতিষ্ঠা।
গ. নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যে বিনিয়োগ লোন স্কিম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ।
কৃষক ও শ্রমিকের জীবনোন্নয়ণ-
ক. বিনা সুদে ঋণ বিতরণ। খ. কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ। গ. কীটনাশক, সার ও বীজ স্বল্প মূল্যে প্রপ্তির ব্যবস্থাকরণ।ঘ. শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী ভূমিকা পালন।
ঘ. শ্রমিকদের জন্য সেফটি নেট, স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থাকরণ।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহবস্থান-
ক. সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন-বাজেট তৈরী করণ। খ. ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা গ্রহণ। গ. সকল ধর্মের লোকদের সমান নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা-
ক. সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। খ. ব্যবসা কেন্দ্র ও সমাজের সর্বস্তর থেকে চাঁদাবাজি ব্যবস্থা নির্মূলে চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ।
নারী ও শিশু উন্নয়ন
ক. নারীদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় ইভটিজিং বিরোধী নারী বান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। খ. নারীর কর্মসংস্থান ও নারী উদ্যোক্তা তৈরীতে উদ্যোগ গ্রহণ। গ. শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে প্রতি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ তৈরীর ব্যবস্থা করা।
প্রবাসীদের জন্য কল্যাণমুখী উদ্যোগ গ্রহণ-
ক. দক্ষতা অর্জনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও ঋণ সুবিধা প্রদান। খ. রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সন্তানদের অধিক হারে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান।
গ. প্রবাসীদের পরিবারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
গণমাধ্যম-
ক. গণমাধ্যম কর্মীদের দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
খ. গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নির্ধারণ। গ. কুমিল্লা প্রেসক্লাব ভবন আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তর করণ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
“জুলাই জাগরণ, নব উদ্যামে বিনির্মাণ” এই শ্লোগানে কুমিল্লায় পালিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফতেহ গণভবনের বর্ষপূর্তি দিবস।
আজ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা মহানগর ছাত্রশিবিরের আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালী অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালীটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূবালী চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন কুমিল্লা মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসান আহমেদ,সেক্রেটারি নাজমুল পঞ্চায়েত।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর ছাত্রশিবিরের সংগঠনিক সম্পাদক আকিব আব্দুল্লাহ, ভিক্টোরিয়া কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মনির হোসেনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
র্যালী শেষে শহীদদের স্মরণে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, “জুলাই জাগরণ কেবল একটি আন্দোলনের নাম নয়; এটি বৈষম্য, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজের দৃপ্ত শপথ। নব উদ্যামে দেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে আমাদের এই সংগ্রাম চলমান থাকবে।”
এছাড়া কুমিল্লায় জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের আয়োজনে পালিত হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’। শহিদ স্মরণ, আলোচনা সভা, সংবর্ধনা ও বিজয় র্যালীতে মুখর ছিল পুরো জেলা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০
বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী আভিযান পরিচালনা করে ভারত থেকে বাংলাদেশে
পাচারের সময় ভারতীয় শাড়ী, থ্রি পিস, বাজি, কসমেটিক্স ও অন্যান্য সামগ্রী এবং মাদকদ্রব্যসহ ৪১,০৭,০০০/- (একচল্লিশ লক্ষ সাত হাজার) টাকা মূল্যের
মালামাল জব্দ করে।
শুক্রবার রাতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ কটকবাজার পোষ্ট এবং বিবির বাজার বিওপি এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উল্লেখিত অভিযানে বিজিবি টহলদল ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচারের প্রাক্কালে সীমান্ত পিলার ২০৮৩/০৯ এস হতে ১৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সুইচ গেইট নামক স্থান এবং সীমান্ত পিলার ২০৮০/এমপি হতে আনুমানিক ৪ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাঁনপুর নামক স্থান থেকে মদ-৬০ বোতল, ফেন্সিডিল-১৩৯ বোতল, বিয়ার-১১৪ বোতল, শাড়ী-১৯৮ পিস, থ্রি পিস-৭৮টি, কিং কোবরা বাজি-৮২,৬০০ পিস, বিস্কুট-৫০ প্যাকেট, স্কিন ক্রিম-৬৫৪টি, শ্যাম্পু-১,৭০০ পাতা এবং মেহেদী-১,৭৮০টি আটক করে। আটককৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৪১,০৭,০০০/- (একচল্লিশ লক্ষ সাত হাজার) টাকা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৮ কেজি ৫শত গ্রাম গাঁজা ও ৩০১ বোতল ফেন্সিডিলসহ
দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
২৩ ডিসেম্বর রাতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী ১। মোঃ সোহেল এবং ২। মোঃ আমির হোসেন নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৮.৫ কেজি গাঁজা, ৩০১ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে
ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো- ১। মোঃ সোহেল (২৬) লক্ষীপুর জেলার রামগতি থানার চরমেহার গ্রামের আব্দুল মমিন এর
ছেলে এবং ২। মোঃ আমির হোসেন (৩১) নারায়নগঞ্জ জেলার সদর থানার সৈয়দপুর গ্রামের মোঃ রমজান
আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা
দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে
মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের যুবলীগ নেতা জামাল উদ্দিন বাক্কা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ ও র্যাব-৭, সিপিসি-৩ এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলার বায়োজিদ বোস্তামী থানাধীন অনন্যা আবাসিক এলাকা থেকে চৌদ্দগ্রামের যুবলীগ নেতা জামাল উদ্দিন বাক্কা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী মোঃ মোশারফ হোসেনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন কুলাসার গ্রামের মৃত ইসমাইল ভেন্ডার এর ছেলে মোঃ মোশারফ হোসেন (৪৫)।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম জেলার বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন