

কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে পিকআপে করে মাদক পরিবহনকালে ৮৯ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
আজ (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে অভিনব কৌশলে পিকআপের
পিছনে মালামাল পরিবহণের ক্যারেটের মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। জুয়েল
রানা এবং ২। মোঃ আকাশ নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামী’দ্বয়ের
কাছ থেকে ৮৯ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। জুয়েল রানা (৩১) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার চন্ডীপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম এর ছেলে এবং ২। মোঃ আকাশ (৩২) একই থানার উত্তর বাসুদেরপুর গ্রামের মোঃ খোকন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে দিনাজপুর সহ অন্যান্য জেলায় মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ
করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লার ৬টি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন ৭০টি পরিবার নিজ বসতভিটায় বিশেষ আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সেনাবাহিনীর নির্মিত ঘর পেয়েছে।
আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ঘোলপাশায় ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ঘরগুলো উপহার হিসেবে হস্তান্তর করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
এসময় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার, ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ এনামুল হক, ২৩ বীরের অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেনসহ সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেলার বুড়িচংয়ে ২৯, ব্রাহ্মণপাড়ায় ১০, সদর দক্ষিণে ৬, চৌদ্দগ্রামে ১০, মনোহরগঞ্জে ১০ ও নাঙ্গলকোটে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এসব গৃহনির্মাণ বাস্তবায়ন করে।
ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সঙ্গে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলপাশা ইউনিয়নের কুমাল্লা গ্রামের উপকারভোগী মো. আলম মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে অনুষ্ঠানটি সংযুক্ত হয়।
২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন কুমিল্লা জেলার ৭০টি পরিবারের মধ্যে এ ঘরগুলো হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


আজ রবিবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে। চলমান তাপপ্রবাহে শিক্ষার্থীরা যাতে পানি খেতে ভুলে না যায় সেই লক্ষ্যে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি ঘণ্টায় ‘পানি ঘণ্টা’ চালু ও পানি সরবরাহের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ চিঠি প্রাথমিক ও জেলা শিক্ষা অফিসার এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়াও সব গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজ পানি ঘণ্টা চালু করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান জানান, প্রচণ্ড তাপদাহে শিক্ষার্থীদের কিছুটা স্বস্তি দিতে আমরা নিজস্ব উদ্যোগে ব্যতিক্রমী এ পানি ঘণ্টা চালু করেছি। যতদিন তাপপ্রবাহ অধিক থাকবে, পানি ঘণ্টা ততদিন চালু থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় অটোরিকশা উল্টে ঘটনাস্থলে সেনোয়ারা বেগম (৬২) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রামচন্দ্রপুর দক্ষিন ইউনিয়নের পাঁচকিত্তা-রামচন্দ্রপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বৃদ্ধা উপজেলার পূর্বহাটি গ্রামের আঃ রশিদ মিয়ার স্ত্রী।
এ ঘটনায় অটোরিকশা চালক আলাউদ্দিন (৩৫) গুরুতর আহত হন। আহত আলাউদ্দিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশাটি পাঁচকিত্তা থেকে রামচন্দ্রপুর যাওয়ার পথে দিঘলদী গ্রামের শ্মশানের পাশে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পুকুরে পরে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা অটোরিকশা চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় বৃদ্ধার লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
ক্লুলেস শরীফ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, মূলহোতাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার এবং হত্যাকান্ডে
ব্যবহৃত মালামাল উদ্ধার করেছে বরুড়া থানা পুলিশ।
গত
২৭ মার্চ সকালে বরুড়া থানাধীন বরুড়া পৌরসভাস্থ শালুকিয়া এলাকায় শরীফ হোসেন(৩৫) এর মৃত
দেহ তার ঘরে মাটিতে পড়া অবস্থায় ছিলো।
মৃত
শরীফ হোসেন এর মা রৌশন আরা বেগম থানায় এজাহার দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন এসআই(নিঃ)
নাজিম উদ্দিন।
ভিকটিম
শরীফ হোসেন(৩৫) এর লাশ পাওয়ার পর হতে পুলিশ সুপার, কুমিল্লার সার্বিক দিক নির্দেশনায়
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ,কে,এম এমরানুল হক মারুফ, সদর দক্ষিণ সার্কেল, কুমিল্লার
তত্ত্বাবধানে বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ, মোঃ রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, এসআই(নিঃ) নাজিম
উদ্দিনসহ বরুড়া থানা পুলিশের একটি চৌকস টীম তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।
তবে
নিহতের পরিবার ও এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে হত্যাকান্ডের কোন যোগসূত্র পাওয়া যাচ্ছিল
না। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে হত্যাকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের
শনাক্তের জন্য বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ টীম বরুড়া বারবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও
জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তদন্ত কার্যক্রমের একপর্যায়ে হত্যাকান্ডে জড়িত
আসামী ১। আরিফ হোসেন(২২), ২। মোঃ নাছির উদ্দিন(৪৩), ৩। মিসেস খুকী আক্তার(৩৫) কে গ্রেফতার
করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। ১নং আসামী মৃত
শরীফ হোসেন এর ছোট ভাই, ৩নং আসামী মৃত শরীফ হোসেনের বড় বোন এবং ২নং আসামী ৩নং আসামীর
স্বামী।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জানান, মৃত শরীফ হোসেন উচ্ছৃঙ্খল
জীবন যাপন করত। সে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল। এলাকার লোকজন তাকে
ভয় পেতো। মৃত শরীফ হোসেন তার মাকে প্রায় সময়ই গালিগালাজ ও মারধর করত। ছোট ভাই আরিফ
হোসেনের সাথেও তার ঝগড়াঝাটি ছিল। কিছুদিন আগে আরিফ হোসেন এর একটি অটোরিক্সা শরীফ হোসেন
জোরপূর্বক বিক্রি করে। ইহাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তাছাড়া
মৃত শরীফ হোসেন এলাকার লোকজনের বিভিন্ন রকম ক্ষতি করায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন তার বড় বোন
খুকি আক্তার এর নিকট বিচার প্রার্থী হলে বড় বোন শরীফ হোসেনকে শাসন করার জন্য বিভিন্ন
কথাবার্তা বলত। ফলে মৃত শরীফ হোসেন বোনকে শক্র মনে করত। এমনকি বোনকে বিভিন্ন রকম হুমকি
দিতো। মৃত শরীফ হোসেনের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে বড় বোন খুকি আক্তার, বোনের স্বামী মোঃ
নাছির উদ্দিন ও ছোট ভাই আরিফ হোসেন তাদের একজন প্রতিবেশীকে নিয়ে পরিকল্পনা করে যে,
শরীফ হোসেনকে মারপিট করে পঙ্গু করে ঘরে বসিয়ে খাওয়াইবে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামীগন
গত ২৬/০৩/২০২৪খ্রিঃ তারিখ দিবাগত রাত ১টায় ঘটিকার সময় বরুড়া থানাধীন বরুড়া পৌরসভাস্থ
শালুকিয়া সাকিনের শঙ্কু ডাক্তারের পুকুর পাড়ে নির্জনস্থানে শরীফ হোসেনকে একা পেয়ে আসামীদের
হাতে থাকা রড, দা ও টর্চ লাইট দিয়ে শরীফ হোসেনের মাথা, হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে
পিটিয়ে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত ও ফুলা জখম করে। তারপর শরীফ হোসেনের হাত পা বেধে আসামী
নাছির উদ্দিনের বাড়ির উঠানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর শরীফ হোসেনকে আবারও মারপিট
করে। তারপর শরীফ হোসেন দুর্বল হয়ে গেলে আসামীগন হাত পা বাঁধা অবস্থায় শরীফ হোসেনকে
তার ঘরে মাটিতে ফেলে আসে। সকালে আসামীরা জানতে পারে শরীফ হোসেন মারা গেছে। সংবাদ পেয়ে
আসামীরা শরীফ হোসেনকে দেখতে যায়।
হত্যাকান্ডে
আসামীদের ব্যবহৃত দা, রড, টর্চ লাইট উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ
জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী ১।
আরিফ, ২। নাছির এর ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
আজ (১৫ জানুয়ায়ী) সকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) আবু তাহের ভুইয়া ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ রহমানিয়া হোটেল এর সামনে চট্টগ্রাম—ঢাকাগামী মহাসড়ক এর উপর পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ২ জন ব্যক্তি তাদের হাতে থাকা ২টি চটের বস্তার নিয়ে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাজু ও শ্রী সুমন চন্দ্র দে সরকার কে ২০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: শেরপুর জেলার শেরপুর থানার চকপাটর এলাকার মোঃ মজিবুর রহমান এর ছেলে মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাজু এবং একই থানার লছমনপুর এলাকার শ্রী প্রভাত চন্দ্র দে সরকার এর ছেলে শ্রী সুমন চন্দ্র দে সরকার।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাজু (৪০) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১টি মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২৫ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি
কাভার্ডভ্যান গাড়ীসহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানার পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাত ২ টা ৪৫ মিনিটে
চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আলমগীর সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
চৌদ্দগ্রাম থানাধীর সুজাতাপুর লাকি হোটেলের পশ্চিম পাশে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী মহাসড়কে
একটি কাভার্ডভ্যান তল্লাশী করে ১২৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ মোরশেদ আলম
সোহেল, মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ সাদ্দাম হোসেন ও মোঃ ওমর ফারুককে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো-১। খাগড়াছড়ি
জেলার মানিকছড়ি থানাধীন যোগ্যছোলা ৬নং ওয়ার্ড এলাকার খোরশেদ আলম এর ছেলে মোঃ মোরশেদ
আলম সোহেল (২৫), ২। নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানাধীন সাং—মাছিমপুর, ০৪নং ওয়ার্ড, ১৬নং
নেওয়াজপুর ইউপি এলাকার হাজী তোফায়েল আহমেদ এর ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন (৩৮), ৩।খাগড়াছড়ি
জেলার মানিকছড়ি থানাধীন সাং—যোগ্যছোলা, (চেয়ারম্যানপাড়া) ৬নং ওয়ার্ড, ৩নং যোগ্যছোলা
ইউপি এলাকার মোঃ সাজু মিয়ার ছেলে মোঃ সাদ্দাম হোসেন (২৫), ৪। চট্টগ্রাম জেলার ভুজপুর
থানাধীন পশ্চিম সাপমারা এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ ওমর ফারুক (১৯)।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ৫২০ বোতল ফেন্সিডিল এবং ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ গোলাবাড়ী পোষ্ট এর টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ২০৮১/৪-এস হতে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেরানীনগর বড়বাড়ী নামক স্থান হতে ৫২০ বোতল ফেন্সিডিল এবং ১০ কেজি গাঁজা আটক করে। আটককৃত মাদকদ্রব্যের সর্বমোট মূল্য ২,৪৩,০০০/- (দুই লক্ষ তেতাল্লিশ হাজার) টাকা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর আয়োজনে শিক্ষকদের নিয়ে ' সিলেক্টেড কোয়ালিটেটিভ রিসার্চ মেথডস' শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর ) দুপুর সাড়ে ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্চুয়াল রুমে প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
প্রধান অতিথি ও কর্মশালার প্রশিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করা জরুরি। সেটা ব্যক্তিগত সম্পর্কে হোক, যৌথ গবেষণা বা সাহায্যের মাধ্যমেই হোক আমাদের মধ্যকার সম্পর্ক শক্তিশালী করা দরকার। অর্থাৎ আমাদের রিজিওনাল পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পর্ক তৈরি করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ওভারঅল র্যাংকিং-এ টিকে থাকার প্রধান উপায় হচ্ছে পরস্পরকে সাহায্য করা। এটার জন্য আপনাকে আমার দরকার, আমাকে আপনার দরকার। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগটা সবসময় থাকবে।
বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, কোয়ানটিটেটিভ রিসার্চ করতে এআই অনেক এগিয়ে গেছে। তাই কোয়ালিটেটিভ রিসার্চে হিউমেন ইনভলবমেন্টা বেশি জরুরি। হিউম্যান বিষয়বস্তুগুলো আইডেন্টিফাই করে সেগুলো যথাযথ বিশ্লেষণ করা জরুরি। সেজন্য আমাদের আজকের সেশনটি খুবই দরকারি।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, 'রিসার্চ করার ক্ষেত্রে আমরা কোয়ালিটেটিভ রিসার্চই বেশি করি। কোয়ালিটেটিভ রিসার্চের মাধ্যমে মানুষের চিন্তাভাবনা, মনোভাব, সমাজব্যবস্থা এবং সামাজিক বাস্তবতা বিষয়গুলো খুব সহজে বের করে আনা যায়, কিন্তু কোয়ান্টিটিভ রিসার্চে মানুষ ডাটা কালেকশনে সাপোর্ট কম দেয়। বর্তমান সময়ে মিক্সড মেথডটা খুব জনপ্রিয়। কিন্তু আমাদের কোয়ালিটেটিভ রিসার্চের ডাটা কালেকশন এবং এনালাইসিস এ গ্যাপ রয়েছে। আজকের সেশন করার পর আমরা আরও উদ্বুদ্ধ হবো।'
কর্মশালা অনুষ্ঠানের সভাপতি ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এখন থেকে শিক্ষক নিয়োগের পর তাকে আগে এক সপ্তাহব্যাপী টিচিং এন্ড লার্নিং প্রশিক্ষণ নিতে হবে, যেখানে শিক্ষকতা ন্যূনতম নিয়ম-কানুন শিখানো হবে। এছাড়া একাডেমিক অনেষ্টি সম্বন্ধে শিক্ষা দেওয়া হবে। তারপর ক্লাসে যাবেন। আজকের কোয়ালিটেটিভ রিসার্চের এই সেশনের সাকসেস কামনা করছি এবং যারা অংশগ্রহণ করেছেন আশা করি সবাই ভালোকিছু শিখতে পারবেন।'
কর্মশালায় কো-অর্ডিনেটর হিসেবে ছিলেন আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. খলিফা মোহাম্মদ হেলাল। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতজ্ঞ শচীন দেববর্মন এর ১১৮ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসনের
আয়োজেন নগরীর চর্থাস্থ শচীন দেববর্মনের বাড়ীতে শিল্পীর মূর্যালে শ্রদ্ধা নিবেদন করা
হয়।
শুরুতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ
থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা
কালচারাল কমপ্লেক্স, জাসাস কুমিল্লা, বাংলা সংস্কৃতি বলয়, কুমিল্লা জিলা স্কুলসহ বিভিন্ন
সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন শিল্পীর মূর্যালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
(সার্বিক) পষ্কজ বড়ুয়া, জেলা কালচারাল কর্মকর্তা আয়াজ মাবুদ, কবি নজরুল ইন্সটিটিউট
কেন্দ্র কুমিল্লার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলামিন, জাসাস কুমিল্লার আহবায়ক সিরাজুল
ইসলাম মিলন, কালচারাল কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক
শেখ ফরিদ আহমেদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম
সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বিয়ে করেছেন।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রাতে কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
হাসনাতের একাধিক বন্ধু ও বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকা একাধিক সমন্বয়ক বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাসনাত বিয়ে করেছেন, এটি নিশ্চিত করে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন অ্যাকটিভিস্ট আব্দুল্লাহ হিল বাকী, সমন্বয়ক
তারিকুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, আবু বাকের মজুমদারসহ অনেকেই।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক
সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম শনিবার সন্ধ্যায় হাসনাতের বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে ঘরোয়া আয়োজনে হাসনাত আবদুল্লাহর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। হাসনাতের স্ত্রীও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী।
সারজিস আলম হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে
ছবি শেয়ার করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফেসবুকে। তিনি লিখেছেন, আল্লাহ পৃথিবীতে আমাদের জন্য
যা দিয়েছেন তার সবই নেয়ামত। তার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম নেয়ামত হচ্ছে একজন নেককার স্ত্রী।
আজ থেকে তুমি তেমনই একজন স্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করছো।
হাসনাত আব্দুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৬–১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক ছাত্র তিনি।
মন্তব্য করুন