

কুমিল্লা
ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হয়েছে খুলনা। আগে ব্যাট করে
লড়াই করার মতো পুঁজি
পেয়েছে বিজয়বাহিনী। আসরের
শুরুটা ভালোই ছিল খুলনা টাইগার্সের।
কিন্তু ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি
খুলনা টাইগার্স।
২০২৪
বিপিএলের ৩২তম ম্যাচে আজ
৮ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লার সামনে ১৬৫ রানের লক্ষ্য
ছুড়ে দিয়েছে খুলনা টাইগার্স। সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেছেন
দলটির ক্যারিবীয় মিডল অর্ডার ব্যাটার
এভিন লুইস। শেষদিকে ১১ বলে ২০
রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন
দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার ওয়েইন পারনেল।
চট্টগ্রামের
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস আগে ব্যাট
করতে নামে খুলনা। ২
ওপেনার অ্যালেক্স হেলস ও আফিফ
হোসেন মিলে ৩২ রানের
জুটি গড়েন। হেলস ১৭ বলে
২২ রান করে বিদায়
নেন। তুলনায় আফিফ রান তোলেন
ধীরে। ৩৩ বলে ২৯
রানের ইনিংস খেলেন তিনি। হেলস বোল্ড হয়ে
ফেরেন ম্যাথু ফোর্ডের বলে। তারপর
অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় ১৩
বলে ১৮ রান করে
মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বিদায় নেন।
আর আফিফ ফেরেন তরুণ
স্পিনার আলিস ইসলামের ঘূর্ণিতে
পরাস্ত হয়ে। দলীয় ৭৩
রানে ৩ উইকেট হারালেও
বিপদে পড়েনি খুলনা। কারণ হাল ধরেন
লুইস ও জয়। ২জনের
জুটিতে আসে ৫৭ রান।
ফেরেন ১৯ বলে ২৮
রান করে।
মন্তব্য করুন


মো:মাসুদ
রানা,কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়ায় স্বর্গীয় মানিক বণিক ও উত্তম বণিক স্মৃতি ফুটবল ফাইনাল টূর্নামেন্ট খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে উপজেলার উত্তর শিবপুর সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সামাজিক সংগঠন উত্তর শিবপুর সেবাব্রত সংঘের আয়োজনে মথুরা ও
হস্তিনাপুর দলের ফাইনাল ফুটবল খেলা হয়। খেলায় টাইব্রেকারে হস্তিনাপুর বিজয়ী লাভ করেন।
পরে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন সাধারন
সম্পাদক সম্রাট শাহজাহান।
রাজবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
জগন্নাথ বণিকের সভাপতিত্বে ও সেবাব্রত সংঘের সহ-সভাপতি জয়দেব বনিকের পরিচালনায় এসময়
উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. বিশ্বনাথ বসু,উত্তর শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
সভাপতি জিসান আহমেদ,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রশিদ সরকার,যুবলীগ নেতা সোহেল রানা,কৃষ্ণ
বণিক,সেবাব্রত সংঘের সভাপতি শ্রী সুজন বণিক,সাধারন সম্পাদক শৈশব বণিক,সহ-সাধারন সম্পাদক
দেবাশিষ বণিক,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাঁধন বসু,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রাজীব শীল,বলরাম শীল,ধর্ম
বিষয়ক সম্পাদক জয় বণিক ও সহ-ধর্ম বিষয়ক অজিত শীল সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে
চ্যাম্পিয়ান দল হস্তিনাপুর খেলোয়ারদের মাঝে ট্রফি তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
উল্লেখ্য যে, উত্তর শিবপুর সেবাব্রত সংগঠনটি
প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানান কর্মকান্ড করেছে। তবে বিশেষ করে গরীব অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের
অনুদান,শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ,আর্থিক সহায়তা,খাদ্য সহায়তা,পড়াশুনার খরচ,সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়
প্রোগ্রামে অংশগ্রহন করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ভবিষ্যতে এমন সাফল্যে ধরে রাখতে সংগঠনের
সদস্যরা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গত মাসের পাঁচ তারিখে ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের পুনরাবৃত্তি দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। দশ দল নিয়ে শুরু হওয়া এই বৈশ্বিক আসর এসে ঠেকেছে দুই দলে। আহমেদাবাদেই স্বাগতিক ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এই বিশ্বকাপের। চরম উত্তেজনাকর এই ম্যাচে আসরের সেরা দলের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা দল।
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত দুইদলের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এখন পর্যন্ত মোট পাঁচবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল তাদের হেক্সা মিশনের চূড়ান্ত লড়াই। অপরদিকে দুইবার বিশ্বজয় করেছে ভারত। তাদের সামনে তৃতীয় শিরোপা হাতে নেওয়ার সুযোগ।
এই ফাইনালের মঞ্চ ভারত বা অস্ট্রেলিয়া কোন দলের জন্যই অপরিচিত নয়। নিশ্চতভাবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য তো নয়ই, অষ্টমবারের মতো তারা ফাইনালের মঞ্চ মাতাবে। কলকাতা, লন্ডন, জোহানেসবার্গ, বার্বাডোস এবং মেলবোর্নে তারা বিশ্বকাপ তুলেছে এমনভাবে যেভাবে বাচ্চারা তাদের খেলনা সংগ্রহ করে। অনেক দলের জন্য বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা একটি উপলক্ষ। অস্ট্রেলিয়ার জন্য, এটি জীবন ধারণের একটি উপায়। তবে এবার এই বিন্দুতে তাদের যাত্রা অনিশ্চয়তার মধ্যেই ছিল।
বিশ্বকাপে তারা তাদের প্রথম দুটি ম্যাচই হেরেছে, ৩৮৮ রান করার পরেও প্রায় হারতে বসেছিল, ২৯২ রান তাড়া করতে যেয়ে ৯১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হারতে বসছিল এবং সেমিফাইনালের প্রথম ঘন্টার মধ্যে তাদের প্রতিপক্ষকে ২৪/৪ করার পরও প্রায় হারতে বসছিল। তবুও তারা সব বাধা অতিক্রম করে ফাইনালে প্রায় চ্যাম্পিয়নও তারা। এটি এমন এক বছরে যে বছরে তারা ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ ধরে রেখেছে এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপও ঘরে তুলেছে, ক্রিকেট খেলার প্রতিটি ফরম্যাটে তিন বছরের বিশ্ব শিরোপা পূর্ণ করতে তাদের দরকার শুধু আগামীকালের ফাইনাল জয়। পারবে তো কামিন্সরা?
তবে বিশ্বকাপের সাথে অজিদের এতো ইতিহাস থাকার পরেও প্যাট কামিন্স এবং তার দল স্বীকার করবে যে তাদের প্রতিপক্ষ ফাইনালে ফেভারিট হিসাবে শুরু করবে এবং শুধুমাত্র এই কারণে নয় যে তারা স্বদেশী দর্শকদের সামনে ঘরের মাঠে খেলবে। এমনকি যারা সাধারণত ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে থাকেন তারাও ভারতের এই দলের ক্রিকেটের এই সংস্করণে যে নির্ভুলতা এবং আগ্রাসণের সাথে কাজ করেছে তার প্রশংসা করবে। এই ভারতীয় দলের সাথে অনেকেই ২০০০ সালের পরের সব জয় করা বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়া দলের সাথে মিল পাবেন।
এখানেই রোহিত শর্মা-রাহুল দ্রাবিড়ের কৃতিত্ব। এই ক্যাপ্টেন-কোচ জুটি একটি দলের সাফল্যের জন্য আক্রমণাত্মক ব্র্যান্ডের খেলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা লুকানোর কোনও চেষ্টা করেনি ,একটি দলে সবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং অসামান্য ব্যক্তিগত প্রতিভা দিয়ে ভারতকে অজেয়তার আভাস দিয়ে রেখেছেন।
তবে দ্রাবিড় এবং রোহিত কথা নয় কাজে দেখাও মনোভাবে বিশ্বাসী। বলিউডের সিনেমায় দেখানো হয় যোগ্যতার পিছনে ছুটতে কিন্তু বাস্তব জীবনে এখনও সাফল্য মাপা হয় সার্টিফিকেট এবং ট্রফি দিয়ে এটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি। ভারতের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে দল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে, রোহিতকে কপিল দেব এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়কদের সারিতে রাখার জন্য শুধু স্কোরকার্ড এবং পরিসংখ্যান দিয়ে হবে না।
সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রোহিতের অসাধারণ অধিনায়কত্বের গল্প, শামির প্রথম বলে উইকেট, কোহলির দুর্দান্ত শতক, রোহিতের প্রায় ১০০ এবং বুমরাহর জাদুকরী বোলিংকে ইতিহাসের পাতায় ভালোভাবে স্মরণ করা হবে যদি আগামীকাল ট্রফিটি রোহিতের হাতে উঠে। ভারতের অবশ্যই সাফল্যের কোন ঐশ্বরিক অধিকার নেই এবং অধিনায়ক এবং কোচ একমত হবেন যে তারা কেবল পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে পারেন। তবে এখন ভারতের এই দলের নিখুঁত সমাপ্তির স্ক্রিপ্ট করার সর্বোত্তম উপায় হল মাঠে জবাব দেয়া।
এই দুই হেভিওয়েটের চেন্নাইতে তাদের ম্যাচ শুরু না করার আগ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপটি খুব একটা দৌড়াতে পারেনি। এই দুইদলের তাদের চূড়ান্ত বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত এটি শেষ হবে না। মোতেরা থেকে খালি হাতে ফিরে আসা অধিনায়কের কীর্তি হতাশায় আবদ্ধ হবে আর অপর অধিনায়ক একটি ১১ কিলো ভরের সোনা এবং রৌপ্যর প্রলেপ দেওয়ায় ট্রফি দিয়ে লোকগাঁথায় অমরত্ব পাবে।
মন্তব্য করুন


৮৫
বছর বয়সে চলে গেলেন আর্জেন্টিনাকে ১৯৭৮ সালে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতানো
ক্যারিশম্যাটিক কোচ সেজার লুইস মেনোত্তি।
এক্স
হ্যান্ডেলে মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানিয়ে এএফএ লিখেছে, আর্জেন্টিনা
ফুটবল ফেডারেশন অত্যন্ত শোকের সঙ্গে বর্তমান জাতীয় দলের পরিচালক ও আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপজয়ী কোচ লুইস সিজার মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানাচ্ছে। বিদায় প্রিয় ফ্লাকো!
স্থানীয়
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে,
মেনোত্তিকে মার্চ মাসে গুরুতর রক্তাস্বল্পতা নিয়ে একটি
ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি এপ্রিল মাসে ফ্লেবিটিসের জন্য অস্ত্রোপচার
করেছিলেন এবং পরে দেশে ফিরে আসেন বলে জানা গেছে। আর্জেন্টিনার ফুটবলে তাকে সবচেয়ে
প্রভাবশালী কোচ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মেনোত্তি
একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং আর্জেন্টিনার কমিউনিস্ট পার্টির সহযোগী সদস্য হবার
পাশাপাশি বক্সিং অনুরাগী ছিলেন। তিনি রোজারিও সেন্ট্রাল (১৯৬০-৬৩ এবং ১৯৬৭) এর
একজন তরুণ খেলোয়াড় হিসাবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, তারপরে রেসিং
ক্লাব (১৯৬৪) এবং বোকা জুনিয়র্স (১৯৬৫-১৯৬৬)সহ একাধিক ক্লাবের হয়ে খেলেন।
মেনোত্তি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক জেনারেলদের হয়ে খেলেছেন (১৯৬৭), তারপরে ব্রাজিলের
সান্তোস (১৯৬৮) এবং ইতালির জুভেন্টাসের (১৯৬৯-১৯৭০) হয়েও তাকে খেলতে দেখা গেছে।
মেনোত্তি
১৯৭৪ থেকে ১৯৮৩ সালের মধ্যে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। বিশ্বকাপের
প্রাক্কালে, মেনোত্তি
১৭ বছর বয়সী ম্যারাডোনাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিয়েছিলেন-যে সিদ্ধান্তের জন্য
উভয়ের মধ্যে সম্পর্কের বেশ অবনতি নয়। পরবর্তীতে মেনোত্তি ১৯৯১-৯২ সালে মেক্সিকো
জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। তিনি বার্সেলোনাকেও নেতৃত্ব দেন, যেখানে তার
স্কোয়াডে ম্যারাডোনা ছিলেন। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, উরুগুয়ের পেনারোল,
ইতালির সাম্পডোরিয়া এবং মেক্সিকোর টেকোসে ছিল তার শেষ কোচিং জীবন। মেনোত্তি
সিগারেটে আসক্ত ছিলেন। কিন্তু ২০১১ সালে তার তামাক আসক্তির কারণে তিন দিনের জন্য
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে তিনি এই অভ্যাস ছেড়ে দেন।
মেনোত্তি একজায়গায় রসিকতা করে বলেছিলেন, আমাকে না
হারানো পর্যন্ত আমি আমার চুল কাটব না। মেনোত্তির হাত ধরেই সহিংসতাপূর্ণ খেলার
কুখ্যাতি থেকে সরে এসে রোমান্টিক ধাঁচের ফুটবল খেলে সমর্থকদের মন জিতেছে
আর্জেন্টিনা।
মেনোত্তির
মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের
অধিনায়ক লিওনেল মেসি লিখেছেন,
আর্জেন্টিনার ফুটবলের অন্যতম গ্রেট আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার পরিবার এবং
প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা। শান্তিতে ঘুমান।
মন্তব্য করুন


সিলেটের নাম শুনলেই চোখে ভাসে চা বাগান
আর সবুজের সমারোহ! চা শ্রমিকদের জীবন যাপন
নিয়ে অনেক গল্প রয়েছে। যে শ্রমিকরা বাংলাদেশের মানুষদের চা- এর জোগান দেয়, তাদের মজুরি
নিয়েও রয়েছে অনেক বেদনার ঘটনা ও আন্দোলন। সিলেটের
ঐতিহ্যকে ধারণ করে চা-শ্রমিকদের বেশে দেখা গেলো বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড নারী ক্রিকেট
দলের দুই অধিনায়ক।
আজ বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সিলেটের ঐতিহ্যবাহী
চা বাগান মালনীছড়া’তে হাজির হলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি ও গ্যাবি লুইস।
বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি
সিরিজের ট্রফি উন্মোচন হয়েছে এই চা বাগানে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে
আগামী ৫ ডিসেম্বর সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল। পরের ম্যাচ দুইটি ৭ ও
৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


ভারতের বিশ্বকাপ মিশন শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। রবিবার(১২নভেম্বর) সকাল ১০টায় দেশে পৌঁছায় টাইগাররা।
শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ দল। এই হারের মাধ্যমেই শেষ হয়েছে টাইগারদের বিশ্বকাপ যাত্রা।
এবারে ৯টি ম্যাচের মধ্যে দুটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তান এবং শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের অর্জন কেবল চার পয়েন্ট। এছাড়া বাকি ম্যাচগুলোতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেনি সাকিব বাহিনী।
দেশে ফিরে কিছুদিন বিশ্রামের সুযোগ পাচ্ছেন ক্রিকেটাররা। তবে আগামী ২৭ তারিখ থেকে মাঠে গড়াবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্ট। আগামী ২২ নভেম্বর ঢাকায় পা রাখবেন কিউইরা।
মন্তব্য করুন


বিপিএলের ব্যস্ততা শেষ হয়েছে শুক্রবার। এখন আবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরছে দেশের ক্রিকেট।পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে এসেছে শ্রীলঙ্কা দল। তাদের বিপক্ষে সিরিজ শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি দিয়ে।
এই সিরিজের টিকিটের মূল্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) । তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টির সবগুলোই হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকিট কেনা যাবে ১৫০০ টাকায়।
সর্বনিম্ন মূল্য গ্রিন ও ওয়েস্টার্ন গ্যালারির, এখানে খেলা দেখতে ২০০ টাকা খরচ করতে হবে। এছাড়া ক্লাব হাউজ ৫০০ ও ইস্টার্ন গ্যালারির জন্য খরচ করতে হবে ৩০০ টাকা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও রিকাভিবাজারের কাউন্টার থেকে টিকিট কেনা যাবে। সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে বুথ।
আগামী ৪ মার্চ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় ম্যাচ ৬ মার্চ, দুটি ম্যাচই হবে সন্ধ্যা ছয়টায়। ৯ মার্চ তৃতীয় টি-টোয়েন্টি শুরু হবে বিকেল তিনটায়। এরপর তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট খেলবে শ্রীলঙ্কা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের উদ্যোগে কুমিল্লা জেলা দলের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ম্যাচ অফিসিয়ালদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের অফিসিয়াল জার্সি উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে জার্সি বিতরণ করেন লন্ডনপ্রবাসী কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের কর্ণধার আমিনুল ইসলাম সিহান। পরে অতিথি ও খেলোয়াড়রা একসঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আমিনুল ইসলাম সিহানের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, প্রবাসে অবস্থান করেও নিজ জেলার ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের প্রতি তার আন্তরিকতা প্রশংসনীয়। কুমিল্লার ক্রিকেটের উন্নয়নে এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এ সময় সিহানের বাবা ও ক্রীড়া সংগঠক মো. হাসান বলেন, “আমি চেয়েছিলাম আমার একটি সন্তান ক্রিকেটার হোক। সিহান আমার সেই স্বপ্ন পূরণ করেছে। ছোটবেলা থেকেই তার খেলাধুলার প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল, যা আজ কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের মাধ্যমে বাস্তব রূপ পেয়েছে।”
আমিনুল ইসলাম সিহান বলেন, “জেলা ক্রীড়া সংস্থার এই আয়োজন আমাকে সম্মানিত করেছে। কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স সবসময় কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও জেলার ক্রিকেটারদের পাশে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও জাতীয় ক্রিকেট কোচ এমদাদুল হক ইমদু। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও বিসিবির সাবেক পরিচালক বদরুল হুদা জেনু।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার তারিকুল ইসলাম ওশী, সাবেক ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটার, আম্পায়ার ও জেলা ক্রিকেট দলের ম্যানেজার ফখরুল আলম উল্লাস, জেলা ক্রিকেট কোচ হাবিব মোবাল্লেগ জেমস, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক ক্রিকেটার আলামিন ভুঁইয়া, ক্রীড়া সংগঠক মো. হাসান এবং জেলা ক্রিকেট দলের কোচ মানিক কুমার দাসসহ ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
চট্টগ্রাম
বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠলো কুমিল্লা জেলা দল। ১১ মে
ফাইনালে কক্সবাজার জেলা দলের সাথে মুখোমুখি হবে কুমিল্লা।
আজ
সোমবার বিকেলে ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ
জোন ফাইনালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে ১-০ গোলে হারায় কুমিল্লা। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ
জোন ফাইনালে প্রথমার্ধের খেলা গোল শূন্য ড্র ছিলো। পরে খেলার ৭৫ মিনিটে স্বাগতিক দলের
পক্ষে মোহাম্মদ মামুন জয়সূচক গোলটি করেন। খেলায় প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ বিবেচিত হন গোলদাতা
মামুন। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ
বড়ুয়া।
উল্লেখ্য
বিভাগের ১১ জেলা দল নিয়ে দুটি জোনে ভাগ হয়ে ২৪ এপ্রিল টুর্নামেন্টটি শুরু হয়। ১১ মে
কক্সবাজার জেলা স্টেডিয়ামে রাঙ্গামাটি জোন চ্যাম্পিয়ন কক্সবাজার জেলা দলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
পূর্ণ ফাইনালে মুখোমুখি হবে কুমিল্লা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাাথ দত্ত স্টেডিয়ামে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট ২০২৩-২৪ আয়োজনের লক্ষে প্রস্তুতি সভা করেছে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ক্রিকেট কমিটি।
বুধবার সকালে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট শুরুর সিদ্ধান্ত হয়।
এবারের স্কুল ক্রিকেটের আসরে কুমিল্লার ৮টি স্কুল অংশ নিচ্ছে। ক ও খ দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে ৮টি স্কুল দল। ক- গ্রুপে রয়েছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল, এ্যাথনিকা স্কুল এন্ড কলেজ, ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ ও কুমিল্লা ইউসুফ হাই স্কুল।
খ- গ্রুপে রয়েছে কুমিল্লা হাই স্কুল, কুমিল্লা জিলা স্কুল, কুমিল্লা পুলিশ লাইন স্কুল ও কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এর ব্যবস্থাপনায় ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট হচ্ছে।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারন সম্পাদক খায়রুল আলম সোহাগ, যুগ্ম সম্পাদক বাদল খন্দকার, কোষাদক্ষ আল আমিন ভূইয়া, সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির, জেলা ক্রিকেট কোচ হাবিব মোবাল্লেগ জেমস ও কোচ সারোয়ার জাহান ও অংশগ্রহণকারী স্কুলগুলোর ক্রীড়া শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হয়েছে খুলনা। আগে ব্যাট করে
লড়াই করার মতো পুঁজি
পেয়েছে বিজয়বাহিনী। আসরের
শুরুটা ভালোই ছিল খুলনা টাইগার্সের।
কিন্তু ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি
খুলনা টাইগার্স।
২০২৪
বিপিএলের ৩২তম ম্যাচে আজ
৮ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লার সামনে ১৬৫ রানের লক্ষ্য
ছুড়ে দিয়েছে খুলনা টাইগার্স। সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেছেন
দলটির ক্যারিবীয় মিডল অর্ডার ব্যাটার
এভিন লুইস। শেষদিকে ১১ বলে ২০
রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন
দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার ওয়েইন পারনেল।
চট্টগ্রামের
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস আগে ব্যাট
করতে নামে খুলনা। ২
ওপেনার অ্যালেক্স হেলস ও আফিফ
হোসেন মিলে ৩২ রানের
জুটি গড়েন। হেলস ১৭ বলে
২২ রান করে বিদায়
নেন। তুলনায় আফিফ রান তোলেন
ধীরে। ৩৩ বলে ২৯
রানের ইনিংস খেলেন তিনি। হেলস বোল্ড হয়ে
ফেরেন ম্যাথু ফোর্ডের বলে। তারপর
অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় ১৩
বলে ১৮ রান করে
মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বিদায় নেন।
আর আফিফ ফেরেন তরুণ
স্পিনার আলিস ইসলামের ঘূর্ণিতে
পরাস্ত হয়ে। দলীয় ৭৩
রানে ৩ উইকেট হারালেও
বিপদে পড়েনি খুলনা। কারণ হাল ধরেন
লুইস ও জয়। ২জনের
জুটিতে আসে ৫৭ রান।
ফেরেন ১৯ বলে ২৮
রান করে।
মন্তব্য করুন