

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় কোনো ঘুষ, তদবির বা হয়রানি ছাড়াই ট্রেইনি পুলিশ কনস্টেবল পদে ৪৭ জনের নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (৩১ আগস্ট ) কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খাঁন এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ৪৭ জন সবাই এ পুরুষ । এদের মধ্যে ৪৫ জন সাধারণ কোটায় ও ১ জন মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টী কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন। বিকেলে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সের শহীদ আরআই এবিএম আবদুল হালিম মিনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উত্তীর্ণদের বরণ করে নেয় জেলা পুলিশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খাঁন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাইদ মো.গাউছাল আজম এবং চাঁদপুর হাজীগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সার্কেল) মুকুল চাকমা সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘প্রত্যেক মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সৎভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। ঘুষ ছাড়া নিয়োগ দেওয়া সম্ভব, আমরা সেটিই প্রমাণ করেছি। এখানে যারা নিয়োগ পেয়েছেন, তারা সবাই মেধাবী। আমি বিশ্বাস করি, তারা সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।
চলতি বছরের জুন মাসে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স মাঠে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। মোট আবেদন পড়ে ১ হাজার ৮৯১টি। শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৬৩৭ জন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৪৭ জন। এর মধ্যে মৌখিক পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন ৭৫ জন।
এ বিষয়ে চাকরি পাওয়া কুমিল্লা সদর দক্ষিণের এমরান হোসেন নামে এক তরুণ বলেন, ‘কোনো টাকা লাগে নাই, কেউ চায়ও নাই।দালালের খপ্পরে ও পড়ি নাই।আমার বাবা একজন সিএনজি চালক।বাবা-মায়ের দোয়ায় আমার স্বপ্ন ছিলো দেশের সেবা করার জন্য আল্লাহ আমার ডাক কবুল করেছে।
মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশ বদলাচ্ছে।’
নিয়োগপ্রাপ্ত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সজিব বলেন, ‘এখন বিশ্বাস হচ্ছে, যোগ্যতা থাকলে সরকারি চাকরি পাওয়া যায়। আমাদের গ্রামে সবাই অবাক!’
চাকুরি পাওয়া এমরান হোসেনের পিতা সদর দক্ষিণ রামপুর গ্রামের সিএনজিচালক মো.এরশাদ মিয়া বলেন, ‘ছেলের চাকরির জন্য বাড়ি বিক্রি করার কথা ভাবছিলাম। আল্লাহর রহমতে কিছুই লাগেনি, শুধু পরিশ্রম আর প্রার্থনা।
মন্তব্য করুন


সোমবার
(৫ মে) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় (AOR 23 BIR) যৌথ অভিযানে
দুটি পৃথক অভিযান চালিয়ে ডিপার্টমেন্ট অব নারকোটিক্স কন্ট্রোল (ডিএনসি), কুমিল্লা
ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সহযোগিতায় বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে
আটক করা হয়েছে।
প্রথম
অভিযানটি চালানো হয় মদিনগর এলাকায়। অভিযানে আটক করা হয় ইব্রাহিম খলিল (৩৫) নামক
এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে। তার কাছ থেকে ৩৮৪ পিস ইয়াবা, ২ পিস স্ক্রাপ এবং ১,৮১৯
টাকা উদ্ধার করা হয়।
দ্বিতীয়
অভিযানটি পরিচালিত হয় আমতলী বিশ্বরোড সংলগ্ন রহমান ফিলিং স্টেশনের সামনে। অভিযানে
স্টার লাইন পরিবহনের এক যাত্রী, আব্দুল মাজেদ (৪৫)-কে তল্লাশি করে তার দেহ থেকে ১,৯০০
পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত
মাদকদ্রব্যসহ আটক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় কুমিল্লায় হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
গত
এক মাসে কুমিল্লা জেলায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে।
৫ আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লা
জেলায়ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি লক্ষ্য করা যায়। হামলা-ভাঙচুর, লুটপাট, দখলবাজি
অহরহ ঘটতে থাকে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত কুমিল্লা
জেলায় অপরাধ প্রবণতা প্রকট আঁকার ধারণ করে। এ সময়ে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ
জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ঝটিকা মিছিল, অগ্নিসংযোগ করে । এসব অপরাধ দমনে বিগত সময়ে পুলিশের
অভিযান পর্যাপ্ত ছিল না বলে অনেকেই মনে করেন। কিন্তু গত ডিসেম্বর মাসে নতুন পুলিশ সুপার
মোঃ আনিসুজ্জামানের যোগদানের পর দৃশ্যপট দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে। জেলা পুলিশ, ডিবি পুলিশ পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে।
ফলে অপরাধ দমনে গ্রেপ্তার অভিযান বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। যা গত এক মাসের গ্রেফতার অভিযানের
পরিসংখ্যান দেখলেই সহজে অনুমান করা যায়। ফলে বিগত এক মাস ধরে জেলায় আওয়ামী লীগ ও এর
অঙ্গ-সংগঠনের কার্যক্রমও দেখা যায়নি।
কুমিল্লা
জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান এর নির্দেশে গত এক মাসে জেলাজুড়ে অভিযান পরিচালনা করে
বিভিন্ন মামলায় ১ হাজার ৩৮২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশ বিপুল পরিমাণ মাদক
ও অস্ত্র-গুলিও উদ্ধার করে।
শুক্রবার
(৯ জানুয়ারি) জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে
অভিযানের এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাদক মামলায় ১৮৫ জন, ডেভিল হান্ট ফেজ টুতে-৪২৬
জন, ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ২১ জন, নিয়মিত মামলায় ৭৫০ জন আসামি রয়েছে। এ সময় পুলিশ ৮০১ কেজি গাজা, ৪৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করে । এছাড়া মাদক পরিবহন
কাজে ব্যবহৃত ২টি পিকআপ, একটি বাস, দুটি ট্রাক, দুটি সিএনজি এবং ডাকাতির
কাজে ব্যবহৃত ৪টি পিকআপ ও একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। ডাকাতদের কাছ থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণ
ও কৃষকের ৮ টি গরু উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া
পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনটি বিদেশি পিস্তলসহ ৪ টি পিস্তল, ৪টি এলজি,
১টি পাইপ গানসহ বিপুল পরিমাণ গুলি ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে।
পুলিশের
সক্রিয়তা জনমনে অনেকটাই প্রশান্তি এনে দিয়েছে। যদিও পুলিশের কাছে মানুষের চাহিদা আরো
অনেক বেশি। তারপরেও গত এক মাসে কিছুটা হলেও পুলিশে আস্থা ফিরেছে জনগণের। বেশ কয়েকজনের
সাথে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।
চকবাজার
এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ি কামাল হোসেন জানান, গত এক মাস ধরে শহরে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত
অনেকটাই কমে গেছে। পুলিশ সক্রিয় হয়েছে, কিশোর অপরাধিরাও আত্মগোপনে চলে গেছে। পুলিশের
কাছে এমন সক্রিয়তাই মানুষ আশা করে। আইনশৃংখলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হচ্ছে।
কান্দিরপাড়ের
ব্যবসায়ি আলমগীর হোসেন জানান, বর্তমান পুলিশ সুপারের যোগদানের পর পুলিশের মাঝে এখন
সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরাধ কমছে। আশা করি পুলিশ আরো ভাল কাজ করবে।
ভিক্টোরিয়া
কলেজের বিএসএস শাখার শিক্ষার্থী ইয়াছিন রাফান
জানান, গত ২০/২৫ দিনে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। অপরাধ কর্মকান্ড কমতে শুরু করেছে।
অপরাধিরা ভয়ে আছে। পুলিশের কাছে মানুষ এমনটাই আশা করে।
নাম
প্রকাশে অনিচ্ছুক সুশীল সমাজের এক নাগরিক জানান, পুলিশের মাঝে কাজের গতি বেড়েছে, এটা
ভাল দিক। তবে পুলিশকে তাদের নিজের মত কাজ করতে দিতে হবে। পুলিশ অপরাধি আটক করবে আর
সেই অপরাধিকে ছাড়িয়ে আনার জন্য রাজনীতিবিদরা তদবির করবে, তা হওয়া উচিত নয়। আবার জনগণ
যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকেও পুলিশকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলেই একটি সুন্দর সমাজ
গড়ে উঠবে। নতুন পুলিশ সুপার যোগদান করেই ভাল সফলতা দেখাচ্ছেন। তাকে আরো সময় দিতে হবে।
যাতে তিনি কুমিল্লার মানুষের নিরাপত্তার জন্য কাজ করতে পারেন।
কুমিল্লার
পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, পুলিশ জনগণের সেবক। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত
করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ করতে এই অভিযান আরো জোরদার করা হবে।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও সদর দক্ষিন এলাকা হতে ইয়াবা ও গাঁজা সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
৪ মে রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন পূর্ব কাশিপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সুমন
মিয়া (২৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৫ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে
৪ মে রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জগপুর (পশ্চিম পাড়া) এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ
সময় আসামীর কাছ থেকে ৪২ পিস ইয়াবা ও ১২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো, ১। মোঃ সুমন মিয়া (২৮) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পূর্ব কাশিপুর গ্রামের
মোঃ আঃ মালেক এর ছেলে এবং ২। আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানার
জগপুর (পশ্চিম পাড়া) গ্রামের মৃত সরাফত আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা
হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় মোবাইল ডিসপ্লে ও বাজি উদ্ধার
করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য এক কোটি
৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
সোমবার
(২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির
মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার ভোর আনুমানিক ৩টা ৫০ মিনিটে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
উপজেলা যশপুর বিওপির আওতাধীন লক্ষ্মীপুর সীমান্ত এলাকার প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে
‘বলের ডেপা’ নামক স্থানে মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল
ডিসপ্লে ও কিং কোবরা ব্র্যান্ডের আতশবাজি পড়ে থাকতে দেখা যায়। যা অবৈধভাবে ভারত থেকে
দেশে আনা হয়। পরে বিজিবির দায়িত্বরত টহলটিম সেগুলো জব্দ করে।
কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, জব্দকৃত মালামালের
আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এ ধরনের চোরাচালান দেশের অর্থনীতির
জন্য ক্ষতিকর এবং জননিরাপত্তার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করে।
বিশেষ
করে অবৈধ বাজি মজুদ ও পরিবহন অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। উদ্ধারকৃত
মালামাল বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে। সীমান্ত এলাকায়
চোরাচালান রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান বিজিবির এ অফিসার।
মন্তব্য করুন


সময়ের পরিক্রমায় কুমিল্লার বন্যার পরিস্থিতির কোন কোন দিকে কিছুটা উন্নতি হলেও কোন কোন দিক এখন পর্যন্ত রয়ে গিয়েছে আগের মতই ।
তবে আশাজাগানিয়া বিষয়টি হলো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রচেষ্টা এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহায্যের হাত এগিয়ে দেওয়া বর্তমান পরিস্থিতিতে আগের চেয়ে অনেকটা আশার আলো নিয়ে এসেছে।
সাধারণ
মানুষ থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি অন্যান্যদের মতো সহায়তার হাত
নিয়ে এগিয়ে এসেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটলিয়ন।
কুমিল্লায়
বন্যা দুর্গত অঞ্চলে মানুষের খাদ্য সহায়তা
দিতে এগিয়ে এসেছে র্যাব ১১, সিপিসি ২ কুমিল্লা।
সোমবার
দুপুর থেকে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের ফকির বাজার উচ্চ বিদ্যালয়
আশ্রয় কেন্দ্র, কালিকাপুর ডিগ্রি কলেজ আশ্রয় কেন্দ্র ও বকশিমুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
আশ্রয় কেন্দ্র, আগ্গাপুর মোর্শেদা বেগম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্র, ছয় গ্রাম
উচ্চ বিদ্যালয়, ছয়গ্রাম মাদ্রাসা ও পাঁচোড়া বিদ্যানিকেতনে ১৫ শত মানুষের মাঝে খাদ্য
সহায়তা দিয়েছে র্যাব ১১ সিপিসি-২ কুমিল্লা।
উল্লেখিত
আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে বুড়িচং উপজেলার পিতাম্বর,বাকশিমুল, কালিকাপুর, দক্ষিণ কালিকাপুর,বলরামপুর,মাধবপুর,মাশড়া,খোদাইতলি,জগৎপুর,যদুপুর,হরিপুরসহ
বিভিন্ন এলাকার লোকজন আশ্রয় নিয়েছেন।
র্যাব ১১ সিপিসি ২ কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এসকল ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করার দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিইআরসি (বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন) নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দামে ১২ কেজির এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করছিল। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পদুয়ার বাজার এলাকার এলপিজি গ্যাস পরিবেশক মেসার্স সরকার এন্টারপ্রাইজকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অপরাধে চাষাপাড়া এলাকার মেসার্স উজ্জ্বল ট্রেডার্সকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে গ্যাস সিলিন্ডার ক্রয়-বিক্রয় না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আশপাশের অন্য দোকানিদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান চলে বিকেল পর্যন্ত। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া। অভিযানে সহযোগিতায় ছিলেন জেলা পুলিশের একটি দল।জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) কুমিল্লা প্রেসক্লাব সংলগ্ন সড়কে হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনে গণহত্যার বন্ধ করার দাবীতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- হেযবুত তওহীদ চাঁদপুর জেলা সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক,হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা বাণিজ্য সম্পাদক তসলিমা মোবারক আজাদ, হেযবুত তওহীদ লাকসাম উপজেলা সভাপতি মোঃ ফয়সাল মোহাম্মদ,হেযবুত তওহীদ সদর উপজেলা সভাপতি সুজন আলী, হেযবুত তাওহীদ কুমিল্লা জেলা সদস্য ইয়াসিন আরাফাত সহ আরও অনেকে।
বক্তাগণ বলেন, ৭৫ বছরের হত্যাযজ্ঞের পরে এবার ইসরায়েল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই ভূমিতে আর কোনো একজন মুসলমানকেও থাকতে দেওয়া হবে না। এ হৃদয়বিদারক, ন্যাক্কারজনক ও পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষী সমগ্র বিশ্ব। এমন একটি পরিস্থিতিতেও গোটা মুসলিম বিশ্বের সরকারগুলো, বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা, জাতিসংঘ, ওআইসি, আরব লীগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলো নীরব। প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোও যেন চোখে ঠুলি পরে আছে। এই বিপর্যয় থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে, জাতির মধ্যে বিরাজিত সব ফেরকা, মাজহাব, দলাদলি এই মুহূর্ত থেকে বাদ দিয়ে আমাদেরকে আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় জেলা মাসিক রাজস্ব সম্মেলন এবং জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সারের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ বি এম মশিউজ্জামানের সঞ্চালনায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপজেলাসমূহের রাজস্ব আদায়, ইজারা প্রদান, রাজস্ব সংক্রান্ত মামলার অগ্রগতি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জেলা প্রশাসক কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিক নির্দেশনামূলক পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
সম্মেলনে সরকারি রাজস্ব আদায়ে সকল কর্মকর্তাকে আরও বেশি সচেষ্ট থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়। আলোচনায় ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ও দাবি, নামজারি মোকদ্দমা পরিস্থিতি, ভূমি অফিসের ব্যবস্থাপনা, খাসজমি বন্দোবস্ত ও উদ্ধার ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হয় এবং করণীয় বিষয়াদি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ বি এম মশিউজ্জামান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ শাহরিয়ার, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি পরিদর্শক সাদেকুর রহমান, বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) গণ।
সভায় জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার গোমতী নদী রক্ষা নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, গোমতীর আইলে অবৈধ উচ্ছেদ নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে এবং ইতোমধ্যে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মরা গোমতীর অবৈধ দখলদারদের একটি তালিকাও তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করার তাগিদ দেন জেলা প্রশাসক।
তিনি এক্ষেত্রে পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং স্ব স্ব ইউএনওদের আবারও উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা দেন। এছাড়াও, গোমতী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের কথাও সভায় জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১০১ পিস মোবাইল ফোনসহ একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গত
মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ
অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন ২নং উত্তর দূর্গাপুর ইউপির শংকরপুর
সাকিনস্থ আইএফআইসি ব্যাংকের সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌছাঁলে ডিবি পুলিশ চিনতে পেরে
আসামী একটি প্লাষ্টিকের বস্তাসহ দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে বস্তাসহ আটক করা হয়। বস্তুা
তল্লাশি করে ১০১ পিস নতুন-পুরাতন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: কুমিল্লা জেলা ব্রাহ্মণপাড়া থানার রানীগাছ গ্রামের মোঃ রুবেল মিয়া’র ছেলে
মোঃ পারভেজ মিয়া (৩০)।
গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করা হয।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার
(২৯ ফেব্রুয়ারী) দুপুরবেলা কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ এর খাসকামরায় কুমিল্লা সিভিলকোর্ট
কমিশনারদের মাঝে পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) বিতরণ করা হয়।
এসময়
কুমিল্লা সিভিলকোর্ট কমিশনার এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ আরমান হোসেন (মোশারফ) ও সাধারণ
সম্পাদক কাজী মোঃ জাকির হোসেনসহ সিভিলকোর্ট কমিশনারদের হাতে পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড)
তুলে দেন সদ্য বিদায়ী কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেলাল উদ্দিন। এসময়
উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ আহছান উল্লাহ খন্দকারসহ
কুমিল্লা সিভিলকোর্ট কমিশনার এসোসিয়েশনের সকল সদস্যগণ।
এসময়
জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন- এ পরিচয়পত্র গুলো আমার স্বাক্ষরিত আপনারা এমন
কোন কাজ করবেননা যে আমার সন্মান ক্ষুন্ন হয়।
মন্তব্য করুন