

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযানে ১১ জন মাদক ব্যবসায়ী
ও একজন আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু গাঁজা ও ইয়াবা সহ আটক করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
গতকাল (২৮ জুন) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ছুপুয়া
এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১। বাবলু মিয়া
(২৩), পিতা-জাকির হোসেন, সাং-আইরল, থানা-সরাইল, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া; ২। বিল্লাল হোসেন
(২২), পিতা-মাহবুল হক, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ
মুন্না হোসেন (২২), পিতা-মোঃ রেজাউল করিম, সাং- আলিপুর, থানা-সাতক্ষীরা সদর, জেলা-সাতক্ষীরা;
৪। মোঃ সাইফুল ইসলাম কামাল (১৯), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট,
জেলা-কুমিল্লা; ৫। মোঃ সোহাগ (২৫), পিতা-আব্দুল খালেক, সাং-শফিবাদ, থানা-কচুয়া, জেলা-
চাঁদপুর; ৬। মোঃ ফয়সাল (২০), পিতা-আব্দুল বারেক, সাং-পানিপাড়া, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লা
৭। ইমরান হোসেন বাবু (২৫), পিতা-মাহবুল হক, সাং-শহীদপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
৮। মোঃ সালমান হোসেন (১৯), পিতা-মৃত শহীদুল ইসলাম, সাং-মাঝিআলী, থানা- বাঘারপাড়া, জেলা-যশোর;
৯। মোঃ শাহেদ হাসান (২০), পিতা-মৃত কবির হোসেন, সাং-পানিপাড়া; ১০। মোঃ হুমায়ুন হোসেন
(২০), পিতা-মোঃ আবুল বাশার, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
১১। মোঃ কাওসার (২২), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে
গ্রেফতার করা হয় এবং আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু ১২। মোঃ জসিম উদ্দিন (১৬), পিতা-মোঃ
জাফর আলী, সাং-পশ্চিম নোয়াগাও, থানা-লালমাই, জেলা-কুমিল্লা। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৭০
গ্রাম গাঁজা ও ১৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানান, আসামীরা ও আইনের সহিত
সংঘাতে জড়িত শিশু দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের
পার্শ্ববর্তী খাবারের হোটেল গুলোতে ট্রাকের ড্রাইভার ও হেল্পারদের নিকট মাদক বিক্রয়
করে আসছিল। কিছু হোটেলের মালিক/ম্যানেজারগণ খাবার হোটেলের ব্যবসার সাথে সাথে মাদক ব্যবসার
সাথেও জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়। ট্রাকের চালকেরা খাবার খাওয়া এবং বিশ্রামের জন্য উক্ত
খাবার হোটেল গুলোতে বিরতি নিয়ে থাকে। বিরতিকালে ড্রাইভার এবং হেলপাররা হোটেল গুলো থেকে
মাদকদ্রব্য ক্রয় করে এবং সেবন করে। মাদক সেবী ট্রাকের ড্রাইভাররা নেশাগ্রস্থ অবস্থায়
রাতে মহাসড়কে গাড়ি চালায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক সময়ে মহাসড়কে সড়ক দূর্ঘটনার
হার আশংকাজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রয়কালে
অবৈধ মাদক সহ আসামীদেরকে হাতেনাতে গ্রেফতার ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে আটক করে।
মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অর্ধবার্ষিকী জুডিসিয়াল
কনফারেন্স ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে কুমিল্লা বিচার
বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের কনফারেন্স রুমে এ কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত
হয়।
এতে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা
জজ (ভারপ্রাপ্ত) নাসরিন জাহান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব (মতামত) উম্মে
কুলসুম।
উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে
বক্তব্য রাখেন- কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ
আবদুল্লাহ আল মামুন, কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান, কুমিল্লা সিভিল
সার্জন ডা. নাছিমা আকতার, সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন, অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক ফাহমিদা মুস্তফা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান, GIZ এর
প্রতিনিধি মার্টিনা বারকার্ড। এছাড়াও উন্মুক্ত আলোচনা করেন- সিনিয়র সহকারী জজ ধ্রুবজ্যোতি
পাল, কুমিল্লা (ভারপ্রাপ্ত) জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ আরিফ, কুমিল্লা জেলা জিপি এডভোকেট
তপন বিহারী নাগ ও জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম এবং কুমিল্লা জেলা আইনজীবী
সমিতির সভাপতি ও সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, জেলা আইনজীবী
সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, কোর্ট মালখানা'র এসআই মোঃ
ফারুক প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র
কোরআন তেলাওয়াত পাঠ করেন ক্যাশিয়ার মোঃ আতাউল্লাহ এবং গীতা পাঠ করেন লাইব্রেরি সহকারী
যামিনী কুমার নাথ। এরআগে প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচছা জানান সিনিয়র সহকারী জজ আয়েশা
বেগম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য
রাখেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক রোজিনা খান।
এছাড়াও আদালতের সাথে অন্যান্য
ডিপার্টমেন্ট এর সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং দেওয়ানি মোকদ্দমা সংশ্লিষ্ট সমস্যা / সমাধান উপস্থাপনা
করেন কুমিল্লা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক তাওহীদা আক্তার ও ফৌজদারি মামলা
সংশ্লিষ্ট সমস্যা/সমাধান উপস্থাপনা করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোঃ মাজহারুল হক।
অনুষ্ঠানে কনফারেন্স সম্পর্কিত
পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন সহকারী জজ মীর মাশহুর আহমেদ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা
করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোঃ ইমাম হাসান ও সহকারী জজ তৌফিকুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা:
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আলোচিত একটি ডাকাতি মামলায় একজনকে সাত বছর এবং অপর চারজনকে পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম আদালত) বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন ভূঁইয়া।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বরুড়া উপজেলার মহিদপুর গ্রামের মো. বাবুল মিয়া, জয়নাল আবেদীন ওরফে জনু এবং মিজান (পলাতক)। এছাড়া একই উপজেলার ঝলম গ্রামের মো. আব্দুল মালেক ও ওয়াশকুরুনী (পলাতক)।
আদালতের রায়ে মো. বাবুল মিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর চার আসামিকে প্রত্যেককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৬ মে বিকেলে বরুড়া উপজেলার ঝলম-আড্ডা সড়কে একটি কাভার্ড ভ্যানের গতিরোধ করে সশস্ত্র ডাকাতরা চালককে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির সিগারেট বিক্রির ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৯ টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের সেলস ম্যানেজার কবির হোসেন বাদী হয়ে বরুড়া থানায় অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৯৫, ৩৯৭ ও ৪১২ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, প্রধান প্রকৌশলী আবু সায়েম, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. চন্দনা দেবনাথসহ সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা।
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানায়, আজ ২৮ জুন একদিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে নগরীর ১১৪টি টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে ৫৫ হাজার ১৯১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৭ হাজার ৮২৫ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪৭ হাজার ৩৬৬ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নে প্রতিটি টিকাদান কেন্দ্রে দুইজন করে স্বেচ্ছাসেবক এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে দুইজন করে সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রজেক্ট, সূর্যের হাসি ক্লিনিক, রোটারি ক্লাব, এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লা সিটি এবং বিডি ক্লিন, কুমিল্লার সদস্যরা এ কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন।
কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, “জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অভিভাবকদের উচিত নির্ধারিত কেন্দ্রে এসে তাদের শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো এবং এই জাতীয় কর্মসূচিকে সফল করতে সহযোগিতা করা।”
এদিকে কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, জেলার ৫ হাজার ৩৯টি কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ১০ লাখ ৮ হাজার ৯৭ জন শিশুকে বয়সভেদে নীল ও লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১০ হাজার ৭৮ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন।
মন্তব্য করুন


মাদ্রাসার ছাত্র হাফেজ
নাজমুল হাসান দিগান (১৪) গত রবিবার (১৩ এপ্রিল ) সকাল ৮ টায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের
২১নং ওয়ার্ড শাকতলা উত্তর পাড়া নিজ বাসার সামনে থেকে নিখোঁজ হয়।
নিখোঁজ এর ঘটনায় সোমবার
(১৪ এপ্রিল) সদর দক্ষিণ থানায় জিডি করা হয়।
নিখোঁজ ডাইরীর ভিত্তিতে বিবাড়ীয়া জেলাধীন আখাউড়া রেলস্টেশনের পাশে সিএনজি স্টেশন হতে
সকাল ১০ টার সময় মাদ্রাসার ছাত্র হাফেজ নাজমুল
হাসান দিগান(২৩)কে এসআই নিয়াজ মোহাম্মদ খান ও তাহার পরিবারের সহায়তায় উদ্ধার পূর্বক
তাহার অভিভাবকের নিকট বুঝিয়ে দেন। তাকে পেয়ে তাহার পরিবারের লোকজন অনেক খুশি।
নাজমুল হাসান দিগানের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশ প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা
জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লাসহ সারা দেশে আলোচিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রধান আসামি নিহতের স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়ের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
আজ ২০ মে বুধবার সোয়া ১১টার দিকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১ নং আমলী আদালত) মমিনুল হকের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অমর্ত্য মজুমদার আসামিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বিবাদী পক্ষের আইনজীবী মাসুদ সালাউদ্দিন ও মাহবুবুল হক খন্দকারসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানান। অপরদিকে, বাদী পক্ষের আইনজীবী তাফসীরুল আলমসহ ১০/১৫ জন আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে মামলার বাদী নিহত ফারিহার বাবা স্কুল শিক্ষক মো: হানিফ মজুমদার, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ফারিহার মায়ের আহাজারিতে আদালত প্রাঙ্গণ ভারী হয়ে ওঠে। তিনি তাঁর মেয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এবং মেহেদী হাসান হৃদয়ের বাসায় থাকা ফারিহার ব্যবহা্য জিনিসপত্র উদ্ধারের জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে আর্তনাদ জানাতে থাকেন।
মামলার প্রধান আসামি মেহেদী হাসান হৃদয়ের সাথে আদালত প্রাঙ্গণে কথা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, "আমি ঘটনার দিন বাড়িতে ছিলাম না। আমি মেঘনা উপজেলার ছোট সাতমোরা গ্রামে নানার বাড়িতে ছিলাম।"
অভিযুক্ত মেহেদী হাসান হৃদয়ের মামা মোটর পার্টস ব্যবসায়ী মো: আবদুর রহমান জানান, মেহেদী এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে ফারিহার ওপর কোনো চাপ ছিল না। মেয়ের মা সবসময় মেহেদী বেকার থাকায় বিরক্ত হতেন এবং তাকে অপমান করে কথা বলতেন। মেহেদীর মুন্সেফবাড়ির বাসাতেই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। মেহেদী হাসান হৃদয়ের নানা মো: আফজল মিয়া বলেন, "মেহেদী ঘটনার দিন আমার গ্রামের বাড়ি মেঘনার ছোট সাতমারা গ্রামে ছিল। আমরা যদি এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকি, তাহলে আল্লাহ যেন আমাদের বিচার করেন।"
এর আগে, গত ৫ মে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামে একটি বহুতল ভবনের স্বামী ও শ্বশুরের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ফারিয়া ও হৃদয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার বাসিন্দা আবদুর রহিমের ছেলে হৃদয়ের সঙ্গে ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে ফারিয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর থেকেই তাঁর স্বামী ও পরিবারের লোকজন ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। ফারিয়ার পরিবার সেই টাকা দিতে না পারায় তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয় এবং এ নিয়ে একাধিকবার ফারিয়াকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
এদিকে, মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী তাফসীরুল আলম অভিযোগ করে বলেন, "আমরা যেভাবে এজাহার জমা দিয়েছিলাম, পুলিশ সেভাবে এজহার গ্রহণ করেনি। এতে করে মামলার ভিত দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে। তারপরেও আমরা আশা করছি, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।"
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ সীমান্ত
রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) এর কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর সফল অভিযানে ৩০ লক্ষ
৪৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল জব্দ করা হয়েছে।
১৪ মার্চ রাত ১টায় কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের
আওতাধীন বিবির বাজার বিওপির কটকবাজার পোষ্টের একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক
ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পালপাড়া নামক স্থানে সীমান্ত শূন্য
লাইন থেকে আনুমানিক ৭ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মালিকবিহীন অবস্থায় ৬,৭৭০ কেজি
অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত চাউলের বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ
৪৬ হাজার ৫০০ টাকা। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা করা হবে।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর
অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় নকল চিপস কারখানায় অভিযান,লাখ টাকা জরিমানা
কুমিল্লায় নকল চিপস কারখানায় অভিযান চালিয়ে নকল চিপসের পাঁচটি রিল জব্দের পর পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এসময় ওই প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার আড়াইওড়া এলাকায় মেসার্স রবি ফুড প্রোডাক্টস নামের প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এতে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম।
তিনি জানান, মেসার্স রবি ফুড প্রোডাক্টস নামের একটি প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই থেকে মাত্র তিনটি পণ্যের লাইসেন্স নিয়ে ১১টি পণ্য মোড়কজাত করে বিক্রি করছে। মোড়কজাতকৃত পণ্যের মধ্যে হুবহু বম্বের সুইটস কোম্পানির আদলে রিং চিপস, পটেটো চিপস ও লেইজার চিপস মোড়কাবদ্ধ করে বিক্রয় করছে। একই সাথে প্রাণের জিরোস চিপসের আদলে জোরস চিপস নাম দিয়ে ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা করছে। ফলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৪ ধারায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
উক্ত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, বিএসটিআই এর পরিদর্শক (মেট্রোলজি) হাফিজুর রহমান, জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন এবং জেলা পুলিশের একটি টিম ।
মন্তব্য করুন


বন্যার পানি কমে এলেও কমেনি মানুষের দুর্ভোগ, মানুষের কষ্ট।
গৃহহীন মানুষগুলো আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।
এ মানুষগুলোর ঘরবাড়ি পুনর্বাসনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেক।
কুমিল্লায় স্মরণকালের ইতিহাসের ভয়াবহ বন্যায় অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিবেক যেটি হলো মানবতার তরে কাজ করা সামাজিক সংগঠন মানুষদের আশ্রয়স্থল পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে।
এ উদ্যোগেরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ১১সেপ্টেম্বর বিবেক এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু এর নেতৃত্বে কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের নমষোদ পাড়া ও ইন্দ্রবতি গ্রাম এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বালেশ্বর গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তের মাঝে গৃহ পূর্ণনির্মাণের জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয় ।
অসহায় মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস নিয়ে বিবেকের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের
স্মরণে কুমিল্লা সরকারি কলেজে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এসময় নিহতদের
স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালনসহ সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার
দিকে কলেজের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের
শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গুলি চালিয়ে নির্বিচারে ভাইদের হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে
জড়িতদের বিচার করতে হবে। আমাদের শহীদ ভাইদের জন্যই স্বৈরাচার সরকারের হাত থেকে মুক্তি
পেয়েছি আমরা। আমরা তাদের সারাজীবন মনে রাখব। আমরা শহীদ ভাইদের স্মরণে এখানে উপস্থিত
হয়েছি। ৭১-এর মুক্তিযোদ্ধাদের যেভাবে আমরা স্মরণ করি, ২৪ এর ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ভাইদেরও
আমরা সেভাবে স্মরণ করবো। তাদের এই ঋণ আমরা কখনো শোধ করতে পারবো না। আমি চাই, তাদের
এই অবদান যেন সবাই মনে রাখে, এই বিষয়ে যেন কোনো বৈষম্যের সৃষ্টি না হয়।
কর্মসূচিতে কুমিল্লা সরকারি কলেজের
বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সবাই মিলে সমস্বরে
দেশাত্মবোধক গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
১০ম
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪-২৫-এর চূড়ান্ত পর্বে চ্যাম্পিয়ন
হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল। বৃষ্টি-বিঘ্নিত ফাইনালে টস জিতে
শিরোপা নিশ্চিত করে তারা।
বসুন্ধরা
ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের প্রতিপক্ষ ছিল
বগুড়া পুলিশ লাইন হাই স্কুল। তবে প্রবল বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ম অনুযায়ী, টস জয়ী দলকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয় — সে হিসেবে
চ্যাম্পিয়নের মুকুট যায় কুমিল্লার ঘরে।
পুরস্কার
বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল
বাশার সুমন, হাসিবুল হোসেন শান্ত, মেহরাব হোসেন অপি, দিপু রায় চৌধুরী, গেম ডেভেলপমেন্ট
ম্যানেজার আবু ইমাম কাওসার, গেম ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কামরুল হাসান এবং
জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ।
এই
আসরে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল দুর্দান্ত পারফর্ম করে জেলা পর্যায়ে ৪টি, বিভাগীয় রাউন্ডে
৩টি এবং ন্যাশনাল রাউন্ডে আরও ৩টি ম্যাচ জিতে ফাইনালে জায়গা করে নেয়। সেমিফাইনালে তারা
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়কে ১০২ রানে হারায়। ঐ ম্যাচে ব্যাট হাতে আফনান ইন্তেহাদ
১২০ বলে করেন দারুণ ১৪৪ রান। বল হাতে সেরা ছিলেন প্রান্ত দেবনাথ, যিনি ২৫ রান দিয়ে
শিকার করেন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
আসরের
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কারও গেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের আফনান ইন্তেহাদের
হাতে।
চ্যাম্পিয়ন
দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন আইয়ুব হোসেন ইমন এবং ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন মোঃ
নেওয়াজ খান। দলের সার্বিক সাফল্যের পেছনে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং জেলা ক্রিকেট
কোচ হাবীব মোহাম্মদ মোবাল্লেগ জেমসের অবদানও ছিল অনস্বীকার্য।
উল্লেখ্য,
এর আগেও ২০১৯ সালে জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কুমিল্লা হাই স্কুল। সেই
ধারাবাহিকতায় আবারও দেশের সেরা হওয়ার কৃতিত্ব দেখাল কুমিল্লার স্কুল ক্রিকেট।
মন্তব্য করুন