

কুমিল্লায় গালি প্রিমিয়াম লীগ (জিপিএল) ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট এর ৩য় আসরের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে নগরীর কান্দিরপাড় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুল মাঠে আয়োজিত টুর্ণামেন্টের উদ্ধোধন করেন সেচ্ছাসেবী সংগঠন বিবেক এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু।
বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক মাকসুদুল মমিন ভূইয়া (মাকসুদ) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গোল্ড সিলভার হোমস্ লিঃ এর পরিচালক মোঃ জহিরুল কবির, কে হোসেন গ্রুপ অব কোম্পানীর স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ কামাল হোসেন, রুপালী ব্যাংক কুমিল্লা শাখার এজিএম মোঃ মিজানুর রহমান।
এসময় জিপিএল এর সভাপতি জাহিদুল হাসান সাদাফ, সাধারন সম্পাদক রাফাত হোসেন মিরাজসহ বিভিন্ন দলের অধিনায়ক, খেলোয়ারবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জিপিএল এর সাধারন সম্পাদক রাফাত হোসেন মিরাজ বলেন, এটি তাদের ৩য় আসর। প্রতি বছরই অত্যান্ত ঝঁমকালো আয়োজনে এ টুর্ণামেন্ট টি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এবারও নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের ২৮টি ক্লাব এ খেলায় অংশ গ্রহন করে। উদ্ধোধনী খেলায় বিবেক একাদশ ও ইউ ফারিয়া একাদশ অংশ নেয়। ম্যাস ব্যাপী খেলা শেষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফাইনাল খেলা ওপুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হবে।
পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানটি আরো বড় পরিসরে করা হবে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশের স্বনামধন্য সংঙ্গীতশিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
বিসিক শিল্প নগরীতে ‘মর্ডান ড্রাগ’ নামক একটি কারখানায় মাঝরাতে ঝটিকা
অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে সরকারি লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়া সম্পূর্ণ অবৈধ
ও মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ২১ পদের ভেজাল ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় কোনো
বৈধ টেকনিশিয়ান ছাড়া নিজেই এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরির অপরাধে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলামকে
হাতেনাতে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার
(২০ জুন) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের একটি চৌকস দল বিসিক এলাকার
ওই কারখানায় এই বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান।
জেলা
প্রশাসন ও ঔষধ প্রশাসন সূত্র জানায়, মর্ডান ড্রাগ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটির সরকারিভাবে
মাত্র দুটি সাধারণ ওষুধ তৈরির বৈধ অনুমোদন ছিল। কিন্তু কারখানার ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে
দেখা যায়, সেখানে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে শিশুখাদ্য ও শিশুদের সিরাপসহ ২১ ধরনের জটিল রোগের
ভেজাল ওষুধ তৈরি ও বোতলজাত করা হচ্ছিল। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, কারখানায় ওষুধ তৈরির
জন্য স্বীকৃত কোনো ফার্মাসিস্ট বা ল্যাব টেকনিশিয়ান ছিল না। মালিক জুবায়ের ইসলাম নিজেই
ইচ্ছেমতো উপাদান মিশিয়ে এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরি করতেন। অভিযানে সেখানে কেবল একজন নামমাত্র
শিক্ষানবিশ কেমিস্টের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তৈরি করা এসব ভেজাল ওষুধ ডিলারের মাধ্যমে
দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের ফার্মেসিতে সরবরাহ করা হতো।
অভিযানে
অংশ নেওয়া কুমিল্লা ঔষধ প্রশাসনের অফিস সহকারী শাহ আলম সরকার বলেন, "জব্দ করা
ওষুধের তালিকায় বেশ কয়েকটি নামী বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধও রয়েছে। ল্যাবে পরীক্ষা
ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এই ওষুধগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং মানবদেহের জন্য
রীতিমতো বিষসদৃশ। এ ঘটনায় ওষুধ আইন অনুযায়ী কঠোর নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।"
আটকের
পর অপরাধের কথা স্বীকার করে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম বলেন, "২১টির মধ্যে
১৫টিরও বেশি ওষুধ তৈরির কোনো বৈধ কাগজপত্র বা অনুমতি আমাদের ছিল না। আমরা মূলত বিভিন্ন
সাধারণ হারবাল কাঁচামাল এবং কেমিক্যাল ব্যবহার করে নিজেদের মতো করে এসব ওষুধ তৈরি করে
আসছিলাম।"
ভেজাল
ও নকল ওষুধের এই বড় আস্তানায় অভিযান পরিচালনার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক
কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা হাসান মাহমুদ এবং কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারসহ পুলিশের একটি দল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায়
বিসিকসহ কুমিল্লার সর্বত্র এই ধরনের ভেজালবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে
জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
টানা বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন সড়কের পাশাপাশি কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালেও ঢুকে পড়েছে বৃষ্টির পানি।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও কক্ষে পানি প্রবেশ করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনরা।
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ওয়ার্ডের মেঝেতে হাঁটুর নিচ পর্যন্ত পানি জমে রয়েছে। অনেক রোগী ও স্বজনকে পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনেও কেউ কেউ কক্ষ থেকে বের হতে পারছেন না। এতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রোগীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
হাসপাতালে ভর্তি অপারেশন রোগী রোজীনা বলেন, আমি অপারেশনের রোগী। বাইরে থেকে একটি ডাব আনানোর প্রয়োজন ছিল। কিন্তু নিচে এত পানি আর পোকামাকড়ের ভয় থাকায় বের হতে পারছি না। খুব কষ্ট হচ্ছে।
আরেক রোগী বলেন, রাতে এত পানি ছিল না। সকাল থেকে বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে পানি বাড়তে থাকে। এখন ওয়ার্ডের ভেতরেও পানি ঢুকে গেছে। এতে আমাদের চলাফেরা ও চিকিৎসা নিতে সমস্যা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল জানান, সকাল থেকে টানা ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরীর অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। বিভিন্ন বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতালেও পানি প্রবেশ করে। শহরের নিচু এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
এ বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশীর এশিয়া পোস্টকে বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পানি প্রবেশ করেছে। পানি দ্রুত অপসারণ এবং রোগীদের যেন কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আর এ সমস্যা আজ নতুন নয় দীর্ঘ বছর ধরে হাসপাতালে পানি ঢুকে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
গাজীপুরে
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত হাসনাত আবদুল্লাহর উপর হামলার
প্রতিবাদে কুমিল্লার দেবীদ্বারে বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা এনসিপি ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক
ছাত্রসংস।
রোববার রাত ৮ টায় দেবীদ্বার নিউ মার্কেট চত্তর থেকে বিক্ষোভ মিছিল টি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভ
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বিক্ষোভ জাতীয় নাগরিক পার্টির উপজেলা নেতা নাজমুল হাসান নাহিদ, শামীম কাউসার, ফয়সাল
হোসেন, এমরান হোসেন, আবদুল্লাহ সামি, ফয়সাল মির্জা, জালাল হোসেন, জামাল হোসেন, শাহাদাত
হোসেন শ্যামল, বাংলাদেশ ছাত্র সংসদের নেতা রাকিবুল হাসান হৃদয়, মোক্তাদির জারিফ সিক্ত,
সাজেদুল রাফসান ও মোঃ হাসান আরও অনেকে।
বক্তারা হাসনাত আবদুল্লাহর উপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির দাবী করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় এক দিনে ০১ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামাল আটক করে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিজিবি কয়েকটি চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযান সমূহে বিজিবি টহলদল কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পৃথক পৃথক স্থান হতে গত এক দিনে সর্বমোট ১,১০,১৯,৭৯৪/- (এক কোটি দশ লক্ষ উনিশ হাজার সাতশত চুরানব্বই) টাকা মূল্যের মোবাইল, মোবাইল ডিসপ্লে, বাজি এবং মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানী পণ্য সামগ্রী আটক করা হয়।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম নামে ২ নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছে।
ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম উভয়ে চাচাতো বোন মঙ্গলবার দুপুরে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে দু’জনে কুমিল্লায় যায় রাত সাড়ে নয়টায় কুমিল্লা থেকে ফিরে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিয়াবাজারে সড়ক পারাপার হচ্ছিল এ সময় চট্টগ্রামমুখী তিশা প্লাটিনাম পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় তারা ছিটকে পড়ে এতে ঘটনাস্থলে ছকিনা বেগম নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় রেনু বেগমকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়।
এদিকে প্রবাসী ছেলের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখে ফেরার পথে উজিরপুর ইউনিয়নের বেলঘর রাস্তার মাথায় সিএনজি ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আবদুর রশিদ মারা যান।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ এস এম লোকমান হোসাইন বলেন, এ ঘটনায় ওই যাত্রীবাহী বাসটি জব্দ করে ফাঁড়িতে নিয়ে গেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় আজ মোবাইল
কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার
(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা। তাকে সহায়তা করেন চৌদ্দগ্রাম
থানা পুলিশের একটি টিম।
মোবাইল কোর্টের আওতায় মিয়া বাজার এলাকার
চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- গ্রামীণ রেস্তোরাঁ এন্ড সুইটস,
ঈশিতা সুইটস এন্ড কনফেকশনারি, আফতাব সুইটস এন্ড কনফেকশনারি এবং হীরা সুইটস এন্ড কনফেকশনারি।
অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিএসটিআই লাইসেন্স,
সঠিক ওজন-পরিমাপ, মূল্য তালিকা এবং খাদ্যসামগ্রীর গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ
উল্লেখ রয়েছে কিনা তা যাচাই করা হয়।
এ সময় দেখা যায়, তিনটি প্রতিষ্ঠানে (গ্রামীণ, ঈশিতা ও হীরা সুইটস) বিএসটিআই লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও মিষ্টি ও দই জাতীয় খাদ্যপণ্য প্রস্তুত ও বিক্রি করা হচ্ছে।
আফতাব সুইটসে টোস্ট ও ব্রেডের জন্য
বিএসটিআই অনুমোদন থাকলেও মিষ্টিজাত পণ্যের জন্য কোনো লাইসেন্স নেই।
কোনো প্রতিষ্ঠানেই ওজন-পরিমাপ যন্ত্রের
ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট নেই। মিষ্টিজাত দ্রব্যসামগ্রীর মোড়কে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের
তারিখ অনুপস্থিত।
উল্লেখিত অপরাধসমূহের প্রেক্ষিতে মোবাইল
কোর্ট আইন, ২০০৯ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অভিযুক্ত চারটি প্রতিষ্ঠানকে
মোট ২৮,০০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা আদায় করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে
এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে এক কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনসহ চোরাচালানী পণ্য আটক করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
সোমবার ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও আদর্শ সদর উপজেলার সীমান্ত এলাক থেকে এসব মালামাল আটক করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা সীমান্ত এলাকার নোয়াপুর কাচিগাং মাঠ থেকে মালিক বিহীন অবস্থায় ৫২ লাখ টাকা মূল্যর অবৈধ ১২১টি মোবাইল ফোন আটক করে।
অন্য অভিযানে আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে ৫৬ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রকার বাজি, শাড়ীসহ অন্যান্য চোরাচালানী পণ্য আটক করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের রশিদ দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। এসময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা, সিটি কর্পোরেশন অনুমোদিত অবৈধ ভুয়া রসিদ বহি জব্দ করা হয়।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ২৩ বীর সেনাবাহিনী ক্যাপ্টেন রাকিন।
সেনাবাহিনী জানায়, কুমিল্লা নগরীর চকবাজার থেকে তেলিকোনা ও জাঙ্গালিয়া বাসট্যান্ড থেকে টমছমব্রীজ সড়কের উপর অবস্থান করে বাস, মিনিবাস, মিনি ট্রাক, ইজিবাইক, মিশুকসহ যাত্রীবাহী বিভিন্ন যানবাহন চালকদের হত্যার ভয়ভীতি দেখিয়ে গতিরোধ করে অবৈধ রশিদের মাধ্যমে চাঁদা আদায় করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ২টায় জাঙ্গালিয়া বাসট্যান্ড সড়কে চাঁদা নেয়ার সময় একজন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করে সেনাবাহিনী টহল দল।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো কুমিল্লা সদর দৌলতপুর গ্রামের মান্নান এর ছেলে মোঃ জুলহাস (২৪)।
এসময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ২/৩ জন চাঁদাবাজ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। সেনাবাহিনী গ্রেফতারকৃত আসামীর কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ৩টি,সীল প্যাড ২টি, গোলাপি ও হলুদ রঙের চাঁদা আদায়ের ভুয়া ৩৫ টি রসিদ বই জব্দ করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ পরস্পর যোগসাজশে কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে সিটি কর্পোরেশনের নাম ব্যবহার করে অবৈধ চাঁদা উত্তোলন করে আসছে।
পরে গ্রেফতারকৃত আসামীকে সদর দক্ষিণ পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের একটি ভ্রমণ বাস খাদে পড়ে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে মহাসড়ের উপজেলার জিংলাতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা সবাই শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী। তারা সবাই বার্ষিক ভ্রমণে বরিশাল থেকে কক্সবাজারে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা ভ্রমণ বাতিল করে ফেরত গিয়েছেন।
আহতরা হলেন, যাওয়াত, ফেরদৌস, কৌশি, মিরাজ, মুরসালিন, ইমন মৃধা, আরিফ, শফিকুল ইসলাম, মালিহা মেহনাজ, রায়হান, সাজিয়া, তাসপিয়া, আরিফুল ইসলাম, সামিউল, রাজর্ষি, তাসনীম, হুমায়রা, মিলা, নিসা ও তানজিনা। এদের মধ্যে ৯ জনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারত থেকে সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে আনা মোটরসাইকেল পরিবহনের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন ছয়টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি কুমিল্লার একটি বিশেষ দল জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভারত থেকে সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মোটরসাইকেল বাংলাদেশে নিয়ে এসে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিবহন করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) দিবাগত রাতে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল বুড়িচং থানাধীন ময়নামতি এলাকার কাটা জঙ্গল সাকিনে বিদ্যুৎ অফিসের সামনে সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়কে কৌশলগত অবস্থান নেয়।
রাত আনুমানিক ২টা ২৫ মিনিটের দিকে ছয়টি মোটরসাইকেলে করে নয়জন ব্যক্তি ওই এলাকায় পৌঁছালে ডিবি পুলিশ তাদের থামার সংকেত দেয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ডিবির সদস্যরা তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে নয়জনকেই আটক করতে সক্ষম হন।
পরে আটক ব্যক্তিদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলগুলোর বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা হলে তারা কোনো বৈধ রেজিস্ট্রেশন কিংবা মালিকানাসংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশ ও সহযোগিতার মাধ্যমে সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে চোরাইপথে সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মোটরসাইকেলগুলো বাংলাদেশে নিয়ে আসার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে ডিবি। পরে এসব মোটরসাইকেল কুমিল্লা, ফেনী, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার কচুয়ারপাড় গ্রামের কামিম আহম্মদ (২৮), সিলেট কোতোয়ালি থানার শাহী ঈদগা এলাকার আব্দুল করিম (৩০), সুনামগঞ্জ সদর থানার পুরাতন গদিগাঁও গ্রামের সাইদুল ইসলাম (২২), সিলেটের জালালাবাদ থানার নলকট গ্রামের পাবেল আহম্মদ (২৬), একই থানার নীলগাঁও গ্রামের হোসাইন (২৩), সুনামগঞ্জের দিরাই থানার চান্দপুর গ্রামের রিপন চন্দ্র দাস (২৯), সিলেট কোতোয়ালি থানার চারাদিঘীরপার এলাকার রাজু আহম্মদ (২৮), সুনামগঞ্জের ছাতক থানার তাতিকোনা গ্রামের আবিদুল ইসলাম (২৮) এবং সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার সালুটিঘর গ্রামের কাওছার হোসেন (২৬)।
অভিযানে জব্দ করা মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে রয়েছে—একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বরবিহীন নীল-সাদা রঙের Yamaha R15, একটি কালো রঙের Yamaha MT15, একটি সাদা রঙের Yamaha R15, একটি কালো রঙের Yamaha MT15, একটি কালো রঙের Yamaha R15 এবং একটি নীল রঙের Yamaha R15। ছয়টি মোটরসাইকেলের কোনোটিরই বৈধ রেজিস্ট্রেশন বা মালিকানাসংক্রান্ত কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, জব্দ করা মোটরসাইকেলগুলোর প্রকৃত মালিকানা, দেশে প্রবেশের পথ, চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত মূলহোতাদের পরিচয় এবং এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে সীমান্তপথে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মোটরসাইকেল দেশে প্রবেশ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহের পেছনে কোনো বড় সিন্ডিকেট রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য, সীমান্তপথে অবৈধভাবে পণ্য ও যানবাহন দেশে প্রবেশ ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন