

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারে শ্বশুরবাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার হওয়া করিম ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হক মিলে করিম ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখেন।
আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, আগের দিন শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার আমলী আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন চার ঘাতক।
পুলিশ জানায়, নিখোঁজের একমাস পাঁচদিন পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের শ্বশুর বাড়ির একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় করিম ভূঁইয়ার (৪৮) গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত করিম ভূঁইয়া উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মন্ত্রীবাড়ি এলাকার মৃত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি গত ১৩ আগস্ট সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
গ্রেপ্তারদের জবানবন্দী সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ আগস্ট রাতে স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে করিমকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নেন শ্যালক ইসরাফিল। সেখানে প্রথমে তিন ভাই মিলে তাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করেন। এ সময় তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় স্ত্রী তাছলিমা সেই রক্ত মুছে ফেলেন। পরে বড় ভাইয়ের বিল্ডিংয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে মরদেহ ফেলে দেওয়ার কথা বলা হয়। তিনি রাজি না হওয়ায় প্রথমে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়। সকালে মরদেহ ভেসে উঠলে আবারও স্ত্রী এবং ভাইয়েরা মিলে খাল থেকে তুলে এনে হাত-পা বেঁধে বড় ভাইয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেন।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বড় ভাই আমির হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় ঘাতক স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তারা শনিবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেন।
দেবিদ্বার থানার ওসি সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, স্ত্রী তাছলিমার পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে ভালো ব্যবহার করে ডেকে নিয়ে তিন ভাইসহ চারজনে মিলে করিম ভূঁইয়াকে হত্যা করে। নিহতের ভাই আমির হোসেন থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে। পরে সন্দেহভাজন আসামিদের ওপর নজরদারি ও গ্রেপ্তারের ভিত্তিতেই মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হয়। নিহত করিম ভুইয়া প্রায় স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও মেয়েকে পাশবিক নির্যাতন করতেন। এতে তারা অতিষ্ঠ হয়ে এ হত্যাকান্ডটি ঘটায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
আজ (১১ জুন) সকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটা চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে
কোতয়ালী মডেল থানাধীন টিক্কারচর ব্রীজ -টু-পালপাড়া গামী রোডের উত্তর পাশ হতে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ইকবাল
হোসেন ওরফে শুক্কুর আলীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপু এলাকার আবুল মিয়ার
ছেলে মোঃ ইকবাল হোসেন ওরফে শুক্কুর আলী (৪০)।
উক্ত ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল
থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণপাড়া থানায় কর্মরত
এসআই (নিরস্ত্র)শফিক উল্লাহ, এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ হেলাল উদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ ব্রাহ্মণপাড়া
থানা এলাকা থেকে ৩৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় ।
শুক্রবার দিনে গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ডিউটি করাকালে ব্রাহ্মণপাড়া
থানাধীন ৪নং শশীদল ইউনিয়নের পশ্চিম বাগড়া সাকিনে আছমত আলী বেপারী বাড়ির পুকুরের দক্ষিণ
পাড়ে পৌঁছামাত্রই পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন লোক দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের
মোকাবেলায় আসামীদের ফেলে যাওয়া ১টি সাদা রংয়ের বিশেষ কায়দায় তৈরী মাছ রাখার ড্রাম তল্লাশী
করে ড্রামের ভিতর লুকিয়ে রাখা ১ টি পাটের বস্তার ভিতর থেকে খাকী রংয়ের কসটেপ দিয়ে মোড়ানো
১০টি বান্ডেল গাঁজা উদ্ধার করা হয় যারে মোট পরিমাণ ২০ কেজি গাঁজা ।
আরেকটি সাদা রংয়ের প্লাস্টিকের
বস্তার ভিতর থেকে খাকী রংয়ের কসটেপ দ্বারা মোড়ানো উদ্ধারকৃত ৭টি বান্ডেল গাঁজার ওজন
হয় ১৪ কেজি গাঁজা ।
সর্বমোট ৩৪কেজি উদ্ধারপূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ
করে উক্ত ঘটনায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।
এদিকে ব্রাহ্মণপাড়া থানার
মামলা নং- ২০/১০৫ তারিখ- ২৭/০৪/২০২৪খ্রিঃ ধারা ৩৬(১) সারনির ১৯(গ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
আইন ২০১৮ তে রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৬৬ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
গত ৩০ জুলাই রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) শেখ মফিজুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানার ৪ নং আমড়াতলী ইউনিয়নের বাঁশমঙ্গল কালভার্টের উপর থেকে ৬৬ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল কাফীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: রংপুর জেলার
গঙ্গাচরা উপজেলার তালুক ভুবন
গ্রামের মৃত আব্দুর
রশিদ এর ছেলে মোঃ আব্দুল কাফী(৩৭)।
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লার কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়।
আসামীর বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক, বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থগার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মোঃ ইমাম হোসাইন, শ্রীকাইল সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য, জেলা সরকারী গ্রন্থাগারের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মোঃ নাফিস সাদিক শিশির, বাংলাদেশ গণগ্রন্থগার সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি মোঃ এনায়েত উল্লাহসহ অন্যান্যরা।
আজ রোববার সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা সরকারি গ্রন্থাগার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর
অধীনস্থ শাহপুর পোস্টের টহল দল নায়েক ছায়েদুজ্জামানের নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য
উদ্ধার, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ বিশেষ টহল পরিচালিত হয়েছে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) শাহপুর সীমান্ত
দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ চেষ্টার অভিযোগে মো: মিজান হোসেন ওরফে আনোয়ার হোসেন
(৪০) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত ব্যক্তি নোয়াখালী জেলার চাটখিল
উপজেলার রামগঞ্জ গ্রামের মৃত আব্দুর রউফ সাত্তারের ছেলে।
আনোয়ার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কুমিল্লার
কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়ার মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় শুরু হয় রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লা নিয়ে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের স্বপ্ন–ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্বলিত লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম।
আজ শনিবার (৬ নভেম্বর) বিকালে নগরীর নূরপুর জামে মসজিদে আছরের নামাজ শেষে দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। পরে নূরপুর, হাউজিং ও কাটাবিল এলাকা ঘিরে এই কর্মসূচি ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।
দোয়া শেষে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কুমিল্লা-৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন লিফলেট বিতরণ শুরু করেন। তার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই গণমুখী কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায় এবং সড়কে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নারী-পুরুষ, তরুণ-প্রবীণসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ লিফলেট গ্রহণ করতে এগিয়ে আসেন।
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কুমিল্লা-৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন,“মনোনয়ন নিয়ে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। আমি বিষয়টি দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। কারণ আমি আমার জীবনের বাকি সময়টা এই অঞ্চলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেই থাকতে চাই।
অতীতের কঠিন সময়ে তারা যেমন আমার পাশে ছিলেন, আমিও তেমনি তাদের পাশে ছিলাম—এ সম্পর্ক আস্থার, ত্যাগের এবং আন্দোলনের। মামলা-হামলা, জুলুম-নির্যাতন—সব প্রতিকূল সময় আমরা একসঙ্গেই অতিক্রম করেছি।
তিনি আরও বলেন,“দলীয় মনোনয়ন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন নেত্বত্বে থাকা দায়িত্বশীলরা। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিষয়টি দেখছেন বলেও আমাকে জানিয়েছেন। বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল—এখানে জনগণের ইচ্ছাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। জনগণ যা চাইবে, বিএনপিও সেই পথেই চলবে।”
দিনব্যাপী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এস এ বারী সেলিম,কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবুর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, আসিফ মাহমুদ জহির, সালমান সাঈদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা,
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিন, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, মহানগর যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল এবং কৃষকদলের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও বিভিন্ন ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা গণবিতরণ কার্যক্রমে যুক্ত হন।
নূরপুর, হাউজিং এবং কাটাবিল এলাকায় লিফলেট বিতরণের স্থানীয় দোকানদার, পথচারী, রিকশাচালক, শিক্ষার্থীসহ সবাই লিফলেট হাতে নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


আব্দুল মোতালেব নিখিল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় আন্তঃজেলা কুখ্যাত ডাকাত শাহ আলম দুলাল
(৪৮) ও তার দলের ১৩ জন সদস্যকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৪টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলাবাড়ী এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও দেবিদ্বার থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন- মুরাদনগরের উড়িরচর এলাকার
মৃত আবুল হাশেমের ছেলে মো. মনির হোসেন (৪০)। দেবিদ্বারের নবীয়াবাদ গ্রামের মৃত সোনা
মিয়ার ছেলে শাহ আলম দুলাল (৪৮)। ব্রাহ্মণপাড়ার সিধলাই গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে মো.
মামুন মিয়া (২৪)। একই উপজেলার মোখলেছুর রহমানের ছেলে মাহবুব আলম (৩৮)। সদর দক্ষিণ উপজেলার
বিজয়পুর গ্রামের ইলিয়াছের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩০)। বুড়িচং উপজেলার জুরাইন মাইকপাড়া
গ্রামের মৃত নসু মিয়ার ছেলে মো. আল আমিন (৩২)। বরুড়ার মহেশপুর কাজী বাড়ির মৃত আব্দুর
রবের ছেলে মো. কামাল হোসেন (৩২)। চান্দিনার কংগাই গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে মোশারফ
শরীফ (৩২)। একই উপজেলার চিলোড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মো. সুমন (৩৩)। বরুড়ার
বাশতলী নোয়াবাড়ী গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে মো. খোকন (৪০)। বরুড়ার দক্ষিণ হোসেনপুর
গ্রামের মুবিনের ছেলে আল আমিন (২৫)। চান্দিনার চিলোড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের আরেক
ছেলে মো. সোহেল (২৬)। বাঙ্গরাবাজারের হিরাকাশী গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে মো. আব্দুল
আউয়াল (৫০)। এবং চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সন্তোপুর গ্রামের নির্মল বিশ্বাসের ছেলে
নিহার বিশ্বাস (৪৮)।
আজ বুধবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশ
সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া ও জেলা গোয়েন্দা
পুলিশের ইনচার্জ মু. আবদুল্লাহসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর
লালমাই থানায় দুটি ডাকাতির ঘটনায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে গোপন সূত্রে খবর
আসে, বাঙ্গরাবাজার এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্র ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। টহল জোরদার
থাকায় তারা ডাকাতি করতে না পেরে দেবিদ্বারের দিকে রওনা হয়। রাতের অভিযানে পুলিশের চেকপোস্টে
পৌঁছালে হাইচ গাড়িতে থাকা ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া দিয়ে ১৩ জনকে আটক
করা হয়।
অভিযানে ডাকাতদের ব্যবহৃত একটি কালো রঙের হাইচ মাইক্রোবাস,
কুড়াল, রামদা, চাপাতি, কাটার প্লাস, চেইন, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
করা হয়। এছাড়া ডাকাতি হওয়া চার জোড়া স্বর্ণের দুল, একটি স্বর্ণের আংটি, একটি রুপার
নুপুর, একটি ছোট লাল রঙের স্বর্ণ রাখার বক্স এবং নগদ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার জানান, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃজেলা
ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত। তারা সম্প্রতি লালমাই এলাকায় তিনটি, বরুড়ায়
একটি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে একটি ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
তাদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর জেলায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডাকাত
সর্দার দুলালের পূর্বে ২৬ টি মামলা রয়েছে ও আরেক ডাকাত মনিরের নামে রয়েছে ২১ টি মামলা।
পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ আরও বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা
রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ কাজ করছে। কিছুদিনের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো উন্নতির
দিকে দেখবেন আপনারা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস উপলক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও রোগমুক্তি কামনায় কুরআন খতম ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুমিল্লা–০৬ আসনের জননেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এর উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে নগরীর কান্দিরপাড়ে কুরআন তেলাওয়াত ও খতমের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশেষ দোয়া-মাহফিলে শহীদদের রুহের মাগফেরাত এবং দেশনেত্রী বেগম জিয়ার শারীরিক সুস্থতার জন্য মোনাজাত করা হয়। এতে কুমিল্লা মহানগর বিএনপি, জেলা বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।
দোয়া-মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবুর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, জাসাস মহানগর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুরুল আলম ভূইয়া।
এ ছাড়া অংশ নেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রনি, সালমান সাঈদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, যুবদল নেতা সাজ্জাদ হোসেন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিনসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী।
দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে শহীদদের স্মরণে দোয়া করা হয়। এছাড়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় হাজী ইয়াছিন গত ১১ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে করআন খতম, দোয়া, খাবার বিতরন, পশু সদকাসহ ধর্মীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। নেতাকর্মীরা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিচ্ছেন এবং দেশনেত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে যুব র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠ থেকে র্যালীটি শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালী পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরী আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মু. মোছলেহ উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেল ও নাছির আহম্মেদ মোল্লা, কর্মপরিষদ সদস্য মিজানুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি কাজী নজির আহম্মেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় লবণের ট্রাকে সাড়ে ২১ হাজার ইয়াবা বহনের মামলায় এক আসামিকে যাবজ্জীবন এবং তার সহযোগীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এ রায় দেন।
মামলায় প্রধান আসামি চালক মো. সাদ্দাম হোসেন হাজারীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং তার সহযোগী মো. আয়নাল ইসলামকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. আয়নাল ইসলাম আদালতে উপস্থিত থাকলেও প্রধান আসামি মো. সাদ্দাম হোসেন হাজারী পলাতক ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ইউসুফ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩১ মার্চ ভোরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি দল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী লবণ বোঝাই একটি ট্রাককে থামানোর সংকেত দিলে ট্রাকের চালক মো. সাদ্দাম হোসেন ও তার সহযোগী মো. আয়নাল ইসলাম পালানোর চেষ্টা করেন। র্যাব সদস্যরা তাদের আটক করে তল্লাশি চালায়।
তল্লাশিকালে চালক সাদ্দাম হোসেনের প্যান্টের পকেট এবং চালকের আসনের নিচ থেকে মোট ২০ হাজার পিস এবং সহযোগী আয়নাল ইসলামের পকেট থেকে ১,৪৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। এ ঘটনায় র্যাব বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে।
আদালত সূত্র জানায়, উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনার পর ট্রাইব্যুনাল এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
বিচারক পলাতক আসামি মো. সাদ্দাম হোসেন হাজারীকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
অপরদিকে, আদালতে উপস্থিত আসামি মো. আয়নাল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন