

মোঃ বিল্লাল হোসাইন, মুরাদনগর:
কুমিল্লা জেলার মুরাদনগরে গুনজর গ্রামে দাদীর জানাজা শেষে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় নাতির মৃত্যু হয়েছে। মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় আরও একজন আহত হয়। নিহত মো. সাকিবুল হাসান (২১) উপজেলার নবীপুর (পূর্ব) ইউনিয়নের গুঞ্জর সরু মিয়া হাজী বাড়ির মো. মৃদন মিয়ার ছেলে।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) রাত ১০ টায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বাখরনগর ফুলমালা ব্রিকসের সামনে ভয়াবহ এ দূর্ঘটনাটি ঘটে।
উল্লেখ্য,সে দাদীর জানাজা পড়ার জন্য চট্রগ্রামের পতেংগা (তার কর্মস্থল) থেকে গতকালই এসেছিল।
এ বিষয়ে মিরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো: মঞ্জুরুল আবছার বলেন, মোটরসাইকেল দূর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একজনের মৃতদেহ ও আরেকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জ অভিযান চালিয়ে ১৬০ কেজি গাঁজা ও একটি ট্রাকসহ ৪ মাদক কারবারিকে আটক করেছে সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি)।
মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এ তল্লাশি অভিযান চালানো হয় সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায়।
আটককৃতরা হলো: নারায়ণগঞ্জ জেলা সদরের সৈয়দপুর টানবাজার রেলীবাগান এলাকার মো. আক্কাস মিয়ার ছেলে মো. অপু মিয়া (৩৩), লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার বাড়াইপাড়া কালিবাড়ী গ্রামের মৃত কালু শেখের ছেলে মো. আতিকুল ইসলাম (৪০), সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোড়াচরা পূর্বপাড়া গ্রামের মো. ফজল শেখের ছেলে মো. নাজমুল শেখ (২৬) ও কামারখন্দ উপজেলার কর্ণসূতী গ্রামের মৃত মাজেম আলী শেখে ছেলে মো. আব্দুল লতিফ শেখ (৫১)।
সিরাজগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুলহাজ উদ্দীন জানায়, পুলিশ সুপার মো. আরিফুর রহমান মণ্ডলের তথ্য ও দিক নির্দেশনায় সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চলে। হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ভোর ৩টা ২০ মিনিটে পাবনাগামী একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ব্যাক বডি থেকে ১৬০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় ট্রাকে থাকা ৪ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা কর্তৃক কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিশা বাজার ও মিয়াবাজার এলাকা হতে ২৯৯ বোতল স্কাফ, ১২.৮ কেজি গাঁজা ও ১০৯ বোতল ফেন্সিডিল’সহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৭ নভেম্বর শুক্রবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিশা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২৯৯ বোতল স্কাফ, ৬০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২.৮ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার কালিকাপুর গ্রামের মৃত সাচ্চু মিয়া এর ছেলে মোঃ ইমরান হোসেন (২৯) এবং একই গ্রামের মোঃ আব্দুল মান্নান এর ছেলে মোঃ ইসলাম (২৮)।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ১৮ নভেম্বর শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মিয়াবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৪৯ বোতল ফেন্সিডিল ও ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ থানার দৌলতপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হক এর ছেলে মোঃ রনি (৩০) এবং একই থানার ধরপদ (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের গিয়াস উদ্দিন এর ছেলে মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫০)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কাফ, ফেন্সিডিল, গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ সোমবার (১১ নভেম্বর)
বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বাঁশমঙ্গল এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত
অভিযানে আসামী ১। মোঃ সাজ্জাদ হোসেন এবং ২। মোঃ পাভেল আহমেদ ফয়সাল নামের দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ
কাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিক্সা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (১৯) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ধর্মপুর গ্রামের মোঃ
হালিম মিয়া এর ছেলে এবং ২। মোঃ পাভেল আহমেদ ফয়সাল (২৪) একই গ্রামের শাহিন মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত অটোরিক্সা ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনায় কাভার্ডভ্যানের
পেছনে ট্রাকের ধাক্কায় মো. নাজমুল (৫০) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মহাসড়কের
উভয় পাশে অন্তত ১০ কিলোমিটার জুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) ভোরে ঢাকা-চট্রগ্রাম
মহাসড়কের চান্দিনার ছয়ঘড়িয়া এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাজমুল চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার
শিবগঞ্জ উপজেলার শরতনগর গ্রামের মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রোববার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের ছয়ঘড়িয়া এলাকায় একটি মালবোঝাই কাভার্ডভ্যানকে পেছন থেকে ধাক্কা
দেয় অপর একটি ট্রাক। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকে থাকা ব্যবসায়ী নাজমুল নিহত হয়। এ ঘটনায়
মহাসড়কের উভয় পাশে যানজট সৃষ্টি হয়। সকাল ১১টায় হাইওয়ে পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক
ও কাভার্ডভ্যান উদ্ধার করে। তারপর থেকে ধীর গতিতে
যান চলাচল শুরু করে। দুপুর ১টায় মহাসড়কে
যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন- এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে আনা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস ও আতশবাজিসহ একটি মিনি পিকআপ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ভোরে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার যশপুর সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিয়মিত চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার রাত ও রোববার সকালে দুটি ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের এক পর্যায়ে যশপুর বিওপির একটি টহল দল সীমান্তের প্রায় ২৫০ গজ ভেতরে মুড়াপাড়া এলাকায় একটি পরিত্যক্ত মিনি পিকআপ জব্দ করে। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিস উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া একই সীমান্ত এলাকার পাহাড়পুর নামক স্থানে সীমান্তের প্রায় ১০০ গজ ভেতরে পরিচালিত আরেকটি অভিযানে বড় ধরনের ভারতীয় আতশবাজির চালান জব্দ করা হয়।
বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, জব্দকৃত মিনি পিকআপসহ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস ও আতশবাজির আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) জানায়, জব্দকৃত মালামাল প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও অবৈধ কার্যক্রম রোধে বিজিবির অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল - প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কার্যক্রমে সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রাতের অন্ধকারে কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, নির্ধারিত নিয়ম ও সময় উপেক্ষা করে রাতের বেলায় নির্মাণ কাজ চলায় এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও জনভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
ডিসির বাসভবন সড়ক সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের পাঠানো ছবিতে দেখা যায়, রাতের সময় কারাগারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নির্মাণকাজ সাধারণত নির্ধারিত কর্মঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না।
আইন ও বিধি অনুযায়ী অবস্থান
সরকারি নির্মাণকাজে সরকারি ক্রয় বিধিমালা (PPR), শ্রম আইন ২০০৬, এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় রাতের বেলায় ভারী নির্মাণকাজ চালানো হলে তা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬–এর পরিপন্থী হতে পারে।
এ ছাড়া কারাগারের মতো সংবেদনশীল স্থাপনার আশপাশে রাতের নির্মাণকাজ চললে তা সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলেও মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয়দের উদ্বেগ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের বেলায় কাজ চলার কারণে চলাচলে বিঘ্ন, শব্দদূষণ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুপস্থিত
এ বিষয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সচেতন নাগরিকদের মতে, সরকারি নির্দেশনা ও আইনগত বিধি মেনে স্বচ্ছভাবে নির্মাণকাজ পরিচালনা না হলে তা জনস্বার্থের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত হবে
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকাত চক্রের চারজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চান্দিনা উপজেলার কেরনখাল কাঠবাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র, একটি মাইক্রোবাস ও একটি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ফারুক ওরফে জজ মিয়া (৩৭), বাবুল ওরফে সেলিম (৪৮), সুজন চন্দ্র সরকার (২৫) এবং আব্দুর রশিদ (৫৫)। এদের মধ্যে ফারুক ওরফে জজ মিয়ার বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা, বাবুলের বিরুদ্ধে ১টি মামলা এবং আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক - মজিবুর রহমান পাবেল
কুমিল্লার সুযোগ্য
জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আমিরুল কায়সার সম্পর্কে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন
সাংবাদিক এরশাদ রানা। নিজের ব্যক্তিগত কাজে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে তিনি
দেখেছেন প্রশাসনিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব, যা কুমিল্লার ২৩৫ বছরের সমৃদ্ধ
ইতিহাসের অংশ।
এরশাদ রানা তার ফেসবুক
পোস্টে উল্লেখ করেছেন, শতাধিক জেলা প্রশাসকের পদচিহ্ন থাকলেও মোঃ আমিরুল কায়সার
ছিলেন ব্যতিক্রমী এক ব্যক্তি— অহংকারহীন, ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে দূরে এবং অত্যন্ত বিনয়ী।
ব্যস্ততার মাঝেও তিনি ধৈর্যসহকারে সাংবাদিকের কথা শুনেছেন এবং তাৎক্ষণিক
সুপারিশসহ আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সরাসরি
আবেদনপত্রটি পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন, যা তার প্রশাসনিক দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার
পরিচয় বহন করে।
সাংবাদিক এরশাদ রানা বলেন, "এই প্রথমবারের মতো কুমিল্লার জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ে এতটা বিনয়ী ও মানবিক ডিসি দেখলাম।" তার এই মন্তব্য থেকে
বোঝা যায়, জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে জেলা প্রশাসক কতটা আন্তরিক।
জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল ও মানবিক প্রশাসনের এমন উদাহরণ নিঃসন্দেহে
প্রশংসনীয়। তবে তিনি কতদিন কুমিল্লায় জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকবেন, তা অজানা।
তবে যতদিন থাকবেন, কুমিল্লাবাসীর জন্য তা সৌভাগ্যের বিষয় হবে।
মন্তব্য করুন


উজান থেকে নেমে
আসা
পাহাড়ি
ঢল
ও
অতিবৃষ্টির কারণে
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও
দুধকুমার নদীর
পানি
বিপদসীমার উপর
দিয়ে
প্রবাহিত হওয়ায়
সাময়িক
বন্যা
পরিস্থিতি সৃষ্টি
হয়েছে।
এতে
প্রায়
৫০
হাজার
মানুষ
পানিবন্দী হয়েছে
বলে
জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
বন্যা পরিস্থিতির অবনতির
ফলে
গত
তিনদিন
ধরে
ঘরের
ভিতর
মাচা
ও
চৌকি
উঁচু
করে
আশ্রয়
নিয়েছে
বানভাসি মানুষ।
চৌকিতে
রান্না-বান্না, চৌকিতেই রাত
কাটছে
তাদের।
বাড়ির
চারপাশে থৈথৈ
পানিতে
অসহায়
দিন
কাটছে
নারী,
শিশু
ও
প্রতিবন্ধী মানুষের।
উলিপুরের বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের বালাডোবা গ্রামের আসমত ও নুরবানু জানান,
গত
তিনদিন
ধরে
পানিবন্দী অবস্থায় আছি।
ছেলে
মেয়েকে
উঁচু
জায়গায়
রেখে
গরু-ছাগল পাহারা দিচ্ছি। এখনো
কেউ
খোঁজখবর নিতে
আসেনি।
একই ইউনিয়নের ফকিরের
চর
গ্রামের রমিচন
জানান,
ঘরে
পানি।
রান্না
করতে
সমস্যা
হচ্ছে।
গরুকেও
কিছু
খাইতে
দিতে
পারছি
না।
বাচ্চারা কান্নাকাটি করছে।
একই গ্রামের ফরিদা
জানান,
চারটে
ভাত
ফুটাচ্ছি। তরকারি
নাই।
লবন
দিয়া
খাইতে
হইবো।
ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান জানান,
আমার
ইউনিয়নের ১০
টি
গ্রামের প্রায়
এক
হাজার
মানুষ
পানিবন্দি রয়েছে।
যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল
গফুর
জানান,
আমার
ইউনিয়নে ১৫শ
মানুষের বাড়িঘর
তলিয়ে
গেছে।
এছাড়াও
৮
হাজার
মানুষ
পানিবন্দী হয়ে
আছে।
বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল
হামিদ
শেখ
জানান,
আমার
ওয়ার্ডে দেড়শ
ঘরে
পানি
উঠেছে।
এছাড়াও
এই
ইউনিয়নে প্রায়
৮শ'
পরিবার
পানিবন্দী অবস্থায় আছে।
ফকিরের চরে একটি
আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায়
৮০টি
পরিবার
আশ্রয়
নিলেও
তারা
বিশুদ্ধ পানি
ও
ল্যাটিন সমস্যায় ভুগছেন।
এ ব্যাপারে উলিপুর
উপজেলা
নির্বাহী অফিসার
আতাউর
রহমান
জানান,
আমি
বিষয়টি
জানলাম। এখনেই
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে লোকজনকে পাঠাচ্ছি সমাধানের লক্ষে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাফসান জানি জানান,
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের নুনখাওয়া পয়েন্টে ১৮
এবং
ব্রহ্মপুত্রের চিলমারী নৌবন্দর পয়েন্টে ১৯
এবং
পাটেশ্বরী রেল
সেতু
পয়েন্টে দুধকুমার নদীর
পানি
০১
সেন্টিমিটার বিপদসীমার ওপর
দিয়ে
প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল
আরিফ
জানান,
বন্যা
কবলিত
কুড়িগ্রাম সদর,
চিলমারী, উলিপুর
ও
নাগেশ্বরীতে খোঁজখবর নেয়ার
পাশাপাশি ইতিমধ্যে দুর্গত
এলাকায়
এক
হাজার
২শত
পরিবারকে ১০
কেজি
করে
চাল
সহ
অন্যান্য বিতরণ
করা
হয়।
এর
মধ্যে
উলিপুর
উপজেলার থেতরাই
ইউনিয়নে ১০০
জনের
মাঝে
১০
কেজি
হারে
চাল
বিতরণ
চলছে।
চিলমারী উপজেলার রমনা,
নয়ারহাট ও
চিলমারী প্রত্যেকটি পয়েন্টে ১০
কেজি
হারে
মোট
৬
মেট্রিক টন
চাল
বিতরণ
হয়,
উপকারভোগীর সংখ্যা
৬শত।
কুড়িগ্রাম সদর
উপজেলার বিকালে
চরভগবতীপুর, খেয়ার
আলগা,
কালীর
আলগা,
পোরার
চরে
১৫০
প্যাকেট ত্রাণ
বিতরণ
করা
হয়
(প্রতি
প্যাকেটে থাকবে
১০কেজি
চাল,
ডাল
ও
তেল)। নাগেশ্বরী উপজেলার গরুভাসার চর,
ফকিরগঞ্জ, নুনখাওয়ার চরকাপনা ও
নুনখাওয়া পয়েন্টে ২০০শ পরিবারের মাঝে
পরিবার
প্রতি
১০
কেজি
হারে
চাল,
১
কেজি
ডাল,
১লি:
তেল
ও
১
কেজি
লবণ
বিতরণ
হয়।
এছাড়া
ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটায় ১৫০
জন
পরিবারকে ১০
কেজি
করে
চাল
বিতরণ
করা
হয়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তেগুরিয়া ওবায়েদুল হক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য ও পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু তাহের পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল স্বপনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন পাটওয়ারী,উপজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সাইফুল পাটোয়ারী,বিতারা ইউনিয়ন পশ্চিম ছাত্রদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার পাটোয়ারী,যুগ্ন আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর সরকারসহ আরো অনেকে।
এসময় বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশিদ,সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী,আব্দুল মালেক,আমেনা আক্তার,রামকৃষ্ণ,যুবদল নেতা কাদির পাটোয়ারী,সোহেল পাটোয়ারীসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক,অভিভাবক ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয়ের বার্ষিক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা সাহিত্য, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পর্বের মধ্যে বক্তৃতা, দৌড় প্রতিযোগিতা,দেশাত্মবোধ, পল্লীগীতি, রবিন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, আধুনিক গাণ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন