

কুমিল্লার চান্দিনায় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথচারী শিশু কন্যাসহ এক নারীকে চাপা দিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই পথচারী ওই নারী ও তার দুই বছরের কন্যা শিশু মারা যায়। আহত হয়েছে প্রাইভেটকারে থাকা ৩ যাত্রী।
নিহতরা হলো- চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া ইউনিয়নের কুটুম্বপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম এর স্ত্রী মাহিনুর আক্তার (২৫) ও তার মেয়ে তাকিয়া ইসলাম (২)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহতদের বাড়ি মহাসড়ক সংলগ্ন কুটুম্বপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায়। সন্ধ্যায় মেয়েকে নিয়ে মহাসড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে বাড়ি আসার পথে ঢাকামুখী একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদেরকে চাপা দিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মা মাহিনুর ও তার শিশু কন্যা মারা যায়। মহাসড়কের পাশের খাদে পানি থাকায় পাইভেটকারটি পানিতে পড়ে যায় এবং প্রাইভেটকারের ৩জন আহত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মনিরুল ইসলাম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। গাড়িটি খাদে পড়ে যাওয়ার পর চালক পালিয়ে যায়। গাড়িটি আমরা উদ্ধার করার চেষ্টা করছি। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, দেশে প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি চালু হলে ফ্যাসিবাদ ও কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির অবসান ঘটবে। এতে জনগণের প্রকৃত মতামত ও ভোটাধিকার প্রতিফলিত হবে এবং স্বৈরাচার তৈরির পথ বন্ধ হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে চায়। আমরা প্রতিযোগিতা চাই, প্রতিহিংসা নয়। কারও অধিকার বা মর্যাদা সে কোন দলের সেটা বিবেচ্য নয়—সব নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করাই জামায়াতের লক্ষ্য।”
বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে কুমিল্লা নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে “জুলাই জাতীয় সনদ ও পিআর পদ্ধতির ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের স্বার্থে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন আদায় করতে হবে।
জামায়াত নেতা বলেন, “পিআর পদ্ধতি হলে জনগণের প্রতিনিধিত্ব আরও সুষম হবে। এটি গণতন্ত্রের ভিত মজবুত করবে।”
তিনি জানান, ৩১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৬টি দল ইতোমধ্যে পিআর পদ্ধতির পক্ষে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। কেউ উচ্চকক্ষ, কেউ নিম্নকক্ষ—ভিন্ন প্রস্তাব দিলেও সবাই মূলত পিআর ব্যবস্থাকে সমর্থন করেছে।
মাওলানা হালিম জানান, জামায়াতে ইসলামী ৫ দফা দাবি উত্থাপন করেছে, যার একটি হলো ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী ও মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িতো রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিদের নিষিদ্ধ করা। তিনি বলেন, “তারা ভোট দিতে পারবে, কিন্তু যারা গুম-খুন ও নির্যাতনের সহযোগী ছিল তাদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া গণতন্ত্রের পরিপন্থী।”
‘কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর’ উদ্যোগে আয়োজিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মহানগর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আমীর অধ্যাপক আবদুল মতিন।বৈঠক পরিচালনা করেন মহানগর সেক্রেটারি মু. মাহবুবুর রহমান।এসময় আরও বক্তব্য রাখেন—অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, অধ্যাপক মু. শফিকুল আলম হেলাল, ব্যবসায়ী হাজী নুর উদ্দিন, কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শহিদ উল্লাহ, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি লুৎফুর রহমান, বার্ডের সাবেক মহাপরিচালক ড. মাসুদুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. সফিকুর রহমান পাটোয়ারী।ওলামা প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা জালাল উদ্দীন।ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবির কুমিল্লা মহানগর সভাপতি হাসান আহমেদ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি হাফেজ মাজারুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা সভাপতি মহিউদ্দিন রনি।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ কুমিল্লা জেলা সভাপতি ডা. জহিরুল হক বাবর, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ এনডিএফ সেক্রেটারি ডা. গিয়াস উদ্দিন, ব্যবসায়ী কাউন্সিলর মোশারফ হোসাইন, মিজানুর রহমান, হাসান মজুমদারসহ গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা।
বৈঠকে সাংবাদিকরা পিআর পদ্ধতি বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করলে জামায়াতের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ সেগুলোর গঠনমূলক উত্তর প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার।
আজ (২৬ এপ্রিল) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বানাশুয়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ এমরান (৪৬) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে আজ দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বানাশুয়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে সাইফুল (৩০) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ এমরান (৪৬) কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানার ফুলদি গ্রামের মোঃ সিরাজ এর ছেলে এবং ২। সাইফুল (৩০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বানাশুয়া গ্রামের শাহজাহান এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সদর উপজেলায় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় মা–ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন বসন্তপুর গ্রামের কামাল। এ ঘটনার জেরে প্রতিবেশী বিল্লাল তার ওপর অতর্কিতে হামলা করে। ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকলে কামাল ঘটনাস্থলেই মারা যান।চিৎকার শুনে এগিয়ে আসলে কামালের মা-কেও ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত করে বিল্লাল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় কামালের মায়ের পেট ফেটে নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যায়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা বিল্লালের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহিনুল ইসলাম জানায়, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ঘটনাটির তদন্ত চলছে। হামলাকারী বিল্লালকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনার পর পাঁচথুবী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের বসন্তপুর গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় ভোক্তা অধিদপ্তরের একটি অভিযানে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
অনিয়ম ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আজ বুধবার (২৮ মে) দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার ও প্রযুক্তিবিদ (টেকনোলজিস্ট) না থাকায় “কুমিল্লা তিতাস মেডিকেল” প্যাথলজিকে ৫০,০০০ টাকা এবং আল নুর হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগে রেডিওলজিস্ট না থাকায় ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা তিতাস মেডিকেলে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া রিএজেন্ট ব্যবহার
করা হচ্ছিল এবং সেখানে কোনো রেজিস্টার্ড মেডিকেল টেকনোলজিস্ট কর্মরত ছিলেন না। অন্যদিকে,
আল নুর হাসপাতালে এক্স-রে পরীক্ষার সময় কোনো রেডিওলজিস্ট উপস্থিত না থাকায় রোগীদের
সেবা বিঘ্নিত হচ্ছিল। এছাড়া, প্রতিষ্ঠান দুটি রোগীদেরকে প্রতিশ্রুতিসম্মত সেবা প্রদান
করতে ব্যর্থ হয়।
ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর অধীন এ অনিয়মের জন্য মোট ৭০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পাশাপাশি, ভবিষ্যতে সঠিকভাবে সেবা প্রদান ও নিয়ম মেনে চলার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া
হয়।
জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়ার নেতৃত্বে
এই অভিযান পরিচালিত হয়। তাকে সহযোগিতা করেন অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা
জেলা পুলিশের একটি টিম।
ভোক্তা
অধিদপ্তর জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো প্রতিষ্ঠানই
ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে রেয়াত পাবে না।
মন্তব্য করুন


ঈদ উপলক্ষে কুমিল্লা বিসিকে (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) উৎপাদিত সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, মুন্সীগঞ্জ, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, জামালপুরসহ ২০-২২টি জেলায় যাচ্ছে।
সূত্রমতে, কুমিল্লা বিসিকের পাঁচটি কারখানায় সেমাই উৎপাদন করা হয়। সেগুলো হচ্ছে কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিল, রিয়াজ ফ্লাওয়ার মিল,মেট্রো কনফেকশনারি, খন্দকার ফুড ও মক্কা কনজুমার এন্ড ফুড প্রোডাক্টস। বিসিক ছাড়া কুমিল্লা আদর্শ সদর ও বিভিন্ন উপজেলায় সেমাই উৎপাদন হয়ে থাকে। কারখানা গুলোতে বাংলা ও লাচ্ছা নামে দুই ধরনের সেমাই তৈরি করা হয়।
কুমিল্লা বিসিকের কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলে গিয়ে দেখা গেছে, মেশিনে গর গর শব্দে বাংলা সেমাই উৎপাদন করা হচ্ছে। সেই সেমাই ছাদে শুকানো হচ্ছে। শুকানোর পর সেটা উনুনে ভাজা হয়। ঈদ বাজারের চাহিদা মেটাতে দ্রুত প্যাকেটজাত করছেন শ্রমিকরা। ঘণ্টায় একজন শ্রমিক দুই থেকে আড়াইশ’ প্যাকেট করছেন। কেউ প্যাাকেট, কেউ ওজন, কেউ মুখ লাগানোর কাজ করছেন। কেউ কার্টনে সেমাই ভরছেন।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের সেমাই কারখানার সুপারভাইজার মো. মহসীন, শ্রমিক ফজলে রাব্বী ও হালিমা আক্তার বলেছেন, ঈদের অল্প কয়েকদিন বাকি। এখন বাজারে সেমাইয়ের চাহিদা রয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে দ্রুত কাজ করতে হচ্ছে।
নগরীর কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ী টিপু সুলতান বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকে উৎপাদিত সেমাইয়ের সুনাম রয়েছে। তাই স্থানীয় বাজারে এর চাহিদাও ভালো।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের পরিচালক সৈয়দ গোলাম কাদের তানিন বলেছেন, আমরা ৩ দশক ধরে মান সম্মত উপায়ে সেমাই তৈরি করি। এখানে সেমাই তৈরিতে কৃত্রিম কিছু ব্যবহার করা হয় না। আমাদের সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বেশি বিক্রি হয়। বাংলা সেমাই আল-নূর, কুলসুম নামে এবং লাচ্ছা সেমাই তানিন নামে বাজারজাত করি। চরাঞ্চলে বাংলা সেমাইয়ের চাহিদা বেশি।
বিসিক কুমিল্লার ডিজিএম মো. মুনতাসির মামুন বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকের খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনে সুনাম রয়েছে। তার একটি সেমাই। এখানে উৎপাদিত সেমাই ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। এখানের সেমাই মান সম্মত। মান রক্ষায় আমরা নিয়মিত কারখানা পরিদর্শন করি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আন্তর্জাতিক মানবকল্যাণমূলক সংগঠন রোটারি ইন্টারন্যাশনাল-এর নতুন বছরের শুভ সূচনা উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১ জুলাই) কুমিল্লা এরিয়ার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়।
র্যালিটির উদ্বোধন করেন রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮১ (ডি ৬৫ বাংলাদেশ) এর এসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ডা. তৃপ্তিশ চন্দ্র ঘোষ। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, "রোটারি ইন্টারন্যাশনালের মূল লক্ষ্যই হলো মানবসেবাকে প্রাধান্য দিয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। কুমিল্লা রেনেসাঁস ক্লাব সেই পথেই নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে।"
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব রেনেসাঁস কুমিল্লার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নুরুল ইসলাম রিপন, বর্তমান ক্লাব সভাপতি জীবন কুমার সাহা, আইপিপি আবু তানভীর, সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম, ক্লাব সদস্য ডা. সিমা আক্তার, ডা. আনোয়ার হোসেন, আবুল কালাম জুয়েল, মোশারফ হোসেন সহ কুমিল্লা অঞ্চলের বিভিন্ন রোটারি ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে, মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে রোটারি ক্লাব অব রেনেসাঁস কুমিল্লার পক্ষ থেকে এক শারীরিক প্রতিবন্ধীকে একটি হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। এতে করে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতি ক্লাবের সহানুভূতি ও দায়বদ্ধতার প্রতিফলন ঘটে।
নতুন রোটারি বর্ষের এই আয়োজন কুমিল্লা শহরে একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়—রোটারি কেবল একটি সংগঠন নয়, এটি একটি মানবতার আন্দোলন।
মন্তব্য করুন


ফেনীতে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার দাগনভূঞা উপজেলার পৌর এলাকার জগতপুর গফুর ভান্ডারির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘাতক স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকে (৪২) আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা বলেন, আলমগীর হোসেন দুই বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন। এ ঘরে তাদের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। পরে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। মঙ্গলবার ভোরে সে দ্বিতীয় স্ত্রীর থেকে বিতাড়িত হয়ে প্রথম স্ত্রীর ঘরে এলে শুরু হয় ইয়াসমিনের সাথে বাকবিতণ্ডা।
বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সকালে ইয়াসমিন ঘরে থাকা দা দিয়ে আলমগীরকে কুপিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলে আলমগীর মারা যান। স্বামীকে হত্যার পর সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকেন ইয়াসমিন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে তিনি তার স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দাগনভুঞা থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ কালবেলাকে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের
সুন্দুরিয়া পাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে
বিদেশী ও দেশী বিপুল পরিমান অস্ত্রসহ মো. মোতাব্বির
হোসেন জনি (৩৫) নামের এক জনকে আটক করেছে যৌথবাহিনী।
এ সময় তার বাড়ি থেকে ১টি বিদেশি এয়ারগান,
১৪টি দেশিয় তলোয়ার, ১টি লোহার তৈরি চাকতি, ৩টি চাকু, ৫টি স্টিক ও নগদ সাড়ে ৪ লাখ
টাকা উদ্ধার করে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে সেনাবাহিনীর
নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী জনির বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রসহ তাকে আটক করে।
আটক হওয়া মোহাম্মদ মোতাব্বির হোসেন
জনি- ফারজানা ট্রান্সপোর্ট এর মালিক।
তাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সেনাবাহিনী।
আটককৃত মোহাম্মদ মোতাব্বির হোসেন জনিকে
অস্ত্রসহ বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪৭ ক্যান বিয়ারসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৯ অক্টোবর বিকালে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
চৌদ্দগ্রাম থানাধীন দোলবাড়ী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী মোঃ সাইফুল নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে
৪৭ ক্যান বিয়ার এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক (মিশুক) উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ সাইফুল (৩০) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার ছুপুয়া মিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত সেলিম
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ইজিবাইক (মিশুক) ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য বিয়ার সংগ্রহ পূর্বক কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা এলাকায় বাদশা মিয়া বাজারে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লা।
শুক্রবার (১৭ মে) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন।
উক্ত অভিযানে ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা অভিযোগে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয়।
এ সময় জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন