

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল অভিযানে এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।বুধবার (৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে আদর্শ সদর উপজেলার কুমিল্লা হাউজিং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো. মিজানুর রহমান। তিনি আদর্শ সদর উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের মৃত সাদেক সরদারের ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি আওয়ামী লীগপন্থী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি একাধিক মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে পলাতক ছিলেন।
সেনা সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদে সেচ প্রকল্প সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে সেনাবাহিনীর টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা হাউজিং এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পলাতক আসামি মিজানুর রহমানকে আটক করা হয়।তার বিরুদ্ধে কোটয়ালী মডেল থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- মামলা নং ৬৯, তারিখ ২০২৫; ২৭মে ধারা ১৪৩/১১৪/১৪৭/১৪৯/৩২৩/৩০২/১০৯/৩৪ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এবং Explosive Substances Act 1908 (ধারা ৩/৪)।মামলা নং ৪৮, তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০১৯; মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ (ধারা ৩৬(১) সারণির ১০ (ক)/৪১)।
মামলা নং ৭৭, তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০১৫; ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৭৯ দণ্ডবিধি ১৮৬০।সেনা সদস্যরা জানান, গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরে তাকে কোটয়ালী মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।সেনা সূত্র আরও জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৬৪ কেজি গাঁজা ও ৯৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ
তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (২৯ জুন) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বসন্তপুর এলাকায় মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ৬৪
কেজি গাঁজা, ৯৬ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত দুইটি প্রাইভেটকার
উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ আবু জোবায়ের হোসেন (৩৮) কুমিল্লা
জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার বসন্তপুর গ্রামের হাফেজ নুর আহম্মদ এর ছেলে, ২। মোঃ ইসমাইল
হোসেন (২৫) একই গ্রামের শরীফ মোঃ ইউসুফ এর ছেলে এবং ৩। কবির হোসেন (৪২) কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার কুড়িয়াপাড়া গ্রামের মৃত চেরু মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার দুইটি ব্যবহার
করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা ও ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে
কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয়
করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান
পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান
অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
৫ই আগষ্ট প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশ্যে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে একটি ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি আবার অনুরুপ একই ঘোষণা দেয়ায় নির্বাচন নিয়ে শংঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে যদি নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয় তাহলে সেই নির্বাচনে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে কিনা সেই শঙ্কা থেকে যায়। তিনি প্রধান উপেদেষ্টাকে জাতির কাছে সেটি পরিস্কার করার আহবান জানান। সেই সাথে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপের আয়োজন করার তাগিদ দেন।
আজ শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টায় কুমিল্লা নগরীর ফানটাউন মিলনায়তনে কুমিল্লা-৬ সদর আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কেন্দ্র কমিটির পরিচালক ও সহকারি পরিচালকদের সামাবেশে শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
যেন তেন নির্বাচন জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে পূরণ করতে পারবেনা উল্লেখ করে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন - একটি অর্থবহ সুষ্ঠু জনগণের অংশগ্রহণ মূলক অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন চান। উৎসবমুখর নির্বাচন, সকল বৈধ দলের স্বৈরাচার ছাড়া অংশ গ্রহণের নির্বাচন।কেবল অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনই বাংলাদেশ রাস্ট্রের এ সংকটকে দূর করতে পারে। জামায়াত ইসলামী দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করে বলে মন্তব্য করেন।
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। সংস্কারের বিষয়ে অনেকগুলো বিষয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যমত পোষণ করেছে। সংস্কারের ভিত্তিতেই নির্বাচন হতে হবে। এ সংস্কারের ভিত্তিতে নির্বাচন হতে হলে সংস্কার একটি আইনি ভিত্তি তৈরি করতে হবে।
এ সময় কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। মহানগরী নায়েবে আমির অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন ও সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা মহানগরী নায়েবে আমির মোছলেহ উদ্দিন, মহানগরী সহকারী সেক্রেটারী মোশারফ হোসেন, সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার একজন বাবুর্চি রান্না করার সময় দুর্ঘটনাবশত হাত ও পা ঝলসে যায়।
সোমবার রাত আনুমানিক ৯টায় ঘটে এ দুর্ঘটনা।
দুর্ঘটনার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কোনো ডিউটি ডাক্তার বা নার্সকে পাওয়া যায়নি।
উপায়ান্তর না পেয়ে আহত ব্যক্তি এবং তার সাথে আসা লোকজন হতাশ হয়ে পড়েন।
জরুরী চিকিৎসা সেবা নিতে এসে এই বিড়ম্বনার ঘটনা জানতে পেরে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মেডিকেল টিমের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে ডাক্তার এবং নার্সকে হাসপাতালে নিয়ে এসে উক্ত রোগীকে যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
উক্ত সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সদর
উপজেলার ইউএনও এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মেডিকেল টিমের সদস্যবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
রমজানকে সামনে রেখে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কুমিল্লা নগরীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা এবং পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে সাত হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা সদর উপজেলার বাদশা মিয়ার বাজার এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা এবং পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে সাত হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া জানান, অভিযান পরিচালনাকালে ব্যবসায়ীদের কাছে ক্রয়ের ভাউচার ও বিক্রয়ের তথ্য যাচাই করা হয়। এ সময় ভবিষ্যতে যথাযথভাবে ক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ এবং যৌক্তিক মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাজারে স্বচ্ছতা ও ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়। ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বন্যার পানি কমে এলেও কমেনি মানুষের দুর্ভোগ, মানুষের কষ্ট।
গৃহহীন মানুষগুলো আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।
এ মানুষগুলোর ঘরবাড়ি পুনর্বাসনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেক।
কুমিল্লায় স্মরণকালের ইতিহাসের ভয়াবহ বন্যায় অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিবেক যেটি হলো মানবতার তরে কাজ করা সামাজিক সংগঠন মানুষদের আশ্রয়স্থল পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে।
এ উদ্যোগেরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ১১সেপ্টেম্বর বিবেক এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু এর নেতৃত্বে কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের নমষোদ পাড়া ও ইন্দ্রবতি গ্রাম এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বালেশ্বর গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তের মাঝে গৃহ পূর্ণনির্মাণের জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয় ।
অসহায় মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস নিয়ে বিবেকের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সোমবার (২ জুন) আলেখারচরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ অভিযান
পরিচালিত হয়েছে।
দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে এলাকায় অবৈধ যান চলাচল রোধে কার্যকর তল্লাশি চালানো হয়।
অভিযানকালে মোট ১টি সিএনজি, ১টি পিকআপ ও ৪টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়।
এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা এবং নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট
২২,৫০০ (বাইশ হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এছাড়া ১টি মোটরসাইকেল ও ১টি পিকআপ জব্দ করে হাইওয়ে থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনী
ও পুলিশের এই যৌথ তৎপরতা এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা তৈরি করেছে। স্থানীয়রা
এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এমন অভিযান চলমান রাখার আহ্বান
জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো:মিজানুর রহমান মিনু,কুমিল্লা
কুমিল্লায় কিছুতেই যেন কমছে না শীতের তীব্রতা। উত্তরের হিমেল বাতাস আর হার কাঁপানো ঠান্ডায় জনজীবন হয়ে পড়েছে স্থবির।
দুপুর গড়িয়ে গেলও
সূর্যের দেখা মিলছে না, এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের
মানুষ, বয়স্ক ও শিশুরা।
এদিকে শীতের প্রকোপ
বেড়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে শীত জনিত নানা রোগ। হাসপাতালে বাড়ছে শিশু ও বয়স্ক
রোগির সংখ্যা।
আজ কুমিল্লায়
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১
দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মুসলিম বাল্যবন্ধুর জানাজার পেছনে বসে কাঁদা আলোচিত সেই সুধীর বাবু মারা গেছেন।
তিনি মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাপাচৌঁ গ্রামের নিজ বাড়িতে মারা যান ।
সুধীর বাবুর ছেলে অর্জুন চন্দ্র দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “মঙ্গলবার রাতে বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”
এর আগে ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুধীর বাবুর একটি ছবি ভাইরাল হয়। সেই সময় ছবিটি সম্পর্কে জানা যায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাপাচৌঁ গ্রামের আমির হোসেন নামে একজনের জানাজা চলছিল। সে সময় জানাজার পেছনে একটি গাছের গুঁড়িতে বসে কাঁদছিলেন সুধীর। মৃত আমির হোসেন সওদাগর সুধীর বাবুর বাল্যবন্ধু ছিলেন। বিষয়টি উপস্থিত সবার হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
স্থানীরা জানান, সুধীর বাবু ও আমির হোসেন ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে আড্ডা ও খেলাধুলা করে বড় হয়েছেন। বয়সের একপর্যায়ে দুজন গুণবতী বাজারের ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসার শত ব্যস্ততার ভিড়েও সুযোগ পেলেই দুই বন্ধু ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দিতেন। অবসর সময় কাটাতেন একসঙ্গে। ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বন্ধু আমির হোসেন মারা যাওয়ার ৪ বছর পর বন্ধু সুধীর বাবুও মারা গেলেন।
মন্তব্য করুন


জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার পূর্বক প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা।
সোমবার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা রাজেস রড়ুয়া পিপিএম প্রকৃত মালিকগণের কাছে মোবাইল গুলো হস্তান্তর করে।
মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভিকটিমগণ তাদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কুমিল্লা পুলিশ সুপার, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৮০ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৮ মার্চ ভোরে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া
থানাধীন তেঁতুলতলা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১। মোঃ আব্দুল
মালেক (৩৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৮০ কেজি
গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ১ টি পিকআপ এবং ১ টি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়। তবে
চালক সহ ২ জন কৌশলে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ আব্দুল মালেক (৩৮) পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মোস্তফাপুর গ্রামের মৃত আব্দুস
সাত্তার এর ছেলে। আসামী বর্তমানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন থানাধীন বিজয়পুর গ্রামে
বসবাস করে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা,
মুন্সিগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত
অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান
অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন