

নেকবর হোসেন ,কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা জেলার সীমান্ত এলাকা হতে দেড় কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় শাড়ী জব্দ করেছে বিজিবি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধিনায়ক কর্নেল মীর আলী এজাজ।
৩০ নভেম্বর ভোর সাড়ে পাঁচটায় কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা ক্যান্টনমেন্ট বাজার এলাকা থেকে অবৈধ ভারতীয় শাড়ি জব্দ করে বিজিবি।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে।
রোববার ভোর সাড়ে পাঁচটায় কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল কর্তৃক মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট বাজার থেকে বিজিবি টহল দল মালিক বিহীন অবস্থায় কার্ভাট ভ্যানসহ অবৈধ ভারতীয় শাড়ী আটক করে। যার সর্বমোট মূল্য ১ কোটি ৩৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধিনায়ক কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন,জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হবে। অবৈধ মালামাল বন্ধে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
সব ক্ষেত্রে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামূলক হলে সমাজে পাপ কমে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা ৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, “আমি সংসদে যেতে পারলে সকল স্তরে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার জন্য কথা বলবো।”
আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ মিলনায়তনে জাতীয় হাফেজ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, মসজিদের খতিব ও মুয়াজ্জিনরা সবচেয়ে অবহেলিত। দেশের সকল মসজিদের খতিব ও মুয়াজ্জিনকে সরকারি বেতনকাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে, দেশনায়ক তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে ইনশাআল্লাহ এটা বাস্তবায়ন করা হবে।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, আলেমরা এদেশের সম্পদ। আলেমদের উপর কোনো আঘাত সহ্য করা হবে না। আলেম যে দলের যে মতেরই হোক তাদের রক্ষা করা ও নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের সকলের দায়িত্ব।
বাংলাদেশ জাতীয় হাফেজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাফেজ মাওলানা ইয়াসিন নুরী আল গাজীপুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় হাফেজ সম্মেলনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, জেলা তাঁতী দলের সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান পিটার, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন, হাফেজ কল্যাণ সমিতির মহাসচিব ক্বারী হুমায়ুন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন উদ্দিন বেলালী, অর্থ সম্পাদক হাফেজ ইজহারুল হক সিরাজী, বাংলাদেশ খতিব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুফতি শামিম মজুমদার, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন প্রমুখ।
সম্মেলনে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করে ইবনে তাইমিয়া হিফজ বিভাগ। শ্রেষ্ঠ হাফেজ হিসেবে পুরস্কার পান হাফেজ মাওলানা ফরিদ আহমেদ ভুঁইয়া ও অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন। শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে পুরস্কৃত হন ইবনে তাইমিয়ার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ জয়নাল উদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও সম্মেলনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠ হাফেজদের বৃত্তি প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও সুস্বাস্থ্য কামনায় কুমিল্লায় ধারাবাহিকভাবে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কুমিল্লা–৬ আসনের জননেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের উদ্যোগে নগরী ও জেলার বিভিন্ন মসজিদে নিয়মিতভাবে কুরআন খতম, দোয়া-মাহফিল, এতিমখানায় খাবার বিতরণ এবং পশু সদকার কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
এরই অংশ হিসেবে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে নগরীর কান্দিরপাড় এলাকায় কুরআন খতম শেষে বিশেষ দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনার পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
দোয়া-মাহফিলে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবুর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল ও মনির হোসেন পারভেজ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান সাঈদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ ও সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন।
দোয়া-মাহফিলে আরও অংশ নেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর রহমান ও সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী।
এছাড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিন, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও কৃষকদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দোয়া-মাহফিলে অংশ নেন।
আয়োজকরা জানান, বেগম খালেদা জিয়ার পূর্ণ সুস্থতা কামনায় এ ধরনের ধর্মীয় ও মানবিক কর্মসূচি আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া উপকূলে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রস্তুতিকালে নারী ও শিশুসহ ২৮ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড ও পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক। তার আগে সোমবার গভীর রাতে বাহারছড়ার কচ্ছপিয়া ঘাটের বিচ এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।
কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোপনে খবর পাওয়া যায়—একদল পাচারকারী মালয়েশিয়া পাঠানোর উদ্দেশ্যে কয়েকজন নারী, শিশু ও পুরুষকে নিয়ে কচ্ছপিয়া ঘাটের কাছে অবস্থান করছে। তথ্যের ভিত্তিতে বাহারছড়া আউটপোস্ট ও পুলিশের সমন্বয়ে রাতেই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ২৮ জনকে উদ্ধার করা হলেও পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে, অল্প খরচে বিদেশে নেওয়ার লোভ দেখিয়ে তাদের সাগরপথে মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের তারা এই প্রচেষ্টায় জড়ো করেছিল।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ডের অভিযান চলমান থাকবে। উদ্ধার হওয়া ২৮ জনকে সুরক্ষা ও আইনি প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পাচারকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক
গণসংবর্ধনা স্থান ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্ট বর্জ্য পরিষ্কারে উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।
আজ
(শুক্রবার) সকালে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকের নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে
বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সকাল থেকেই ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে
(৩০০ ফিট মহাসড়ক), এয়ারপোর্ট রোড এবং সংলগ্ন এলাকাজুড়ে জমে থাকা সব ধরনের বর্জ্য পরিষ্কার
করা হচ্ছে।
গতকাল
(বৃহস্পতিবার) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, গণসংবর্ধনা
স্থান ও আশপাশ এলাকায় সৃষ্ট বর্জ্য পরিষ্কার কার্যক্রম শুক্রবার সকালে শুরু হবে।
ঢাকা
মহানগর উত্তর বিএনপির তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছাসেবক ও দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে
এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ‘শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মসূচির
পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষা ও নগর পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় বিএনপি সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা
পালন করে আসছে। সংবর্ধনা শেষে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে জানান
বিএনপির নেতারা।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযান ইউনাইটেড নেশন্স মিশন ইন সাউথ সুদান (UNMISS)–এ অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৯৯ সদস্যের প্রথম দল মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ সুদানের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। এই দলটি ‘বাংলাদেশ ফোর্স মেরিন ইউনিট–১১’-এর অংশ।জাতিসংঘের ম্যান্ডেট অনুযায়ী, নৌবাহিনীর এই ইউনিটটি দক্ষিণ সুদানের নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। দূরবর্তী এলাকায় জ্বালানি, খাদ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তাবাহী বার্জের নিরাপদ চলাচল তদারকি, জলদস্যুতা প্রতিরোধ, অগ্নিকাণ্ডে স্থানীয়দের সহায়তা এবং বেসামরিক নাবিকদের নিরাপত্তা রক্ষা–সবকিছুই তাদের দায়িত্বের আওতাভুক্ত। এছাড়া দুর্ঘটনাগ্রস্ত নৌযানে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা ও মিশনের সদস্যদের রসদ দুর্গম স্থানে পৌঁছে দেওয়ার কাজও তারা নিয়মিতভাবে করে যাচ্ছে।
গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে নৌবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে দক্ষতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। আহত সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিদের উদ্ধার, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা এবং ডুবুরি কার্যক্রমেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
দক্ষিণ সুদানের বাইরে লেবাননের ভূমধ্যসাগরে উপমহাদেশের একমাত্র মেরিটাইম টাস্কফোর্সেও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘বানৌজা সংগ্রাম’ দায়িত্ব পালন করছে। নীল নদের প্রায় ১৩১১ কিলোমিটার নদীপথ অতিক্রম করে ইউনিটটি এখন পর্যন্ত ৭১টি সফল লজিস্টিক অপারেশন (অপারেশন লাইফলাইন) সম্পন্ন করেছে। নৌবাহিনীর এই ধারাবাহিক অবদান আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করেছে।
মন্তব্য করুন


যা কিছুই ঘটুক না কেন, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজে অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় সেনাপ্রধান তার কার্যালয়ে বসে রয়টার্সকে দেওয়া এক বিরল সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।
তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৮ মাসের মধ্যে যেন নির্বাচন হতে পারে, সে জন্য তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেবেন।
আগস্টের শুরুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পদত্যাগ করেন। পরে নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রয়টার্সকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর তার পূর্ণ সমর্থন আছে। সামরিক বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করার একটি পথের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আমি তাকে (মুহাম্মদ ইউনূস) সমর্থন করব। পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন। যেন তিনি তার কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।
মুহাম্মদ ইউনূস দেশের বিচার বিভাগ, পুলিশ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণ হওয়া উচিত। তবে ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি।
সেনাপ্রধান বলেন, যদি আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, আমি বলব, এ সময়ের মধ্যে আমাদের একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যাওয়া উচিত।
বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ এবং প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এর আগে আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা নেওয়ার তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানায়।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সেনাপ্রধানের প্রতি সপ্তাহেই বৈঠক হচ্ছে। তাদের মধ্যে বেশ ভালো সম্পর্ক রয়েছে। অশান্ত পরিস্থিতির পর দেশকে স্থিতিশীল করতে সরকারের প্রচেষ্টায় সামরিক বাহিনীর সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত, যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি, তবে ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
মন্তব্য করুন


ভুয়া র্যাব পরিচয়ে ডাকাতি
ও অপহরণের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০।
ফরিদপুরের নগরকান্দায় অভিযানে
উদ্ধার করা হয়েছে অপহৃত দুই স্বর্ণ ব্যবসায়ী এবং ভুয়া র্যাব চক্রের ব্যবহৃত সরঞ্জাম
ও একটি মাইক্রোবাস।
আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই)
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান
র্যাব-১০-এর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- দিদার
(২৯), মো. সাইফুল ইসলাম (৩০), মিন্টু গাজী (৪৫), মো. জামিল (৩২) এবং স্বপন খান (৪৫)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে জব্দ
করা হয় ৪টি ‘র্যাব’ লেখা জ্যাকেট, ৩টি র্যাব ক্যাপ, ২ জোড়া হাতকড়া, ১টি স্টেনগান,
১টি পিস্তল সদৃশ গ্যাস লাইট, ২টি ওয়াকি-টকি সেট, ১টি পিস্তল কাভার, মোবাইল ফোন এবং
একটি মাইক্রোবাস।
তিনি জানান, ভুক্তভোগী জয়দেব
আধ্য (৫৩) ও বিশ্বনাথ আধ্য (৫৭) সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা। তারা রাজধানীর তাঁতীবাজার
থেকে জুয়েলারি তৈরির যন্ত্রাংশ কিনে সোমবার (২৮ জুলাই) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে টুঙ্গিপাড়া
এক্সপ্রেসে করে সাতক্ষীরার উদ্দেশে রওনা দেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফরিদপুরের নগরকান্দার
জয়বাংলা মোড়ে পৌঁছালে একটি মাইক্রোবাস র্যাব পরিচয়ে বাসটি থামিয়ে দেয়। মাইক্রোবাস
থেকে র্যাব লেখা জ্যাকেট পরা ৩-৪ জন ব্যক্তি বাসে উঠে দুই ভাইকে জোরপূর্বক নামিয়ে
মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। এরপর তাদের চোখ গামছা দিয়ে বেঁধে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
পাশাপাশি ছিনিয়ে নেওয়া হয় তাদের সঙ্গে থাকা নগদ ২,৭০০ টাকা ও কেনা যন্ত্রাংশ।
র্যাব-১০ এর একটি দল ঘটনাস্থলে
অভিযান চালিয়ে ডাকাতি ও অপহরণের সঙ্গে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে এবং অপহৃত দুই ভাইকে
অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। অভিযানের সময় সাইফুল ইসলাম ও স্বপন খান পালানোর চেষ্টা করলে
উত্তেজিত জনতা তাদের ধরে ফেলে এবং গণপিটুনি দেয়। পরে র্যাব সদস্যরা তাদের সেখান থেকে
উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার
দিদারের বিরুদ্ধে রয়েছে ৮টি মামলা, মিন্টু গাজীর বিরুদ্ধে ৩টি, সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে
৩টি, জামিলের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা এবং স্বপন খানের বিরুদ্ধে রয়েছে চুরি, ডাকাতি,
অস্ত্র ও ৪টি হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১০
অধিনায়ক কামরুজ্জামান বলেন, বাসে ভ্রমণের সময় যাত্রা শুরু ও গন্তব্যস্থলে ভিডিও ধারণ
বা সিসিটিভি স্থাপন করলে এ ধরনের অপরাধ রোধ করা সম্ভব।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে কেউ সন্দেহজনক আচরণ করলে সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে কল করতে হবে অথবা নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই দেশ আমাদের সবার, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এ দেশ
সব মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি।দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবই নয়, এটি এখন
সর্বজনীন উৎসব।
বুধবার (৯ অক্টোবর) দুর্গাপূজা উপলক্ষে
প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমি দেশের হিন্দু
ধর্মাবলম্বী সকল নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের
উৎসবই নয়, এটি এখন সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের
আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।
আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই দেশ
আমাদের সকলের। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এদেশ সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি। গত ৫ আগস্ট
ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী
নির্বিশেষে সকলের ভাগ্য উন্নয়ন এবং সমান অধিকার সুনিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত
ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। একইসঙ্গে
বাংলাদেশের সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আগামীকাল
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়া।
এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের
একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী এ বি এম আব্দুস সাত্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এবার প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়া।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায়
সেনাকুঞ্জের উদ্দেশে গুলশানের বাসা থেকে বের হবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
একজন বীর উত্তমের স্ত্রী বা বিরোধীদলীয়
নেতা হিসেবে বিগত সময়ে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার সামরিক কর্মকর্তা এ দিবসের
আমন্ত্রণ জানালেও এবার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদমর্যাদার দুজন কর্মকর্তা সস্ত্রীক সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমন্ত্রণপত্র দেন।
বিএনপির দলীয় সূত্র বলছে, ২০০৯ সালের
পর এবারই প্রথম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এ বছর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে মোট ২৬ জন আমন্ত্রণ পেয়েছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছেন
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান এবং
অন্য পদমর্যাদার সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


বুধবার (৭ আগস্ট) বিকেলে সেনাসদরে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে ।
এ সরকারে ১৫ জন সদস্য থাকতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, সংকট কাটিয়ে দেশে আমরা একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরি করব। সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের সঙ্গে আছে এবং থাকবে। কেউ গুজবে কান দেবেন না।
এসময় তিনি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীদের কাজের প্রশংসা করেন এবং ছাত্রদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ সব ইতিবাচক কাজ অব্যাহত রাখারও অনুরোধ জানান।
এছাড়া সেনাপ্রধান বলেন, পুলিশ সক্রিয় হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক হয়ে আসবে। পরিস্থিতি দিনদিন উন্নতি হচ্ছে, আশা করছি দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
মন্তব্য করুন