

অভিনব
কৌশলে পিকআপে করে মাদক পরিবহনকালে ৪২ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
২ ডিসেম্বর রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে পিকআপ
ভ্যানের বডির ভিতরে গোপন প্রকোষ্ঠ বানিয়ে মাদকদ্রব্য গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। আলী
করিম রিয়াদ এবং ২। মোঃ জাকির হোসেন রানা নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৪২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার
করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। আলী করিম রিয়াদ (৩৩) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার কালিকাপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন
এর ছেলে এবং ২। মোঃ জাকির হোসেন রানা (৩৭) একই থানার ছাঁন্দকরা গ্রামের মৃত দেলোয়ার
হোসেন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


রবিউল হাসান অমি,প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুমিল্লা
ইউনিটের ১১ সদস্য বিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উক্ত কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে মো:
আমিরুল কায়ছার (জেলা প্রশাসক,কুমিল্লা)। ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে মোস্তাক মিয়া (বিএনপির
কেন্দ্রীয় কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, ডায়াবেটিস সমিতির সাধারণ
সম্পাদক), সেক্রেটারি হিসেবে জামিল আহমেদ খন্দকার ( বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক )।
উক্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন
মীর আবু জাফর শামসুদ্দিন দিদার, শাহাজাদা এমরান, অধ্যাপক এ,কে , এম এমদাদুল হক মামুন,
সৈয়দ মোতাহের আলী দিলাল, মোহাম্মদ মাসউদ আলম, অধ্যাপক মো.মনিরুল ইসলাম, ফেরদৌস সায়েম
ভূইয়া ও গোলাম ইউসুফ চৌধুরী।
উক্ত কমিটি ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে অনুমোদন
করেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ড. কবির মো. আশরাফ আলম, এনডিসি। এস.জি(ইউ.এ)-১৮৪৫/০১৩
স্মারকে এই কমিটি অনুমোদন করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আল আমিন ও তার সহযোগীকে পিস্তলসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
২২ নভেম্বর রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন সংরাইশ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ আল আমিন এবং ২। আবুল
কাশেম নামের দুইজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেন। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১ টি পিস্তল,
১টি ম্যাগাজিন ও ৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো: ১। মোঃ আল আমিন (৩৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সংরাইশ মধ্যপাড়া গ্রামের
মৃত ইদ্রিস মিয়া এর ছেলে এবং ২। আবুল কাশেম (৩৪) একই গ্রামের বাবুল মিয়া এর ছেলে।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার উপ-পরিচালক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামী আল আমিন এর বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিরীহ ছাত্রদের উপর গুলিবর্ষণেরও তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০
বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী আভিযান পরিচালনা করে ভারত থেকে বাংলাদেশে
পাচারের সময় ভারতীয় শাড়ী, থ্রি পিস, বাজি, কসমেটিক্স ও অন্যান্য সামগ্রী এবং মাদকদ্রব্যসহ ৪১,০৭,০০০/- (একচল্লিশ লক্ষ সাত হাজার) টাকা মূল্যের
মালামাল জব্দ করে।
শুক্রবার রাতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ কটকবাজার পোষ্ট এবং বিবির বাজার বিওপি এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উল্লেখিত অভিযানে বিজিবি টহলদল ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচারের প্রাক্কালে সীমান্ত পিলার ২০৮৩/০৯ এস হতে ১৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সুইচ গেইট নামক স্থান এবং সীমান্ত পিলার ২০৮০/এমপি হতে আনুমানিক ৪ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাঁনপুর নামক স্থান থেকে মদ-৬০ বোতল, ফেন্সিডিল-১৩৯ বোতল, বিয়ার-১১৪ বোতল, শাড়ী-১৯৮ পিস, থ্রি পিস-৭৮টি, কিং কোবরা বাজি-৮২,৬০০ পিস, বিস্কুট-৫০ প্যাকেট, স্কিন ক্রিম-৬৫৪টি, শ্যাম্পু-১,৭০০ পাতা এবং মেহেদী-১,৭৮০টি আটক করে। আটককৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৪১,০৭,০০০/- (একচল্লিশ লক্ষ সাত হাজার) টাকা।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানা যাচ্ছে যে, আজ ৩০ এপ্রিল কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইঁয়ার পদত্যাগেরদা বিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে একটি মিছিল করার চেষ্টা করা হয়। আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছি এই মিছিলের সাথে মুরাদনগর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ন্যূনতম কোন সম্পর্ক নাই।
বুধবার ( ৩০ এপ্রিল) রাত ৯ টায় মুরাদনগর উপজেলার জেলা পরিষদ মার্কেটের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, মুরাদনগর উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, মুরাদনগর শাখার আহ্বায়ক মোঃ ওবায়দুল হক সিদ্দিকী, সদস্য সচিব আল মামুন ও মুখ্য সংগঠক আসিফ সরকার।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, আমরা জানতে পেরেছি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগ , ছাত্রলীগ এক হয়ে কায়কোবাদ সাহেব
নিজের হীন উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের টিসি দেওয়ার ভয় দেখিয়ে জোর করে মিছিলে নিয়ে আসেন । এর ফলে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক ব্যানারটিকে বিতর্কিত করার জন্য ব্যবহার করছেন বলেই আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। জুলাই আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যে ব্যানারে খুনি হাসিনার পতন হয়েছে সে ব্যানারে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগ ব্যবহার করে উপদেষ্টার মর্যাদাহানী করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এই ঐতিহাসিক ব্যানার ব্যবহার করে এমন হীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত কাজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একইসাথে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ, আওয়ামীলীগ ও অনুমোদনহীন ব্যক্তি কর্তৃক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানার ব্যবহারকারীদের দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় এনে শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। আগামী ১২ ঘন্টার মধ্যে মিছিলে অংশগ্রহণ কারী দুর্বৃত্তদের গ্রেফতারের করতে হবে। অন্যথায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ আওয়ামীলীগ ও অনুমোদনহীন ব্যক্তিকতৃর্ক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানার ব্যবহার করার প্রতিবাদে তাদের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
বিদায় লগ্নে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহম্মেদ খাঁন।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি কুমিল্লায় দায়িত্ব পালনকালে অভিজ্ঞতা, অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার নাজির আহম্মেদ খাঁন বলেন, “কুমিল্লা আমার কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এখানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমি সবসময় মানুষের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা পেয়েছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা— সবক্ষেত্রে সাংবাদিকরা যে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশ পুলিশের কাজকে আরো গতিশীল করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি ও জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। কুমিল্লাবাসী আমাকে যে ভালোবাসা, সম্মান ও সহযোগিতা দিয়েছে— তা আজীবন স্মরণে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিক নেতারা বিদায়ী পুলিশ সুপারের সৎ, নিষ্ঠাবান ও মানবিক কর্মকৌশলকে প্রশংসা করেন। তারা বলেন, তার নেতৃত্বে কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুসংহত ছিল। বিভিন্ন থানা উন্নয়ন, কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার, অভিযোগ নিষ্পত্তির গতি বৃদ্ধি— এসব উদ্যোগ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।
মতবিনিময় সভায় কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক, সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাহবুব আলম বাবু, সিনিয়র সদস্য সহিদউল্লাহ, ওমর ফারুকী তাপস,দিলীপ মজুমদার,দপ্তর সম্পাদক সেলিম রেজা মুন্সি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নেকবর হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদিক হোসেন মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু,বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক বাবুসহ জেলা ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক, ডিবি ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।
পরিশেষে বিদায়ী পুলিশ সুপার নাজির আহম্মেদ খাঁনের হাতে কুমিল্লা প্রেস ক্লাব, কুমিল্লা ইয়ুথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, কুমিল্লা রিপোর্টার্স ক্লাব এবং কুমিল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে স্মারক উপহার তুলে দেওয়া হয়। তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সফলতা কামনা করেন সবাই।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
সোশ্যাল মিডিয়ায় “Cumilla24” নাম ব্যবহার করে একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ পূর্বের নাম ‘গোল্ড ফ্যাশন’ সম্প্রতি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছে।
জানা যায়, ওই পেজ থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয় যেখানে একজন বিদেশী নারীকে নিউজ পাঠ করতে দেখা যায়। ভিডিওটিতে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি সভাপতি ও কুমিল্লা-৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমনকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করা হয়।
এমন বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রচারণাকে আইনগতভাবে অপরাধ উল্লেখ করে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, “এই ধরনের মিথ্যা প্রচারণা একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ, যা দল ও নেতার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।”
নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের কাছে উক্ত ভুয়া ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এবং জনগণকে এসব ভুয়া পেজের বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গরু বহনকারী
ট্রাক উল্টে ব্যবসায়ীসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
বুধবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জের পুটিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে
পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মঞ্জুরুল আলম মোল্লা।
তিনি বলেন, একটি ট্রাক ঢাকা থেকে ১৭টি
গরু নিয়ে লাকসামের দিকে যাচ্ছিল। কোরবানির পশুর হাটে বিক্রির উদ্দেশে যাচ্ছিল তারা।
ইলিয়টগঞ্জের পুটিয়া এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি কাভার্ডভ্যানের পেছনে ধাক্কা দেয়
ট্রাকটি। এ সময় ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। আশপাশে ছিটকে পড়ে ট্রাকে থাকা
গরুগুলো। ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে রাসেল নামের একজনের পরিচয় আমরা
পেয়েছি। তিনি গরু ব্যবসায়ী। অন্যজনের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে। এ দুর্ঘটনায় দুটি গরু
মারা গেছে। আরও ১৫টি গরু স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে
আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজা’সহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন দূর্গাপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে শান্ত ইসলাম ও খোকন মিয়া নামের ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন শরিয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার গোলমাইজ গ্রামের মৃত নাছির মল্লিক এর ছেলে শান্ত ইসলাম এবং কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শরিফপুর গামের মৃত আশরাফ মিয়া এর ছেলে খোকন মিয়া।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৮৬ বোতল ফেন্সিডিল ও এক
বোতল বিদেশী মদ’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩১ অক্টোবর রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ বাবু এবং ২। তাইজুল ইসলাম
নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১৮৬ বোতল ফেন্সিডিল, এক বোতল বিদেশী মদ ও মাদক পরিবহণের
কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেঅ: ১। মোঃ বাবু (২৪) গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার তালিয়া
গ্রামের মৃত হযরত আলী এর ছেলে এবং ২। তাইজুল ইসলাম (৩৮) একই গ্রামের মৃত হোসেন মিয়া
এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও বিদেশী মদ সংগ্রহ করে মিনি ট্রাক যোগে দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক - মজিবুর রহমান পাবেল
কুমিল্লার সুযোগ্য
জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আমিরুল কায়সার সম্পর্কে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন
সাংবাদিক এরশাদ রানা। নিজের ব্যক্তিগত কাজে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে তিনি
দেখেছেন প্রশাসনিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব, যা কুমিল্লার ২৩৫ বছরের সমৃদ্ধ
ইতিহাসের অংশ।
এরশাদ রানা তার ফেসবুক
পোস্টে উল্লেখ করেছেন, শতাধিক জেলা প্রশাসকের পদচিহ্ন থাকলেও মোঃ আমিরুল কায়সার
ছিলেন ব্যতিক্রমী এক ব্যক্তি— অহংকারহীন, ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে দূরে এবং অত্যন্ত বিনয়ী।
ব্যস্ততার মাঝেও তিনি ধৈর্যসহকারে সাংবাদিকের কথা শুনেছেন এবং তাৎক্ষণিক
সুপারিশসহ আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সরাসরি
আবেদনপত্রটি পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন, যা তার প্রশাসনিক দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার
পরিচয় বহন করে।
সাংবাদিক এরশাদ রানা বলেন, "এই প্রথমবারের মতো কুমিল্লার জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ে এতটা বিনয়ী ও মানবিক ডিসি দেখলাম।" তার এই মন্তব্য থেকে
বোঝা যায়, জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে জেলা প্রশাসক কতটা আন্তরিক।
জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল ও মানবিক প্রশাসনের এমন উদাহরণ নিঃসন্দেহে
প্রশংসনীয়। তবে তিনি কতদিন কুমিল্লায় জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকবেন, তা অজানা।
তবে যতদিন থাকবেন, কুমিল্লাবাসীর জন্য তা সৌভাগ্যের বিষয় হবে।
মন্তব্য করুন