

কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশের অভিযানে ৫ জন নিহত হওয়া রিলাক্স পরিবহনের পলাতক ড্রাইভারকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ মে) রাত ২টা ৪৫ মিনিটে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম এর নির্দেশনা মোতাবেক মিয়াবাজার হাইওয়ে থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রিলাক্স পরিবহনের পলাতক ড্রাইভার তারেক হোসেনকে তার নিজ বাড়ী লক্ষীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: লক্ষীপুর জেলার
লক্ষীপুর সদর থানাধীন
পশ্চিম লক্ষীপুর এলাকার
তারেক হোসেন (৩৩)।
উল্লেখ্য, রিলাক্স পরিবহনটি গত ১৭ মে ২০২৪ তারিখ রাত অনুমান ১২ টা ৪০ মিনিটে ঢাকার আরামবাগ হতে চট্রগ্রাম জেলার উদ্দেশ্য রওনা করে। সকাল অনুমান ৬ টায় কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোডে হোটেল শাহজাহানে রিলাক্স পরিবহন বাসটি ২০/২৫ মিনিটের যাত্রা বিরতির পর চট্রগ্রাম জেলার উদ্দেশ্য পুনরায় রওনা করে এবং মিয়াবাজার হাইওয়ে থানাধীন চৌদ্দগ্রাম এর বসন্তপুর নামক স্থানে রিলাক্স পরিবহন (যার রেজিষ্ট্রেশন নং যশোর-ব-১১-০২৫১) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাম পাশে বাশঝাড়ে নামিয়ে দিলে গাড়িটি বাম দিকে কাত হয়ে পড়ে এবং গাড়ির নিচে চাপা পড়ে গাড়িতে থাকা ১ জন সুপারভাইজার ১ জন হেলপার সহ সর্বমোট ৫ জন নিহত হয়। রিলাক্স পরিবহন বাসটি চট্রগ্রামে পৌছানোর সময় ছিল সকাল ৭টার মধ্যে। নিহত ৫ জনের নাম ঠিকানা হল- ১। বদরুল হাসান (২৬), পিতা- নুরুল আবছার, থানা- বাঁশখালী, চট্রগ্রাম ২। নাছির উদ্দিন পলাশ (৪০), পিতা- মৃত- মোখলেছুর রহমান, সাং শাহাপুর থানা- চাটখিল, নোয়াখালী ৩। মোহাম্মদ হোসেন,পিতা মৃত- মতিউর রহমান, সাং- কচু বুনিয়া থানা- টেকনাগ কক্সবাজার ৪। আবু তাহের খোকন (হেলপার), পিতা- লাল মিয়া, সাং- পশ্চিম লক্ষীপুর পোস্ট- দালাল বাজার থানা - জেলা- লক্ষীপুর ৫। মাদুদ (২১) (সুপারভাইজার) পিতা- সুলতান মিয়া সাং- চন্ডি মন্ডপ, পোস্ট- ছেচুয়া বাজার থানা - মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ।
এ ব্যাপারে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে লক্ষ্যে আসামী রিলাক্স পরিবহনের ড্রাইভার তারেক হোসেন (৩৩)কে হাইওয়ে পুলিশ ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় আজ মোবাইল
কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার
(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা। তাকে সহায়তা করেন চৌদ্দগ্রাম
থানা পুলিশের একটি টিম।
মোবাইল কোর্টের আওতায় মিয়া বাজার এলাকার
চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- গ্রামীণ রেস্তোরাঁ এন্ড সুইটস,
ঈশিতা সুইটস এন্ড কনফেকশনারি, আফতাব সুইটস এন্ড কনফেকশনারি এবং হীরা সুইটস এন্ড কনফেকশনারি।
অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিএসটিআই লাইসেন্স,
সঠিক ওজন-পরিমাপ, মূল্য তালিকা এবং খাদ্যসামগ্রীর গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ
উল্লেখ রয়েছে কিনা তা যাচাই করা হয়।
এ সময় দেখা যায়, তিনটি প্রতিষ্ঠানে (গ্রামীণ, ঈশিতা ও হীরা সুইটস) বিএসটিআই লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও মিষ্টি ও দই জাতীয় খাদ্যপণ্য প্রস্তুত ও বিক্রি করা হচ্ছে।
আফতাব সুইটসে টোস্ট ও ব্রেডের জন্য
বিএসটিআই অনুমোদন থাকলেও মিষ্টিজাত পণ্যের জন্য কোনো লাইসেন্স নেই।
কোনো প্রতিষ্ঠানেই ওজন-পরিমাপ যন্ত্রের
ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট নেই। মিষ্টিজাত দ্রব্যসামগ্রীর মোড়কে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের
তারিখ অনুপস্থিত।
উল্লেখিত অপরাধসমূহের প্রেক্ষিতে মোবাইল
কোর্ট আইন, ২০০৯ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অভিযুক্ত চারটি প্রতিষ্ঠানকে
মোট ২৮,০০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা আদায় করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে
এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


জেলা তথ্য অফিস, কুমিল্লার আয়োজনে মঙ্গলবার দাউদকান্দি উপজেলার দাউদকান্দি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ)’র আওতায় স্মার্ট বাংলাদেশ ও ভিশন: ২০৪১, সরকারের অর্জিত সাফল্য ও উন্নয়ন পরিকল্পনা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের গুরুত্ব এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধ, মাদক, গুজব, সাম্প্রদায়িকতা, অপপ্রচার,অপরাজনীতি এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ বিষয়ে নারী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সিনিয়র তথ্য অফিসার নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,দাউদকান্দি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: আহসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাকটর উম্মে কুলসুম, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাইদা সুলতানা, দাউদকান্দি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুল কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন ও দাউদকান্দি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মেছবাহ উদ্দিন সরকার। নারী সমাবেশের পূর্বে চলচ্চিত্র প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তাগন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মান করতে সক্ষম হয়েছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল আপনারা পাচ্ছেন। এখন স্কুল-কলেজে ভর্তির জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম যেতে হয় না। বাড়িতে বসে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। মোবাইল এ্যাপসের মাধ্যমে বিদেশ থেকে টাকা চলে আসে, স্কুলে উপবৃত্তির টাকা মোবাইলে চলে আসে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নারী সমাজের ভূমিকা অপরিসীম, শিক্ষার ক্ষেত্রেও নারীর ভূমিকা অপরিসীম। অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে গুজব, সাম্প্রদায়িকতা, অপরাজনীতি, অপপ্রচারকে প্রতিরোধ করতে হবে। উন্নত রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলন ও বিনা মূল্যে বই বিতরণসহ শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের উপযোগী মানুষ হিসেবে সন্তানদের গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। বক্তাগন মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ এর প্রতি জিরো টলারেন্সের কথা উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মানুষকে এই অপারাধ গুলির বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে মিনি পিকআপে
করে মাদক পরিবহনকালে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ পাঁচজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১
সিপিসি-২।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন
চান্দিনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে
মিনি পিকআপের পিছনে মাছ রাখার ড্রামের মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। মোঃ
দিপু , ২। কামরুল ইসলাম , ৩। মোঃ ছুটন মিয়া , ৪। শিপন এবং ৫। মোঃ মাহফুজ নামের পাঁচজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ৪৮ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ
কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ দিপু
(২৭) বি.বাড়িয়া জেলার কসবা থানার কাইয়ুমপুর গ্রামের আইয়ুব খান এর ছেলে; ২। কামরুল ইসলাম
(৩০) কুলনা পাথর গ্রামের মৃত জামাল হোসেন এর ছেলে; ৩। মোঃ ছুটন মিয়া (৩০) কামালপুর
গ্রামের মৃত মকবুল হোসেন এর ছেলে; ৪। শিপন (৩০) নোয়াগাঁ গ্রামের টুনু মিয়া এর ছেলে
এবং ৫। মোঃ মাহফুজ (২৪) কামালপুর গ্রামের বাছির মিয়া এর ছেলে।
র্যাব
জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে কুমিল্লা সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন
অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক
অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে
র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক মামলায় তিতাস গ্যাসের পিয়ন (অফিস সহায়ক) জহিরুল ইসলামের ৩ স্ত্রীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রায় এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
গতকাল রোববার (৭ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বেগম শামসুন্নাহার ৩টি মামলায় জহিরুলের ৩ স্ত্রীর বিরুদ্ধে এ রায় দেন।
অবৈধ সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগে ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ঢাকার অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের ৩ স্ত্রীকে এই সাজা দেওয়া হয়। তবে ৩ স্ত্রীর সাজা হলেও স্বামী জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সকল মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয় তাকে।
অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আনন্দপুর গ্রামে। স্ত্রীদের সঙ্গে প্রতিটি মামলাতেই দ্বিতীয় আসামি হিসেবে নাম ছিল জহিরুলের। রায় ঘোষণার সময় জহিরুল ও তার ৩ স্ত্রী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত ৩ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক ফজলুল হক।
দুদক কুমিল্লা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৯ ফ্রেব্রুয়ারি দায়েরকৃত পৃথক ৩টি মামলায় সেলিনা আক্তার, আকলিমা আক্তার ও আসমা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ তদন্তপূর্বক মামলার বাদী ছিলেন, দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আক্তারুজ্জামান।
দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক ফজলুল হক জানান, স্থাবর, অস্থাবর অবৈধ সম্পত্তি অর্জনের দায়ে তিতাস গ্যাসের ঢাকা অফিসের অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী সেলিনা আক্তারকে ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং ১২ লাখ ১২ হাজার ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। দ্বিতীয় স্ত্রী আকলিমা আক্তারকে ৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩৪ লাখ ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তৃতীয় স্ত্রী আছমা আক্তারকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫১ লাখ ৯৯ হাজার ৮০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। অর্থদণ্ডের টাকা রাষ্ট্রের কোষাগারে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মন্তব্য করুন


মো: মিজানুর রহমান মিনু :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে চুরির ২৪ ঘন্টার মধ্যে চোরাইকৃত ক্যাবল ও চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ২ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো; ঘোলপাশা ইউনিয়নের ঈশানচন্দ্রনগর গ্রামের নোয়াব মিয়ার ছেলে মোঃ রাশেদ ও গুণবতী ইউনিয়নের গদানগর গ্রামের ছালেহ আহাম্মদের ছেলে মোঃ শাহজাহান।
শুক্রবার বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় অবস্থিত নিপ্রো জেএমআই ফার্মা লিমিটেডের ভাউন্ডারী দেয়ালের ভিতর থেকে বৃহস্পতিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা চোর চক্রের সদস্যরা ফ্যাক্টরির নির্মানাধীন নতুন ভবনের বিদ্যুৎ লাইনের কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ ইলেক্ট্রিক ক্যাবল চুরি করে নিয়ে যায়। এরপর ফ্যাক্টরির ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম বাদি হয়ে থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপ-পরিদর্শক ছাইদুল ইসলাম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় শুক্রবার ভোরে হাড়িসর্দার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা চোরচক্রের সদস্য রাশেদ ও শাহজাহানকে আটক করে। এ সময় চোরাই যাওয়া ৩৬ মিটার ক্যাবল ও চোরাইকাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশা জব্দ করে পুলিশ।
চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, চোরাই ক্যাবল ও একটি অটোরিকশাসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ২ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক - মজিবুর রহমান পাবেল
কুমিল্লার সুযোগ্য
জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আমিরুল কায়সার সম্পর্কে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন
সাংবাদিক এরশাদ রানা। নিজের ব্যক্তিগত কাজে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে তিনি
দেখেছেন প্রশাসনিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব, যা কুমিল্লার ২৩৫ বছরের সমৃদ্ধ
ইতিহাসের অংশ।
এরশাদ রানা তার ফেসবুক
পোস্টে উল্লেখ করেছেন, শতাধিক জেলা প্রশাসকের পদচিহ্ন থাকলেও মোঃ আমিরুল কায়সার
ছিলেন ব্যতিক্রমী এক ব্যক্তি— অহংকারহীন, ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে দূরে এবং অত্যন্ত বিনয়ী।
ব্যস্ততার মাঝেও তিনি ধৈর্যসহকারে সাংবাদিকের কথা শুনেছেন এবং তাৎক্ষণিক
সুপারিশসহ আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সরাসরি
আবেদনপত্রটি পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন, যা তার প্রশাসনিক দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার
পরিচয় বহন করে।
সাংবাদিক এরশাদ রানা বলেন, "এই প্রথমবারের মতো কুমিল্লার জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ে এতটা বিনয়ী ও মানবিক ডিসি দেখলাম।" তার এই মন্তব্য থেকে
বোঝা যায়, জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে জেলা প্রশাসক কতটা আন্তরিক।
জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল ও মানবিক প্রশাসনের এমন উদাহরণ নিঃসন্দেহে
প্রশংসনীয়। তবে তিনি কতদিন কুমিল্লায় জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকবেন, তা অজানা।
তবে যতদিন থাকবেন, কুমিল্লাবাসীর জন্য তা সৌভাগ্যের বিষয় হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অস্ত্রসহ একজন অস্ত্রধারীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন শামুকসার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ শাকিল আহমেদ নামক ১
জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে একটি এলজি গান উদ্ধার
করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ শাকিল আহমেদ
(২২) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার মানিকপুর গ্রামের আব্দুল মন্নান এর ছেলে।
র্যাব জানান, আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে
জানায় সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী
কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার (২৩) মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনায় থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে ফারিহার বাবা মো. হানিফ বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগ এনে ৫ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। এতে ফারিহার স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়, বাবা আবদুর রহিম, মা আফরোজা বেগম, ননদ রীমা আক্তার ও তার স্বামী জাকারিয়াসহ ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার। তিনি বলেন, ফারিয়ার বাবার অভিযোগ আপাতত আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে হত্যার আলামত আসলে তখন বিধি মোতাবেক মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত হবে।
ওসি জানান, ঘটনার পর থেকে ফারিহার স্বামীসহ অন্যরা পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করতে পারলে ঘটনার রহস্যের জট খুলবে। পুলিশের অভিযান চলছে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ফারিহা ও হৃদয় একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক হয়। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার আবদুর রহিমের ছেলে মেহেদী হাসান হৃদয়ের সাথে ১৫ লাখ টাকার দেনমোহরে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিবাহের পর থেকে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে। ফারিহা তার স্কুলশিক্ষক বাবার নিকট থেকে টাকা এনে দিতে না পারায় পরিবারে আরও কলহ দেখা দেয়। এ নিয়ে একাধিকবার তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফারিহার বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে আসামিরা হত্যার পর সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়ে ৯৯৯-এ কল করে পুলিশ ডেকে আনে। থানায় মরদেহ নেওয়ার পর আমাদের জানানো হয় ফারিয়া আত্মহত্যা করেছে। তিনি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানান।
এদিকে মেয়ে হারানোর শোকে এখনও আহাজারি করছেন ফারিহার মা। তাদের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, মেয়েকে হারিয়ে এখনো অনবরত কান্না করছেন তিনি।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি (মুন্সেফবাড়ি) এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামের একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ফারিহার মরদেহ উদ্ধার করে। ফারিহা কুমিল্লা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ডিআর সরকারী
উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থীর জন্য নকল সরবরাহ করতে যাওয়ায় ৩ যুবককে
আটক করে ২ বছরের কারাদন্ডসহ অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মুরাদনগর উপজেলার
ভারপ্রাপ্ত নিবার্হী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরিন সুলতানা নিপা ভ্রাম্যমান
আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড প্রদান করেন।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলো: মুরাদনগর উপজেলার
মুরাদনগর সদরের মঙ্গল মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া, ফরিদ উদ্দিনের ছেলে কাউছার ও আবদুল মালেক
মিয়ার ছেলে রিমন মিয়া।
জানা যায়, আজ রোববার এসএসসির গনিত বিষয়ের
পরীক্ষা চলাকালে ডি.আর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে সমাধান
শেষে নকলের কপি পরীক্ষা কেন্দ্রে দিতে গিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে আটক হয় ওই ৩ যুবক। তাদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্র ও নকলের কপি উদ্ধার
করে পাবলিক পরীক্ষা অপরাধ আইনে প্রত্যেককে ২ বছরের কারাদন্ড ও ১০০টাকা অর্থদন্ড প্রদান করে কুমিল্লা
কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ
ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন সুলতানা নিপা জানান, চলমান এসএসসি পরীক্ষাসহ সকল পাবলিক পরীক্ষা
নকলমুক্তভাবে গ্রহন করতে প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে। নকলমুক্ত শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। নকলের
বিরুদ্ধে আমাদের এ অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


আগামী ২৫ ও ২৬ শে অক্টোবর ২০২৪ এ "অল বাংলাদেশ উন্মুক্ত কারাতে
প্রতিযোগিতা ২০২৪" এবং "৫ম আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতা ২০২৪" অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উক্ত প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ
করবেন কুমিল্লা সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র মোফাজ্জাল মাহিন চৌধুরী। টানা ৬বার
জাতীয় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত এই খেলোয়াড়টি এবার -৫৫ ওজন শ্রেণীতে খেলবেন কুমিল্লা সরকারি
কলেজের হয়ে।
মন্তব্য করুন