

মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে আনা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস ও আতশবাজিসহ একটি মিনি পিকআপ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ভোরে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার যশপুর সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিয়মিত চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার রাত ও রোববার সকালে দুটি ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের এক পর্যায়ে যশপুর বিওপির একটি টহল দল সীমান্তের প্রায় ২৫০ গজ ভেতরে মুড়াপাড়া এলাকায় একটি পরিত্যক্ত মিনি পিকআপ জব্দ করে। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিস উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া একই সীমান্ত এলাকার পাহাড়পুর নামক স্থানে সীমান্তের প্রায় ১০০ গজ ভেতরে পরিচালিত আরেকটি অভিযানে বড় ধরনের ভারতীয় আতশবাজির চালান জব্দ করা হয়।
বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, জব্দকৃত মিনি পিকআপসহ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস ও আতশবাজির আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) জানায়, জব্দকৃত মালামাল প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও অবৈধ কার্যক্রম রোধে বিজিবির অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রীর
রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের
উদ্দেশে বলেছেন, ‘মুরুব্বিরা শিক্ষা দেয়- মিথ্যা বলা মহাপাপ। সুতরাং মিথ্যা বলো না।’
তিনি
বলেন, ‘কারো নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তার বদনাম করা বড় পাপ। এই পাপ থেকে দয়া করে নিজে
দূরে থাকুন এবং আমাদেরকেও দূরে রাখুন।’
শুক্রবার
(৬ মার্চ) বিকেলে রমনা থানা বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল মাঠে
প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া ও ইফতার
মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রমনা
থানা বিএনপির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামীম হোসেনের
সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মহানগর ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা
আব্বাস বলেন, ‘আমার এলাকায় নির্বাচনে ভোট কারচুপি না হলে ওরা এত ভোট পেতে পারে না।
ঢাকা-৮ আসনের একটি ওয়ার্ডে আপনার কোন আত্মীয় আছে যে আপনাকে ভোট দিয়েছে, তা বলতে পারবেন
না। আর আমি মির্জা আব্বাস নাম ধরে বলে দেবো কারা কারা আমাকে ভোট দিয়েছে।’
তিনি
বলেন, ‘আমরা রাতের বেলায় কয়েকটি স্কুলে ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে ভোট রক্ষা করেছি। তা
না হলে সব কেন্দ্র সিল মেরে নিয়ে যেতেন। অদ্ভুত কায়দায় ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন।
চাপিয়ে দিচ্ছেন বিএনপির ওপরে।’
মির্জা
আব্বাস বলেন, ‘আমার এলাকায় হারার ইতিহাস নেই। আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচন হয়নি, সেটি
সবাই জানে। আমি কোন জায়গায় কত ভোট পেলাম, সেটি আপনাদের দেখার বিষয় নয়। এ এলাকায় আমার
বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন আছে। সুতরাং আমার ভোটের অভাব নেই।’
তিনি
বলেন, ‘আমার কথা হলো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং না করে আপনারা এত ভোট কীভাবে পেলেন? সেটি
আজ জাতির সামনে আমার প্রশ্ন। আমি প্রমাণ করতে পারব আপনারা কারচুপি করেছেন।’
মন্তব্য করুন


সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শোক বার্তায় তিনি বলেন, জাতি একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় রাজনীতিবিদকে হারালো।
আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান- জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।
বার্তায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি শোক জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। চিকিৎসক ও জনসেবক হিসেবে বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সুদীর্ঘ ও বহুল সম্মানিত কর্মজীবনের কথা স্মরণ করেন তিনি।
ডা. বদরুদ্দোজা দেশের একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক হিসেবে সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্যের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিটিভিতে তার ‘আমার ডাক্তার’ অনুষ্ঠানটি কোটি দর্শকের কাছে জনপ্রিয় ছিল।
‘রাজনীতিতেও একই নিষ্ঠা নিয়ে এসেছিলেন ডা. বদরুদ্দোজা। পাঁচবারের সংসদ সদস্য হিসেবে নব্বইয়ের দশকে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। সংসদে তার বক্তব্য সব মতের রাজনীতিবিদদের কাছে প্রশংসনীয় ছিল,’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন।
ডা. বদরুদ্দোজা প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী হিসেবে দেশের সেবা করেছেন। তিনি তার উদারতার জন্য সুপরিচিত ছিলেন।
ডা. বদরুদ্দোজার জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে সবাইকে জনগণ ও গণতন্ত্রের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানান, নির্বাচনী নিরাপত্তায় মোট ৪২৮টি ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়—সে লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ডসহ স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।
তিনি জানান, প্রথম ধাপে বর্তমানে যেসব বাহিনী মাঠে রয়েছে, তাদের মোতায়েন বহাল থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা সাত দিন দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় পুলিশ ও আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র্যাবের সমন্বয়ে একটি আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। এই সেলে প্রতিটি বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
নির্বাচন উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য, নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমান বাহিনীর তিন হাজার ৭৩০ জন (এর মধ্যে স্থলভাগে এক হাজার ২৫০ জন), পুলিশের এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্টগার্ডের তিন হাজার ৫৮৫ জন, র্যাবের সাত হাজার ৭০০ জন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ হাজার ৩৯০ জনসহ মোট আট লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজার বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি এবারের নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী সেনাবাহিনী ২০০টি, নৌবাহিনী ১৬টি, বিজিবি ১০০টি, পুলিশ ৫০টি, কোস্টগার্ড ২০টি, র্যাব ১৬টি এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ১৬টি ড্রোন ব্যবহার করবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বাহিনীর ডগ স্কোয়াডও মাঠে থাকবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে—এমন যে কোনো দুষ্কৃতিকারী কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে। যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করবে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে প্রভাবিত করার যেকোনো অপচেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকার শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকাসহ দেশের চারটি জেলায় সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে মাঠে নেমেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ঢাকা ছাড়াও গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক দায়িত্ব পালন করছে বাহিনীটি।
আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে বিজিবির টহল দল কাজ করছে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের চলমান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধেই এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গত এক সপ্তাহ ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার মতো নাশকতামূলক ঘটনা ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশ, র্যাবের পাশাপাশি বিজিবিও মাঠে রয়েছে, যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ছিল গত ১৩ নভেম্বর। ওই দিনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ‘লকডাউন’কর্মসূচি ঘোষণা করলে ৭ নভেম্বর রাত থেকে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা শুরু হয়।
এ মামলার রায় ঘোষণার নতুন তারিখ হিসেবে আগামী সোমবার (১৭ নভেম্বর) নির্ধারণ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১। রায়কে কেন্দ্র করে পুরো রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরগুলোতে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আজ রোববার থেকে
সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামছে।
ভোটের
আগে চারদিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুইদিনসহ মোট সাতদিন তারা দায়িত্ব পালন করবে। এ
হিসেবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে।
নির্বাচন
কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বাসস’কে জানান, রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে। সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে আছে, তবে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে
মোতায়েন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ভোটের চারদিন আগে, ভোটের দিন ও পরবর্তী দুইদিন মিলিয়ে
মোট সাতদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান তিনি।
ভোটের
পরিবেশ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা
মনেকরি নির্বাচনের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভালো আছে।’
নির্বাচনের
প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ব্যালট বাক্স জেলায়
জেলায় পাঠানো হচ্ছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেগুলো গ্রহণ করছেন। সংশ্লিষ্ট সবাই এখন
ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।’
এ
বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী সাতদিন দায়িত্ব
পালন করবে এবং আনসার বাহিনী থাকবে আটদিন। পুলিশ ও সেনাবাহিনী অলরেডি মাঠে রয়েছে।
ইসি
সচিব জানান, ১ হাজার ৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোতায়েন
(ডেপ্লয়েড) থাকবেন। মূলত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য তাদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি
এ সময় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদেরও মাঠে রাখা হবে। এছাড়া ইলেক্টোরাল এনকোয়ারি অ্যান্ড
এডজুডিকেশন কমিটি ইতোমধ্যে মাঠে কাজ করছে।
ইসি
সচিব আরও জানান, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণা ভোট গ্রহণের
৪৮ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় বন্ধ হবে।
এর
আগে গত ২২ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি
বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুষ্কৃতকারীদের ব্যালট ছিনতাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। অতীতের
নির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন করে অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করলেও
এবার প্রথমবারের মতো প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কমপক্ষে পাঁচজন অস্ত্রধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে দুইজন অস্ত্রধারী পুলিশ ও তিনজন অস্ত্রধারী আনসার সদস্য
থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে তিনজন অস্ত্রধারী পুলিশসহ মোট ছয়জন অস্ত্রধারী
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া,
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অস্ত্রবিহীন (লাঠিসহ) ১০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে, যাদের
মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও চারজন নারী।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ‘এবারের জাতীয় নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অবাধ, স্বচ্ছ,
নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন, যা একটি রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে।’
এজন্য
নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের শতভাগ সততা, নিরপেক্ষতা
ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনসিসি, গার্লস গাইড ও স্কাউট সদস্যরাও
নির্বাচনে সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশজুড়ে দুই ধাপে
বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রথম ধাপে যারা বর্তমানে মোতায়েন আছেন, তারা দায়িত্বে থাকবেন।
দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যরা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাতদিন দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের
(ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর
অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়।
পুলিশ
সংস্কার, নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা,
দুর্নীতি দমন কৌশল ও বাণিজ্য সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়ে এসময় বিস্তারিত আলোচনা হয় ৷
সাক্ষাতের
শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার নতুন দায়িত্ব
গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি বলেন,
"ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের একটি পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন অংশীদার। বর্তমান
সরকারের মেয়াদে আমরা দুই পক্ষের বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদার ও প্রসারিত করতে চাই।"
পুলিশ
সংস্কারের বিষয়ে আলোচনাকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকার একটি 'পুলিশ কমিশন' গঠনের
পরিকল্পনা করছে। এক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রয়োজনীয় পরামর্শক সেবা দিয়ে সহায়তা
করতে পারে। রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়ে জানান, ইইউ বাংলাদেশ পুলিশের প্রশিক্ষণ,
দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বাহিনীকে পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নে সহযোগিতা
করতে আগ্রহী।
বিচার
বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের
দেশগুলোর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারে। এর প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত
করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।"
দুর্নীতি
দমনে ইইউ-র ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে মাইকেল মিলার বলেন, বাংলাদেশের একটি সুনির্দিষ্ট
ও শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কৌশল থাকা প্রয়োজন। ইইউ এক্ষেত্রে সব ধরনের কারিগরি ও কৌশলগত
সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। মন্ত্রী এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার
সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
বৈঠকে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ,
রাজনৈতিক-১ শাখার যুগ্ম সচিব রেবেকা খান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রোববার (২৮ জানুয়ারি) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের রশিদপুর দুই নম্বর কূপে ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস স্তরের সন্ধান পাওয়া গেছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, কূপে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে আপার স্যান্ড টপ জোনে টেস্টিং করে গ্যাস স্তরের সন্ধান পাওয়া যায়। আর এখান থেকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে দৈনিক ৮০ লাখ ঘনফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
গ্যাসের বর্তমান গড় মূল্য বিবেচনায় এ স্তরে উত্তোলনযোগ্য ১৫৭ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মূল্য ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর আগে সিলেটের হরিপুর এলাকায় ১০ নম্বর কূপ থেকে চার স্তরের তেল গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন । চার স্তরের মধ্যে একটি স্তরে সম্পূর্ণ তেলের খনি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের গভীর অরণ্যে এক সাত বছর বয়সী শিশুকে গলা
কেটে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ মার্চ) দুপুরে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু
অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করেন স্থানীয় শ্রমিকরা। বর্তমানে সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ
(চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর ২টার দিকে ইকোপার্কের প্রায় ৫ কিলোমিটার গভীরে
সড়ক উন্নয়নের কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। এ সময় একটি স্কেভেটর চালক দেখতে পান, জঙ্গল থেকে
টলমল পায়ে রক্তাক্ত অবস্থায় একটি শিশু রাস্তার দিকে এগিয়ে আসছে। শিশুটির শ্বাসনালী
কাটা ছিল এবং পরনের কাপড় রক্তে ভেজা থাকলেও দেহের নিচের অংশে কোনো পোশাক ছিল না।
উদ্ধারকারী
যুবক রবিউল হাসান ও আরিফুল ইসলাম রনি জানান, শিশুটির অবস্থা দেখে তারা দ্রুত গলার কাটা
অংশ কাপড় দিয়ে বেঁধে একটি ট্রাকে করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সীতাকুণ্ড
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাব হোসেন এবং ডা. ইসরাত জাহান
মুহুয়া জানান, শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তার শ্বাসনালী কেটে যাওয়ায় সে কথা
বলতে পারছে না। তবে প্রাথমিক আলামত ও পোশাকের অবস্থা দেখে ধারণা করছি, সে নৃশংস ধর্ষণের
শিকার হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জরুরি ভিত্তিতে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সীতাকুণ্ড
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন ও ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, মেয়েটিকে
কুমিরা থেকে ফুসলিয়ে ইকোপার্কে নিয়ে আসা হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণের পর তাকে
মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায় অপরাধীরা।
চিকিৎসকের
বরাত দিয়ে সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, শিশুটির
গলা কেটে তাকে কেউ হত্যা করতে চেয়েছিল। কেউ তাকে ইকোপার্কে বেড়ানোর কথা বলে এনে গলা
কেটে হত্যার চেষ্টা করে হয়তো মৃত ভেবে ফেলে যায়। হাসপাতালে আনার পর মেয়েটি অনেক কষ্টে
তার নাম পরিচয় জানিয়েছে। পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৯০ হাজার সেনাসদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আড়াই হাজারেরও বেশি নৌবাহিনীর সদস্য এবং বিমানবাহিনীর একটি অংশ নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবে। প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি কোম্পানি সেনা সদস্য অবস্থান করবে বলে জানা গেছে।
গত শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিন বাহিনীর প্রধানরা নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা “ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে” অবহিত করেন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা তিন বাহিনীর প্রধানদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—দেশের জনগণ যেন নির্ভয়ে ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারে।”
বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সামরিক বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে “ড. ইউনূস” বলেন, গত ১৫ মাসে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নিষ্ঠা ও পরিশ্রম দেখিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়।
এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানরা আগামী ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আয়োজন উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টাকে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল “ওয়াকার-উজ-জামান”, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দোষারোপের রাজনীতিতে মানুষের পেট ভরে না। মানুষের পাশে
গিয়ে দাঁড়ানো সব থেকে বড় রাজনীতি। রাজনীতি হওয়া উচিত দেশের মানুষের জন্য। আমরা অতীতে
দেখেছি মঞ্চে দাঁড়িয়ে এক রাজনৈতিক দল অন্যদলের বিভিন্ন কাজের সমালোচনা করছে, দোষারোপ
করছে। বহুবছর ধরে রাজনীতির এই ধারাবাহিকতা চলে আসছে। তবে, একটি পরিবর্তন প্রয়োজন- বিএনপি
সেই পরিবর্তনের শুরুটা করেছে।
সোমবার
(১৯ জানুয়ারি) দুপুরে যশোরের আলোচিত শিশু আফিয়ার পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে
ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। যশোর সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামে এই
আয়োজন করে যশোর জেলা বিএনপি।
তারেক
রহমান বলেন, আফিয়ার মতো দেশে এমন অসংখ্য অসহায় পরিবার আছে। বিএনপি প্রচলিত রাজনীতির
বাইরে এমন আফিয়াদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা সব সময় করে আসছে। তবে, শুধু একটি রাজনৈতিক
দল হিসেবে এই বিশাল দায়িত্ব বহন করা বিএনপির জন্য অত্যন্ত কঠিন। সেজন্য আমরা বলেছি,
বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন পেলে আগামীতে সরকার গঠন করতে পারলে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের
মাধ্যমে এই সেবাগুলো নিশ্চিত করব।
তিনি
বলেন, কৃষকদের জন্য আমরা কৃষিকার্ডের কথা বলেছি। শহরাঞ্চল থেকে শুরু করে গ্রামের প্রত্যন্ত
মানুষের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের জন্য এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কথা বলেছি।
ভারি
বর্ষণ কিংবা সীমান্তের ওপার থেকে পানি ছেড়ে দিলে বাংলাদেশের অনেক অঞ্চল প্লাবিত হয়।
এজন্য শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খনন প্রকল্প ফের চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে
তারেক রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কিংবা প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম জিয়া সবসময়ই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে কাজ করেছেন। আমিও সেই ধারা
অব্যাহত রাখতে চাই। এজন্য বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে আবারও খাল খনন প্রকল্প শুরু
করা হবে। বেগম জিয়া নারীদের শিক্ষার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন তার সুফল ইতোমধ্যে বাংলাদেশের
নারী সমাজ পেয়েছে। সেই শিক্ষিত নারীদের আর্থিকভাবে সাবলম্বী করার জন্য আমাদের বৃহৎ
পরিকল্পনা রয়েছে।
এ
সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, বিএনপির
খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট
সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
আলোচনাপর্ব
শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে আফিয়ার পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর করেন বিএনপি নেতারা।
মন্তব্য করুন