

আজ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ চৌয়ারা বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
কুমিল্লা ডিমসহ নিত্যপণ্যের বাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা
করেন। এসময় অনিয়মের অভিযোগে চার প্রতিষ্ঠানকে ৫৯ হাজার টাকা জরিমানা করা
হয়। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট ও প্যাম্পলেট বিতরণ করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ তদারকি কার্যক্রমে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একে আজাদ ও সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


শরীফ প্রধান, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে, জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি ও চক্ষু হাসপাতাল কুমিল্লার পরিচালনায়, ফ্রেড হোলস ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বিনামূল্যে চক্ষুচিকিৎসা সেবা, লেন্স ছানি অপারেশন, চশমা প্রদান সচেতনাতা লিফলেট বিতরণ ও স্কুল আঙ্গিনায় গাছের চারা রোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুল মাঠে শুক্রুবার দিন ব্যাপী চলে এসব কার্যক্রম। চক্ষু সেবার এই মানবিক কার্যক্রমটির ১৪তম বছরের আসর বসলো এবার।
সেবাকার্যক্রমে বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট মাজেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও নির্বাহী পরিচালক এস এম মিজানের সঞ্চালনায়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কৃষি মন্ত্রনালয়ের সাবেক সচিব ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আনোয়ার ফারুক, উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতির সভাপতি এডভোকেট আ হ ম তাইফুর আলম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক আহমেদ। সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর সহনির্বাহী পরিচালক উজ্জল হোসেন রানা, প্রোগ্রাম সমন্বয়ক সাংবাদিক শরীফ প্রধান ও নাসির আহমেদ শিশু। এসময় সদস্য ময়নাল, বিল্লালসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলো।
উল্লেখ্য, দিনব্যাপী সেবা কার্যক্রমে দাউদকান্দি, চান্দিনা, মুরাদনগর, দেবিদ্বার, তিতাস ও কচুয়া উপজেলা থেকে আগত প্রায় ৬শতাধিক রুগীকে বিনামূল্য চক্ষু পরীক্ষা ও বিনামূল্যে ঔষধ প্রদান করা হয়। এছাড়াও প্রায় দেড় শতাধিক রুগীকে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন করানোর জন্য মনোনীত করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজারবাইজানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ
এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি কর্মসূচির বিনিময় বৃদ্ধির লক্ষ্যে কানেক্টিভিটি বাড়াতে
সম্মত হয়েছেন।
আজারবাইজানের
উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলনুর মাম্মাদভ আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় তিনি এই বিষয়ে সম্মত হন।
প্রধান
উপদেষ্টা ঢাকায় আজারবাইজানের দূতাবাস খোলা এবং ঢাকা ও বাকুর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর
ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আজারবাইজান একটি দূরবর্তী
দেশ।
তিনি
বলেন, দেশটিতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ‘একটি সরাসরি ফ্লাইট থাকলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
জ্বালানি খাতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে এবং আজারবাইজানি শিক্ষার্থীরাও বাংলাদেশের
টেক্সটাইল খাত থেকে শিখতে আগ্রহী হবে।’
ড.
ইউনূস আরও বলেন, ঢাকায় দূতাবাস খোলা হলে ভিসা প্রাপ্তির জটিলতাও দূর হবে।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে আপনাদের উপস্থিতি বাড়ানো আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাতে
আমাদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।
সাক্ষাৎকালে
বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি,
শিক্ষা, প্রযুক্তি, অবকাঠামো এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় নিয়ে আলোচনা হয়।
আলোচনার
সময় প্রধান উপদেষ্টা গত নভেম্বর মাসে বাকুতে অনুষ্ঠিত কপ-২৯ সম্মেলনের ফাঁকে আজারবাইজানের
প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তিনি কপ-২৯ সম্মেলন
সফলভাবে আয়োজন করার জন্য আজারবাইজান সরকারকে অভিনন্দন জানান। তিনি অনুরোধ করেন বাকুতে
অনুষ্ঠিত বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ যেন একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল
বাংলাদেশে পাঠান।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. ইউনূস আজারবাইজানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান
এবং বাংলাদেশের বিপুল মানবসম্পদ কাজে লাগানোর সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি
বলেন, আমরা আপনাদের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে সম্ভাবনাগুলো অন্বেষণ করার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
আমাদের জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি, যার অর্ধেকই তরুণ। তাই আপনি যদি এখানে কোনো শিল্প স্থাপন
করেন, শ্রমিকের কোনো ঘাটতি হবে না।
আজারবাইজানের
উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়,
কারণ দুই বছর পর ঢাকা-বাকু কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩৫ বছর পূর্তি হবে।
উপমন্ত্রী
মাম্মাদভ বলেন, আমরা আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর করতে এখানে এসেছি।
তিনি
প্রধান উপদেষ্টাকে আজারবাইজানের আসান এবং ডোস্ট মডেলের সারাংশ তুলে ধরেন, যা দুর্নীতি
হ্রাস এবং জনসেবায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়াতে কাজ করে।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. ইউনূস আসান এবং ডোস্ট সেবার ধারণার প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশে এ প্ল্যাটফর্মগুলো
প্রয়োগের সম্ভাবনা অনুসন্ধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আজারবাইজানের
উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৫ সালের জুলাই মাসে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিতব্য ইকোনমিক কো-অপারেশন
অর্গানাইজেশনের ১৭তম শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের পক্ষ
থেকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে একটি আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর উত্তর গাংচর অঞ্চলের মোগলটুলি এলাকায় ভাতিজীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৩২ বছর বয়সী যুবক কাজী মোজাম্মেল হক রিফাতকে আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। আদালত একই সাথে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেছে। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুল হান্নান এই রায় ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তিনি পরিবারের সাথে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর গাংচর প্রকাশ্যে মোগলটুলি এলাকায় বসবাস করতেন। তার মা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের কর্মচারী এবং বাবা পেশায় রংমিস্ত্রি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১০ আগস্ট, প্রতিদিনের মতো কিশোরীর বাবা-মা কর্মস্থলে চলে গেলে, একই এলাকার বাসিন্দা কে এম স্বপনের ছেলে কাজী মোজাম্মেল হক রিফাত তাদের ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনার ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে, ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
একপর্যায়ে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে, তিনি মায়ের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলেন। তার জবানবন্দির পর, ২০২০ সালের ১ অক্টোবর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই, পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রিফাতকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ তদন্তের পর, ২০২১ সালের ২৮ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক মো. হারুনুর রশিদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলায় একাধিক সাক্ষীর সাক্ষ্য, চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। অবশেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার প্রাথমিক ও ব্যবহারিক জ্ঞানের উপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন কুমিল্লার সুপরিচিত ডায়াবেটিস, হরমোন ও মেডিসিন রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাক্তার অজিত কুমার পাল।
তিনি কুমিল্লা ময়নামতি মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি কুমিল্লা ডায়াবেটিক হসপিটালের সিনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।
অধ্যাপক অজিত কুমার পাল ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বারডেম একাডেমি থেকে এন্ডোক্রিনোলজিতে এমডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ২০১৪ সালে এমআরসিপিএস (গ্লাসগো) এবং ২০২০ সালে এফআরসিপি (গ্লাসগো) এবং এফআরসিপি (এডিন) লাভ করেন।
তিনি আমেরিকান কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস (এফএসিপি) এবং ২০১৫ সালে আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজি (এফএসিই) থেকে ফেলোশিপ অর্জন করেছিলেন। ২০২৪ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে অধ্যাপক ডাঃ আব্দুস সালেক মোল্লা এবং ড. মো. আব্দুল মালেকের তত্বাবধানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি, বাংলাদেশের ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের একজন আজীবন সদস্য।
তিনি অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজিস্ট অ্যান্ড ডায়াবেটোলজিস্ট বাংলাদেশ (এসিইডিবি) এর সহ-সভাপতি। তিনি ৮৪টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং ডায়াবেটিস ও এন্ডোক্রিনোলজি সম্পর্কিত ৫০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক মৌখিক এবং পোস্টার উপস্থাপন করেছেন। রোগীদের আন্তরিক ও যাদুকরী চিকিৎসা সেবা দিয়ে বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসক কুমিল্লা সহ বৃহত্তর কুমিল্লার নানা শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
ডা. অজিত কুমার পাল বলেন, সুগার স্বল্পতা ডায়াবেটিস রোগীদের সাধারণ একটি সমস্যা। ডায়াবেটিস নীল বা সুগার স্বপ্লতা হলে অনেক জটিলতা দেখা দিতে পারে। রোগীরা যদি সচেতন থাকেন এবং এ বিষয়ে আগে থেকে ধারনা রাখে তাহলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে জটিলতা এড়ানো সম্ভব। তিনি পিএইচডি ডিগ্রী সম্পন্ন করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পাশাপাশি কুমিল্লাবাসী সহ অগনিত রোগীদের কাছে দোয়া প্রার্তনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি কুমিল্লা টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা-ফেন্সিডিল সহ একজনকে আটক করে এবং একজন পলাতক ।
ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও চান্দিনা উপজেলা নির্বাহি অফিসার নাজিয়া হোসেন এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী চান্দিনা উপজেলা ক্যাম্পের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আলতাফ হোসেনসহ ১৮ জন সেনাসদস্য, ডিএনসি কুমিল্লার সদস্যসহ পরিদর্শক মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা ২৭জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ সকাল ৫ ঘটিকায় কুমিল্লা জেলার চান্দিনা পৌরসভার মহারং গ্রামস্থ বড় বাড়িতে আসামি সোহেল রানা (৩৫) এর বসত ঘরে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে ৩০(ত্রিশ) পিস ইয়াবাসহ মাদক বিক্রির নগদ ৩০,৬০০ (ত্রিশ হাজার ছয়শ) টাকা জব্দ করে এবং আসামি সোহেল রানা(৩৫) কে গ্রেফতার করা হয়। অত:পর আসামী সোহেল রানার তথ্য মতে একই গ্রামের জিন্নত আলী বাড়ীর আসামী ইব্রাহীম খলিল (৩৬) এর বসতঘর ঘেরাও করে তল্লাশি করে ২( দুই) বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়। টাস্কফোর্স টিমের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামী পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
আসামীদের বিরুদ্ধে পরিদর্শক মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা বাদী হয়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮০ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোরে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)–এর আমানগণ্ডা বিওপির টহল দল আদর্শ গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব গাঁজা উদ্ধার করে।
১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার করা গাঁজা আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য চৌদ্দগ্রাম থানায় জমা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক।।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর জন্মভূমি কুমিল্লায় ফিরলেন লন্ডনভিত্তিক ক্রিকেট টিম ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স’-এর কর্ণধার ও প্রবাসী ক্রীড়া সংগঠক মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। বুধবার (২০ মে) বিকেলে কুমিল্লা নগরীর নিজ বাসভবনে পৌঁছালে তাকে ঘিরে তৈরি হয় এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ। নগরীর প্রবেশমুখ থেকেই মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে তাকে বরণ করে নেন তার বন্ধুমহল, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় ভাই-ব্রাদার্সরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মানুষকে ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন এলাকাবাসীও।
নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে তাকে বরণ করে নেন। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার মা মোসা. জুহরা বেগম। ছেলেকে জড়িয়ে ধরে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার ছেলে এতদিন আমার কাছে ছিল না, আমার বুক খালি ছিলো। আজ আমার ছেলেকে ফিরে পেয়ে আমি অনেক আনন্দিত।” মায়ের এমন আবেগঘন মুহূর্ত উপস্থিত সবাইকে নাড়া দেয়।
ছেলের দেশে ফেরা নিয়ে আবেগ প্রকাশ করেন তার বাবা মো. হাসানও। কুমিল্লা সিডি হাসপাতালের এই কর্মকর্তা বলেন, “দীর্ঘ ৩৬ বছর চাকরি করেছি মানুষের সেবা দিয়ে। জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট ছিলো ছেলেকে এত বছর দূরে রাখা। আজ ওকে নিজের চোখের সামনে দেখে মনে হচ্ছে জীবনের বড় একটা শূন্যতা পূরণ হয়েছে। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না।”
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি বলেন, “১৫ বছর ধরে দেশের বাইরে থাকলেও মন পড়ে ছিলো আমার প্রিয় জন্মভূমি কুমিল্লায়। এতদিন পর দেশে এসে সবাই যেভাবে আমাকে ভালোবাসা দিয়ে গ্রহণ করেছে, এতে আমি সত্যিই অভিভূত। এই ভালোবাসা আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি।”
কুমিল্লার ক্রিকেটাঙ্গন নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথাও জানান তিনি। সিহান বলেন, “আমি ক্রিকেটকে অনেক ভালোবাসি। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে পরিকল্পনা আছে। আমি চাই কুমিল্লা থেকে আরও ভালো মানের ক্রিকেটার তৈরি হোক এবং দেশের ক্রিকেটে কুমিল্লা আরও শক্ত অবস্থানে যাক।”
কুমিল্লা নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন চৌধুরীপাড়া উত্তর গাংচরের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি মোসা. জুহরা বেগম ও মো. হাসান দম্পতির দ্বিতীয় পুত্র। ২০১১ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডনে পাড়ি জমান তিনি। দীর্ঘ প্রবাসজীবনের পর বর্তমানে তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক। লন্ডনে বসবাস করলেও দেশের প্রতি ভালোবাসা ও কুমিল্লার প্রতি টান তাকে সবসময়ই নাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।
প্রবাসে থেকেও ক্রীড়াঙ্গনে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন সিহান। তিনি ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ক্রিকেট ক্লাব’-এর মালিক এবং সেন্ট্রাল লন্ডন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দেশে ফেরাকে ঘিরে কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গন ও পরিচিত মহলে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনেকেই মনে করছেন, তার এই প্রত্যাবর্তন কুমিল্লার ক্রিকেট উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
মন্তব্য করুন


গতকাল শুক্রবার ও আজ শনিবার (২৫-২৬
অক্টোবর) ৫ম আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত কারাতে প্রতিযোগিতা ২০২৪ এ কুমিল্লা সরকারি কলেজ
অংশগ্রহণ করে।
উক্ত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশসহ চারটি
দেশ অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলংকা।
উক্ত প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা সরকারি
কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র মোফাজ্জাল মাহিন চৌধুরী কুমিল্লা সরকারি কলেজের হয়ে ৪-৬
ব্যবধানে বাংলাদেশের সুনাম এবং আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক অংশগ্রহণ অর্জন করে আনে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা আন্দোলনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গুলিতে নিহত কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার ১১জন শহীদের বাড়ি বাড়ি যান কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় তিনি প্রথমে উপজেলার ভানী ইউনিয়নের সূর্যপুর গ্রামের নিহত কাদির হোসেন সোহাগের বাড়িতে যান। ওখানে সোহাগের মা ও তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। পরে গত ২০ জুলাই নারায়ণগঞ্জের চিটাগং রোডে পুলিশের গুলিতে নিহত ১০ বছরের শিশু মোঃ হোসাইন গ্রামের বাড়ি উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের বেতুয়া গ্রামে গিয়ে তার কবর জিয়ারত করেন। সেখান থেকে এক এক করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনে দেবিদ্বার উপজেলার ১১ নিহতদের বাড়িতে যান হাসনাত আবদুল্লাহ এবং তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেন।
সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহদুপুরে যান দেবিদ্বার সদরে গুলিতে নিহত সেচ্ছাসেবকদল নেতা রুবেল মিয়ার বাড়িতে। সেখানে নিহত রুবেলের নবজাতক সন্তানকে কোলে তুলে নেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দেবিদ্বারে আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারী নাজমুল হাসান নাহিদ, মুক্তাদির জারিফ সিক্ত, শরীফ আল বান্না, সাজেদুল রাসেদ রাফসান, সিয়াম ইসলাম ও ডাঃ আল আমিন সহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


রোববার ও সোমবার একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৩।
রোববার জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রধান বিচারপতির অভিপ্রায়
অনুযায়ী আপিল বিভাগে রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমানকে কুমিল্লায় বদলি করা
হয়েছে। আর আপিল বিভাগের নতুন রেজিস্ট্রার হয়েছেন রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন
দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান।
জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করে
পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদে প্রেষণে নিয়োগে তাদের
চাকরি প্রধান বিচারপতির অধীনে ন্যস্ত করা হলো।
এদিকে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক
(জেলা জজ) মুহা. হাসানুজ্জামানকে আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার পদে, নওগাঁর অতিরিক্ত
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমতিয়াজুল ইসলাম ও বাগেরহাটের অতিরিক্ত চিফ
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুস সামাদকে হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার পদে
বদলি করা হয়েছে।
সোমবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে
পরামর্শক্রমে জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করে
পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদে ও কর্মস্থলে নিয়োগ বা বদলি
করা হলো।
আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমানকে কুমিল্লার
জননিরাপত্তা অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) পদে, কুমিল্লার
জননিরাপত্তা অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) বেগম মরিয়ম মুন মুঞ্জুরীকে
রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক (জেলা জজ) পদে,
হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো.মিজানুর রহমানকে রাজশাহীর যুগ্ম জেলা জজ
পদে, রাজশাহীর যুগ্ম জেলা জজ মো. আফাজ উদ্দিনকে রংপুরের যুগ্ম জেলা জজ পদে
এবং হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো.শামীম সুফীকে আইন মন্ত্রণালয়ের
সংযুক্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন