

রোববার ও সোমবার একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৩।
রোববার জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রধান বিচারপতির অভিপ্রায়
অনুযায়ী আপিল বিভাগে রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমানকে কুমিল্লায় বদলি করা
হয়েছে। আর আপিল বিভাগের নতুন রেজিস্ট্রার হয়েছেন রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন
দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান।
জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করে
পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদে প্রেষণে নিয়োগে তাদের
চাকরি প্রধান বিচারপতির অধীনে ন্যস্ত করা হলো।
এদিকে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক
(জেলা জজ) মুহা. হাসানুজ্জামানকে আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার পদে, নওগাঁর অতিরিক্ত
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমতিয়াজুল ইসলাম ও বাগেরহাটের অতিরিক্ত চিফ
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুস সামাদকে হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার পদে
বদলি করা হয়েছে।
সোমবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে
পরামর্শক্রমে জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করে
পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদে ও কর্মস্থলে নিয়োগ বা বদলি
করা হলো।
আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমানকে কুমিল্লার
জননিরাপত্তা অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) পদে, কুমিল্লার
জননিরাপত্তা অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) বেগম মরিয়ম মুন মুঞ্জুরীকে
রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক (জেলা জজ) পদে,
হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো.মিজানুর রহমানকে রাজশাহীর যুগ্ম জেলা জজ
পদে, রাজশাহীর যুগ্ম জেলা জজ মো. আফাজ উদ্দিনকে রংপুরের যুগ্ম জেলা জজ পদে
এবং হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো.শামীম সুফীকে আইন মন্ত্রণালয়ের
সংযুক্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ রোববার
(১৬ নভেম্বর) ২য় নারী কাবাডি বিশ্বকাপ-২০২৫ এর অফিসিয়াল ট্রফি উন্মোচন করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী সব দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি
বাসভবন যমুনায় ট্রফিটি তিনি উন্মোচন করেন।
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নারী কাবাডি টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো।
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজন
করছে। টুর্নামেন্টটি ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর
স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে কেবল টুর্নামেন্ট শুরুর
বার্তা নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নারীদের ক্রীড়াচর্চার প্রচারে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান
নেতৃত্বকেও উদ্যাপন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. ইউনূস ঢাকায় বিশ্বকাপ আয়োজনের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, অনুপ্রেরণামূলক এবং বিশ্বমানের টুর্নামেন্ট নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সব দলকে তিনি স্বাগত জানান
এবং আয়োজন সফল করার জন্য আয়োজক, ক্রীড়াবিদ এবং অংশীদারদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
এ বছরের নারী কাবাডি বিশ্বকাপে বিশ্বব্যাপী ক্রীড়ানুরাগীরা
একত্রিত হচ্ছেন এবং শীর্ষ জাতীয় দলগুলো আট দিনের তীব্র প্রতিযোগিতা ছাড়াও সংস্কৃতি
বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন
যে, প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে, সরবরাহ, নিরাপত্তা, দলের থাকার ব্যবস্থা এবং দর্শকদের
অংশগ্রহণের জন্য ব্যাপক ব্যবস্থা রয়েছে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন, প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। এছাড়া নিরাপত্তা, দলগুলোর থাকার ব্যবস্থা এবং দর্শকের অংশগ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।
টুর্নামেন্টটি আনুষ্ঠানিকভাবে আগামীকাল উদ্বোধন করা
হবে এবং ২৪ নভেম্বর ফাইনাল পর্যন্ত প্রতিদিন ম্যাচ আয়োজন করা হবে।
এতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, চীনা তাইপে, জার্মানি, ইরান, ভারত, কেনিয়া, নেপাল, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং জাঞ্জিবার।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, সরকার সক্রিয়ভাবে নারী ক্রীড়াবিদদের উৎসাহিত করেছে এবং প্রতিযোগিতামূলক খেলায় তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ করেছে। নারী ক্রীড়াবিদদের সাফল্য দেশের জন্য গর্বের বিষয় এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শক্তিশালী অনুপ্রেরণা।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, রাজধানীসহ সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারি
কর্মকমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৫ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার
(৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আজ
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অতিরিক্ত দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি
বলেন, গ্রামগঞ্জে মানুষ চিকিৎসা পায় না। তাদের তাদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক
নিশ্চিত করার অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য।
সৈয়দা
রিজওয়ানা হাসান বলেন, পিএসসির মাধ্যমে ৩ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগের
প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এটার অতিরিক্ত হিসেবে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস
সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, ডেপুটি প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এবং সহকারী
প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন । শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টা ২০ মিনিটে শপথ নেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২৮ মিনিটে তিনি তার গাড়িবহর নিয়ে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
এর আগে বিএনপির নেতারা, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
তার আগে দুপুর ২টা ১১ মিনিটে ড. ইউনূসকে বহনকারী ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
এরপর বিমানবন্দরে ড. ইউনূস বলেন, আমার ওপর যদি আস্থা এবং বিশ্বাস রাখেন তাহলে এটা নিশ্চিত করতে হবে কারও ওপর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না, বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। যদি বিশৃঙ্খলা করা হয় তাহলে আমি এই দায়িত্বে থাকব না।
নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। যারা এটি করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, তারা (সমন্বয়করা) দেশকে রক্ষা করেছে।
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেন, দেশবাসী কাছে আমার ওপরে বিশ্বাস রাখেন, ভরসা রাখেন, দেশে কারও ওপর কোনো হামলা হবে না।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি করাকে স্বাভাবিক করাকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনূস বলেন, যেজন্য আন্দোলন হয়েছে সেটার ফলাফল যেন ব্যর্থ না হয়। পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। যে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ নতুন করে বিজয় পেল তা যেন পূর্ণতা পায়।
মন্তব্য করুন


আগামী রোববার
থেকে শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক
কার্যক্রম শুরু
হতে যাচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা মুহাম্মদ
ইউনূস আগামী
১৮ অগাস্ট
থেকে স্বাভাবিক
শিক্ষা কার্যক্রম
শুরু করার
নির্দেশ দিযেছেন বলে বৃহস্পতিবার
মাধ্যমিক ও
উচ্চশিক্ষা বিভাগের
এক অফিস
আদেশে জানানো
হয়।
এর আগে
গত মঙ্গলবার
প্রাথমিক ও
গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
বুধবার থেকে
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
শ্রেণি কার্যক্রম
পুরোদমে চালুর
নির্দেশনা দিয়েছিল।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারা দেশে ২১ হাজার ৯৪৬টি অতি গুরুত্বপূর্ণ
ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য ৭১ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার
টাকা বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।
আজ
মঙ্গলবার প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভা
শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার
উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম উপস্থিত ছিলেন।
আজাদ
মজুমদার বলেন, সারা দেশে প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬ হাজার ৫৫২টি কেন্দ্রে
আগে থেকেই সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতে নতুন করে ক্যামেরা স্থাপন করা
হচ্ছে। এর মধ্যে ২১ হাজার ৯৪৬টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত
করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে সিসিটিভি বসানোর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ এই বরাদ্দ
দেওয়া হয়েছে।
তিনি
জানান, বরাদ্দের আওতায় প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কমপক্ষে ছয়টি করে সিসিটিভি ক্যামেরা
স্থাপন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ তালিকার বাইরে থাকা কেন্দ্রগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন, সিটি
করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের নিজস্ব অর্থায়নে ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে সব জেলায়
এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং অনেক এলাকায় তা দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।
উপ-প্রেস
সচিব আরও জানান, কয়েকটি জেলায় প্রায় শতভাগ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।
এর মধ্যে গাজীপুর জেলা উল্লেখযোগ্য। গাজীপুরে মোট ৯৩৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৪৭টি ঝুঁকিপূর্ণ
হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের অধিকাংশে ইতিমধ্যে বিশেষ বরাদ্দের আওতায় সিসিটিভি
স্থাপন করা হয়েছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতেও আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ক্যামেরা স্থাপন সম্পন্ন
হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আজাদ
মজুমদার বলেন, সারা দেশে ২৯৯টি ভোটকেন্দ্র শনাক্ত করা হয়েছে, যেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ
নেই। এসব কেন্দ্রে সৌর বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনকে নির্দেশ
দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে জেনারেটরের মাধ্যমে হলেও ভোটের দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে
হবে।
এদিকে
ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে
ব্যবস্থাপনার বিষয়েও নিকার সভায় আলোচনা হয়েছে। ঢাকার আয়তন ও জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ায় আইনশৃঙ্খলা
রক্ষা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক
পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা যায় কি না, তা নিয়ে
আলোচনা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) উত্তর ও দক্ষিণে বিভক্ত করা হবে, নাকি একাধিক
অংশে পুনর্গঠন করা হবে—এ বিষয়ে আলোচনা হলেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত
হয়নি।
শফিকুল
আলম চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন,
ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। সেখানে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে আরও
জোরদার অভিযান চালানো হবে এবং আশপাশের এলাকায় লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে কম্বিং অপারেশন
পরিচালনা করা হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেছেন, তার সরকার
দেশে মানবাধিকার এবং
বাকস্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের একটি
হোটেলে অর্ধ ডজনেরও
বেশি বিশ্বের শীর্ষ
মানবাধিকার সংস্থার সিনিয়র
কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে
এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার
প্রেস উইং জানায়,
এ সাক্ষাতে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার বিপ্লব
এবং গত ১৫ বছরের বেশি
সময় ধরে শেখ
হাসিনা সরকারের শাসন
আমলে চালানো নৃশংসতা
এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের
বিচার ও জবাবদিহিতা নিয়ে
আলোচনা হয়।
এছাড়া তারা
নিরাপত্তা সেক্টর সংস্কার,
সাইবার নিরাপত্তা আইন
বাতিল এবং অধিকতর
তদন্ত, একনায়কতন্ত্রের সময়
বলপূর্বক গুমের শিকার
ব্যক্তিদের রাখা ডিটেনশন
কেন্দ্রগুলোতে অবাধ প্রবেশাধিকার এবং
জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান
জানান।
বৈঠকে ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব
দেন রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান
রাইটসের প্রেসিডেন্ট কেরি
কেনেডি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সেক্রেটারি জেনারেল
অ্যাগনেস ক্যালামার্ডও এ বৈঠকে যোগ
দেন।
অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন,
অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত
একটি শক্তিশালী বার্তা
পাঠানো যে একটি
নতুন বাংলাদেশ।
প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, তার সরকার
পুলিশসহ প্রধান প্রধান
প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে কয়েকটি
কমিশন গঠন করেছে।
ড. ইউনূস
বলেন, তার সরকার
যেকোনো সমালোচনাকে স্বাগত
জানায় এবং অন্তর্বর্তী প্রশাসন
মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা সমুন্নত
রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি বলেন,
এ সরকার কোনো
সমালোচনায় বিরক্ত হয় না। বরং
আমরা সমালোচনার জন্য
আমন্ত্রণ জানাই।
অন্যদের মধ্যে
কথা বলেন, হংকংভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠনের
সাবেক অ্যাক্টিভিস্ট মোহাম্মদ
আশরাফুজ্জামান, হিউম্যান রাইটস
ওয়াচ এর সিনিয়র
গবেষক জুলিয়া ব্লেকনার
প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনকে (বিএসসি) একটি
শক্তিশালী ও লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরে রাখতে হবে।
আজ
বুধবার ( ১৪ জানুয়ারি ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন কর্তৃক বাস্তবায়িত ছয়টি জাহাজ ক্রয় প্রকল্পের জন্য গৃহীত
ঋণ পরিশোধ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ঘোষিত লভ্যাংশ বাবদ সরকারের পাওনা হিসেবে মোট ২০৩ কোটি
৪৭ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে
নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন ও বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল
মালেক প্রধান উপদেষ্টার কাছে চেক হস্তান্তর করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে বিএসসি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে,
সেই ধারা বজায় রাখতে হবে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এমনভাবে নিতে হবে, যাতে প্রতিষ্ঠানের আয়
দিয়েই বিএসসিকে আরও শক্তিশালী করা যায় এবং বহরে নতুন জাহাজ যুক্ত করা সম্ভব হয়।
তিনি
বলেন, বিএসসির বহরে আরও জাহাজ যুক্ত হলে নাবিকদের মধ্যে উৎসাহ বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের
সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি মেরিন একাডেমিগুলোর প্রশিক্ষকদের যথাযথ সম্মানী দিয়ে ধরে
রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি, যাতে বিশ্বমানের নাবিক তৈরি করা যায়।
বিএসসির
ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক জানান, জি-টু-জি ভিত্তিতে ছয়টি জাহাজ সংগ্রহের
লক্ষ্যে বাস্তবায়িত ‘ছয়টি নতুন জাহাজ ক্রয়’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সরকার (অর্থনৈতিক
সম্পর্ক বিভাগ) ও চীন সরকার (চায়না এক্সিম ব্যাংক)-এর মধ্যে ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর
একটি ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ ঋণের মূল পরিমাণ ১,১৯৯,৯৯৯,০৭০ ইউয়ান, যা বাংলাদেশি
মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৪৫৭ কোটি ৬৭ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮৫ টাকা।
এই
ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যে ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর সরকারের অর্থ বিভাগ ও বিএসসির মধ্যে একটি
সাবসিডিয়ারি লোন অ্যাগ্রিমেন্ট (এসএলএ) স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী ১৩ বছরের মধ্যে
বিএসসিকে মোট ২ হাজার ৪২৫ কোটি ২ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
এসএলএ
অনুযায়ী গ্রেস পিরিয়ডকালীন সুদ বাবদ ৪৭৫ কোটি ২৫ লাখ ১৩ হাজার ৩৪০ টাকার চেক গত ২৬
নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
প্রকল্পটির
মাধ্যমে দীর্ঘ ২৭ বছর পর ২০১৮-১৯ মেয়াদে বিএসসির বহরে ছয়টি বাণিজ্যিক জাহাজ যুক্ত হয়।
এর মধ্যে পাঁচটি জাহাজ—এমভি বাংলার জয়যাত্রা, এমভি বাংলার
অর্জন, এমভি বাংলার অগ্রযাত্রা, এমভি বাংলার অগ্রদূত এবং এমভি বাংলার অগ্রগতি—বর্তমানে
আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত রয়েছে এবং বাংলাদেশের পতাকা
বহন করছে।
বিএসসি
তাদের ৫৪ বছরের ইতিহাসে সর্বশেষ অর্থবছরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা আয় করে ৩০৬ কোটি ৫৬ লাখ
টাকা মুনাফা অর্জন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ মুনাফা। এই অগ্রগতিতে প্রকল্পের
আওতায় বহরে যুক্ত পাঁচটি জাহাজের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
প্রধান
উপদেষ্টার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে বিএসসি নতুন জাহাজ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। এর
মধ্যে নিজস্ব অর্থায়নে দুটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ সংগ্রহের আওতায় প্রথম জাহাজ ‘বাংলার
প্রগতি’ ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর ডেলিভারি গ্রহণ করে বাণিজ্যে যুক্ত
হয়েছে। দ্বিতীয় জাহাজ ‘বাংলার নবযাত্রা’
আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ডেলিভারির সূচি নির্ধারিত রয়েছে।
এ
ছাড়া সরকারি অর্থায়নে দুটি এমআর প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাংকার এবং নিজস্ব অর্থায়নে একটি
আল্ট্রাম্যাক্স বাল্ক ক্যারিয়ার সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি চীন থেকে
জি-টু-জি ভিত্তিতে আরও চারটি বড় জাহাজ সংগ্রহের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন
দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও
বিএনপি।
কিন্তু আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর পরিবর্তে এই জায়গায় সংস্কার আনতে নতুন দল গঠনের চিন্তাভাবনা করছেন তারা।
অতি সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্যই করেছেন ছাত্র আন্দোলনের চার শিক্ষার্থী।
কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকেই শুরু হয় সরকারবিরোধী আন্দোলন। মানুষের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, সরকারি আমলা ও মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতি থেকে শুরু করে সব অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে ‘জেন জি’ হিসেবে পরিচিত তরুণেরা।
সরকারের পতন হয়, ক্ষমতায় আসে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টা হন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর উপদেষ্টা পরিষদে ছাত্র আন্দোলনের দুজন সমন্বয়কও রয়েছেন।
এমন অবস্থায় দেশে সংস্কার আনতে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে আলোচনা করছেন শিক্ষার্থীরা। রয়টার্সকে এমনটাই বলেন মাহফুজ আলম নামের এক শিক্ষার্থী। সরকার এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রণি-পেশার মানুষের মধ্যে লিয়াজোঁ করতে গঠিত কমিটির প্রধানের দায়িত্বে আছেন তিনি।
আইন নিয়ে পড়াশোনা করা ২৬ বছর বয়সী মাহফুজ
আলম বলেন, এক মাসের মধ্যে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের
আগে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে এ নিয়ে আলাপ করতে চায় শিক্ষার্থীরা। এর আগে পরিকল্পনার ব্যাপারে
কোথাও বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এ নিয়ে সমন্বয়ক তাহমিদ চৌধুরী বলেন, তাদের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এর মূল ভিত্তি হবে অসাম্প্রদায়িকতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
তবে, অর্ন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে থাকা দুজন ছাত্র প্রতিনিধি এ ব্যাপারে খোলাশা করে কিছু বলেননি। এমনকি কোন পলিসি নিয়ে তাঁরা কাজ করতে চাইছেন, সেটাও জানাননি। তবে, নির্বাচন কমিশনে ব্যাপক সংস্কারের কথা বলছেন।
এ নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই আন্দোলনের স্পিরিট ছিল মূলত নতুন বাংলাদেশ গঠন করা, যেখানে কোনো ফ্যাসিস্ট বা স্বৈরাচার আর থাকবে না। তা নিশ্চিত করতে গঠনগত সংস্কার দরকার। এতে কিছু সময় তো লাগবেই।’
দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে যে দাবি জানানো হচ্ছে, তা অন্তর্বর্তী সরকার আমলে নিচ্ছে না বলে রয়টার্সকে বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
এ ব্যাপারে সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা এখন অজানা নদীতে এসে পড়েছি। সেটা আইনগত ও রাজনৈতিকভাবেও। এই অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা কেমন হবে তাও বলা যাচ্ছে না। কেননা এই সরকার আইন মেনে হয়নি।’
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে
প্রায় ৩০ জনের সঙ্গে কথা বলেছে রয়টার্স। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ছাড়াও রাজনৈতিক দলের নেতা
ও বিশ্লেষক রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চলতি মাসের শেষ দিকে জাতিসংঘের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনে (ইউএনজিএ) যোগ দেবেন।
আজ (১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, (তবে) প্রধান উপদেষ্টার যাত্রার তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানান, প্রধান উপদেষ্টার সংক্ষিপ্ত সফরে নিউইয়র্ক যাবেন। সফরের আগে তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ইউএনজিএ’তে তাঁর সফরসূচি নিয়ে আলোচনা করবেন।
ইউনূস নিউইয়র্কে এ সফরকালে সীমিত সংখ্যক সাইডলাইন বৈঠকে অংশ নিতে পারেন বলে পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বিটিভি নিউজ ও বাংলাদেশ বেতার একযোগে ভাষণটি সম্প্রচার করবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন