

কুমিল্লা সদরের ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড জগন্নাথপুর চৌমুহনীতে প্রতি বছরের মতো এবারও যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে নুরুন্নবী (সাঃ) এর নূরানী শুভাগমন উপলক্ষে ৪র্থ বার্ষিকী ঈদে মাজিউন্নবী ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে নাতে মোস্তফা ও ওয়াজ মাহফিল উদযাপন করেছেন জগন্নাথপুর যুব সমাজ।
গতকাল রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিকাল হতে মধ্যরাত ব্যাপী জগন্নাথপুর চৌমুহনীর নুরে মোহাম্মাদীয়া জামে মসজিদের পাশের মাঠে এই নাতে মোস্তফা ও ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
জিকিরুল্লাহ ইসলামীয়া যুব কমিটি জগন্নাথপুর শাখার সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম রানা শাহাপুরীর সঞ্চালনায় নুরে মোহাম্মাদীয়া জামে মসজিদের সভাপতি হাজী মোঃ মিল্লাত হোসেনের সভাপতিত্বে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহাপুর দরবার শরীফের পীর সাহেব সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদ আবদুল কাদের কাওকাব।এতে প্রধান বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন হযরত শাহ সৈয়দ করম আলী (রাঃ)জামে মসজিদের খতিব মুফতি মোঃ আবদুল কাদের জিহাদী,বিশেষ বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন জগন্নাথপুর চৌমুহনির নূরে মোহাম্মদীয়া(সাঃ) জামে মসজিদের খতিব মুফতি মোঃ শাহাজালাল আল্ ক্বাদেরী। মাহফিলে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে আলোচনা করা হয় । একই সঙ্গে মহানবীর আদর্শ ও গুণাবলী সবার জীবনে ধারণ ও পালন করার আহ্বান জানান তারা।
ওয়াজ শেষে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে নাতে রাসূল পরিবেশণা করেন চট্টগ্রাম থেকে আগত শায়ের মুহাম্মদ তারেক রেজা ক্বাদেরী, আলা হযরত যুব পরিষদের সভাপতি শায়ের জানে আলম রেজা ক্বাদেরী, শায়ের মুহাম্মদ সাইমুন রেজা ক্বাদেরী, শায়ের মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ক্বাদেরী, শায়ের শহীদুল ইসলাম মিনহাজ।
উক্ত মাহফিলে আয়োজক কমিটির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রাজন,মোঃ আবাদ মিয়া, মোঃ সাকিব হোসেন, মো.রবিউল আউয়াল রবিন, মো.রাকিব হোসেন শাহপুরী, মোহাম্মদ হানিফ, ইমাম হাসান শুভ, মোঃ হৃদয়, মোঃ জিহাদ, মো.সামি, আলামিন, রবিউল, প্রমুখ।
নাতে রাসূল পরিবেশণা শেষে দেশ ও মুসলিম উম্মাহসহ সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে দোয়া ও মাহফিল সমাপ্তি করা হয়।
উল্লেখ্য, আরবি ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল, ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জন্মগ্রহণ করেন। প্রতিবছর তার জন্মদিনকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে পালন করে থাকে।
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরব
পৌঁছেছেন ১৩০ বছর বয়সী সারহোদা সাতিত নামের এক নারী। তিনি আলজেরিয়া থেকে হজ করতে গেছেন।
মঙ্গলবার (১১ জুন) জেদ্দা বিমানবন্দরে
সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ওই নারী পৌঁছলে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময়
তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন সৌদি কর্মকর্তারা।
সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়ার খবরে
বলা হয়, হজ পালনে প্রবীণ এ নারীর দৃঢ়তা সবাইকে
মুগ্ধ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার হজযাত্রার প্রশংসা করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের ভিডিওতে
দেখা যায়, বিমানবন্দরে ওই নারীকে হুইলচেয়ারে করে নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের তাকে
ফুলের মালা পরিয়ে দিতে দেখা যায়। তখন সংশ্লিষ্টদের কল্যাণ চেয়ে ওই নারী বলতে থাকেন,
মহান আল্লাহ সৌদি আরব ও এর জনগণের সুরক্ষা করুন।
চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে হজ করবেন ৮৫
হাজার ২৫৭ জন।
মন্তব্য করুন


১২ বছর বয়সী নুরে জারিন নুদার। বর্তমান সময়েরর ছেলে-মেয়েদের থেকে একটু আলাদা। যে বয়সে মেয়েরা মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত। ওই বয়সে ক্ষুদে এ শিক্ষার্থী হাতে কোরআন লিখে পার করছে ব্যস্ত সময়। তার গল্প শুনলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠবে। এই মাদরাসা শিক্ষার্থীর কোনো ক্লাসে পড়তে হয়নি প্রাইভেট। মাত্র ১০ মাসে নির্ভুল ভাবে সে পুরো আল-কোরআন হাতে লিখেছেন। তার দৃষ্টিনন্দন হাতের লেখা দেখলে যে কারো চোখ আটকাবে। মনে হবে এটি কম্পিউটারে ছাপা লেখা। চোখ জুড়ানো হাতের লেখায় পবিত্র কোরআন লিখে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সে।
বর্তমানে নুদার বসুরহাট দারুল ইহসান গার্লস মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ২০২২ সালের সেপ্টম্বর মাসের ঘটনা। তখন ১০ বছর বয়সী নুদার বাড়ির পাশের ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। একদিন হঠাৎ মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা চোখে পড়ে বাবার। এরপর তিনি মেয়েকে উদ্বুদ্ধ করেন পবিত্র কোরআন হাতে লিখতে। যে কথা, সেই কাজ। মেয়েকে প্রথমে এক রিম খোলা সাদা কাগজ এনে দেন তিনি। সেই থেকে শুরু। এরপর আস্তে আস্তে ১০ মাসে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে নুদার কোরআন লিখে শেষ করেন। এরপর তার বাবা হাতে লিখা কোরআন শরীফ নিয়ে নুদারের মাদরাসার আরবী শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান শরনাপন্ন হন। সেই থেকে নুদারের লেখা শেষে তিনি বানান সংশোধন করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতেন। তার উৎসাহে ও সহযোগিতায় নুদারের লেখা আরও গতি পায়। পরবর্তীতে পান্ডুলিপি থেকে ১০ পারা করে তিন ভাগে পুর্ণাঙ্গ কোরআন বাঁধাই করা হয়। কোরআন লিখতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬১১টি এ ফোর সাইজের সাদা কাগজ ও ৫৫টি বলপেন কলম। মেয়ের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মা-বাবা,দাদা-দাদী সহ এলাকাবাসী। মা-বাবার আশা মেয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে দেশবাসীর কল্যাণে দ্বীনি শিক্ষা প্রসারে কাজ করবে। নুরে জারিন নুদার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল এলাকার ছেলামত মঞ্জিলের মো.নুরুল হুদা মামুনের মেয়ে।
নুরে জারিন নুদার বলেন, বাবা-মায়ের উৎসাহে আমি চতুর্থ শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় পবিত্র কোরআন মাজিদ লেখা শুরু করি। এরপর পঞ্চম শ্রেণিতে উঠলে আমার লেখা শেষ হয়। আমার এ লেখা দেখে মা-বাবা আমাকে মাদরাসায় পড়া লেখার পাশাপাশি এখন হিফজ বিভাগে ভর্তি করে দেয়। আমি দেশ বাসীর কাছে দোয়া চাই।
নুদারের বাবা মো.নুরুল হুদা, আমি প্রথমে আমার মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা দেখে খুব আনন্দিত হই। আমারও তার শিক্ষকদের উৎসাহে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সে কোরআন নিজ হাতে লেখা শুরু করে। যখন এক পারা লেখা সম্পন্ন হতো তখন ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান আরবি বানান গুলো যাচাই বাচাই করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতে। এভাবে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পুরো কোরআন লিখে শেষ হয়। পরে পুনরায় আবার বানান পুনঃনিরীক্ষণ করে ১০ পারা করে তিন ভাগে বাধাই করা হয়। মেয়ের এমন কাজে আমি গর্বিত। এমন কাজে অন্য ছেলে মেয়েরা উদ্ধুদ্ধ হবে বলেও আমি আশা করি।
মা বিবি ফাতেমা বলেন, আমার মেয়ে নিজ হাতে কোরআন লিখেছে, আমরা তাকে উৎসাহ দিয়েছি। লেখার সময় অনেক সময় মনমানসিকতা অন্য রকম হয়ে যেত, তো লিখবো, লিখেনা। আবার মনমানসিকতা ঠিক করে আগ্রহ দিয়ে লিখতে বসত। বিশেষ করে ভালো কাজে শয়তানের প্ররোচনা থাকে। খাতা-কলমে দাগ টানা সহ বিভিন্ন ভাবে তাকে আমি সহযোগিতা করেছি। চার বছর বয়স থেকে সে নিয়মিত নামাজ পড়ে।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার নাজেমে তালিমাত, মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, কোরআন লেখার যে প্রাচীন নিয়ম রয়েছে। সে অক্ষরে অত্যন্ত সুনিপুন ভাবে নুদার ১০ মাসের প্রচেষ্ঠায় কোরআন হাতে লিখে সম্পন্ন করেন। ওই সময় আমি তার লেখার তত্বাবধান করি। বোঝার উপায় নেই, এটি হাতে লিখা না, না কম্পিউটারে লিখা। তার লেখা কোরআন পুরোটাই আমি পুনঃনিরীক্ষণ করি।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসা মোহতামিম মাওলানা মোতালেব হোসেন পারভেজ বলেন,নুরানী বোর্ডের সমাপনী পরীক্ষায় নুদার পুরো বাংলাদেশে দশম স্থান অর্জন করে। সে একজন মেধাবী ছাত্রী। তার স্বহস্তে কোরআন লেখার এ কৃতিত্বকে আমরা স্বগত জানাই।
বসুরহাট পৌরসভা ৯নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবিএম ছিদ্দিক বলেন, পবিত্র কোরআন হাতে লেখার উদ্যোগ নিয়ে সম্পন্ন করার কাজটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এতো সুন্দর ভাবে কোরআন লিখলেন সেটি আসলেই অবাক হওয়ার মতো ঘটনা। আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


আজ পবিত্র শবে মেরাজ। ফারসিতে শব শব্দের অর্থ রাত ,আরবিতে মেরাজের অর্থ ঊর্ধ্বগমন।
রজব মাসের ২৬ তারিখের রাতটি মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহিমান্বিত রাতটি ইবাদতে কাটিয়ে থাকেন।
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে এই রাতে তারা পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ আদায়, জিকির-আজকার, দোয়া-দরুদ ও ইবাদত-বন্দেগি পালন করবেন।
শবে মেরাজের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য নিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আলোচনাসভা এবং দোয়ার আয়োজন রয়েছে।
ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর অলৌকিক ও ঐতিহাসিক ঘটনার স্মারক দিবস হিসেবে মুসলিম বিশ্বে তা পালিত হয়। এ রাতে মহানবী (সা.) সাত আসমান পেরিয়ে মহান আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মুসলিমদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ে ফেরেন।
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ পালনের জন্য এখন পর্যন্ত
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫১ হাজার ৪০৩ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী।
বৃহস্পতিবার রাত ২টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ
সময়) হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বুলেটিনে জানানো হয়, এ পর্যন্ত মোট
১৩১টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৬৪টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ৪২টি এবং
ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৫টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত মোট ফ্লাইটের
৬২.২ শতাংশ ফ্লাইট আর মোট হাজীদের মধ্যে ৬২ শতাংশ সৌদি পৌঁছেছেন।
এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে হজ পালন করতে
গিয়ে ৮ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মক্কায় ছয়জন এবং মদিনায় দুজন মারা
যান। সবশেষ গত রোববার ও সোমবার দুজন মক্কায় মারা যান।
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে।এখন থেকে সব ধরনের ভিসাধারীই ওমরাহ পালন করতে পারবেন। এর মধ্যে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, ট্যুরিস্ট, ট্রানজিট, কর্মসংস্থানসহ সব ধরনের ভিসা অন্তর্ভুক্ত।
সৌদি প্রেস এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, এ পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো, ওমরাহ পালনকারীদের জন্য প্রক্রিয়া সহজ করা এবং হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থায় সেবার পরিধি বাড়ানো। এটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অংশ হিসেবে ধর্মীয় পর্যটনকে আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ভিসা, ই-ট্যুরিস্ট ভিসা, ট্রানজিট ভিসা, ওয়ার্ক ভিসা—সব ভিসাধারীই এখন ওমরাহ পালন করতে পারবেন। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিশ্বের মুসলমানদের জন্য সৌদি আরবে ওমরাহ পালন আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।
এ ছাড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘নুসুক ওমরাহ’ নামে একটি নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে যাত্রীরা সরাসরি ওমরাহ প্যাকেজ নির্বাচন, অনুমতি সংগ্রহ ও সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সেবা গ্রহণ আরও দ্রুত ও ডিজিটালভাবে সম্পন্ন করা যাবে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, এসব ব্যবস্থা পবিত্র দুই মসজিদের খেদমতগার বাদশাহ সালমান ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে মুসলমানদের নিরাপদ, আধ্যাত্মিক ও মানসম্মত ওমরাহ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করে ফজরের নামাজের প্রস্তুতিকালে মাষ্টার আবুল খায়ের (৯০) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) ভোরে পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের দৌলতপুর জামে মসজিদে তার মৃত্যু হয়।
তিনি ওই গ্রামের মরহুম সংশের আলীর ছেলে। মৃত্যুকালে ৫ পুত্রসন্তান ও ৪ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আবুল খায়ের কর্মজীবনে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। সর্বশেষ নাঙ্গলকোট বাজার আফসারুল উলুম কামিল মাদরাসার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
নিহতের ছেলে মেডিসিন ব্যবসায়ী শাহ আলম জানান, প্রতিদিনের ন্যায় বাবা মসজিদে আজান দেওয়ার আগে তাহাদজ্জুদের নামাজ আদায় করতে যান। তাহাজ্জুদ শেষ করে ফজরের নামাজের প্রস্তুতিকালে ওনার মৃত্যু হয়।
দৌলতপুর জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ রবিউল হোসেন জানান, মাস্টার আবুল খায়ের এ মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি ছিলেন। প্রতিদিন তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করে ফজরের নামাজ পড়তেন তিনি। আজ ফজরের নামাজ আদায় করার আগেই মসজিদে তার মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


হজের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৯ জন হজ যাত্রী নিয়ে দেশে ফিরেছে।
আজ (২১ জুন) বিজি ৩৩২ ফ্লাইটটি সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এসে পৌঁছেছে।
বিমানবন্দরে হাজীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান। সুস্থ ও শান্তিপূর্ণভাবে হজ সম্পন্ন করে দেশে ফিরতে পাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন যাত্রীরা।
এসময় বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, সব হজযাত্রী যেন সুষ্ঠুভাবে দেশে ফিরতে পারে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ফ্লাইটের মাধ্যমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পোস্ট ফ্লাইট অপারেশন্স শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত।
আগত হজযাত্রীদের বিমানের বোডিং গেটে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। সব হজযাত্রীকে বিমানের বুথ থেকে জমজমের পানি বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, বিমানের পরিচালক (গ্রাহক সেবা) হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান
ছাড়াও সুফি মাজারে যেকোনো বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী
সরকার। সেই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে
কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছে সরকার।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয় থেকে পাঠানো
বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত কয়েকদিনে কিছু দুর্বৃত্তের
দেশের সুফি মাজারগুলোতে হামলা চালানোর বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের নজরে এসেছে। অন্তর্বর্তী
সরকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা এবং সুফি মাজার সম্পর্কিত যেকোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য
এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায়
আনা হবে। সেই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়
ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের
দেশ। ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতিকে বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা
সরকার দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।
মন্তব্য করুন


মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে আজ শুরু হয়েছে সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসবের। কাঁসর, ঘণ্টা, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে ভোর থেকেই মন্দিরগুলোতে চলছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। পাঁচ দিনের এ উৎসব শেষ হবে আগামী ২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শ্রীপঞ্চমীতে দেবীর বোধন (জাগ্রত) সম্পন্ন হওয়ার পর আজ রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) শুরু হয়েছে মহাষষ্ঠী।
গতকাল ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বোধনের নিয়মাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করে এই বন্দনা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বোধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন তিনজন পুরোহিত। তারা হলেন, মন্দিরের উপদেষ্টা পুরোহিত প্রণব চক্রবর্তী এবং অন্যতম পুরোহিত বরুণ চক্রবর্তী ও ধর্মদাস মুখোপাধ্যায়।
পুরোহিত প্রণব চক্রবর্তী বলেন, দেবীর বোধন হয় ষষ্ঠীতে সায়ংকালে অর্থাৎ সূর্যাস্তের পরে, এটাই নিয়ম। শনিবার সকাল ৯টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত পঞ্চমী ছিল। এরপর থেকে ষষ্ঠী শুরু হয়েছে এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত আছে। তা ছাড়া রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) ষষ্ঠী শেষ হয়ে যাবে বেলা ১১টা ১২ মিনিটে। তারপর সপ্তমী শুরু হয়ে যাবে। ফলে রোববার সন্ধ্যাকালে আর ষষ্ঠী পাওয়া যাবে না। সেজন্যই আজকে দেবীর বোধন সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বোধনের নিয়মটা হচ্ছে বিল্ববৃক্ষ তলে পূজাটা হয়। কারণ, বিল্ববৃক্ষে দেবী দুর্গা ছোট্ট শিশু কুমারীরূপে অবস্থান করেন। দক্ষিণায়নের কারণে দেবী যেহেতু নিদ্রিত থাকেন, তা থেকে তাকে জাগরিত করার জন্য এই বন্দনা পূজা করা হয়। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে বেলগাছের তলে দুর্গাপূজার বোধনের নিয়মাবলি অনুসরণ করে এই পূজাটা করা হয়েছে।
নিয়মঅনুযায়ী, আজ ষষ্ঠীতে দুর্গা দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাস সম্পন্ন হয়েছে। সকালে বেলগাছ তলে (বিল্ববৃক্ষের নিচে) দেবীর আবাহন, সংকল্প এবং ‘ত্রিনয়নী’ দুর্গা দেবীর নিদ্রা ভাঙিয়ে পূজার্চনার মাধ্যমে তাকে বরণ করা হয়। এ বছর দেবী দুর্গা এসেছেন গজে (হাতি) চড়ে। গজে আগমনের অর্থ শান্তি, সমৃদ্ধি ও শস্য-শ্যামলার প্রতীক। পূজা শেষে দেবীর প্রস্থান হবে দোলায় (পালকি) চড়ে, যা মহামারী বা মড়কের ইঙ্গিত বহন করে। আগামীকাল মহাসপ্তমীর দিন থেকে শুরু হবে দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা।
ঢাকায় এবার ৭টি বেড়ে মোট ২৫৯টি মন্দির-মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর সারা দেশে মোট মন্দির-মণ্ডপের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৫৫টি, যা গতবারের তুলনায় হাজারখানেকের বেশি।
মন্তব্য করুন


২৬ আগস্ট ২০২৪ দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী।
এ দিনটিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিবিধ অনুষ্ঠান ও উপাসনালয় সমূহের বিশেষ নিরাপত্তায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর এ তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী জনগণ।
উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সংঘর্ষ ও অন্যায়কে পরাভূত করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা। এই শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে সোনার বাংলা গড়ে তুলবে এই সকলের প্রত্যাশা।
জনগণের এই প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাশে আছে এবং থাকবে।
মন্তব্য করুন