

কুয়েতে
অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫ বিধ্বস্ত হয়েছে। যদিও ইরান দাবি করেছে, তারা
এফ-১৫ যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় কিছুই জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল।
সোমবার
(২ মার্চ) মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের বিষয়টি জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানে থাকা পাইলটরা নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।
তবে,
এ ঘটনার বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা কুয়েতি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো
বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
সংবাদমাধ্যম
মিডল ইস্ট আই-এর সূত্রগুলো জানিয়েছে, পাইলটরা আমেরিকান বা ইসরায়েলি হতে পারেন। তবে
ক্রু বা পাইলটদের জাতীয়তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আল
জাজিরার সংবাদদাতা জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত বিমানটি থেকে একজন পুরুষ এবং একজন নারী—
এই দুই পাইলট ইজেক্ট করেছেন।
কুয়েতের
আল জাহরার কাছে হাইওয়ে-৭০-এ ধারণকৃত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একজন পাইলট প্যারাসুট
দিয়ে নিচে নেমে আসছেন।
আল
জাজিরা লাইভ আপডেটে জানানো হয়, কুয়েত সিটি থেকে ৩২ কিলোমিটার (১৯ মাইল) পশ্চিমে অবস্থিত
আল-জাহরা শহরে ঘন ধোঁয়া উড়ছে। একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর এই ধোঁয়ার কুণ্ডলী
তৈরি হয়। অসমর্থিত সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বিধ্বস্ত বিমানটি একটি মার্কিন এফ-১৫
যুদ্ধবিমান।
অপরদিকে
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান দাবি করেছে যে, তারা একটি এফ-১৫
যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে।
মন্তব্য করুন


ফ্যাসিবাদ
ও আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় শহীদ ওসমান হাদির পরিবারকে বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। হাদির এক বোনকে ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স ও গানম্যান দেওয়া
হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্যদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক পুলিশি সুরক্ষা থাকবে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় ও পুলিশের উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানায়, জুলাই যোদ্ধা, আন্দোলনের সমন্বয়ক,
সংসদ-সদস্য প্রার্থী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা
নিশ্চিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনে সম্মুখসারিতে থাকা কয়েকজনকে
ইতোমধ্যে গানম্যান দেওয়া হয়েছে এবং অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।
নিরাপত্তা পাওয়া
ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির
আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র
যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। এছাড়া জামায়াতের
আমির ডা. শফিকুর রহমান ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান
পার্থ ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের কাছে গানম্যান চেয়ে আবেদন করেছেন।
সূত্র জানায়,
আবেদনের ভিত্তিতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, বিএনপির মনোনীত সংসদ-সদস্য
প্রার্থী তানভির আহমেদ রবিন, জাফির তুহিন, জেপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার
হোসেন মঞ্জু এবং এলডিপির সভাপতি কর্নেল অলি আহমদসহ আরও কয়েকজনকে শিগগিরই গানম্যান ও
অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হতে পারে।
আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
স্বাভাবিক রাখা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে নির্বাচন বানচালের
ষড়যন্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা গত বছরের ৫ আগস্টের
পর থেকেই ধারাবাহিক হুমকির মুখে রয়েছেন।
গোয়েন্দা তথ্য
অনুযায়ী, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পলাতক নেতাকর্মীরা দেশে ও বিদেশ থেকে
জুলাই যোদ্ধাদের হুমকি দিয়ে আসছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকেও হত্যার আগে
দীর্ঘদিন বিদেশি নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গত ১২ ডিসেম্বর তাকে গুলি করা হলে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, লিখিত আবেদন ছাড়া নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। গত রোববার পর্যন্ত
১২ জন লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। দু-এক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত আইজিপি
খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, জুলাই যোদ্ধা ও সংসদ-সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে যারা নিরাপত্তা
ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের গানম্যান দেওয়া হচ্ছে। আর যারা ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স
চেয়েছেন, তাদের বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা
হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আজ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের শপথ গ্রহণ হবে।
বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে রোববার (১১ আগস্ট) বঙ্গভবনে তার শপথগ্রহণ হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্টের বিচারক বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ শপথের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের প্রয়াত জ্যেষ্ঠ বরেণ্য আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদের ছেলে।
সৈয়দ রেফাত আহমেদের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর। তিনি ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতে, ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।
সৈয়দ রেফাত আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্য থেকে বিএ ও এম এ ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান তিনি। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ভারত, পাকিস্তান, আরব আমিরাত, শ্রীলঙ্কা, নেপালসহ পৃথিবীর বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন।
মন্তব্য করুন


বিয়ে
করেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান সাবাব এবং আলোচিত সংগীতশিল্পী জেফার
রহমান। দীর্ঘদিনের ‘ওপেন সিক্রেট’ প্রেমের সম্পর্ক এবার আনুষ্ঠানিকভাবে
পরিণয়ে রূপ নিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের খবরটি নিজেই নিশ্চিত করেছেন রাফসান সাবাব।
বিয়ের
একটি বিশেষ মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে রাফসান সাবাব লেখেন, “পরিবার ও ভালোবাসার মানুষদের
পাশে নিয়ে আমাদের নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ আমাদের কাম্য।
আজ আমাদের দুই জীবন এক হলো, শুরু হলো একসাথে পথচলার এক সুন্দর গল্প।”
এই
খবরে অভিনন্দনের জোয়ার বইছে শোবিজ অঙ্গনে। সহকর্মী ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভরে উঠেছে নবদম্পতির
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের টাইমলাইন। এর মধ্যে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবিরের
আবেগঘন মন্তব্যটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের।
সাফা
কবির লিখেছেন, “দৃশ্যটি কী যে চমৎকার! আমি চোখ ফেরাতে পারছি না। আনন্দে আমার বুক ভরে
উঠছে, চোখ যেন খুশির অশ্রুতে ভরে উঠেছে। এই দুই সুন্দর মানুষ যখন এক হতে যাচ্ছে, সৃষ্টিকর্তার
আশীর্বাদ থাকুক। আল্লাহ আপনাদের জীবন সীমাহীন ভালোবাসা আর নিয়ামতে ভরিয়ে দিন।”
উল্লেখ্য,
রাফসান সাবাব দীর্ঘদিন ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ইভেন্ট ও শো উপস্থাপনার মাধ্যমে
নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অন্যদিকে, জেফার রহমান তার গায়কী ও ফ্যাশন সেন্স দিয়ে তরুণ
প্রজন্মের মধ্যে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন। দুই ভিন্ন ভুবনের দুই সফল মানুষের এই নতুন
পথচলা বিনোদন জগতে যোগ করলো নতুন এক মাত্রা।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। অবকাঠামো ও শিল্প থেকে শুরু করে সবক্ষেত্রে তাদের সেবা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি তৈরিতে ব্যাপক অবদান রাখছে।
গণপ্রকৌশল দিবস ও আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ সব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, একটি বৃহত্তর পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে আইডিইবি এই দক্ষ কর্মীবাহিনীকে লালন-পালন, কারিগরি শিক্ষার প্রচার এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করছে। গণপ্রকৌশল দিবস-২০২৫ ও ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)’র ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংগঠনের সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
আইডিইবি প্রতিবছর ৮ নভেম্বর গণপ্রকৌশল দিবস পালন করে থাকে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘দক্ষ জনশক্তি-দেশ গঠনের মূল ভিত্তি’।
প্রতিপাদ্যটি অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, একটি জাতির প্রকৃত শক্তি কেবল তার প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যেই নয়, বরং তার জনগণের জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার মধ্যেও নিহিত। অব্যাহত প্রতিশ্রুতি, পেশাদারিত্ব এবং উদ্ভাবনের চেতনার মাধ্যমে আইডিইবি’র সদস্যরা আমাদের জাতি গঠনের প্রচেষ্টার অগ্রভাগে থাকবেন। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং আমাদের জাতীয় আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে অবদান রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
প্রধান উপদেষ্টা ‘গণপ্রকৌশল দিবস ও আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরে সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল
হকের বাড়িতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে
বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী।
আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন। এর আগে তিনি
ওই ঘটনায় গুরুতর আহত কয়েকজনকে দেখতে ঢামেকের জরুরি বিভাগে আসেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের কোনো ছাড় নয়। এটার ক্ষেত্রে
আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা তো নিচ্ছিই, যারা জড়িত তাদের সর্বোচ্চ বিচারের আওতায় আনা হবে।
তাদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় এ ব্যবস্থা করা হবে। এর আগে হাসপাতাল ঘুরে আহত ছাত্রদের খোঁজখবর নেন
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন আইজিপি বাহারুল আলম ও ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত
আলী।
তারা সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢামেকের
অর্থোপেডিক বিভাগ ও বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের ৬ষ্ঠ তলার ৬১৭ নং ওয়ার্ডে
আহতদের দেখতে যান এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরে পৌনে ১১টার দিকে তারা হাসপাতাল ত্যাগ
করেন।
হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত ১০ জনকে ঢাকা
মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- শুভ
শাহরিয়া (১৬), ইয়াকুব (২৪), সৌরভ (২২), কাশেম (১৭), হাসান (২২), রৌহান আহমেদ (২২),
ওমর হামজা (২২), ছাব্বির খান মিলন (২২) নাঈম (২১) ও ইয়াকিব (২৩)।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা–নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের বাগমারা বাজার এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। চাঁপাই নবাবগঞ্জের রাজশাহী থেকে নোয়াখালীগামী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে ধাক্কা দেয়।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এতে বাসটি এবং পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্ঘটনার পরপরই হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা নেয়।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল (২৬ নভেম্বর) রবিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ।
এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফল হস্তান্তরের পর বেলা ১১টায় স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আর এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা কলেজ নোটিশ বোর্ড ছাড়াও বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে ।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে।
ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এছাড়াও পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। যেমন ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে- HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য,দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা গত ১৭ আগস্ট শুরু হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পিছিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম, মাদরাসা ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ২৭ আগস্ট।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ পরীক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন


সুন্দরবনের গহীনে অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত ‘জাহাঙ্গীর বাহিনী’র আস্তানা থেকে জিম্মি থাকা আটজন জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। অভিযানকালে ওই এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক আজ দুপুরে সাংবাদিকদের এই সাফল্যের কথা নিশ্চিত করেন।
জিম্মিদশা ও উদ্ধার অভিযান
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, গোপন সূত্রে খবর আসে সুন্দরবনের শিবসা নদীর ছোট ডাগরা খাল এলাকায় ডাকাত জাহাঙ্গীর বাহিনী বেশ কয়েকজন নিরীহ জেলেকে জিম্মি করে রেখেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রার সদস্যরা দ্রুত একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান চলাকালে ডাকাতদের আস্তানা থেকে ৮ জন জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং সাত রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জব্দ করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পাওয়ায় ডাকাত সদস্যরা বনের গহীনে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ফলে কাউকে আটক করা যায়নি।
নির্যাতিত জেলেদের বিবরণ
উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে রয়েছেন কয়রার আতিয়ার (২৮), আবুল খায়ের গাজি (২৪), মকছেদ আলী (৫০), মিজানুর রহমান (৩৭), কৃষ্ণপদ রপ্তান (৪৫), সুগদেব মন্ডল (২৭), মোশারফ হোসেন ঢালী (৬০) এবং জলিল গাজি (৩৫)। তারা প্রায় সবাই ৪ নম্বর কয়রা ও মহারাজপুর গ্রামের বাসিন্দা।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা কোস্ট গার্ডকে জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা তাদের গত সাত দিন ধরে জিম্মি করে রেখেছিল এবং মুক্তিপণ আদায়ের জন্য তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল।
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, জিম্মি দশা থেকে উদ্ধার হওয়া জেলেদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া, সুন্দরবনকে জলদস্যু ও ডাকাতমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের নীরব সঙ্গী গৃহকর্মী
ছিলেন ফাতেমা বেগম। এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছায়ার মতো খালেদা জিয়ার
পাশে ছিলেন তিনি। সেই ছায়াসঙ্গী ফাতেমাকে চিরবিদায় জানালেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
রাজনীতির
ইতিহাসে যেখানে নেতা, আন্দোলন, ক্ষমতা ও কারাগারের গল্প বারবার উঠে আসে। সেখানে অনেক
সময় আড়ালে থেকে যায় কিছু নীরব মুখ। আলোয় না থেকেও যারা ইতিহাসের সাক্ষী হন। বেগম খালেদা
জিয়ার জীবনে সেই নীরব সাক্ষীর নাম ফাতেমা বেগম।
দেড়
দশকেরও বেশি সময় ধরে গৃহকর্মীর পরিচয় ছাড়িয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন খালেদা জিয়ার একান্ত
সঙ্গী। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, গৃহবন্দিত্বের দীর্ঘ সময়, হাসপাতালের নিঃসঙ্গ রাত
কিংবা বিদেশ সফরের নীরব করিডর সবখানেই নিঃশব্দে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
ফাতেমা
বেগমের জন্ম ভোলার সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের শাহ-মাদার গ্রামে। রফিকুল ইসলাম ও মালেকা
বেগম দম্পতির পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন জ্যেষ্ঠ। অল্প বয়সেই সংসারের দায়িত্ব
কাঁধে নিতে হয় তাকে। একই ইউনিয়নের কৃষক মো. হারুন লাহাড়ির সঙ্গে বিয়ের পর মেঘনা নদীর
চরে কৃষিকাজ করেই চলছিল সংসার।
তাদের
সংসারে জন্ম নেয় মেয়ে জাকিয়া ইসলাম রিয়া ও ছেলে মো. রিফাত। তবে ২০০৮ সালে ছেলের বয়স
মাত্র দুই বছর থাকতেই অসুস্থ হয়ে মারা যান তার স্বামী। এক মুহূর্তে বদলে যায় জীবনের
পথচলা। দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি ফিরে যান বাবার বাড়িতে। কিন্তু মুদি দোকানি বাবার সামান্য
আয় সংসারের ব্যয় মেটাতে না পারায় কঠিন সিদ্ধান্ত নেন ফাতেমা। সন্তানদের গ্রামে রেখে
কাজের খোঁজে ঢাকায় পাড়ি জমান।
২০০৯
সালে পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি কাজ পান বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে। সেখান
থেকেই শুরু হয় এক দীর্ঘ সহযাত্রা। রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এক নেত্রীর দৈনন্দিন
জীবনের নীরব সাক্ষী হয়ে ওঠেন তিনি। বাথরুমে নেওয়া–আসা, ওষুধ খাওয়ানো, শারীরিক দুর্বলতায়
হাত ধরে রাখা এসব কাজ তার কাছে শুধু দায়িত্ব ছিল না, ছিল সম্পর্কের দায়।
২০১৪
সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচির সময় গুলশানের বাসভবনের সামনে
বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে পথ অবরুদ্ধ করা হয়। গাড়িতে উঠেও বেরোতে না পেরে ফিরোজার দোরগোড়ায়
দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন খালেদা জিয়া। পুলিশের চাপের মধ্যে শরীরের ভার সামলাতে
না পারার মুহূর্তে নীরবে তার হাত শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন ফাতেমা। ক্যামেরার ফ্রেমে
ধরা পড়ে যায় সেই মানবিক দৃশ্য।
২০১৮
সালের ৮ ফেব্রুয়ারি আদালতের রায়ে খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে আইনজীবীরা আবেদন করেন,
তার গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম যেন সঙ্গে থাকতে পারেন। আদালতের অনুমতিতে ছয় দিন পর তিনি
নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াই
স্বেচ্ছায় হয়ে ওঠেন কারাবন্দি।
২০২১
সালের এপ্রিল মাসে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৩ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া।
যখন মহামারির ভয়ে প্রিয়জনের কাছেও যেতে মানুষ দ্বিধায় ছিল, তখন ফাতেমা ছিলেন অবিচল
সেবিকা হয়ে, সাহস হয়ে, ছায়া হয়ে।
সবশেষ
লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার সময়ও খালেদা জিয়ার সঙ্গেই ছিলেন তিনি। আগের বিদেশ সফরগুলোতেও
নীরবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফাতেমা
বেগম কোনো রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন না, কোনো পদও ছিল না। তবু ইতিহাসের কঠিন মুহূর্তগুলোতে
তার উপস্থিতি ছিল অবিচ্ছেদ্য। তিনি প্রমাণ করে গেছেন সব সম্পর্ক ক্ষমতার নয়, কিছু সম্পর্ক
শুধু দায়িত্ব আর মানবিকতার। রাজনীতির কোলাহলের ভিড়ে তিনি ছিলেন এক নীরব নাম। কিন্তু
সেই নীরবতাই তাকে আলাদা করে চিহ্নিত করে।
মন্তব্য করুন


মালিক গরু কেনার টাকা দেওয়ার পরও চুরি করা গরু জবাই করে সেই মাংস দিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন বাড়ির কেয়ারটেকার। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাজুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড়।
গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সিলেটের ওসমানীনগরের পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের গলমুখাপন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই ইফতার মাহফিলে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরাসহ কয়েক গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক রোজাদার অংশ নেন। এদিকে কেয়ারটেকার এমন কর্মকাণ্ডে লজ্জায় দেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে চলে গেছেন প্রবাসী আহমদ মধু।
জানা গেছে, গলমুখাপন গ্রামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইউনাইটেড গলমুখাপন ট্রাস্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আজাদ আহমদ সাদ মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আহমদ মধু ও সাধারণ সম্পাদক বুরহান মিয়া।
ইফতারের আগের দিন একই গ্রামের নাজমুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির একটি গরু পার্শ্ববর্তী মাঠ থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গরুটির সন্ধান পাননি তিনি। এদিকে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আহমদ মধু ইফতারের জন্য তার বাড়ির কেয়ারটেকার সাঈদীকে তিনটি গরু কেনার টাকা দেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কেয়ারটেকার সাঈদী গরু না কিনে নাজমুল ইসলামের হারিয়ে যাওয়া গরুটি মাঠ থেকে ধরে এনে জবাই করেন।
পরে বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামবাসী প্রবাসীর বাড়িতে গিয়ে কৈফিয়ত চাইলে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা যায়- ইফতারের জন্য জবাই করা গরুটি প্রকৃতপক্ষে নাজমুল ইসলামেরই ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রবাসী আহমদ মধু তাৎক্ষণিকভাবে গরুর মালিককে নগদ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করে বিষয়টি মীমাংসা করেন। বিব্রতকর এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার রাতেই তিনি যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ করেন।
এদিকে গরুর মালিককে অর্থ পরিশোধের পর প্রবাসী নিজে এই ঘটনায় জড়িত নন দাবি করে একটি ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কেয়ারটেকার সাঈদী পলাতক রয়েছেন।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরশেদুল আলম ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। তবে এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন