

এরমধ্যে ২০টি ফ্লাইট
সরাসরি জেদ্দায় যাবে, দুটি ফ্লাইট যাবে মদিনা।
বিমান
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স চট্টগ্রাম জেলার ব্যবস্থাপক মো. শাহাদাত হোসেন জানান, ১৪ মে
ভোররাত ৩টা ৫০ মিনিটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হজযাত্রীদের নিয়ে
বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৭১৭ যোগে প্রথম ফ্লাইট যাত্রা শুরু করবে। প্রথম ফ্লাইটে
৪১৯ জন যাত্রী মদিনা যাবেন।
এই
বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করতে যাবেন ৮৩ হাজার ২০২ জন। এর মধ্যে
সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৪ হাজার ৩০৭ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৭৮
হাজার ৮৯৫ জন।
এর
আগে ৯ মে ঢাকা থেকে এ বছরের হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে। ঢাকা থেকে এদিন হজযাত্রীদের
নিয়ে প্রথম ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা দেবে। এরপর শিডিউল অনুযায়ী পরবর্তী
ফ্লাইটগুলো ছাড়া হবে।
চাঁদ
দেখা সাপেক্ষে ১৬ জুন পালিত হতে পারে হজ। প্রতিবছর সাধারণত একমাস আগে থেকে শুরু হয়
হজ ফ্লাইট। তার আগে হজযাত্রীদের ভিসা, ফ্লাইট শিডিউল সংক্রান্ত কাজ শেষ করে থাকে
ধর্ম মন্ত্রণালয় ও এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইরান।
মঙ্গলবার
(৩০ ডিসেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের দূতাবাস এক শোকবার্তায় জানায়, বেগম খালেদা জিয়া
ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নেত্রী। এ দেশের রাজনৈতিক
ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। বেগম জিয়া গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা
ও বাংলাদেশের জনজীবনে রেখেছেন উল্লেখযোগ্য অবদানও।
‘বেগম খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রীত্বকালে
বাংলাদেশ ও ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে
বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় ছিল।’
শোকবার্তায়
আরও বলা হয়, খালেদা জিয়ার পরিবার-পরিজন, বিশেষ করে তার পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান, পাশাপাশি তার সহকর্মী ও অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা। একইসঙ্গে তার
বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছি। এর আগে, ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ৬টায় খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া
ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বেগম
জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা
গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সাত দিন শোক পালনের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি।
উল্লেখ্য,
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া,
কারাভোগ করেছেন। চিকিৎসার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বেগম জিয়া।
এরপর করোনার কারণে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিলেও গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য়
বন্দি রাখা হয়।
আওয়ামী
লীগের শাসনামলে চিকিৎসা না পাওয়ায় ধীরে ধীরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার
সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় খালেদা জিয়ার।
এরমধ্যে
২০২৪ সালের জুলাইতে কোটা সংস্কার আন্দোলন দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয় আন্দোলন, যা শেষ পর্যন্ত
সরকার পতনের আন্দোলনে গড়ায়। টানা ৩৫ দিনের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে পর ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে
ভারতে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা। পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি মো.
সাহাবুদ্দিন।
এরপর
উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। ১১৭ দিন লন্ডনে
অবস্থান শেষে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। তার স্বাস্থ্যের অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। তবে
নানা রোগে জটিলতা ও শরীর–মনে ধকল সহ্য করে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন।
বয়সও ছিল প্রতিকূল। প্রায়ই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তেন। হাসপাতালে ভর্তি করানো হতো।
সবশেষে
গত ২৩ নভেম্বর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক মাসের কিছু বেশি সময়
তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটকে সামনে রেখে সশস্ত্র বাহিনীসহ ১৬টি বিভাগ ও
সংস্থার সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত আলোচনা ও সমন্বয় সভা করেছে নির্বাচন কমিশন।
আজ রবিবার ( ১১ জানুয়ারি ) সকাল ৯টায়
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগে. জেনা.
(অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহর সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ সভা
অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে
বর্ডার গার্ড, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, জাতীয় নিরাপত্তা
ও গোয়েন্দা অধিদফতর, ডিজিএফআই, জাতীয় টেলিযোগাযোগ মনিটরিং সেন্টার ও র্যাপিড একশন
ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সহ বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনীর মহাপরিচালকসহ প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার
ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে
নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ আসন্ন ভোটকে কেন্দ্র করে যে কোনো ধরনের সহিংসতা ঠেকাতে
জোরালো ভূমিকা রাখতে মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। হাসপাতালে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা জানান, হাদির মাথায় গুলির আঘাত রয়েছে এবং মাথা লক্ষ্য করেই হামলা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি ওসেক ইউনিটে চিকিৎসাধীন।মতিঝিল বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, ঘটনাস্থল হিসেবে বিজয়নগর এলাকা শোনা যাচ্ছে, তবে পুলিশ টিম যাচাই করছে।হাদিকে হাসপাতালে নেওয়া মিসবাহ জানান, জুমার নামাজের পর বিজয়নগর কালভার্ট এলাকার কাছে মোটরসাইকেলে আসা দু’জন হামলাকারী গুলি ছোড়ে। গুলিটি হাদির বাম কানের নিচে লাগে। পরে রিকশায় করে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় আছেন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে।
জানা যায়, গত নভেম্বর মাসে হাদি বিভিন্ন দেশি-বিদেশি নম্বর থেকে নিয়মিত হুমকি পাচ্ছিলেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তাকে হত্যা, পরিবারকে আক্রমণ এবং বাড়িতে আগুন দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঠুঁঠাপাড়া সীমান্ত এলাকা থেকে দুই ভারতীয় ও এক বাংলাদেশি গরু চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে মনাকষা ইউনিয়নের ঠুঁঠাপাড়া গ্রামে বাংলাদেশি চোরাকারবারি মারুফের বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন বিষয়টি নিশ্চিত করে।
আটক ভারতীয়রা হলেন—মালদহ জেলার পার বৈদ্যনাথপুর গ্রামের আব্দুল কাদির (৩০) ও দেলোয়ার হোসেন (৩৪)। বাংলাদেশি আটক চোরাকারবারির নাম মো. মারুফ।
বিজিবি জানায়, ৩ ডিসেম্বর ভোরে কাঁটাতারবিহীন ফতেহপুর সীমান্ত দিয়ে চারটি গরু নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন ওই দুই ভারতীয়। স্থানীয় চোরাকারবারি ফজেলের কাছে গরুগুলো হস্তান্তর করলেও ভোর হয়ে যাওয়ায় তারা ভারতে ফিরতে পারেননি। সারাদিন পদ্মার চরে লুকিয়ে থাকার পর মারুফের সহায়তায় ঠুঁঠাপাড়ায় আশ্রয় নেন।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


যাত্রীদের জিম্মি করে বাংলাদেশ রেলওয়ের
রানিং স্টাফদের কর্মসূচি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ট্রেন চলাচল
বন্ধের পর সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করতে এসে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
বলেন, স্টাফদের দাবির বিষয়ে আমাদের আলোচনার দরজা সব সময় খোলা রয়েছে। প্রয়োজনে আমরা
তাদের সঙ্গে আবারও আলোচনা করব এবং অর্থ বিভাগেও তাদের এ দাবি দাওয়া নিয়ে আলোচনা করব।
যাত্রীদের ভোগান্তি যাতে কম হয় সেজন্য ইতোমধ্যে গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছি।
এরপরও কোনো যাত্রী যদি স্টেশনে আসেন তাদের সুবিধা বিবেচনা করে আমরা বিআরটিসি বাসের
ব্যবস্থা করে দিয়েছি। যাতে রেলের যে রুটগুলো আছে সেখানে যাত্রীরা যেতে পারেন।
রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির
খান বলেন, স্টাফদের যে দাবি মাইলেজ অ্যালাউন্সের দাবি, তা দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে।
তাদের এ দাবির অনেক অংশ আমরা ইতোমধ্যে পূরণ করেছি। বাকি দাবিগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা
করতে প্রস্তুত আছি। রেলতো কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি না, এখানে আলোচনার সুযোগ আছে। রেল
বন্ধের ফলে কিন্তু সরকারের অসুবিধা হচ্ছে না, অসুবিধা সাধারণ যাত্রীদের হচ্ছে। আমরা
চাই এর সমাধান দ্রুত হোক। কারণ সামনে ইজতেমা আছে।
পরিদর্শনকালে বিআরটিসির চেয়ারম্যান
তাজুল ইসলাম বলেন, কমলাপুর ও এয়ারপোর্ট স্টেশনে যাত্রীদের জন্য ১০টি করে মোট ২০টি গাড়ি
প্রস্তুত আছে। প্রয়োজন হলে বাস আরও বাড়ানো হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রেলপথ সচিব মো.
ফাহিমুল ইসলাম, রেলওয়ে ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আরিফ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম শুক্রবার এ কথা পুনরায় নিশ্চিত করেছেন।
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার প্রখ্যাত কবি ফররুখ আহমদের পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শনকালে শফিকুল আলম আসন্ন সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
তার মতে, রাজনৈতিক বৈচিত্র্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক দিক। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকা খুবই স্বাভাবিক। যদি না থাকত, তাহলে আলাদা দল থাকত না।
এসময় তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন যে, নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন স্থগিত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বলেও আশ্বস্ত করেন শফিকুল আলম।
পাশপাশি নির্বাচনী প্রক্রিয়া ব্যাহত করার যেকোনো প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি দেন।
প্রেস সচিব বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অঙ্গীকার অনুযায়ী নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে। এ প্রক্রিয়া নস্যাৎ করার কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।
আসন্ন নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রেস সচিব এটিকে ‘ভিত্তিপ্রস্তর নির্বাচন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শিশুরাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার। বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে শিশুদের সুন্দর বিকাশের জন্য গুরুত্ব প্রদান করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
সোমবার (৭ অক্টোবর) ‘বিশ্ব শিশু দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে উপযুক্ত পরিবেশ, শিক্ষা, নিরাপত্তা, পুষ্টি ও সুস্থ বিনোদনের বিকল্প নেই। শিশুরা স্নেহ, মমতা ও মুক্তচিন্তার চেতনায় সমৃদ্ধ হয়ে বেড়ে উঠলে আগামী দিনের বাংলাদেশ গঠনে তারা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আজকের শিশুরাই আগামীর শিল্পী, সাহিত্যিক, দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক ও প্রকৌশলীসহ নানা পেশায় দক্ষ হয়ে উঠবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার শিশুর প্রতি বঞ্চনা, শিশুশ্রম, অপুষ্টি ও বাল্যবিয়েসহ অন্যান্য সমস্যা যা শিশুর সঠিক বিকাশের অন্তরায়, সেসব চিহ্নিত করে সমাধান করতে বদ্ধপরিকর।
‘বিশ্ব শিশু দিবস ২০২৪' উদযাপনে নেওয়া কর্মসূচি শিশুর সার্বিক বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিশু নিরাপদ ও নিবিড় স্নেহ যত্নে বেড়ে উঠুক- আজকের দিনে এটাই আমার প্রত্যাশা।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে “বিশ্ব শিশু দিবস ২০২৪” উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিশুকে স্নেহ ও ভালোবাসা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের ঊষালগ্নে বিশ্ব শিশু দিবস পালনের গুরুত্ব নতুন মাত্রায় উপনীত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফেসবুক পোস্টে
তাসনিম জারা লিখেছেন, ‘মাত্র ৭ ঘণ্টায় আপনারা ১২ লাখ টাকারও বেশি পাঠিয়েছেন। এতটা অভূতপূর্বভাবে
আপনারা পাশে দাঁড়াবেন, তা সত্যিই আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল। আপনাদের প্রতি আন্তরিক
কৃতজ্ঞতা।’
জনগণের কাছে
নির্বাচনের তহবিল চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ
সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। এজন্য
নিজের বিকাশ পার্সোনাল নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রকাশ করেছেন।
তাসনিম জারা
আরও জানান, তার মোট লক্ষ্যমাত্রা ৪৬,৯৩,৫৮০ টাকা। আর ৩৪ লাখ টাকা সংগ্রহ সম্পন্ন হলেই
ফান্ডরেইজিং বন্ধ করে দেবেন তিনি।
এর আগে আরেক
পোস্টে তিনি জানান, বিকাশ একদিনে সর্বোচ্চ লেনদেনের সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে। ফলে এই
মাধ্যমে এদিনের জন্য আর লেনদেন করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্য মাধ্যমগুলোতে টাকা পাঠানোর
অনুরোধ করেন তিনি।
অনুদান চেয়ে
দেওয়া পোস্টের ৪ ঘণ্টা পর তিনি জানান ৫ লাখ ২৬ হাজার টাকা পেয়েছিলেন তিনি।
জারা বলেন,
আমি এ অসততা ও মিথ্যার রাজনীতি করবো না। আমি প্রতিজ্ঞা করছি যে, আইনে অনুমোদিত টাকার
বাইরে আমি এক টাকাও খরচ করবো না। অনেকে বলেছেন, এত অল্প বাজেটে নির্বাচন করা অসম্ভব।
আমি তাদের বলেছি, নতুন বাংলাদেশ গড়তে অন্য উপায় নেই।
জারা লিখেন,
নির্বাচনের খরচ যখন ১০ কোটি বা ২০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায় তখন সেই টাকা তোলার জন্য
নির্বাচিত হওয়ার পর চাঁদাবাজি আর টেন্ডারবাজি করাটা তাদের জন্য ‘বাধ্যতামূলক’ হয়ে
দাঁড়ায়। এভাবেই রাজনীতিটা সাধারণ মানুষের হাত থেকে ছিনতাই হয়ে মুষ্টিমেয় কিছু সিন্ডিকেটের
হাতে চলে যায়।
এ সংসদ সদস্য
প্রার্থী আরও লিখেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী এ নির্বাচনে আমি মোট ৪৬ লাখ ৯৩
হাজার ৫৮০ টাকা ব্যয় করতে পারবো। আমি এ টাকাটা আপনাদের কাছ থেকে চাই।
এনসিপির এ নেত্রী
লিখেন, আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও বিকাশ নম্বর দিচ্ছি। এগুলো একদম নতুন অ্যাকাউন্ট।
কত টাকা আসছে আর কত খরচ হচ্ছে, প্রতিটি টাকার হিসাব আমি স্বচ্ছভাবে আপনাদের সামনে প্রকাশ
করবো, প্রমাণসহ।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা হাজী
আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
আজ
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য ফোন
করা হয়েছে। হাজী ইয়াছিনের একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্র কালের কণ্ঠকে এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
এদিন
দুপুরের দিকে বিএনপির এই নেতাকে সংসদ সচিবালয় থেকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে প্রস্তুত
থাকার জন্য ফোন করা হয়েছে।
তবে
তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হাজী
ইয়াছিন অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তার অনুসারীরা
দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে রাজপথে লাগাতার আন্দোলন করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি স্বতন্ত্র
প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লা-৬ আসনে (সদর, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ও কুমিল্লা সিটি কপোরেশন)
নিজের মনোনয়ন জমা দেন। পরবর্তীকালে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুরোধে তিনি মনোনয়ন
প্রত্যাহার করেন এবং দলীয় প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করতে তার পক্ষে নির্বাচনী
প্রচারণায় অংশ নেন।
১৯৯৬
সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন কুমিল্লা-৯ আসনে থেকে সংসদ
সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে তিনি কুমিল্লা কোতয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত
হন। ২০০১ সালে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মনোনিত হন। ২০০৯ সালে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা
বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হন।
২০২২
সালের ৩০ মে হাজী ইয়াছিনকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ঘোষণা করা হয়। সর্বশেষ
২০২৫ সালের ১২ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের
সদস্য মনোনীত হন তিনি।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে সরকারের তরফ থেকে কোনো আপত্তি
বা বিধি-নিষেধ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
আজ
শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা
বলেন।
পোস্টে
তিনি উল্লেখ করেন, ‘তারেক রহমানের আজকের বক্তব্য যে, এখনই দেশে ফেরার বিষয় সিদ্ধান্ত
নেওয়ার সুযোগ তার জন্য অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’,
এটা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলমের কাছে জানতে চাওয়া হয় যে
তার বাংলাদেশ প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে কোনো ধরনের বিধি-নিষেধ রয়েছে
কি না?
তিনি
লিখেছেন, ‘প্রেসসচিব জানান যে এ ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোনো বিধি-নিষেধ অথবা কোনো
ধরনের আপত্তি নেই।’ তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘খালেদা জিয়ার
শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ইতোমধ্যে গভীর উদ্বেগ
প্রকাশ করেছেন এবং তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এর
আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মায়ের অসুস্থতা ও দেশে ফেরা প্রসঙ্গে পোস্ট করেন তারেক
রহমান। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা
যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে
আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই
বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।
মন্তব্য করুন