

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে আওতায় খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঈশ্বরদী জংশন অতিক্রম করা রাজশাহীগামী আন্তনগর কপোতাক্ষ একপ্রেস ট্রেনের 'ঙ' নাম্বার বগিতে স্বর্ণা আক্তার (২০) নামে এক প্রসূতির হঠাৎ প্রসব ব্যথা ওঠে। পথে পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে পৌঁছালেই ট্রেনের মধ্যেই একটি ছেলে নবজাতকের জন্ম দেন ওই প্রসূতি।
আজ সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১১ টা ৪০ মিনিটে পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে ট্রেনে ভূমিষ্ঠ হয় শিশুটি। বর্তমানে মা ও মেয়ে শিশুকে মেয়েকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ট্রেনে সন্তান জন্মদানকারী প্রসূতি স্বর্ণা ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের হুগরি পান্তাপাড়া গ্রামের ইয়াসিন আরাফাতের সহধর্মিণী।
আন্তঃনগর কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের কর্তব্যরত খুলনার ট্রেন পরিচালক (গার্ড) ইলিয়াস কবীর সেলিম বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, সোমবার (৮ এপ্রিল) যথারীতি খুলনা থেকে রাজশাহীগামী আন্তনগর ৭০৫ নাম্বার কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসে। ট্রেনটি সকাল সোয়া নয়টার দিকে দর্শনা রেলস্টেশনে পৌঁছালে ওই প্রসূতি নারী তার পরিবারসহ দর্শনা রেলস্টেশন থেকে 'ঙ' নাম্বার বগিতে ওঠে। ট্রেনটি বেলা পৌনে ১১টার দিকে ভেরামারা রেলস্টেশনে এলে প্রসূতির প্রসব বেদনা ওঠে।
এ সময় ওই ট্রেনের পরিচালক (গার্ড) তাপস কুমার আমাকে বিষয়টি অবগত করেছেন। যে, 'ঙ' নাম্বার বগিতে এক প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠেছে। এ সময় আমি মাইকিং করে ট্রেনে কোনো ডাক্তার আছে কিনা? ঘোষণা করলে খুলনা-রাজশাহী রুটের আলমডাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে ওঠা রাজশাহী অভিমুখে যাওয়া ট্রেন যাত্রী ঢাকাস্থ বেসরকারি হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোছাম্মৎ নাজনীন আক্তার দ্রুত এসে ' ঙ' নাম্বার বগিতে এসে পরিচয় দেন, তিনি ডাক্তার।
এদিকে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের সময় ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে এলে একটি ছেলে শিশু ভূমিষ্ঠ হয়।
ওই ট্রেনের যাত্রী, নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোছাম্মৎ নাজনীন আক্তার বলেন, আমি ট্রেনে আলমডাঙ্গা থেকে রাজশাহী যাচ্ছিলাম। মাইকিং শোনার পর আমি 'ঙ' বগিতে যাই। সেখানে কাপড় টাঙিয়ে ৩ সিটের একটি চেয়ারে শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়। জন্ম নেওয়া বাচ্চাটি নরমাল ডেলিভারিতে বেশ সুস্থভাবেই জন্ম হয়েছে। তাই কোনো সমস্যা হয়নি। বর্তমানে মা ও শিশু সুস্থ আছে।
পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ জানান, ট্রেনটি রাজশাহী স্টেশনে পৌঁছানোর পর রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহায়তা নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ আছে।চলন্ত ট্রেনে ব্যথায় কাতর প্রসূতি, জন্ম দিলেন ছেলে শিশু ।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে আওতায় খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঈশ্বরদী জংশন অতিক্রম করা রাজশাহীগামী আন্তনগর কপোতাক্ষ একপ্রেস ট্রেনের 'ঙ' নাম্বার বগিতে স্বর্ণা আক্তার (২০) নামে এক প্রসূতির হঠাৎ প্রসব ব্যথা ওঠে। পথে পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে পৌঁছালেই ট্রেনের মধ্যেই একটি ছেলে নবজাতকের জন্ম দেন ওই প্রসূতি।
আজ সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১১ টা ৪০ মিনিটে পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে ট্রেনে ভূমিষ্ঠ হয় শিশুটি। বর্তমানে মা ও মেয়ে শিশুকে মেয়েকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ট্রেনে সন্তান জন্মদানকারী প্রসূতি স্বর্ণা ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের হুগরি পান্তাপাড়া গ্রামের ইয়াসিন আরাফাতের সহধর্মিণী।
আন্তঃনগর কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের কর্তব্যরত খুলনার ট্রেন পরিচালক (গার্ড) ইলিয়াস কবীর সেলিম বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, সোমবার (৮ এপ্রিল) যথারীতি খুলনা থেকে রাজশাহীগামী আন্তনগর ৭০৫ নাম্বার কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসে। ট্রেনটি সকাল সোয়া নয়টার দিকে দর্শনা রেলস্টেশনে পৌঁছালে ওই প্রসূতি নারী তার পরিবারসহ দর্শনা রেলস্টেশন থেকে 'ঙ' নাম্বার বগিতে ওঠে। ট্রেনটি বেলা পৌনে ১১টার দিকে ভেরামারা রেলস্টেশনে এলে প্রসূতির প্রসব বেদনা ওঠে।
এ সময় ওই ট্রেনের পরিচালক (গার্ড) তাপস কুমার আমাকে বিষয়টি অবগত করেছেন। যে, 'ঙ' নাম্বার বগিতে এক প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠেছে। এ সময় আমি মাইকিং করে ট্রেনে কোনো ডাক্তার আছে কিনা? ঘোষণা করলে খুলনা-রাজশাহী রুটের আলমডাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে ওঠা রাজশাহী অভিমুখে যাওয়া ট্রেন যাত্রী ঢাকাস্থ বেসরকারি হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোছাম্মৎ নাজনীন আক্তার দ্রুত এসে ' ঙ' নাম্বার বগিতে এসে পরিচয় দেন, তিনি ডাক্তার।
এদিকে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের সময় ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে এলে একটি ছেলে শিশু ভূমিষ্ঠ হয়।
ওই ট্রেনের যাত্রী, নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোছাম্মৎ নাজনীন আক্তার বলেন, আমি ট্রেনে আলমডাঙ্গা থেকে রাজশাহী যাচ্ছিলাম। মাইকিং শোনার পর আমি 'ঙ' বগিতে যাই। সেখানে কাপড় টাঙিয়ে ৩ সিটের একটি চেয়ারে শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়। জন্ম নেওয়া বাচ্চাটি নরমাল ডেলিভারিতে বেশ সুস্থভাবেই জন্ম হয়েছে। তাই কোনো সমস্যা হয়নি। বর্তমানে মা ও শিশু সুস্থ আছে।
পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ জানান, ট্রেনটি রাজশাহী স্টেশনে পৌঁছানোর পর রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহায়তা নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ আছে।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীর (১১) বিয়ে পড়ানো হয়েছে। কাজি ডাকারও তোড়জোড় চলছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ইউএনও। বিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বর ও কনের পরিবার। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। সড়কে আটকে রেখে বসানো হয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারাদণ্ড দেওয়া হর বর, বরের খালা ও কনের মাকে।
সোমবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে জয়পুরহাট শহরের সাহেবপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটেছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশেদুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: শহরের সাহেবপাড়া এলাকায় ফয়জুল হকের ছেলে নাহিদ হাসান (২০), তার খালা রুমা ও কনের মা মাজেদা। এদের মধ্যে নাহিদকে এক মাস, তার খালা ও কনের মাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মেয়ে ও ছেলের পরিবার একই মহল্লার বাসিন্দা। ১১ বছর বয়সী ওই মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। তার বিয়ে দেওয়ার জন্য ছেলেকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। স্থানীয় মৌলভি ডেকে বিয়ে পড়ানো হয়। কাজী ডাকার তোড়জোড় চলছিল। কিন্তু গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে হাজির হন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশেদুল ইসলাম।
আর এই খবরে পালিয়ে যান বর ও কনের পরিবার। তাদের পিছু নিয়ে সড়কেই আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বাল্যবিবাহের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে কনের মাকে ১৫ দিন। বরকে এক মাস ও অভিভাবক হিসেবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা বরের খালাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ইউএনও মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে শোনা যায়, স্থানীয় মৌলভি ডেকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে রেজিস্ট্রি করা হয়নি বা কোনো ডকুমেন্ট নাই। মেয়ের বয়স কম, সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। এ কারণে বাল্যবিবাহ আইনে মেয়ের মা, বর ও বরের খালাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কারাদণ্ডের পর তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিসা বৈদ্য বাজার এলাকা হতে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ ৩জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৮ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিসা বৈদ্য বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: কক্সবাজার জেলার সদর থানার পাহাড়তলী গ্রামের রশিদ আলম এর ছেলে মোঃ হাশেম (২০), একই গ্রামের মৃত ফয়েজ আহমেদ এর ছেলে মোঃ ফয়সাল (৩০) এবং একই থানার বৈদ্যঘোনা গ্রামের আব্দুল হাকিম এর ছেলে মোঃ জাহেদ হোসেন (২৭)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত মাইক্রোবাস ব্যবহার করে কক্সবাজার, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
আগামী ২১শে ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার শাখার কর্মী সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত দাওয়াতী অভিযান ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকালে কচুয়া পৌর বাজারের বিভিন্ন সড়কে গিয়ে বাজার ব্যবসায়ী,পথচারী ও সাধারন মানুষকে দাওয়াত দেন এবং উপস্থিতি কামনা করে লিফলেট বিতরণ করেন নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি ২১ ডিসেম্বর শনিবার হযরত শাহ নেয়াতমত শাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ কর্মী সম্মেলনকে সফল করতে সকলের দোয়া কামনা করেছেন জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীরা।
এসময় জেলা নায়েবে আমির এডভোকেট মাসুদুল ইসলাম বুলবুল,কচুয়া উপজেলা আমীর এডভোকেট আবু তাহের মেসবাহ,নায়েবে আমির মাষ্টার সিরাজুল ইসলাম,সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী ও পৌর আমীর আমিনুল হক আজহারী সহ অন্যান্যরা দাওয়াতী কাজে অংশগ্রহন করেন।
উল্লেখ্য যে, ২১ ডিসেম্বর শনিবার কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, বালাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, চাঁদপুর জেলা আমীর মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজী,নায়েবে আমীর এডভোকেট মাসুদুল ইসলাম বুলবুল,সেক্রেটারী এডভোকেট শাহজাহান মিয়া,বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী। কর্মী সম্মেলনটি সভাপতিত্ব করবেন, কচুয়া উপজেলা শাখা আমীর এডভোকেট আবু তাহের মেসবাহ।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় ভয়াবহ এক হত্যাকাণ্ডের দুই বছর পর তার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ভাবি ও ভাতিজাকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে দেবর সাদিকুর রহমান সাদেকের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. কাইউম খান জানান, ২০২২ সালের ২ জুলাই রাতে টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। ওই রাতে সাদিকুর রহমান তার ভাবি রাজিয়া সুলতানা কাকলীর কাছে কিছু টাকা ধার চান। কিন্তু কাকলী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাদিকুর ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন। মুহূর্তের উত্তেজনায় তিনি ঘরে থাকা ধারালো বটি দিয়ে রাজিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করেন।
এরপর ঘরে ঘুমিয়ে থাকা রাজিয়ার আট বছর বয়সী শিশু পুত্র তালহাকেও একইভাবে হত্যা করে সে। হত্যার পর আলমারিতে রাখা কিছু স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় সাদিকুর।
পরদিন নিহত রাজিয়ার মা তাসলিমা বেগম আড়াইহাজার থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তদন্তে সাদিকুর রহমান সাদেকের সম্পৃক্ততা উদ্ঘাটন করে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে।
দীর্ঘ দুই বছর ধরে সাক্ষ্যপ্রমাণ, তদন্ত ও শুনানি শেষে আদালত বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেন। বিচারক আসামির অপরাধকে ‘নির্মম ও পরিকল্পিত’ বলে মন্তব্য করেন এবং তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটলেও নিহতদের পরিবার এখনো শোকে মূহ্যমান। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, এ রায়ের মাধ্যমে কিছুটা হলেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শনিবার
(২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে ২৮০ বোতল ফেনসিডিলসহ জামাতা ও শাশুড়িকে আটক
করেছে যৌথবাহিনীর সদস্যরা।
আটককৃতরা
হলো- দর্শনা থানার মোহাম্মদপুর এলাকার মাদকবিক্রেতা আরিফের স্ত্রী চায়না খাতুন (৩৭) ও ঝিনাইদহ জেলার
মহেশপুর উপজেলার দত্তনগর ফার্ম (কারিনচা) এলাকার ইদ্রিস মিয়ার ছেলে রাজা মিয়া (জামাতা)।
জানা
গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নাজমুল হাসান খান ও সেনাবাহিনীর ৫৫
পদাতিক ডিভিশনের ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দর্শনা মোহাম্মদপুর এলাকার আরিফের ভাড়া বাসায় শনিবার অভিযান চালায়। অভিযানকালে ওই বাড়ি থেকে
২৮০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ শাশুড়ি চায়না ও জামাতা রাজাকে
আটক করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নাজমুল হাসান খান জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক সাহারা
খাতুন বাদী হয়ে আটককৃত ওই দুজনের বিরুদ্ধে
দর্শনা থানায় মাদক মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (২৬ এপ্রিল) ভ্যাটিকান সিটিতে পোপ ফ্রান্সিসের
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন।
গত সোমবার ৮৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করা
পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আজ সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প, প্রিন্স উইলিয়ামসহ বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা এবং বিশিষ্টজন সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে
এ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন।
অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বের শীর্ষস্থানীয়
নেতা এবং বিশিষ্টজনদের মাঝে আসন গ্রহণ করেন।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা
ফন ডার লেইন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, স্পেনের রাজা ফিলিপ ষষ্ঠ
ও রানি লেতিজিয়া, জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার, বিদায়ী চ্যান্সেলর
ওলাফ শলৎজ, ইতালির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেল্লা এবং প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিসহ
অন্যান্য ইউরোপীয় নেতা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত রয়েছেন।
ইতালির পুলিশ জানিয়েছেন, পোপ ফ্রান্সিসের
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উপলক্ষ্যে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ সেন্ট পিটার্স স্কয়ার ও এর
আশপাশের রাস্তায় জমায়েত হয়েছেন। অনুষ্ঠান শুরুর এক ঘণ্টা আগে ৪০ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতা
সম্পন্ন সেন্ট পিটার্স স্কয়ার প্রায় পূর্ণ হয়ে যায়। ভ্যাটিকানের দিকে যাওয়া ভিয়া দেলা
কনসিলিয়াজিওন সড়ক এবং আশপাশের রাস্তায় প্রায় ১ লাখ মানুষ আগেই উপস্থিত হন।
প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিস অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূসের কাজের দারুণ ভক্ত ছিলেন এবং তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করতেন। বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অধ্যাপক ইউনূসের কর্মযজ্ঞ এবং তাঁর ‘তিন শূন্য’ তত্ত্ব —যেখানে কোনো বেকারত্ব, দারিদ্র্য এবং কার্বন নিঃসরণ
থাকবে না, এর প্রশংসা করতেন। রোমের ভ্যাটিকানে তিনি ২০০৬ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর
সঙ্গে যৌথভাবে ‘তিন শূন্য উদ্যোগ’ও চালু করেছিলেন।
(সূত্র : বাসস)
মন্তব্য করুন


জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ১টি পিকআপ উদ্ধার।
গত সোমবার রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই (নিঃ)/ নাসিম উল হক ইমরান সঙ্গীয় এএসআই/সজীব বড়ুয়া, এএসআই/জনি দেবদাস ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুরাদনগর থানাধীন পূর্ব নগরপাড় সাকিনস্থ গকুলনগর গামী রাস্তার পশ্চিম পাশ্বে জনৈক দুলাল মিয়ার মাঠে পৌঁছালে একটি রেজিঃ নম্বরবিহীন নীল রংয়ের পিকআপ গাড়ী পার্কিং করা অবস্থায় দেখে।
উক্ত গাড়ীর নিকট থাকা চালকসহ ০২/০৩ জন লোক ডিবি পুলিশ হিসেবে চিনতে পেরে তারা এদিক সেদিক ছুটাছুটি করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আশপাশ হতে আগত উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় পলাতক আসামীদের পার্কিং করা রেজিঃ নম্বরবিহীন নীল রংয়ের পিকআপ গাড়ীটি তল্লাশী করে গাড়ীর পিছনের বডিতে বিশেষ কায়দায় তৈরী সেটিং বক্সের ভিতরে লুকানো অবস্থায় খাকী স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো ছোট-বড় মোট ১৭টি পোটলায় সর্বমোট ৫২ কেজি গাঁজা সহ ০১টি পিকআপ গাড়ী উদ্ধার করা হয়।
উক্ত ঘটনায় মুরাদনগর থানায় এজাহার দায়ের করলে মুরাদনগর থানার মামলা নং-০৭, তারিখ-১৩/১১/২০২৩খ্রিঃ, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১৯(গ) রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি
কুমিল্লা মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করেছে ।
শনিবার বিকেলে মাদকবিরোধী এ টাস্কফোর্স অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ ১ জনকে আটক করা হয়
।
আদর্শ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)মো: মেহেদী হাসান এর নেতৃত্বে ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর নির্দেশনায় এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম এর সার্বিক তত্বাবধানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন নিশ্চিন্তপুর বাজারে পরিচালিত এ টাস্কফোর্স অভিযানে ডিএনসি-কুমিল্লা, পুলিশ ও বিজিবির সদস্যদের অংশগ্রহণে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানাধীন মোসা: মিলন বিবি (৬৩) কে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয় ।
আসামীর
বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
পৃথক পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবদল নেতাসহ তিনজনের।
গতকাল
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে বুধবার (২০ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত জেলার আদর্শ সদর,দেবিদ্বার
ও বুড়িচং উপজেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
দলীয়
কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে গতকাল মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় আদর্শ সদর উপজেলার রত্নবতী
এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন কুমিল্লা সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক
মো. কবীর হোসেন (৪৮)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায়
ঢাকায় নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা
যান।
তার
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল
ইসলাম।
অপরদিকে,
মোটরবাইকে স্বামীর সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বুড়িচং উপজেলার
শংকুচাইল এলাকায় ছিটকে পড়ে নিহত হন হ্যাপি ভৌমিক (৪৫) নামে এক নারী।
স্বজনরা জানান, ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে কালভার্টে উঠতে গিয়ে তিনি মোটরবাইক থেকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে নগরীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে,
বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক
মহাসড়কে ট্রাক ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হন সিএনজিচালক মনির
হোসেন (৩৯)।মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার মোহাম্মদপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি।
বিষয়টি
নিশ্চিত করে মীরপুর হাইওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আনিসুর রহমান জানান, ঘাতক ট্রাকটি জব্দ
করা হয়, চালক পালিয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


নওগাঁয় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার নওগাঁ-সান্তাহার সড়কের
শাহাপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় নিহতের পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুসন্তানসহ দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার রায়কালী গ্রামের এনামুল
হক (৪০) এবং তার স্ত্রী বৃষ্টি আক্তার (৩২)।
নিহত এনামুল পেশায় আনসার সদস্য।
দুর্ঘটনা নিয়ে স্থানীয়রা জানান, সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রী মোটরসাইকেলে নওগাঁ থেকে বগুড়ার সান্তাহারের
দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেলটি পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির
আরেকটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের ধাক্কা দেয়। এতে তারা সড়কের ওপর ছিটকে পড়েন।
ঠিক এ সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি পিকআপ তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই স্বামী-স্ত্রী
মারা যান। পরে তাদের আহত পাঁচ বছরের সন্তান জুনাইদ ইসলাম ও অপর মোটরসাইকেলের এক আরোহীকে
উদ্ধার করে তাদের চিকিৎসার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্থানীয়রা।
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক বলেন, খবর পেয়ে
ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পরে দুর্ঘটনাকবলিত
মোটরসাইকেল দুটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নওগাঁ সদর থানায়
একটি মামলা হবে বলে জানিয়েছেন ওসি।
মন্তব্য করুন