

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়ী মাদ্রাসা মাঠে একটি মেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাহফিল উপলক্ষে আয়োজিত ওই মেলায় সকালে হাতড়েকুড়ি গ্রামের ১০ থেকে ১৫ জন যুবক লাঠিসোঁটা নিয়ে উপস্থিত হয়ে দোকানিদের কাছে চাঁদা দাবি করে। দোকানিরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা নাগরদোলার চারটি সিঁড়ি খুলে নিয়ে যায়।এই ঘটনার প্রতিবাদ জানায় কাঁঠালবাড়ী গ্রামের ওয়াজ মাহফিলের আয়োজকরা। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম (৪০) গুরুতর অবস্থায় থাকায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়েছে ।
তিন দিনব্যাপী এ বিশ্ব ইজতেমা শুরুর আগে তিনজন ও ইজতেমা শুরু হওয়ার পর একজন মুসল্লি মৃত্যুবরণ করেন। এ নিয়ে বিশ্ব ইজতেমায় চারজন মুসল্লি মারা গেলেন।
শুক্রবার ভোররাতে এখলাস উদ্দিন (৭০) নামে এক মুসল্লি বার্ধক্যজনিত কারণে ইজতেমা ময়দানে মারা যান যার বাড়ি নেত্রকোনা জেলা সদরে।
বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সেলের প্রধান মো. হাবিবুল্লাহ রায়হান মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, ভোররাত ৩টা ১৫ মিনিটে ইজতেমা ময়দানে নির্দিষ্ট খিত্তায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এখলাস উদ্দিনকে টঙ্গী শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার কুমরি বাজার গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৭০), চাঁপাইনবাবগঞ্জের চৌহদ্দীটোলা গ্রামের জামান মিয়া (৪০) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ধামাউরা গ্রামের ইউনুছ মিয়া (৬৫) নামে ৩ জন মৃত্যুবরণ করেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, কোনো ধরনের আগাম সতর্কতা এবং প্রস্তুতির সুযোগ না দিয়ে বাঁধ খুলে দিয়ে ভারত অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে বলে ।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, উজানের পানি এসে বাংলাদেশে বন্যা সৃষ্টি করছে। এভাবে বাঁধ খুলে দেওয়ার মাধ্যমে ভারত অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে এবং অসহযোগিতা করছে। আশা করি, ভারত দ্রুত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের জনগণবিরোধী এ ধরনের নীতি থেকে সরে আসবে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ রক্ষায় দুই দেশের জনগণকে সুষ্ঠু সমাধানের পথ বের করতে হবে। ন্যায্যতার ভিত্তিতে যেন বাংলাদেশ-ভারত রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক প্রতিস্থাপন করা হয়।
এ সময় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব সামাজিক ও রাজনৈতিক শক্তি এবং জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।
তিনি
বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের মতো বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে
হবে। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়ীদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মোহাম্মদ ইসহাক দার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) বৈঠকে দুই নেতা
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান
বৃদ্ধি, তরুণ প্রজন্মের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সার্কের মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবনের
ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপপ্রধানমন্ত্রী দার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
মোহাম্মদ শেহবাজ শরিফের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিয়ে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আন্তরিক
শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও উষ্ণ শুভেচ্ছা
জানিয়ে শরিফের সঙ্গে অতীতে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি বার আমাদের
সাক্ষাতে সার্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অভিন্ন, সার্ক আমাদের উভয়ের
কাছেই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত।
ইসহাক দার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির
সুযোগ তুলে ধরে বলেন, আমাদের দুই অর্থনীতি পরিপূরক। বহু ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ
করতে পারি। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন ও কমিউনিটি ভিত্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে অধ্যাপক
ইউনূসের ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ সৌভাগ্যবান যে, আপনার মতো একজন সরকারপ্রধান
রয়েছে— আপনি এমন একজন নেতা যিনি বিশ্বকে অনুপ্রাণিত
করেন।
সফরকালে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের বাণিজ্য ও জ্বালানি উপদেষ্টাসহ কয়েকজন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বিভিন্ন
রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আহ্বান
জানিয়ে বলেন, আমি সার্ককে উৎসাহিত করি এবং পাকিস্তানসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের
সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের একটি হিসেবে দেখি।
তিনি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে
ধরে বলেন, যখন পাকিস্তানি শিল্পীরা বাংলাদেশে গান পরিবেশনা করেন, সবাই তাদের প্রশংসা
করে। এই চেতনার ওপরই আমাদের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
১৩ বছর পর বাংলাদেশ সফরে আসা পাকিস্তানের
কোন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন ইসহাক দার। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে নৌ ও বিমান যোগাযোগ
উন্নত করার প্রচেষ্টা চলছে।
ইসহাক দার বলেন, অক্টোবরের মধ্যে ফ্লাই
জিন্নাহ ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া পিআইএও বেসরকারিকরণের
পর ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে।
বৈঠকে উভয় নেতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন
যে, বাণিজ্য বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়াকে আরও স্থিতিশীল
ও সমৃদ্ধ করবে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক
বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
সব ক্ষেত্রে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামূলক হলে সমাজে পাপ কমে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা ৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, “আমি সংসদে যেতে পারলে সকল স্তরে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার জন্য কথা বলবো।”
আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ মিলনায়তনে জাতীয় হাফেজ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, মসজিদের খতিব ও মুয়াজ্জিনরা সবচেয়ে অবহেলিত। দেশের সকল মসজিদের খতিব ও মুয়াজ্জিনকে সরকারি বেতনকাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে, দেশনায়ক তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে ইনশাআল্লাহ এটা বাস্তবায়ন করা হবে।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, আলেমরা এদেশের সম্পদ। আলেমদের উপর কোনো আঘাত সহ্য করা হবে না। আলেম যে দলের যে মতেরই হোক তাদের রক্ষা করা ও নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের সকলের দায়িত্ব।
বাংলাদেশ জাতীয় হাফেজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাফেজ মাওলানা ইয়াসিন নুরী আল গাজীপুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় হাফেজ সম্মেলনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, জেলা তাঁতী দলের সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান পিটার, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন, হাফেজ কল্যাণ সমিতির মহাসচিব ক্বারী হুমায়ুন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন উদ্দিন বেলালী, অর্থ সম্পাদক হাফেজ ইজহারুল হক সিরাজী, বাংলাদেশ খতিব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুফতি শামিম মজুমদার, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন প্রমুখ।
সম্মেলনে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করে ইবনে তাইমিয়া হিফজ বিভাগ। শ্রেষ্ঠ হাফেজ হিসেবে পুরস্কার পান হাফেজ মাওলানা ফরিদ আহমেদ ভুঁইয়া ও অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন। শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে পুরস্কৃত হন ইবনে তাইমিয়ার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ জয়নাল উদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও সম্মেলনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠ হাফেজদের বৃত্তি প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বৌদ্ধ ধর্মীয়
নেতৃবৃন্দের প্রতিনিধিদল।
আজ রোববার (৫ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন
যমুনায় এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতারা প্রবারণা
পূর্ণিমার মাহাত্ম্য বর্ণনা করে প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তাঁরা প্রধান উপদেষ্টাকে বিহার পরিদর্শনেরও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
এসময় রাজধানীর উত্তরায় বৌদ্ধদের শেষকৃত্যের জন্য
জায়গা বরাদ্দ করে দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বৌদ্ধ
নেতৃবৃন্দ।
বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দরা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারকে বিষয়টি অবহিত করার পর ১০ দিনের মধ্যে শ্মশানের জন্য স্থান বরাদ্দ করে
দেওয়া হয়েছে। এটা ইতিহাসে অনন্য। ঢাকায় বৌদ্ধধর্মের কেউ মারা গেলে শেষকৃত্যের জন্য
বহু পথ পারি দিয়ে চট্টগ্রামে যেতে হতো। এখন মৃত্যুর পরে একটা জায়গা হলো।
বৈঠকে এ বছর কঠিন চীবর দান উদযাপনের প্রস্তুতি
সম্পর্কেও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া সার্বক্ষণিক সহযোগিতার জন্য
ধর্ম মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও
ধন্যবাদ জানিয়েছেন বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দ।
পাশাপাশি, তীর্থযাত্রার জন্য সরকারি
ব্যবস্থাপনা, বৌদ্ধ পন্ডিত, ধর্মগুরু ও দার্শনিক অতীশ দীপঙ্করের নামে সরকারিভাবে
একটি জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত
করেন বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের
অধ্যক্ষ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু
সুনন্দপ্রিয়, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের ভিক্ষু কল্যাণ জ্যোতি, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ
ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির ঢাকা অঞ্চলের সাধারণ
সম্পাদক স্বপন বড়ুয়া চৌধুরী, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব জয় দত্ত বড়ুয়া
এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড.
সুকোমল বড়ুয়া, মং হলা চিং, সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, অধ্যাপক ববি বড়ুয়া, রুবেল বড়ুয়া ও
রাজীব কান্তি বড়ুয়া।
পাশাপাশি ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ও
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ‘কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান’ ইউনিট, ‘বিজ্ঞান’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১ মার্চ, ‘ব্যবসায় শিক্ষা’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৪ ফেব্রুয়ারি ও চারুকলা ইউনিটের পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অংকন) ৯ মার্চ ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্ডারগ্রাজুয়েট ভর্তি প্রোগ্রামের ২০২৩-২৪ সেশনের সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রকাশ করা হবে। বুধবার (২৭ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, বৃহস্পতিবার আমাদের ভর্তি পরীক্ষার সব ইউনিটের ফলাফল একসঙ্গে প্রকাশ করা হবে। বিকেল সাড়ে ৩টায় আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে উপাচার্য ফলাফল প্রকাশ করবেন।
মন্তব্য করুন


ভারী বৃষ্টিপাতজনিত ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসে বিপর্যস্ত বৃহৎ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে দেশটির হাজার হাজার ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে এবং বহু রাস্তাঘাট নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ও যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে সরকার এক বিরল পদক্ষেপ নিয়েছে—বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত হাতিকে কাজে লাগানো হচ্ছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য। ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ও হাতির ব্যবহার মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আচেহ প্রদেশে এক অভিনব দৃশ্য দেখা যায়। স্থানীয় বেসরকারি সংবাদমাধ্যম কমপাস টেলিভিশন জানিয়েছে, আচেহ-এর প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থা (বিকেএসডিএ) বন্যায় রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যাওয়া অঞ্চলে চারটি হাতি পাঠিয়েছে। এই এলাকাগুলোতে ভয়াবহ বন্যায় বড় বড় গাছের গুঁড়ি এবং ধ্বংসস্তূপ জমে রাস্তা পুরোপুরি অচল হয়ে আছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাদা ও ধ্বংসস্তূপের কারণে ভারী যন্ত্রাংশ নিয়ে ওই অঞ্চলে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। সে কারণেই বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাতিদের ব্যবহার করা হচ্ছে গাছের গুঁড়ি ও ধ্বংসাবশেষ টেনে সরিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরায় সচল করার জন্য। বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) জানিয়েছে, দ্বীপরাষ্ট্রটিতে ভয়াবহ বন্যায় প্রায় ৩২ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এছাড়া এই দুর্যোগের ফলে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পড়েছেন। সংস্থাটি আরও জানায়, বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় এই বাস্তুহারাদের উত্তর ও পশ্চিম সুমাত্রাসহ আচেহ অঞ্চলের নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হচ্ছে। এদিকে, ইন্দোনেশিয়ার এই চরম দুর্যোগের সময় প্রতিবেশী দেশ চীন সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে। দেশটি ইন্দোনেশিয়ায় জরুরি মানবিক সহায়তা পাঠিয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি)
কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবারের ঈদ জামাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে। ঈদ কেন্দ্রিক
সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই।
রবিবার (১৬ জুন) সকালে জাতীয় ঈদগাহ
ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন,
সারা দেশের মতো ঢাকা মহানগরীতেও যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে
পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এ ঈদগাহে নামাজ আদায় করবেন।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে সব
জামাতের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার
জন্য পার্কিং ও ডাইভারশন থাকবে। পোশাকধারী পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত
সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পেট্রোলিং, সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিংসহ নিরাপত্তা
নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের পাশাপাশি র্যাবের
পেট্রোল টিম দায়িত্ব পালন করবে। আশা করি, ঈদের জামাত সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান আরও বলেন,
বাংলাদেশের চামড়া প্রসেসিং এলাকা ঢাকা জেলার সাভারে। ঢাকা কেন্দ্রিক যে চামড়া সেগুলো
কালই সেখানে যাবে। আর ঢাকার বাইরেরগুলো ৭ দিনের মধ্যে সেখানে আসবে। এ কাজ যাতে সুন্দরভাবে
সম্পাদন করা হয় সেজন্য ডিএমপি সহায়তা করবে। আমরা ইতোমধ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
গ্রহণ করেছি, অনেককেই গ্রেফতার করেছি। পরে এ ধরনের কাজ যারা করবেন, তারা সতর্ক হবেন
এবং ভবিষ্যতে এসব থেকে তারা নিবৃত থাকবেন। আমরা সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই নিরাপত্তা
ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। আমরা সব সময় সর্বাত্মক ও সর্বোচ্চ ব্যবস্থাটাই নিয়ে থাকি।
এবারও সেটি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই দেশ আমাদের সবার, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এ দেশ
সব মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি।দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবই নয়, এটি এখন
সর্বজনীন উৎসব।
বুধবার (৯ অক্টোবর) দুর্গাপূজা উপলক্ষে
প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমি দেশের হিন্দু
ধর্মাবলম্বী সকল নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের
উৎসবই নয়, এটি এখন সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের
আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।
আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই দেশ
আমাদের সকলের। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এদেশ সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি। গত ৫ আগস্ট
ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী
নির্বিশেষে সকলের ভাগ্য উন্নয়ন এবং সমান অধিকার সুনিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত
ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। একইসঙ্গে
বাংলাদেশের সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


রাস্তার
ধারে সবজির ব্যাগ, মিষ্টির প্যাকেট। কিন্তু কেউই এগিয়ে আসেননি সেটি নিতে। কারও আগ্রহ
না দেখে, সেই প্যাকেট খুলে পরপর মিষ্টি খেতেই ঘটল বিপত্তি। মিষ্টি খেয়েই মৃত্যুমিছিল।
অবশেষে খুনের কীর্তি ফাঁস করল পুলিশ।
সর্বভারতীয়
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়াড়ায়। সোমবার পুলিশ
জানিয়েছে, প্রথমে ঘটনাটি খাবারে বিষক্রিয়া বলেই জানা গিয়েছিল। কিন্তু পরে জানা যায়,
পরিকল্পনামাফিক খুন করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যেই খুনের পরিকল্পনা চলছিল। শেষমেশ
আর্সেনিককে হাতিয়ার করেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে।
বিষ
মেশানো মিষ্টি খেয়েই এক তরুণী, তাঁর ঠাকুরদা এবং এক সিকিউরিটি গার্ড প্রাণ হারিয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছিল ৯ জানুয়ারি। ছিন্দওয়াড়ায় পাবলিক হেল্থ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট
অফিসের বাইরে একটি ব্যাগে কিছু সবজি এবং এক প্যাকেট মিষ্টি রাখা ছিল। কিন্তু কার ব্যাগ
সেটি? কেউই এগিয়ে এসে আগ্রহ দেখাননি। অবশেষে ৫০ বছরের দশরু যদুবংশী নামের সিকিউরিটি
গার্ড এসে প্যাকেট থেকে মিষ্টি চেখে দেখেন।
সেই
মিষ্টি খাবার পরেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় তাঁর। শুরু হয় ঘনঘন বমি, ডায়রিয়া।
১১ জানুয়ারি চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর। এখানেই ঘটনাটি থেমে ছিল না। সেই মিষ্টির
প্যাকেটটি স্থানীয় এক দোকানদারের আত্মীয়রা বাড়িতে নিয়ে যান। সেই মিষ্টি খেয়েই
২২ বছরের খুশবু এবং তাঁর ৭২ বছরের ঠাকুরদা, পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা অসুস্থ হয়ে
পড়েন। চিকিৎসা চলাকালীন খুশবু ও তাঁর ঠাকুরদার মৃত্যু হয়।
ওই
মিষ্টি খেয়েই তিনদিনে তিনটি পরপর প্রাণহানির ঘটনায় এলাকায় শোরগোল শুরু হয়। তদন্তে
নেমে পুলিশ জানতে পারে, ২০২৪ সালে বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে তুমুল নির্যাতনের
অভিযোগ তুলেছিলেন খুশবু। এর প্রতিশোধ নিতেই খুনের পরিকল্পনা করেন খুশবুর শ্বশুর, দেওর
ও ননদ। তিনজনে মিলে মিষ্টিতে আর্সেনিক মিশিয়ে খুশবুর বাবার দোকানের বাইরে ওই মিষ্টির
প্যাকেট ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
ফরেন্সিক
পরীক্ষায় জানা গেছে, ওই মিষ্টিতে বিপজ্জনক হারে আর্সেনিক মেশানো ছিল। যা খেলে একাধিক
প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে নিমেষে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় অভিযুক্তদের
বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। আর কেউ এই ঘটনায় জড়িত ছিলেন কিনা, তাও খতিয়ে দেখা
হচ্ছে।
মন্তব্য করুন