

মাঘের শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গায়। বুধবার সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইসঙ্গে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এর আগে, মঙ্গলবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আরো কমতে পারে তাপমাত্রা।
কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে সকাল ৯টার দিকে কোনো রকম সূর্যের দেখা মিললেও তাতে নেই তাপ। ফলে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বাড়িয়েছে বহুগুন। হাড় কাঁপানো এই শীতে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। যাদের অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) থেকে তাপমাত্রা আবার কমে আসবে। ওদিন রাতে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তীব্র শীতে চুয়াডাঙ্গায় গত দুইদিন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে এর উল্টো চিত্র বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে। আগের নিয়মেই চলছে এসব প্রতিষ্ঠান। তবে শিক্ষার্থী উপস্থিতি একেবারেই নেই।
জেলা শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান জানান, উপ-পরিচালক ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ে স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তাপমাত্রা কম থাকলে বৃহস্পতিবারও বন্ধ থাকবে জেলার ১৮০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তবিবুর রহমান জানান, গত দুইদিন জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকায় এমনিতেই স্কুলে শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার খুবই কম।
মন্তব্য করুন


মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় থাকায় দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগ বাদে দেশের অন্যত্র তাপমাত্রা কমারও আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে এ তথ্য জানানো হয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে।
পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ।
চট্টগ্রাম বিভাগের দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


রাজশাহীতে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের কষ্টের কথা জানিয়ে রহিমা আক্তার নামের এক গৃহবধূ গলায়
ফাঁস দিয়ে ‘আত্মহত্যা’
করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) ভোরে রাজশাহীর চারঘাট পৌর এলাকার হলের মোড়ের একটি ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
গৃহবধূ রহিমা আক্তার (২৪) এর স্বামী সায়েম ইসলাম সাগর একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন। তারা পুঠিয়া উপজেলার বাসিন্দা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চারঘাট থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান।
তিনি জানান, রহিমা আক্তারের বাবার সঙ্গে মায়ের ছাড়াছাড়ি হলে তিনি আরও একটি বিয়ে করেন। এতে একা হয়ে পড়েন রহিমা আক্তার। এ নিয়ে তিনি বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার ভোরে তিনি ফেসবুক লাইভে আসেন। এ সময় তিনি দুঃখের কথাগুলো বলেন। বাবা-মাকে নিয়ে অনেক কথাও বলেছেন তিনি। লাইভ শেষে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। পরে সকালে পুলিশ পাঠিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তার পরিবারের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লার ৬টি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন ৭০টি পরিবার নিজ বসতভিটায় বিশেষ আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সেনাবাহিনীর নির্মিত ঘর পেয়েছে।
আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ঘোলপাশায় ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ঘরগুলো উপহার হিসেবে হস্তান্তর করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
এসময় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার, ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ এনামুল হক, ২৩ বীরের অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেনসহ সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেলার বুড়িচংয়ে ২৯, ব্রাহ্মণপাড়ায় ১০, সদর দক্ষিণে ৬, চৌদ্দগ্রামে ১০, মনোহরগঞ্জে ১০ ও নাঙ্গলকোটে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এসব গৃহনির্মাণ বাস্তবায়ন করে।
ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সঙ্গে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলপাশা ইউনিয়নের কুমাল্লা গ্রামের উপকারভোগী মো. আলম মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে অনুষ্ঠানটি সংযুক্ত হয়।
২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন কুমিল্লা জেলার ৭০টি পরিবারের মধ্যে এ ঘরগুলো হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনীর
সার্বিক সহযোগিতায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সেনাবাহিনীর
যৌথ অভিযানে মাহিন সুপার আইসক্রিম কারখানার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও লক্ষাধিক
টাকার মালামাল জব্দসহ আগুনে পুড়িয়ে ও পুকুরে ফেলে ধ্বংস করা হয়েছে।
গত
মঙ্গলবার (১৭ জুন ) বিকালে পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের গোডাউন বাজার এলাকায়
এ অভিযান পরিচালিত হয়।
স্যানিটারী
ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পলাশবাড়ী গাইবান্ধার মোস্তাফিজার
রহমান জানান, আইসক্রিম তৈরির কারখানার কোন বি এস টি আই এর অনুমোদন না থাকায় মাহিন আইসক্রিম
ও দই তৈরির কারখানাকে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী
২৯ এর ক ধারা মোতাবেক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনুমোদনহীন আইসক্রিম,দইসহ আইসক্রিম ও
দই তৈরির মালামাল ঘটনাস্থলে ধ্বংস করা হয়েছে।
জনস্বার্থে
এতদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।
অভিযোনে
গাইবান্ধা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রোমেন পাল, ভোক্তা অধিকার গাইবান্ধা'র সহকারী
পরিচালক,পরেশ চন্দ্র বর্মন ও গাইবান্ধা সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন রুবায়েদ হোসাইনে'র নেতৃত্বে
সেনাবাহিনীর একটি আভিযানিক দল উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার সীমান্ত থেকে এক কোটি ৭৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, মোবাইলের ডিসপ্লেসহ বিপুল পরিমাণ চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিয়মিতভাবে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে অভিযান পরিচালনা করে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে আদর্শ সদর উপজেলার বিবিরবাজার বিওপি’র কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় সীমান্ত থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কামারখাঁ জোড়া ব্রিজ এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় একটি মিনি কাভার্ড ভ্যানসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৯০১ টি ভারতীয় উন্নত মানের শাড়ি এবং এক হাজার ৪৯৭ টি বিভিন্ন প্রকার মোবাইলের ডিসপ্লে। এসব পণ্যের বাজারমূল্য আনুমানিক এক কোটি ৭৪ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
তিনি বলেন, চোরাচালান প্রতিরোধে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে বিজিবির নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকায় চোরাচালানকারীদের কার্যক্রম অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জব্দকৃত পণ্যসমূহ বিধি মোতাবেক কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক, স্বর্ণ, মোবাইল, পোশাক ও অন্যান্য ভারতীয় পণ্য চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৫৬ লাখ ৩২ হাজার টাকার ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের অবৈধ বাজি উদ্ধার করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
গত শুক্রবার রাতে কুমিল্লা সদর উপজেলার রসুলপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে এসব বাজি উদ্ধার করা হয়। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। শনিবার দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১০ বিজিবির সিও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ।
বিজিবি জানিয়েছে, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার রাতে ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহল দল একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন রসুলপুর রেলওয়ে স্টেশনে চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান চালায়। এই অভিযানে ২ লাখ ৮ হাজার ১০০ পিস বিভিন্ন প্রকার অবৈধ ভারতীয় বাজি মালিকবিহীন অবস্থায় আটক করা হয়, যার সর্বমোট মূল্য ৫৬ লাখ ৩২ হাজার টাকা। জব্দকৃত চোরাচালানী মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হবে।
এ বিষয়ে ১০ বিজিবির সিও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে তারা সর্বদা সজাগ রয়েছে এবং নিয়মিত টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


পাবনায় কারাগারে থাকা কয়েদিদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
তারা হলেন—জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তৌফিক ইমাম খান, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালু, গয়েশপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোতাহার হোসেন মুতাই এবং আসাদুজ্জামান সুইট। তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হামলা ও হত্যার ঘটনায় করা মামলার আসামি।
এ ঘটনায় শাস্তিস্বরূপ পাঁচ আসামিকে মঙ্গলবার (৪ মার্চ) অন্য জেলার কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।
পাবনা জেলার জেল সুপার মো. ওমর ফারুক বলেন, কয়েকদিন ধরেই কারাগারে থাকা অন্য সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছিলেন তারা। সবশেষ ৩ মার্চ বিকেলে এই পাঁচ কয়েদি কারাগারের অন্য কয়েদিদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং বাকবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তাদের গায়ে হাত তোলেন।
এ ঘটনার পরে শাস্তিস্বরূপ কয়েদি তৌফিক ইমাম, শেখ লালু ও আসাদুজ্জামান সুইটকে রাজশাহী এবং মুতাই ও অন্যজনকে নওগাঁ জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
পাবনা জেলার জেল সুপার আরো বলেন, বিগত সময়ে তারা বাইরে যেমন বেপরোয়াভাবে কথাবার্তা বলেছেন ও চলেছেন, কারাগারেও তেমনই চলছিলেন। ফলে ঝামেলাটা বাঁধে। অন্য কয়েদিদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও কারাগারে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে ৪ মার্চ বিকেলে তাদের রাজশাহী ও নওগাঁ কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় পৃথক দুইটি অভিযানে ৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও ১৬ বোতল বিদেশী মদসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
রোববার (১৪ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ অন্তর নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিশুক (অটো) গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে বিকালে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শ্রীপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ আরিফ হাসান নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৬ বোতল বিদেশী মদ ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিশুক (অটো) গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ অন্তর (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ঝাকুনীপাড়া গ্রামের মনির হোসেন এর ছেলে এবং ২। মোঃ আরিফ হাসান (৩১) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াদুদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মিশুক (অটো) গাড়ি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


বগুড়ায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল
আব্দুস সামাদ ৫৭ বছর বয়সে এসে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ।
পুলিশের পোশাকে কাটিয়ে দিয়েছেন
জীবনের ৩৭টি বছর। চাকরির বাকি আর মাত্র দুই বছর ১০ মাস। এই বয়সে এসে এসএসসি পরীক্ষায়
অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন বগুড়ায় কর্মরত ট্রাফিক পুলিশের এই সদস্য।
রোববার (১২ মে) এসএসসি ও
সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পুলিশ সদস্য আব্দুস ছামাদের এই সাফল্যের বিষয়টি জানা যায়।
এ বয়সে তার এমন সফলতায় বগুড়া
জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আব্দুস
সামাদ ১৯৬৮ সালে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আশরাফপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৭ সালে
অষ্টম শ্রেণি পাশ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে যোগদান করেন। এরপর বগুড়ার শেরপুর,
সদর ও নন্দীগ্রাম ডিএসবি, সদর কোর্ট এবং সর্বশেষ বগুড়া ট্রাফিক পুলিশের সদস্য হিসেবে
কর্মরত আছেন।
তিনি ব্যক্তিগত জীবনে দুই
ছেলে ও এক মেয়ের জনক। ছেলে ও মেয়েদের করেছেন উচ্চশিক্ষিত।
পুলিশ কনস্টেবল আব্দুস সামাদ
জানিয়েছেন, চাকরি শেষ হওয়ার পর হোমিও চিকিৎসায় যুক্ত হওয়ার ইচ্ছে তার। কিন্তু সেজন্য
দরকার এসএসসি পাসের সার্টিফিকেট। তাই সিদ্ধান্ত নেন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবেন। সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী ২০২২ সালে তিনি নাটোর মহর কয়া নতুনপাড়া কারিগরি ইনস্টিটিউটটে নবম শ্রেণিতে
ভর্তি হন। এরপর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।
আব্দুস সামাদ বলেন, পারিবারিক
অসচ্ছলতায় ৮ম শ্রেণি পাস করেই পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিয়েছিলাম। আমার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার
ওপর ছোট থেকেই আগ্রহ ছিল। অবসরে যাওয়ার পর যেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করে সবার সেবা
করতে পারি তাই চাকরির পাশাপাশি নিয়মিত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে পড়াশোনা করতাম। কিন্তু
হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার কোর্সে ভর্তি হতে এসএসসি পাসের সার্টিফিকেট লাগে। তাই ২০২২ সালে
সিদ্ধান্ত নেই এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার। এরপর নাটোরে একটি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে ভর্তি
হই। সেখান থেকে এ বছর এসএসসি পাস করেছি।
তিনি আরও বলেন, আমার চাকরির
আর দুই বছর ১০ মাস সময় আছে। এখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ডিএইচএমএস কোর্সে হোমিওপ্যাথিক
মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার। অবসরে যাওয়ার পর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে সবাইকে
সেবা করতে চাই। এ বয়সে আমার পরিবার ও ডিপার্টমেন্ট অনেক সহযোগিতা করেছে। আমার মা বেঁচে
আছেন। তার বয়স ১০০। আমার মা আমার এ সফলতার কথা শুনে অনেক খুশি হয়েছেন। এ যাত্রা শুরু
করার সময় অনেকেই অনেক কটু কথা বলেছেন। কিন্তু পরিবার ও ডিপার্টমেন্টের উৎসাহে আমি পিছপা
হইনি।
বগুড়া পুলিশের অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুমন জানান, আমাদের ট্রাফিক বিভাগের সদস্য আব্দুস সামাদ ৫৭ বছর
বয়সে এসএসসি পাস করেছেন। আমরা তার এ সফলতাকে অভিনন্দন জানাই। তিনি এ বয়সে এসেও শিক্ষার
আলোয় আলোকিত হতে চান। আমি তার এ আলোকিত হওয়ার উদ্দেশ্যকে সাধুবাদ জানাই এবং তার ভবিষ্যৎ
জীবনের মঙ্গল কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
১০ম
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪-২৫-এর চূড়ান্ত পর্বে চ্যাম্পিয়ন
হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল। বৃষ্টি-বিঘ্নিত ফাইনালে টস জিতে
শিরোপা নিশ্চিত করে তারা।
বসুন্ধরা
ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের প্রতিপক্ষ ছিল
বগুড়া পুলিশ লাইন হাই স্কুল। তবে প্রবল বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ম অনুযায়ী, টস জয়ী দলকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয় — সে হিসেবে
চ্যাম্পিয়নের মুকুট যায় কুমিল্লার ঘরে।
পুরস্কার
বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল
বাশার সুমন, হাসিবুল হোসেন শান্ত, মেহরাব হোসেন অপি, দিপু রায় চৌধুরী, গেম ডেভেলপমেন্ট
ম্যানেজার আবু ইমাম কাওসার, গেম ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কামরুল হাসান এবং
জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ।
এই
আসরে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল দুর্দান্ত পারফর্ম করে জেলা পর্যায়ে ৪টি, বিভাগীয় রাউন্ডে
৩টি এবং ন্যাশনাল রাউন্ডে আরও ৩টি ম্যাচ জিতে ফাইনালে জায়গা করে নেয়। সেমিফাইনালে তারা
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়কে ১০২ রানে হারায়। ঐ ম্যাচে ব্যাট হাতে আফনান ইন্তেহাদ
১২০ বলে করেন দারুণ ১৪৪ রান। বল হাতে সেরা ছিলেন প্রান্ত দেবনাথ, যিনি ২৫ রান দিয়ে
শিকার করেন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
আসরের
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কারও গেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের আফনান ইন্তেহাদের
হাতে।
চ্যাম্পিয়ন
দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন আইয়ুব হোসেন ইমন এবং ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন মোঃ
নেওয়াজ খান। দলের সার্বিক সাফল্যের পেছনে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং জেলা ক্রিকেট
কোচ হাবীব মোহাম্মদ মোবাল্লেগ জেমসের অবদানও ছিল অনস্বীকার্য।
উল্লেখ্য,
এর আগেও ২০১৯ সালে জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কুমিল্লা হাই স্কুল। সেই
ধারাবাহিকতায় আবারও দেশের সেরা হওয়ার কৃতিত্ব দেখাল কুমিল্লার স্কুল ক্রিকেট।
মন্তব্য করুন