

পুশির
হাতে কামড় দিয়ে ও ধস্তাধস্তি করে হাতকড়া নিয়েই দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেও লাভ হয়নি
এক ডাকাতের।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
নাসিরনগরে ছদ্মবেশে জীবন মিয়া নামে এক ডাকাতকে ধরে কাঁধে করে থানায় নিয়ে আসেন পুলিশ।
ডাকাত জীবন মিয়া ছাড়া পাওয়ার জন্য পুলিশের হাতে কামড় দিতে থাকলেও হাল ছাড়েননি এসআই
রুপন নাথ।
শুক্রবার
(২৩ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের একটি জমি থেকে তাকে গ্রেফতার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত
জীবন মিয়া হরিপুর গ্রামের হুরন আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে থানায় একাধিক ডাকাতি
মামলা রয়েছে। সম্প্রতি সে মাধবপুর-হরিপুর সড়কে ডাকাতি করে আসছিলেন।
পুলিশ
জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবন মিয়ার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে পুলিশ। জীবনকে
গ্রেফতারের দায়িত্বে থাকা নাসিরনগর থানা পুলিশের এসআই রুপন নাথ আরও একজন কর্মকর্তা
ও তিন পুলিশ কনস্টেবলকে নিয়ে হরিপুরে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন জীবন তার সঙ্গীদের
দিয়ে একটি জমিতে বসে ইয়াবা সেবন করছিলেন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে জীবন ও তার
সঙ্গীদের কাছে ইফতার করার জন্য পানি চান। তখন একপর্যায়ে জীবনকে আটক করে পড়ানো হয় হাতকড়া।
এসময় জীবন মিয়া পুলিশ কনস্টেবল রানার হাতে কামড় দিয়ে ও ধস্তাধস্তি করে হাতকড়া নিয়েই
দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ সদস্যরাও ছুটে গিয়ে আবার তাকে আটক করে। একপর্যায়ে
এএসআই মো. কামরুল ডাকাত সদস্যকে কাঁধে তুলেনেন। কিছুদূর আনার পর তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায়
করে কড়া পুলিশ পাহারায় থানায় নিয়ে আসা হয়।
এ
ব্যাপারে এসআই রূপন নাথ সাংবাদিকদের জানান, পাঁচজন মিলে এ অভিযান চালানো হয়। ডাকাত
জীবন খুবই চতুর। সে পালানোর চেষ্টা করেছিল। একপর্যায়ে তাকে বাধ্য হয়ে কাঁধে তুলে নিয়ে
আসা হয়। এ ঘটনায় রানা নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত আহত হন।
এ
ব্যাপারে নাসিরনগর থানার ওসি মো. সোহাগ রানা বলেন, ডাকাত জীবন খুবই চতুর প্রকৃতির।
তাকে গ্রেফতার করা যাচ্ছিল না। শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মন্তব্য করুন