

ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলী খেলায় চ্যাম্পিয়ন
কুমিল্লার বাঘা শরীফ বলী।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে অনুষ্ঠিত
জব্বারের বলী খেলার ১১৫তম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয় কুমিল্লার বাঘা শরীফ ও রাশেদ।
ফাইনালে প্রায় ১১ মিনিট
লাড়াইয়ের পর কুমিল্লার
বাঘা শরীফের কাছে হার মানতে হয় রাশেদের।
এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি
হয়ে রাঙামাটির সৃজন চাকমাকে হারিয়ে ফাইনালে যান রাশেদ। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে রাসেলের
এর প্রতিপক্ষ ছিলেন কুমিল্লার
বাঘা শরীফ।
এদিকে
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয় পান সৃজন চাকমা। এর আগে বিকেল চারটায় শুরু হয় বলী
খেলার ১১৫ তম আসর। এতে অংশ
নেন ৮৪ জন বলী ।
মন্তব্য করুন


জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার
পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। তবে চাকরিতে এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে
যুক্ত হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম তার ফেরিভাইড ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন,
জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। চাকরিতে
এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না। পরিবারের কর্মক্ষম কোনো একজন ব্যক্তিকে একবারের
জন্যই যোগ্যতার বিচারে সরকারি-আধা সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার
কথা বলা হয়েছে। কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটা বিবেচ্য হবে না। আহতদের ক্ষেত্রে
যারা সারাজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (অন্ধ কিংবা অঙ্গহানী) এবং আর কখনো কর্মক্ষম
হতে পারবে না তাঁদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরকম আহতদের একটা বড় অংশই
তরুণ এবং বাকি জীবন তাঁদেরকে আন্দোলনের ক্ষত বয়েই বেড়াতে হবে, অনেককে দীর্ঘকাল চিকিৎসার
মধ্য দিয়ে যেতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের পুনর্বাসন এবং
এই পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা দেওয়াটা আমাদের অঙ্গীকার ছিলো এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বও
বটে। কয়েক হাজার পরিবার অচল হয়ে গিয়েছে এই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের ফলে। তাঁদের এই ক্ষতি
আমরা কোনোকিছু দিয়েই পূরণ করতে পারবো না। আর এই পরিবারগুলো যে কোনো সুযোগ সুবিধার চেয়ে
কেবল সকলের থেকে সম্মান ও মর্যাদা চায়।
মন্তব্য করুন


বিগত
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতিবাজদের জমানো অপ্রদর্শিত অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায়
ফেরাতে, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ এবং কালো টাকার উৎস বন্ধ করতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট
সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
আজ
রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায়
অংশ নিয়ে এ প্রস্তাব দেন তিনি।
মাহবুব
উদ্দিন বলেন, অনেক মানুষ এখন ব্যাংকে টাকা না রেখে নগদ অর্থ বাসায় সংরক্ষণ করছেন। আবার
যাঁরা অতীতে টাকা বিদেশে পাচার করতে চেয়েছিলেন কিংবা স্বৈরাচারী শাসনের সঙ্গে যুক্ত
ছিলেন, তাঁরাও বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ রেখে গেছেন। ফলে বিপুল অঙ্কের টাকা ব্যাংকের বাইরে
রয়ে গেছে।
তাই
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব দিয়ে মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, সরকার যদি এই
নোটগুলো বাতিল করে দুই মাসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়ার সুযোগ দেয়, তাহলে যাঁদের ট্যাক্স
ফাইলে ওই অর্থের হিসাব নেই, তাঁরা ২৫ শতাংশ কর দিয়ে তা বৈধ করতে পারবেন। এতে বাজেট–ঘাটতি
কমবে, ব্যাংকিং খাতে তারল্য বাড়বে, ব্যাংক শক্তিশালী হবে এবং সেই অর্থ বিনিয়োগ ও উৎপাদনমুখী
খাতে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
মাহবুব
উদ্দিন খোকন বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যাংক রয়েছে। ‘এমপি
হলেই একটা ব্যাংক লাগবে, নেতা হলেই একটা লিজিং কোম্পানি লাগবে—এ
সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। এত ব্যাংকের প্রয়োজন নেই। জনগণের টাকা দিয়ে দুর্বল ব্যাংক
টিকিয়ে রাখা হচ্ছে,’ বলেন তিনি। তাই ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে ব্যাংকিং খাতকে আরও কার্যকর
করার আহ্বান জানান এই সংসদ সদস্য।
টাকা
পাচারকে দেশের অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে এই আইনজীবী বলেন, স্বাধীনতার পর
থেকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার কথা বারবার বলা হলেও বাস্তবে একটি টাকাও ফেরানো
যায়নি। কারণ, আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশ করার পর সেই অর্থ ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত
কঠিন।
মাহবুব
উদ্দিন বলেন, ‘টাকারও একটি স্বভাব আছে। মানুষ যেখানে নিরাপত্তা অনুভব করে, সেখানেই
টাকা রাখে। আমাদের এমন একটি আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে দেশের মানুষ বিদেশে
টাকা না পাঠিয়ে দেশেই বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়। শুধু আইন করলেই হবে না, পুরো সিস্টেম
পরিবর্তন করতে হবে। সিঙ্গাপুর, দুবাই, কানাডা ও থাইল্যান্ডে মানুষ আস্থার সঙ্গে অর্থ
রাখে। কারণ, সেখানে সেই পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।’
নতুন
বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট বাস্তবায়নের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
ও বেকারত্বের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, কোটি কোটি যুবককে বেকার রেখে আইনশৃঙ্খলার
উন্নতি আশা করা যায় না। কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং যুবকদের জন্য কাজের সুযোগ বাড়াতে হবে।
মাহবুব
উদ্দিন খোকন বলেন, এবারের বাজেট ঘাটতির হলেও এটি অস্বাভাবিক নয়। বিশ্বের অনেক দেশেই
ঘাটতির বাজেট হয়, বাংলাদেশেও অতীতে প্রায় সব বাজেটই ঘাটতির ছিল। বক্তব্যে তিনি আরও
বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে মাত্র তিন মাসের মধ্যে একটি বিধ্বস্ত
অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। লুটপাটের অর্থনীতি থেকে দেশকে
উদ্ধারের প্রচেষ্টার মধ্যেই বাজেটটি এসেছে। এ কারণেই বাজেট নিয়ে বড় ধরনের সমালোচনা
দেখা যাচ্ছে না।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি
পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর পরীক্ষার্থীদের দেওয়া হবে
বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার
(১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী
অধিবেশনে স্পষ্ট করে বলেন, পদার্থবিজ্ঞানের ভুল দুটি প্রশ্নে সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ
নম্বর দেওয়া হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য আন্তঃশিক্ষা বোর্ড
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি ইতোমধ্যে একটি গণবিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে।
তিনি
বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়েছিল। পরীক্ষা
চলাকালে সারাদিন সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তাদের
সবার মূল্যায়ন অনুযায়ী, পরীক্ষা সার্বিকভাবে ভালো হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী
জানান, শুধু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মাঠে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় কিছুটা
অসুবিধা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রটিতে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু করার
নির্দেশ দেওয়া হয়।
তিনি
আরও বলেন, এক পরীক্ষার্থীর পোশাক ভিজে যাওয়ায় তাকে বাড়ি থেকে পোশাক এনে পরিবর্তনের
সুযোগ দেওয়া হয়। পরে তার পরীক্ষা এক ঘণ্টা বিলম্বে নেওয়া হয় এবং সে অনুযায়ী পরীক্ষার
সময়ও বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল
রানা বলেছেন, ‘আমি ধর্ষণ করি নাই, শুধু লাশ কেটেছি। ধর্ষণ করেছে ডলার নামে একজন। আমি
পাপ করেছি, আমাকে সেই পাপের শাস্তি দিন।’
সোমবার
(১ জুন) এ মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করে
এসব কথা বলেন প্রধান আসামি সোহেল রানা।
এ
সময় তিনি দাবি করে, মেয়েটাকে এনে দিতে পারলে ‘ডলার’ নামে একজন তাকে দুই লাখ টাকা দেওয়ার
কথা বলেছিল। এ কথা বলার পরপরই উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাকে থামিয়ে দেন এবং কাঠগড়া থেকে
নামিয়ে প্রিজন ভ্যানে নিয়ে যান।
সোমবার
এ মামলায় ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন তাদের বিরুদ্ধে
অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একইসঙ্গে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য
আগামীকাল মঙ্গলবার (২ জুন) দিন ধার্য করেন আদালত।
এর
আগে গত ২৫ মে আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট
(অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান।
ওইদিনই মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। এরপর চার্জশুনানির জন্য
আজকের দিন ধার্য করা হয়।
মামলার
অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং স্বপ্নার বিরুদ্ধে
ওই অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। জানা
যায়, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার সময় ঘর থেকে বের হলে আসামি কৌশলে ভিক্টিমকে তার ফ্ল্যাটের
রুমে নিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ১০টায় বাদী মেয়েকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।
একপর্যায়ে
আসামির রুমের সামনে বাদী তার মেয়ের জুতা দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করলে কোনো সাড়া শব্দ না
পেয়ে বাদী তার স্ত্রী ও অন্য ফ্লাটের লোকজন নিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় আসামির শয়ন কক্ষের মেঝেতে ভিকটিম রামিসার
মাথাবিহীন লাশ দেখতে পান। আর মাথা রুমের ভেতর বার্জার রংয়ের বড় বালতির ভেতর দেখতে পান।
এ
সময় আসামি স্বপ্নাকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে, তার স্বামী সোহেল রানা
তার হীন কামনা চরিতার্থ করার লক্ষে বাদীর শিশু কন্যাকে বাথরুমের আটকে রেখে ধর্ষণের
পর গলা কেটে হত্যা করে। লাশ গুম করার উদ্দেশে স্বপ্নার সহায়তায় সোহেল ভিকটিমের মাথা,
ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে ও যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে এবং দুইহাত কাঁধ
থেকে অর্ধবিচ্ছিন্ন করে লাশ বাথরুম থেকে আসামিদের শয়ন কক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে।
ওই
রুমের জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে
সংবাদ পেয়ে আসামি স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। আর নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে
থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ
ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। গত ২১ মে সেই মামলায় সোহেল
রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাদের
কারাগারে পাঠানো হয়।
রামিসার
বাবা তার পরিবারের লোকজন নিয়ে পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকায় ফ্ল্যাটে ভাড়া
বাসায় থেকে বনানীতে একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করেন। আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারও
একই বাসার অন্য ফ্ল্যাটে থাকতেন। রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে
লেখাপড়া করতো।
মন্তব্য করুন


তিস্তাসহ
বিভিন্ন নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ ও চীন একমত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি কুওইংয়ের বৈঠকে
এ ঐকমত্য হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।
চীনের
রাজধানী বেইজিংয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘তিয়াওইউথাই’-এ এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উপ-প্রেস
সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে
বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহায়তা কামনা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বৈঠকে বাংলাদেশে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পানি সম্পদের
যথাযথ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে সরকারের চলমান নদী খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে পানিসম্পদ
ব্যবস্থাপনায় চীনের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
দপ্তর জানায়, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের তিস্তা ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে
চীন সরকারের কারিগরি সহায়তা চান। চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি কুওইং ইতিবাচক সাড়া দিয়ে
বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তিস্তা
মহাপরিকল্পনা হল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদীকে ঘিরে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা;
যার মূল লক্ষ্য—নদী ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ,
সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ।
এই
পরিকল্পনার আওতায় নদীর দুই তীর সংরক্ষণ, খনন ও প্রশস্তকরণ, জলাধার ও ব্যারেজ উন্নয়ন,
এবং আধুনিক সেচব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা রয়েছে। তাতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ঘাটতি কমানো
এবং বর্ষায় বন্যার ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।
প্রকল্পটি
বাস্তবায়িত হলে রংপুর অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং নদীভাঙন
কমবে। একই সঙ্গে নদীকেন্দ্রিক শিল্প ও পর্যটনের সম্ভাবনাও বাড়বে।
তবে
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টন। উজানে ভারতের পানি
ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বাংলাদেশে তিস্তার পানিপ্রবাহ মৌসুমভেদে ব্যাপকভাবে
ওঠানামা করে। ফলে প্রকল্পের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করছে দুই দেশের মধ্যে একটি কার্যকর
পানি বণ্টন চুক্তির ওপর।
২০১৬
সালে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ার চায়না এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড একটি
সমীক্ষা চালিয়ে এই মহাপরিকল্পনার নকশা চূড়ান্ত করে।
পরে
ভারতও ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে এই প্রকল্পে যুক্ত হতে এবং অর্থায়নে প্রবল আগ্রহ
প্রকাশ করে, যার ফলে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রকল্পটি ঝুলে যায়।
২০২৪
সালের অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী
সরকার পুনরায় চীনের অর্থায়নেই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। ২০২৯ সালের মধ্যে
প্রকল্পের প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
পাঁচ
বছর মেয়াদি প্রথম ধাপের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা (৭৫০ মিলিয়ন
ডলার)। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বা ৫৫০ মিলিয়ন ডলার চীনের কাছে ঋণ হিসেবে
চাওয়া হয়েছে এবং বাকি অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে মেটানো হবে।
এ
প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার
প্রায় ২ কোটি মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সরকার আশা করছে।
২০০৫
সালে সই হওয়া দুই দেশের সমঝোতা স্মারক এবং চীনা পানি বিশেষজ্ঞদের গত বছরের বাংলাদেশ
সফরের প্রসঙ্গ টেনে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায়
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাস্তবভিত্তিক ও গবেষণানির্ভর।
বাংলাদেশের
নদীভাঙন রোধ, সেচ ব্যবস্থাপনা এবং নৌ-নেভিগেশন উন্নয়নে চীন সরকারের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী।
চীনের
পানিসম্পদ মন্ত্রী লি কুওইং বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ চীনের অভিজ্ঞতা কাজে
লাগাতে পারে।
বাংলাদেশের
পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞ এবং এ খাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণের আহ্বান
জানান চীনের এ মন্ত্রী।
বৈঠকে
উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী
এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র
বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী
আমিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক আসামিসহ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধারকৃত ইয়াবার পরিমাণ ৪০ হাজার পিস বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৩ মে ২০২৬) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ লক্ষিপুর বিওপির একটি টহলদল মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে সীমান্তের শূন্য লাইন থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সদর দক্ষিণ উপজেলার দূর্লভপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আবু সাঈদ (২৪) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
আটক আবু সাঈদ সদর দক্ষিণ উপজেলার দক্ষিণ সূর্যনগর গ্রামের মৃত আবুল কালামের ছেলে।
বিজিবি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ তাকে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদক নির্মূলে বিজিবির এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বন্যার্তদের সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন ।
বুধবার (২১ আগস্ট) সচিবালয়ে
এক সংক্ষিপ্ত সভায় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা এ আহ্বান জানিয়ে বলেন, চারদিকে বন্যা
পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে মানুষ যাতে এগিয়ে আসে সেজন্য
গণমাধ্যমকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের
বিরুদ্ধেও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য
যে, ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণের কারণে দেশের কয়েকটি জেলায় ভয়াবহ
বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যার ফলে প্রধান প্রধান নদীগুলোতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। লাখ লাখ
মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট, বসতভিটা তলিয়ে সর্বস্তরের মানুষ অসহায় অবস্থায়
আছেন। শিশুসহ বয়স্ক নারী-পুরুষ, আসবাবপত্র, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু ইত্যাদি নিয়ে
মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।
এমতাবস্থায় বন্যাকবলিত মানুষের
পাশে দাঁড়ানো অতিব জরুরি হয়ে পড়েছে।
দেশের
বিভিন্ন জেলায় ভয়াবহ বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মানুষ যাতে এগিয়ে আসে সেজন্য
গণমাধ্যমকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম ।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির তৃতীয় সভায় তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। তবে তারিখ এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। বিশ্ব ইজতেমা কীভাবে ভালোভাবে হতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, বিশ্ব ইজতেমায় এখন দুটি গ্রুপ হয়ে গেছে। তাদের মধ্যে মতেরও পার্থক্য আছে। আমরা তাদের সঙ্গে বসব, যাতে তারা সবাই ঐকমত্যে এসে ভালোভাবে (ইজতেমা) করতে পারে। এটি খুবই ভালো একটা আয়োজন, আমাদের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য বিরাট অনুষ্ঠান। এখানে বহু হুজুর যান এবং বহু দিকনির্দেশনা আসে। আমরা তাদের অনুরোধ করব। আমরা তাদের বলব, আপনাদের নিজেদের মধ্যে যে সমস্যাটা রয়েছে, তা নিজেরা সমাধান করতে পারলে আমাদের জন্য ভালো। আর যদি নিজেরা সমাধান করতে না পারেন, তাহলে আমরা বসতে পারি, কীভাবে সমাধান করে আয়োজনটি ভালোভাবে করা যায়, সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সভায় সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে করণীয়; বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সার্বিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়; সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ; অস্ত্র জমা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সচেষ্ট হওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারী ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার কার্যক্রম জোরদার করা, বিভিন্ন অপরাধী ও আন্দোলন-সমাবেশে উসকানিদাতাদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত হয়।
এ ছাড়াও রাস্তায় সমাবেশ না করে দাবি-দাওয়া সংশ্লিষ্ট সরকারি কমিটি বা কমিশনে পেশ করা, জনভোগান্তি দূর করতে শাহবাগের পরিবর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা ও সমাবেশ আয়োজন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের এ বিষয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জনসাধারণকে জানানো, জামিনে মুক্তি পাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা অপরাধে লিপ্ত হলে দ্রুত গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া ইত্যাদি সিদ্ধান্ত হয়।
স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা এবং কমিটির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন । আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা এতে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির ডাকা সমাবেশে
যোগ দিতে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার
পর থেকে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে আসতে শুরু করেন।
এদিন দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয়
কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা ছিলো। তবে দুপুর দুইটার সময় অনুষ্ঠানিকভাবে
শুরু হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর কাকরাইল,
নাইটিংগেল মোড়, মৎস্যভবন, পল্টন, ফকিরাপুল, আরামবাগে নেতাকর্মীরা মিছিল করছেন। তারা
বিভিন্ন ইউনিট থেকে ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন। নেতাকর্মীদের
মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য
দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসাবে থাকবেন দলটির
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) রাতের তাপমাত্রা বেড়ে শীত কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কয়েকদিন শীতের তীব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা নেই। বরং এসময়ে রাতের তাপমাত্রা ক্রমে বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
আগামী সপ্তাহে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (রংপুর এবং সিলেট অঞ্চল) বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
বৃহস্পতিবার(২১ডিসেম্বর) সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। যা একদিন আগে ছিল ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এসময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার এবং শনিবারও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে জানিয়ে তিনি বলেছেন, পরবর্তী ৫দিনে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে এবং দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন