

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে ৪৯০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ (৩ ডিসেম্বর) বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এ নিয়ে চলতি বছরের এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯১ জনে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগী বেড়ে দাঁড়ালো ৯৬ হাজার ৬৭ জনে।চলতি বছর নভেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। ওই মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০৪ জনের মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর ) ঢাকা সেনানিবাসের এমইএস কনভেনশন হলে মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস (এমইএস) এর বার্ষিক সম্মেলন-২০২৫ এ সম্মানিত সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তাঁর মূল্যবান দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ এর সভাপতিত্বে আজ (০৯ ডিসেম্বর ২০২৫) থেকে তিন দিনব্যাপী (০৯-১১ ডিসেম্বর) এমইএস এর বার্ষিক সম্মেলন-২০২৫ শুরু হয়।
সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ, এমইএস-এ কর্মরত সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থেকে এবং ভিটিসি’র মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রাজশাহীগামী বাসে ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের
‘শ্লীলতাহানি’র ঘটনার আন্তঃজেলার তিন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকার
সাভার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত হওয়া তিনটি মোবাইল
ফোন, একটি ছুরি ও ২৯ হাজার ৩৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মানিকগঞ্জের দৌলতপুর সদর উপজেলার লাউতারা গ্রামের মো. বদর উদ্দিন শেখের ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম ওরফে মুহিত (৩০), শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মো. ইসমাইল মোল্লার ছেলে মো. সবুজ (৩০) এবং ঢাকার সাভার উপজেলার টানগেন্ডা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মো. শরীফুজ্জামান (২৮)।
এ বিষয়ে শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো.
মিজানুর রহমান তার কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংএর মাধ্যমে তিনি জানান, এ ঘটনায় দায়িত্ব
অবহেলার কারণে মির্জাপুর থানার এএসআই আতিকুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে বাসে ডাকাতির ঘটনায় বাসের যাত্রী ওমর আলী বাদী হয়ে শুক্রবার ভোর রাতে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইউনিক রোড রয়েলস্
পরিবহনের ঢাকা কোচটি (ময়মনসিংহ-ব-১১-০০৬১) ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে
রাজশাহীর নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এসময় বাসটিতে ৩০ থেকে
৩৫ জন যাত্রী ছিল। পরে রাত ১২টার দিকে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছার সেখানে
থেকে আরও ১০ থেকে ১২জন যাত্রী নিয়ে বাসটি পুনরায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা করে। পরে
বাসটি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দ্রা বাইপাসে পৌঁছালে চা-বিরতির জন্য
থামে। সেখান ১০ থেকে ১৫ মিনিট চা বিরতির সময় চন্দ্রা বাইপাস থেকে আরও তিন থেকে চার
জন নতুন যাত্রী নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা করে বাসটি। বাসটি ওইদিন রাত দেড়টার
দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন হাইটেক সিটি পার্ক সংলগ্ন খাড়াজোড়া
ফ্লাইওভার ব্রিজ অতিক্রম করার ৫ থেকে ৬ মিনিট পর হঠাৎ যাত্রীবেশে থাকা বাসে ৮ থেকে
৯ জন ডাকাত এক সঙ্গে দাঁড়িয়ে যায় এবং ধারালো চাকু ও চাপাতি দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার
ভয় দেখিয়ে সবাইকে চুপ থাকতে বলে। এসময় তাদের মধ্যে তিনজন অজ্ঞাতনামা ডাকাত
গাড়িচালকের গলায় ধারালো চাকু ধরে টানা হেঁচড়া করে কিলঘুষি মেরে তাকে উঠিয়ে নিয়ে
পেছনে উল্টা করে রাখে। ডাকাতদের মধ্যে থেকে একজন চালকের আসনে বসে বাসটি নিয়ন্ত্রণ
নেয় এবং বাসটি চালিয়ে টাঙ্গাইলের দিকে রওনা হয়। পরে মির্জাপুর উপজেলার সোহাগপাড়া
সাকিনস্থ ফুটওভার ব্রিজের প্রায় ১০০ গজ পশ্চিম পার্শ্বে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের
ওপর পৌঁছালে ডাকাতদলের ৬ থেকে ৭ জন সদস্য গাড়িতে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের ধারালো
চাকু ও চাপাতি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এসময় যাত্রীদের বলে, ‘তোদের সঙ্গের টাকা
পয়সাসহ যার যা কিছু আছে সব দিয়ে দে’। এসময় যাত্রীদের কাছে থাকা টাকা, মোবাইল ফোন,
স্বর্ণালংকার ও রূপাসহ সব মালামাল ছিনিয়ে নেয়। পরে ডাকাতদলের সদস্যরা মির্জাপুরের
নাটিয়াপাড়া নাছির গ্লাসের সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা করে। তারা দুই
থেকে আড়াই ঘণ্টা গাজীপুরের কালিয়াকৈর, কোনাবাড়ীসহ গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরায়
এবং এই সময়ের মধ্যে যাত্রীদের ধারালো চাকু ও চাপাতি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
একপর্যায়ে দুই নারীর ‘শ্লীলতাহানি’ করা হয়।
এজহারে আরও বলা হয়েছে- সব যাত্রীদের টাকাসহ অন্যান্য মালামাল লুট
করে রাত ৪টার দিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাড়ইপাড়া এলাকার নন্দন পার্কের
সামনে গাড়িটি টাঙ্গাইল অভিমুখে থামিয়ে চালককে ভয় দেখিয়ে বলে, ‘১০ কিলোমিটারের
মধ্যে গাড়িটি কোথাও থামালে তোকে জানে মেরে ফেলবো, আমরা তোদের গাড়ির পেছনে পেছনে
আছি’ এই বলে ডাকাতদলের সদস্যরা মালামাল ও টাকা পয়সাসহ গাড়ি থেকে নেমে চলে যায়।
পরে চালক গাড়ি নিয়ে চন্দ্রা মোড়ে গেলে গাড়িতে থাকা যাত্রীরা জাতীয়
জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে ঘটনার বিষয়ে পুলিশকে জানালে কিছুক্ষণের মধ্যে টহল পুলিশ
সেখানে উপস্থিত হয়। তখন গাড়িতে থাকা যাত্রীরা ডাকাতির বিষয়ে বিস্তারিত জানালে
কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দ্রা এলাকার টহলরত পুলিশ মির্জাপুর থানায় যাওয়ার পরামর্শ
দিলে চালক গাড়ি নিয়ে মির্জাপুর বাসস্ট্যান্ডে যায়। তখন কয়েকজন যাত্রী ও গাড়ির
সুপারভাইজার মির্জাপুর থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসারকে বিষয়টি মৌখিকভাবে অবগত করলে
মামলা না নেওয়ায় তারা পুনরায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে নাটোর জেলার
বড়াইগ্রাম থানা মোড়ে গেলে গাড়ি থেকে তিন থেকে চার যাত্রী নেমে স্থানীয় লোকজনের
সহায়তায় গাড়ির চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছে সন্দেহে
গাড়িটি আটক করে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, ডাকাতির ঘটনায় মামলা হওয়ার
১৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা ডাকাতদলের তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার
করেছে। বাকিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালতে হাজির করে
পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে। এছাড়া দায়িত্ব অবহেলায় মির্জাপুর থানার ডিউটি
অফিসার উপ পরিদর্শক (এএসআই) আতিকুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
দুটি সংসদীয় আসনে প্রাথমিকভাবে ঘোষিত প্রার্থী পরিবর্তন করে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে
বিএনপি। দলটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রাম নগরের আংশিক)
আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১০
(পাহাড়তলী–হালিশহর) আসনে প্রয়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের ছেলে
সাঈদ আল নোমান চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন। অন্যদিকে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর–পতেঙ্গা)
আসনে নির্বাচন করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শনিবার
(২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক
সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। এর আগে শনিবার সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের
জলিল গেট এলাকায় নিজ বাড়িতে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় দলীয়
মনোনয়নপত্র তুলে ধরেন মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী।
দলীয়
সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম-১০ আসনে পূর্বঘোষিত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পরিবর্তে
সাঈদ আল নোমানকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম-১১
(বন্দর–পতেঙ্গা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এ
বিষয়ে মাহবুবের রহমান শামীম বাংলানিউজকে জানান, চট্টগ্রামে দুটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন
করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৪
আসনে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনে সাঈদ আল নোমানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন
দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম-১১ আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীই নির্বাচন করবেন।
উল্লেখ্য,
গত ৩ নভেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি সংসদীয় আসনে দলের প্রার্থী
তালিকা ঘোষণা করেন। সে সময় চট্টগ্রাম-৪ আসনে কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-১০
আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


ইসলামী বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান আবারো তার সাবেক স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারাহকে বিয়ে করেছেন—এমন খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর তাদের মধ্যে খোলা তালাক সম্পন্ন হয়। এরপর প্রায় ৪০ দিন পেরোতেই দু’জন আবার দাম্পত্য সম্পর্কে ফিরে এলেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে সাবিকুন নাহার নিজেই ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে পুনরায় বিয়ের বিষয়টি জানান। পোস্ট প্রকাশের পর থেকেই অনলাইনে নানা মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে তালাকের পর ইসলামী শরিয়ায় পুনরায় বিবাহের বিধান নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন এবং এ নিয়ে আদনানকে সমালোচিত করছেন।তালাকের দিন, অর্থাৎ ২১ অক্টোবর, আদনানের ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছিল যে উভয় পরিবারের বিষয়গুলো দেশের প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরামের পরামর্শ অনুযায়ী শরিয়ামাফিক নিষ্পত্তি হয়েছে।
আজ দুপুরে আবু ত্বহা তার ফেসবুকে “আলহামদুলিল্লাহ!” লিখে একটি পোস্ট দেন এবং মন্তব্যের ঘরে স্পষ্ট করেন যে তিনি সাবিকুন নাহারের সঙ্গে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা এলাকায় নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ক এক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, নির্বাচন ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যাশিত তৎপরতাও দেখা যাচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, ভোটগ্রহণের আগেই একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা করছে—এমন তথ্য রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোর তালিকা তৈরি করে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে অস্ত্র মহড়ার প্রস্তুতির তথ্যও পাওয়া গেছে।
নির্বাচনের অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০১ সালের পর দেশে সত্যিকার অর্থে একটি ভালো নির্বাচন হয়নি। ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে ভালো নির্বাচন সম্ভব নয়।
সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় জোটের বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য অঞ্চলে হামলায় কারা জড়িত তাদের
বের করতে শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফ।
ভূমি উপদেষ্টা বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে
সম্প্রীতি নষ্ট করতে বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যারা এসব হামলা চালিয়েছে তারা
কোত্থেকে এসেছে কেউ জানে না।
রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ের
স্থানীয় সরকার বিভাগ কার্যালয়ে মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য এফেয়ার্স হেলেন লাফেইভের
নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে
দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে বিশদ আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপদেষ্টা হাসান আরিফ বলেন, আমরা
ছাত্র-জনতা-শ্রমিকের ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করছি। দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা
করতে আমরা কাজ করছি। বাংলাদেশে এমন একটা পরিবেশ বিনির্মাণ করতে চাই, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু
নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিরা রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চায় ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রণালয়গুলো ব্যক্তি নির্ভর হওয়া উচিত না, সিস্টেম নির্ভর হওয়া উচিত। এমন একটা সিস্টেম
প্রতিষ্ঠিত করতে হবে যাতে মন্ত্রী হিসেবে যে ব্যক্তিই আসনে অধিষ্ঠিত হোক না কেন, সিস্টেমের
কোনো ব্যত্যয় না ঘটে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার হোমনা পৌর এলাকার কারারকান্দি–বাহেরখোলা সড়কের পাশে আজ শুক্রবার সকালে এক যুবকের মরদেহ ভুট্টাক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিচয় পাওয়া গেছে শান্ত দাস, তিনি উপজেলার বিজয়নগর গ্রামের অরুণ চন্দ্র দাসের ছেলে।পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, শান্ত বৃহস্পতিবার অটোরিকশা নিয়ে বের হন এবং রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। সকালে স্থানীয়রা ক্ষেতের ভেতর তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে জানায়। নিহতের বাবা মনে করছেন, অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ছিনতাইকারীরা তাকে হত্যা করেছে।
হোমনা থানার ওসি মো. রাশেদুল আলম চৌধুরী জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তে মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় সার সংকটকে কেন্দ্র করে কৃষকদের ক্ষোভের মুখে মারধরের শিকার হয়েছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আকতার হোসেন। এতে তার একটি দাঁত ভেঙে যায় বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে উমরাডাঙ্গী বাজার এলাকায়।
স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, উমরাডাঙ্গী বাজারে মল্লিক ট্রেডার্সের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি মোজাম্মেল হোসেন কৃষকদের মাঝে সার বিতরণ করছিলেন। এ সময় অভিযোগ ওঠে—তিনটি ভ্যানে করে পাঁচ ব্যক্তি এসে একজন কৃষকের নামে ৩৩ বস্তা সার নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে লাইনে অপেক্ষমাণ কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ পায় এবং মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে ওঠে। বিশৃঙ্খলা বাড়তে থাকলে দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আকতার হোসেন এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করেন।ঘটনা জানাজানি হলে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুর রশিদ মামুন সেখানে উপস্থিত হয়ে কৃষকদের শান্ত করতে উদ্যোগ নেন এবং দ্রুত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে আসার জন্য অনুরোধ জানান। পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম, আকতার হোসেনসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উত্তেজিত কৃষকরা আকতার হোসেনের ওপর চড়াও হয়ে তাকে মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাণীশংকৈল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।মল্লিক ট্রেডার্সের মালিক বা প্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম জানান, “আকতার হোসেনের অবস্থা ভালো নয়। মাথায় আঘাত পেয়েছেন, দাঁতও ভেঙে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দিনাজপুরে নেওয়া হয়েছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বক্তব্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন


সৌদি
আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি সৌদি অ্যারাবিয়ান মাইনিং কোম্পানি (মা’আদেন)
দেশে চারটি স্থানে নতুন করে মোট ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজি) স্বর্ণসম্পদের
সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশীয় খনিজ মজুত সম্প্রসারণ এবং বিশ্বমানের
স্বর্ণ উৎপাদক হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার কৌশল আরও জোরালো হলো বলে জানিয়েছে
প্রতিষ্ঠানটি। সংবাদ গলফ নিউজের
মা’আদেন
জানায়, লক্ষ্যভিত্তিক খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে শুরুতে ৯০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণসম্পদের
তথ্য পাওয়া যায়। বার্ষিক প্রতিবেদনসংক্রান্ত মানদণ্ড অনুযায়ী সমন্বয়ের পর চূড়ান্তভাবে
নতুন সম্পদ যোগ হয়েছে ৭৮ লাখ আউন্স।
এই
সম্প্রসারণের আওতায় রয়েছে মানসুরাহ–মাসারাহ, উরুক ২০/২১, উম্ম আস সালাম
এবং নতুন আবিষ্কৃত ওয়াদি আল জাওয়ান। এর মধ্যে মানসুরাহ–মাসারাহ
প্রকল্পে এক বছরে সবচেয়ে বেশি, ৩০ লাখ আউন্স স্বর্ণসম্পদ যুক্ত হয়েছে। উরুক ২০/২১ ও
উম্ম আস সালাম থেকে এসেছে ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স, আর ওয়াদি আল জাওয়ানে প্রথমবারের মতো
৩০ লাখ ৮০ হাজার আউন্স স্বর্ণসম্পদের হিসাব যোগ হয়েছে।
মা’আদেনের
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বব উইল্ট বলেন, এসব ফলাফল সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ
উন্মোচনে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের সফলতা প্রমাণ করে। তিনি বলেন, ‘এই ফলাফল স্পষ্ট
করে দিয়েছে যে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল বাস্তব পর্যায়ে কাজ করছে। এ কারণেই আমরা সৌদি
আরবের স্বর্ণসম্পদে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছি।’তিনি
আরও বলেন, নতুন স্বর্ণসম্পদ সংযোজন মা’আদেনের প্রকল্প পাইপলাইনের ধারাবাহিকতা
ও সক্ষমতা তুলে ধরেছে। ‘চারটি এলাকায় খননের মাধ্যমে ৭০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণ যোগ
হওয়া আমাদের স্বর্ণ পোর্টফোলিওর বিশালতা ও সম্ভাবনা দেখায়। এটি ভবিষ্যতের নগদ প্রবাহ
নিশ্চিত করতেও সহায়ক হবে,’ বলেন তিনি।
২০২৬
সালের অনুসন্ধান কর্মসূচিতে মা’আদেন মূলত সেন্ট্রাল অ্যারাবিয়ান গোল্ড
রিজিয়নে গুরুত্ব দিয়েছে। সেখানে উন্নত পর্যায়ের খনন কার্যক্রমে নতুন খনিজ স্তর এবং
সম্ভাব্য খনি সম্প্রসারণের ইঙ্গিত মিলেছে। ঐতিহাসিক মাহদ স্বর্ণখনির আশপাশেও খননের
মাধ্যমে খনির আয়ু বাড়ানোর সম্ভাবনা চিহ্নিত করা হয়েছে।
বব
উইল্ট বলেন, ‘সাম্প্রতিক ফলাফল কোম্পানির বহুমুখীকরণ পরিকল্পনাকেও জোরালো করেছে। স্বর্ণের
মতোই তামা ও নিকেলের প্রাথমিক ফলাফল আশাব্যঞ্জক। আরবিয়ান শিল্ড অঞ্চলে বড় পরিসরে খনিজ
উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে।’
শাইবান
ও জাবাল আল ওয়াকিল এলাকায় পাওয়া তথ্য সৌদি আরবজুড়ে বহুপণ্যভিত্তিক শক্তিশালী পোর্টফোলিও
গড়ার সম্ভাবনা দেখাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মা’আদেনের প্রধান প্রকল্প মানসুরাহ–মাসারাহে
বর্তমানে আনুমানিক ১১ কোটি ৬০ লাখ টন আকরে প্রতি টনে ২ দশমিক ৮ গ্রাম স্বর্ণ রয়েছে।
যার মোট পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ আউন্স। সাম্প্রতিক খনন
কার্যক্রমে
এক বছরে নিট ৩০ লাখ আউন্স স্বর্ণসম্পদ যোগ হয়েছে, যদিও মোট সংযোজন ছিল ৪২ লাখ আউন্স।
কোম্পানিটি
জানিয়েছে, মানসুরাহ ও মাসারাহ, উভয় খনিতেই গভীরে এখনও খনিজ স্তর উন্মুক্ত রয়েছে, যা
ভবিষ্যতে আরও বড় আবিষ্কারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। ২০২৬ সাল পর্যন্ত খনন কার্যক্রম
চলবে এবং পর্যায়ক্রমে নতুন তথ্য প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন


আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের স্টকটন শহরে এক শিশুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গুলি চালার ঘটনায় চারজন নিহত এবং দশজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় স্টকটনের একটি রেস্তোরাঁয় এই ঘটনা ঘটে, জানিয়েছে পুলিশ।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, লুসিল অ্যাভিনিউর ১৯০০ ব্লকে সন্ধ্যা ৬টার আগে হামলাটি সংঘটিত হয়। পুলিশের ধারণা, এটি পূর্বপরিকল্পিত এবং হত্যার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি এবং তদন্ত চলছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। স্টকটনের ভাইস মেয়র জেসন লি ফেসবুক পোস্টে জানান, “এক শিশুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গুলি চালানো হয়েছে। ঠিক কী ঘটেছে তা বোঝার জন্য আমি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।”
হতাহতদের মধ্যে পূর্ণবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুরাও রয়েছেন। বেশির ভাগ আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের জরুরি চিকিৎসা চলছে।
স্থানীয় শেরিফ অফিস জানিয়েছে, প্রথমে তারা ১৪ জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পায়; তাদের মধ্যে চারজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। নিহতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। পুলিশ হামলাকারীর সনাক্তকরণ এবং গ্রেফতারের জন্য কাজ করছে।
এ ধরনের সহিংস ঘটনা মার্কিন শহরগুলিতে সাধারণ হওয়ায় জনসাধারণের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং কমিউনিটি নেতারা এই ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন