

মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা দাউদকান্দির গৌরীপুরে লাইসেন্স বিহীন চালক, ফিটনেস বিহীন গাড়ী, অধিক গতিতে গাড়ি চালানো, হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেল চালানো এবং মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে যৌথবাহিনী।
আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে মহাসড়কের গৌরীপুর এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন হাইওয়ে পুলিশ ও মিলিটারি পুলিশের যৌথ দল।
যানজট নিরসন, মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ ও যৌথবাহিনী। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে ট্রাফিক আইনের পরিপন্থী সকল প্রকার অবৈধ কার্যক্রম দমনসহ আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ওসি রাশেদ খান চৌধুরী বলেন, মহাসড়কের গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড কয়েকটি জেলা উপজেলার সংযোগ জংশন। প্রতিনিয়তই মহাসড়কে এলোপাতাড়ি গাড়ী উঠানামা এবং সড়কের মাঝখানে যাত্রী উঠানামা বন্ধ করতে এই অভিযান। সেইসাথে ফিটনেস এবং কাগজপত্রবিহীন গাড়ী, লাইসেন্স বিহীন চালক ও হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেলকে কয়েকটি মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযান চলমান থাকবে।
সেনা ক্যাম্পের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাউদকান্দি গৌরিপুর এলাকায় মহাসড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে হাইওয়ে পুলিশ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের মিলিটারি পুলিশের যৌথ দল। এতে মহাসড়কে যানজটমুক্ত স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত হওয়ায় জনমনে স্বস্তি বিরাজ করছে। যানজট নিরসন, হাইওয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে ইউনিটের অধিনায়ক লে. কর্নেল মুন্তাজার রাশেদীন এর নির্দেশনায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় যৌথভাবে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করেছে।
এ সময় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে দুটি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
এ
সময় মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
আজ
সোমবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে এত তদারকি অভিযান পরিচালিত হয়।
যৌথভাবে
পরিচালিত এই চেকপোস্টে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। যান চলাচলে শৃঙ্খলা নিশ্চিত
ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর এই তৎপরতা স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লা নিউমার্কেটে নিত্যপণ্যের বাজারে
তদারকি অভিযান চালিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তর ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকালে কুমিল্লা নিউমার্কেটে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মোঃ আছাদুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন। চলমান বর্ষা মৌসুমকে কেন্দ্র করে সবজিসহ নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি তদারকি করতে এ মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
এ সময় সহযোগিতা করেন স্যানিটারি
ইন্সপেক্টর একে আজাদ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার
সহকারী পরিচালক মোঃ আছাদুল ইসলাম জানান, অভিযানে মসলা, সবজি, কাচামরিচ, ডিম, ফার্মেসী
প্রভৃতি বিষয়ের ওপর তদারকি করা হয়। অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
করা হয়। জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চান্দিনায় এক নৃশংস এক হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া গেছে । পারিবারিক কোন্দলের জেরে ২৭ বছর বয়সী গৃহবধূ সাবিনা আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাবিনার স্বামী আবুল খায়েরকে আটক করেছে চান্দিনা থানা পুলিশ।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে চান্দিনা উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।
নিহত সাবিনা আক্তার ওই গ্রামের মো. আবুল খায়েরের স্ত্রী এবং একই উপজেলার মহিচাইল ইউনিয়নের হারালদার গ্রামের ময়নাল হোসেনের মেয়ে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১২ বছর পূর্বে বিবাহ হয় তাদের। বিবাহের পর থেকে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল।
রবিবার রাতে স্বামী আবুল খায়ের উত্তেজিত হয়ে সাবিনা আক্তারকে প্রচণ্ড মারধর করে। একপর্যায়ে গলায় রশি পেঁচিয়ে ও বাথরুমের বালতির পানিতে মাথা চুবিয়ে হত্যা করে।
নিহতের পিতা ময়নাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে আমরা রাতেই ওই বাড়িতে গিয়ে বাথরুমে আমার মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আবুল খায়েরকে আটক করে পুলিশে খবর দেই।
চান্দিনা থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বামী আবুল খায়েরকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লাকে একটি বাসযোগ্য -আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দীর্ঘদিন এই অঞ্চলে কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লার উন্নয়ন নিয়ে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করবো।
আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আমার স্বপ্ন আমার কুমিল্লা শীর্ষক উন্নয়ন প্রস্তাবনা উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগ কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। কুমিল্লা নোয়াখালী অঞ্চলকে নিয়ে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন অবিলম্বে করতে হবে। আমি সংসদে গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবো।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুর সঞ্চালনায় পরিকল্পনা প্রস্তাব উপস্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বপন, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজীব, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইউম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সারসহ মহানগর ও জেলার বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মনিরুল হক চৌধুরী আরো বলেন, ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা বিমানবন্দরটি বন্ধ হয়ে আছে। বিমানবন্দরের পাশেই রয়েছে কুমিল্লা ইপিজেড। প্রতিনিয়ত এখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতায়াত করে। বিমানবন্দর চালু হলে ইপিজেডে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে তথা এ অঞ্চলের প্রবাসীদের দুঃখ দুর্দশা লাঘব হবে। অচিরেই কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু করা আমার অন্যতম পরিকল্পনার অংশ।
সিটি করপোরেশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মেগাসিটিতে রূপ নেয়নি। সিটি করপোরেশনের সীমানাও বৃদ্ধি করা হয়নি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লা সিটিকে মেট্রোপলিটন সিটিতে রূপদান ও সীমানা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
নগরীর যানজট প্রসঙ্গে বলেন, যানজট কুমিল্লা নগরীর বর্তমানে প্রধান সমস্যা। পুরোনো শহরে সংকীর্ণ রাস্তায় ছোট পরিকল্পনায় যানজট নিরসনে সুদূরপ্রসারী সুবিধা পাওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে দরকার বৃহৎ পরিকল্পনা। শহরকে বিকেন্দ্রীকরণ করে দক্ষিণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানান্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করলে মানুষ দক্ষিণমুখী হবে। উত্তরে গোমতী পাড় হয়ে উপশহর করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজের আলাদা ক্যাম্পাস স্থাপন করলে শহরে মানুষের চাপ কমবে।
পয়োনিষ্কাশন নিয়ে তিনি জানান, জলাবদ্ধতা এখন কুমিল্লার অন্যতম সমস্যা। বিশেষ করে বর্ষায় জলাবদ্ধতা লেগেই থাকে। এক্ষেত্রে পুরোনো দখলকৃত খাল উদ্ধার ও খনন, ড্রেন বড় করা ও খনন করা, বড় খালের সাথে লিংকেজ করে দিলে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব। আমি নির্বাচিত হলে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
তাছাড়া অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভেঙ্গে পড়েছে। জগন্নাথপুরে যে বর্জ্য প্রতিদিন ফেলা হয় তা পাহাড়ের আকার ধারণ করেছে। এতে ওই বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ নানাবিধ রোগবালাইয়ে ভুগছে। শুনেছি ওই এলাকায় বর্জ্যের গন্ধে কেউ আত্মীয়তাও করতে চায় না। এক্ষেত্রে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি। এর জন্য আমার 'ওয়েস্ট রিসাইকল প্রজেক্ট' বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
কোটবাড়ি ও লালমাই পাহাড়কে ঘিরে রয়েছে স্যাটেলাইট সিটি ও ইকো ট্যুরিজম হাব বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তিনি বলেন, এছাড়াও ঢাকা- কুমিল্লা বিকল্প সড়ক পথ ও সরাসরি রেললাইন (কর্ডলাইন) স্থাপনের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। আমি অনেকদিন ধরে সরাসরি রেললাইন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি। সর্বশেষ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) নিকট পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছি। আশাব্যঞ্জক হলো এডিবি সরাসরি রেললাইনে অর্থ দিতে রাজি হয়েছে। সরকারের সাথে এ নিয়ে আলাপ আলোচনা চলছে। অচিরেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক গঠিত কার্যক্রম পরিচালনা কমিটির ৭ম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শাহআলম।
এতে উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মামুন, প্রকৌশলী আবু সাঈদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।সভায় নগর উন্নয়ন কার্যক্রম, নাগরিক সেবা আরও জোরদারকরণ এবং চলমান ও প্রস্তাবিত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


রবিউল হাসান অমি,প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুমিল্লা
ইউনিটের ১১ সদস্য বিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উক্ত কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে মো:
আমিরুল কায়ছার (জেলা প্রশাসক,কুমিল্লা)। ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে মোস্তাক মিয়া (বিএনপির
কেন্দ্রীয় কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, ডায়াবেটিস সমিতির সাধারণ
সম্পাদক), সেক্রেটারি হিসেবে জামিল আহমেদ খন্দকার ( বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক )।
উক্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন
মীর আবু জাফর শামসুদ্দিন দিদার, শাহাজাদা এমরান, অধ্যাপক এ,কে , এম এমদাদুল হক মামুন,
সৈয়দ মোতাহের আলী দিলাল, মোহাম্মদ মাসউদ আলম, অধ্যাপক মো.মনিরুল ইসলাম, ফেরদৌস সায়েম
ভূইয়া ও গোলাম ইউসুফ চৌধুরী।
উক্ত কমিটি ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে অনুমোদন
করেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ড. কবির মো. আশরাফ আলম, এনডিসি। এস.জি(ইউ.এ)-১৮৪৫/০১৩
স্মারকে এই কমিটি অনুমোদন করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বৃহৎ পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে।
এই অভিযানে চার জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার রাত ৩.২৫ ঘটিকায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় কর্মরত এসআই মোঃ শাহাবুর আলম ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকায় রাত্রীকালীন মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন ০৪নং শশীদল ইউনিয়নের বাল্লক রামচন্দ্রপুর সাকিনে ভারত সীমান্ত হতে রামচন্দ্রপুরগামী রাস্তায় চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে একটি মাইক্রোবাস থেকে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। এই সময় মাইক্রোবাসে যাত্রা করছিলেন চার জন মাদক ব্যবসায়ী, যাদের পুলিশ গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে তিন জনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোঃ জাহাঙ্গীর (৩৪), মোঃ আলমগীর হোসেন (২৮), মোঃ জুয়েল মিয়া (২৯) ও মোঃ শাহপরান (২০)। তারা সবাই ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশের তদন্তে জানা গেছে যে, তিন জনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক মামলা রয়েছে।
এ সম্পর্কে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম আতিক উল্লা বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা:
কুমিল্লাতে যৌথ বাহিনী কর্তৃক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৩ অক্টোবর কুমিল্লা জেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নিমিত্তে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে দাউদকান্দি উপজেলায় একটি লোকাল গান এবং তিন রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র দাউদকান্দি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে মিনি পিকআপে
করে মাদক পরিবহনকালে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ পাঁচজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১
সিপিসি-২।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন
চান্দিনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে
মিনি পিকআপের পিছনে মাছ রাখার ড্রামের মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। মোঃ
দিপু , ২। কামরুল ইসলাম , ৩। মোঃ ছুটন মিয়া , ৪। শিপন এবং ৫। মোঃ মাহফুজ নামের পাঁচজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ৪৮ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ
কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ দিপু
(২৭) বি.বাড়িয়া জেলার কসবা থানার কাইয়ুমপুর গ্রামের আইয়ুব খান এর ছেলে; ২। কামরুল ইসলাম
(৩০) কুলনা পাথর গ্রামের মৃত জামাল হোসেন এর ছেলে; ৩। মোঃ ছুটন মিয়া (৩০) কামালপুর
গ্রামের মৃত মকবুল হোসেন এর ছেলে; ৪। শিপন (৩০) নোয়াগাঁ গ্রামের টুনু মিয়া এর ছেলে
এবং ৫। মোঃ মাহফুজ (২৪) কামালপুর গ্রামের বাছির মিয়া এর ছেলে।
র্যাব
জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে কুমিল্লা সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন
অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক
অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে
র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা লালমাইয়ে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে কুকুর দিয়ে কামড়ানোর ভয় দেখিয়ে পরপর তিনবার জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে আবাদ উল্লাহ (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে যৌথ বাহিনী।
এই ঘটনায় আজ রোববার (৯ মার্চ) সকালে ওই বৃদ্ধকে আসামি করে লালমাই থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিশুর মা। গ্রেফতারকৃত আবাদ উল্লাহ উপজেলার বেলঘর উত্তর ইউনিয়নের ভুশ্চি গ্রামের মৃত রেহান উদ্দিনের ছেলে। প্রাথমিকভাবে যৌথবাহিনীর নিকট ধর্ষণের দায় শিকার করেছেন ওই বৃদ্ধ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের অভিযুক্ত আবাদ উল্লাহ ভুক্তভোগী শিশুর সম্পর্কে দাদা হয়। গত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে শিশু সামিয়া মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার সময় কুকুর দিয়ে কামড়ানোর ভয় দেখিয়ে হাত ও মুখ চেপে ধরে জনৈক হিরণের বাড়ীতে নিয়ে পায়জামা খুলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আবাদ উল্লাহ। একই কায়দায় পরপর আরো দুইবার ধর্ষণ করে এবং এই ঘটনা কাউকে না জানাতে শিশুকে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতিও প্রদর্শন করা হয়।
এ বিষয়ে শিশুটির মা জুতি আক্তার বলেন, গত শুক্রবার (৭ মার্চ) ঘটনাটি প্রথমে আমাকে জানায় সামিয়ার দুই বান্ধবী। প্রথমে তাদেরকে ১০০ টাকার বিনিময়ে কু-প্রস্তাব দেয় ওই বৃদ্ধ। তারা রাজি না হওয়ায় আমার মেয়েকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে সে। বিষয়টি শোনার পর আমার মেয়েকে জিজ্ঞেস করলে মেয়ে জানায় তাকে কুকুর দিয়ে কামড়ানোর ভয় দেখিয়ে গত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে পরপর তিনবার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে পাশের বাড়ির দাদা সম্পর্কে আবাদ উল্লাহ। পরে ঘটনাটি আমি স্থানীয় সর্দার ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে তাদের কাছে সে (আবাদ উল্লাহ) বিষয়টি অস্বীকার করে। পরবর্তীতে আমি আইনের আশ্রয় নিলে যৌথবাহিনী তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ আলম বলেন, এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে আসামি আবাদ উল্লাহ কে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আসামি প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের দায় স্বীকার করেছে এবং ভুক্তভোগীকে মেডিকেল চেকআপের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন