

মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা দাউদকান্দির গৌরীপুরে লাইসেন্স বিহীন চালক, ফিটনেস বিহীন গাড়ী, অধিক গতিতে গাড়ি চালানো, হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেল চালানো এবং মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে যৌথবাহিনী।
আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে মহাসড়কের গৌরীপুর এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন হাইওয়ে পুলিশ ও মিলিটারি পুলিশের যৌথ দল।
যানজট নিরসন, মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ ও যৌথবাহিনী। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে ট্রাফিক আইনের পরিপন্থী সকল প্রকার অবৈধ কার্যক্রম দমনসহ আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ওসি রাশেদ খান চৌধুরী বলেন, মহাসড়কের গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড কয়েকটি জেলা উপজেলার সংযোগ জংশন। প্রতিনিয়তই মহাসড়কে এলোপাতাড়ি গাড়ী উঠানামা এবং সড়কের মাঝখানে যাত্রী উঠানামা বন্ধ করতে এই অভিযান। সেইসাথে ফিটনেস এবং কাগজপত্রবিহীন গাড়ী, লাইসেন্স বিহীন চালক ও হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেলকে কয়েকটি মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযান চলমান থাকবে।
সেনা ক্যাম্পের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাউদকান্দি গৌরিপুর এলাকায় মহাসড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে হাইওয়ে পুলিশ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের মিলিটারি পুলিশের যৌথ দল। এতে মহাসড়কে যানজটমুক্ত স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত হওয়ায় জনমনে স্বস্তি বিরাজ করছে। যানজট নিরসন, হাইওয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে ইউনিটের অধিনায়ক লে. কর্নেল মুন্তাজার রাশেদীন এর নির্দেশনায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০২ কেজি গাঁজাসহ ৫ জন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
বুধবার (৯ অক্টোবর) রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি
থানাধীন হোসেনপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ দেলোয়ার হোসেন,
২। সুমন, ৩। মোঃ আব্দুল হালিম, ৪। মোঃ জাহিদ হাসান রতন এবং ৫। আব্দুর রব হাওলাদার নামের
৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ১০২ কেজি গাঁজা ও মাদক
পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার এবং একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী মোঃ দেলোয়ার
হোসেন (৩০) খাঁগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানাধীন মাটিরাঙ্গা গ্রামের মৃত বাবুল মিয়া
এর ছেলে, ২নং আসামী সুমন (৩৭) কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন আলমপুর গ্রামের মৃত
জসীম এর ছেলে, ৩নং আসামী মোঃ আব্দুল হালিম (৪০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানাধীন
মাদলা গ্রামের মৃত সিরাজ আলী এর ছেলে, ৪নং আসামী মোঃ জাহিদ হাসান রতন (৪৫) ঢাকা জেলার
বংশাল থানাধীন আলু বাজার গ্রামের আব্দুল ছাত্তার এর ছেলে এবং ৫নং আসামী আব্দুর রব হাওলাদার
(৭০) ঝালকাঠি জেলার নলসিটি থানাধীন বিন নারায়ণ গ্রামের মৃত আব্দুল আজীজ হাওলাদার এর
ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত
প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় মোবাইল ডিসপ্লে ও বাজি উদ্ধার
করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য এক কোটি
৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
সোমবার
(২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির
মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার ভোর আনুমানিক ৩টা ৫০ মিনিটে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
উপজেলা যশপুর বিওপির আওতাধীন লক্ষ্মীপুর সীমান্ত এলাকার প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে
‘বলের ডেপা’ নামক স্থানে মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল
ডিসপ্লে ও কিং কোবরা ব্র্যান্ডের আতশবাজি পড়ে থাকতে দেখা যায়। যা অবৈধভাবে ভারত থেকে
দেশে আনা হয়। পরে বিজিবির দায়িত্বরত টহলটিম সেগুলো জব্দ করে।
কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, জব্দকৃত মালামালের
আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এ ধরনের চোরাচালান দেশের অর্থনীতির
জন্য ক্ষতিকর এবং জননিরাপত্তার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করে।
বিশেষ
করে অবৈধ বাজি মজুদ ও পরিবহন অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। উদ্ধারকৃত
মালামাল বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে। সীমান্ত এলাকায়
চোরাচালান রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান বিজিবির এ অফিসার।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা তিতাসে সাময়ন আরিয়ানকে হত্যা অভিযোগে একজনকে মৃত্যুদণ্ড; আরেকজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
আজ বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরবেলা কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক সাব্বির মাহমুদ চৌধুরী এ রায় দেন।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিল্লাল পাঠান হলেন- কুমিল্লা তিতাস উপজেলার বিরামকান্দি পাঠান বাড়ী'র মোঃ খেলু পাঠানের ছেলে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি শেফালী আক্তার (৪৩) হলেন একই উপজেলার কলাকান্দি উত্তর পাড়া মাষ্টার বাড়ীর জামাল মিয়ার স্ত্রী।
মামলার বিবরণে জানা যায়- পূর্ব আক্রোশের বশবর্তী হইয়া আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে ভিকটিম সায়মন আরিয়ান (৭) কে হত্যা করিয়া কলাকান্দি বালুর মাঠে (কাঁশ বনে) লাশ গুম করে।
জানা যায়- ২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট বিকেলবেলা ভিকটিম সায়মন আরিয়ান আসামি শেফালী আক্তারের ছেলে রাফি'র সাথে খেলাধুলা করার জন্য ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ীতে ফিরে না আসায় বাদীনি তাঁর আত্মীয় স্বজনের সহায়তায় সম্ভাব্য স্থানে খোঁজাখুঁজি না পেয়ে বাদীনি তিতাস থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন এবং পরদিন ঘটনাস্থলে ভিকটিমের অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট নিহতের গর্ভধারিনী মাতা খোর্শেদা আক্তার (৪০) বাদী হয়ে তিতাস থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোঃ নয়ন মিয়া ও সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ জাহিদুল হক এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার সাব-ইন্সপেক্টর জীবন বিশ্বাস তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট আসামি শেফালী আক্তার ও একই বছর ৩১ ডিসেম্বর আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠানকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করিলে আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠান ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৬৪ ধারার বিধানমতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তৎপর তদন্তকারী কর্মকর্তা জীবন বিশ্বাস ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর আসামি বিল্লাল পাঠান ও শেফালী আক্তার এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারের জন্য বিজ্ঞ আদালতে আসিলে চলতি বছর ২৭ ফেব্রুয়ারী তাহাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জগঠনক্রমে রাষ্ট্র পক্ষে ১৫জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠান এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মহামান্য হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে মৃত্যুদণ্ড এবং ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধানমতে তাকে ৫ (পাঁচ) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায়ে আরও উল্লেখ করেন যে, "মৃত্যুদণ্ড না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে গলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ প্রদান করা হল"।
আসামি শেফালী আক্তার এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদয়ের আরো ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধানমতে তাকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। রায়ে আরও উল্লেখ করেন যে, আসামি শেফালীর উভয় দণ্ড একসাথে চলবে।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মোঃ ইকরাম হোসেন বলেন, শালি-দুলাভাইয়ের অন্তরঙ্গ মুহুর্ত দেখে পেলায় আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশু সায়মন আরিয়ানকে হত্যা করে। আমরা আশা করছি শীঘ্রই উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও সদর দক্ষিন এলাকা হতে ইয়াবা ও গাঁজা সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
৪ মে রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন পূর্ব কাশিপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সুমন
মিয়া (২৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৫ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে
৪ মে রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জগপুর (পশ্চিম পাড়া) এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ
সময় আসামীর কাছ থেকে ৪২ পিস ইয়াবা ও ১২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো, ১। মোঃ সুমন মিয়া (২৮) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পূর্ব কাশিপুর গ্রামের
মোঃ আঃ মালেক এর ছেলে এবং ২। আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানার
জগপুর (পশ্চিম পাড়া) গ্রামের মৃত সরাফত আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা
হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
রাজধানীর উত্তরার
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার যমজ বোন সারিনা
জাহান ও সাইবা জাহান দগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে তারা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি
ইনস্টিটিউটের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দগ্ধ শিশু সারিনা
জাহান ও সাইবা জাহান চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কুলিয়ারা গ্রামের
বাসিন্দা এবং উত্তরা এলাকার ব্যবসায়ী ইয়াছিন মজুমদার ও আকলিমা আক্তারের মেয়ে। তারা
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।
তাদের বাবা ইয়াছিন মজুমদার জানান,
সোমবার
(২১ জুলাই) দুপুরে হঠাৎ স্কুল থেকে ফোন পেয়ে তিনি স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান।
অনেক খোঁজাখুঁজির পর
বার্ন ইনস্টিটিউটে গিয়ে তাদের মেয়েদের খুঁজে পান। ওদের মধ্যে সারিনার শরীরের ২০
শতাংশ এবং সাইবার শরীরের ৮ শতাংশ পুড়ে গেছে,বলেন তিনি।
তবে চিকিৎসকরা
জানিয়েছেন, তারা আপাতত আশঙ্কামুক্ত। দেশবাসীর কাছে আমাদের দুই মেয়ের
সুস্থতার জন্য দোয়া চাই।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লাকে নিয়ে হাজী ইয়াছিনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জনসাধারণের কাছে তুলে ধরতে একটি গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকালে নগরীর ছাতীপট্টি অজিত গুহ কলেজ এলাকা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় হাজী ইয়াছিন উপস্থিত না থাকলেও তার পক্ষে নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচি পরিচালনা করেন। কর্মসূচিটি ছাতীপট্টি থেকে শুরু হয়ে চকবাজার–তেলিকোনা হয়ে গুধীরপুকুর পাড়ে গিয়ে শেষ হয়।
গুধীরপুকুর পাড়ে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়া এখন সময়ের দাবি। জনগণের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই ৩১ দফার লক্ষ্য।
তারা জানান, হাজী ইয়াছিন কুমিল্লার মানুষের পাশে থেকে যে উন্নয়ন–ভিশন দিয়েছেন, তা আগামী দিনে কুমিল্লার আধুনিক নগর বিকাশে ভূমিকা রাখবে।
বক্তারা আরো বলেন, কঠিন সময়েও হাজী ইয়াছিন দলের প্রতি যে নিষ্ঠা ও ত্যাগ দেখিয়ে গেছেন তা কুমিল্লার বিএনপিকে প্রেরণা দেয়। সংগঠনের প্রতিটি নেতা–কর্মীর মাঝে তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রয়েছে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, সদর দক্ষিণ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু সায়েম মজুমদার, সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়া জুয়েল—সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকরা জানান, আগামী দিনগুলোতে এই কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে আরও বিস্তৃত আকারে পরিচালিত হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচং এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে বুড়িচং থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক।
জানা গেছে, গত রোববার (২২ জুন) বিকেলে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের কোরপাই এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শাখার ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ায় বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
মিছিলের ভিডিও ভাইরাল হলে পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বুড়িচং উপজেলার আবিদপুর গ্রামের মৃত কবির হোসেনের ছেলে মো. সোহেল রানা, কাকিয়ারচর গ্রামের সেলিম মুন্সীর ছেলে মো. কামরুল হাসান, আবিদপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. সজিব, আবিদপুর গ্রামের হুমায়ুন কবিরের ছেলে সাইদুল ইসলাম, কুমিল্লার বল্লভপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহীম ঠিকাদারের ছেলে মেহেদী হাসান রিমন এবং কুমিল্লার তৈতয়ারা গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে মোহাম্মদ আহমেদ।
বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ আজিজুল হক জানান, মহাসড়ক অবরোধ ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
২০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
গতকাল
(২৬ জানুয়ারী) রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোহাম্মদ আশিকুর রহমান ও সঙ্গীয়
ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৬ নং জগন্নাথপুর
ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড রাজম্ঙ্গলপুর সাকিনস্থ কাশফুল ফ্যাক্টরির সামনে রাস্তার উপর থেকে
২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সুজন মিয়া কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: মোঃ সুজন মিয়া(৩১), পিতা-মন্তু মিয়া ,স্থায়ী-১: গ্রাম- রাজমঙ্গলপুর ( হাবিল
কবিরাজের বাড়ির পাশে ০৮ নং ওয়ার্ড) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা –কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা:
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় সেনাবাহিনীর এর বিশেষ অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ কামাল হোসেন (৫৭) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ১৯ আগস্ট মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় তার কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৮টি ছুরি, ৫টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং ৩টি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি ও প্রত্নতত্ত্ব
বিভাগের যৌথ উদ্যোগে প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৬ মে) সকাল ১০ টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সম্মেলন শুরু হয়। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের হল রুমে দুই দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান চলবে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য
অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর
ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। আরও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব
উদ্দিন এবং বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরমা জাকারিয়া চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম।
সম্মেলনে উপস্থিত গুণী ও পণ্ডিত ব্যক্তিদের স্বাগত জানিয়ে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কেবল শিক্ষাদানের
জায়গা নয়। এখানে দুটি কাজ হয়, একটি জ্ঞান সৃষ্টি, আরেকটি জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া। আজকের
আয়োজন জ্ঞান সৃষ্টি ও ছড়িয়ে দেওয়া। এর মাধ্যমে উপকৃত হবে আমাদের ছাত্র ও উপস্থিত সকলেই।
তিনি আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব কেবলমাত্র অতীতের উপাত্ত সংগ্রহের একটি
পন্থা নয়, বরং এটি আমাদের সভ্যতার ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং সামাজিক বিকাশের এক অমূল্য
দৃষ্টান্ত। আমাদের দেশের সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যকে চিহ্নিত করা এবং তা বিশ্বমঞ্চে
তুলে ধরা আমাদের সকলের একান্ত দায়িত্ব।
ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, পুরনোকে নতুনভাবে উপস্থাপন
না করে, পুরনোকে পুরনোভাবে রেখে ইতিহাসকে খোঁজা, সহযাত্রী হওয়া, শিক্ষা নেওয়া, উপস্থাপন
করা, লালন করা এবং আত্মস্থ করা প্রত্নতত্ত্বের জ্ঞান। আমরা ছাত্রজীবনে এই পাঠগুলো পাইনি,
যার ফলে একটা বড় গোষ্ঠী এগুলো নিয়ে সচেতন নয়। আমরা জাতি হিসাবে পিছিয়ে আছি, কেননা আমাদের
এই জিনিসগুলো নিয়ে আমরা সচেতন নই।
তিনি আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের এক যুগ পূর্তিতে এই আয়োজন আন্তর্জাতিক
মানসম্পন্ন জ্ঞান বিনিময় প্লাটফর্ম তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে শুধু
গবেষণার গুণগত মানই বৃদ্ধি পাবে না, বরং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে দেশি এবং বিদেশি
গবেষকদের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি করবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম বলেন, আমার কাছে মনে হয়,
ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে কষ্টিপাথরে যাচাই করা জ্ঞান সৃষ্টি করে প্রত্নতত্ত্ব। আমরা
যদি ইতিহাসকে বিভিন্ন লেয়ারে ভাগ করি, প্রাচীণ, মধ্য, আধুনিক, তাহলে ফাউন্ডেশন লেয়ারে
আমরা প্রত্নতত্ত্বকে পাবো।
তিনি আরও বলেন,বাংলাদেশে ময়নামতি সংক্রান্ত বিষয় জানতে পারার জন্য ময়নামতির
কাছে এসে এই সম্মেলন হওয়ায় আমরা কৃতার্থ। এই যে
ল্যান্ড অফ ভ্যারাইটিজ যেখানে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিষয় আছে, সেখানে আসতে পেরে
আমরা আসলেই গর্বিত।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী অধ্যাপক মুতাসিম বিল্লাহ এবং অনুষ্ঠানে
স্বাগত বক্ত্য রাখেন বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরমা জাকারিয়া
চৌধুরী।
উল্লেখ্য, সম্মেলনে দেশি-বিদেশি শিক্ষক, প্রত্ন-গবেষক ও শিক্ষার্থীদের
শতাধিক প্রবন্ধ উপস্থাপিত হবে।
মন্তব্য করুন