

গতকাল দিবাগত রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এর জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী বুনিয়া সোহেলকে তার দুই সহযোগীসহ গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে ২টি বিদেশি পিস্তল এবং ৬ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। শীর্ষ সন্ত্রাসী বুনিয়া সোহেল গ্রেফতারের প্রাক্কালে স্থানীয় জনগণ কর্তৃক মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হলে পুলিশের তত্ত্বাবধানে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।
অপরদিকে পৃথক একটি অভিযানে, রাজধানীর রায়েরবাগ এলাকায় একজন হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে গত ১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে সশস্ত্র সংঘর্ষে জড়িত থাকার এবং হত্যার অভিযোগে মামলা দায়েরকৃত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির তথ্যের উপর ভিত্তি করে, সংঘর্ষের ঘটনাস্থল মোল্লাকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে থানা থেকে লুটকৃত ১টি শটগান ও ১ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প অথবা যে কোন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট প্রদান করুন।
মন্তব্য করুন


জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গুরুতর আহতদের
খোঁজ নিতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আগারগাঁওয়ের
হাসপাতালটিতে পরিদর্শনে যান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
জুলাই-আগস্টে ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে গুরুতর
আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৮ শিক্ষার্থীসহ
গুরুতর আহত কমপক্ষে ১১ জন হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ সময় হাসপাতালের পরিচালক কাজী দীন
মোহাম্মদ বলেন, হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ৪ শিক্ষার্থীর
অবস্থা প্রধান উপদেষ্টা দেখেছেন। চারজনেরই মাথায় গুলি লেগেছে। তাদের অবস্থার উন্নতি
হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা:
নগরের ব্যস্ততম কান্দিরপাড় থেকে শুরু করে রাজগঞ্জ, শাসনগাছা কিংবা টাউন হল মোড়, কুমিল্লা প্রেসক্লাব -বিগত ছয়টি বছর ধরে পবিত্র রমজান মাসে এই এলাকাগুলোতে দেখা যায় এক চেনা কিন্তু উজ্জ্বল দৃশ্য। যখন নগরের মানুষ নিজের ঘরে পরিবারের সাথে আয়েশ করে ইফতার বা সাহরি সারেন, ঠিক তখনই একদল তরুণ প্রাণ পথে পথে খুঁজে বেড়ান ক্ষুধার্ত মানুষকে। কোনো প্রতিদান নয়, কেবল আত্মতৃপ্তি আর স্রষ্টার সন্তুষ্টির আশায় কুমিল্লার বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই মহৎ কাজ করে যাচ্ছে।
নিরবচ্ছিন্ন মানবিক পথচলা
২০২০ সালের সেই কঠিন সময় থেকে শুরু করে আজ ২০২৬ পর্যন্ত, টানা ছয় বছর ধরে এই কার্যক্রম থমকে যায়নি একদিনের জন্যও। শুরুতে স্বল্প পরিসরে শুরু হলেও বর্তমানে এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। কুমিল্লার কয়েকটি পরিচিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা, আমরা কুমিল্লার তরুণ প্রজন্ম,ক্বাদেরিয়া ইসহাকিয়া ফাউন্ডেশন, ফাতিহা ফাউন্ডেশন, জাগরণ মানবিক সংগঠন, কুটুম বাড়ি বিরিয়ানি হাউজ, "গাজী মোঃ মন্তাজ উদ্দিন ফাউন্ডেশন" কাজী ফাউন্ডেশন
—যাদের মধ্যে তরুণ শিক্ষার্থী ও সাধারণ পেশাজীবীরা রয়েছেন—ব্যক্তিগত তহবিল ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় এই আয়োজন সফলভাবে পরিচালনা করছেন।
সেবার ধরণ: ইফতার থেকে সাহরি
সংগঠনগুলোর এই কার্যক্রম মূলত দুই ভাগে বিভক্ত:
ভ্রাম্যমাণ ইফতার: প্রতিদিন আসরের নামাজের পর থেকেই শুরু হয় প্রস্তুতি। রিকশাচালক, পথচারী, দিনমজুর এবং ভাসমান মানুষের হাতে সময়মতো পৌঁছে দেওয়া হয় মানসম্মত ইফতারের প্যাকেট। অনেক সময় মহাসড়কে আটকে পড়া দূরপাল্লার যাত্রীদের হাতেও পৌঁছে যায় এই উপহার।
রাত্রিকালীন সাহরি বিতরণ: মধ্যরাতে যখন পুরো শহর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই স্বেচ্ছাসেবীরা বেরিয়ে পড়েন সাহরি নিয়ে। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, ছিন্নমূল মানুষ এবং যারা রাতে কাজ করেন, তাদের জন্য গরম ভাত ও মানসম্মত তরকারি পরিবেশন করেন তারা।
যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা
সংগঠনগুলোর সমন্বয়ক মোহাম্মদ জাবের হোসাইন জানান জানান:
"আমরা যখন শুরু করেছিলাম, লক্ষ্য ছিল কেউ যেন ক্ষুধার্ত পেটে রোজা না রাখে। আজ ছয় বছর পর এসে দেখি, এই কাজটা কেবল আমাদের নয়, পুরো কুমিল্লাবাসীর ভালোবাসায় পরিণত হয়েছে। পথে থাকা একজন মানুষের হাসিমুখ আমাদের সব ক্লান্তি দূর করে দেয়।"
সামাজিক সংহতির উদাহরণ
এই উদ্যোগ কেবল খাদ্য সহায়তা নয়, বরং সমাজের উচ্চবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। স্থানীয় নাগরিকরা মনে করেন, কুমিল্লার এই ঐতিহ্যবাহী সেবা মানসিকতা সারা দেশের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। কোনো সরকারি বরাদ্দ ছাড়াই সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই প্রকল্পটিকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই সংস্কৃতি কুমিল্লার পরিচয়কে আরও সমৃদ্ধ করেছে। পথে পথে সাহরি ও ইফতার বিতরণের এই নীরব বিপ্লব আগামীতেও অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা কুমিল্লাবাসীর।
মানবতার এই কাজে যুক্ত হতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ
জাবের হোসাইন 01915131242
পিয়ারে মাহবুব 01911-041508
সাজ্জাদ খান 01838-246929
মন্তব্য করুন


ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৮ মাসের মধ্যে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে।
আজ শনিবার বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নারীদের জন্য বিশেষ ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে, যা মা ও বোনদের জন্য একটি কার্যকর সহায়তা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহজে সরবরাহ করা হবে, যাতে নারীরা সরাসরি উপকৃত হন।
তিনি আরও জানান, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। একইভাবে স্বাস্থ্যকার্ড চালুর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সাশ্রয়ী ও সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।
পথসভায় অতীতের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতার জন্য নিজ হাতে লড়াই করতে হয়েছে। তখন কেউ বিদেশ থেকে আমাদের পক্ষে যুদ্ধ করেনি। কিন্তু যারা স্বাধীনতার বিরোধী ছিল, তারা আজ নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে ভোট চাইতে এসেছে। তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারাই বিচার করুন, স্বাধীনতার পক্ষে তারা ছিল নাকি বিপক্ষে।”
তিনি আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের জন্য সকলের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটের আবেদন জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি ভোটারদের আশ্বাস দেন, নির্বাচিত হলে জনগণের পক্ষে সংসদে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।
পথসভায় উপস্থিত কয়েকজন ভোটার মঞ্চে উঠে অতীতের সময় তার নেতৃত্বে বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। তারা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পসহ কৃষি কাজে সেচ সুবিধা বৃদ্ধিসহ অন্যান্য উন্নয়নের কথা উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে আরও নতুন প্রকল্পের আশা প্রকাশ করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচিত হলে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে বাজারে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটি ১১টি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্য আমদানিতে বিলম্বে বিল পরিশোধের সুবিধা দিয়েছে।
এই পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে— চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্য তেল, চিনি, ডিম, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর। এগুলো এখন ৯০ দিনের সাপ্লায়ার্স বা বায়ার্স ক্রেডিটে আমদানি করা যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সোমবার (১১ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করা ও রমজানের আগে বাজারে পণ্যের সরবরাহ বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাটি কার্যকর থাকবে ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
মার্জিন নীতিতেও শিথিলতা
এর আগে, গত ৬ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক আমদানি এলসি খোলার ক্ষেত্রে আগের ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন রাখার বাধ্যবাধকতা শিথিল করে। এখন ব্যাংক ও গ্রাহকের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে এই হার নির্ধারিত হবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রমজান মাসে ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে এসব পণ্যের আমদানি সহজ করা হচ্ছে, যাতে বাজারে সরবরাহ বজায় থাকে ও দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানায়, অভ্যন্তরীণ বাজারে স্থিতিশীলতা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে এসব পণ্যের আমদানি ঋণপত্রে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের স্বস্তি
খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, নগদ মার্জিন কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের প্রাথমিক অর্থের চাপ কমবে। এতে আমদানি ব্যয়ও হ্রাস পাবে, যা ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করবে। সাম্প্রতিক ডলার সংকটে ডাল, ভোজ্যতেল, খেজুর, ছোলা ও মসলা আমদানিতে যে বাধা ছিল, নতুন এই উদ্যোগ তা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে।
সরকারের আগাম প্রস্তুতি
এর আগে, গত ৩১ অক্টোবর সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি রমজানের প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির অনুমোদন দেয়। বৈঠকে চিনি, ছোলা ও সয়াবিন তেল আমদানির পাশাপাশি ৯০ হাজার টন ইউরিয়া সার এবং দুই কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, রোজার সময় ছোলা ও সয়াবিনের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। তাই আগেভাগেই এসব পণ্য আমদানির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে বাজারে সংকট না হয়।
সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এই পণ্যগুলো আমদানি করবে। পাশাপাশি, খেজুর আমদানির বিষয়েও শিগগির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাব
সরকারি বৈঠকে স্থানীয় দরপত্রের মাধ্যমে ৫ হাজার মেট্রিক টন চিনি প্রতি কেজি ১২০ টাকা ৯২ পয়সা দরে মোট ৬০ কোটি ৪৬ লাখ টাকায়,
১০ হাজার মেট্রিক টন ছোলা প্রতি কেজি ১০৭ টাকা ৩৯ পয়সা দরে মোট ১০১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা,
এবং ৩২ লাখ ৬০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৬৩ টাকা ১৫ পয়সা দরে ৫৩ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
সারসংক্ষেপ
সব মিলিয়ে, রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের ঘাটতি এড়াতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক একাধিক আর্থিক ও নীতিগত পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে আমদানিকারকরা স্বস্তি পাবেন এবং সাধারণ ভোক্তাও বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব দেখতে পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ছোটপর্দার
অভিনেত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার মৃত্যুকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনও তুমুল আলোচনা-সমালোচনা
চলছে। বেশিরভাগই কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন তার স্বামী ও অভিনেতা জাহের আলভীকে। তবে নিজের
স্বপক্ষে ফেসবুকে সরব আলভীও। শুক্রবার (৬ মার্চ) মধ্যরাতেও ইকরার মৃত্যুকে ঘিরে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন তিনি। যদিও এটিকে ইকরার মৃত্যু নিয়ে তার শেষ
পোস্ট বলে দাবি করেছেন এই অভিনেতা।
নতুন
পোস্টে ইকরার বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন আলভী। সেখানে তিনি ঘটনাটি নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ
দাবি তুলে ধরেছেন এবং তদন্তে সেসব বিষয় খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায়
তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়, তবে তিনি আইনের প্রতি সম্মান রেখে তা মেনে
নেবেন বলেও জানিয়েছেন।
আলভী
লিখেছেন, ‘এটাই হয়তো আমার শেষ পোস্ট । একটু সময় নিয়ে পড়বেন। আইনের প্রতি সম্মান রেখেই
বলছি, সুষ্ঠু বিচারে আইন আমার বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নিবে আমি মাথা পেতে নেব। কিন্তু
আমার এই পোস্টে আমি কিছু ইনফরমেশন রেখে যেতে চাই, যেন আমার কিছু হলে, অথবা আমাকে অন্যায়ভাবে
ফাঁসানো হলে সাধারণ জনগণ ও সাংবাদিক ভাই-বোনেরা এই বিষয়গুলো নিয়ে সতর্ক থাকেন এবং আইনের
কাছে খতিয়ে দেখার দাবি রাখতে পারেন। ’
পোস্টে
আলভী লেখেন, ‘আমার বাসায় ড্রইং-ডাইনিংয়ে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। যার এক্সেস কখনোই
আমার কাছে ছিল না। ইকরার ফোনে ছিল। ইকরার ফোন পুলিশি হেফাজতে আছে এবং এই মুহূর্তে তা
ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে। অনেকেই বলবেন, আমার বাসার সিসিটিভির এক্সেস আমার কাছে ছিল না,
এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাদেরকে বলব, সিসিটিভির সাথে লিংকড ডিভাইস লিস্ট চেক করলে সেটি
অনায়সে বেরিয়ে আসবে। আমি সারাদিন শুটিং এ থাকার কারণে কখনো এর এক্সেস ইকরার কাছেও চাইনি।
ইকরা এই ক্যামেরা দিয়ে বাসার কাজের লোক ও বাসায় থাকা আমার সহকারীর গতিবিধি লক্ষ্য করত
প্রয়োজনমতো। এই সিসিটিভি ফুটেজ দুর্ঘটনার সবচেয়ে
বড় আলামত শুধু দুর্ঘটনার সময় না, আমি নেপাল
আসার দিন থেকে রয়েছে এই ক্যামেরায় গুরুত্বপূর্ণ
ফুটেজ। আবারও বলছি, ইকরার মোবাইল (যার পাসওয়ার্ড আমি জানি না) ও সিসিটিভি ক্যামেরার
মেমোরি কার্ড দুটোই পুলিশের হেফাজতে।’
ইকরার
বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে আলভী লেখেন, ‘এখন বলব, কেন সিসিটিভির ফুটেজ সবচেয়ে বেশি
গুরুত্বপূর্ণ। আমি নেপালের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই ২৫ তারিখ দুপুরে। ২৫ তারিখ, ২৬
তারিখ ও সর্বশেষ ২৭ তারিখ; এই ৩ দিনই সন্ধ্যার পর আমার বাসায় ইকরার বান্ধবী ও বন্ধুর
আগমন ছিল। যার গতিবিধি সিসিটিভিতে আছে। ২৫/২৬ শুধু বান্ধবী এবং ২৭ তারিখ ২ জন বান্ধবী
ও ১ জন ছেলে বন্ধু বাসায় এসেছে এবং মধ্যরাত পর্যন্ত ছিল। এ সময়গুলোতে ৩ দিনই তারা
সিগারেট/গাজা ও মদ্যপান করেছে। দুর্ঘটনার আগের দিন ২৭ তারিখ ইকরা আমার সহকারীকে দিয়ে
সিগারেট ও ঘুমের ঔষধও আনিয়েছে ঐ সময়ে, যা সিসিটিভির নিচেই ইকরাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে
। এই সমগ্র ভাষ্য আমার সহকারীর এবং তা ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে স্টেটমেন্ট আকারে পেশ
আছে। সাংবাদিক ভাই ও সাধারণ সবাইকে জানিয়ে রাখলাম, বিষয়টি যেন সিসিটিভি ফুটেজ থেকে
এই ৩ দিনের ফুটেজ কোনোভাবেই সরানো না হয়, আর সরানো হলেও যেন এর সুষ্ঠু জবাবদিহি বা
তদন্ত করা হয়। এই ৩ দিন ও দুর্ঘটনার মুহূর্তে ইকরার কথা-বার্তা কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের
মতো ছিল না। ইকরা এর আগেও ১৫ বছরে একাধিকবার আত্নহত্যার চেষ্টা করলেও কখনো সিরিয়াসলি
কোনো সংযোগ পাওয়া যায়নি। কিন্তু এইবার ইকরা একদমই নরমাল ছিল না। ’
আলভী
আরও লেখেন, ‘ইকরার মোবাইল পুলিশের মাধ্যমে ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট চলে
আসবে কে ইকরার একাউন্ট ডিসেবল করেছে। এবং এটিও জানার প্রয়োজন আছে কেন করেছে। আমার সাথে
ইকরার কনভারসেশনের একটি দাঁড়ি-কমাও পরিবর্তিত হয়নি, সেটি আমার ফোন ফরেনসিকে নিলে প্রমাণ
মিলবে। যেটা আমি স্বেচ্ছায় পুলিশের কাছে দিব। সবাইকে এই দিকটাও লক্ষ্য রাখার জন্য অনুরোধ
জানানো হচ্ছে যেন ইকরার ফোন থেকেও কোন কনভার্সেশন ডিলিট না হয়। যেমন ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্যান্য অ্যাপ।
এমনকি ফোনের ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল লিস্ট এবং ২৫/২৬/২৭ তারিখ রাতে ওর বন্ধুদের সাথে
বাসায় আসা এবং চিল করা নিয়ে কনভারসেশন।’
পোস্টমর্টেম
নিয়ে আলভী লিখেছেন, ‘এবার আসেন পোস্টমর্টেম রিপোর্ট নিয়ে কিছু কথা বলি। আগের রাতে মদ্যপান
ও মাদক সেবন করা হলে অবশ্যই সেটি পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আসবে। তাই, কোনোভাবেই এই রিপোর্ট
যেন পরিবর্তন না হয় সেদিকেও একটু নজর রাখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। কারণ পোস্টমর্টেম
করার আগে পোস্টমর্টেম বাধা দেয়া হচ্ছিল। না চাইতেও নিচে কিছু সংবেদনশীল ইঙ্গিত রেখে
যাচ্ছি যেগুলো আপনাদের সামনে এই মানুষটিকে নিয়ে বিস্তারিত বলতে আমার জন্য কষ্টদায়ক।
সর্বোপরি ইকরা আমার স্ত্রী।’
ইঙ্গিতের
ব্যাপারে আলভী লিখেছেন, ‘আপনাদের মতে আমার না হয় তিথীর সাথে পরকিয়া, তাহলে ইকরার ব্যাচমেট
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি, ফিলোসফি ডিপার্টমেন্টের ৪১তম ব্যাচের ‘নাবিদ’-এর
সাথে ইকরার কী? ২০১০ সালে পালিয়ে বিয়ে করে দুই পরিবারের কাছে ধরা খাওয়ার পর, ইকরা আমার
বিবাহিত স্ত্রী থাকার পরও ইকরার পরিবার ইকরাকে ইকরার সম্মতিতে আরেক জায়গায় বিয়ে দিয়ে
দেয়। হ্যাঁ, আমার স্ত্রী থাকা অবস্থায় ইকরা আরেকটি বিয়ে করে, বাসর করে। আমাকে ডিভোর্স
না দিয়ে তার পরিবারের সম্মতিতে তবে ভুল বুঝতে
পেরে যখন ইকরা আমার কাছে ফিরে আসতে সিদ্ধান্ত নেয়, আমি তাকে মাফ করে বুকে পাথর রেখে
মেনে নেই। একজন স্বামী হয়ে এই সিচুয়েশন বয়ে বেড়ানো খুব একটা সুখের না অবশ্যই।’
এই
অভিনেতা লেখেন, ‘ওপরের কোনো কিছুই এটা প্রমাণ করে না যে, ইকরা আমাকে ভালবাসতো না। ইকরা
আমাকে ভয়ংকর ভালবাসতো। আমিও বাসতাম। ত্যাগ ওর যেমন ছিল, আমারও ছিল। যুদ্ধ দুজনেরই
করতে হয়েছে। ভুল-ত্রুটি, ঝগড়া, কলহ অন্য সব সংসারের স্বামী-স্ত্রীর মতো আমাদেরও ছিল।
কিন্তু সময়ের কালক্রমে ভালবাসাটা মায়ায় রূপ নেয়। মায়া, অভ্যস্ততা ও সন্তানের সেতুবন্ধন
সবকিছুকে ছাপিয়ে ভালবাসার জায়গাটায় আসন গেড়ে বসেছিল। ওপরের মহলের চাপ, ইকরার পরিবারের
প্রতিশোধপরায়ণতা ও আমার স্বকর্মসংস্থানের মানুষদের বেইমানি হয়তো আমাকে দমিয়ে দেবে,
হয়তো বেঁচে থাকতে দেবে না।
পোস্টের শেষে আলভী লিখেছেন, ‘১ জন মানুষও যদি বিবেচনার
দুয়ার খুলে লেখাগুলো পড়ে থাকেন। দয়া করে প্লিজ তথ্য-প্রমাণ মিলিয়ে নিয়েন। মুছে যেতে
দিয়েন না । আমার সন্তানের জন্য হলেও। কারণ আমার জায়গা আমার সন্তানের জীবনে কেউ পূরণ
করতে পারবে না। এটা বাস্তব। আমাদের দুজনের দুজনকে দরকার। আপনারা পারলে আমাকে মাফ করে
দিয়েন।’
মন্তব্য করুন


দায়িত্বশীল
ভূমিকা পালন করে নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার
জন্য তারেক রহমান, ডা. শফিকুর রহমান এবং নাহিদ ইসলামের প্রতি অভিনন্দন, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা
জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
শনিবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) পৃথক টেলিফোন আলাপে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি),
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই নেতাদের সঙ্গে কথা
বলেন।
এ
সময়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পরিমিতি, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের ফলে
নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
প্রথমে
প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার দলের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে
বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান।
প্রধান
উপদেষ্টা পরে শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামকে সাফল্যের জন্য এবং নির্বাচন পরবর্তী দায়িত্বশীল
ভূমিকা পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি
আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক দলগুলো একইভাবে
সহযোগিতাপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


জনস্বার্থকে
প্রাধান্য দিয়ে সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগী করা হবে বলে জানিয়েছেন,তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম।
আজ
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে কেবল টিভি
ডিজিটালাইজেশন, টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট (টিআরপি) সেবাপ্রদান এবং ওভার দ্য টপ (ওটিটি)
প্লাটফর্ম-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন-বিষয়ক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জানিয়েছেন,তথ্য
ও সম্প্রচার বলেন, কেবল টিভি ডিজিটালাইজেশন, টিআরপি সেবাপ্রদান এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের
সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের
সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে কোন মন্ত্রণালয় কোন কাজটি করবে সেটি অ্যালোকেশন অব
বিজনেস দ্বারা নির্ধারিত। তিনি দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতার ভিত্তিতে
সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায়
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ
সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগী ও জনবান্ধব করতে প্রযুক্তি
মূল্যায়ন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এই পরিকল্পনায় সংশ্লিষ্ট অংশীজনকে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত
করা যায়, এ বিষয়ে দুই মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এর পাশাপাশি লাইসেন্সিং, মনিটরিং
ও মনিটাইজেশনের বিষয়েও দুই মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ
করেন।
সভায়
উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, সংশ্লিষ্ট দপ্তর-সংস্থার
কর্মকর্তা, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) প্রতিনিধি এবং কেবল
অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) প্রতিনিধিগণ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক তৈরির সরঞ্জামসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী।
আজ রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মফিজ উদ্দিন।
পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় তিতাস উপজেলায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
আজ ভোরে উপজেলার শাহাপুর এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে যৌথবাহিনী বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে শাহাপুর এলাকা থেকে একটি ৯ মি.মি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, একটি রামদা এবং ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করে যৌথবাহিনী।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গুলি ও অন্যান্য সরঞ্জাম যথাযথ প্রক্রিয়ায় তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ওসি (তদন্ত) মো. মফিজ উদ্দিন জানান, আটক তিনজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান
ছাড়াও সুফি মাজারে যেকোনো বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী
সরকার। সেই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে
কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছে সরকার।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয় থেকে পাঠানো
বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত কয়েকদিনে কিছু দুর্বৃত্তের
দেশের সুফি মাজারগুলোতে হামলা চালানোর বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের নজরে এসেছে। অন্তর্বর্তী
সরকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা এবং সুফি মাজার সম্পর্কিত যেকোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য
এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায়
আনা হবে। সেই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়
ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের
দেশ। ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতিকে বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা
সরকার দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।
মন্তব্য করুন


স্কুল
শিক্ষিকাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল এক শিক্ষার্থী। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি হননি
শিক্ষিকা। প্রস্তাবে সাড়া না দিলেও হাল ছাড়েনি দ্বাদশ শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী। শিক্ষিকাকে
নিয়মিত অনুসরণ করার পাশাপাশি তাকে নানাভাবে হেনস্তা করারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
এক পর্যায়ে প্রকাশ্যে রাস্তায় শিক্ষিকাকে আক্রমণ করে এবং ধারালো ছুরি দিয়ে শিক্ষিকার
ঠোঁট কেটে দেয়।
এমন
ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরি জেলার ঘটনা। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বর্তমানে
পলাতক।
পুলিশ
জানায়, অখণ্ড প্রতাপ নামের ওই শিক্ষার্থী দীর্ঘ দিন ধরেই ওই শিক্ষিকাকে হেনস্তা করছিল
বলে অভিযোগ এসেছে।
আগ্রা
রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে পড়ার সময়েই সে ওই শিক্ষিকাকে হেনস্তা করতে শুরু করে প্রতাপ।
শিক্ষিকার ভাইয়ের অভিযোগ, এই হেনস্তার কারণে সেই শিক্ষিকা স্কুল ছাড়তে বাধ্য হন। তিনি
পরে অন্য একটি বেসরকারি স্কুলে যোগ দেন। ওই শিক্ষার্থীর মায়ের কাছে এ নিয়ে অভিযোগও
জানানো হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ জানানোর পর হেনস্তার পরিমাণ আরো বেড়ে যায়।
শিক্ষিকার
ভাই আরো অভিযোগ জানান, গত ২৬ জানুয়ারি ওই শিক্ষার্থী ধারালো অস্ত্র নিয়ে সেই শিক্ষিকাকে
আক্রমণ করে। জোর করে তার সঙ্গে কথা বলার সময়েই আক্রমণ করা হয়। তখনই সে শিক্ষিকার ঠোঁট
কেটে দেয়। এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজে প্রকাশ পেয়েছে।
সেখানে
দেখা যায়, ওই শিক্ষিকা ছাত্রকে পড়ানোর জন্য জ্যোতি তিহারা এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রতাপ
তাকে বাধা দিয়ে একটি গলিতে নিয়ে যায় এবং প্রকাশ্য দিবালোকে তার ওপর হামলা করে।
আহত
শিক্ষিকা রাস্তায় কাঁতরাতে থাকলে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।
অবস্থার অবনতি হলে তাকে সফদরজং মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়, কিন্তু সেখানে প্লাস্টিক
সার্জন না থাকায় দ্রুত চিকিৎসার জন্য আগ্রার পুস্পাঞ্জলি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে
ওই শিক্ষিকা সেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছাত্র পলাতক। পুলিশ তার সন্ধানের ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে।
কোতোয়ালি
থানার কর্মকর্তা ফতে বাহাদুর সিং জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি ওই শিক্ষিকার পরিবারের পক্ষ
থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শিক্ষিকাকে যৌন হেনস্তা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ জানানো
হয়েছে ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে ধরার জন্য অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন