

সাভারে
ছাত্রদল নেতার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে তার স্ত্রী রিয়া মনির (১৯) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তবে ঘটনার পর থেকে ওই ছাত্রদল নেতা আত্মগোপনে রয়েছেন।
সোমবার
( ০৯জুন ) বিকেলে পৌরসভার ছায়াবিথি মহল্লার ডা. তৌহিদুজ্জামানের বাড়ির দ্বিতীয় তলার
তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার
করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
পরিবারের
দাবি, রিয়ার স্বামী সদ্যঘোষিত পৌর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রনি ইসলাম স্ত্রীকে
হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছেন। নিহত রিয়া মনি (১৯) নোয়াখালী জেলার মাইজদী
থানা এলাকার রৌফ চৌধুরীর মেয়ে। তার বাবা-মা দুজনই প্রবাসী।
থানা
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভার পৌরসভার ছায়াবিথি মহল্লার ডা. তৌহিদুজ্জামানের
ভাড়া বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে রনি ও রিয়া দম্পতি ভাড়া থাকতেন। কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর
জেরেই রিয়াকে হত্যা করে ফ্ল্যাটে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায় রনি।
নিহতের
মামা সাদ্দাম হোসেন বলেন, রনি ইসলাম সম্প্রতি পৌর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার
পর থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে রিয়ার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।
পারিবারিক
বিরোধের জেরেই রনি রিয়াকে হত্যা করে বাইরে থেকে তালা মেরে পালিয়ে গেছে বলে দাবি করেন
তিনি। এ ছাড়া রিয়াকে হত্যার বিষয়টি মুঠোফোনে রনি তার মাকে জানালে হত্যার কথা প্রকাশ
পায়। পরে বিকেলে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে
লাশটি উদ্ধার করেন। ঘটনার পর থেকেই রনি ইসলামের মুঠোফোনটি বন্ধ রয়েছে এবং তিনি আত্মগোপনে
আছেন। নিহতের নানি জাহানারা বেগম বলেন, ‘রিয়ার বাবা-মা দুজনই প্রবাসী।
আমাদের
মেয়েকে ওই রনি পরিকল্পিতভাবে খুন করে পালিয়ে গেছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার ও রনির দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি চাই।
সাভার
মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী বলেন, ‘খবর পেয়ে বিকেলে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাটের
তালা ভেঙে রিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশটি ময়নাতদন্তের
জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের
অনুমতিক্রমে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।’
এদিকে,
রাজনৈতিক পদধারী নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের
মাঝেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পলাতক পৌর ছাত্রদল নেতা রনি ইসলামের বিষয়ে জানতে ঢাকা
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালের মুঠোফোনে
একাধিকবার ফোন করলেও তারা রিসিভ করেননি।
মন্তব্য করুন


স্ত্রীর
করা যৌতুক মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তানভীর রাহী।
বুধবার
(১৩ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপসের শর্তে জামিন
আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর
করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের
আইনজীবী হারুন অর রশীদ।
গত
৮ মার্চ ৫০ লাখ টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগ এনে রাহীর বিরুদ্ধে মামলা করেন তার স্ত্রী
ফাহিমা বিনতে মাহবুব পুস্পিতা। মামলার পর আদালত রাহীকে ১৫ এপ্রিল হাজির হওয়ার জন্য
সমন জারি করেন। তবে ওইদিন তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বাদীপক্ষ তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি
পরোয়ানার আবেদন করে। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
আজ
আদালতে আত্মসমর্পণের পর রাহীর পক্ষে জামিন শুনানি করেন আইনজীবী ইশতিয়াক শাহরিয়ার। তিনি
আদালতে বলেন, প্রেমের সম্পর্কের পর ৩০ লাখ টাকা দেনমোহরে রাহী ও পুস্পিতা বিয়ে করেন।
পারিবারিক মনোমালিন্যের কারণে পুস্পিতা বাসা ছেড়ে চলে যান এবং পরে মামলা করেন। বর্তমানে
উভয় পক্ষই সংসার করতে চান। তাই আপসের স্বার্থে আগামী ৯ জুন পর্যন্ত জামিন চাওয়া হয়।
শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলার
অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ৭ আগস্ট ৩০ লাখ টাকা দেনমোহরে রাহী ও পুস্পিতা বিবাহবন্ধনে
আবদ্ধ হন। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে পুস্পিতাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা
হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ৫০ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন
করা হয়। পরে তিনি ৯৯৯-এ ফোন দিলে তাকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় জিডি করেন পুস্পিতা।
এছাড়া
গত ১ মার্চ রাতে লালবাগ হোস্টেলের সামনে দেখা করতে ডেকে গাড়ি কেনার জন্য ৫০ লাখ টাকা
যৌতুক দাবি করা হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। টাকা না দিলে বিবাহ বিচ্ছেদের হুমকি
দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬১০ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে ধ্বংস করা হয়েছে শতবর্ষী ২টি পুকুর ও ২২ একর প্রাকৃতিক জলাশয়। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও পলাতক, হত্যা মামলার আসামী আবু জাহের রাতের আঁধারে গোমতী নদীর মাটি কেটে এই জলাধার ও পুকুর ভরাট করেন—যা পরিবেশ আইন ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।
আইনের অপমান
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০ অনুযায়ী, কোনো পুকুর, খাল, নদী কিংবা প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাট করা সম্পূর্ণ বেআইনি। কিন্তু কারাগারের অভ্যন্তরের পুকুরসহ ২২ একর জলাশয় বুলডোজারের নিচে চাপা পড়েছে নিরব প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে।
ঐতিহাসিক জলাধার, আজ শুধু স্মৃতি
ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬৭ একর জমির মধ্যে দুটি পুকুর ও একটি ২২ একরের বিশাল জলাশয় রয়েছে। একসময় এ জলাশয়ে হাজারো অতিথি পাখির সমাগম হতো। পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছিল। এসব পুকুরে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দও গোসল করেছিলেন—স্মৃতি হিসেবে সেই ছবিও সংরক্ষিত আছে।
কিন্তু এখন সেই পুকুরগুলোর দুটি সম্পূর্ণভাবে ভরাট, অপরটি আংশিকভাবে ভরাটের প্রক্রিয়ায়। আর বিশাল জলাশয়টি রাতারাতি মাটি ফেলে সমতল করা হয়েছে।সেখানে গড়ে উঠেছে দশতলা চারটি ভবন।
ক্ষমতার ছত্রছায়ায় কাজ
সূত্র মতে, কারাগারের এই উন্নয়ন কাজটি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রভাব খাটিয়ে সাবেক এমপি আবু জাহের ও তার ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জলাধার ভরাটের ঠিকাদার ছিলেন আবু জাহের নিজেই। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থাৎ কোটি কোটি টাকার কাজ তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে দখলে রেখেছেন।অধিকাংশ কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর নির্লিপ্ত?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের উপ-পরিচালক মুসাব্বির হোসেন মোহাম্মদ রাজিব জানান, “আমরা কারা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি। বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ পর্যন্ত গিয়েছে। কাজ বন্ধের সিদ্ধান্ত আছে, তবে তারা আমাদের অনুমতি না নিয়েই জলাশয় ভরাট করেছে।”
গণপূর্ত বিভাগ দায় এড়ালো
গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ৬১০ কোটি টাকার প্রকল্পটি তাদের তত্ত্বাবধানে হলেও জলাধার ভরাটের বিষয়ে তিনি বলেন,খতিয়ান নাল জমি উল্লেখ আছে। “পুকুর ভরাটের জায়গার কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে, তবে কারা কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবে।”
কর্তৃপক্ষের নীরবতা
সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুনের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে রিজার্ভ গার্ডের প্রধান কারারক্ষী জানান, তিনি ব্যস্ত। পরে তাঁর সরকারি নম্বরে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। একইভাবে জেলার আব্দুল্লাহ আল-আমিনের নম্বরেও যোগাযোগ করা হলে সাড়া মেলেনি।
এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনা এবং প্রাকৃতিক জলাধার রক্ষার দাবিতে পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল সরব হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই
চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।
শহীদ
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ
ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় হেসেখেলে কাটিয়ে
দিলে দেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘জিয়াউর রহমান কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এমন স্থানে নিয়ে গিয়েছেন,
তাতে মানুষ জিয়া ও বাংলাদেশকে এক রকম মনে করত।
কঠোর
পরিশ্রম, সততার মাধ্যমে দেশে অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি। জিয়াউর রহমানের সেই পথ অনুসরণ
করতে হবে।’
এ
সময় সরকারপ্রধান বলেন, ‘দেশে সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।
বিষয়গুলো কিভাবে শিশুদের মাঝে তৈরি করা যায়, তা নিয়ে তথ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা
দেওয়া হয়েছে।
তারেক
রহমান এ সময় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান নিজ দলের নেতাকর্মীদের প্রতি।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগের মতো পরিশ্রম জারি রাখতে হবে। ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমে
সরকারকে সফল করতে হবে।’
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (১৪ নভেম্বর) বলেছেন, তাঁর সরকার দেশের তৈরি
খাতে আরও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করার প্রয়াসে শ্রম খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করবে।
এখানে
প্রাপ্ত এক খবরে বলা হয়েছে, আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনের
ফাঁকে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র
সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশের
সাম্প্রতিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করার সময় অধ্যাপক ইউনূস তাকে বলেন, ‘শ্রম ইস্যুটি আমাদের
সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের অন্যতম এবং আমরা সকল শ্রম সমস্যার সমাধান করতে চাই।’
থেরেসা
মে বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রম ইস্যুতে কাজ করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে মানব পাচার ও অভিবাসন ইস্যু নিয়েও আলোচনা করেন।
অধ্যাপক
ইউনূস আইনি মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে অভিবাসন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি
ঝুঁকি ও অনিয়মিত অভিবাসন কমিয়ে দেবে এবং মানব পাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ
করবে।
অধ্যাপক
ইউনূস থেরেসা মেকে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সময় বাংলাদেশী তরুণদের আঁকা গ্রাফিতি ও ম্যুরাল
বিষয়ক বই আর্ট অফ ট্রায়াম্ফের একটি অনুলিপি উপহার দেন।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব ও মুখ্য
সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, তুরস্ক এবং আজারবাইজানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আনামুল
হক উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সরকার
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে
৫ শতাংশ কোটার সেই আদেশ বাতিল করেছে ।
সোমবার আগের আদেশ বাতিল করে
নতুন আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে সই করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
উপসচিব (মাধ্যমিক-১) মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার।
নতুন আদেশে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অনেক
ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে জারি করা আদেশ বাতিল করে নতুন আদেশ
জারি করা হলো।
এটাতে
বলা হয়, গত বছরে জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানে অনেক ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের
সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি জারীকৃত আদেশ বাতিল
করে নতুন আদেশ জারি করা হলো।
তবে,
কোটার স্থলে আহত ও নিহতদের সন্তানদের জন্য স্কুলে ভর্তিতে লটারির জন্য নির্ধারিত আসন
সংখ্যার অতিরিক্ত প্রতি শ্রেণিতে একজন করে ভর্তির জন্য আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আদেশে
আরও বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে
সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র/গ্যাজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং
ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে ইস্যুকৃত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের গেজেট যথাযথভাবে যাচাই
করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
এ ছাড়া
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে উক্ত
আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না বলেও আদেশে বলা হয়।
এর আগে,
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জারি করা এক আদেশে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের
পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
মন্তব্য করুন


সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির
(এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে তার ৮০০ টাকা পাওনা রয়েছে।
ভাইরাল
হওয়া ভিডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, আমি এখনো হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে টাকা পাব,
৮০০ টাকা। ভার্সিটিতে গাড়ি নিয়ে বসতাম আমি। এসেই বলতো, ভাই চা খাওয়ান, মামা চা খাওয়ান,
খাওয়াইতাম।
ভিডিওর
আরেক অংশে তিনি হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন অভিযোগ ও সমালোচনামূলক মন্তব্য
করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের ঘটনার সময় শেখ হাসিনার বাসভবন থেকে মালামাল
নেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং বর্তমান রাজনীতিতেও এ ধরনের ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ
অবস্থানে রয়েছেন।
তার
ভাষ্যে, সেই চোরের ঘরে চোর ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার বাড়ি থেকে বস্তা নিয়ে যায়। ওই চোরের
ঘরে চোরে সংসদে বড় বড় কথা বলে। চোর তো সংসদেই বসে আছে। পবিত্র জায়গাকে অপবিত্র করে
ফেলছে।
তবে
ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এছাড়া হাসনাত আবদুল্লাহ
বা তার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও এর বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই
করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন


পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এ কুমিল্লা জেলা পুলিশ সারাদেশে সেরা হবার গৌরব উজ্জ্বল কৃতিত্ব অর্জন করেছে ।
চলমান পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর দ্বিতীয় দিনে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স এ ২০২৩ সালে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অভিযান ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়নে কৃতিত্ব অর্জনকারী কুমিল্লা জেলা পুলিশকে পুরস্কার প্রদান করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম ।
বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল কামরান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) পুরস্কার গ্রহণ করেন ।
সারা দেশে পুলিশের সকল ইউনিটের মধ্যে মাদকদ্রব্য উদ্ধারে ১ম স্থান, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়নে ১ম স্থান ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে ২য় স্থান অর্জন করেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের জন্যে এটি এক গৌরবময় অর্জন।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) জেলা পুলিশের অপরাধ শাখাসহ সকল ইউনিটের সদস্যদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লাকে
বিভাগ করার দাবি বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার
বেলা দেড়টায় কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত পথসভায় কুমিল্লা
বিভাগ চেয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মুহুর্মুহু স্লোগানের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এ
ঘোষণা দেন।
তিনি
বলেন, “এই দাবিটি যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে, ইনশাল্লাহ সেটি বাস্তবায়ন হবে।”
একই
সঙ্গে কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে অল্প কিছুদিনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর
সঙ্গে আলাপ করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন সরকারপ্রধান।
বেলা
সোয়া ১১টায় প্রধানমন্ত্রী পথসভা মঞ্চে উঠলে সমর্থকরা মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে তাকে
অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
পথসভায়
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন কুমিল্লাবাসীর তরফে ‘কুমিল্লা’
নামে কুমিল্লা বিভাগ এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি তুলে ধরেন। এ সময় কর্মীরা
তুমুল করতালি দিয়ে কৃষিমন্ত্রীকে সমর্থন জানান।
একইভাবে
স্থানীয় সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন কুমিল্লাকে বিভাগ
করা, কুমিল্লা সদর হাসপাতালকে আড়াইশ’ বা তিনশ’
শয্যায় উন্নীত করার দাবি জানান।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান চাঁদপুরে
যাচ্ছেন। পথিমধ্যে এই পথসভায় অংশ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।”
এদিন
সকাল ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মী-সমর্থকরা ব্যানার-ফেষ্টুন নিয়ে এই পথসভায় সমবেত
হতে শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে লক্ষীপুর বাজার মাঠের পথসভাটি হাজারো নেতাকর্মীর
উপস্থিতিতে সমাবেশে রূপ নেয়।
সরকারপ্রধান
এদিন চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার উয়ারুক বাজারের ‘খোর্দ্দ খাল’
পুনঃখনন এবং সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের কুমারডুলি গ্রামে বিশ্ব খাল পুনঃখনন
কাজের সূচনা করবেন।
এরপর
চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন তারেক রহমান। এছাড়া চাঁদপুর ক্লাবে
স্থানীয় বিএনপির সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন তিনি।
মন্তব্য করুন


সারা
দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
শুরু হয়েছে। প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্রের
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার
(১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শুরু
হওয়া পরীক্ষা শেষ হয়েছে দুপুর
১টায়।
এসএসসি,
দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল)
পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০
লাখ ২৪ হাজার ১৯২
জন। দেশজুড়ে ২৯ হাজার ৭৩৫টি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৭০০টি
কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা
মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়
জানিয়েছে, এসএসসিতে পরীক্ষার্থী ১৬ লাখ ৬
হাজার ৮৭৯ জন, দাখিলে
২ লাখ ৯০ হাজার
৯৪০ জন, এসএসসি (ভোকেশনাল)
পরীক্ষা দিচ্ছে ১ লাখ ২৬
হাজার ৩৭৩ জন। আর
বিদেশের ৮ কেন্দ্রেও অনুষ্ঠিত
হচ্ছে পরীক্ষা।
মন্তব্য করুন


সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তিনি এ সংবর্ধনা প্রদান করেন।
এ সময় নারী ফুটবল দলের সদস্যরা তাঁদের স্বপ্ন ও খেলোয়াড় জীবনের প্রতিদিনের সংগ্রামের কথা প্রধান উপদেষ্টার সামনে তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বিজয়ী খেলোয়াড়দের বিভিন্ন দাবি ও কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অগ্রাধিকারভিত্তিতে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।
গত ৩০ অক্টোবর কাঠমান্ডুতে সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে পরাজিত করে শিরোপ জিতে নেয় বাংলাদেশ দল।
নারী ফুটবলারদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই সাফল্যের জন্য আমি পুরো জাতির পক্ষ থেকে তোমাদেরকে অভিনন্দন জানাই। জাতি তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমাদের দেশের মানুষ সাফল্য চায়, আর তোমরা সেই সাফল্য এনে দিয়েছ।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি।
তিনি বলেন, অনেক বাধা পেরিয়ে আমরা এই পর্যায়ে পৌঁছেছি। শুধু নারী ফুটবল দলই নয়, বাংলাদেশের নারীদের সামগ্রিকভাবে নানা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
২০০৯ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করা সাবিনা তাঁর আগের প্রজন্মের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, আগের প্রজন্ম
ফুটবলকে তাঁদের ভালবাসা হিসেবে বেছে নেওয়ার সাহস দেখিয়েছিলেন।
সাবিনা আরো বলেন, আমাদের অনেকে সাধারণ পরিবার থেকে এসেছে এবং তার পরিবারকে আর্থিকভাবে
সাহায্য করতে হয়।
তিনি বলেন, আমাদের বেতন খুব বেশি নয়। এই বেতন দিয়ে পরিবারকে তেমন কোন সাহায্য করতে পারি না।
এই তারকা স্ট্রাইকার তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধার সংগ্রামের গল্প, যেমন মারিয়া মান্দারের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
ময়মনসিংহের বিখ্যাত কলসিন্দুর গ্রামের মারিয়া, যেখান থেকে সাফ বিজয়ী দলের ছয়জন খেলোয়াড় এসেছেন, ছোটবেলায় তাঁর বাবাকে হারান এবং মা তাকে বড় করেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা রানী সরকার ঢাকায় তাঁদের আবাসন সমস্যার কথা উল্লেখ করেন, আর মিডফিল্ডার মানিকা চাকমা খাগড়াছড়ি জেলার দূরবর্তী লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ফুটবলার হিসেবে উঠে আসার সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন।
মিডফিল্ডার স্বপ্না রানী তাঁর নিজ জেলা দিনাজপুরের রানীশংকৈল উপজেলায় তার গ্রামের দূর্বল অবকাঠামোর কথা বলেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেন যেন তাঁদের জন্য এশিয়ার বাইরে একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়, বিশেষ করে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বিজয়ী বার্সেলোনার সঙ্গে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তাদের ব্যক্তিগত আশা-আকাঙ্ক্ষা, সংগ্রাম ও তাদের বিভিন্ন দাবি আলাদাভাবে কাগজে লিখে তাঁর কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য বলেন।
অধ্যাপক ইউনুস বলেন, ‘তোমরা যা কিছু চাও তা লিখতে দ্বিধা করো না আমরা তোমাদের দাবিগুলো পূরণ করার চেষ্টা করব। যদি কিছু এখনই করা সম্ভব হয়, আমরা তা করব’।
কোচ পিটার বাটলার এবং ম্যানেজার মাহমুদা আক্তারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, সুপ্রদীপ চাকমা, অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এবং নূরজাহান বেগম।
মন্তব্য করুন