

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, থানাকে জনগণের আস্থার জায়গায় পরিণত করতে হবে।
জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে যেকোনো সমস্যায় থানায় যেতে পারে ও উপযুক্ত সেবা পায়
থানার পরিবেশ ও কার্যক্রম সেভাবে রূপান্তর করতে হবে। থানায় সাধারণ জনগণের সঙ্গে ভালো
ব্যবহার করতে হবে। জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে থানার কার্যক্রম আরো সক্রিয় ও যুগোপযোগী
করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) চট্টগ্রাম
মহানগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ, চট্টগ্রাম
মেট্রোপলিটন পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি,
বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর
এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, যানজট
নিরসনসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিংকে জোরদার করতে হবে। ইতোমধ্যে ডিএমপি এলাকায়
৭০০ জন শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী,
পুলিশ ও বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত সদস্য যারা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োকিজত ছিলেন তাদের
মধ্যে আগ্রহী সদস্যদের বয়সসীমা বেঁধে দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে লাগানোর চিন্তাভাবনা
চলছে। প্রতিটি মহানগরীর যানজট নিরসনে সভা-সমাবেশের জন্য মুক্তাঙ্গন নির্দিষ্ট করে দিতে
হবে। ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগরীতে সভা-সমাবেশের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে নির্দিষ্ট করে
দেয়া হয়েছে। একইভাবে চট্টগ্রামসহ অন্যান্য মহানগরীর জন্য মুক্তাঙ্গন ঠিক করে দিতে হবে
যাতে যানজট হ্রাস পায়। তিনি এ সময় মেট্রোপলিটন এলাকায় অনুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশ করা যাবে
না মর্মে নির্দেশনা প্রদান করেন। আদালত থেকে রায় পেয়ে অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিন পেয়েছে।
এসব অপরাধী পুনরায় অপরাধে লিপ্ত হলে সাথে সাথে তাদের গ্রেফতার করতে হবে এবং কঠোর নজরদারিতে
রাখতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার অপপ্রচারসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধও বেড়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারেও
সজাগ থাকতে হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। ৫ আগস্টের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। তবে হয়তো সেটা জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী খুব সন্তোষজনক
পর্যায়ে পৌঁছেনি। তিনি এ সময় পুলিশকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন ও প্রোটকল
ডিউটি কমিয়ে আনার নির্দেশ দেন।
মতবিনিময় সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা বলেন, মিডিয়াকে সত্য ঘটনা প্রচার করতে হবে। আমাদের দেশের মিডিয়ার
যে একটা সুনাম আছে, পার্শ্ববর্তী দেশের মিডিয়ার তা নেই। তারা মিথ্যাই কিন্তু প্রচার
করে সবচেয়ে বেশি। আর এই মিথ্যাটাকে কাউন্টার করতে পারেন শুধু আপনারা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার
হাসিব আজিজের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক
মো. ময়নুল ইসলাম, র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের
ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল্লাহ
নূরী ও জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
সভায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এর কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন অতিরিক্ত কমিশনার হুমায়ূন কবীর চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন পুলিশ সুপার (অপারেশনস) নেছার উদ্দিন আহমেদ।
মন্তব্য করুন


সচিবালয়ে
নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট ও এসির ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একই সঙ্গে সকল মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন
তিনি।
বৃহস্পতিবার
(৫ মার্চ) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান
রুমন। তিনি বলেন, সকালে প্রধানমন্ত্রী অফিসে
গিয়ে নিজের কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইটের সুইচ অফ করে দেন এবং এসির তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ১
মাত্রায় নিয়ে আসেন। এসির এই মাত্রায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়।
শুধু
তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রবেশ করেই কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করে
দিতে এবং এসির তাপমাত্রা কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও তিনি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত
প্রেস সচিব।
সচিবালয়ের
১ নং ভবনটি প্রধানমন্ত্রীর দফতর। এই দফতরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ প্রধানমন্ত্রীর অধিনস্থ
বিভিন্ন বিভাগ রয়েছেন।
এছাড়াও
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের সকল মন্ত্রণালয়, সারাদেশে সরকারি অফিস-আদালত, বেসরকারি ভবন,
শপিংমল, বিপনী বিতানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি
আহ্বান জানিয়েছেন। লাইট কম ব্যবহার করে দিনের বেলা অফিস বা বাড়িঘরে সূর্যের আলোর ব্যবহার
করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সব নাগরিককে ৩৬৫ দিন নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। এটা অক্ষুণ্ন থাকবে। এই মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় ঢাকেশ্বরী মন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী একথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, মাঝে মাঝে দু একটি ঘটনা ঘটে। এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা। পূজা কমিটির মহাসচিব আমাকে জানিয়েছেন, পূজা কেন্দ্র করে কোনো অঘটন ঘটতে পারে এমন তথ্য তার কাছে নেই। সবাই যদি আপনারা সহযোগিতা করেন, বাংলাদেশের সব মানুষ ৩৬৫ দিন নিরাপদে থাকবে।
পূজার দশমীর দিন নিরাপত্তা কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগামী রোববার (১৩ অক্টোবর) পর্যন্ত বিশেষ নিরাপত্তা থাকবে। এরপরেও সারা বাংলাদেশে নিরাপত্তা থাকবে। এবারের পূজার নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও র্যাবসহ অন্যান্য বাহিনীকে দায়িত্বে রাখা হয়েছে। যেসব স্থানে যে পরিমাণ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য প্রয়োজন, সেখানে সেভাবে মোতায়ন করা হয়েছে। আমি আশা করব, এবার পূজা খুবই ভালোভাবে অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা সবাই সহযোগিতা করবেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেন, পূজার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ৮ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এই নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়েছে, সবাই ভালোভাবে পালন করবেন।
কোথাও কোনো ঘটনা ঘটলে, যেন সঙ্গে সঙ্গেই খবর পাওয়া যায় এ জন্য জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন সেন্টারকে (এমটিএমসি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ
রোববার ( ২২ ফেব্রুয়ারি ) সচিবালয়ে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে ।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
সংসদের দক্ষিণ প্লাজা সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আগামীকাল বুধবার বাদ জোহর সাবেক
প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। দাফন করা হবে চন্দ্রিমা উদ্যানে শহীদ
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে।
দুপুরে
উপদেষ্টা পরিষদের সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
তিনি জানান, বৈঠকে বিশেষ আমন্ত্রণে অংশ নিয়েছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর। তিনি খালেদা জিয়ার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে জানাজা ও দাফনের বিষয়ে উপদেষ্টা
পরিষদকে অবহিত করেছেন।
মঙ্গলবার
উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক শুরু হয় এক মিনিটি নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে। আসিফ নজরুল
বলেন, গোটা জাতির মতো সরকারে যারা আছেন তারাও শোকাহত। উপদেষ্টা পরিষদের সভায় খালেদা
জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার থেকে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। আগামীকাল
সাধারণ ছুটি।
সরকার
জানাজা ও দাফন ঘিরে সব ধরনের সহযোহিতা দেবে। সভায় প্রধান উপদেষ্টা বেগম জিয়ার স্মৃতিচারণ
করেন। সবশেষ সেনাসদরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার আলাপ হয়েছিল। তিনি সভায়
সেদিনের স্মৃতিচারণ করেন।
আইন
উপদেষ্টা বলেন, দেশের ইতিহাসে বেগম জিয়ার অবদান অবিনশ্বর হয়ে থাকবে। এমন একজন নেত্রীর
চলে যাওয়াটা একটি বিশেষ মুহূর্ত। সবাই শোকাহত। সবার উচিত জানাজা ও দাফনে যথাযথ সম্মান
প্রদর্শন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
উপদেষ্টা
পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্বে বাংলাদেশের যত দূতাবাস ও হাইকমিশন আছে সেগুলোতে
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক বই খোলা হবে।
এদিকে
দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন,
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গোটা জাতি আজ গভীর
শোক ও বেদনায় আচ্ছন্ন। তাঁর ইন্তেকালে আমরা এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছি। দেশের গণতান্ত্রিক
রাজনীতিতে তাঁর অবদান ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশব্যাপী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র্যাব। র্যাবের এক
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এ কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, র্যাব ফোর্সেসের গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা মধ্যে রয়েছে- দেশব্যাপী গোয়েন্দা
নজরদারি বৃদ্ধি করা, ব্যাটালিয়নসমূহ নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পর্যাপ্ত সংখ্যক র্যাব
সদস্য মোতায়েন, ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তার জন্য রয়েছে র্যাবের
কন্ট্রোল রুম, স্ট্রাইকিং রিজার্ভ, ফুট ও মোবাইল পেট্রোল, ভেহিক্যাল স্ক্যানার, অবজারভেশন
পোস্ট, চেকপোস্ট এবং সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা।
এছাড়াও
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতসহ সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ
করা হয়েছে। ঈদগাহ ময়দানকে ঘিরে কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
দেশব্যাপী
ঘরমুখো মানুষকে নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি র্যাবের সেবা সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছে
দেয়ার লক্ষ্যে ব্যাটালিয়নসমূহের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন, লঞ্চ
টার্মিনাল, ফেরিঘাট এবং গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগম স্থানসমূহে বিশেষ নজরদারি রয়েছে।
যাত্রী
হয়রানি রোধে টিকিট নিয়ে কোনো প্রকার কারসাজি বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হবে।
তাছাড়া
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহে (জাতীয় ঈদগাহ, শোলাকিয়া ঈদগাহ ও দিনাজপুর
বড় ঈদগাহ) নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহসহ গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহ
সমূহে নিরাপত্তা সুইপিং করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সিসিটিভি কাভারেজ থাকবে। ভার্চুয়াল জগতে
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে কেন্দ্র করে যেকোন ধরণের গুজব/উস্কানিমূলক তথ্য/মিথ্যা তথ্য ছড়ানো
প্রতিরোধেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে র্যাব সাইবার মনিটরিং টিম অনলাইনে সার্বক্ষণিক
নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
এতে
বলা হয়, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে র্যাব ফোর্সেসর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কর্নেল ইফতেখার
আহমেদ আজ জাতীয় ঈদগাহ ও গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করেছেন।
মন্তব্য করুন


শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে কুতুপালং ট্রানজিট ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ান এপিবিএন এ অভিযানে কক্সবাজারে উখিয়া রোহিঙ্গা শিবিরে অস্ত্র ও গুলিসহ এক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন ৮ এপিবিএন অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক ( এডিআইজি ) মো. আমির জাফর।
আটককৃত মোহাম্মদ হুসেন (২৫) টেকনাফ উপজেলার ২৬ নম্বর নয়াপাড়া মোচনী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সুলতান আহমদের ছেলে।
৮ এপিবিএন অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক ( এডিআইজি ) মো. আমির জাফর বলেন, শনিবার মধ্যরাতে উখিয়ার কুতুপালং ট্রানজিট ক্যাম্পের কাঁটাতারের বেড়া সংলগ্ন এলাকায় সন্দেহজনক দুই ব্যক্তিকে ঘুরাঘুরি করতে দেখে স্থানীয়রা। তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা কয়েকজন জড়ো হয়ে তাদের ধরতে যায়। এ সময় তারা পর পর ২ টি ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে। খবর পেয়ে এপিবিএন এর একটি দল ঘটনাস্থলে এসে ধাওয়া দিলে একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। অপর ব্যক্তি পালিয়ে যায়। আটককৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করে দেশিয় তৈরি ১ টি বন্দুক ও ২ টি গুলি পাওয়া যায়।
এপিবিএন এর কর্মকর্তা বলেন, আটক ব্যক্তি একজন চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্রসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করে এবং থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান ৮ এপিবিএন অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক ( এডিআইজি ) মো. আমির জাফর।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান আগামী পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
আজ রোববার (১৫ মার্চ) কৃষক কার্ডবিষয়ক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি
জানান, সকালে সংসদ সচিবালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড
বিষয়ক বৈঠক হয়। বৈঠকে আগামী পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বৈঠকে
কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার,
সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ
ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক
উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির
নির্বাচনী ইশতেহারে সারা দেশে কৃষকদের সহযোগিতা করতে কৃষক কার্ড চালুর প্রতিশ্রুতি
রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি
বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় কুমিল্লায় চলছে ধারাবাহিক বিশেষ প্রার্থনা, কুরআন খতম, খাবার বিতরণ ও সদকার কর্মসূচি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে টানা আটদিন ধরে এ আয়োজন রাজধানীর বাইরে অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয়–মানবিক উদ্যোগ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কুমিল্লা-৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের উদ্যোগে এ ধারাবাহিক কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। তার সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিদিন কুরআন তেলাওয়াত, বিশেষ মোনাজাত, খাবার বিতরণ এবং বিভিন্ন এতিমখানায় গবাদিপশু সদকার আয়োজন করা হচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) কান্দিরপাড় বিএনপি কার্যালয়ে দিনব্যাপী কুরআন খতম অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশেষ দোয়ায় দেশনেত্রীর দীর্ঘায়ু, রোগমুক্তি এবং দেশের শান্তি–স্থিতিশীলতা কামনা করা হয়। এর আগে দুপুরে বিভিন্ন এতিমখানার শিশুদের খাবার পরিবেশন করা হয়। অংশগ্রহণকারী নেতারা জানান, মানবিক এই আয়োজনে কুমিল্লার মানুষ ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত হচ্ছেন, যা দেশনেত্রীর প্রতি জনগণের ভালোবাসার প্রতিফলন।
দলীয় কার্যালয়ে দোয়ার অনুষ্ঠানে বক্তব দেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এসএ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, মাহবুবুর রহমান দুলাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহবায়ক কাজী শাহিনুর, মহানগর যুবদলের সদস্য–সচিব রুমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য–সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানাসহ অন্যরা।
জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান সাইদ, মহানগর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিব, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিন, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
নেতারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও রাজনীতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাই তার রোগমুক্তি প্রত্যাশায় কুমিল্লা বিএনপি ও অঙ্গ–সংগঠনগুলো মানবিক ও ধর্মীয় কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। দোয়া–মোনাজাতে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষও দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় আন্তরিক প্রার্থনা করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মহান রাব্বুল ইজ্জত তাঁর একান্ত মেহেরবানীতে
মজলুমদেরকে বিজয় দান করলে মিছিল নয়, স্লোগান নয়, উচ্ছ্বাসও নয়- আমরা সবাই সিজদায় পড়বো।
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভেরিফায়েড পেজে এমন মন্তব্য
করেন তিনি।
তিনি
আরও লিখেছেন, মনভরে আল্লাহ তাআলার শোকর আদায় করবো এবং জাতির সেবার জন্য মহান রবের একান্ত
সাহায্য কামনা করবো।
মন্তব্য করুন


সাগর
সংরক্ষণ, সামুদ্রিক মৎস্য রক্ষা ও টেকসই নীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড
ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা) জাপানের খ্যাতনামা সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের (এসপিএফ) সঙ্গে
সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে।
বুধবার
বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূসের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের অধীন ওশান পলিসি রিসার্চ
ইনস্টিটিউটের (ওপিআরআই) সভাপতি অধ্যাপক মিৎসুতাকু মাকিনো।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সাসাকাওয়া
পিস ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ড. আতসুশি সুনামি আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তিতে অনুমোদন
দেবেন। অনুষ্ঠানে ওপিআরআইয়ের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. ইমাদুল ইসলাম এবং মিডার সদস্য
কমোডর তানজিম ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা
সই প্রত্যক্ষ করার পর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সাগর সংরক্ষণের গুরুত্ব
তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের সাগর একটি বড় সম্পদ। কিন্তু এটি দিন দিন দূষিত হচ্ছে। সমুদ্রের
কয়েক হাজার মিটার গভীরেও এখন প্লাস্টিক বর্জ্যের অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। এই সমঝোতা
আমাদের সাগর রক্ষা ও পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করবে।’
তিনি
আরও বলেন, ‘আমাদের সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ করতেই হবে। সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন সামুদ্রিক
গবেষণায় বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সম্মানিত একটি প্রতিষ্ঠান। আমাদের গবেষণায় তাদের সম্পৃক্ততা
নিয়ে আমরা আনন্দিত। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউট এই ফাউন্ডেশনের
সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং এই গবেষণা সহযোগিতা ধীরে ধীরে বিস্তৃত হবে।’
প্রধান
উপদেষ্টা জানান, এই সমঝোতার আওতায় সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন মহেশখালীর তিনটি গ্রামকে
‘উমিগিও’ (সামুদ্রিক শিল্পভিত্তিক কমিউনিটি উন্নয়ন) ধারণা অনুসারে
মডেল ‘মৎস্যগ্রাম’ হিসেবে গড়ে তুলতে মিডাকে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশের
অন্তর্বর্তী সরকারের উপকূলীয় উন্নয়ন ও কৌশলগত অবকাঠামো উন্নয়নে নিয়োজিত বিশেষায়িত সংস্থা
হিসেবে মিডা, মৎস্য ও সামুদ্রিক বিষয়ক জাতীয় অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের
সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। এই অগ্রাধিকারগুলো দেশের ২০টির বেশি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার
সমন্বয়ে নির্ধারিত।
সাসাকাওয়া
পিস ফাউন্ডেশন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্বাধীন দাতব্য প্রতিষ্ঠান। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে
সামুদ্রিক নীতিমালা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির
দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সমঝোতার
আওতায় জাপানের নীল অর্থনীতির মডেল অনুসরণ করে মেরিকালচার, মৎস্য, মৎস্যোত্তর ব্যবস্থাপনা,
সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং জেলেদের কল্যাণে সম্ভাব্যতা যাচাইসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে
যৌথভাবে কাজ করা হবে।
এ
ছাড়া উমিগিও ধারণার আলোকে উপকূলীয় জীবিকায়ন, সাগরে নিরাপত্তা, কমিউনিটি-ভিত্তিক সামুদ্রিক
সম্পদ ব্যবস্থাপনা, টেকসই স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জেলে সম্প্রদায় ও সরকারের মধ্যে
দ্বিমুখী যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
মৎস্যসম্পদ
ও উপকূলীয় পর্যটনের সম্ভাবনা নিয়ে ভিত্তিমূলক গবেষণা পরিচালনার পাশাপাশি জেটি, স্বয়ংক্রিয়
মাছ অবতরণ কেন্দ্র, কোল্ডচেইন ও পরিবহন ব্যবস্থা, সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ
কারখানা এবং বাজারব্যবস্থা উন্নয়নেও সহযোগিতা করা হবে।
এ
ছাড়া গভীর সমুদ্র মৎস্য আহরণ, সামুদ্রিক খাদ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ, মেরিকালচার,
উচ্চমূল্য সংযোজন প্রযুক্তি হস্তান্তর, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বিনিয়োগ সহায়তা, দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা, সাগরে নিরাপত্তা, মাননিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যবিধি, কর্মপরিবেশ ও শ্রমমান
উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হবে।
সমঝোতা
প্রসঙ্গে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের ওপিআরআইয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মিৎসুতাকু মাকিনো
বলেন, ‘এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে বিশেষ করে মৎস্য
খাতে সমন্বিত ও টেকসই নীল অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।’
তিনি
আশা প্রকাশ করেন, এই সহযোগিতার মাধ্যমে জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং
বাংলাদেশের উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণ ও টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখা সম্ভব হবে।
মিডার
নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘মিডা উপকূলীয় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী
জীবিকা সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে এই অংশীদারত্ব দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ ও বাস্তব কর্মসূচির
সমন্বয় ঘটিয়েছে। এর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের (বিশ্বের দীর্ঘতম উপসাগরের)—সম্ভাবনা কাজে
লাগাতে প্রয়োজনীয় বিজ্ঞান, কৌশল ও ব্যবস্থাপনা জোরদার করা সম্ভব হবে। এখন বাংলাদেশকে
আরও উচ্চতর পর্যায়ে কাজ করতে হবে।’
উল্লেখ্য,
১৩ থেকে ১৪ জানুয়ারি ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘নর্থইস্ট ইন্ডিয়ান
ওশান রিজিওনাল ডায়ালগ অন সাসটেইনেবল ব্লু ইকোনমি, কানেক্টিভিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স
ফর স্মল আইল্যান্ড ডেভেলপিং স্টেটস (এসআইডিএস)’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সংলাপের ফাঁকে
এই সমঝোতা স্মারক সই হয়।
দুই
দিনব্যাপী এই সংলাপ যৌথভাবে আয়োজন করেছে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের ওশান পলিসি রিসার্চ
ইনস্টিটিউট, মিডা এবং পিস অ্যান্ড পলিসি সলিউশনস (বাংলাদেশ)। এতে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা,
মালদ্বীপ এবং ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের জ্যেষ্ঠ নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ
ও উন্নয়ন সহযোগীরা অংশগ্রহণ করে।
মন্তব্য করুন