

দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুরের লক্ষ্মীপুর এলাকায় স্যাবলেট বাসা ভাড়া থেকে দম্পতির লাশ উদ্ধার করেছে দাউদকান্দি থানা পুলিশ।
জানা যায়,গতকাল ইফতারের পর থেকে রুমের দরজা দুই দিন ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় স্থানীয়রা জানালা দিয়ে মৃত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে দেখে দম্পতির লাশ উদ্ধার করে এবং দীর্ঘ সময় পরে পুলিশ তাদের পরিচয় উদ্ধারে সক্ষম হয়।
তারা হলেন তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সিনিয়র নার্স মালেকা বেগম (৪০) ও তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের ওমরপুর গ্রামের আব্দুল মান্নান মুন্সির ছেলে ঔষধ দোকানদার আমিনুল ইসলাম (৪৫)।
মান্নান দ্বিতীয় বিয়ে করে স্ত্রী নিয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


মো: মিজানুর রহমান মিনু, কুমিল্লা :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে
দিন-দুপুরে গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় তিন চোরকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা।
উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের শিলরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী গরুর মালিক
কৃষক মোঃ ইয়াছিন বাদি হয়ে আটককৃত আন্তঃজেলা চোরচক্রের ৩ সদস্যের বিরুদ্ধে থানায়
একটি মামলা দায়ের করেছেন। রোববার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার
ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা।
থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে
উল্লেখ করা হয়, কৃষক ইয়াছিন দীর্ঘদিন ধরে সৌদিপ্রবাসী মমিনুল ইসলামের মালিকীয় একটি
গরু পালন করেন। গরুটি শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় শিল্পরী লতিফিয়া দারুল উলুম নূরানী
মাদরাসার মাঠে কাঁচা ঘাষ খাওয়ার জন্য বেধে রাখে। দুপুর আনুমানিক পৌনে দুই ঘটিকায়
কুমিল্লা কোতয়ালীর ধর্মপুর এলাকার ফয়সাল আহমেদ জামাল, মাসুদুর রহমান, শারমিন
আক্তার ও ফয়সালের স্ত্রী তামান্না আক্তার গরুটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় (কুমিল্লা-থ-১৩-১০০৫)
তুলে নিয়ে যাচ্ছে দেখে শিলরী গ্রামের রাজিয়া বেগম শোর-চিৎকার করে। তাৎক্ষনিক
অজ্ঞাত এক ব্যক্তি মোটর সাইকেল আরোহী অটোরিকশার পিছু নিয়ে ওই এলাকার লহ্মীপুর
ব্রিজের উপর গিয়ে আরও কয়েকজন লোকের সহায়তায় আটক করে। এ সময় কৌশলে তামান্না আক্তার
পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে লক্ষীপুর ব্রিজে গিয়ে গরুটি উদ্ধার করে ও আটককৃতদেরকে সিএনজি
অটোরিকশাসহ মাদরাসা মাঠে আনা হয়। পরে ৯৯৯-এ কল করলে চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক
মেহেদী হাসান মাদরাসা মাঠে গিয়ে গরু, আটককৃত তিনজন ও সিএনজি অটোরিকশাটি হেফাজতে
নেন।
এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম
থানার উপ-পরিদর্শক মেহেদী হাসান বলেন, স্থানীয় জনতা আটক করে ৯৯৯ ফোন করলে
আলকরা ইউনিয়ন শিলরী গ্রামের লতিফিয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে তাদেরকে
আটক করে থানা নিয়ে আসি, গরুর মালিক ইয়াছিন বাদি হযে ৩ জনকে আসামী করে একটি মামলা
দায়ের করেন। রবিবার দুপরে আদালতের মাধ্যমে জেলা হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে কাভার্ডভ্যান-সিএনজি সংঘর্ষে ৫ যাত্রী নিহত হয়েছে।
রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লা চাঁদপুর সড়কের মহানন্দ নামক স্থানে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মরদেহ গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীতে র্যাব পরিচয়ে প্রবাসীর কাছ
থেকে চাঁদা নিতে এসে দুজন আটক হয়েছে।
শনিবার (৮ মার্চ) বিকেলে নগরীর পিপলস হাসপাতাল
থেকে তাদের আটক করা হয়।
কুমিল্লা ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো.
সাইফুল ইসলাম রাত ১০টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলো— নগরীর চর্থা এলাকার জয় আহমেদ
রুবেল (৩৫) প্রকাশ চশমা রুবেল ও একই এলাকার বাসিন্দা নিরব আহমেদ রুবেল (৩৫)।
তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্র, মাদকসহ
কুমিল্লার বিভিন্ন থানায় অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে।
ভুক্তভোগী কাতারপ্রবাসী মো. ফারুক জেলার
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের অলীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, গত ৫
মার্চ সকাল ৯টার দিকে আমার ছেলের শরীরে গরম ডাল পড়ে ঝলসে যায়। পরে তাকে কুমিল্লা
মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিষয়টি জেনে রাতেই তিনি কাতার থেকে বাংলাদেশে
আসেন। ৬ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য দুপুর ১২টার দিকে তার ছেলেকে কুমিল্লা নগরীর
টমছমব্রিজ পিপলস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। দুপুর ২টার দিকে তার স্ত্রী শিমুল
আক্তারের কাছে অপরিচিত একটি নাম্বার থেকে ফোন আসে। আহত আরাফাতকে দেখতে এক অভিভাবক
আসবেন বলে জানানো হয় ফোনে রাত ৯টার দিকে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে আসেন দেখা করতে। এ
সময় তিনি জানান, তার এক ছেলে আরাফাতের সঙ্গে মাদরাসায় পড়ে। সেই জন্য তাকে দেখতে
এসেছেন। এরপর রাত ১১টার দিকে ওই ব্যক্তিসহ মোট চারজন হঠাৎ রুমে ঢুকে পড়ে।
একপর্যায়ে প্রবাসী ফারুককে পাশের একটি খালি রুমে নিয়ে র্যাব পরিচয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে
পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে তারা। দাবীকৃত টাকা না দিলে ক্রসফায়ারে দেওয়ারও হুমকি
দেওয়া হয়।
জীবন বাঁচাতে তাদের প্রস্তাবে রাজি হয়ে
তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা এবং বাড়িতে ফোন করে আরো ৫০ হাজার টাকা এনে তাদের দেন
ফারুক। শনিবার (৮ মার্চ) আবার হাসপাতালে ঢুকে বাকি চার লাখ ৩০ হাজার টাকা দাবি করা
হয় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে বিষয়টি। পর দুজনকে আটক
করে ৯৯৯-এ ফোন করলে ইপিজেড ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকেল ৫টায় তাদের আটক করে
নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে কুমিল্লা ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির ইনর্চাজ
মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে দুজনকে আটক করা হয়। আটক জয় আহমেদ রুবেল
প্রকাশ চশমা রুবেলের বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্রসহ চারটি মামলা এবং নিরব আহমেদ রুবেলের
বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদকসহ সাতটি মামলা রয়েছে। চাঁদাবাজির ঘটনায় দুজনের
বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার কাবিলা বাজারে অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন কোটি আট লাখ আট হাজার টাকার ভারতীয় অবৈধ আতশবাজি আটক করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
আজ
শুক্রবার (১৪ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ।
বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৩ মার্চ রাত থেকে ১৪ মার্চ ভোর ৫টা পর্যন্ত কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাবিলা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) রতন কুমার দত্ত-এর উপস্থিতিতে বিজিবি ও র্যাব সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৪০০টি ভারতীয় অবৈধ আতশবাজি এবং একটি ট্রাক জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন কোটি আট লাখ আট হাজার টাকা।
বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ জানান, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। এরই অংশ হিসেবে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে এসব অবৈধ মালামাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত পণ্য বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর মুরাদপুর এলাকায় র্যাব-১১ এর মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে তার হেফাজত থেকে ৬৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। র্যাবের দাবি, গ্রেপ্তারকৃত নারী দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করে আসছিলেন।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন দিবাগত রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ২য় মুরাদপুর এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কবরী আক্তার (৩২) নামের এক নারীকে আটক করা হয়। পরে তার দখলে থাকা মাদকদ্রব্য তল্লাশি করে ৬৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কবরী আক্তার কুমিল্লা সদর উপজেলার ২য় মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা এবং রুবেল মিয়ার স্ত্রী বলে জানিয়েছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে স্থানীয় ও আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারি এবং খুচরা মূল্যে বিক্রি করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
র্যাব কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোকে ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন ধরনের মাদক দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত কবরী আক্তারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


সময়ের পরিক্রমায় কুমিল্লার বন্যার পরিস্থিতির কোন কোন দিকে কিছুটা উন্নতি হলেও কোন কোন দিক এখন পর্যন্ত রয়ে গিয়েছে আগের মতই ।
তবে আশাজাগানিয়া বিষয়টি হলো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রচেষ্টা এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহায্যের হাত এগিয়ে দেওয়া বর্তমান পরিস্থিতিতে আগের চেয়ে অনেকটা আশার আলো নিয়ে এসেছে।
সাধারণ
মানুষ থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি অন্যান্যদের মতো সহায়তার হাত
নিয়ে এগিয়ে এসেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটলিয়ন।
কুমিল্লায়
বন্যা দুর্গত অঞ্চলে মানুষের খাদ্য সহায়তা
দিতে এগিয়ে এসেছে র্যাব ১১, সিপিসি ২ কুমিল্লা।
সোমবার
দুপুর থেকে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের ফকির বাজার উচ্চ বিদ্যালয়
আশ্রয় কেন্দ্র, কালিকাপুর ডিগ্রি কলেজ আশ্রয় কেন্দ্র ও বকশিমুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
আশ্রয় কেন্দ্র, আগ্গাপুর মোর্শেদা বেগম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্র, ছয় গ্রাম
উচ্চ বিদ্যালয়, ছয়গ্রাম মাদ্রাসা ও পাঁচোড়া বিদ্যানিকেতনে ১৫ শত মানুষের মাঝে খাদ্য
সহায়তা দিয়েছে র্যাব ১১ সিপিসি-২ কুমিল্লা।
উল্লেখিত
আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে বুড়িচং উপজেলার পিতাম্বর,বাকশিমুল, কালিকাপুর, দক্ষিণ কালিকাপুর,বলরামপুর,মাধবপুর,মাশড়া,খোদাইতলি,জগৎপুর,যদুপুর,হরিপুরসহ
বিভিন্ন এলাকার লোকজন আশ্রয় নিয়েছেন।
র্যাব ১১ সিপিসি ২ কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এসকল ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি (যুদ্ধসমাধি)
থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
তাদের দেহাবশেষ জাপানে নেওয়া হবে। এরই মধ্যে জাপানের পক্ষ থেকে ৭ সদস্যদের একটি ফরেনসিক
বিশেষজ্ঞ দল ওই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছেন। যেটি
শেষ হবে আগামী ২৪ নভেম্বর।
কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম
পাশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান
হিসেবে পরিচিত। সেখানে রোববার বিকেল পর্যন্ত খনন করা হয়েছে ১০টি সমাধি। জাপানের বিশেষজ্ঞ
ফরেনসিক টিমকে সহায়তা করছেন বাংলাদেশ সরকার। পুলিশি নিরাপত্তায় খনন কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে
নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের ৭৩৭জন বীর সৈনিককে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রিতে সমাহিত করা হয়েছিল।
এর মধ্যে ১৯৬২ সালে একজন সৈনিকের দেহাবশেষসহ সমাধির মাটি তার স্বজনরা যুক্তরাষ্ট্রে
নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে ২৪ জন জাপানি সৈনিকের মরদেহ রয়েছে। গত বুধবার থেকে খনন কাজ
শুরু হয়।
সমাধিস্থলের মাটি খুঁড়তেই মিলছে দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈনিকদের মাথার খুলিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড়। সেগুলো অত্যন্ত
যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন এই যুদ্ধ সমাধি ক্ষেত্র
তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছে।
সমাধিস্থলের খননকাজে জাপানের প্রতিনিধিদের
সহায়তা করছেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.)
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কবর (সমাধি) শনাক্তকরণ, দেহাবশেষ
সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছেন। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ সরিয়ে আনার কাজটিও করেছেন
তিনি। জাপানের প্রতিনিধিদলের পক্ষে পুরো কর্মযজ্ঞের বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বলেন, ‘জাপান
সরকার ২০১৩ সালে আমাকে তাদের দূতাবাসে ডেকেছিল এই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে
নেওয়ার বিষয়ে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ওই সময়ে সেটি সম্ভব হয়নি। গত বছর থেকে তারা বিষয়টি
নিয়ে আবারও যোগাযোগ করে। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাপান সরকার আমাদের সরকারের কাছে চিঠি
লেখে এবং কমনওয়েলথের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এই কাজ শুরু করেছে। এখানে জাপানের পক্ষ থেকে
সাতজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন, যারা এ কাজে অত্যন্ত দক্ষ। তাদের ছয়জন জাপানি ও
একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এই সমাধিগুলো ৮১ বছরের পুরোনো। এরই মধ্যে খনন করে আমরা
১০ জনের দেহাবশেষ সমাধি থেকে উত্তোলন করতে পেরেছি।’
দেহাবশেষে কী কী পাওয়া যাচ্ছে, জানতে
চাইলে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘৮১ বছর পর খুব বেশি কিছু পাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা
প্রতিটি সমাধির দুই ফুটের মতো খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে খুঁড়ছি। বাকিটা ম্যানুয়ালি
অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে খনন করা হচ্ছে। কোনোটিতে তিন ফুট, আবার কোনোটিতে ছয় ফুট খননের
পর দেহাবশেষ পাওয়া যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত যেগুলো খনন করা হয়েছে, সেসব সমাধিতে মাথার খুলি,
শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড় পাওয়া যাচ্ছে। তবে যা-ই পাচ্ছি, সবকিছুই জাপানের বিশেষজ্ঞ
দল যত্নসহকারে সংরক্ষণ করছে।’
তিনি বলেন, আমরা এক তরুণ সৈনিকের দেহাবশেষ
তুলতে গিয়ে মাথার খুলির মধ্যে বুলেটের চিহ্ন পেয়েছি। রেকর্ড অনুযায়ী ওই সৈনিকের বয়স
২৮ বছর ছিল। আমার তখন বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করেছে। এত তরুণ বয়সে পৃথিবী থেকে চলে গেছে
সে। এখানে জাপানের সৈনিকদের ২৪ সমাধির মধ্যে ২০টির নাম-পরিচয় আছে। বাকি চারটির পরিচয়
শনাক্ত করা এখনো সম্ভব হয়নি। নিশ্চয়ই তারা (জাপানের প্রতিনিধিদল) দেহাবশেষ নিয়ে গেলে
ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।’
কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের পক্ষে
দায়িত্ব পালন করা কান্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর আবদুর রহিম সবুজ বলেন, গত বুধবার সকাল
থেকে জাপানের প্রতিনিধি দল কার্যক্রম শুরু করে। এখানে সমাহিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
সময় নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২৭.৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ ।
১৫ এপ্রিল রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন জয়পুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সাকিল (৩০) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ২৭.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সাকিল (৩০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানার কৃষ্ণনগর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত সুরুজ মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মামুনকে গ্রেফতার করেছে যৌথ বাহিনী।
সোমবার (১৪ এপ্রিল) রাতে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মামুন ময়নামতি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ময়নামতি ইউনিয়নের আকাবপুর গ্রামের মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ আজিজুল হক জানান, মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেফতার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ভাঙচুর ও কেন্দ্র দখল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হামলা, মাদক, বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ অন্তত ৮ মামলা রয়েছে। ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা চান্দিনা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ শে মে ) দূপর পৌনে ১২টার দিকে চান্দিনা থানাধীন চান্দিনা পৌরসভার ০৫ নং ওয়ার্ড খান বাড়ীর মোঃ নজরুল ইসলাম খান এর তিন তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ২য় তলার পশ্চিম পার্শ্বর ফ্লেটের দঃ পশ্চিম রুম হইতে অফিসার্স ইন্চার্জ চান্দিনা থানার নেতৃত্বে এসআই মো রায়হান হোসেন এর সর্গীয় ফোর্স এসআই মোঃ ইমাম হোসেন সহ আরো কয়েক জনের অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলো–(১) মো হুমায়ন কবির প্রঃ জুয়েল (৪৫) পিতা ফজলুল হক ব্যাপারী মাতা হোসনেয়ারা বেগম সাং গোপালপুর ব্যাপারী বাড়ী থানা তিতাস।( ২) আব্দুল আজিজ পিতা আবুল হোসেন মোল্লা মাতা আমেনা বেগম সাং বুধাইরকান্দি পো উজানচর থানা বাঞ্ছারামপুর, (৩)মো খাইরুল ইসলাম প্রঃ পারভেজ পিতা শামীম প্রধাান মাতা খাদিজা বেগম সাং তালতলী থানা দাউদকান্দি , (৪)মাসুদ রানা পিতা জসিম উদ্দিন ভূইয়া মাতা পারভীন বেগম সাং রাগদৈল ভুঁইয়া বাড়ী ইউপি সাচার থানা কচুয়া(৫) মো হাসান খান পিতা কাশেম খান মাতা সেফালী বেগম সাং পশ্চিম শ্যামপুর( আটরশী দরবার ) থানা সদরপুর ,(৬) মোঃ মোহর আলী পিতা হরমুজ সাং ঘোলঘর সূরমা ইউপি থানা সুনামগন্জ( ৭) মো নজরুল ইসলাম খান পিতা আশ্রাফ খান মাতা হাসিনা বেগম সাং চান্দিনা খান বাড়ী চান্দিনা পৌরসভা থানা চান্দিনা, শুক্রবার (৩০ মে ) দুপুরে চান্দিনা থানার ওসি প্রেস এর মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, শুক্রবার দুপরে গোপন সংবাদে জানা যায়, চান্দিনা পৌরসভার মো নজরুল ইসলাম খান এর বাড়ীতে কিছু দুষ্কৃতকারী ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরে থানা-পুলিশ অভিযান চালায়।
অভিযানকালে পালানোর সময় সাত জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়। এ সময় অজ্ঞাত চার-পাঁচ জন দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। গ্রেফতার কৃত সাত জনসহ অজ্ঞাত আরো চার-পাঁচ জনের বিরুদ্ধে চান্দিনা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।’মামলা নং ২৪ তাং ৩০/৫/২০২৫ ইং ধরা ৩৯৯/ ৪০২ পেনাল কেড ১৮৬০ রজু করা হয়। এমামলার তদন্তবার এসআই ইমামের হাতে তদন্তবার দেওয়া হয়।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানায়, গ্রেফতার কৃত ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ও ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কে চান্দিনা ইলিয়টগঞ্জ দাউদকান্দি এলাকাসহ কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই ও ডাকাতি করে আসছিল। তাদের মধ্যে , আজিজ, মাসুদ, খাইরুল, এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি, মাদক, হত্যা চেষ্টা, মারামারি সহ একাধিক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন