

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন মানুষ। সম্প্রতি নাক দিয়ে সুর বাজিয়ে রেকর্ডে নাম যুক্ত করেছেন কানাডার অন্টারিওর বাসিন্দা লুলু লোটাস।
লুলু লোটাস তার নাক দিয়ে ৪৪.১ ডেসিবেল পর্যন্ত শব্দ উৎপন্ন করতে পারেন। তিনিই এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে জোরে নাকের শিস তৈরি করা ব্যক্তি।
লুলু ৭ বছর বয়সে প্রথম তিনি তার এই দক্ষতা আবিষ্কার করেন। তিনি লক্ষ্য করেন তিনি তার নাক দিয়ে বিভিন্ন সুর তৈরি করতে পারছেন। যা তিনি তার স্কুলের শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে মজা করার জন্য ব্যবহার করতেন। ক্লাসে যখন সবাই বাঁশির সুর শুনে তার উৎস খুঁজতে শুরু করতো তখন তার খুবই মজা লাগত।
লুলু তার নাক থেকে বাতাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে তার গলার পেশী ব্যবহার করে নাক দিয়ে শব্দ করতে পারেন। মুখ খোলা থাকলে মুখ থেকে শব্দ বের হয়। আর যদি মুখ বন্ধ করেন তাহলে নাক দিয়ে শব্দ বের হয়।
স্টিভ আওকির ডকুমেন্টারি দেখার পর লুলুর রেকর্ড করার ইচ্ছা জাগে। স্টিভ আওকি গত বছর গিনেস বুকে নাম লেখান সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকারী সংগীতশিল্পী হিসেবে। এরপর লুলু খুঁজতে থাকেন এমন কেউ রেকর্ড করেছে কি না এখন পর্যন্ত, যিনি নাক দিয়ে শিস বাজাতে পারেন। অবশেষে তিনি এই রেকর্ডটি করতে সক্ষম হয়েছেন।
সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড অব রেকর্ড
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে জাতিসংঘ পাশে থাকবে বলে
মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) এক এক্স বার্তায় এমন মন্তব্য করে তিনি
বলেন, আমি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বাংলাদেশের
জনগণকে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংস্কার
ও রূপান্তরের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একটি টেকসই ও ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার
লক্ষ্যে জাতিসংঘ সর্বদা আপনাদের পাশে থাকবে।
এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব
ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠক করেন। শুক্রবার (১৪ মার্চ) সকাল ৯টায়
রাজধানীর ইন্টার কন্টিনেন্টালে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘ মহাসচিব একই উড়োজাহাজে কক্সবাজার ভ্রমণ করেন
।
রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে কক্সবাজার পৌঁছেছেন
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
কক্সবাজার বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম।
কক্সবাজারে নির্মাণাধীন কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর
ও খুরুশকূল জলবায়ু উদ্বাস্তু কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন ড. ইউনূস। পরিদর্শন শেষে
উখিয়ায় ড. ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার
সঙ্গে ইফতারে যোগ দেবেন। জাতিসংঘ মহাসচিব সেখানে রোহিঙ্গা লার্নিং সেন্টার,
রোহিঙ্গাদের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন।
পরিদর্শন ও ইফতার শেষে প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিব একসাথে সন্ধ্যায় ঢাকায়
ফিরবেন।
মন্তব্য করুন


পূর্ব আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকের উত্তর উপকূলে একটি ফেরি ডুবে ৯০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন।
সোমবার (৮ এপ্রিল) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, নামপুলা প্রদেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, ফেরিতে ১৩০ জনের মতো আরোহী ছিলেন। কলেরার প্রকোপ থেকে বাঁচতে তারা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র রওনা হয়েছিলেন। আরোহীদের মধ্যে পাঁচজনকে ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নামপুলা সেক্রেটারি অব স্টেট জেইম নেটো বলেছেন, এসব মানুষ কলেরার প্রাদুর্ভাব থেকে বাঁচতে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তবে ফেরিতে অনেক মানুষ উঠে পড়ে। এই জন্য একপর্যায়ে এটি ডুবে যায়। নিহতদের মধ্যে অনেক শিশু রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ইতিমধ্যে ,এই ঘটনার অনেক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, সমুদ্রসৈকতে মানুষের লাশ সারি সারি করে রাখা হয়েছে। তবে এসব ভিডিওয়ের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি বিবিসি।
পর্তুগিজ টিভি আরটিপি জানিয়েছে, ফেরিটি লুঙ্গা থেকে মোজাম্বিক দ্বীপে যাচ্ছিল।
গত বছরের জানুয়ারি থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে কলেরার ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব দেশের মধ্যে মোজাম্বিকের নামপুলা প্রদেশে সবচেয়ে বাজেভাবে কলেরা প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, মোজাম্বিকের বিগত ২৫ বছরের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে ভয়াবহভাবে কলেরা ছড়িয়ে পড়েছে। গত বছরের অক্টোবর থেকে দেশটিতে ১৩ হাজার ৭০০ জনের কলেরা শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া এই সময়ে কলেরা আক্রান্ত হয়ে ৩০ জনের মৃত্যুর হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাড়িতে লজেন্স খাচ্ছিলেন মৌসুমী মুখোপাধ্যায়।
হঠাৎ সেটা তার গলায় আটকে যায়। দমবন্ধ হয়ে কথা বলার শক্তিও চলে যায় তার। মাকে ওই অবস্থায়
দেখে প্রাথমিক ভাবে ঘাবড়ে গেলেও অসুবিধা বুঝতে দেরি করেনি দুই মেয়ে।
গ্রামের একটি অনুষ্ঠানে খেলার ছলে দুই
বোন শিখেছিলেন হাইমলিখ কৌশল। সেটাই যে এ ভাবে কাজে লেগে যাবে, কে জানত! আচমকা অসুস্থ
হয়ে পড়া মাকে সুস্থ করে তুললেন কলেজপড়ুয়া দুই বোন। শনিবার (১৩ জুলাই) বাঁকুড়ার সোনামুখী
ব্লকের পাথরমোড়া গ্রামের ঘটনা।
বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় এবং চতুর্থী মুখোপাধ্যায়
নামে দুই মেয়ের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তাদের মা মৌসুমী মুখোপাধ্যায়।
মায়ের উপর হাইমলিখ কৌশল প্রয়োগ করেন
তারা। বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টা চালানোর পর মায়ের গলা থেকে লজেন্সের টুকরো বার করে আনতে
সমর্থ হন বৃষ্টি এবং চতুর্থী। কোনও চিকিৎসকের সাহায্য ছাড়াই মাকে সুস্থ করে তুলতে পেরে
খুশি দুই বোন।
বৃষ্টি বলেন, মা আমাদের সঙ্গে বসে গল্প
করছিলেন। মুখে একটা লজেন্স ছিল। হঠাৎ কথা বন্ধ হয়ে যায় মায়ের। গলা থেকে অদ্ভুত একটা
শব্দ বার হতে থাকে। ধীরে ধীরে জিভ বার হয়ে আসছিল। বুঝতে পেরেছিলাম মা সাধারণ বিষম খাননি।
শ্বাসনালীতে লজেন্স আটকে শ্বাসরোধ হয়েছে। দ্রুত আমরা দুই বোন মায়ের উপর হাইমলিখ পদ্ধতি
প্রয়োগ করে লজেন্স বার করে আনি। মা আবার স্বাভাবিক হন।
চতুর্থী বলেন, ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী
সমিতির রাধানগর শাখা বেশ কিছু দিন আগে আমাদের গ্রামে একটি অনুষ্ঠান করেছিল। সেই অনুষ্ঠানেই
আমরা হাইমলিখ কৌশল শিখেছিলাম। ওই কৌশল শেখা না থাকলে জানি না মায়ের কী হত! আগামিদিনে
যাতে এই কৌশল অন্যদেরও শেখাতে পারি, সেই চেষ্টা করব।”
মৌসুমী মুখোপাধ্যায় বলেন, দুই মেয়ে
এই কৌশল না জানলে হয়তো মারাই যেতাম গতকাল।
ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৌম্য সেনগুপ্ত বলেন, খাবার বা পানীয় আমাদের গলা দিয়ে পেটে
যাওয়ার সময় একটি মাংসপেশি আমাদের শ্বাসনালী আটকে দেয়। শ্বাস নেওয়ার সময় তা খোলা থাকে।
কিন্তু খাবার সময় কথা বললে বা মাংসের হাড় থেকে মজ্জা জোরে শুষে খাওয়ার সময় কিছু ক্ষেত্রে
খাবার শ্বাসনালীতে গিয়ে শ্বাসরোধ করে দেয়। ফলে রোগীর তীব্র শ্বাসকষ্ট হয়। কথা বলার
শক্তিও থাকে না তখন। অল্প সময়ের মধ্যে রোগী ছটফট করতে করতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে পারেন।
এই সময় রোগীর শ্বাসনালী থেকে খাবার বার করে আনার জন্য হাতে সময় থাকে মাত্র ৪ মিনিট।
ফলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়টুকুও থাকে না। এ ক্ষেত্রে আশপাশে থাকা লোকেদের সাহায্যে
বিশেষ কৌশলে ফুসফুসে চাপ দিয়ে খাবারের অংশ বার করে আনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী
কৌশল ‘হাইমলিখ’।
এই কৌশল ব্যবহার করে সারা পৃথিবীতে লক্ষাধিক রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব হয়েছে। বৃষ্টি
আমাদের অনুষ্ঠানে ‘হাইমলিখ’কৌশল
রপ্ত করে রাখায় তার মাকে সাক্ষাৎ মৃত্যুর হাত থেকে ফিরিয়ে আনতে পেরেছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে চলেছে। তীব্র গরমের কারণে অসহনীয় অবস্থায় জনজীবন । ছোট থেকে বড় সবাই এই তীব্র তাপদাহে কাহিল হয়ে পড়েছে।
তাপমাত্রার পারদ ৪০-এর নিচে নামছেই না,বরং পারদ চড়েই যাচ্ছে বিরতিহীনভাবে ।
ভয়াবহ এই গরম আবহাওয়ার পরিস্থিতির খবর যারা মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তারাও রেহাই পাচ্ছেন না কিন্তু আবহাওয়ার ভয়াবহতা থেকে ।
তীব্র গরমের কারণে টিভিতে লাইভ সংবাদ পড়ার মাঝেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন কলকাতা দূরদর্শন টিভির একজন সংবাদ পাঠিকা। শনিবার (২১ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
অসুস্থ হয়ে পড়া ওই সংবাদ পাঠিকার নাম লোপামুদ্রা সিনহা। নিজের ২১ বছরের ক্যারিয়ারে এমনটি আর কখনো ঘটেনি তার। তাই ভক্তদের বিষয়টি জানাতে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন বাংলা টেলিভিশনের অতি পরিচিত মুখ লোপা।
গত ১৯ এপ্রিল শুক্রবার সকালে নিউজ বুলেটিন পড়ার সময় এই ঘটনা ঘটেছে। লোপার শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি দক্ষিণবঙ্গের দাবদাহের সংবাদ পড়ছেন।
তবে তিনি ঠিকমতো তা পড়তে পারছিলেন না। তার কথা লেগে লেগে আসছিল। একপর্যায়ে তিনি বেহুঁশ হয়ে পরেন। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
অসুস্থ হওয়া নিয়ে লোপা জানান, দূরদর্শনের নিউজ ফ্লোর সাধারণত শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। তবে ওই দিন তা কাজ করছিল না। তাই ফ্লোর মারাত্মক গরম হয়ে পড়েছিল। আর একারণেই হঠাৎ এ পরিস্হিতি ।
মন্তব্য করুন


বিয়ে
করে বাড়ি ফেরার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নবদম্পতির। এসময় গাড়িতে তাদের সঙ্গে
আরও কয়েকজন আত্মীয়স্বজনও প্রাণ হারান এ দুর্ঘটনায়।
কনের
বাড়ি থেকে ফেরার পথে গাড়িটি সড়ক দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের
সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় গাড়িটির। ধাক্কায় গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গাড়ির
ভেতরেই আটকে থাকা নবদম্পতিসহ ৫জনের মৃত্যু হয়।
ভারতীয়
গণমাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, রোববার ছত্তীসগঢ়ের বোলুদাতে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটিকে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার পরই ট্রাক ফেলে রেখে পালান চালক। গাড়িটি পামগড় থেকে আকালতারায় ফিরছিল। পাকারিয়া জঙ্গলের কাছে গাড়িটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে।
মন্তব্য করুন


গত ২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে তাইওয়ানে। বুধবার সকালে স্থানীয় সময় ৭টা ৫৮ মিনিটে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৪। এতে অন্তত ৪ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের পর তিন দেশ- তাইওয়ান, ফিলিপাইন ও জাপানে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। খবর বিবিসির।
এক জরুরি বার্তায় তারা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কারণে সুনামি আঘাত হানতে পারে। তাইওয়ানে এর প্রভাব পড়তে পারে। উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। ২৫ বছর আগে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে তাইওয়ানে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত আনে। তাতে ২ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যমতে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল তাইওয়ানের হুয়ালিয়েন শহরের ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে। ভূপৃষ্ঠের ৩৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করেছে তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ। ভূমিকম্পে তাইওয়ানের একাধিক শহরের বেশকিছু ভবন ধসে পড়েছে। এসব ভবনের নিচেও চাপা পড়েছেন অনেকে। এছাড়া এই পাহাড়ি শহরটিতে ভূমিধ্বসের খবরও জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


ভারতের মহারাষ্ট্রে গাড়ি দুর্ঘটনায়
এক নারী নিহত হয়েছেন। ভিডিওতে দেখা যায় ওই নারী গাড়ি পেছনে নিতে গিয়ে তা ৩০০ ফুট গভীর
খাদে পড়ে যায়, ফলে গাড়িটি বিধ্বস্ত হয় এবং মারা যান।
এনডিটিভির খবরে জানা যায়, ওই নারী,
শোয়েতা দীপক সুরবাসি (২৩), গাড়ি চালানো শিখছিলেন। তার বন্ধু সুরজ সানজাও মুলি (২৫)
ঘটনাটি ভিডিও করছিলেন। দুই বন্ধু আরঙ্গাবাদ থেকে সুলিভানজান পাহাড় ভ্রমণে গিয়েছিলেন।
বেলা ২টার দিকে সুরবাসি গাড়ির চালকের আসনে বসেন এবং গাড়িটি পেছনে নিতে থাকেন। গাড়িটি
পর্বতের কিনার থেকে ৫০ মিটার দূরে ছিল। পেছনে নিতে নিতে দূরত্ব কমতে থাকে। ভিডিও ধারণকারী
বন্ধু তাকে গাড়ির গতি কমাতে সতর্ক করেন এবং ক্লাচ ধরার জন্য চিৎকার করেন। একপর্যায়ে
গাড়ি থামানোর চেষ্টা করতে তিনি দৌড়ে যান, কিন্তু ব্যর্থ হন। আর এই দুর্ঘটনায় শোয়েতা
নিহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাড়িটি ৩০০
ফুট নিচে পড়ে যায়। ছবিতে গাড়িটির ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে।
সূত্র : এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারীরা পবিত্র
কাবার গিলাফ পরিবর্তনের কাজে অংশ নিয়েছেন। পবিত্র কাবাঘর দৃষ্টিনন্দন কালো গিলাফে আবৃত
থাকে। প্রতি বছর এ ঘরের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। প্রতিবারের ন্যায় এ বছরও পবিত্র কাবাঘরে
নতুন গিলাফ (কিসওয়া) পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে ইতিহাসে প্রথম গিলাফ পরিবর্তন কার্যক্রমে
মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদ তত্ত্বাবধানকারী কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল নারীরা অংশগ্রহণ
করেছেন।
জেনারেল অথরিটির ভাষ্যমতে, এবারই প্রথম
নারীরা এ কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।
গত ৬ জুলাই হিজরি নববর্ষের প্রথম রাতে
মক্কায় পবিত্র মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে গিলাফ পরিবর্তনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। মূলত
গত কয়েক বছর ধরেই কাবার রীতিতে পরিবর্তন এসেছে। হারামাইন পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী হিজরি বর্ষের শুরুতে গিলাফ পরিবর্তনের নিয়ম করা হয়।
চার ঘণ্টাব্যাপী চলমান এ কার্যক্রম
তত্ত্বাবধান করে মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদের সাধারণ কর্তৃপক্ষ। ইসলামের প্রথম
যুগ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর ধরে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফাত দিবসে কাবাঘরের গিলাফ
পরিবর্তনের রীতি ছিল। তবে ২০২২ সাল মোতাবেক ১৪৪৪ হিজরি থেকে কাবার গিলাফ পরিবর্তনের
সময়ে পরিবর্তন আনে সৌদি সরকার। তখন থেকে হিজরি নববর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে মহররমের
প্রথম রাতে গিলাফ পরিবর্তন করা হয়।
সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে,
মক্কার কিং আবদুল আজিজ কমপ্লেক্সে পবিত্র কাবাঘরের কালো গিলাফ প্রস্তুত করা হয়। সেখানকার
বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদের তত্ত্বাবধানে ১৫৯ জন দক্ষ কারিগর নতুন গিলাফ পরিবর্তনের
কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এ ক্ষেত্রে তাঁরা প্রথমে কাবাঘর থেকে পুরনো গিলাফ সরিয়ে নেন।
এরপর নতুন গিলাফ স্থাপন করেন।
বার্তা সংস্থা আরো জানায়, গিলাফ তৈরিতে
১২০ কেজি সোনা, ১০০ কেজি রুপা ও এক হাজার কেজি রেশমের সুতা ব্যবহার করা হয়। ওই কাপড়ে
পবিত্র কোরআনের আয়াত ও আল্লাহর গুণবাচক নামের ক্যালিগ্রাফি থাকে। গিলাফের সব কাজ শেষ
করতে ৬ থেকে ৮ মাস সময় লাগে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৩৫০ কেজি ওজন ও ১৪ মিটার উচ্চতার এই
গিলাফ তৈরিতে ব্যয় হয় ২৫ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল বা সাড়ে ছয় মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই গিলাফকে
বিশ্বের ব্যয়বহুল কাপড় বলে মনে করা হয়।
উল্লেখ্য, পবিত্র কাবাঘরের গিলাফে থাকা
কোরআনের আয়াতের ক্যালিগ্রাফি করেন মুখতার আলম নামের এক বাংলাদেশি। তিনি গিলাফ প্রস্তুতকারক
প্রতিষ্ঠান কিং আবদুল আজিজ কমপ্লেক্সে প্রধান ক্যালিগ্রাফার হিসেবে কাজ করছেন। ২০২১
সালে তিনি সৌদি আরবের নাগরিকত্ব লাভ করেন।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ,
কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রামের
অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন শেষে সস্ত্রীক ভুটান ফিরে গেলেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল
ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে জেলার সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন
শেষে ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তিনি। কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন
শেষে সস্ত্রীক ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল ওয়াংচুক।
কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন শেষে সস্ত্রীক ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা
শুরু করেছেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল ওয়াংচুক।
এর
আগে বৃহস্পতিবার সার্কিট হাউজ থেকে দুপুর ১ টা ২০ মিনিটে ধরলার পাড়ের অর্থনৈতিক অঞ্চলে
যান এবং পনের মিনিট স্থানটি পরিদর্শনের পাশাপাশি বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ
হারুনসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এর
পরে রাজা সড়ক পথে সোনাহাট স্থলবন্দরের দিকে রওয়ানা দেন। রাজা সড়ক পথে দুপুর ১২ টা ১৫
মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে কুড়িগ্রাম
সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছান।
কুড়িগ্রামের
জেলা প্রশাসক সাইদুল আরীফ জানান, ভুটানের রাজা দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সার্কিট হাউজে অবস্থান
করেন। এরমধ্যে তিনি দুপুরের খাবার সেরে নেন। এরপর দুপুর দেড়টায় তিনি ধরলার পাড়ের কুড়িগ্রাম
সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মাধবরাম এলাকায় ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত
জায়গা পরিদর্শন করেন। সেখানে রাজা পনের মিনিট অবস্থানের পর সড়ক পথে জেলার ভূরুঙ্গামারী
উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দরের দিকে যাত্রা শুরু করেন। স্থলবন্দরে বিশেষ ইমিগ্রেশনের
মাধ্যমে ভারত হয়ে নিজ দেশ ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন রাজা। বাংলাদেশ-ভুটান দুদেশের
যৌথ উদ্যোগে ধরলা পাড়ে ২১৯ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হবে জিটুজি ভিত্তিতে এ বিশেষ অর্থনৈতিক
অঞ্চল। রাজার আগমনকে ঘিরে সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করে প্রশাসন। ভুটানের রাজার আগমনে
কয়েক স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
কুড়িগ্রাম
চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট আব্দুল আজিজ জানান, ধরলার পাড়ে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
গড়ে তোলা হলে সড়ক, নদী ও রেল পথের সুবিধা মিলবে। এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি
অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।
এ
সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম ৪- আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিপ্লব হাসান পলাশ
সহ আরও অনেকেই।
মন্তব্য করুন


সূর্য
ও পৃথিবীর মধ্যকার কক্ষপথে চাঁদ এসে পড়লে চাঁদের ছায়ায় পৃথিবীর একটা অংশ সম্পূর্ণ ঢেকে
যায়।
সোমবার
(৮ এপ্রিল) বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। আর এদিন
ভরদুপুরে চাঁদের ছায়া সূর্যকে প্রায় ৪ মিনিট সম্পূর্ণ ঢেকে রাখবে।
ব্রহ্মাণ্ডের এই প্রাকৃতিক ঘটনায় চাঁদ যখন পৃথিবী
ও সূর্যের মাঝে চলে আসবে, সে সময়ে চাঁদের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ২ হাজার ৪০০
কিলোমিটার।
নাসা
বলছে, আগামী ৮ এপ্রিল মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে স্থানীয় সময় বেলা ১১টা
৭ মিনিটে প্রথম সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। এছাড়া আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকো, পশ্চিম
ইউরোপ প্যাসিফিক, আটলান্টিক, আর্কটিক, আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের উত্তর পশ্চিম
অঞ্চল থেকেও মহাজাগতিক এ দৃশ্য দেখা যাবে। তবে বাংলাদেশ থেকে এ পূর্ণগ্রাস
সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না।
এবারের
এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণে চাঁদ সূর্যকে ৪ মিনিটের জন্য পুরোপুরি ঢেকে ফেলবে। এ
সময় দিন হবে রাতের মতো অন্ধকার। ফলে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এইদিন গ্রহণ অঞ্চলে
শতাধিক গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এবং এইসব দুর্ঘটনায় মারা যেতে পারেন সহস্রাধিক
মানুষ। এমনকি এর ফলে বেশকিছু রাজ্যের স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে
বলা হয়, মেক্সিকোর স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৩০ মিনিটে গ্রহণ শুরু হয়ে ধীরে ধীর
সূর্যকে ঢাকতে থাকবে চাঁদ। তবে পূর্ণগ্রাস শেষ হবে ৩টা ৩৫ মিনিটে। প্রায় চার মিনিট
স্থায়ী হতে পারে মহাজাগতিক ঘটনাটি। এ ধরনের বিরল আরেকটি ঘটনা দেখতে মানবজাতিকে
অপেক্ষা করতে হবে ২০৪৪ সাল পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে
সবশেষ সূর্যগ্রহণ ছিল ২০১৭ সালে। মাত্র ৭ বছরের ব্যবধানে আরেকটি পূর্ণগ্রাস
সূর্যগ্রহণ অস্বাভাবিক বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০১৭ এর আগে সূর্যগ্রহণ ঘটেছিল ১৯৭৯ সালে
এবং যুক্তরাষ্ট্রে পরের সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ২০৪৪ সালের আগস্টের পর।
মন্তব্য করুন