

নারী
থেকে পুরুষ হতে গিয়ে হরমোন চিকিৎসার পাশাপাশি স্তন অপারেশন করিয়েছিলেন রোজি আক্তার
লিজা (৩১) নামে এক তরুণী। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে অপারেশনের কয়েক ঘণ্টা পরই
তার মৃত্যু হয়েছে।
মৃত
লিজা বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব হাওলাদারের
(রব রাজ) মেয়ে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঢাকার একটি
হাসপাতালে লিজার অপারেশন করা হয়।
পরদিন
৬ সেপ্টেম্বর ভোররাতে তার মৃত্যু হয়। ওইদিন বিকেলে পরিবারের সদস্যরা লাশ বাড়িতে নিয়ে
এলে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। পরে তড়িঘড়ি করে সন্ধ্যার মধ্যেই লিজাকে দাফন করা
হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী ও মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, লিজা
মেয়ে হলেও ছেলেদের মতো আচরণ করতেন।
লিজা
ছেলেদের মতো চুল কাটাতেন। তার বাড়িতে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা জেমিনি ওরফে
জেনিফা আক্তার নামের এক তরুণীর আনাগোনা ছিল। ওই তরুণীকে লিজা স্ত্রী হিসেবে মনে করতেন।
এমনকি জেনিফাও লিজাকে তার স্বামী হিসেবে দেখাশোনা করতেন। স্থানীয়রা ধারণা করছেন, লিজার
সঙ্গে জেনিফার সমকামিতার সম্পর্ক ছিল।
সূত্র
মতে, প্রায় তিন বছর আগে একই সম্পর্কের কারণে লিজা তার আপন ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে অজানার
উদ্দেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। পরে তারা আবার বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
জেনিফার সঙ্গে লিজার পরিচয় হয়। এরপর থেকে জেনিফা প্রায়ই লিজাদের বাড়িতে এসে মাসের পর
মাস একসঙ্গে বসবাস করতেন। বিষয়টি লিজার বাবা-মা জানলেও জেনিফা কৌশলে তাদের আপন করে
নেওয়ায় তারা মুখ বুঝে সব সহ্য করে গেছেন।
জেমিনি
ওরফে জেনিফা আক্তার স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তারা একে অপরের বাসায় বেড়াতেন এবং
একসঙ্গে থাকতেন। লিজা ঢাকায় হরমোনের চিকিৎসা করাতেন। লিজার মা, বাবা ও বোন স্তন অপারেশনের
জন্য টাকা দিয়েছেন। ওই টাকা দিয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার পান্থপথের একটি হাসপাতালে ‘সরফরাজ’
নাম দিয়ে লিজাকে ভর্তি করা হয়। সেখানে অপারেশনের আগে সম্মতিপত্রে লিজার স্ত্রী হিসেবে
তিনি (জেনিফা) স্বাক্ষর করেছেন।
মেয়ে
হয়ে আরেকজন মেয়ের স্ত্রী পরিচয়ে সম্মতিপত্রে স্বাক্ষরের বিষয়ে জেনিফা বলেন, লিজার মা
ও বাবার সম্মতি নিয়েই তিনি স্বাক্ষর করেছেন। তবে মৃত রোজির বাবা আব্দুর রব হাওলাদার
বলেন, ‘সে (জেনিফা) যে স্বাক্ষর করবে, তার স্বাক্ষরে যে অপারেশন হবে, সে বিষয়ে আমি
কিছুই জানি না। এমনকি লিজার নাম যে সরফরাজ রাখা হয়েছে, তা আজই কেবল জেনেছি।’
তিনি
আরও বলেন, ‘লিজা অপারেশন করে পুরুষ হয়ে জেনিফাকে বিয়ে করবে-এমনটা ওর (লিজা) মায়ের কাছে
শুনেছি।’
এদিকে
মৃত লিজার মা ফজিলা বেগম বলেন, ‘আমার মেয়ে লিজা ছোটবেলা থেকেই কোনো ছেলেকে পছন্দ করতো
না। তাকে জোর করে দুবার বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কোনোখানেই সে (লিজা) সংসার করেনি। ছেলেদের
সঙ্গে সঙ্গ দেওয়া কিংবা ঘর-সংসার করার কোনো মনমানসিকতাই তার ছিল না।’
তিনি
আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে জেনিফা আমাদের বাড়িতে এসে লিজার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী হিসেবে বেড়াতো।
যে কারণে লিজার অপারেশনের দায়িত্ব আমরা জেনিফার ওপর ছেড়ে দিয়েছিলাম।’
অপরদিকে
প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে দেওয়া মৃত্যু সনদে বলা হয়েছে, গত ৩ সেপ্টেম্বর লিজাকে হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়। সনদপত্রে লিজার নাম ‘সরফরাজ’ এবং লিঙ্গ পুরুষ হিসেবে উল্লেখ করা
হয়েছে।
এ
বিষয়ে জানতে মৃত্যু সনদপত্রে দেওয়া হাসপাতালের নম্বরে যোগাযোগ করা হলে লিমন নামের এক
ব্যক্তি নিজেকে হাসপাতালের অ্যাডমিন পরিচয় দেন। তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি
জিএমের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। পরে এ বিষয়ে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকসহ কেউই
ফোনে কথা বলতে রাজি হননি।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ‘শূন্য বর্জ্য ও শূন্য কার্বন’-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বুধবার (১৩
নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।
একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। এ সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। এ জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ ও মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল এ গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা এ স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক ও আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক ও যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা এ গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী
লীগ সরকারের সময় একাধিকবার উত্থাপন করা হলেও অনুমোদন পায়নি পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প।
অবশেষে বর্তমান বিএনপি সরকারের সময় অনুমোদন পেল প্রকল্পটি। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রথম
পর্যায়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা।
বুধবার
(১৩ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয়
অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের
কৃষি, পরিবেশ ও অর্থনীতি রক্ষায় এবং শুষ্ক মৌসুমে পানিসঙ্কট দূর করতে বড় অংকের অর্থ
ব্যয় করে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া এ প্রকল্প ২০৩৩
সালের জুনের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রকল্পটির
পুরো অর্থাৎ করবে সরকার। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
এর
আগে গত ৬ মে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা জরিপের কাজ শেষ
হয়ে আসার কথা জানিয়েছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী। প্রকল্পটি গ্রহণের মূল লক্ষ্য হচ্ছে- ভারতের ফারাক্কা
বাঁধের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে পানির অভাব দেখা দেয়। এর ফলে যে শুষ্ক ও লবণাক্ততার
সৃষ্টি হয়, তা রোধ করা।
প্রকল্প
প্রস্তাব অনুযায়ী, রাজবাড়ী জেলার পাংশা পয়েন্টে পদ্মা নদীর ওপর একটি ব্যারেজ নির্মাণ
করে পানি সংরক্ষণ করা হবে। এর ফলে কৃষিজমিতে পানি সরবরাহ করা যাবে। এছাড়া নদীর নাব্য
রক্ষা, লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে এ প্রকল্প ভূমিকা রাখবে।
খুলনা,
ঢাকা, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের ১৯ জেলা এ প্রকল্পের আওতায় আসবে। প্রকল্প প্রস্তাবনায়
হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতী, চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতী নদী ব্যবস্থাপনাকে
পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনে স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত,
যশোরের ভবদহসহ জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকায় পানি নিষ্কাশনের উন্নয়ন এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ
বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে প্রকল্প প্রস্তাবনায়। প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, এ প্রকল্পের
মূল অংশ পদ্মা ব্যারেজ, যা ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো হিসেবে
৭৮টি স্পিলওয়ে গেট, ১৮টি আন্ডার স্লুইস, দুটি ফিশ পাস ও নেভিগেশন লক রয়েছে।
এ
ছাড়া গড়াই অফ-টেক, চন্দনা অফ-টেক ও হিসনা অফ-টেক অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে
এই মেগা প্রকল্পে। একই সঙ্গে ১১৩ মেগাওয়াটের জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাও দেখানো
হয়েছে। এর মধ্যে মূল ব্যারাজ থেকে ৭৬ দশমিক ৪ মেগাওয়াট এবং গড়াই অফ-টেক থেকে ৩৬ দশমিক
৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে হাইড্রো পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হবে।
প্রকল্পের
আওতায় গড়াই-মধুমতী নদীতে ১৩৫ দশমিক ৬০ কিলোমিটার ড্রেজিং এবং হিসনা নদী ব্যবস্থাপনায়
২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার পুনঃখনন কাজ করা হবে। এ ছাড়া ১৮০ কিলোমিটার এফ্লাক্স বাঁধ নির্মাণের
পরিকল্পনাও রয়েছে।
এ
প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব, আন্তঃদেশীয় নদী ব্যবস্থাপনা, বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে পানি
বণ্টন নিয়ে বিভিন্ন ইস্যু রয়েছে। এর আগে প্রকল্পটি কয়েক দফা একনেক সভায় উপস্থাপন করা
হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপন করা হলেও অনুমোদন
পায়নি।
মন্তব্য করুন


ভারী
বৃষ্টিপাত ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার
ওপরে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
শনিবার
(১৩ জুন) সকাল ৯টায় শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালি নদীর পানি
বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এছাড়াও সোমেশ্বরী ও মহারশি নদীর পানিও
বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে।
অন্যদিকে
ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৩৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং নালিতাবাড়ী
পয়েন্টে ৩২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে
পাহাড়ি ঢলের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঝিনাইগাতী সদর বাজারে পানি ঢুকেছে এবং ক্রমান্বয়ে পানি
বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। গত কয়েকদিন ধরে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার
বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ি ঢল বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই দিন আগে নালিতাবাড়ী উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে
বর্ডার রোডসহ একাধিক সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়।
গত
২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে
নাকুগাঁও পয়েন্টে ১৮০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৩৫ মিলিমিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে
৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এছাড়া
মহারশি নদীর বিভিন্ন স্থানে পানি বাঁধ ছুঁইছুঁই অবস্থায় রয়েছে এবং কোথাও কোথাও বাঁধের
পাশে মাটি সরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে, যা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এ
বিষয়ে শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, বৃষ্টিপাত
কমে গেলে ঢলের পানি নেমে যাবে। এখন পর্যন্ত বাঁধ ভাঙার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে
বিভিন্ন স্থানে নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই অবস্থায় রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি
পর্যবেক্ষণ করছি এবং কোনো সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি ৩৪তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, ভোর ৬টা ২২ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে তিনি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। প্রথমে কুমিল্লা মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর আজ ভোর ৬টার দিকে মারা যান।
মোহাম্মদ সাইফুল মালিকের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের ছেলে। ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া সাইফুল মালিক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশে ৩৪তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন।
জুলাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হিসেবে যোগদান করেন।
এদিকে সাইফুল মালিকের অকাল মৃত্যুতে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ জেলা পুলিশ শোক প্রকাশ এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় জড়িত আরও একজনকে গ্রেফতার
করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযান
পরিচালনার সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) শহিদ
হয়েছিলেন। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মোঃ নাসির (৩৪) নামক একজনকে গতকাল (২৭
সেপ্টেম্বর ২০২৪) গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ১৭
জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গ্রেফতারকৃত
ডাকাতদের নিকট হতে ৫টি দেশিয় তৈরি বন্দুক, বিভিন্ন ধরনের ১৪ রাউন্ড গুলি,
হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। ডাকাত দলের অন্যান্য জড়িত
সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতকে চকরিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুষ্টিয়ার
খোকসায় প্রাইভেটকারের চাপায় দীলিপ ভৌমিক (৫৫) নামের এক পল্লি চিকিৎসক নিহত হয়েছেন।
এ দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার
(১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে উপজেলা ভূমি অফিসের পরিত্যক্ত ভবনের সামনে এ দুর্ঘটনা
ঘটে। নিহত দীলিপ ভৌমিক উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে মৃত ঋষি ভৌমিকের ছেলে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনায় পথচারী পল্লি চিকিৎসক দীলিপ ভৌমিক, পাখি ভ্যানের যাত্রী
মো. ইকবাল কাজী (৩৫) ও মো. সাইদুল ইসলাম (৩৩) গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর দীলিপ ভৌমিককে উন্নত চিকিৎসার
জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
খোকসা
থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, ভূমি অফিসের সামনে প্রাইভেটকার দুর্ঘটনার
প্রাথমিক তদন্ত চলছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিস্তারিত বলতে পারবেন।
খোকসা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মোশারফ হোসেন বলেন, দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় কেউ মামলা করেননি। মামলা হলে ঘাতক প্রাইভেটকার ও চালককে শনাক্তে তদন্ত করা
হবে।
মন্তব্য করুন


পারিবারিক
পরিমণ্ডল ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে
আনন্দঘন পরিবেশে শুক্রবার (২১ আগস্ট) নিজের
১১৭তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন বিশ্বের প্রবীণতম জীবিত ব্যক্তি ইথেল ক্যাটারহাম। বর্তমানে তিনি সারের লাইটওয়াটারের হলমার্ক লেকভিউ কেয়ার হোমে বসবাস করছেন। বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে
এ তথ্য জানা যায়। এর আগে, গত
বছরের এপ্রিলে ১১৬ বছর বয়সে ব্রাজিলিয়ান নান সিস্টার ইনা কানাবারো লুকাসের মৃত্যুর পর ক্যাটারহাম বিশ্বের
সবচেয়ে বয়স্ক মানুষের খেতাব পান।
টাইটানিক
জাহাজডুবির তিন বছর আগে এবং রুশ বিপ্লবের আট বছর আগে
জন্মগ্রহণ করেছিলেন এই নারী। তিনি
দুটি বিশ্বযুদ্ধই দেখেছেন। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অনুযায়ী, ২০২০ সালে ১১০ বছর বয়সে ক্যাটারহাম কোভিড আক্রান্ত হলেও তা সফলভাবে জয়
করে বেঁচে থাকা প্রবীণদের একজন তিনি। যুক্তরাজ্যে হ্যাম্পশায়ারের শিপটন বেলিনজার গ্রামে আট ভাইবোনের মধ্যে
৭ নম্বরে থাকা ক্যাটারহাম বেড়ে উঠেছেন উইল্টশায়ারের টিডওয়ার্থে।
যুক্তরাজ্যের
হ্যাম্পশায়ারের শিপটন বেলিনজারে আট ভাইবোনের মধ্যে
সপ্তম সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন ইথেল। আর বেড়ে ওঠেন
উইল্টশায়ারের টিডওয়ার্থে। রাজা সপ্তম এডওয়ার্ডের জমানার জীবিত শেষ নাগরিক ইথেল মাত্র ১৯ বছর বয়সে
১৯২৭ সালে ভারতে আসেন এবং এক সামরিক পরিবারে
গৃহকর্মী ও শিশু যত্নকারী
হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৩১ সালে ব্রিটেনে এক নৈশভোজে ব্রিটিশ
সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল নরম্যানের সঙ্গে তার দেখা হয় এবং তারা
বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুই কন্যাসন্তান থাকলেও দুজনেই মায়ের আগেই মারা যান। ১৯৭৬ সালে স্বামী নরম্যানও মৃত্যুবরণ করেন। ইথেলের বোন গ্ল্যাডিসও ১০৪ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকা এক শতবর্ষী ছিলেন।
এদিকে
৯৭ বছর বয়স পর্যন্ত নিজে গাড়ি চালানো ক্যাটারহামকে গত বছর সেপ্টেম্বরে
তার ১১৬তম জন্মদিনের পর দেখতে গিয়েছিলেন
যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস।
রাজার
সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ১৯৬৯ সালে ওয়েলসের যুবরাজ হিসেবে চার্লসের রাজ্যাভিষেকের স্মৃতি স্মরণ করে ক্যাটারহাম রসিকতা করে বলেছিলেন, তখন সব মেয়েরাই আপনার
প্রেমে পড়েছিল এবং আপনাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল।
গিনেস
ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, ইতিহাসের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির খেতাবটি এখনও ফরাসি নারী জান ক্যালমতের, যিনি ১৯৯৭ সালে ১২২ বছর ১৬৪ দিন বয়সে মারা গিয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ ৪-৫ বছর পানির নিচে তলিয়ে ছিল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ অবস্থিত চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে যেত স্কুলের মাঠে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কষ্ট করে বিদ্যালয়ে আসতে হতো। মাঠে পানি জমে থাকার কারনে বৃষ্টির সময় শিক্ষার্থী উপস্থিতির সংখ্যাও ছিল অনেক কম।
সর্বশেষ গত ১ মাস আগে স্কুলের মাঠে মাটি ভরাট করে, স্কুলের বারান্দার ওয়াল ইট দিয়ে উঁচ করে জলাবদ্ধতার সমাধান করেন উক্ত এলাকার কৃতী সন্তান আবদুল হালিম মজুমদার।
এছাড়াও এই স্কুলের উন্নয়নে ব্যক্তিগতভাবে ব্যাপক অর্থ খরচ করেন হালিম মজুমদার। যার ফলে আজকে বিদ্যালয়ের সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং ক্লাস রুমে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশে
আবারও পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ
ঘোষণা দেন।
চলতি
জুন মাস থেকেই নতুন দর কার্যকর হবে।
নতুন
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে
গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুতের সঞ্চালন (ট্রান্সমিশন) চার্জ
২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
নতুন
ট্যারিফ অনুযায়ী, গ্রাহক পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য ভিন্ন
হারে দাম বাড়ানো হয়েছে।
এর
মধ্যে লাইফলাইন গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ এবং অন্যান্য শ্রেণিতে সর্বোচ্চ
১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।
গ্রাহক
পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের গড় দাম ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ
করা হয়েছে। বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য হার ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা
বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি এবং খাতটির আর্থিক চাপ মোকাবেলায় এই মূল্য
সমন্বয় করা হয়েছে।
তবে
নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের বিদ্যুৎ ব্যয় বাড়বে, যা সামগ্রিকভাবে
জীবনযাত্রার ব্যয় ও উৎপাদন খরচে প্রভাব ফেলতে পারে।
গত
২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানি খুচরা
পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।
বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮
পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের ৪০টি জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে । সেইসঙ্গে শেষ রাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেশের দক্ষিণাঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় যশোর, কুষ্টিয়া ও কুমিল্লা জেলাসহ রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের মোট ৪০টি জেলার দু’এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে, শেষ রাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেশের দক্ষিণাঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
সেইসঙ্গে সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এদিকে মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেইসঙ্গে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আর আগামী বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে সারা দেশে শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তবে, বর্ধিত পাঁচদিনে
আবহাওয়া পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া
অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন