

মাদারীপুরে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘মিড ডে মিল’
হিসেবে পচা খাবার সরবরাহের মামলায় গ্রেফতার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দুই অপারেশন কর্মকর্তাকে
কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার
(৯ জুন) বিকেলে জেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. এলিয়াম হোসেন
এই আদেশ দেন। এর আগে সোমবার (৮ জুন) রাতে শহরের চাঁনমারি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার
করা হয়।
গ্রেফতাররা
হলেন- ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার দোগাছিয়া গ্রামের মৃত গিয়াসউদ্দিনের ছেলে আহসানুল
হাবিব (৫২) ও বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পার্বতীশিবপুর এলাকার নুরুল ইসলাম খানের ছেলে
নুরুজ্জামান খান (৪৪)।
সংশ্লিষ্ট
সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় রুটি, কলা ও
ডিম টিফিন হিসেবে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের দিয়ে আসছে সরকার। মাদারীপুরে সমতা ট্রেডার্স-নামে
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব টিফিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে
দেওয়া হয়।
গত
৮ এপ্রিল দুপুরে সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা টিফিন
খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবার
রিপন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া টিফিনের রুটি, কলা ও ডিম আলামত হিসেবে জব্দ করেন।
ঘটনার
পরদিন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মিজ মর্জিনা আক্তার স্বাক্ষরিত চিঠিতে অতিরিক্ত জেলা
প্রশাসক জুয়েল আহম্মেদকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত
করে কমিটি ঘটনার সত্যতা পায়।
এনিয়ে
গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে ফিডিং কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক ও প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হারুণ অর রশীদ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এসময় তিনি আশ্বাস দেন
দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার।
এই
ঘটনায় গত ২৭ এপ্রিল মাদারীপুর সদর উপজেলার ১৬৫নং পোকরার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষক মেহেরুন চৌধুরী বাদী হয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
করেন।
এরই
জেরে সোমবার গ্রেফতার হন সমতা ট্রেডার্স নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মকর্তা
আহসানুল হাবিব ও নুরুজ্জামান খান। মঙ্গলবার বিকেলে তাদের আদালতে তোলা হলে কারাগারে
পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মাদারীপুর
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মাঝে
পচা খাবার সরবরাহের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সমতা ট্রেডার্স নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের
দুই কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত বাকিদের ধরতে কাজ করছে পুলিশ।’
মাদারীপুরের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিয়া রফিক ভাবনা বলেন, ‘স্কুল শিক্ষার্থীদের
জন্য সরবরাহকৃত খাদ্যের মান নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবহেলা বরদাশত করা হবে না।’
তিনি
আরও বলেন, ‘মামলাটির তদন্ত অব্যাহত আছে। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য-প্রমাণ
সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া
হবে। তদন্ত শেষে আদালতে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।’
মন্তব্য করুন


ফুটবল
ইতিহাসের সেই চিরপরিচিত দৃশ্য, আরও একবার জাদুকরী ফ্রি-কিকে লিওনেল মেসির ট্রেডমার্ক
গোল। ২০২৬ ফিফা বিশ্বমঞ্চে আজ জর্ডানের বিপক্ষে
মাঠে নেমে স্রেফ ইতিহাস ওলটপালট করে দিলেন লিওনেল মেসি।
রোববার
(২৮ জুন) ম্যাচের ৬০তম মিনিটে লাওতারো মার্তিনেজকে তুলে নিয়ে ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকাকে
যখন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠে নামান। মাঠে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই
মাহেন্দ্রক্ষণ ধরা দিল। এক দুর্দান্ত ফ্রি-কিক থেকে জর্ডানের জাল কাঁপিয়ে আর্জেন্টিনাকে
৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ফুটবল ইতিহাসের অমরত্বের পাতায় সম্পূর্ণ এককভাবে
নিজের নাম লিখিয়েছেন মেসি। বিশ্বকাপের সুদীর্ঘ ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ৭টি
ম্যাচে গোল করার এক অবিশ্বাস্য ও অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়লেন এলএমটেন।
এই
গোলের আগে বিশ্বকাপের টানা ৬ ম্যাচে গোল করার কীর্তি নিয়ে ফ্রান্সের কিংবদন্তি জাস্ট
ফন্টেইন (১৯৫৮) এবং ব্রাজিলের জেয়াজিনহোর (১৯৭০) সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষাসনে বসা ছিলেন
মেসি। জর্ডানের প্রাচীর ভেঙে সেই সাত দশকের পুরনো রেকর্ডকে একাই নিজের করে নিলেন এই
আর্জেন্টাইন জাদুকর।
এর
আগে, ম্যাচের এক ঘণ্টা পার হওয়ার পর দলের রণকৌশলে বড় ট্রিপল পরিবর্তন এনেছিলেন স্কালোনি।
গোলদাতা জিওভানি লো সেলসো এবং তরুণ নিকো পাজকে তুলে নিয়ে মাঝমাঠ ও আক্রমণের ধার বাড়াতে
থিয়াগো আলমাদা ও আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টারকে মাঠে নামানো হয়। তবে সব আলো কেড়ে নিলেন
বেঞ্চ থেকে উঠে আসা অধিনায়ক মেসি। জর্ডানের বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পেতেই পুরো মেটলাইফ
স্টেডিয়ামে পিনপতন নীরবতা নেমে আসে, আর পরের মুহূর্তেই মেসির চেনা জাদুতে বল যখন জালের
ঠিকানা খুঁজে নেয়, তখন রেকর্ড বুক নতুন করে লেখার আনন্দে মেতে ওঠে আলবিসেলেস্তেরা।
মন্তব্য করুন


আজ (১৪ নভেম্বর ২০২৪) জাহানাবাদ সেনানিবাসস্থ এএসসি সেন্টার এন্ড স্কুল এ আর্মি সার্ভিস কোরের ৪৩তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান এএসসি সেন্টার এন্ড স্কুল এ পৌছালে তাকে এএসসি কোরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অভ্যর্থনা জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত এএসসি কোরের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং এ কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। একই সাথে তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এএসসি কোরের বীর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। সেনাবাহিনী প্রধান এএসসি কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে এএসসি কোরের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান। এছাড়াও, তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে এই কোরের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।
উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, সদর দপ্তর আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড এর কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল এএসসি ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিয়ের
আসরে বরকে সামনে থেকে দেখার পর তাকে বিয়ে
করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এক কনে। তার
অভিযোগ, তাকে বিয়ের আগে যে যুবকের ছবি
দেখানো হয়েছিল, বিয়ের আসরে বর হিসেবে আসা
ব্যক্তি তিনি নন। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলায় গুর হর সাহাই এলাকায়।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যম দ্য ফ্রি প্রেস জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ
তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, রাজস্থানের ছাতারগড় থেকে বরযাত্রী ফিরোজপুরে এসেছিল। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ও সাতফেরা শুরু
হওয়ার আগেই কনে আপত্তি জানান। পরিবারের সদস্যদের কাছে তিনি দাবি করেন, আগে যে ছেলের ছবি
দেখানো হয়েছিল, তার পরিবর্তে অন্য একজনকে বর হিসেবে আনা
হয়েছে।
কনের
অভিযোগের পর দুই পরিবারের
মধ্যে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা দেখা
দেয়। একপর্যায়ে বিয়ের অনুষ্ঠান স্থগিত হয়ে যায়।
তবে
কনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বরের পরিবার। তাদের দাবি, দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। বিয়ের প্রস্তুতির সময় দুই পরিবারের মধ্যে নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল এবং কনের পরিবারের কাছেও বরের ছবি পাঠানো হয়েছিল।
বরের
নানা মহেন্দ্র সিং বলেন, বিয়ের মধ্যস্থতাকারী এবং কনের মায়ের কাছেও বরের ছবি পাঠানো হয়েছিল।
ঘটনাটি
পরে পুলিশের কাছে গড়ায়। বরের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করে।
ফিরোজপুরের
গুরু হরসাহাইয়ের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি)
তেজিন্দরপাল সিং জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর উভয় পক্ষের
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়।
পুলিশের
তদন্তের মধ্যেই দুই পরিবার নিজেদের মধ্যে বিরোধ মীমাংসা করে নেয়। তবে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মিটে গেলেও শেষ পর্যন্ত ওই বিয়ে আর
সম্পন্ন হয়নি।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
আনোয়ারা উপজেলায় ঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পাঁচ বছর বয়সী
এক শিশুও গুরুতর আহত হয়েছে।
শনিবার
(১৩ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি বড়ুয়া
পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
দুজন হলেন, এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। আহত শিশুটির নাম পিয়াস
বড়ুয়া (৫)।
তাদের
বাড়ি চেনামতি বড়ুয়া পাড়া বৌদ্ধবিহার মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। জানা গেছে, পরিবারের কর্তা
ব্যক্তি সুজন বড়ুয়া। তিনি চট্টগ্রাম নগরের খাতুনগঞ্জ এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে নিরাপত্তাকর্মী
হিসেবে কর্মরত।
প্রতিবেশী
সুরভী বড়ুয়া জানান, রাতে চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। গিয়ে দেখা
যায়, ঘরের দরজার সামনে এনি বড়ুয়া ও তার ছেলে পিয়াস রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ঘরের
ভেতরে পাওয়া যায় প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার রক্তাক্ত দেহ।
স্থানীয়
লোকজন আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলে ঘটনাস্থলেই এনি বড়ুয়ার মৃত্যু
হয়। আহত পিয়াসকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
নিহত
এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া দাবি করেছেন, প্রতিবেশী লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র সঙ্গে তার
আর্থিক লেনদেন ছিল। তার ধারণা, ওই লেনদেন সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে বাড়িতে এসে হামলার
ঘটনাতে পারে।
সুজন
বড়ুয়া বলেন, আমি শহরে ছিলাম। রাতে বড় ভাইয়ের ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি সব শেষ হয়ে গেছে।
তিনি
আরও দাবি করেন, মৃত্যুর আগে তার স্ত্রী হামলাকারী হিসেবে লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র নাম
উল্লেখ করেছিলেন।
আনোয়ারা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, দুর্বৃত্তদের হামলায় মা
ও মেয়ে নিহত হয়েছেন এবং এক শিশু আহত হয়েছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য
মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি
বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান
শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১৮ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর জেলায় হাম সন্দেহ ও হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
মারা যাওয়া রায়হান বরুড়া উপজেলার ইমাম হোসেনের ছেলে। হামের উপসর্গ নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ১৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় ১২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং চিকিৎসা শেষে ১৮ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই পর্যন্ত কুমিল্লায় মোট তিন হাজার ১৯ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় ৪৮২ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ সময়ে হাম সন্দেহে ১৩ জন ও হাম আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া দুই হাজার ৫৬৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং দুই হাজার ৫০২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মিয়া মনজুর আহমেদ জানান, হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একই সঙ্গে শিশুদের নির্ধারিত সময়ে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন আলী নূর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ জানান, মারা যাওয়া শিশুরা আগে হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছিল কি-না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আগের তুলনায় জেলায় হামে আক্রান্তের হার কমেছে বলে দাবি করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


জুলাই
শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস
আলম বলেছেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সিস্টেমগুলোর জন্য বিগত ১৬ বছরে মানুষ বিরক্ত হতে হতে দেয়ালে
পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ১৬ বছরে সবচেয়ে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল
নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচন কমিশন সংস্কার না করলে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা
যাবে না। শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য ২ হাজার মানুষ জীবন দেয়নি আর এ অভ্যুত্থানও হয়নি।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের
হাতে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক
সারজিস আলম বলেন, আমরা বলছি না রাষ্ট্রের সবকিছু সংস্কার করে নির্বাচনে যান। আমরা এটাও
বলছি না আগামী ৫-৬ বছর সংস্কার করেন। কিন্তু সংস্কারের জন্য ন্যূনতম একটা যৌক্তিক সময়
লাগবে। কোনো বিবেকবান মানুষ তার জায়গা থেকে চিন্তা করতে পারবে না যে এক বছরের মধ্যে
সবকিছু সংস্কার হয়ে যাবে। ১৬ বছর ধরে যে সিস্টেমগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করা হয়েছে,
সেই সিস্টেমগুলোকে সংস্কার করতে একটা যৌক্তিক সময় প্রয়োজন। বিগত ১৬ বছর এমনকি ৫৩ বছর
ধরে বাংলাদেশের সংবিধান পাঁচ বছরের জন্য দেশের মানুষকে একটি ‘জনতার সরকার’উপহার দিতে পারেনি।
আমাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করতে পারেনি। সেই সাংবিধানিক সংস্কারও প্রয়োজন। প্রত্যেক পাঁচ বছরের জন্য বড় বড় ইশতেহার দিয়ে
প্রতিটি সরকার ক্ষমতায় আসে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরপরই তারা ইশতেহার ভুলে যায়। তারা
ভুলে যায় তারা যে জনতার সরকার। শুধু একটা নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে পারে
না। এর পাশাপাশি অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান জড়িত। এর মধ্যে অন্যতম হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
একটা সিস্টেমের মধ্যে আনতে হবে। তা না হলে নির্বাচন দিলে আবার জবরদখলের ঘটনা ঘটতে পারে।
ক্ষমতার অপব্যবহার হতে পারে। আবার এ নির্বাচন ঘিরে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সেজন্য একটা
বিচারিক প্রক্রিয়া প্রয়োজন। তাই বিচার ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন।
শহীদ
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চেক বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারা দেশ থেকে প্রায় ১ হাজার
৬০০ জনের বেশি শহীদ পরিবারের তালিকা আমাদের কাছে এসেছে। আপাতত যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিতদের
পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রতিটি বিভাগীয় পর্যায়ে গিয়ে
শহীদের পরিবারের হাতে অনুদানের চেক তুলে দিচ্ছি। এটা আমাদের দায়িত্ব। বাকি যারা রয়েছেন
তাদের কাগজপত্র সংগ্রহের কাজ চলছে। সেগুলো হাতে পেলে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হবে।
চেক
বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণে ১ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।
তাদের মধ্যে ১ হাজার ৬০৮ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে; যার মধ্যে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০৭ জন। এছাড়া ফেল থেকে পাস করেছেন ৩৩৬ জন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পাপিয়া আক্তার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ বলেন, “পুনর্নিরীক্ষণের নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন করা উত্তরপত্রগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই শেষে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।”
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার বিভিন্ন বিষয়ের ৩৫ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী ৯১ হাজার ৪৯৪টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলেন।
ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর কলেজে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান।
মন্তব্য করুন


সারাদেশের
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক কোটি সাত লাখের বেশি শিক্ষার্থী বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম,
জুতা, মোজা ও পাটের ব্যাগ পেতে যাচ্ছে।
বিএনপি
নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ
হিসেবে এই বড় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মূল কার্যক্রম শুরুর আগে আগামী জুলাই-আগস্ট মাসে
পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এই সামগ্রী বিতরণ শুরু হবে।
সোমবার
(৮ জুন) সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে এক সভা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
ববি হাজ্জাজ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এসময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ববি
হাজ্জাজ জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় মোট সাড়ে তিন লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে এই সুবিধার
আওতায় আনা হবে। কার্যক্রমটি কয়েক ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে অন্তত এক লাখ শিক্ষার্থীর
মধ্যে এই সামগ্রী বিতরণ করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি শিক্ষার্থীদের কাছে সামগ্রীগুলো
পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পাইলট প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী
বলেন, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ও ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে আগামী জানুয়ারি থেকে দেশের
সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুরোদমে সামগ্রী বিতরণ শুরু হতে পারে।
তিনি
জানান, সারাদেশের কোনো উপজেলা যেন বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলার একাধিক স্কুলকে
এই কর্মসূচিতে যুক্ত করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ২৫ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় এই পাইলট
প্রকল্পের আওতায় থাকবে।
বস্ত্র
ও পাট মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগে বড় ধরনের সহযোগিতা দেবে। তারা প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের
জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাঁচ লাখ পাটের স্কুল ব্যাগ উপহার হিসেবে দিচ্ছে।
এক
প্রশ্নের জবাবে ববি হাজ্জাজ জানান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে যে স্কুল
ব্যাগটি ওয়াটারপ্রুফ হবে। সেই চিন্তাভাবনা ও পর্যবেক্ষণ করেই তারা এগুলো তৈরি করেছেন।
যেহেতু এটা পাইলট প্রকল্প, তাই যদি কোনো ভুলত্রুটি থেকে থাকে, এখান থেকে তারা জানতে
পারবেন। যাতে পরে যখন পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রমে যাবেন তখন যেন সেটি ঠিক করে নেওয়া যায়।
এছাড়া
মাঠ পর্যায়ে প্রতিটি এলাকায় এই কার্যক্রম সফল করতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
মন্ত্রণালয় সার্বিক সহযোগিতা করছে বলেও জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।
ববি
হাজ্জাজ আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
মন্তব্য করুন


কুপিয়ে হত্যা করা আইনজীবী সাইফুল ইসলাম
আলিফের পরিবারের জন্য ধর্ম উপদেষ্টার তত্ত্বাবধানে কোটি টাকার ফান্ড গড়ে তোলা হচ্ছে।
এ ফান্ড সংগ্রহের দায়িত্বে আছে মানবিক সংগঠন আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশন।
আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের
লোহাগাড়ার পানত্রিশা গ্রামে শহীদ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের কবর জিয়ারত ও মোনাজাত
শেষে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। ধর্ম উপদেষ্টা
এ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
বলেন, প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ আইনের শাসন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার
প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দেশ ও জাতিকে অনেক কিছু দিতে পারতেন। কিন্তু তাঁকেই নির্মমভাবে
হত্যা করা হয়েছে। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে
না।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা
ও ধিক্কার জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধীদের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করতে
সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
ধর্ম উপদেষ্টা শহিদ আইনজীবী সাইফুল
ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাত করেন ও খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা
জানান। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারে ক্ষেত্রে সরকারের দৃঢ় মনোভাব ব্যক্ত করেন।
এছাড়া উপদেষ্টা এই পরিবারকে সরকারের পক্ষ হতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ধর্ম উপদেষ্টা হত্যাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত
পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ, চিকিৎসা ও পড়ালেখার জন্য শহিদ সাইফুলের বাবার হাতে আলহাজ
শামসুল হক ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে এক কোটি টাকা সহায়তা প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নগদ এক
লাখ টাকা, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকার চেক ও আল মানাহিল ফাউন্ডেশনের
পক্ষ থেকে আরো এক লাখ টাকা তুলে দেন।
এ সময় লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
মোহাম্মদ ইনামুল হাসানসহ ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পৌষ
মাসের শেষ দিন পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের সাকরাইন উৎসবে মেতে ওঠার দিন। এ উৎসবের মূল
আকর্ষণ ঘুড়ি উড়ানো।
রবিবার
(১৪ জানুয়ারি) পৌষের শেষ দিন। ঐতিহ্যের আলোয় পৌষের শেষদিনকে রঙিন করতে মাতোয়ারা পুরান
ঢাকাবাসী। তাই উৎসব ঘিরে পুরান ঢাকার অলিগলিতে চলছে ঘুড়ি বেচাকেনার উৎসব। শিশু, তরুণ,
বৃদ্ধরা কিনছেন ঘুড়ি, নাটাই, সুতা। চলছে সুতায় মাঞ্জা দেওয়ার কাজ। পুরান ঢাকায় চলছে
ঘুড়ি বেচাকেনার ধুম। দোকানে দোকানে হরেক রকমের ঘুড়ি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। রঙ-বেরঙের ঘুড়ি
আর নাটাই-সুতা সারি সারি করে সাজিয়ে রেখেছেন দোকানিরা। বাজারে বিভিন্ন নামের ঘুড়ি পাওয়া
যাচ্ছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম- চোখদার, চশমাদার, কাউটাদার, লাভবার্ড, পঙ্খিরাজ, প্রজাপতি,
চক্ষুদার, ঈগল, সাদাঘুড়ি, চার বোয়া, দুই বোয়া, টেক্কা, লাভঘুড়ি, তিন টেক্কা, মালাদার,
দাবা ঘুড়ি, বাদুড়, চিল, অ্যাংগ্রি বার্ডস হরেক রঙের ঘুড়ি। এসব নাটাই মিলবে ৫০০ থেকে
তিন হাজার টাকার মধ্যে। সেসব সুতার মধ্যে রক সুতা, ডাবল ড্রাগন, কিংকোবরা, ক্লাক ডেবিল,
ব্লাক গান, ডাবল গান, সম্রাট, ডাবল ব্লেট, মানজা, বর্ধমান, লালগান ও টাইগার অন্যতম।
জানা
যায়, রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাকরাইন শুরু হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা
পর্যন্ত ঘুড়ি ওড়ানোর পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে চলবে পিঠাপুলির উৎসব।
মন্তব্য করুন