

মাদারীপুরের শিবচরে নিজ ক্লিনিকের নার্সকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় শিবচর ইউনাইটেড হাসপাতালের মালিক আপেল মাহমুদকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) রাতে শিবচরের বাহাদুরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আপেল মাহমুদ শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পশ্চিম সেনেরচর এলাকার মৃত চান মিয়া শিকদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে এর আগে শিশু ধর্ষণচেষ্টা ও চাঁদাবাজির মামলাও রয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিবচর ইউনাইটেড হাসপাতালে কর্মরত একজন নার্সকে বিভিন্ন সময় হাসপাতালের মালিক আপেল মাহমুদ কুপ্রস্তাব দিতেন। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর ওই নার্স হাসপাতালে কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন। তার কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সেদিন বাড়ি ফেরার পথে তার গতিরোধ করে আপেল মাহমুদ জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তাকে তুলে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে কক্সবাজার নিয়ে যান।
সেখানে একটি আবাসিক হোটেলে তাকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেন।
পরে ২৫ ডিসেম্বর তাকে শিবচর এনে একটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে ভুয়া বিয়ের নথি তৈরি করে ওই নার্সকে ছেড়ে দেন আপেল মাহমুদ। এ ঘটনার পর গত ৩০ ডিসেম্বর নার্সের পরিবার শিবচর থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে মামলা না নেওয়ায় মাদারীপুর আদালতের দ্বারস্থ হন ভুক্তভোগী পরিবার।
আদালতের নির্দেশে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি শিবচর থানায় আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনার পর আপেল মাহমুদ পলাতক ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শিবচর থানার এসআই রেনুকা আক্তারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শিবচরের পাঁচ্চর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ক্লিনিক মালিক আপেল মাহমুদকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়
শিবচর থানার ওসি মো. রতন শেখ (পিপিএম) বলেন, ধর্ষণ মামলার আসামি আপেল মাহমুদের নামে এর আগেও শিশু ধর্ষণচেষ্টা ও চাঁদাবাজির মামলায় রয়েছে। তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক নার্সকে ধর্ষণের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপসংলগ্ন সাগর থেকে ভাসমান অবস্থায় তিনটি অজ্ঞাত অর্ধগলিত
মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার
(৮ জুলাই) দুপুর ও বিকেলের দিকে টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপ, শাহপরীর দ্বীপ
এবং সদর ইউনিয়নের রাজারছড়া-সংলগ্ন সাগর এলাকা থেকে পৃথকভাবে ভাসমান অবস্থায় মরদেহগুলো
উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি
নিশ্চিত করে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে
জানান, মরদেহগুলো দীর্ঘদিন সাগরে ভাসমান থাকায় সেগুলো অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল। প্রাথমিকভাবে
ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহগুলো মিয়ানমারের চলমান সংঘাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তির
হতে পারে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে
সংস্কারের মাধ্যমে একটি দক্ষ, সুসংগঠিত, পেশাদার ও সময়োপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা
হবে। এ লক্ষ্যে যা যা করণীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সবকিছু করা হবে।
আজ (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুরের
সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর
৪০তম বিসিএস (আনসার) ক্যাডার কর্মকর্তা এবং ২৫তম ব্যাচ (পুরুষ) রিক্রুট সিপাহিদের মৌলিক
প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে শুরু
করে স্বাধীনতা পরবর্তী দেশের প্রতিটি জরুরি মুহূর্তে আনসার বাহিনীর সদস্যগণ গভীর দেশপ্রেম
নিয়ে এগিয়ে এসেছে এবং দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা বিধানসহ কূটনৈতিক এলাকার সুরক্ষায়
এ বাহিনী বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী
সরকারের পতনের পর থানা, ট্রাফিক, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর সুরক্ষায়
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন
করেছে। বিশেষ করে আনসার গার্ড ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ডিএমপি’র থানাগুলোর অভ্যন্তরীণ
নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত
রয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সাথে সাথে পুলিশ বাহিনীর স্বল্পতার মাঝেও রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনাতে আনসার গার্ড ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি জাতির জরুরি প্রয়োজনে সাহসী ভূমিকা রাখার জন্য বাহিনীর সকল সদস্যের প্রতি আন্তরিক
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশের
প্রতিটি গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে থাকা স্বেচ্ছাসেবী গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও
দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রামে গ্রামে যে
সামাজিক নিরাপত্তা সংকট দেখা দিয়েছিল, ভিডিপি সদস্যরা তা নিরসনে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছে।
যারা মন্দির, গির্জা ও চার্চে হামলা চালিয়ে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলো,
তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো ভিডিপি সদস্যরা। তারা ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে পাহারা
বসিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি রক্ষায় অবদান রেখেছে। ভবিষ্যতেও
ভিডিপি সদস্যরা তারুণ্য নির্ভর স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় সুসংগঠিত হয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক
উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তায় আরো বেশি অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল
মোমেন এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল
মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মৌলিক প্রশিক্ষণের
সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সালাম গ্রহণ করেন এবং কৃতি প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে পুরস্কার
তুলে দেন।
মন্তব্য করুন


মেয়ের
কলেজে হোস্টেলের সিট বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ জন্য বাবা আরিফুর রহমান চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া
থেকে রওনা দিয়েছিলেন মেয়ের কলেজের উদ্দেশে। কক্সবাজারের চকরিয়ায় নানাবাড়ি থেকে মেয়ে
সুমাইয়াও রওনা দিয়েছিলেন কলেজের পথে। রাঙ্গুনিয়া থেকে বাসে উঠে মেয়ে কত দূর এসেছে,
তা জানতে মুঠোফোনে কল করেন বাবা। ফোন ধরেন অচেনা এক তরুণ। বলেন, মুঠোফোনের মালিক বেঁচে
নেই।
চট্টগ্রামের
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় দাঁড়িয়ে এ কথা বলতে বলতে কান্নায়
ভেঙে পড়েন আরিফুর রহমান। বলেন, ‘আমার মাথায় তখন আকাশ ভেঙে পড়ল। কী শুনলাম আমি। বাড়ি
থেকে বের হওয়ার সময়ও তো সুমাইয়ার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। তারপর শুনলাম এই খবর। আমি
অসুস্থ মানুষ। এই শোক কীভাবে বইব? মেয়ে স্বপ্ন দেখত, পড়াশোনা শেষ করে চাকরি নিয়ে পরিবারের
পাশে দাঁড়াবে, কিন্তু মেয়েটিই এখন নেই। এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না।’
গতকাল
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে
নিহত হন আরিফুর রহমানের কলেজপড়ুয়া মেয়ে সুমাইয়া জান্নাত (২০)। উপজেলার চুনতি বাজার
এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
মেয়ের
মৃত্যু কোনোভাবেই মানতে পারছেন না মা ইয়াছমিন আক্তার। থামছে না তাঁর আহাজারি। গতকাল
দুপুরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
মেয়ের
মৃত্যু কোনোভাবেই মানতে পারছেন না মা ইয়াছমিন আক্তার। থামছে না তাঁর আহাজারি। গতকাল
দুপুরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেপ্রথম আলো
চট্টগ্রাম
সরকারি মহিলা কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়ার
বাড়ি বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের আরব শাহ ঘোনাপাড়া জমিদারবাড়ি এলাকায়। বাবা
আরিফুর রহমান পেশায় মসজিদের ইমাম। মা ও ভাইবোনদের নিয়ে সুমাইয়ারা থাকতেন কক্সবাজারের
চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকায় নানার বাড়িতে। আর বাবা কাজের সূত্রে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়।
তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সুমাইয়া সবার বড়।
গতকাল
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে
নিহত হন আরিফুর রহমানের কলেজপড়ুয়া মেয়ে সুমাইয়া জান্নাত (২০)। উপজেলার চুনতি বাজার
এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে হাইওয়ে পুলিশ জানায়, লোহাগাড়ার চুনতি বাজার এলাকায়
কক্সবাজারগামী ইম্পিরিয়াল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে এবং চট্টগ্রামগামী পূরবী পরিবহনের
অন্য একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসের সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং
কয়েকজন যাত্রী আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত হন সুমাইয়া জান্নাত। লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের
কর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক
মৃত ঘোষণা করেন।
গতকাল
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, মেয়ের
লাশের সামনে আহাজারি করছেন মা ইয়াছমিন আক্তার। পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন বাবা আরিফুর রহমান।
কান্না করতে করতে ইয়াছমিন আক্তার বলছিলেন, ‘কলেজের হোস্টেলে আজ (গতকাল) সিট বরাদ্দ
দেওয়ার কথা ছিল। নোটিশ দিয়ে জানানো হয়েছিল, অভিভাবক নিয়ে যেতে হবে। এ জন্য সুমাইয়ার
বাবা রাঙ্গুনিয়া থেকে কলেজে আসছিলেন। তিনি অপেক্ষা করবেন বলে মেয়েটি সকাল সাতটায় ভাত
খেয়ে তাড়াহুড়া করে বাড়ি থেকে বের গেল। যাওয়ার সময় বলেছিলাম, এত তাড়া কিসের? পাঁচ মিনিট
পর বের হও, কিন্তু মেয়ে কথা শোনেনি।’ ইয়াছমিন আক্তারের আক্ষেপ, ‘পাঁচ মিনিট
পর বের হলে হয়তো আমার মেয়েটা বেঁচে যেত।
দোহাজারী
হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে
পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলেজছাত্রীর
লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই দুই বাসের চালক পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


যশোরে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে দুই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটারকে
পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে
এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার যশোর শহরের কদমতলা এলাকার একটি ছাত্রাবাস থেকে এক যুবকের
মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের রেশমা বেগম ওরফে তাসনিম ফুয়াদ এবং ভেকুটিয়া
গ্রামের ডালিয়া খাতুন তাদের ফেসবুক আইডিতে দাবি করেন, মরদেহটি পুলিশ লাইনের একটি মেস
থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ভুল তথ্যভিত্তিক এ পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে
পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
বিষয়টি
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে এলে মঙ্গলবার সকালে ওই দুই নারীকে পুলিশ সুপারের
কার্যালয়ে ডাকা হয়। সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও
কথা বলেন পুলিশ সুপার।
কোতোয়ালি
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, অভিযুক্তরা প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকার
একটি অগ্নিকাণ্ডের ভিডিও যশোরের ঘটনা বলে প্রচার করা হয়েছিল। এছাড়া মনিরামপুরের একটি
পারিবারিক ঘটনাকে ডাকাতির ঘটনা হিসেবে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন তাসনিম ফুয়াদ।
তিনি
আরও জানান, ডালিয়া খাতুনের বিরুদ্ধেও আগে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ ভুল তথ্য প্রচারের
ঘটনায় তাদের সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট না করার শর্তে
মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে আইনগত ব্যবস্থা
নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


গোপালগঞ্জ
সদর উপজেলার পাইককান্দি এলাকায় শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে বি এম মাহমুদুল ইসলাম
(৩৮) নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য
তার স্ত্রী ও শ্বশুরকে আটক করা হয়েছে।
নিহত
মাহমুদুল ইসলাম ৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার
মলছড়ি ক্যাম্পে উপপরিদর্শক (সশস্ত্র) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার
বিজয়পাশা গ্রামের হায়দার আলী ভূঁইয়ার ছেলে।
সোমবার
সকালে স্থানীয়রা শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর
দেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
গোপালগঞ্জ
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন
পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি
আরও জানান, ঘটনাটি তদন্তের অংশ হিসেবে নিহতের স্ত্রী ও শ্বশুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য
আটক করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আজ শনিবার তৃতীয় ভয়েস
অব গ্লোবাল সাউথ সামিটে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, অন্তর্ভুক্তিমূলক, বহুবচনবাদী গণতন্ত্র রূপান্তর নিশ্চিত
করতে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ।
ভারতের নয়াদিল্লিতে এই সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে এই সামিটে যুক্ত দিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এটিই ড. ইউনূসের প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক কর্মকাণ্ড, যেখানে একাধিক দেশ যুক্ত ছিল। এই সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সামিটে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, গণমাধ্যম,
অর্থনীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার করা অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম কাজ।
এ সময় ভারতের
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এর আগে গতকাল শুক্রবার
ফোনালাপে সামিটে যোগ দেওয়ার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানান নরেন্দ্র
মোদি। তখন আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি সম্মেলনে যোগ দিতে রাজি হন
প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত
ইউসেফ এস. ওয়াই. রামাদান। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার
অফিসকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে
দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের অনুকূলে ভিসা
ইস্যুকরণ সহজতর করাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করা
হয়।
সাক্ষাৎকালে
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সার্বভৌম রাষ্ট্র
প্রতিষ্ঠার পক্ষে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তৎকালীন
সময়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে জোরালো জনমত ও সমর্থন আদায়ে
অত্যন্ত বলিষ্ঠ ও অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের এই
নীতিগত ও নৈতিক সমর্থন সর্বদা অব্যাহত থাকবে।
আলোচনায়
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। তিনি ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের
বাংলাদেশে আগমন ও পড়াশোনা নির্বিঘ্ন করতে অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ
সহযোগিতা কামনা করেন। মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সর্বাত্মক
সহযোগিতা করার জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রদান করেন। একইসঙ্গে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রেরণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ
জানান।
রাষ্ট্রদূত
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের কোনো
নাগরিক বা শিক্ষার্থী বাংলাদেশের ভিসার জন্য আবেদন করলে, তা যথাযথ যাচাইয়ের লক্ষ্যে
আবেদনের একটি অনুলিপি ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসে প্রেরণের অনুরোধ করেন।
এ
সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একটি মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে আমরা ফিলিস্তিনকে
অন্তরের অন্তস্তল থেকে ভালোবাসি ও বিশ্বাস করি। ফিলিস্তিনের নাগরিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ
সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি প্রগতিশীল ও উদারপন্থি
মুসলিম রাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে আমাদের দেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের যে কোনো অপচেষ্টা বা অপপ্রচার কঠোর হস্তে
দমন করা হবে।
সাইবার
অপরাধ ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত শনাক্ত করে
আইনানুগ ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হবে।
বৈঠকে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক পরিচালক (ইন চার্জ) ফুয়াদ হাসান পরাগ এবং ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসের
প্রথম সচিব নূর এইচ. ও. আলাইদি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


গভীর
গর্ত বা নলকূপে পড়ে যাওয়া শিশুদের দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধারের জন্য একটি বিশেষ খাঁচা
উদ্ভাবন করেছেন নাটোরের কৃষক তারা মিয়া। সম্পূর্ণ নিজস্ব ভাবনা থেকে তৈরি করা এই উদ্ভাবনী
যন্ত্রটির কার্যকারিতা সম্প্রতি পর্যবেক্ষণ করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের
মহাপরিচালকও।
গত
রবিবার (৭ জুন) নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচলে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মাল্টিপারপাস
ট্রেনিং গ্রাউন্ডে এর একটি সফল প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস ও
সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালসহ
অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে এই মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।
প্রদর্শনীর
অংশ হিসেবে ট্রেনিং গ্রাউন্ডে কৃত্রিমভাবে ৪০ ফুট গভীর একটি গর্ত তৈরি করে সেখানে ১৫
কেজি ওজনের একটি শিশুর ডামি ফেলা হয়। এরপর কৃষক তারা মিয়া তার উদ্ভাবিত খাঁচার সাহায্যে
অত্যন্ত সফলভাবে ডামিটি উদ্ধার করে দেখান। মূলত একটি সুতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত বিশেষ
লক সিস্টেম ব্যবহার করে এই খাঁচাটি গর্তে আটকে পড়া ভিকটিমকে নিরাপদে টেনে তুলতে সক্ষম।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই উদ্ভাবনের খবর ফায়ার সার্ভিসের
মহাপরিচালকের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি রাজশাহীর বিভাগীয় উপপরিচালকের মাধ্যমে তারা মিয়াকে
এই প্রদর্শনীর জন্য আমন্ত্রণ জানান। পেশায় কৃষক হয়েও এমন একটি মানবিক ও কারিগরি উদ্যোগ
নেওয়ার পেছনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন তারা মিয়া। তিনি জানান, ২০২৫ সালে রাজশাহীর
তানোরে গর্তে পড়ে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। সেই ঘটনার
পর থেকেই তিনি এমন একটি যন্ত্র তৈরির কথা ভাবতে শুরু করেন, যার মাধ্যমে উদ্ধারকারীদের
জটিলতা কমিয়ে দ্রুততার সঙ্গে শিশুদের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়। নিজের এই সাধারণ উদ্ভাবনটি
ফায়ার সার্ভিসের মতো একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মূল্যায়ন করায় তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করেন।
কৃষক
তারা মিয়ার এই অনন্য ও সময়োপযোগী উদ্ভাবনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ফায়ার সার্ভিস
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তিনি তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, খাঁচাটির কারিগরি
দিকগুলো বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে আরও গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় সংস্কার
ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে এটিকে ভবিষ্যতে ফায়ার সার্ভিসের নিয়মিত উদ্ধারকাজের উপযোগী
ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বিএসটিআই, কুমিল্লা ও উপজেলা প্রশাসন, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পরিচালিত অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে 'মুড়ি' পণ্যের গুণগত মান সনদ গ্রহণ ব্যতীত প্রস্তুত, বিক্রয়-বিতরণ করায় "বিএসটিআই আইন-২০১৮" অনুযায়ী কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর বেলতলীর কৃষ্ণপুরে মেসার্স খোরশেদ চিড়া ও মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার টাকা) এবং কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর গোপিনাথপুরের মেসার্স মমতা মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে "বিএসটিআই আইন-২০১৮" এবং "ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮" অনুযায়ী ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার টাকা) অর্থদণ্ড করা হয়।
উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ রেফাঈ আবিফ এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই, কুমিল্লা অফিসের কর্মকর্তা জনাব ইকবাল আহম্মদ, ফিল্ড অফিসার (সিএম) এবং প্রকৌ: আরিফ উদ্দিন প্রিয়, পরিদর্শক (মেট্রোলজি)।
জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সই করা এ নির্দেশনায় বলা হয়, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় গ্রুপের (রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগ) লিখিত পরীক্ষা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত আবেদনকারীদের নিজ নিজ জেলায় অনুষ্ঠিত হবে আর পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।
প্রার্থীদের আবেদনে উল্লিখিত মোবাইল নম্বরে যথাসময়ে ০১৫৫২-১৪৬০৫৬ নম্বর থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের এসএমএস পাঠানো হবে।
আর প্রার্থীরা শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে admit.dpe.gov.bd-ওয়েবসাইটে Username এবং Password দিয়ে অথবা এসএসসি-এর রোল, বোর্ড ও পাশের সন দিয়ে লগইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে রঙিন প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের অবশ্যই ডাউনলোডকৃত প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট এবং নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র (মূল এনআইডি/স্মার্ট কার্ড) সঙ্গে আনতে হবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য প্রবেশপত্রে পাওয়া যাবে।
তবে পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো বই, উত্তরপত্র, নোট বা অন্য কোনো কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, ভ্যানিটি ব্যাগ, পার্স, হাতঘড়ি বা ঘড়িজাতীয় বস্তু, ইলেকট্রনিক হাতঘড়ি বা যে কোন ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, কমিউনিকেটিভ ডিভাইস, জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) ব্যতীত কোনো প্রকার ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড অথবা অন্যকোনো কার্ড বা এ জাতীয় বস্তু সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করা বা সঙ্গে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি কোনো পরীক্ষার্থী উল্লিখিত দ্রব্যাদি সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে তবে তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারসহ সংশ্লিষ্টের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে মন্ত্রণালয় আরো জানায়, দ্বিতীয় পর্বে মোট পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ জন, কেন্দ্রের সংখ্যা ৬০৩টি, কক্ষের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৫৭টি। তিন বিভাগের ২২টি জেলাশহরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন