

খাগড়াছড়িতে একটি বাসা থেকে বিলুপ্তপ্রায় এশিয়াটিক ব্ল্যাক বিয়ার (কালো ভালুক), মায়া হরিণ ও বানরসহ মোট নয়টি বন্য প্রাণী উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে জেলার সদর উপজেলার তেঁতুলতলা এলাকায় বন বিভাগ এবং বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের যৌথ অভিযানে প্রাণীগুলো উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া প্রাণীর মধ্যে রয়েছে একটি কালো ভালুক, ছয়টি মায়া হরিণ এবং দুটি বানর। পরে এসব প্রাণীকে নিরাপদ আবাসে রাখার জন্য কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে পাঠানো হয়েছে, যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশে এগুলো অবমুক্ত করা হবে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রাণীগুলো খাগড়াছড়ি সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য নবদ্বীপ চাকমার বাড়িতে রাখা ছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনিই বন বিভাগকে অবহিত করেন। তাঁর দাবি, স্থানীয় শিকারিদের কাছ থেকে প্রাণীগুলো কিনে তিনি সেগুলো লালন-পালন করছিলেন।
এ বিষয়ে নবদ্বীপ চাকমা বলেন, বনে শিকার হওয়া প্রাণীগুলোর খবর পেয়ে তিনি সেগুলো শিকারিদের কাছ থেকে কিনেছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, এভাবে বন্য প্রাণী রাখা আইনত অপরাধ। প্রাণীগুলোর নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তিনি বন বিভাগকে বিষয়টি জানান।
খাগড়াছড়ি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা বলেন, বন্য প্রাণী ধরা ও লালন-পালন করা আইনবিরোধী। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজের ভুল বুঝতে পেরে প্রাণীগুলো হস্তান্তর করেছেন এবং ভবিষ্যতে এমন কাজে জড়াবেন না বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, মানুষের মতো বন্য প্রাণীরও প্রকৃতিতে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। বন উজাড় ও অবৈধ শিকারের কারণে এসব প্রাণী আজ বিলুপ্তির মুখে। এখনই সচেতন না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রকৃতিতে এসব প্রাণী দেখার সুযোগ হারাবে।
মন্তব্য করুন


আগামী
২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওইদিন বেলা পৌনে
১২টায় তাকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার
কথা রয়েছে। এরপর তাকে সংবর্ধনা জানাতে ৩০০ ফিটে জনসমাবেশ আয়োজন করবে বিএনপি।
তারেক
রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিমানবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার
( ১৮ ডিসেম্বর ) সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন
বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
বিএনপির
প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আলা পাভেল, প্রধান নিরাপত্তা
কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. শামসুল ইসলাম। এ সময় তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা
পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচিত হলে তারা কারও উপর প্রতিশোধ
নেবেন না। দেশ সকল নাগরিকের, কোনও একক গোষ্ঠীর নয়।
তিনি
বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছি যে, আমরা কারও উপর প্রতিশোধ নেব না।
অন্যায়ভাবে কাউকে মামলায় আসামি করা হবে না। জামায়াত অন্যায়ভাবে একটা মানুষকেও মামলার
আসামি করেনি।’
আজ
সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি ) কুষ্টিয়া আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী
জনসভায় জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।
তিনি
বলেন, জামায়াত নেতাদের হত্যা করা হয়েছে, বারবার কারারুদ্ধ করা হয়েছে, দলীয় অফিস বন্ধ
করে দেওয়া হয়েছে, বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর ভেঙে ফেলা হয়েছে, দলের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে
এবং অবশেষে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ‘এতকিছুর পরেও, ৫ আগস্ট রাতে আমরা ঘোষণা করেছি
যে, আমরা কোন প্রতিশোধ নেব না।
আবরার
ফাহাদের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শহীদ এই শিক্ষার্থী
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তিনি বলেন, ‘আবরার ফাহাদ নিজেই এক বিদ্রোহী
বিপ্লবের নাম। আধিপত্যের বিরুদ্ধে কলম ধরাই ছিল তার একমাত্র ‘অপরাধ’,
যার জন্য তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।’তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান
প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশের সাহসী যুবসমাজ আল্লাহ ছাড়া কাউকেই ভয় করে না। গত বছরের
জুলাইয়ে যাদের নেতৃত্বে জাতি সংগ্রাম করে মুক্তি অর্জন করেছে, সেই সব শহীদের প্রতি
আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।’
কুষ্টিয়া
প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, পদ্মা ও গড়াই নদী অববাহিকা অঞ্চল কার্যত অব্যবস্থাপনার
কারণে মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘উজান থেকে পানি এলে তা নদীর মধ্যে থাকে না।
দুই তীর উপচে পড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। বছরের পর বছর নদী ভাঙনে অসংখ্য মানুষের স্বপ্ন
চুরমার হয়ে গেছে।’ তিনি নদীকে আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত
হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই নিয়ামত ধীরে ধীরে ধ্বংস করা হয়েছে। প্রতি বছর নদী খননের
জন্য বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়, কিন্তু সেই টাকা উধাও হয়ে যায়, আর নদীর বালু কখনোই তোলা
হয় না।
ডা.
শফিকুর রহমান আগস্টের পর যারা চাঁদাবাজিতে জড়িত, তাদেরকে এ পথ থেকে সরে আসার আহ্বান
জানিয়ে বলেন, ‘যদি কষ্টের কারণে আপনারা এসব কাজে জড়ান, তাহলে সেখান থেকে সরে আসুন।
আল্লাহ আমাদের যে হালাল রিজিক দিয়েছেন, তা থেকে আমরা ভাগ করে নিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন,
জামায়াতে ইসলামি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে নারী ও পুরুষ-বিশেষ করে যুবসমাজ-সকলের
জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা থাকবে, যাতে তারা নিজেদের শক্তি দেশ গঠন ও অগ্রগতির
কাজে লাগাতে পারে।
সমাবেশে
১১-দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কুষ্টিয়া জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির ও কুষ্টিয়া-২
আসনের প্রার্থী আবদুল গফুর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
এছাড়া
জামায়াতের সেক্রেটারি সুজা উদ্দিন জোয়ার্দার, কুষ্টিয়া-৩ আসনের প্রার্থী আমির হামজা,
কুষ্টিয়া-১ আসনের প্রার্থী বেলাল উদ্দিন, কুষ্টিয়া-৪ আসনের প্রার্থী আফজাল হোসেন এবং
কুষ্টিয়া শহর জামায়াতের আমির এনামুল হক সমাবেশে বক্তব্য দেন।
মন্তব্য করুন


নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বরং মানুষ
হিসেবে এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করে সাংবিধানিক অধিকার চাওয়ার আহ্বান
জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে হিন্দু
সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্ন হামলার ঘটনায় দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী
মন্দিরে সনাতন ধর্মালম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা করতে যাচ্ছি, যেখানে সবাই এক পরিবার। এটা হলো মূল জিনিস। এখানে
পরিবারের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা, বিভেদ করা, এটার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমরা মুসলমান,
হিন্দু, বৌদ্ধ হিসেবে বিবেচিত নই; মানুষ হিসেবে বিবেচিত। আমাদের অধিকারগুলো নিশ্চিত
হোক। আপনারা যদি টেনে টেনে নিয়ে আসেন আমি ওমুক, আমি তমুক, এটা আবার পুরোনো জায়গায় চলে
গেলো। আপনারা বলেন যে আমি মানুষ, আমি বাংলাদেশের মানুষ, আমার সাংবিধানিক অধিকার এই,
আমাকে দিতে হবে। সব সরকারের কাছে এটাই চাইবেন। সব সমস্যার গোড়া হলো আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো
পচে গেছে। এ কারণেই এসব গোলমাল হচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করতে হবে। ন্যায়বিচার
হলে কে বিচার পাবে না আমাকে বলেন। কোন ধর্মের, কোন জাতের, আইনে কি বলা আছে যে মুসলমান
সম্প্রদায় হলে এই আদালতে হবে, হিন্দু হলে ওই আদালতে যাবে। সবার জন্য আইন একটা, কার
সাধ্য আছে সেখানে বিভেদ করে যে এ রকম একটা, ওই রকম একটা। এটা এমন রোগ, মূলে যেতে হবে।
আপনারা যদি বলেন আমাদের সংখ্যালঘুরা, এটা বললে মূল সমস্যা থেকে আমরা দূরে সরে যাচ্ছি।
আমাদের বলতে হবে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেটা পেলে বাকস্বাধীনতা
প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটিই হলো আমাদের মূল লক্ষ্য।
সনির্বন্ধ অনুরোধ আপনারা বিভিন্ন খোপের (বিভেদ) মধ্যে চলে যাইয়েন না। এই খোপ হলে, খোপের
মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি লেগে যাবে। এক হয়ে আসেন। এক আইন, আমাদের আইনি অধিকার দিতে
হবে। বলেন, আপনারা আইনি অধিকার পান না, বিচার হয় না। এটাই হলো আসল জিনিস। বিচারব্যবস্থা
আমাদের দিকে তাকায় না, পুলিশ আমাদের দিকে তাকায় না। কারণ, আমি অধিকারটা … করতে পারি
নাই। আমাদের নীতিটা আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারি নাই। খোপ খোপ করতে আরম্ভ করবেন, তারাও
মজা পেয়ে যাবে। ওই মজার খেলাতে আমাদের আর নিয়ে যাইয়েন না। আমরা এসেছি, আমরা এক মানুষ,
আমাদের এক অধিকার। এর মধ্যে কোনো পার্থক্য করা যাবে না। একটু সহযোগিতা করেন আমাদের,
একটু ধৈর্য্য ধরেন। কী করতে পারলাম, কী পারলাম না সেটা পরে বিচার কইরেন। যদি না পারি
আমাদের দোষ দেবেন।
এর আগে সনাতন ধর্মের ধর্মীয় নেতারা
বিভিন্ন সময় তাদের ওপর হামলার কথা তুলে ধরেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের কাছে এসব
সমস্যার স্থায়ী প্রতিকার চান। ড. মুহাম্মদ ইউনূস অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়
প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে তাদের আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকায় গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালু হয়েছে ‘হেল্প’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপে দেওয়া নারীর প্রতি যেকোনো সহিংসতা ওই ঘটনার প্রাথমিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে।
আজ শনিবার (১৫ মার্চ) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, এই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীর গণপরিবহনে কোনো নারী সহিংসতার শিকার হলে তাৎক্ষণিক সহায়তা চাইতে পারবেন, জরুরি সেবা নিতে পারবেন এবং ঘটনাটি রিপোর্ট করতে পারবেন।
প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্পটি রাজধানীর বছিলা থেকে সায়েদাবাদ সড়কে বাস্তবায়ন করা হবে। মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত চলাচলকারী বাসে কিউআর কোড স্থাপন ও এই অঞ্চলে অবস্থানরত স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় সহিংসতার শিকার নারীরা এই সেবা নিতে পারবেন।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের দ্য ডেইলি স্টার ভবনের হলরুমে অ্যাপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি বলেন, ‘হেল্প’ অ্যাপে দাখিলকৃত নারীর প্রতি যেকোনো সহিংসতা এখন থেকে ওই ঘটনার প্রাথমিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে। নারী ও শিশুদের ওপর যেকোনো ধরনের সহিংসতা পীড়াদায়ক। অনেক ক্ষেত্রেই এসব ঘটনার শিকার ব্যক্তিরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানাতেও দ্বিধা বোধ করেন। তা ছাড়া তাদের অভিভাবকরাও নানা কারণে ঘটনাগুলো গোপন রাখেন’
ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘গৃহকর্মীরা আমাদের সমাজে সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত। অনেক সময় তারাও শ্লীলতাহানির শিকার হন। সুনাগরিক হিসেবে গৃহকর্মীদের থাকার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য।’
ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের সভাপতি রেজোয়ানুল হকের সভাপতিত্বে এই অ্যাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। এ ছাড়াও আর অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সুইজারল্যান্ডের
ক্র্যানস-মন্টানা স্কি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট গি
পারমেলিনকে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এই শোক প্রকাশ করেন।
শোকবার্তায়
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘সুইজারল্যান্ডের ক্র্যানস-মন্টানা স্কি রিসোর্টে সংঘটিত মর্মান্তিক
অগ্নিকাণ্ডে বহু মূল্যবান প্রাণহানির সংবাদে আমি গভীরভাবে শোকাহত।’
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য জানায়।
শোকবার্তায়
তিনি আরও বলেন, ‘গভীর শোকের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আপনার প্রতি এবং
আপনার মাধ্যমে নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনসহ সুইস কনফেডারেশনের জনগণের প্রতি আন্তরিক
সমবেদনা জানাচ্ছি।’
নিহতদের
পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘এই গভীর বেদনা ও শোকের সময়ে
আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে রয়েছে। মহান আল্লাহ যেন নিহতদের
আত্মাকে শান্তি দান করেন এবং তাঁদের স্বজনদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য
দান করেন।’
আহতদের
দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তিনি বলেন, ‘আহতদের দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য আমরা প্রার্থনা
করি।’
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ৫ আগস্ট নিয়ে
আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বরাবরের মতোই সরকার সতর্ক আছে।
সরকারের বিশেষ অভিযান পুরো দেশব্যাপী চলছে, যেটা নির্বাচনের আগ পর্যন্ত চলবে। আর যেসব
অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব হয়নি, সেসব খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা
অব্যাহত রয়েছে।
তিনি
আজ সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত
কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ৫ আগস্ট নিয়ে কোনো ধরনের আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। মহান আল্লাহর রহমতে
সকলের সহযোগিতায় সব ধরনের অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে
সরকারের পক্ষ থেকে সতর্কতাও রয়েছে।
তিনি
বলেন, সরকারকে সব কিছুর বিষয়েই সতর্ক থাকতে হয়। এজন্যই বিভিন্ন ধরনের সভা আয়োজন করা
হয় এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাওয়া হয়। বর্তমান সরকারের ক্ষমতা গ্রহনের সময় যে
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল তা ক্রমান্বয়ে উন্নতি হয়েছে। আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থানে
রয়েছে।
মব
সহিংসতা বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মব সহিংসতা
আগের থেকে কমেছে। আস্তে আস্তে আরো কমে যাবে। মবের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দিচ্ছি না।
নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে। নির্বাচনের সময় যেন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
ভালো থাকে সেজন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমরা পুলিশকে প্রশিক্ষণও
দিচ্ছি।
জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর অপরাধ প্রবণতা বেশি। এ বিষয়ে আমাদের
পরিবারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতাও বৃদ্ধি করতে হবে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, মাদক আমাদের দেশে একটি বড় সমস্যা। মাদক উদ্ধার অভিযানে রুই-কাতলা ধরা
পড়ছে না, টেংরা-পুটি ধরা পড়ছে। অর্থাৎ মাদকের গডফাদার ধরা পড়ছে না, ক্যারিয়ার ধরা পড়ছে।
তবে আগের চেয়ে মাদক উদ্ধার অভিযান আরও জোরালো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এখন
অনেক মাদকদ্রব্য ধরা পড়ছে।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, বাংলাদেশ আনসার ও
গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


চব্বিশের
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ
ট্রাইব্যুনাল-১।
আজ সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন
সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ঐতিহাসিক এই রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের
অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
বহুল আলোচিত এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ এনে শেখ
হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি চান প্রসিকিউশন।
অন্যদিকে, আসামিদের নির্দোষ দাবি করে খালাস চান তাদের পক্ষে
রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। এছাড়া রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের
খালাস চান তার আইনজীবী।
এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম,
প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এস. এইচ. তামিম শুনানি করেন। এছাড়া শুনানিতে বি.
এম. সুলতান মাহমুদ, শাইখ মাহদি, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্য প্রসিকিউটরা
উপস্থিত ছিলেন।
পলাতক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে শুনানি করেন
রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। আর রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী
আবদুল্লাহ আল-মামুনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদ।
ঐতিহাসিক এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু
সাঈদের বাবাসহ স্বজনহারা পরিবারের অনেকে। এছাড়া স্টার উইটনেস হিসেবে সাক্ষ্য দেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। মোট ৫৪ জন সাক্ষী এই মামলায়
সাক্ষ্য দেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান
কামাল ও আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গত ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর
আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
একপর্যায়ে দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে (অ্যাপ্রোভার)
রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া ও ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের গবেষকেরা যৌথভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র স্বয়ংক্রিয় ও প্রোগ্রামযোগ্য রোবট উদ্ভাবনের দাবি করেছেন। অণুজীবের সমান আকৃতির এই রোবটগুলোর আয়তন মাত্র ০.২ × ০.৩ × ০.০৫ মিলিমিটার—যা একটি বালুকণার থেকেও ছোট এবং খালি চোখে প্রায় অদৃশ্য।
গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অতিক্ষুদ্র রোবটগুলো নিজে নিজে চলাচল করতে পারে, আশপাশের পরিবেশের পরিবর্তন শনাক্ত করতে সক্ষম এবং প্রয়োজন হলে নিজেদের ক্ষত নিজে থেকেই সারিয়ে তুলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি তৈরির ক্ষেত্রে এই উদ্ভাবন নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, আলো ব্যবহার করে শক্তি সঞ্চয় ও নিয়ন্ত্রণ করার সক্ষমতাই এই রোবটগুলোর অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য। প্রতিটি রোবটের জন্য আলাদা পরিচয় নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে হাজারো রোবটের ভিড় থেকেও নির্দিষ্ট রোবটকে আলাদা করে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব।
পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মার্ক মিসকিন জানান, প্রচলিত স্বয়ংক্রিয় রোবটের তুলনায় প্রায় ১০ হাজার গুণ ছোট আকারের রোবট তৈরি করতে তারা সক্ষম হয়েছেন। পানির নিচে চলাচলের সময় এসব রোবট মাছের ঝাঁকের মতো সমন্বিতভাবে কাজ করে। যান্ত্রিক নড়াচড়ার কোনো চলমান অংশ না থাকায় এগুলো দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই।
এই রোবটগুলোর ‘মস্তিষ্ক’ হিসেবে ব্যবহৃত অতি ক্ষুদ্র মাইক্রো-কম্পিউটারটি তৈরি হয়েছে ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের অধ্যাপক ডেভিড ব্লাউ ও ডেনিস সিলভেস্টারের গবেষণাগারে। কম্পিউটারটি সচল রাখতে প্রয়োজন হয় মাত্র ৭৫ ন্যানোওয়াট বিদ্যুৎ—যা একটি স্মার্ট ওয়াচে ব্যবহৃত শক্তির তুলনায় প্রায় এক লাখ গুণ কম।
এই স্বল্প শক্তি সংগ্রহের জন্য রোবটটির বড় অংশজুড়ে ক্ষুদ্র সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে। অতিক্ষুদ্র পর্যায়ে পানির সান্দ্রতার কারণে চলাচল কঠিন হলেও বিজ্ঞানীরা বিশেষ বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করে সেই সমস্যা সমাধান করেছেন। এতে রোবটগুলো সরাসরি নড়াচড়া না করেও আশপাশের পানির অণু ঠেলে সামনে এগিয়ে যেতে পারে
ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের সহায়তায় পরিচালিত এই গবেষণার ফলাফল ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সাময়িকী সায়েন্স রোবটিক্স ও প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস-এ প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি রোবট তৈরির ব্যয় পড়বে প্রায় এক পয়সার সমান।
অত্যন্ত কম খরচ ও ক্ষুদ্র আকারের কারণে ভবিষ্যতে এসব রোবট মানবদেহের রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করিয়ে কোষ পর্যায়ের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ কিংবা নির্দিষ্ট স্থানে নিখুঁতভাবে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। গবেষকদের দাবি, এসব রোবট মাসের পর মাস কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছাড়াই কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামে পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক
থেকে সুমাইয়া তাবাসসুম (৪) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার
(১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বসন্তপুর গ্রামের বেপারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমাইয়া তাবাসসুম
একই গ্রামের প্রবাসী ছালেহ আহমেদের দ্বিতীয় মেয়ে।
প্রতিবেশীরা
জানান, বিকেল ৫টা থেকে সুমাইয়া নিখোঁজ ছিল। এরপর স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে রাত ৮টার পর পাশের বাড়ির আব্দুল খালেকের পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের
ভেতরে তাকে দেখতে পান স্থানীয়রা। সেখান থেকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রবিউল হাসান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই
শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন জানান, নিহত শিশুর স্বজনদের
সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খেলতে গিয়ে সে পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায়।
এ ঘটনায় পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
দুটি সংসদীয় আসনে প্রাথমিকভাবে ঘোষিত প্রার্থী পরিবর্তন করে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে
বিএনপি। দলটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রাম নগরের আংশিক)
আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১০
(পাহাড়তলী–হালিশহর) আসনে প্রয়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের ছেলে
সাঈদ আল নোমান চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন। অন্যদিকে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর–পতেঙ্গা)
আসনে নির্বাচন করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শনিবার
(২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক
সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। এর আগে শনিবার সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের
জলিল গেট এলাকায় নিজ বাড়িতে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় দলীয়
মনোনয়নপত্র তুলে ধরেন মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী।
দলীয়
সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম-১০ আসনে পূর্বঘোষিত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পরিবর্তে
সাঈদ আল নোমানকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম-১১
(বন্দর–পতেঙ্গা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এ
বিষয়ে মাহবুবের রহমান শামীম বাংলানিউজকে জানান, চট্টগ্রামে দুটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন
করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৪
আসনে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনে সাঈদ আল নোমানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন
দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম-১১ আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীই নির্বাচন করবেন।
উল্লেখ্য,
গত ৩ নভেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি সংসদীয় আসনে দলের প্রার্থী
তালিকা ঘোষণা করেন। সে সময় চট্টগ্রাম-৪ আসনে কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-১০
আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন