

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল“শিক্ষার্থী মরে গরমে, প্রশাসন থাকে আরামে”, “পর্যাপ্ত ফ্যান নাই, প্রশাসনের খবর নাই”, “পর্যাপ্ত বগি নাই, প্রশাসনের খবর নাই”, “ঘামে ঘামে জীবন শেষ, ভিসি থাকে আরামে বেশ”, “শাটলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে”, “আর কত ভাঙা ট্রেন, যুক্ত কর নতুন ট্রেন”, “এই মুহূর্তে দরকার শাটলের সংস্কার”, “এই মুহূর্তে দরকার রেললাইনের সংস্কার” প্রভৃতি।
অবস্থান কর্মসূচী থেকে আলাওল হলের সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বলেন, "শাটলে পর্যাপ্ত বগি না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেক কষ্টে যাতায়াত করে। এরআগেও শাটল সংস্কারের দাবিতে অনেক আন্দোলন হয়েছে, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে সফল হয়নি। এখন যেহেতু চাকসু হয়েছে এই চাকসুর মাধ্যমে আমরা দাবি জানাতে চাই আমাদের শাটলের যৌক্তিক সংস্কার করা হোক।"
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)-এর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইসহাক ভুঁইয়া বলেন, শাটল ট্রেন সংস্কারের জন্য আগে প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দাবি জানানো হলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। নতুন উপাচার্য আশ্বাস দিলেও তা এখনো কার্যকর হয়নি।
তিনি আরও বলেন, শাটলে পাথর নিক্ষেপ, নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা এবং রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটলেও এসব সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান করা হয়নি। এসব কারণেই শিক্ষার্থীরা এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা শাটল ট্রেন সংস্কারের দাবিতে ১১ দফা দাবি উত্থাপন করেন। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধি, বিকল্প রুট চালু ও অপারেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কোচ বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করা, নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ, ইলেকট্রনিক সুবিধা নিশ্চিত করা, ট্রেনের গতি বৃদ্ধি, বগির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ, স্টেশন প্ল্যাটফর্মের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, স্টেশন অবকাঠামো ও পরিবেশ উন্নয়ন এবং শাটল স্টেশন ও ট্রেনে নিরাপত্তা জোরদার করা।
শিক্ষার্থীরা জানান, আগামী রবিবারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দেবেন।
চবি প্রতিনিধি
মন্তব্য করুন


আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধান
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের
উদ্যোগে আয়োজিত শুভ কঠিন চীবর দান ও জাতীয় বৌদ্ধধর্মীয় মহাসম্মেলন-২০২৪ উপলক্ষে
ঢাকার মেরুল বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেন। সেনাবাহিনী
প্রধান সবাইকে শুভ কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। সেই সাথে
পার্বত্য জেলাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান হতে আগত সকলকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে প্রতিটি ধর্মের নিজ নিজ উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে
উদযাপনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম গ্রহণে সদা প্রস্তুত।
একইসাথে তিনি সম্প্রীতির দেশ গঠনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে থেকে একে
অপরকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায়
উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার জন্য অনুষ্ঠানে আগত ঢাকাস্থ বিদেশী মিশনের সম্মানিত
কূটনীতিকগনকে ধন্যবাদ জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান পার্বত্য জেলা সমূহে শান্তি ও
সম্প্রীতির উন্নয়ন ঘটিয়ে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে পার্বত্য এলাকায়
বসবাসরত পাহাড়ি ও বাঙালিদের সচেষ্ট থাকতে অনুরোধ করেন। এছাড়াও প্রাকৃতিক
সৌন্দর্যমন্ডিত পার্বত্য জেলাসমূহে পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি স্থানীয়
ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবন বৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পার্বত্য জেলাসমূহে অধিকতর স্কুল, কলেজ ও
বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতাকে দেশে ও বিদেশে
ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে।
সবশেষে তিনি সারা দেশব্যাপী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীগণ
কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানসমূহ শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীসহ সকল
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করায় বুদ্ধিস্ট
ফেডারেশনের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে সেনাসদরে
সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের
প্রতিনিধি দল। সেসময় সেনাবাহিনী প্রধান তিন পার্বত্য জেলায় শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
ও কঠিন চীবর দান উদযাপন উপলক্ষে আর্থিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার
ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ভাবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎসব সমূহ পালন করার
জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল কার্যক্রম গ্রহণের আশ্বাস প্রদান
করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ বাংলাদেশ
বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের অনুকূলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে এক কোটি টাকার চেক
অনুদান হিসেবে প্রদান করেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এ বছর পার্বত্য চট্টগ্রামসহ
সারাদেশে ২৬৬টি বৌদ্ধ বিহারে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শুভ কঠিন চীবর
দান পালিত হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব
জেনারেল স্টাফ ও জিওসি ৯ পদাতিক ডিভিশন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানের সভাপতি
শাসনস্তম্ভ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাথের মহোদয়, প্রধান ধর্মদেশক ভদন্ত এস লোকজিৎ মহাথের
মহোদয়সহ বিভিন্ন বিহার থেকে আগত পূজনীয় ভিক্ষুসংঘ, সরকারি ও বেসরকারি উচ্চপদস্থ
কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব, ঢাকাস্থ বিদেশী মিশনের কূটনীতিক ও
সর্বস্তরের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী গন এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তিন দিনের সফরে ভারতে এসেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকা লিওনেল মেসি। শুক্রবার গভীর রাতে তিনি কলকাতায় পৌঁছান। বিমানবন্দরের বাইরে আগে থেকেই বিপুলসংখ্যক ভক্তের উপস্থিতি ছিল। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তাকে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।শনিবার সল্টলেক স্টেডিয়াম ও যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসিকে এক নজর দেখতে জনসমাগম যে ব্যাপক হবে, তা ছিল অনুমেয়। তবে ভক্তদের সেই উচ্ছ্বাস শেষ পর্যন্ত বিশৃঙ্খলায় রূপ নেয়। অনুষ্ঠান চলাকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় একপর্যায়ে তা স্থগিত করতে হয়। মাত্র প্রায় ২০ মিনিট মাঠে উপস্থিত ছিলেন মেসি, ফলে অনেক দর্শক কাছ থেকে তাকে দেখার সুযোগ পাননি।এ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা যায়। কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দূর থেকে কেবল ঝাপসা একটি অবয়বই চোখে পড়েছে। আবার এক ভক্ত জানান, নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে মেসিকে দেখতে এসেছিলেন তিনি।মেসি স্টেডিয়াম ত্যাগ করার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ দর্শকরা সল্টলেক স্টেডিয়ামের ভেতরে ভাঙচুর চালান। চেয়ার উপড়ে ছোড়া হয়, ডাগআউটের ছাউনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুরো স্টেডিয়ামটি যেন কোনো বড় ধরনের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার রূপ নেয়।একই ধরনের বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেও। কলকাতার একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এ ঘটনার পর মেসির ভারত সফরের মূল আয়োজক শতদ্রুকে বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়েছে। মেসির সফরসূচি অনুযায়ী পরবর্তী গন্তব্য হায়দরাবাদ, এরপর মুম্বাই ও দিল্লি যাওয়ার কথা থাকলেও আয়োজকের গ্রেপ্তারের কারণে এসব অনুষ্ঠান আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি মেসি ও তার ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। তিনি লেখেন, সল্টলেক স্টেডিয়ামের ব্যবস্থাপনায় তিনি বিস্মিত ও মর্মাহত। হাজার হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ঘটনার দ্রুত তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়ার কথাও জানান।
মন্তব্য করুন


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (৬ অক্টোবর ২০২৪) সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে প্রধান
অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে 'সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৪' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
করেন।
১ম পর্বের এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল ও
লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তাগণ পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত
হবেন।
পদোন্নতি পর্ষদের মূল্যবান বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা
ছাত্র-জনতার বিপ্লবে সিক্ত নতুন বাংলাদেশে সকলকে স্বাগত জানান। এসময় তিনি গভীর
শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সকলের
প্রতি।
তিনি আরও স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী
সশস্ত্র বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর শহিদসহ সকল বীর সেনানীদের যাঁদের আত্মত্যাগ জাতি
চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।
প্রধান উপদেষ্টা পদোন্নতির জন্য অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,
নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি
নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা
প্রদান করেন। এছাড়াও সৎ, নীতিবান এবং নেতৃত্বের অন্যান্য গুণাবলী সম্পন্ন
অফিসারগণই উচ্চতর পদোন্নতির দাবিদার বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাছাড়া রাজনৈতিক
মতাদর্শের উর্দ্ধে থেকে যে সমস্ত অফিসার সামরিক জীবনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যোগ্য
নেতৃত্ব প্রদানে সফল হয়েছেন সেই সকল অফিসারদেরকে পদোন্নতির জন্য নির্বাচন করার
নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি বলেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের
মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে
ত্বরান্বিত করে দেশকে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা করেছে। ফলশ্রুতিতে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আবারও দেশের মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ
করেছে বলে তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি; প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি, চীফ অব জেনারেল স্টাফ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার। শত কর্মব্যস্ততার মাঝেও উপস্থিত হয়ে নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করায় সেনাবাহিনী প্রধান প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সচিব উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর উপস্থিত কর্মকর্তাগণের সাথে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
মন্তব্য করুন


কুষ্টিয়ার
কুমারখালী উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে
অন্তত ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
শনিবার
(২১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া এলাকায়
এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত
দোকানগুলোর মধ্যে একটি কাঠ ও ফার্নিচারের দোকান, একটি কম্পিউটার ও ফটোকপি দোকান এবং
একটি ডেন্টাল (পল্লি চিকিৎসক) চেম্বার রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা
হলেন, ওই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে জাকির হোসেন (কাঠ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ী), ফজলু
শেখের ছেলে ফয়সাল শেখ (কম্পিউটার ও ফটোকপি ব্যবসায়ী) এবং আলতাফ হোসেনের ছেলে শরিফ উদ্দিন
(ডেন্টাল চিকিৎসক)।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে তিনটার দিকে লাহিনীপাড়া এলাকার দোকানগুলোতে হঠাৎ দাউ দাউ
করে আগুন জ্বলতে দেখে এলাকাবাসী। তারা চিৎকার-চেঁচামেচি করে আশপাশের লোকজনকে ডাকেন
এবং নিজেরাই আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত
ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে
এলেও ততক্ষণে তিনটি দোকানই সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
স্থানীয়
বাসিন্দা বাপ্পী হোসেন জানান, ‘রাত সাড়ে তিনটার দিকে আগুন দেখতে পেয়ে সবাই ছুটে আসে।
পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু এর আগেই তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে
যায়।’
বিষয়টি
নিশ্চিত করে কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার আলী হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে
গিয়ে দেখি দোকানগুলোতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে
আনা সম্ভব হয়েছে। তবে তিনটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আগুনের কারণ ও প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির
পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।’
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া
ইন্না ইলাইহি রজিউন)।
আজ বুধবার ঢাকার
একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি
এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।
বাঞ্ছারামপুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন জানান, ইউএনও ফেরদৌস আরা আজ বুধবার সকাল
৭টার দিকে ঢাকায় মারা গেছেন। তিনি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছিলেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে
ফেরদৌস আরার স্বামীর বাড়ি হলেও তার বাবার বাড়ি ঢাকার যাত্রাবাড়িতে।
নবীনগরের ইউএনও
মাহমুদুল হাসান জানান, গত রবিবারও তারা একইসঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা
বিষযক এক সভায় যোগ দিয়েছিলেন। এরপরই তিনি সোমবার অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, ৩৬তম
বিসিএসের এ কর্মকর্তা গত বছরের ৯ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুরে যোগদান করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


শপথ
গ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের
তথ্যমতে, নতুন সরকার গঠনের পর আগামীকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অফিস করবেন
নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথম কার্যদিবসে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে বিশেষ
বৈঠক এবং সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন তিনি।
এ
ছাড়া বুধবার সকাল ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন তারেক রহমান। সেখান
থেকে ফিরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে
তিনি অফিস করবেন।
সেখানে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। সভা শেষে
সচিবালয়ে দুপুরের খাবার গ্রহণ করে বিকাল ৩টায় মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ বৈঠক করবেন।
মন্ত্রিপরিষদ
বৈঠক শেষে বিকেল ৪টায় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্তব্য করুন


বিভিন্ন
সময়ে হারিয়ে যাওয়া ৪৩ মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দিয়েছে পল্টন
মডেল থানা পুলিশ। বুধবার থানার সম্মেলন কক্ষে মতিঝিল জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হুসাইন
মুহাম্মাদ ফারাবী ও পল্টন মডেল থানার বিভিন্ন অফিসারের উপস্থিতিতে উদ্ধার মোবাইল হস্তান্তর
করা হয়। বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া শাখা থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো
হয়। পুলিশ জানায়, বিভিন্ন কারণে মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মোবাইল মালিকদের সাধারণ
ডায়েরির পরিপ্রেক্ষিতে পল্টন মডেল থানা পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ০১ নভেম্বর থেকে
৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ৪৩ টি মোবাইল ফোনসেট দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করে।
মন্তব্য করুন


পররাষ্ট্র
উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখার জন্য সরকার
সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, শুরুতে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও পরিস্থিতি
এখন নিয়ন্ত্রণে। পুলিশ বাহিনীও নিজেদের গুছিয়ে নিতে পেরেছে। সামনে জাতীয় নির্বাচন আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর জন্য একটি বড় পরীক্ষা।
আজ
শনিবার ( ০৬ ডিসেম্বর ) রংপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের
সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র
উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই
নির্বাচন হবে ‘আদর্শ নির্বাচন’। নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ হয়, সেজন্য
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য-এই দুই খাতেই
সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ডাক্তার-নার্স সংকট নিরসনে স্বল্প সময়ে সাড়ে তিন
হাজার নার্স ও তিন হাজার ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আলু
রপ্তানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বে নিয়মিত আলু আমদানি করে এমন দেশ খুবই কম। বিশেষ
পরিস্থিতি না হলে রপ্তানির সুযোগও সীমিত। বিদেশে মানবসম্পদ রপ্তানি বিষয়ে উপদেষ্টা
বলেন, দক্ষতা না থাকায় দেশের কর্মীরা বিদেশে কম বেতন পান। নার্সিং পেশায় বিদেশে বিপুল
চাহিদা রয়েছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে পারলে দেশ উপকৃত হবে।
এছাড়া
রংপুরে পালন করা ছোট জাতের দেশি গরুর মাংসের প্রশংসা করে এর বাণিজ্যিক উৎপাদনে প্রাণিসম্পদ
অধিদপ্তরকে উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
জেলা
প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসানের সভাপতিত্বে সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মারুফাত হুসাইনসহ
বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
চার
দিনের সফরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রংপুরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করছেন। আজ বিকেলে
তিনি রংপুর ক্যাডেট কলেজ ঘুরে দেখার কথা রয়েছে। আগামীকাল রোববার কিশোরগঞ্জের মাগুরা
উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি সৈয়দপুর থেকে ঢাকায়
ফিরবেন।
মন্তব্য করুন


গেল
ফেব্রুয়ারি মাসেই উদয়পুরে রাজকীয় আসরে বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন
রাশমিকা মান্দানা। তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান, রিসেপশনের প্রতিটা মুহূর্ত নিয়ে কম চর্চা
হয়নি। সদ্য বৈবাহিক জীবনের একমাস পূর্তিতে অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর মন্দিরে পূজা দিতে
গিয়েছিলেন ‘বিরোশ’। এবার দেড় মাসের মাথায় দুই থেকে তিন
হওয়ার সুখবর শোনালেন বিজয়-রাশমিকা।
সদ্য
ইনস্টাগ্রামে একটি অ্যানিমেশন ভিডিও শেয়ার করেছেন রাশমিকা। সেই পোস্টের ক্যাপশনেই উল্লেখ
করেছেন, ‘আমরা এখন তিন’।
আর
নায়িকার এমন পোস্টই আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায়। বিজয় রাশমিকার অনুরাগীমহলেও উল্লাসের
জোয়ার।
যদিও
আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর দেননি তারকা দম্পতি। তবে এহেন পোস্টের ক্যাপশনে
দুয়ে দুয়ে চার করে ভক্তদের অনুমান, এবার হয়তো মা-বাবা হিসেবে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু
করতে চলেছেন বিজয়-রাশমিকা।
ভক্তরা
যখন দম্পতির ‘তিন হওয়া’র পোস্টে প্রাণভরা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন,
তখন আরেকাংশ আবার প্রশ্ন তুলেছেন, ‘তাহলে কি বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন?’ কেউ বা
আবার আলিয়া ভাটের প্রসঙ্গ টেনেও রাশমিকার সঙ্গে তুলনা শুরু করেছেন। তাদের প্রশ্ন,
‘আলিয়াও অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন, আপনিও কি তাই করলেন?’
তবে
উল্লেখ্য, রাশমিকা তার পোস্টে ‘টেরিবলি টাইনি’ নামক একটি অ্যাকাউন্টকে ট্যাগ করেছেন।
যা
দেখে আবার একাংশের কৌতূহল, ‘আদৌ মা-বাবা হচ্ছেন নাকি নতুন কাজের খবর ভাগ নেওয়ার অভিনব
পন্থা?’
যারা
রাশমিকাকে ভালোভাবে চেনেন তাঁরা এর অর্থ বুঝতে পেরেছেন। রাশমিকা যে ভিডিও শেয়ার করেন
সেখানে তাঁর সঙ্গে বিজয় ও একটি সূর্যমুখী ফুলের অ্যানিমেশন দেখা যাচ্ছে। অভিনেত্রী
কয়েক মাস আগেই সোশ্যালে নিজের একটি আলাদা পেজ তৈরি করেছিলেন, যেটির নাম ‘রাশমিকা অ্যান্ড
রু’। ‘রু’ হচ্ছে ওই বিশেষ সূর্যমুখীর নাম। জনপ্রিয়
সংস্থা ‘টেরিবলি টাইনি টেলস’-এর সহযোগিতায় অ্যানিমেটেড সিরিজ তৈরি
করে এটি।
রাশমিকা
ভীষণ ‘অ্যানিমে’ প্রেমী। এই পেজের মাধ্যমে তিনি সমাজে
ইতিবাচকতা ছড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন। তাঁর ও ‘রু’-এর
জীবনে এখন নতুন সঙ্গী হলেন বিজয়। অনুরাগীদের একাংশ ভুলবশত অবশ্য অভিনেত্রীকে মা হওয়ার
শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সামনে আর কোনো গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত
হতে পারবে না। আমরা এমন একটি সংসদ বির্নিমান করতে চাই, যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবে
না, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, কোনো রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের
উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলা হবে।
মঙ্গলবার
(১৩ জানুয়ারি) চকরিয়া উপজেলার পালাকাটা মাছঘাট স্টেশনে চিরিংগা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে
মহিলা দলের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, আগামীর সংসদে আইন প্রণয়ন করা হবে যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমরা
এমন একটা সংসদ চাই যেখানে আর প্রশংসার স্তুতিবাক্য প্রচলন হবে না। সংসদ সদস্যরা মানুষের
জন্য কথা বলবে, সেই সংসদে বিরোধিতা থাকবে। এমন সংসদ করে আমরা পৃথিবীর বুকে নজির স্থাপন
করতে চাই।
তিনি
আরও বলেন, আগামী নির্বাচন হবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা নির্ধারণের নির্বাচন। আগামীর নির্বাচন
হবে বাংলাদেশের মানুষের প্রকৃত গণতান্ত্রিক অধিকার বাস্তবায়নের নির্বাচন। শুধু তাই
নয়, আগামীর নির্বাচন হবে শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা যে প্রস্তুতি করেছি, সেটা
বাস্তবায়নের নির্বাচন। সুতরাং আমরা মনে করি, আগামীর নির্বাচন হবে এই জাতির ইতিহাসের
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন।
বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, এই নির্বাচন জাতির বাঁক বদলে গণতন্ত্র দৃঢ় ভিত্তির ওপর
দাঁড়াবে, সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান একটি শক্তিশালী ভিত্তি পাবে। তার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের
রক্ষাকবচ হিসেবে সেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করবে।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, কক্সবাজার জেলা বিএনপির
সহসভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী (খোকন মিয়া), চকরিয়া উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এম
মোবারক আলী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল কাঁকন, চিরিঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির
আহ্বায়ক আলী আহমদ, সদস্য সচিব শরিফুল আলমসহ মহিলাদের নেত্রীরা।
মন্তব্য করুন