

ঢাকা
মেডিক্যাল কলেজ থেকে মনিকা আক্তার মিতু নামের এক ভুয়া শিক্ষার্থী আটক করে পুলিশে দিয়েছে
কলেজ প্রশাসন।
মঙ্গলবার
(২১ এপ্রিল) দুপুরের দিকে তার সন্দেহজনক চলাফেরা দেখে তাকে কলেজ প্রশাসনের কাছে সোপর্দ
করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
জানা
যায়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পুরাতন ভবনের নিচতলায় লেডিস কমন রুমে অ্যাপ্রোন পরে চলাফেরা
করার সময় অন্য শিক্ষার্থীদের চোখে পড়ে।
তারা
তার সাথে কথা বলেন ও তার আইডি কার্ড দেখে নিশ্চিত হন, তিনি এই কলেজের কেউ নন। পরে তাকে
আটক করে কলেজ প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করেন।
এদিকে কলেজ প্রশাসন তার তথ্য যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত
হন, তিনি কলেজের কেউ নন। পরে ওই তরুণী তা স্বীকার করেন। পরে কলেজ প্রশাসন শাহবাগ থানায়
তাকে সোপর্দ করে।
ওই
তরুণী জানিয়েছেন, তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ী উপজেলার মমিন আলীর মেয়ে। বর্তমানে
নবাবগঞ্জে থাকেন। তবে কী কারণে বা কেন এরকম মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে
এসেছিলেন, সে ব্যাপারে কিছুই বলেনি।
ঢামেক
হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, ওই তরুণীকে শাহবাগ থানায়
সোপর্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে বেশ কিছু
অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে ধানমন্ডি
৩২ নম্বরে। সেখানে শোক জানাতে যাওয়া
ব্যক্তিদের ফোন চেক ও
তাদের মারধর করার মতো অভিযোগও
রয়েছে। এছাড়াও এক ব্যক্তিকে প্রায়
নগ্ন করে নাচতে বাধ্য
করার একটি ভিডিও ভাইরাল
হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
এসব
অপ্রীতিকর ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেউ জড়িত কি
না সে বিষয়ে তদন্ত
করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এর
সমন্বয়ক সারজিস আলম।
শুক্রবার
(১৬ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর
একুশে হলে ১৫ আগস্টের
বিভিন্ন ঘটনা ও সমসাময়িক
ইস্যুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
সারজিস
বলেন, ১৫ আগস্ট রাজধানীর
ধানমন্ডি ৩২ সহ বিভিন্ন
জায়গায় কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা
ঘটেছে, যা আমাদের গণ
অভ্যুত্থানের স্পিরিটের সাথে যায় না।
তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
বাসভবনে শোক প্রকাশে ঘটে
যাওয়া বিতর্কিত কাজ নিয়ে তদন্ত
করা হচ্ছে। ১৫ আগস্ট ধানমন্ডিতে
মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। কেউ যদি ১৫
আগস্ট ধানমন্ডিতে ফুল দিতে চায়
তাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাধা দিতে পারে
না। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর গাড়িতে হামলার অধিকার কারও নেই। তাই
এসবের সঙ্গে সমন্বয়ক বা অন্য কেউ
জড়িত থাকলে বহিষ্কার এবং ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস বলেন, ২০১৩ সালে আওয়ামী
লীগ পুলিশের মাধ্যমে হেজাফতে ইসলামের সমাবেশের সময় কান ধরে
ওঠবস করানোর সংস্কৃতি শুরু করেছিল। তবে
গতকাল ১৫ আগস্ট কান
ধরে ওঠবস করানো ও
মোবাইল চেক করাসহ ঘটে
যাওয়া কিছু কাজ বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। আমরা ১৫
আগস্ট রাষ্ট্রীয় আয়োজনে শোক দিবস পালনের
পক্ষে না। তবে কেউ
ব্যক্তিগতভাবে শোক প্রকাশ করতে
চাইলে তাকে সম্মান জানাতে
হবে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার মিরপুরে গুলিবিদ্ধ তাহের মোক্তার হোসেন এর ছেলে মোঃ রাফি হোসেন (১৪) এর ঢাকা সিএমএইচে সফল অস্ত্রপ্রচার করা হয়।
রাফি হোসেন গত ১৯ জুলাই ডান কাঁধে গুলিবদ্ধ হন এবং তার ডান কাঁধের হাড় ও ধমনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এপ্রেক্ষিতে, তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে অপারেশন করা হয়। পরবর্তীতে কিছু জটিলতা দেখা দিলে হৃদরোগ ইনিস্টিউট ও ঢাকা সিএমএইচ এর চিকিৎসকগণের আলোচনার ভিত্তিতে তাকে গতকাল (২৫ আগস্ট ২০২৪) দিবাগত রাতে ঢাকা সিএমএইচ এ আনা হয় এবং দ্রুততার সাথে দীর্ঘ ৬ ঘন্টা সময় ধরে সিএমএইচের ভাস্কুলার টিম কর্তৃক সফলভাবে কৃত্রিম রক্তনালী সংযোজনের মাধ্যমে অস্ত্র প্রচার করা হয়। বর্তমানে মোঃ রাফি হোসেন আশঙ্কা মুক্ত।
অপরজন মিরপুর কলেজের ছাত্র হারুন মিয়া এর ছেলে মোঃ মমিন হোসেন (২৩) গত ১৯ জুলাই ২০২৪ তারিখে গুলিবিদ্ধ হয় এবং গুলিটি তার মেরুদণ্ডের পিছনে আটকে যায়। পরবর্তীতে ২০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তাকে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি করা হয় এবং ল্যাপারস্কপির মাধ্যমে ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে অপারেশন করে গুলি বের করা হয়। বর্তমানে মোঃ মমিন হোসেন ভালো আছে।
মন্তব্য করুন


দেশে
মাদক সেবনকারীর সংখ্যা বর্তমানে আনুমানিক ৮২ লাখে পৌঁছেছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায়
৪.৮৮ শতাংশ। গাঁজা সেবনকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৬১ লাখ। এছাড়া ইয়াবা, অ্যালকোহল,
কফ সিরাপ, হেরোইনসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক সেবন চলছে।
বাংলাদেশ
মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস লিমিটেড যৌথভাবে
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত
দেশব্যাপী এই গবেষণাটি সম্পন্ন করেছে। এতে দেশের ৮ বিভাগে ১৩ জেলা ও ২৬ উপজেলা থেকে
তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
গবেষণায়
দেখা গেছে ময়মনসিংহ (৬.০২%), রংপুর (৬.০০%) ও চট্টগ্রাম (৫.৫০%) বিভাগে মাদক ব্যবহারের
হার সর্বোচ্চ। ঢাকা বিভাগে সংখ্যার বিচারে সর্বাধিক মাদক ব্যবহারকারী রয়েছে, প্রায়
২২.৯ লাখ।
গুরুত্বপূর্ণ
বিষয় হলো, মাদকসেবীদের অধিকাংশই তরুণ। ৩৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ৮-১৭ বছর বয়সে এবং ৫৯
শতাংশ ১৮-২৫ বছর বয়সে প্রথম মাদক গ্রহণ শুরু করেছে। বেকারত্ব, পারিবারিক অস্থিরতা,
মানসিক চাপসহ বিভিন্ন সামাজিক কারণে মাদক সেবন বাড়ছে। প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবহারকারী
জানিয়েছে মাদক সহজলভ্য।
গবেষণায়
উঠে এসেছে, মাত্র ১৩ শতাংশ মাদকসেবী চিকিৎসা বা পুনর্বাসনের সুযোগ পেয়েছেন। সেবাদানের
অভাবে অনেকেই মাদক ত্যাগে ব্যর্থ হচ্ছেন। ৬৯% মাদকসেবী চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ
এবং ৬২% কাউন্সেলিং সেবা চেয়েছেন।
বাংলাদেশ
মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, মাদক
সমস্যা শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি একটি জটিল জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সমস্যা। তাই
রাজনৈতিক সংকল্প এবং গবেষণার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
মাদক
নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ জানান, বর্তমানে দেশের মানুষের মধ্যে
মাদকাসক্তির ঝুঁকি বেড়েছে। সরকার ইতিমধ্যে ৭ বিভাগে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট পুনর্বাসন কেন্দ্র
চালুর অনুমোদন দিয়েছে। পরিবার থেকে শুরু করে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদক নির্মূল
নিশ্চিত করতে হবে।
গবেষণার
ফলাফল দেশের মাদক নীতি প্রণয়ন ও কার্যক্রমের জন্য মূল্যবান তথ্য হিসেবে কাজ করবে বলে
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
এবং সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর ডাকে চলছে ষষ্ঠ দফার অবরোধ কর্মসূচি। অবরোধে আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য রাজধানী ঢাকায় র্যাবের ১৪২ টহল দলসহ সারাদেশে ৪২৮
টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৩নভেম্বর) সকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান র্যাবের
লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান।
তিনি
বলেছেন, যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন
গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। দেশের বিভিন্ন
স্থানে দূরপাল্লার গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহনকে র্যাবের টহলের মাধ্যমে এস্কর্ট প্রদান
করে নিরাপদে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে। কারণ
কিশোরগঞ্জ শিল্পভিত্তিক জেলা নয়, এটি একটি কৃষিনির্ভর জেলা। তাই কৃষিকে কেন্দ্র করেই
উন্নয়নের পরিকল্পনা করতে হবে।
আজ
মঙ্গলবার ( ০৩ ফেব্রুয়ারি ) কটিয়াদী সরকারি
কলেজ মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।
ডা.
শফিকুর রহমান বলেন, অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, এতো টাকা কোথায় পাওয়া যাবে। এ প্রসঙ্গে
তিনি অভিযোগ করেন, দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে, সেই অর্থ ফেরত আনা
গেলে উন্নয়ন সম্ভব।
তিনি
আরও বলেন, ‘এখন আর কোনো দুর্বৃত্ত কারও ভোটে হাত দিতে পারবে না। কেউ কোনো ক্ষতি করতে
এলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
অবাধ,
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ভোটাধিকার
প্রয়োগে কোনো ধরনের বাধা বা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।
জামায়াত
আমির বলেন, জাতি পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের পথেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জামায়াতে
ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
বলেও জানান তিনি।
তিনি
বলেন, অনেকে বলেন জামায়াতের সরকার হবে বা ইসলামি দলের সরকার হবে। আমরা জামায়াতের সরকার
চাই না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের সরকার চাই।
জেলা
জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলীর সভাপতিত্বে জনসভায় ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দসহ
ছয়টি আসনের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক–সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন যে সরকার এখন প্রবাসীদের নিজস্ব ব্যবহারযোগ্য ফোন ছাড়াও বিদেশ থেকে অতিরিক্ত দুইটি নতুন মোবাইল আনার সুযোগ দিচ্ছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ফোন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে কোনো নতুন আইন করা হয়নি, অথচ সামাজিকমাধ্যমে এ নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। গুজব ও ভিত্তিহীন প্রচারণা থেকে দূরে থাকতে তিনি প্রবাসীদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, বিদেশ থেকে একাধিক ফোন আনলেই ট্যাক্স দিতে হবে—এমন কোনো নতুন নিয়ম চালু হয়নি। পূর্বের সরকার যেখানে প্রবাসীদের ব্যবহৃত ফোনের সঙ্গে মাত্র একটি নতুন সেট আনতে দিত, বর্তমান সরকার সুবিধা বাড়িয়ে দুইটি নতুন সেট আনার অনুমতি দিয়েছে। অর্থাৎ, প্রবাসীরা এখন ব্যক্তিগত ফোনসহ মোট তিনটি ডিভাইস আনতে পারবেন। তবে যদি দুইটির বেশি নতুন ফোন আনা হয়, তাহলে শুধু অতিরিক্ত সেটের জন্যই শুল্ক দিতে হবে। এনবিআর ব্যাগেজ রুল সংশোধনের মাধ্যমেই এই নতুন সুবিধা কার্যকর হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এই সুবিধা কেবল তাদের জন্য যারা বিএমইটি (প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়) থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বিদেশে গেছেন। অন্য যাত্রীদের ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়মই বহাল থাকবে।
ফোন রেজিস্ট্রেশন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, নতুন কোনো আইন না হলেও ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে যে কেউ নতুন মোবাইল ব্যবহার করলে ৬০ দিনের মধ্যে সেটি নিবন্ধন করতে হবে—এটি দেশের সব নাগরিকের জন্যই প্রযোজ্য। অপহরণ, হুমকি, চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণের মতো অপরাধ ঠেকাতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য কাউকে হয়রানি করা নয়, বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
প্রবাসীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, গুজব ও গিবত ইসলামের দৃষ্টিতে মারাত্মক পাপ। কেউ কেউ মিথ্যা প্রচার করছে যে প্রবাসীরা নাকি দেশে সর্বোচ্চ ৬০ দিন থাকতে পারবেন—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি এসব অসত্য ও কুৎসামূলক প্রচারণা বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসছে।
নিয়োগ পদ্ধতি শিক্ষক নিবন্ধন সনদের পরিবর্তে সরাসরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া করবে সরকারি কর্ম কমিশনের আদলে গঠিত একটি কর্তৃপক্ষ।
তবে এ নিয়ে বর্তমানে আইন তৈরির কাজ চলছে বলে জানা গেছে।
বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদের ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। এজন্য প্রিলিমিনারি, লিখিত, মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হয়। আর উত্তীর্ণ প্রার্থীরা বিজ্ঞপ্তির পর সনদের ভিত্তিতে আবেদন করলে আবেদনপত্রের ভিত্তিতে নিয়োগে সুপারিশ করে থাকে এনটিআরসিএ।
এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস এম মাসুদুর রহমান বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আইনটি পাস হলে শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো নিবন্ধন সনদের দরকার হবে না। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে।
এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর এনটিআরসিএর জন্য নতুন আইন তৈরি সংক্রান্ত একটি বৈঠক হয়।
শিক্ষক নিয়োগে নতুন আইন প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক অনুবিভাগ-২) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির কাজ চলমান। আশা করছি, আইনটি পাসের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদে তোলা হবে।
এদিকে এনটিআরসিএর একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নির্বাচন এবং নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে সুপারিশ কর্তৃপক্ষ সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে। তবে এই নতুন আইন কার্যকর হতে দেড় থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আর এই সময় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আগের নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে হবে।
কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে এনটিআরসিএর সনদধারীরা গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আবেদন করলে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এ ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব-৩৫ বা নিবন্ধন সনদের মেয়াদ ৩ বছর রয়েছে এমন সব প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পান। ফলে অনেকেই বঞ্চিত হয়ে থাকেন। তবে নতুন আইন কার্যকর হলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বয়স উল্লেখ থাকবে। এতে বঞ্চিত হতে হবে না কাউকে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধন সনদ দিয়ে আসছে এনটিআরসিএ। প্রথম দশকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি। তবে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর এতে পরিবর্তন আসে। সনদ দেয়ার পাশাপাশি নিয়োগের জন্য সুপারিশের ক্ষমতা দেয়া হয় এনটিআরসিএকে।
মন্তব্য করুন


চীনের
প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং আজ মঙ্গলবার ( ১৭ ফেব্রুয়ারি )বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি
বেইজিংয়ের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার
পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান।
লি
বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কভিত্তিক
সমন্বিত কৌশলগত সহযোগী। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময় ও যোগাযোগের
ইতিহাস কয়েক দশক পুরোনো।
তিনি
স্মরণ করেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর গত ৫১ বছরে বেইজিং ও ঢাকা পরস্পরের প্রতি
সম্মান দেখিয়ে, সমতার ভিত্তিতে আচরণ করে এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা ও উভয়পক্ষের
জন্য ফলপ্রসূ অগ্রগতির পথে কাজ করে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের এক উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত
স্থাপন করেছে।
চীনের
প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তাঁর সরকার বাংলাদেশের নতুন প্রশাসনকে সুশাসন নিশ্চিত
করা এবং জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার প্রচেষ্টায় সমর্থন দেবে।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে লি বলেন, তিনি দুই দেশের
ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব এগিয়ে নেওয়া, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় উচ্চমানের
সহযোগিতা জোরদার করা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদান-প্রদান সম্প্রসারণের প্রত্যাশা করছেন।
তিনি
আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যৌথ প্রচেষ্টায় চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারত্ব
নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং উভয় দেশের জনগণের জন্য আরও বেশি কল্যাণ বয়ে আনবে।
মন্তব্য করুন


ফের বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হলেন ব্যান্ড সঙ্গীতের গুরু নগর বাউল “ জেমস “। কনে আমেরিকা প্রবাসী “নামিয়া আমিন “। আর বর্তমানে তিনি নামিয়া আনাম। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ব্যান্ডতারকার এটি তৃতীয় বিয়ে।
জেমস-নামিয়ার পরিচয় ২০২৩ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে। নগর বাউলের তখন আমেরিকা ট্যুর চলছিল। লস অ্যাঞ্জেলেসের সেই শো'তে নামিয়ার সাথে পরিচয় আর ঘনিষ্ঠতা অবশেষে পরিণয়ে গড়ায়। আমেরিকা ট্যুর শেষে জেমস ফিরে আসেন বাংলাদেশে। কিছুদিন যেতেই মনের টানে নামিয়াও ছুটে আসেন। তারপর ২০২৪ সালের ১২ জুন বিয়ের গাঁটছড়া বাঁধেন। এরপর থেকে জেমসের ঢাকার বনানীর বাসাতেই বাস করছেন দুজনেই। এরইমধ্যে আসে দারুণ এক সুখবর। ২০২৫ সালের ৮ জুন জেমস- নামিয়ার সংসারকে আলোকিত করে নিয়ইয়র্কের হান্টিং টং হসপিটালে স্থানীয় সময় মধ্যরাত ৩টা ৩৫মিনিটে জন্ম নেয় প্রথম ছেলে সন্তান “ জিবরান আনা “।
দুজনের বোঝাপড়াটা দারুন। নামিয়ার পিতা নুরুল আমিন আর মাতা নাহিদ আমিন আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। নামিয়া যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে উঠেছেন। সেখানে একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবেও তাঁর খ্যাতি রয়েছে। এর আগে চিত্রনায়িকা রথি ও বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী বেনজীরের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন জেমস।
২০১৪ সালে দ্বিতীয় স্ত্রী বেনজির সাজ্জাদের কাছ থেকে জেমস পেশাগত কারনেই আলাদা হয়েছেন। কেননা বেনজীর তাদের একমাত্র কন্যা সন্তান জাহানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে স্থায়ীভাবে বসবাস করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছিলেন। আর জেমস কোনভাবেই গান আর দেশ ছাড়বেন না। তখন সমঝোতার ভিত্তিতেই দুজনের ছাড়াছাড়ি হয়।
আর প্রথম স্ত্রী রথির ঘরে জেমসের এক পুত্র সন্তান দানিশ ও কন্যা জান্নাত রয়েছে। এরা দুজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে নিজ জীবনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই বয়সে পুত্র সন্তান জেমসের জীবনে টানিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমনটাই মন্তব্য করছেন জেমসের কাছের স্বজন-বন্ধুরা।
নতুন জীবন নিয়ে জেমস বলেন, ‘আল্লার অশেষ কৃপায় ভালো আছি। যতদিন বাঁচি, যেন গান গেয়ে যেতে পারি। দোয়া চাই সবার কাছে। সবাই আমাকে প্রার্থনায় রাখবেন।’
মন্তব্য করুন


টালিউডের সুপারস্টার জিৎ অভিনীত নতুন সিনেমা ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর শুটিং আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। সূত্রের খবর, শুটিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের সময় জীৎ হাতে আঘাত পান। তার শারীরিক অবস্থার কারণে এবং নিরাপত্তা বিবেচনা করে পরিচালক পথিকৃৎ বসু শুটিং স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন।
কীভাবে এই আঘাত ঘটে, সে বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়। পরিচালকও এখনও শুটিং পুনরায় শুরু করার নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করেননি।
ছবিতে জীৎ ঐতিহাসিক চরিত্র অনন্ত সিংহ-এর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। সিনেমার মূল থিম অ্যাকশন ঘরানা এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার উপর ভিত্তি করে নির্মিত। অনন্ত সিংহ ছিলেন মাস্টারদা সূর্য সেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
জিৎ-র বিপরীতে ছবিতে অভিনয় করেছেন টোটা রায় চৌধুরী, রজতাভ দত্ত, সোমনাথ করসহ আরও অনেকে। সিনেমার মুক্তির জন্য লক্ষ্য করা হয়েছে ১৫ আগস্ট, ২০২৬।
মন্তব্য করুন