

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা নগরীর কাপ্তান বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ হাজার ৩১৮টি মোবাইল সিমসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১১)। অভিযানের সময় অভিযুক্ত ভিওআইপি ব্যবসায়ী পালিয়ে যান।
আজ বুধবার র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে র্যাব-১১-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল নগরের কাপ্তান বাজার এলাকায় অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় মো. আবু সাঈদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
অভিযানে তার বাসা থেকে ৮ হাজার ৩১৮টি মোবাইল সিম, দুইটি সিম বক্স, দুইটি মনিটর, দুইটি সিপিইউ, দুইটি রাউটার, একটি ল্যাপটপ, একটি পিসি ও দুইটি কিবোর্ড উদ্ধার করা হয়।
র্যাব আরো জানায়, পলাতক আবু সাঈদ চৌধুরী (৩৪) নগরের কাপ্তান বাজার এলাকার আব্দুল মতিন চৌধুরীর ছেলে। তিনি একটি অবৈধ ভিওআইপি চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে লাইসেন্স ছাড়াই এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।
এ ছাড়া, সফটওয়্যারভিত্তিক সুইচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কল রাউটিং, সরকারের কর ও রাজস্ব ফাঁকি এবং অবৈধভাবে পেমেন্ট ও রিচার্জ সেবা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
র্যাব-১১ জানায়, পলাতক আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


স্বামীর
মুখে দুর্গন্ধের কারণে পারিবারিক অশান্তির অভিযোগ তুলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন চাঁদপুরের
এক গৃহবধূ। জেলার শাহরাস্তি উপজেলার বাসিন্দা ওই নারী শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে এ
অভিযোগ করেন। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে বিষয়টি মীমাংসা হয়।
উপজেলার
রায়েশ (সুদূরবাড়ী) এলাকার পারভীন আক্তার (৫০) তার স্বামী হেলাল আলীর বিরুদ্ধে শাহরাস্তি
থানায় অভিযোগ করেন। এতে বলা হয়, তাদের দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছে। স্বামীর
মুখে দুর্গন্ধের কারণে একই ঘরে বসবাস করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
অভিযোগে
আরো বলা হয়, মুখের তীব্র দুর্গন্ধ দূর করতে স্বামীকে নিয়মিত মুখ পরিষ্কার রাখার অনুরোধ
করেও ফল পাননি পারভীন আক্তার। উল্টো এ কারণে প্রায়ই তাকে গালাগাল ও মারধর করা হয়।
শাহরাস্তি
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর দুই
পক্ষকে থানায় ডেকে আলোচনা করা হয়। স্বামী-স্ত্রী দুজনই বয়স্ক হওয়ায় বিষয়টি পারিবারিকভাবে
মীমাংসা করা হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে মুখের দুর্গন্ধের সমস্যাকে বলা হয় ‘হ্যালিটোসিস’।
এটি অনেকের ক্ষেত্রেই জটিল সমস্যা তৈরি করে, এমনকি ঘনিষ্ঠরাও অস্বস্তিতে ভোগেন।
ক্লিভল্যান্ড
ক্লিনিকের ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, অনেকে মুখে দুর্গন্ধের বিষয়টিকে সাময়িক সমস্যা ভেবে
অবহেলা করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা চললে তা মুখগহ্বরের রোগ কিংবা অন্য কোনো শারীরিক
জটিলতার ইঙ্গিত হতে পারে।
মুখে
দুর্গন্ধের সবচেয়ে বড় কারণ দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির রোগ এবং জিভে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া।
দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবার পচে দুর্গন্ধ তৈরি করে, যা সময়ের সঙ্গে আরো তীব্র হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লালা মুখ পরিষ্কার রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু পানি
কম পান করা বা দীর্ঘ সময় মুখ শুকনা থাকলে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এ কারণে সকালে
ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মুখে দুর্গন্ধ বেশি থাকে।
আবার
খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনও মুখে দুর্গন্ধের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। পেঁয়াজ, রসুন, কফি
ও মসলাযুক্ত খাবার সাময়িকভাবে মুখে গন্ধ বাড়ায়। পাশাপাশি ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন এ
সমস্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করে তুলতে পারে।
অনেক
ক্ষেত্রে সাইনাস ইনফেকশন, টনসিল স্টোন, গ্যাসট্রিক, ডায়াবেটিস, এমনকি কিডনি ও যকৃতে
সমস্যার কারণেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে মাথা ও ঘাড়ের ক্যান্সারের
কারণেও মুখে দুর্গন্ধ পাওয়া যেতে পারে। তাই দীর্ঘদিন সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ
নেওয়া উচিত।
দন্তচিকিৎসকদের
পরামর্শ হলো, দিনে অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করা, নিয়মিত জিভ পরিষ্কার করা এবং ডেন্টাল
ফ্লস ব্যবহার করলে মুখের দুর্গন্ধ অনেকাংশে কমানো সম্ভব। এ ছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান,
ধূমপান পরিহার এবং প্রয়োজন হলে মাউথওয়াশ ব্যবহার করা।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকার
ছাত্র-জনতার স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করেছে ।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ রবিবার জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর।
আদেশ বাস্তবায়নে স্কুল ও কলেজ অধ্যক্ষদের নির্দেশনা দিয়ে আদেশে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আরো বলা হয়, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ বা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ শহীদদের গেজেট যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা
বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা
বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে ওই আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না।
মন্তব্য করুন


আসন্ন এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলতে নামবে বাংলাদেশ ফুটবল দল। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে শুরু হয় এই ম্যাচের টিকিট বিক্রি। শুরু হওয়ার পর মাত্র ছয় মিনিটেই শেষ হয়ে যায় সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) প্রতিযোগিতা কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সদস্য, সাবেক জাতীয় ফুটবলার গোলাম গাউস বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,
“মাত্র ছয় মিনিটেই সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট বুকিং হয়ে গেছে। এখন ক্রেতারা পেমেন্ট সম্পন্ন করছেন, এর মধ্যেই অর্ধেকের বেশি পেমেন্ট শেষ হয়েছে। সাধারণ গ্যালারির কোনো টিকিট অবিক্রিত নেই; এখন রেড বক্স ও হসপিটালিটি টিকিট পাওয়া যাচ্ছে।”
এর আগে ঘরের মাঠে সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ছিল ৪০০ টাকা। কিন্তু ভারত ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ বিবেচনা করে টিকিটের মূল্য বাড়িয়ে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাফুফে।
দাম বাড়লেও উৎসাহী সমর্থকদের চাহিদায় কোনো ভাটা পড়েনি। টিকিট বিক্রি শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। উল্লেখযোগ্যভাবে এবার টিকিট সংগ্রহে ভোগান্তি বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আগামী ১৮ নভেম্বরের ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, যারা আগের অ্যাওয়ে ম্যাচে শিলংয়ে ভারতের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল। এই ম্যাচটি ঘিরে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে এখন তীব্র উত্তেজনা ও প্রত্যাশা বিরাজ করছে।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
মাহে রমজান উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলিমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সবাইকে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করার আহ্বান
জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
আজ
রবিবার ( ১৫ফেব্রুয়ারি ) পবিত্র রমজান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধান
উপদেষ্টা।
তিনি
বলেন, ‘রমজান মাস আত্মসংযম, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির মাস।
এই
মহিমান্বিত মাসে সিয়াম, দান-সদকা ও ইবাদতের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি সবার
মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সম্প্রীতিসহ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা
লাভের সুযোগ হয়।’
ড.
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘পবিত্র মাহে রমজান আমাদের ব্যক্তি ও জাতীর জীবনে অন্যায়, দুর্নীতি
ও অবিচার পরিহার করে ন্যায় ও কল্যাণভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা দেয়। এই মাস
ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি সত্যনিষ্ঠা, ন্যায়পরায়ণতা, সততা ও পারস্পরিক সহমর্মিতা চর্চার
মাধ্যমে নৈতিকতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয় এবং দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষদের প্রতি সবার দায়িত্ববোধ
জাগ্রত করে।’
তিনি
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন, আমরা পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ
হয়ে ভোগ বিলাস, হিংসা বিদ্বেষ পরিহার করি এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে
বেশি বেশি ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া, তওবা ও সৎকর্মে মনোনিবেশ করি, রমজানের পবিত্রতা
রক্ষা করি।
মহান
আল্লাহ যেন আমাদের রোজা, নামাজ, দান-সদকা ও সকল নেক আমল কবুল করেন এবং আমাদের জীবনে
মাহে রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন।’
মহান
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ক্ষমা ও হেফাজত করুন এবং দেশ ও জাতিকে শান্তি ও সমৃদ্ধি
দান করুন, যুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেন, যারা নির্বাচন বিঘ্নিত করার হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের জন্য দরকারি সব ব্যবস্থা কমিশন গ্রহণ করবে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকার পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘বিজিবির নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ও মহড়া’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশজুড়ে ১,২১০ প্লাটুন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটকেন্দ্রে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও মহড়া পরিচালিত হচ্ছে।
সিইসি নাসির উদ্দীন আরও জানান, এটি তার তৃতীয় মহড়া পরিদর্শন। এর আগে পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির মহড়া তিনি দেখেছেন। তার ভাষায়, সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে যথাযথ প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তার মতে, এসব মহড়া নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখা এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সাংবাদিক, নিরাপত্তা বাহিনী ও ১৩ কোটি ভোটারের সহযোগিতা কামনা করেন সিইসি। তিনি বলেন, জাতির কাছে দেওয়া সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নির্বাচন কমিশন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, সীমান্তবর্তী ১১৫টি উপজেলার মধ্যে ৬০টিতে শুধুমাত্র বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে। সন্দ্বীপ, হাতিয়া ও কুতুবদিয়া ছাড়া বাকি সব উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে।
মহড়া শেষে শহীদ শাকিল আহমেদ হলে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সিইসি। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নির্বাচন ইভিএম এ নয়, ব্যালটে
হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এছাড়া কমিশন
যেকোনো সময় নির্বাচন আয়োজনে প্রস্তুত আছে বলেও জানিয়েছেন সিইসি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর
আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমের সাঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিইসি এসব কথা বলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির
উদ্দীন বলেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্য আমরা প্রথম দিন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছি।
প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচনের যে সময়সীমার ইঙ্গিত দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী নির্বাচন
পরিচালনার জন্য আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকেই প্রাধান্য
দিচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা
আসেনি।
ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে
বিদ্যমান ভোটার তালিকায় অনেক অসংগতি রয়েছে। দুই মাসের মধ্যে সংশোধিত চূড়ান্ত ভোটার
তালিকা তৈরি করা হবে। নতুন তালিকা তৈরির জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
মৃত ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া, অনুপস্থিত বা বিদেশে থাকা ভোটারদের তথ্য যাচাই
এবং ডুপ্লিকেট ভোটার শনাক্ত করে তালিকা সংশোধনের কাজ করা হবে।
রোডম্যাপ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, প্রধান
উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা হবে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো রোডম্যাপ ঘোষণা
করা হবে না, তবে নির্বাচন কমিশনের কাজের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনা থাকবেই।
মন্তব্য করুন


জুলাই
গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে উপদেষ্টা পরিষদে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
দায়মুক্তি আইন অনুমোদন পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক ইস্যুতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে
এ তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
তিনি
বলেন, ‘জুলাই-আগস্টে রাজনৈতিক প্রতিরোধে ফৌজদারি মামলা থাকলে সরকার প্রত্যাহার করবে।
নতুন করে মামলা করা হবে না।
জুলাই
গণ-অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে কোথাও কোনো মামলা হয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে
বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা।
এর
আগে ৮ জানুয়ারি এক ফেসবুক পোস্টে আইন উপদেষ্টা জানিয়েছিলেন, ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’-এর
খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের বীরদের ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের হাত থেকে
নিরাপদ রাখতে এবং তাদের প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন
স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে নতুন প্রজন্মকে উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে সুনাগরিক
হিসাবে গড়ে তুলতে স্কাউট নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে
বাংলাদেশ স্কাউটস এর জাতীয় কাউন্সিলের ৫২তম বার্ষিক সাধারণ সভার উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি ও চীফ স্কাউট বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের
সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে তথ্য-প্রযুক্তি, কম্পিউটার, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ভাষাসহ
জ্ঞান-বিজ্ঞানের সর্বশেষ প্রায়োগিক কলা-কৌশল রপ্ত করতে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ
করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ‘রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়নে
দেশের যুব সম্প্রদায়কে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত দক্ষ ও মানবিক
মূল্যবোধসম্পন্ন স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন গতানুগতিক
স্কাউটিং কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন
কার্যক্রমে জনমত গড়ে তুলতেও স্কাউট নেতৃবৃন্দকে এগিয়ে আসার তাগিদ দেন।
কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করে ‘স্মার্ট নাগরিক’ হিসেবে গড়ে তুলতে স্কাউট
প্রশিক্ষণ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের শিশু, কিশোর ও যুব
সমাজকে ব্যাপকভাবে স্কাউটিংয়ের আওতায় আনার লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
আকাশ সংস্কৃতির নেতিবাচক প্রভাব, মাদকাসক্তি, তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার আমাদের কিশোর
তরুণদের ওপর মারাত্মক কু-প্রভাব ফেলছে। শহর-উপশহরে কিশোর গ্যাং এর উত্থান ও সন্ত্রাসী
কার্যক্রম এসবেরই বহিঃপ্রকাশ।তাই শিশু, কিশোর ও যুবকদেরকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে
এবং মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে স্কাউট নেতৃবৃন্দকে
আরো বেশি তৎপর হতে উপদেশ দেন চীফ স্কাউট।
বর্তমানে স্কাউটের সংখ্যা ২৫ লাখ ৮৭ হাজার যা জনসংখ্যার তুলনায় অপ্রতুল বলে উল্লেখ
করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ স্কাউটস এর ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান-২০৩০ অনুসারে
স্কাউট সদস্য ৫০ লক্ষে উন্নীত করার পাশাপাশি এর গুণগত মানও নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া
ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদেরকেও স্কাউটিংয়ে সমানভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, বৃক্ষরোপণ, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্য-শিক্ষা, ইপিআই কর্মসূচি, বিদ্যুৎ
ও জ্বালানি সাশ্রয়ী হতে উদ্বুদ্ধকরণ এবং পরিবেশ সচেতনতার মতো স্কাউটদের সেবাধর্মী
কাজ তৃণমূল পর্যন্ত আরো বিস্তৃত হলে দেশের মানুষও এর সুফল পাবে।
রাষ্ট্রপতি জনগণের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে দেশের যে কোনো দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় বিভিন্ন সময়ে
অগ্নিকা-ে আহত-নিহতদের সেবাদানেও স্কাউটদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
এ সময়ে বাংলাদেশ স্কাউটসের বিগত
বছরের কার্যক্রমের ওপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটস এর প্রশিক্ষণ, প্রোগ্রাম, সমাজ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যক্রমসহ
স্কাউটিং সম্প্রসারণে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট
অ্যাওয়ার্ড’, স্কাউটসের সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড ‘রৌপ্য ব্যাঘ্র’ এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ
অ্যাওয়ার্ড রৌপ্য ইলিশ” প্রদান করা হয়। পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান চীফ স্কাউট। তিনি
সেখানে পুরস্কার প্রাপ্তদের সাথে একটি ফটোসেশনেও অংশ নেন।
স্কাউটিং এর সার্বিক কর্মসূচিকে সময়োপযোগী এবং দেশের টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে স্কাউটদের
সক্রিয় অবদান রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপ্রধান।
বাংলাদেশ স্কাউটস এর সভাপতি
মোঃ আবুল কালাম আজাদ এমপি এতে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় বাংলাদেশ স্কাউটস এর প্রধান জাতীয়
কমিশনার ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খানও বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন,সংবাদপত্রের গুণগত মানোন্নয়নে টাস্কফোর্স গঠন করবে সরকার। এই টাস্কফোর্স স্বচ্ছতার সঙ্গে সংবাদপত্রের প্রকৃত প্রচারসংখ্যা নির্ধারণ, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন, বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণসহ সংবাদপত্রের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে।
আজ সোমবার (২১ এপ্রিল) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা
অধিদপ্তরের (ডিএফপি) অংশীজনের সভায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
সরকারের
নীতিমালা মেনে সংবাদপত্র প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, যে-সব সংবাদপত্র সরকারি নীতিমালা মেনে প্রকাশিত হবে, সেসব সংবাদপত্র বিজ্ঞাপনসহ সরকারি সুবিধা পাবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরীন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, দৈনিক প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরীফ, দৈনিক দিনকালের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শিমুল বিশ্বাস, দৈনিক নয়াদিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলীসহ বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে গঠিত হবে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন। আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সংবাদমাধ্যমের সংস্কার : কেন? কীভাবে?’ শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনায় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ডসহ বেতনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে দাসসুলভ আচরণের সুযোগ নেই। সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা কেন পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে পারেন না, সেসব বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে। দেশে গণমাধ্যম সক্ষমতা গড়ে ওঠেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমে পেশাদারিত্বের সংস্কৃতি অনুপস্থিত। অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে ঐক্যমতের ভিত্তিতে এ বিষয়ে কাজ করা হবে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিক সংগঠনসমূহের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
সম্প্রতি ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন, এই অভ্যুত্থান গণমাধ্যমের জন্য বড়ো কেস স্টাডি। এই অভ্যুত্থানে গণমাধ্যমের কী ভূমিকা ছিল তা নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের সময় মাঠ পর্যায়ে অনেক সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহ করলেও মিডিয়া হাউজ পলিসির কারণে সেসব সংবাদ প্রকাশ করেনি।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ইলেকট্রনিক মিডিয়া আন্দোলনের পক্ষে কোনো তথ্যই প্রচার করেনি উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ওই সময় ইলেকট্রনিক মিডিয়া কী প্রচার করেছে, তা দেশের মানুষ জানে। এই অভ্যুত্থানে সাংবাদিকদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিরোধও দেখা যায়নি।
মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি অভিহিত করে তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি তরুণদের এই পেশায় আগ্রহী করে তুলতে হবে।
এসময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের সংস্কারের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
মুক্ত আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ড. সাইফুল আলম চৌধুরী প্রমুখ।
মিডিয়া সাপোর্ট নেটওয়ার্কের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন সাংবাদিক জিমি আমির। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন