

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে একদিনে পৃথক ঘটনায়
চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই নারী
ও দুই শিশু রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে
শহরের কলাতলী সৈকতপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে একই পরিবারের ৮ জন মাঠি চাপা পড়ে। এ ঘটনায়
বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মিম নামের এক শিশুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার
করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাঈদ আনোয়ার বলেন,
গাছ এবং পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৮ জন মাটির নিচে চাপা পড়ে। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস
এবং স্থানীয়রা মিলে ওই পরিবারের ৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মিম নামের এক শিশুকে
বাঁচানো যায়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে সদরের ঝিলংজায়
লায়লা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ পাহাড় ধসে নিহত হন। তিনি দক্ষিণ মহুরিপাড়া এলাকার বজল
আহমদের স্ত্রী। এ ঘটনায় তাদের ২ বছরের শিশু মোহাম্মদ জুনায়েদ গুরুতর আহত হয়ে কক্সবাজার
সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টার দিকে
পাহাড় ধসের পৃথক ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়। শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের পূর্ব পল্যান কাটা এলাকায়
বসতঘরে পাহাড় ধসে স্থানীয় মোহাম্মদ করিমের স্ত্রী জমিলা বেগম (৩০) নিহত হয়েছেন। এছাড়া
শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের সিকদার বাজার এলাকায় মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয় সাইফুলের
ছেলে মো: হাসানের (১০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রকিবুজ্জামান বলেন, কক্সবাজারে পৃথক পাহাড় ধসের
ঘটনায় দুই নারী ও দুই শিশু নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী
আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই)
সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ৩৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আগামী দুদিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে অস্থায়ীভাবে
দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানান
তিনি।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) মধ্যরাত থেকে
কক্সবাজারে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাকখালী ও মাতামুহুরি নদীসহ বিভিন্ন ছোট বড় নদ-নদীর
পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার সদর, রামু, চকরিয়া, উখিয়া, টেকনাফ
এবং কক্সবাজার পৌরসভার অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে পর্যটন
শহরের কলাতলী সড়কসহ অসংখ্য ছোট-বড় সড়ক, বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৪ থেকে ৫ ফুট
উচ্চতায় পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা, হোটেল-মোটেল জোনে
বৃষ্টির পানির কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কলাতলী সড়ক, বাজারঘাটা, বাস টার্মিনাল,
উপজেলা বাজার ও লিংকরোড় এলাকায় সড়কে বন্যার পানি জমে যায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলায় বিদ্যুৎস্পর্শে
পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় জহিরুল ইসলাম (২৮) ও মো: মনির হোসেন (২৩) নামে দুই শ্রমিককের মৃত্যু
হয়েছে। এ সময় আরও দুই শ্রমিক আহত হয়। আহতরা দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
চিকিৎসাধীন।
নিহত জহিরুল ইসলাম উপজেলার ইউসুফপুর
ইউনিয়নের এগারগ্রামের মো: সহিদ মিয়ার ছেলে ও মনির হোসেন মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার
থানার টনকি ইউনিয়নের সোনারামপুর গ্রামের মো: আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
জানা গেছে, গত শনিবার বিকেল ৫টার দিকে
উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের মোগসাইর গ্রামের রঞ্জিত দাসের পুকুরে ত্রুটিযুক্ত সেচ পাম্পের
ইলেকট্রিক মোটর মেরামত করতে গিয়ে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে পুকুরের পানিতে বিদ্যুৎতায়িত
হয়ে ঘটনাস্থলেই জহিরুল ইসলামের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে দেবিদ্বার থানা পুলিশ জহিরুলের
লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার (১০
জুন) বিকাল ৩টার দিকে পৌরসভার চান্দিনা রোডে হিলফুল ফুজুল স্কুলের পাশে সৌদী প্রবাসী
জসিম উদ্দিনের নির্মাণাধীন ভবণের চারতলা ভবনে রশিতে লোহার রড বেঁধে উপরে তোলার সময়
পাশে থাকা ফোর ফোরটি বৈদ্যুতিক লাইনের তারে লেগে মনির হোসেনসহ আরও তিন শ্রমিক আহত হয়।
পরে তাদের উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
মনির হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আহত শ্রমিক শাকিল ও সাগর বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
নিহত মনিরের স্ত্রী রোজিনা আক্তার জানান,
গত ২ বছর ধরে চান্দিনা রোডের একটি ভাড়া বাসায় থেকে নির্মাণ শ্রমিককের কাজ করত আমার
স্বামী। রোববার বিকেলে কাজের ফাঁকে বাসায় এসে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আবার কাজে যায়। আমার
দুই বছর ও ১০ মাসের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। আমি এ সন্তানদের নিয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছি।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো: নয়ন মিয়া বলেন,
বিদ্যুৎস্পর্শে পৃথক দুই ঘটনায় দুইজন মারা গেছেন। তাদের লাশ সুরতহাল শেষে থানায় নিয়ে
আসা হয়েছে। এ ঘটনায় দেবিদ্বার থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন ছোট ভেটখালী এলাকায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে অস্ত্র ও গুলাবারুদসহ “সাইফুল ওয়াদুদ” (৫১) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
গত রোববার (১৬ নভেম্বর) রাত ১টার দিকে কালিগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের সেনা সদস্যরা এ ‘মিডনাইট অপারেশন’ পরিচালনা করেন। অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল ছোট টেংরাখালী এলাকায় হানা দেয়। এ সময় একটি সিঙ্গেল ব্যারেল বন্দুক, ২৭ রাউন্ড শটগানের গুলি এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয় “এসএম সাইফুল । তিনি শ্যামনগর উপজেলার যতীন্দ্রনগর গ্রামের মৃত আবু বক্কর সরদারের ছেলে। সেনা সদস্যরা জানান, সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে “সাইফুল ওয়াদুদ” পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গুলাবারুদ জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ওয়াদুদ এর আগেও ২০১৭ সালে হরিনগর বাজার এলাকা থেকে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপর দেড়টার দিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক ব্যক্তিকে শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। জব্দ করা অস্ত্র ও গুলাবারুদ থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়িতে প্রেমিকার বিয়ের খবর শুনে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে মো: ফাহিম (২০) নামের এক রাজমিস্ত্রী যুবক।
বুধবার (১২ জুন) ভোর রাতে সুন্দরপুর ইউপির টাইগার ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত ফাহিম সুন্দরপুর ইউপির ২নং ওয়ার্ডের মো: নুর নবীর ছেলে।
জানা গেছে, নিহত ফাহিম রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো। স্থানীয় এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ফাহিমের। সে মেয়ের অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে যাচ্ছিল। এ শোক সইতে না পেরে সে গলায় ফাঁস দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: মুজিব জানান, ছেলেটি গতকালও আমাদের বাড়িতে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করেছে। সকালে উঠে সবাই দেখে সে গলায় ফাঁস দিয়েছে। তার সঙ্গে একটা মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই মেয়ের অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে যাচ্ছিল বিষয়টি সে মেনে নিতে না পেরে হয়তো সে আত্মহত্যা করেছে।
এই বিষয়ে ফটিকছড়ি থানার ওসি তদন্ত আবু জাফর জানান, আমরা খবর পেয়েছি। জরুরি টিম ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের গাংটিয়ারা গ্রামে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
মৃত ইয়ামিন হোসাইন (৭) উপজেলার গাংটিয়ারা গ্রামের প্রবাসী হেলাল উদ্দিন পাঠানের একমাত্র ছেলে এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
স্থানীরা জানান, বুধবার (১ অক্টেবর) দুপুর ১২টার দিকে মাদ্রাসার পুকুরে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় ইয়ামিন। নিখোঁজের পর মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
বিকাল ৪টার দিকে পুকুরে জাল ফেলে ইয়ামিনকে উদ্ধার করে উপজেলার মাধাইয়া বাজারের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ইয়ামিনের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে।
মৃতের মামা আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমাদের একমাত্র ভাগিনার মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে পুরো পরিবার। ইয়ামিনের বাবাও একমাত্র ছেলেকে শেষবারের মতো দেখতে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছেন। রাতে ইয়ামিনের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
দেবিদ্বার থানার ওসি শামসুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, পানিতে ডুবে কেউ মারা গেছে এমন তথ্য এখনো পাইনি। সংবাদ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
মন্তব্য করুন


১২ নভেম্বর রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর নতুন বাজার এলাকায় মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য বিক্রি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশনের দায়ে ৫টি বেকারি ও রেস্টুরেন্টকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ জরিমানা করেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মো. বুলবুল আহমেদ তালুকদার।
দুটি হাজী বিরিয়ানিকে ১০ হাজার টাকা, অভিযানে রয়েল বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা, সারিন্দাকে ৩০ হাজার টাকা এবং নবাবী রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ মহাবুল হোসেন রাজীব।
সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ মহাবুল হোসেন রাজীব বলেন, ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান ভাণ্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জাবেদ ইকবালসহ পুলিশ সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া :
চাঁদপুরের কচুয়ার পালাখাল রেড রিলেশন যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার ৪র্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিগত করোনাকালীন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা এবং রক্তদানে ভূমিকা রাখায় ৫৫জন সংগঠনের দায়িত্বশীল এবং গুনীজনকে সংবর্ধনা,গরীব দু:স্থ পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন,মাদ্রাসায় কোরআন শরীফ ও টিউবওয়েল বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে সংগঠনের সভাপতি আশরাফুল আলম রিজন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে ও কচুয়া উপজেলা পরিবারের টিম মেম্বার সাইফুল ইসলাম রনির পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিআরবি কেবলসের ডাইরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম রনি।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী অনুষদের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ এমরান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের উপদেষ্টা ও পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইকবাল উদ্দিন আহমেদ মিঠু,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাকির হোসেন,শ্রীবাস সাহা,ব্যাংকার আবুল কালাম আজাদ,শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেন্ট কালেক্টর ইনচার্জ সাজেদুল হাসান কামাল,কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম,বাংলাদেশ স্কাউট কুমিল্লা অঞ্চলের সহকারী লিডার ট্রেইনার একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন সুমন প্রমুখ। পরে গুনী ব্যক্তিদের মাঝে সন্মননা ক্রেষ্ট ও অসহায় পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন,টিউব ওয়েল ও পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। এসময় সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অজিত সাহা,আবু সুফিয়ান সহ রেড রিলেশন সংগঠনের সদস্য ও জেলার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার অম্বরনগর ইউনিয়নে খনন করা
বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপের তিনটি স্তরে মিলেছে জ্বালানি গ্যাস। বাংলাদেশ
পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) আশা করছে এ
থেকে দৈনিক এক কোটি (১০ মিলিয়ন) ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে ।
সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে বিষয়টি
নিশ্চিত করে বাপেক্সের ভূ-পদার্থিক বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার ওহিদুল
ইসলাম বলেন, ওয়াছেকপুর গ্রামে খনন করা বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপে মিলেছে গ্যাসের
অস্তিত্ব। ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল শুরু হওয়া খননকাজের পর ডিএসটি টেস্ট শেষে এখন চলছে
সর্বনিম্ন স্তরের উৎপাদন টেস্ট। প্রাথমিকভাবে কূপটির তিনটি স্তরে পর্যাপ্ত গ্যাস
আছে। এ টেস্ট শেষে জানা যাবে এখানে মজুত থাকা মোট গ্যাসের পরিমাণ।
বাপেক্স সূত্রে আরো জানা যায়, কূপটিতে তিন হাজার ১১৩ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা
হয়, যার মধ্যে এক হাজার ৯২১ থেকে এক হাজার ৯৭৩ মিটার পর্যন্ত প্রথম স্তর, দুই
হাজার ৫৪৮ মিটার থেকে দুই হাজার ৫৮৫ মিটার পর্যন্ত দ্বিতীয় স্তর এবং তিন হাজার ৮১
মিটার থেকে তিন হাজার ১০১ মিটার পর্যন্ত তৃতীয় স্তরে গ্যাসের অস্তিত্ব মিলেছে।
বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপের তিনটি স্তর থেকে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন
ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।
হাওলাদার ওহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের লক্ষ্যমাত্রার থেকে বেশি গ্যাস মিলতে পারে বলে
ধারণা করছি। এখন পর্যন্ত টার্গেট চারটি জোনের মধ্যে তিনটি জোন থেকে বাণিজ্যিকভাবে
গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে আশা করছি।’
বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শামসিয়া মুক্তাদির বলেন, ‘প্রাকৃতিক
গ্যাসের সন্ধানে বাপেক্স দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে আসছে। বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপটিতে
খনন কাজ শুরু এ বছরের ২৯ এপ্রিল। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না থাকায়
আমাদের খনন কাজেও কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। দিনশেষে আমরা সফল হতে পেরেছি।’
বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপের প্রজেক্ট ডিরেক্টর মো. প্রিন্স আল
হেলাল বলেন, এখান থেকে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ করার
লক্ষ্যমাত্রা ছিলো। তবে লোয়ার জোনে গ্যাসের কন্ডিশন দেখে মনে হচ্ছে, আরও ভালো কিছু
আশা করা যাবে। উৎপাদন টেস্ট শেষে মোট গ্যাসের মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ড্রিলিং ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এটি খনন করতে আমাদের নানা
প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে। সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে আমরা আজ আলোর মুখ দেখছি।
একসময় গ্যাসকূপ খননের কাজে বিদেশি শ্রমিক ও কর্মকর্তারা যুক্ত থাকতেন। কিন্তু এখন
তার পরিবর্তন হয়েছে। এ কূপ খননের সঙ্গে জড়িত প্রায় দুই শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী
সবাই বাংলাদেশের। এটাও আমাদের জন্য অনেক আনন্দের।’
এর আগে, ১৯৭৬ সালে বেগমগঞ্জ-১ ও ১৯৭৮ সালে বেগমগঞ্জ-২ গ্যাসকূপ খনন করা হলেও সেগুলো
থেকে গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। ২০১৪ সালে বেগমগঞ্জ-৩ কূপ খনন করা হয় এবং
সেখান থেকে এখনো প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ফেনী-নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক
সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এখানে বেগমগঞ্জ-৫ ও বেগমগঞ্জ -৬ কূপ
খননের পরিকল্পনা রয়েছে বাপেক্সের।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আকানিয়া আলোর দিশারী সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ঘূর্নিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ঘর নির্মানে ঢেউটিন প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সংগঠনের আয়োজনে আকানিয়া গ্রামের নয়াবাড়ির ইউনুছ মিয়ার ছেলে আবুল কাশেমকে ঘর নির্মানে টিন প্রদান করা হয়। বিশিষ্ট সমাজসেবক এইচ এম হাবিব উল্লাহ ফকিরের আর্থিক সহযোগিতায় এসব টিন প্রদান করা হয়।
এসময় আলোর দিশারী সংগঠনের সভাপতি হাজী হারুন রশীদ,সাধারন সম্পাদক প্রভাষক মো. ফারুক হোসেন,ভূঁইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মানিক সরকার,মফিজুল ইসলাম,ইউসুফ আলী,আলমগীর হোসেন,সেলিম বাঙ্গালী,সেলিম মিয়া ও শহীদ উল্যাহ সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সামাজিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি গরীব অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা,দরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান সহ নানান মুখী কর্মকান্ড করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ সংগঠনের মাধ্যমে আরো সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করার প্রতিশ্রুতি দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের দাপট। বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। হিমেল হাওয়ায় কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম জেলা। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গতকাল ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
অপর দিকে ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। শীত উপেক্ষা করে বাড়ী থেকে বের হলেও কাজ পাচ্ছে না অনেকে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সুর্যের দেখা মিলছে না। দিনের অধিকাংশ সময় থাকছে মেঘাচ্ছন্ন। এ সময় উওরীয় হিমেল হাওয়ায় ঠাণ্ডার তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। শীত ও কনকনে ঠান্ডায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি কাশিসহ - শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের মিরাজুল বলেন, এই ঠান্ডায় বাইরে কাজ করতে যাচ্ছি। খুবই সমস্যা হচ্ছে,দুদিন ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগছি। শীতকালে ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোয় মুসকিল হয়েছে। অভাবের সংসার, ছেলেদের গরমের কাপড় কিনবো তাও পারছি না।
কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান বলেন, ধরলা নদী বেষ্টিত এই ইউনিয়ন। এখানকার মানুষ বেশীরভাগ দিনমজুর। এখানে এ যাবত সরকারিভাবে ৩১০ টি কম্বল বরাদ্দ পেয়েছি। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, জানুয়ারি মাস জুড়েই তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ মাসের ২৫ তারিখের পর তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


মানুষ আগের মতো এখন আর হলমুখী নেই ।হল মালিকরা তাই নানান সময় নানান
পন্থা অবলম্বন করে থাকেন দর্শকদের হলমুখী করতে কিন্তু এ ব্যাপারে বলা চলে বেশ
ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছেন বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী ঝংকার সিনেমা হলের কর্তৃপক্ষ
।
১০০ টাকার প্রতিটি টিকিটের সঙ্গে দর্শকের হাতে বিনামূল্যে এক প্যাকেট বিরিয়ানি তুলে দিচ্ছেন হলমালিক ।
ব্যতিক্রমী এই বিষয়টি বিনোদনপ্রিয় দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
জানা যায়, ধুনট শহরে ১৯৮৪ সালে ঈসা খান নির্মিত ঝংকার সিনেমা হলটি দিনের পর দিন দর্শক হারাতে থাকে। ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের যুগে হলবিমুখ হয়ে পড়েছেন সিনেপ্রেমীরা। এতে দেশের আর সব সিনেমা হলের মতো ঝংকারেও দর্শক কমতে থাকে। এক পর্যায়ে দর্শক শূন্যতায় সিনেমা হলটিতে বন্ধ করে দেওয়া হয়। দীর্ঘ এক দশক পর ২০ এপ্রিল থেকে আবারও ঝংকার সিনেমা হলে ছবি প্রদর্শন শুরু করেছে হল কর্তৃপক্ষ।
এক দশক পর শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে দর্শক টানতে সিনেমা হলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এই খাবারের আয়োজন করেন।
হলটিতে প্রদর্শিত হচ্ছে এ সময়ের নায়ক-নায়িকা আদর আজাদ-পূজা চেরি অভিনীত সিনেমা ‘লিপস্টিক’।
সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন কামরুজ্জামান রোমান। ঝংকার সিনেমা হলে দর্শকের জন্য ৫০০টি আসন রয়েছে। প্রতিটি টিকিটের মূল্য ১০০ টাকা। এবার টিকিটের সঙ্গে প্রত্যেক দর্শকের হাতে ফ্রি এক প্যাকেট বিরিয়ানি তুলে দেওয়া হচ্ছে। আগামী এক মাস খাবারের এই ব্যবস্থা চালু থাকবে।
প্রতিদিন দুপুর ১২টা, বিকেল ৩টা, সন্ধ্যা ৬টা ও রাত ৯টায় সিনেমা হলে ‘লিপস্টিক’ প্রদর্শন করা হচ্ছে। কিন্ত প্রচণ্ড গরমের কারণে প্রতিদিন দুপুর ১২টা ও বিকেল ৩টায় দর্শকের উপস্থিতি কম থাকে।
তবে সন্ধ্যা ৬টা ও রাত ৯টায় হল ভর্তি দর্শক পাওয়া যায়। প্রতিদিন গড়ে আশানুরূপ দর্শকের সাড়া মিলেছে। এক্ষেত্রে লাভের মুখ দেখছেন হলের পরিচালক। সিনেমা হলের দর্শকদের মুখে মুখে এখন ‘লিপস্টিক’-এর সঙ্গে বিরিয়ানি ফ্রি এই আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে।
হলের দর্শকরা জানান, সিনেমা হলে টিকিটের সঙ্গে বিরিয়ানি ফ্রি পাওয়ার বিষয়টি এবারই প্রথম। হলে বসে ভালো ছবি দেখার পাশাপাশি বিরিয়ানির স্বাদও নিতে পেরে অনেকে খুশি হয়েছেন। এই ব্যবস্থা চালু রাখলে সিনেমা হলে দর্শক ফিরে আসবে বলে মনে করেন দর্শকরা।
মন্তব্য করুন