

সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য হাস্যরস, বাস্তব ও অবাস্তব মিলে কনটেন্ট তৈরি করে মানুষের গ্রহণযোগ্যতা
পেয়েছেন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আল-আমিন (৪০)। এ অবস্থায় দুই
দিন আগে আগুন নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করতে গিয়ে সেই আগুনেই মারাত্মক দগ্ধ হয়ে এখন তিনি মৃত্যুশয্যায়।
তাঁকে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করানো হয়েছে।
জানা
যায়, গত শুক্রবার সকালে উপজেলার দাড়িয়াপুর ইটখলার মোড় সংলগ্ন কৃত্রিম চৌবাচ্চায় মাচা
তৈরি করে আগুন পোহাতে পোহাতে গোসল করার কনটেন্ট তৈরি করার সময় তিনি অগ্নিদগ্ধ হন। ওই
সময় তিনি একটি চৌবাচ্চার পানিতে পেট্রল ঢেলে আগুন পোহাতে পোহাতে গোসলের দৃশ্য ধারণ
করতে গিয়ে তার শরীরে আগুনের অত্যধিক তাপে শরীর দগ্ধ হয়ে যায়। এ সময় নির্দিষ্ট পরিমাণের
চেয়ে বেশি পেট্রল ঢেলে দেওয়ায় আগুন স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অধিক উচ্চতায় উঠে যায়।
এই
আগুনে দগ্ধ হয়ে তার শরীরের ৩৫-৪০ ভাগ দগ্ধ হয় বলে জানিয়েছেন আল-আমিনের সহকারীরা। প্রথমে
তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে উন্নত
চিকিৎসার জন্য রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করা হয়।
ভিডিওতে
দেখা যায়, আগুন বেপরোয়া জ্বলা অবস্থাতেই তিনি নিজেকে রক্ষা করতে পানিতে ঝাঁপ দেন। তারপরও
রক্ষা পাননি।
এ
বিষয়ে কনটেন্ট ধারাভাষ্যকর আজাদ হোসেন জনি জানান, বর্তমানে বারডেম হাসপাতালের সিসিইউতে
নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। চিকিৎসকরা তাকে সারিয়ে তুলতে চেষ্টা করছেন।
আল-আমীনের
সহকারী সুবল চন্দ্র অধিকারী আল-আমীনের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। আল-আমিনের
এ ধরনের দুর্ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ে। তার আরোগ্য লাভের
জন্য সবাই দোয়ার আবেদন করে পোস্ট দিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুরে জাকার্তার একটি সাততলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দেশটির এক পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সেন্ট্রাল জাকার্তার পুলিশ প্রধান সাসাত্যো পুরনোমো কন্দ্রো সাংবাদিকদের জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ভবনের ভেতরে কেউ আটকা পড়ে আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার তথ্যমতে, ভবনের নিচতলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয় এবং দ্রুতই তা ওপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। তখন ভবনের কিছু কর্মী দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন, আর অন্যরা বাইরে ছিলেন।
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ভবনটিতে টেরা ড্রোন ইন্দোনেশিয়ার কার্যালয় ছিল—যা আকাশ জরিপ ও বিভিন্ন শিল্পখাতে ড্রোনভিত্তিক সেবা প্রদান করে। প্রতিষ্ঠানটি জাপানের টেরা ড্রোন করপোরেশনের ইন্দোনেশীয় শাখা।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক নেমে এসেছে তার পৈতৃক জেলা ফেনীতে। শোকাচ্ছন্ন পরিবেশে স্তব্ধ হয়ে আছে ফুলগাজীর পৈতৃক জনপদ।মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোররাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুরে তার পৈতৃক বাড়িতে ভিড় করতে থাকেন স্বজন, দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।পৈতৃক বাড়িতে মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনায় কুরআন খতম ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। শোকে নীরব হয়ে পড়েছে পুরো এলাকা।স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, ফেনীর সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার সম্পর্ক ছিল আবেগঘন ও গভীর। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ফেনীতে এলে তিনি নিয়মিতই ফুলগাজীর পৈতৃক বাড়িতে সময় কাটাতেন। তার প্রয়াণে একজন অভিভাবককে হারানোর বেদনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।খালেদা জিয়ার চাচাতো ভাই শামীম হোসেন মজুমদার বলেন, এই বাড়ির সঙ্গে তার অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আমরা সবাই আশা করেছিলাম, তিনি আবার সুস্থ হয়ে এই আঙিনায় ফিরবেন। কিন্তু হঠাৎ পাওয়া দুঃসংবাদ আমাদের সেই আশাকে চিরতরে নিভিয়ে দিয়েছে।উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া ফেনী-১ আসন থেকে পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি ওই আসনের প্রার্থী ছিলেন। তার পক্ষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সম্প্রতি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন দলের নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না; তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর অবদান, তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তাঁর প্রতি জনগণের আবেগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার চলতি মাসে তাঁকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর আপোষহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে, মুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও জাতির কল্যাণে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং দৃঢ় মনোবল সব সময় পথ দেখিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত রাজনীতিককে হারাল।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি’র চেয়ারপারসন, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের দুঃশাসনের পতন ঘটাতে প্রধান ভূমিকা রাখে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বহু কর্ম ও সিদ্ধান্ত দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। তিনি মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন, যা বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া ভীষণভাবে সফল ছিলেন। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে তিনি পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানেই তিনি জয়লাভ করেছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর অর্থনৈতিক উদারীকরণের মাধ্যমে তিনি দেশের অর্থনীতির একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর আপোষহীন ভূমিকা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে জাতিকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক সাফল্যের কারণেই বেগম খালেদা জিয়া চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাঁকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন কারাবাস করতে হয়েছিল।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে তিনি দেশবাসীকে শান্ত থাকার ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং যার যার অবস্থান থেকে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৯০ হাজার সেনাসদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আড়াই হাজারেরও বেশি নৌবাহিনীর সদস্য এবং বিমানবাহিনীর একটি অংশ নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবে। প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি কোম্পানি সেনা সদস্য অবস্থান করবে বলে জানা গেছে।
গত শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিন বাহিনীর প্রধানরা নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা “ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে” অবহিত করেন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা তিন বাহিনীর প্রধানদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—দেশের জনগণ যেন নির্ভয়ে ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারে।”
বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সামরিক বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে “ড. ইউনূস” বলেন, গত ১৫ মাসে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নিষ্ঠা ও পরিশ্রম দেখিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়।
এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানরা আগামী ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আয়োজন উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টাকে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল “ওয়াকার-উজ-জামান”, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
মন্তব্য করুন


বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে দালাল ও প্রতারণামুক্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, দালালচক্র, নথি জালিয়াতি ও কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানে গভীর সংকট তৈরি হয়েছে।
আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস–২০২৫ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিদেশগমন এখন বিপজ্জনকভাবে দালাল ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে মুক্ত না হলে অর্থবহ অগ্রগতি সম্ভব নয়। সরকারের নানা উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও দালালনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার মূল কাঠামোর ভেতরে প্রবেশ করা এখনো সম্ভব হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গ্রামীণ ব্যাংকের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গ্রামাঞ্চলের নারীরা সন্তানদের বিদেশে পাঠাতে ঋণের জন্য আবেদন জানালে দালালচক্রের বাস্তব চিত্র সামনে আসে। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই বাংলাদেশ থেকে অভিবাসন কার্যত দালালনিয়ন্ত্রিত।
রেমিট্যান্স আয়ের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হলে যে কোনো মূল্যে এই বাস্তবতা বদলাতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠানে তিন ক্যাটাগরিতে ৮৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশিকে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রবাসী কর্মীদের জন্য বীমা সুবিধা, চিকিৎসা সহায়তা, আর্থিক অনুদান ও বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নথি জালিয়াতির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর ফলে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিদের ভিসা প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে বিপুল শ্রমিক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ বড় সুযোগ হারাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাপান একাই কয়েক লাখ শ্রমিক নিতে আগ্রহী, তবে ভাষা ও কারিগরি দক্ষতা অপরিহার্য।
বাংলাদেশকে ‘যুবাদের সোনার খনি’ আখ্যা দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, দেশের প্রায় ৯ কোটি মানুষ ২৭ বছরের নিচে। এই মানবসম্পদ কাজে লাগাতে হলে সুশাসন ও শৃঙ্খলাভিত্তিক, দালালমুক্ত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বব্যাপী আলোচিত এবং সমাদৃত প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি
বাস্তবায়নে সমবায় অধিদপ্তর অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভুঁইয়া।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) ঢাকায় সমবায়
অধিদপ্তর পরিদর্শন এবং পায়রা সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা জানান। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী
গৃহীত ‘থ্রি জিরো তত্ত্ব’ একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যার ভিত্তি হচ্ছে
শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য কার্বন নিঃসরণ। এ সময় ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’
এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি বাস্তবায়নে কাজ করতে সমবায় অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সমবায় অধিদপ্তরের
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম এবং পারফরম্যান্স নিম্নমুখী বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু তা ঊর্ধ্বমুখী
করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সমবায় আইন সংশোধন এবং যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের
নির্দেশনা দেন তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্যপদ পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার
বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সমবায় অধিদপ্তরের সদস্যদের
নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে পাইলটিং প্রকল্প গ্রহণ এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা দেন
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা। এছাড়াও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সুষম সম্পদের বণ্টনের
জন্য সমবায় অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মতবিনিময় সভার শুরুতে সমবায় অধিদপ্তরের
নিবন্ধক ও মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে সমবায় কার্যক্রম সম্পর্কে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন
দেন যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. মোখলেছুর রহমান। সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছে। নারী-পুরুষ, শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ শহীদদের স্মরণে জাতীয় স্মৃতিসৌধে আসতে শুরু করেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্মৃতিসৌধ এলাকা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে মানুষের স্রোত আরও বেড়ে যায়।
ফুল হাতে উচ্ছ্বসিত মানুষ একে একে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধার পাশাপাশি বিজয়ের আনন্দও ছড়িয়ে পড়ে। শিশুদের উপস্থিতি ছিল বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো—অনেকে মুখে ও হাতে লাল-সবুজের রং এঁকেছেন, কেউবা জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন।
শীত উপেক্ষা করে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারাও স্মৃতিসৌধে এসে শহীদ সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তাদের মাথায় ও পোশাকে লাল-সবুজের ছোঁয়া ছিল স্পষ্ট। অনেক মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে দেখা করে সালাম জানান এবং কুশল বিনিময় করেন।
এর আগে, মহান বিজয় দিবসের সূচনালগ্নে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান তারা।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার প্রদান করে। বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সেনা কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
এদিকে, মহান বিজয় দিবস দেশব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্যাপনের অংশ হিসেবে ঢাকায় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা নিয়ে প্যারাশুটিং করে বিশ্বরেকর্ড গড়ার আয়োজন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর উদ্যোগে মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে পৃথক ফ্লাই-পাস্ট প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি আয়োজন করা হবে বিশেষ বিজয় দিবস ব্যান্ড শো।
এছাড়া ‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার দেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে সকাল ১১টা ৪০ মিনিট থেকে পতাকাবাহী স্কাইডাইভ প্রদর্শন করবেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের সর্ববৃহৎ পতাকা-প্যারাশুটিং প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে, যা একটি নতুন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যদি রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের আগে কম সংস্কার চায় তাহলে ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর একটু বেশি সংস্কার চাইলে আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাবেক দুই মার্কিন রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মিলাম ও ড্যানিলোভিচ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে ড. ইউনূস সাবেক রাষ্ট্রদূতদের বলেন, ছয়টি কমিশনের সুপারিশ করা সংস্কারের বিষয়ে সংলাপ শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই মাসের সনদে সই করবে। জুলাই সনদ আমাদের পথ দেখাবে। অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই মাসের সনদে প্রদত্ত সুপারিশের কিছু অংশ বাস্তবায়ন করবে। বাকিগুলো রাজনৈতিক সরকারগুলো বাস্তবায়ন করবে।
এ সময় ড. ইউনূস অলাভজনক গোষ্ঠীর কাজ এবং বাংলাদেশে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমর্থন করার জন্য দুই কূটনীতিকের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাধীনতা অধিকারের কাজ এবং দেশকে গণতান্ত্রিক উত্তরণে সহায়তা করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশে এর কাজ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন দুই সাবেক রাষ্ট্রদূত।
১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন মিলাম। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশে ব্যাপক সংস্কার বাস্তবায়ন এবং সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বড় সুযোগ এনে দিয়েছে।
ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রদূত জন ড্যানিলোভিচ বলেন, ভুয়া সংবাদ এবং বিভ্রান্তির হুমকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের ইতিবাচক বক্তব্য ও গুরুতর প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
তারা বর্তমান বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট এবং তাদের জন্য সাহায্য হ্রাসের প্রভাব,সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রচেষ্টা এবং আসন্ন নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও আলোচনা করেন।
মন্তব্য করুন


মাগুরায় বড় বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে নির্যাতন
এর শিকার শিশুটির জীবন ভীষণ সংকটাপন্ন। শিশুটি বর্তমানে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) শিশু বিভাগের পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছে। বুধবার (১২ মার্চ) রাতে শিশুটির জন্য দেশবাসির নিকট দোয়া চেয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজ থেকে একটি
পোস্ট করা হয়েছে।
শিশুটির বর্তমান অবস্থা নিয়ে দেওয়া পোস্টটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো-
‘মাগুরায় নির্যাতনের শিকার শিশুটি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ), ঢাকায় শিশু বিভাগের পিআইসিইউতে (Pediatric Intensive Care Unit) চিকিৎসাধীন । প্রতিদিন স্ট্যান্ডার্ড আইসিইউ প্রটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা এবং তদনুযায়ী সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। শিশুটি আজ চারবার Cardiac Arrest এর শিকার হয়েছে এবং CPR প্রদানের মাধ্যমে স্থিতিশীল করা হয়েছে। তার রক্তে লবণের ভারসাম্যহীনতার কারণে ডায়ালাইসিস করা হচ্ছে। অন্যান্য জটিলতার পাশাপাশি শিশুটির রক্তচাপ ৬০/৪০ যা আরো নিম্নমুখী।
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের চিকিৎসা পর্ষদ সর্বাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে শিশুটির জীবন রক্ষার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য, গত ০৮ মার্চ ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ছয়টায় শিশুটি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকায় সংকটাপন্ন অবস্থায় ভর্তি হয়।
শিশুটির সুস্থতার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশবাসীর কাছে দোয়াপ্রার্থী।’
মন্তব্য করুন


ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের
তদন্তে জাতিসংঘকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক
আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তার্ক।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার
(৩০ আগস্ট) এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র
রাভিনা শামদাসানি।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের এই মুখপাত্র
জানান, নিরপেক্ষ ও স্বাধীন সত্য অনুসন্ধান পরিচালনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনুসের কাছ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পেয়েছেন ফলকার তার্ক। গত ১ জুলাই থেকে
১৫ আগস্টের ঘটনাগুলোর তদন্তে জাতিসংঘকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের জন্য আগামী সপ্তাহের কোনো একসময় বাংলাদেশে জাতিসংঘের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং দল আসার কথা রয়েছে। দলটিকে পূর্ণ সহযোগিতার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন তারা।
মন্তব্য করুন