

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিকাশ প্রতারক চক্রের দুই সদস্য পুলিশের কাছে ধরা পড়ে ভুক্তভোগীর টাকা ফেরত দিয়েছেন। তারা হলেন- উপজেলার সহস্রাইল বাজারের অনলাইন ব্যাংকিং এজেন্ট ও সহস্রাইল গ্রামের রংধনু টেলিকমের কিবরিয়া মোল্যা ও একই ইউনিয়নের বাড়ইকান্দী গ্রামের পঙ্কজ বাড়ই।
তাদের আটকের পর সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় ছেড়ে দেয় পুলিশ।
খুলনার খান জাহান আলী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ জানান, খুলনার শিরোমনি হাফেজিয়া মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ মফিজুল ইসলাম মিস্ত্রিকে গত ১ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাত পরিচয়ধারী এক ব্যক্তির মোবাইল ফোনে কল দিয়ে নিজেকে তার ছাত্রের অভিভাবক দাবি করে। ওই ব্যক্তি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তার মোবাইল ব্যাংকিং রকেট অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা প্রাপ্তির একটি ভুয়া ম্যাসেজ দেন।
তিনি বুঝতে না পেরে সরল বিশ্বাসে উক্ত নম্বরে ৪৫ হাজার টাকা ফেরত পাঠায়। পরে রকেট অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স চেক করলে তিনি প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে খুলনার খান জাহান আলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগী হাফেজ মফিজুল ইসলাম।
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে গিয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশের সহযোগিতায় গত শুক্রবার (৩ নভেম্বর) রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল বাজারে বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ী কিবরিয়া ও পঙ্কজ বাড়ই এর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেনের সত্যতা পাওয়া যায়।
পরে শেখর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইসরাফিল মোল্যার মধ্যস্থতায় ভুক্তভোগীর ৪৫ হাজার টাকা ফেরত দেন তারা।
শেখর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইসরাফিল মোল্যা বলেন, কিবরিয়া ও পঙ্কজ বাড়ই এর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে ভুক্তভোগীর টাকা লেনদেনের সত্যতা পাওয়া যায়। অভিযোগকারীর টাকা ফেরত দেওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত সহস্রাইল বাজারের রংধনু টেলিকমের মালিক কিবরিয়া মোল্যা বলেন, ১০/১২ দিন আগে আমার দোকান থেকে যে ব্যক্তি প্রতারণার টাকা উত্তোলন করেছে আমি তাকে চিনি না। প্রতারক চক্রের সঙ্গে আমি জড়িত নই।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক
মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে পৃথক পৃথক স্থানে ১ কোটি ৫ লক্ষ ৯৬ হাজার ১৫০
টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য এবং চোরাচালানী পণ্য জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের
দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিজিবির বিশেষ টহলদল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বাংলাদেশের
অভ্যন্তরে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন স্থান থেকে উল্লেখিত মূল্যমানের মাদকদ্রব্য, ভারতীয়
শাড়ি, থ্রি-পিস এবং কসমেটিক্স সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য এবং পণ্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস এবং বিভিন্ন ধরনের কসমেটিক্স রয়েছে, যা চোরাচালানের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে আনার চেষ্টা করা হচ্ছিল। বিজিবি এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ মিয়া,কচুয়া:
ইউটিউব দেখে ড্রাগন চাষ করে সফল হয়েছে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা বিতারা গ্রামের যুবক আক্তার বেপারী। প্রথমে ৬০টি ড্রাগন চারা রোপন করে বছর খানেক পর ২ লক্ষ টাকার ড্রাগন ফল বিক্রি করেছেন। একদিকে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটাচ্ছেন অপরদিকে বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন। প্রথমে একটু কষ্ট ও পরিশ্রম হলেও এখন সফলতার স্বপ্ন দেখছেন।
জানা যায়, বিতারা গ্রামের অধিবাসী ইসমাইল বেপারীর ছেলে আক্তার বেপারী ৩ বছর পূর্বে প্রথমে ইউটিউব দেখে যশোরের বেনাপোল থেকে সখের বশে ড্রাগন চারা ক্রয় করে বাড়ির আঙ্গিনা রোপন করেন। পরে নিজেই এবং শ্রমিকদের দিয়ে পরিচর্চা করেন। বছর খানেক যেতেই ফল ধরা শুরু হয়। এতে নিজের পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন তিনি। তার এ ড্রাগন বাগান থেকে এলাকার স্থানীয়রা চারা সংগ্রহ করছেন।
ড্রাগন চাষী যুবক আক্তার বেপারী বলেন, প্রথমে অনেকের ভুল ধারনা থাকলেও এখন আর নেই। পরিশ্রম ও পরিচর্চার কারনে প্রতি বছর ভালো ফলন আসছে। গত বছর প্রায় ২লক্ষ টাকা বিক্রি করেছি। আশা করছি চলতি মৌসুমে ভালো ফলন হবে। তাছাড়া অনেক যুবক বেকার না থেকে ইচ্ছা ও উদ্যমী হলে ড্রাগন ফল চাষ করলেও তারা লাভবান হতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


বন্যা দুর্গত অঞ্চলে ও কুমিল্লা মহানগরীর আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে সহমর্মিতা প্রকাশ করে যাচ্ছেন বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু।
উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে, কুমিল্লা জিলা স্কুলের আশ্রয় কেন্দ্রে চাহিদা মত রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, মেডিসিন, ওরস্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী দিয়ে যাওয়ার কাজ করে যাচ্ছে বিবেক ।
কুমিল্লাতে এরই মধ্যে কুমিল্লা হাই স্কুল, সংরাইশ সালেহা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,ধর্মপুর মহিলা সরকারি কলেজর আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে প্রত্যেকের চাহিদা অনুযায়ী উপহার সামগ্রী বন্টন করেছে আত্ম মানবতার সেবায় নিয়োজিত সংগঠন বিবেক ।
পাশাপাশি বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনেও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের কাজ করে আসছে সংগঠনটি ।
সহযোগিতা প্রদানের কাজ নিয়ে ইতিমধ্যেই ইউসুফ মোল্লা টিপু আশ্বস্ত করেছেন বন্য পরবর্তী সময়ে পুনর্বাসন সহ অনেক উদ্যোগ বিবেক হাতে নিয়েছে যার কার্যক্রম কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে।
এখানে
বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বিবেক সংগঠন থেকে যা কিছু করা হয় সেগুলোর আর্থিক অনুদান একমাত্র
বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু'র নিজ অর্থায়নে করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামের উলিপুরে
ব্রহ্মপুত্র নদের ঘাট এলাকা থেকে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার রাতে তাদের আটক
করা হয় এবং রোববার দুপুরে মাদক মামলায় কুড়িগ্রাম চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শনিবার
রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল উলিপুর উপজেলার হাতিয়া
ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে বাবুর চর ঘাটের পাশ থেকে মশালের চর গ্রামের একাধিক
মাদক মামলার আসামি মাদক কারবারি সরবেশ মন্ডল রফিক ওরফে দরবেশ (৩০) এবং মুসা
মিয়া (১৯) এ দুজনকে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে আটক করে। এসময় তাদের মাদক পরিবহনে
ব্যবহৃত ইঞ্জিন চালিত নৌকা জব্দ করা হয়। পরে তাদের নামে উলিপুর থানায় একটি মাদক
আইনে মামলা রুজু করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ ব্যাপারে কুড়িগ্রামের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, গত ২৪
ঘন্টায় জেলায় পুলিশ বিভিন্ন মামলায় ২০জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত সকল
আসামীকে রোববার আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের সদরপুর থানা থেকে লুট করা
অস্ত্র নিয়ে তিন তরুণ টিকটক করছিলেন। টিকটক করার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় পলাশ
হোসেন (১৮) নামে এক তরুণের।
সোমবার (১২ আগস্ট) ভোর ৬টার দিকে ঢাকার
নিউরো সায়েন্স হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গত ৬ আগস্ট গুলিবিদ্ধ
হন ওই তরুণ।
নিহত পলাশ সদরপুর উপজেলার আটরশি গ্রামের
মোশারফ হোসেনের বড় ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ আগস্ট
সকালে পলাশ তার বাবার হোটেলে কাজ করছিলেন। এ সময় তার দুই বন্ধু সদরপুর সরকারি কালেজের
একাদশ শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী পলাশকে হোটেল থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে তারা আড়াই রশি
গ্রামে পলাশের নানা মোসলেম মাতুব্বরের বাড়িতে যান। ওই বাড়ির একটি কক্ষে তারা তিনজন
একত্রিত হয়ে গত ৫ আগস্ট সদরপুর থানা থেকে লুট করে নেওয়া একটি শর্টগান নিয়ে টিকটক ভিডিও
করার জন্য অস্ত্রটি একে অপরের মাথায় তাক করে অভিনয় করতে থাকেন। হঠাৎ শর্টগান থেকে গুলি
বের হয়ে তা পলাশের মাথায় লাগে। গুলির শব্দ এবং পলাশের চিৎকার শুনতে পেয়ে বাড়ির লোকজন
ছুটে যান সেই কক্ষে। সেখানে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পরে থাকতে দেখেন পলাশকে।
পলাশকে প্রথমে তারা আটরশি বিশ্ব জাকের
মঞ্জিল হাসপাতালে নেন। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান
থেকে নেওয়া হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে
ফরিদপুর থেকে ঢাকা নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে
ছয় দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার ভোরে মারা যান পলাশ।
স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, পলাশকে
গুলি করা অস্ত্রটি সদরপুর থানা থেকে লুট হওয়া একটি শর্টগান। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের
দিন বিকেলে সদরপুর থানা থেকে ওই শর্টগান লুট করা হয়েছিল। অস্ত্রটি আটরশির একটি পরিত্যক্ত
ভবন থেকে উদ্ধার করে সদরপুরের আনসার বাহিনী এবং সেটি পরে ফরিদপুর সেনাবাহিনীর কাছে
হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার পর পলাশের ওই দুই বন্ধু ও তাদের
পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপন করায় এ ব্যাপারে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
তবে নিহত পলাশের মা পারুলি আক্তারের
দাবি, সদরপুর থানা থেকে লুট করা অস্ত্র দিয়ে তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
থানার কাজকর্ম শুরু না হওয়ায় তাৎক্ষণিক এ ব্যাপারে আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।
সদরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় পলাশের মা পারুলী আক্তার বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম
উল্লেখ করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। পলাশের মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ময়নাতদন্তের
জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। তদন্ত
করলে জানা যাবে, থানা থেকে লুট করে নেওয়া অস্ত্র দিয়ে বন্ধুরা টিকটক করতে গিয়ে গুলি
বের হয়ে পলাশ মারা গেছেন নাকি এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
মন্তব্য করুন


১৭৫ জন বরযাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে আসেন
বর। কিন্তু খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ে না করেই বিয়ের আসর থেকে চলে গেলেন বর।
গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের কালুয়ারকান্দ গ্রামে এ ঘটনা ঘটলেও আগামী
রোববার সবার উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসা করার সিদ্ধান্ত হয়।
বিয়েতে বর ছিলেন উপজেলার আয়ূবপুর ইউনিয়নের
ঘাসিরদিয়া গ্রামের আলতাব হোসেন সরকারের ছেলে সাব্বির হোসেন সরকার (৩০)।
কনের মা সেলিনা বেগম জানান, আলোচনা
করেই গত এক সপ্তাহ আগে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হয়েছে। সময়মতো বর তার আত্মীয়স্বজনসহ ১৭৫
জন বরযাত্রী নিয়ে আসেন। খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের কাবিননামায় স্বাক্ষর করবে এমন সময় বরের
বড় বোন সাবিনা ও ছোট বোন নিপা বলেন, কনের আগে বিয়ে হয়েছে দুই বাচ্চা রয়েছে— এই বিয়ে হবে না। সেসময় কনের গায়ের
জামাকাপড় জোর করে খুলে নিয়ে বিয়ের আসর থেকে বরের লোকজন বরকে নিয়ে চলে যান। কনের আগে
বিয়ে হয়েছে এটা জানতো তারা; কিন্তু দুই বাচ্চা আছে এটা মিথ্যা কথা বলেছে। ঘটনার পরে
বরের বাড়ির এলাকার চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান সরকারকে জানালে তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।
এ বিয়ে উপলক্ষে আড়াই লাখ টাকা খাওয়া-দাওয়া ও ডেকোরেশন বাবদ খরচ হয়।
বরের বড় বোন সাবিনা বলেন, কনের আগে
বিয়ে হয়েছে আর বাচ্চা আছে এটা আমরা আগে জানতাম না।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান সরকার
বলেন, আমি বর পক্ষের লোকজনকে বলেছিলাম বসে মীমাংসা করতে। তারা আসেনি।
শিবপুরের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্র
সমন্বয়ক আসিফ, রাকিব, সুমনা ও সাহেদের কাছে কনের মা অভিযোগ করলে তারা বরের বাড়িতে
গেলে বর ও বরের বাবাকে না পেয়ে বরের মামাকে থানায় নিয়ে আসেন। থানার ওসি উপস্থিত না
থাকায় আগামী রোববার সবার উপস্থিতিতে বসে মীমাংসা করা হবে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আফজাল হোসেন জানান, শিবপুরের ছাত্র সমন্বয়করা বরের বাড়িতে গেলে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মুন্সীগঞ্জে দেশীয়
বিষাক্ত মদপানে প্রাণ গেল ৫ জনের। শুক্রবার (০৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে রহমতউল্লাহ
বেপারী (৬৫) নামে আরও একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় আরও দুইজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর)
সকাল ১০টার দিকে তাকে স্থানীয় কাঠাদিয়ায় দাফন করা হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার (০৪ সেপ্টেম্বর)
ও শুক্রবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময়ে মুন্সীগঞ্জ সদরে দুইজন ও টংগীবাড়ী উপজেলায় বিষাক্ত
মদপানে দুইজন নিহত হন ।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীনরা
হলেন- আল আমিন সরকার (৪৫) ও সিজান বেপারী (২৬)।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন-
টংগিবাড়ী উপজেলার কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়নের কাঠাদিয়া গ্রামের ইব্রাহিম মুন্সী (৭০),
বাচ্চু বেপারী (৬৫), রহমতউল্লাহ বেপারী (৬৫), সদর উপজেলার মহাকালি ইউনিয়নের ঘাসিপুকুরপাড়
এলাকার হোসেন ডাক্তার (৬৫) ও নুরপুকুরপাড় এলাকার আমির হোসেন (৬০)।
স্থানীয়রা জানান,
বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন একসঙ্গে দেশীয় মদপান করার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে
নেওয়ার পথে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে তাদের মৃত্যুবরণ হয় এবং দাফন করা হয়।
টংগীবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মহিদুল ইসলাম বলেন, বিষাক্ত মদপানে টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় তিনজন নিহত
হয়েছেন।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শোভারামপুর ও লালবাগ এলাকা থেকে ৯২ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (১৭ জানুয়ারী) দুপুরে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শোভারামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৯২ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার কনেশতলা গ্রামের হাজী আব্দুল ওহাব এর ছেলে কামাল হোসেন (৩২)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গতকাল (১৭ জানুয়ারী) বিকালে সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন লালবাগ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। ৩ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার আড্ডা গ্রামের অনিল দাস এর ছেলে পিল্টন দাস (২৬)।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিল, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) কুমিল্লা প্রেসক্লাব সংলগ্ন সড়কে হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনে গণহত্যার বন্ধ করার দাবীতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- হেযবুত তওহীদ চাঁদপুর জেলা সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক,হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা বাণিজ্য সম্পাদক তসলিমা মোবারক আজাদ, হেযবুত তওহীদ লাকসাম উপজেলা সভাপতি মোঃ ফয়সাল মোহাম্মদ,হেযবুত তওহীদ সদর উপজেলা সভাপতি সুজন আলী, হেযবুত তাওহীদ কুমিল্লা জেলা সদস্য ইয়াসিন আরাফাত সহ আরও অনেকে।
বক্তাগণ বলেন, ৭৫ বছরের হত্যাযজ্ঞের পরে এবার ইসরায়েল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই ভূমিতে আর কোনো একজন মুসলমানকেও থাকতে দেওয়া হবে না। এ হৃদয়বিদারক, ন্যাক্কারজনক ও পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষী সমগ্র বিশ্ব। এমন একটি পরিস্থিতিতেও গোটা মুসলিম বিশ্বের সরকারগুলো, বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা, জাতিসংঘ, ওআইসি, আরব লীগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলো নীরব। প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোও যেন চোখে ঠুলি পরে আছে। এই বিপর্যয় থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে, জাতির মধ্যে বিরাজিত সব ফেরকা, মাজহাব, দলাদলি এই মুহূর্ত থেকে বাদ দিয়ে আমাদেরকে আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
মন্তব্য করুন


গতকাল খাগড়াছড়ি
ও আজ রাঙামাটিতে সৃষ্ট সমস্যা নিরসনে আন্তরিকভাবে কাজ করছে সরকার।
শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত বুধবার এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি ও পরবর্তীতে তার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান হামলা, আক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনায় সরকার গভীরভাবে দুঃখিত এবং ব্যথিত।
প্রধান উপদেষ্টার মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো বার্তায় আরো বরা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সকল বাহিনীকে সর্বোচ্চ সংযম দেখাতে এবং পার্বত্য তিন জেলায় বসবাসকারী সকল জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর।
বার্তায় আরো বলা হয়, আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া এবং ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত না হওয়ার জন্য সকলকে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। আইন নিজ হাতে তুলে নেওয়া এবং যে কোনো সম্পত্তি ধ্বংস করা দণ্ডনীয় ও গর্হিত অপরাধ। সহিংসতার সঙ্গে সম্পর্কিত সকল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত আর দায়ী ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি খুব শিগগিরই গঠন করা হবে। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মিডিয়া উইং এ আরো বলা হয়, আগামীকাল শনিবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি পরিদর্শন করবেন। এই প্রতিনিধি দলে থাকছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা এবং প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।
এর আগে খাগড়াছড়িতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তারা হলেন, ধনঞ্জয় চাকমা (৫০), রুবেল ত্রিপুরা (২৫) ও জুনান চাকমা (২০)।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
খাগড়াছড়ির সহিংসতা ও মৃত্যুর
ঘটনার পর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে আরেক পার্বত্য শহর রাঙ্গামাটিতেও। এতে একজনের মৃত্যু
হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন