

গোপালগঞ্জ
জেলায় প্রেমঘটিত কারণে হতাশা থেকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঘনিষ্ঠ দুই বন্ধু আত্মহত্যা করেছেন।
সোমবার ও মঙ্গলবার (১৩
ও ১৪ মে) জেলার কোটালীপাড়া উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার
(১৪ মে) সকালে গাছে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় যুবক পল্লব বাড়ৈর (২২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার শিকির বাজার গ্রামের গণেশ বাড়ৈর ছেলে।
সোমবার
(১৩ মে) নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় অশ্রু বিশ্বাসের (২৪) মরদেহ উদ্ধার হয়। তিনি উপজেলার ছিকটিবাড়ী গ্রামের আশুতোষ বিশ্বাসের ছেলে।
মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে গাছে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পল্লব বাড়ৈ (২২) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ। এর আগে সোমবার
(১৩ মে) সকালে নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র অশ্রু বিশ্বাস (২৪)।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্র পল্লব বাড়ৈর বরিশালের একটি মেয়ের সঙ্গে ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু মেয়েটি হটাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন পল্লব। সোমবার ভোরে তাকে ঘরে না পেয়ে তাকে খুঁজতে বের হন পরিবারের সদস্যরা।
মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশে একটি গাছে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পাই পরিবারের মানুষ। এরপর পুলিশে খবর দেয় তারা। পুলিশ এসে পল্লব বাড়ৈর মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় তার পকেট থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। সেখানে লেখা ছিল, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।
অন্যদিকে, সোমবার (১৩ মে) ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পল্লব বাড়ৈর বন্ধু অশ্রু বিশ্বাস গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। প্রতিবেশী এক মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সর্ম্পক ছিল। মেয়েটির অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। কিছুদিন ধরে বিয়ের জন্য পরিবারকে চাপ দিচ্ছিলেন অশ্রু বিশ্বাস। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ করতেন তিনি। সোমবার সকালে নিজ কক্ষে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
কোটালীপাড়া থানার এসআই আতাউর রহমান জানান, এ ঘটনায় দুইটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পল্লব বাড়ৈ প্রেমে ব্যর্থ হয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানতে পেরেছি। অপরদিকে, অশ্রু মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, চাঁদপুর প্রতিনিধি :
চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভায় ৫নং ওয়ার্ডের কড়ইয়া গ্রামের পূর্ব বিলে লোডশেডিংয়ের কারনে চলতি মৌসুমের ইরি-বোরো ধানের পানি সেচ নিয়ে বিপাকে রয়েছেন কৃষকরা। এতে করে কৃষকরা ভালো ফলন নিয়ে খুবই চিন্তিত। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারনে ওই বিলের কৃষকরা ইরি ধানের ফলন ঘরে তোলা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে,কচুয়া পৌরসভাধীন কড়ইয়া গ্রামের পূর্ব বিলে প্রায় ৫শ একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। চলতি বছরের ওই বিলের বোরো ধানের থোর বের হলেও পানি না থাকার কারনে ভালো ফলন নিয়ে ঘরে ফেরার দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা। এছাড়া সরকারি খাস ভূমিগুলো ইচ্ছে মত দখল করে নেয়ায় পানি চলাচল করতে পারছে না। এসব খাস ভূমিগুলো অসাধু দখলদারীদের কাছ থেকে উদ্ধারের দাবী জানিয়েছে কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষক জাহাঙ্গীর হোসেন, মনির হোসেন, আব্দুল আউয়ালসহ একাধিক কৃষকরা জানান, চলতি মৌসুমে এই মাঠে আমরা বোরো ধান চাষ করেছি। কিন্তু ঘন ঘন লোডশেডিং হওয়ায় সেলু মেশিন থেকে আমাদের ফসলী জমিতে পানি আসছে না। তারা আরো জানান, পার্শ¦বর্তী এলাকায় বিদ্যুৎ থাকলেও আমাদের এ অঞ্চলে বিদ্যুৎ থাকেনা। তাই কৃষি জমির ফসলী উৎপাদনের লক্ষে জনস্বার্থে বিদ্যুতের ঘাটতি কমিয়ে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ দেয়ার জোড় দাবী করছি।
ওই মাঠের আলী হোসেনের সেলু মেশিনের লাইনম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমি গত বেশ কয়েক বছর যাবৎ এই সেলুতে লাইন ম্যানের কাজ করছি। কিন্তু এবারের মত এত ভয়াবহ লোডশেডিং কখনো দেখিনি। বিদ্যুৎ একবার গেলে আর আসার নাম থাকে না। কখনো কখনো বিদ্যুৎ আসলে সেলু মেশিন চালু দিলে ড্রেইনে পানি প্রবেশের আগেই বিদ্যুৎ চলে যায়।
কচুয়া কৃষি অফিসের উপ-সহকারি কর্মকর্তা টিটু মোহন সরকার বলেন, স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ফসলী জমি দেখতে পরিদর্শনে আসি। চাহিদা মত বিদ্যুৎ না থাকায় অধিকাংশ ফসলী জমিতে পানি নেই। ফসলী ধানের জমিতে পানি না থাকলে কৃষকদের ক্ষতি সাধন হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২৫ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি
কাভার্ডভ্যান গাড়ীসহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানার পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাত ২ টা ৪৫ মিনিটে
চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আলমগীর সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
চৌদ্দগ্রাম থানাধীর সুজাতাপুর লাকি হোটেলের পশ্চিম পাশে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী মহাসড়কে
একটি কাভার্ডভ্যান তল্লাশী করে ১২৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ মোরশেদ আলম
সোহেল, মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ সাদ্দাম হোসেন ও মোঃ ওমর ফারুককে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো-১। খাগড়াছড়ি
জেলার মানিকছড়ি থানাধীন যোগ্যছোলা ৬নং ওয়ার্ড এলাকার খোরশেদ আলম এর ছেলে মোঃ মোরশেদ
আলম সোহেল (২৫), ২। নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানাধীন সাং—মাছিমপুর, ০৪নং ওয়ার্ড, ১৬নং
নেওয়াজপুর ইউপি এলাকার হাজী তোফায়েল আহমেদ এর ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন (৩৮), ৩।খাগড়াছড়ি
জেলার মানিকছড়ি থানাধীন সাং—যোগ্যছোলা, (চেয়ারম্যানপাড়া) ৬নং ওয়ার্ড, ৩নং যোগ্যছোলা
ইউপি এলাকার মোঃ সাজু মিয়ার ছেলে মোঃ সাদ্দাম হোসেন (২৫), ৪। চট্টগ্রাম জেলার ভুজপুর
থানাধীন পশ্চিম সাপমারা এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ ওমর ফারুক (১৯)।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবীদ্বারে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ হল রুমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা- ৪ দেবীদ্বার আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালাম আজাদ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিগার সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম, কুমিল্লা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ ফরহাদ হোসেন, সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ মুনীর হোসাইন খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি কাজী মোঃ মতিউল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


আসছে ঈদে হবিগঞ্জ জেলায় প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার ভিজিএফ কার্ডধারী নারী-পুরুষকে ১০ কেজি করে সরকারি চাল দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং পৌরসভায় চাল বিতরণ কার্যক্রম চলছিল।
হবিগঞ্জের ৫টি পৌরসভায় ২৪ হাজার ৬৪৫ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ২৪৬.৪৫০ মেট্রিক টন চাল দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া ৯ উপজেলার ৭৯ হাজার ৩৫৪ জন কার্ডধারী পাচ্ছেন আর ৭৯৩.৫৪০ মেট্রিক টন। প্রতিজনকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে।
ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় এ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয় বলে জেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তারা জানান, ৯ উপজেলার ৭৮টি ইউনিয়ন ও ৬ পৌরসভায় এ চাল বিতরণ করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এ চাল বিতরণ কার্যক্রম চলছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নাঙ্গলকোটে আলোচিত গণধর্ষনের ঘটনায় জড়িত একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ০৯/০১/২০২৫ ইং তারিখ দুপুর ১ টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানাধীন নুরপুর সাকিনস্থ সেবাখোলা বাজারের খোকন স’মিলের টিনের ঘরের ভিতর দুই নারীকে গনধর্ষণ এর ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম লাকি বেগম (৪০) বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে একটি গনধর্ষণ মামলা দায়ের করে। উক্ত ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ২৯ জানুয়ারী দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন ধামতী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষন মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী মোঃ খোকন (৪২), পিতা-আলী মিয়া, সাং-করের ভোমরা, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত
আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম মায়া খাতুন (২০) এর সাথে ১ নং আসামী
সহিদ (২৬) এর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ঘটনার দিন সকালে আসামী সহিদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে
ভিকটিমকে দেখা করার জন্য আসতে বলে। তখন ভিকটিম মায়া খাতুন তার সাথে অন্য ভিকটিম লাকি
বেগম (৪০)’কে নিয়ে বাঙ্গড্ডা বাজারে গেলে আসামী সহিদ ভিকটিমদ্বয়কে নিয়ে অটোরিক্সাযোগে
বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাফেরা করে এবং একপর্যায়ে ভিকটিম মায়া খাতুন’কে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব
দেয়। ভিকটিম মায়া উক্ত প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। পরবর্তীতে
আসামী সহিদ সুযোগ বুঝে ভিকটিমদ্বয়কে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় এবং তার পরিকল্পনা মোতাবেক
সেখানে পূর্ব থেকে ৭-৮ জন অবস্থান করছিল। ভিকটিমদ্বয়কে সেখানে নেয়ার পর আসামী সহিদ’সহ
অন্যান্য ৭-৮ জন আসামী মিলে ভিকটিমদ্বয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ
করে এবং কাউকে কিছু না বলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে। পরবর্তীতে ধৃত আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা
গ্রেফতার এড়াতে আত্নগোপনে চলে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম ফকিরবাজার এলাকায় অপরাধী চক্রের একটি টর্চার সেলের সন্ধান পায় সেনাবাহিনী।
আর সে টর্চার সেল থেকে দেশীয় অস্ত্র ও এলজিসহ সালাউদ্দিন খান (৩৮) নামে একজনকে আটক করে সেনাবাহিনী।
২৩ বীর সেনাবাহিনীর চৌদ্দগ্রাম স্টেশনের কর্মকর্তা মেজর মাহিন জানান, সালাউদ্দিন খানসহ স্থানীয় সন্ত্রাসীরা কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষকে জোরপূর্বক ধরে এনে টর্চার সেলে অমানবিক নির্যাতন চালাতো। টর্চার সেলে অস্ত্র মজুত রাখা ও নির্যাতনের অভিযোগটি আগেই আমরা পেয়েছি। পরে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। রোববার রাতে উপজেলার ফকির বাজারে রিয়াজ হুসাইন কামালের ‘লন্ডন বাড়ি'র টর্চার সেলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী। এ সময় অস্ত্রসহ মূল হোতা সালাউদ্দিনকে আটক করা হয়। তবে সালাউদ্দিনের সহযোগীরা সেনাবাহিনীর অবস্থান টের পেয়ে পালিয়ে যায়। সালাউদ্দিন খান স্বীকারোক্তি দিয়েছে। মানুষকে টার্গেট করে টর্চার সেলে এনে জিম্মি করতো তারা। নির্যাতন চালিয়ে আদায় করতো অর্থ। সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটককৃত সালাউদ্দিন চৌদ্দগ্রাম থানার গুণবতী কালিয়াতর (বিষ্ণুপুর) গ্রামের শাহজাহান খানের ছেলে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চান্দিনায় ঘরে ঢুকে বীনা রানী রায় (৫৮) নামে এক গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে সাড়ে ৮টায় উপজেলার বরকইট ইউনিয়নের বরকইট দক্ষিণপাড়া শীল বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বীনা রানী রায় ওই গ্রামের দিলীপ কুমার রায়ের স্ত্রী।
নিহতের ছেলে তাপস রায় জানান- আমরা সবাই বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করি, বাড়িতে মা ও বাবা থাকেন। আমার মা প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যায় পূজা-অর্চনা শেষে ঘরে টিভি দেখছিলেন, বাবা দোকানে চা পান করতে যান। এমন সময় দুষ্কৃতিকারীরা ঘরে ঢুকে আমার মায়ের মাথায় এলোপাথারি পিটাতে থাকে। এ সময় আমার পাশের ঘরের এক জেঠা আমার মায়ের চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজনকে সাথে নিয়ে আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আমার মাকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বোন শংকরী রানী রায় জানান- পারিবারিক সম্পত্তির জেরে তার ভাসুর সুরেশ চন্দ্র রায়ের সাথে দীর্ঘদিন ঝামেলা চলে আসছিলো। গত কয়েকদিন আগেও মামলা হয়েছে এসব ঘটনা নিয়ে। আমি আমার স্বামীর বাড়িতে ছিলাম। ফোনে খবর পেয়ে এসে দেখি কে বা কাহারা আমার বোন কে হত্যা করেছে।
এব্যাপারে সুরেশ চন্দ্র রায় বলেন- তাদের সাথে আমাদের পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্ধ আছে। কিছুদিন পূর্বেও তারা আমার উপর হামলা করেছিলো। এঘটনায় মামলা চলমান রয়েছে৷ তবে গতকালের হত্যার ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে এব্যাপারে আমরা কিছু জানিনা।
বরকইট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূরে আলম জানান- স্থানীয়ভাবে যেটুকু জেনেছি পূর্ব শত্রুতা জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের সাথে তাদের দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরূপ চলে আসছে।
এ ব্যাপারে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান- মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে কি কারণে এই ঘটনা, বা কারা ঘটিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি। আমাদের একাধিক টিম রহস্য উদঘাটন সহ দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক মসজিদ হচ্ছে পাগলা মসজিদ। কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এ মসজিদটির ৯টি লোহার দানবাক্স রয়েছে।
প্রতি ৩মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এবার ৩ মাস ২০ দিন পর দানবাক্সগুলো খুলে ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে।
শনিবার ( ৯ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক কাজী মহুয়া মমতাজের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এ সময় ২৩ বস্তা টাকাসহ বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার গয়না পাওয়া গেছে। এখন গণনার কাজ চলছে।
এ সময় জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, টাকা গণনা কাজে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ.টি.এম ফরহাদ চৌধুরী, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) শেখ জাবের আহমেদ, সহকারী কমিশনার রওশন কবীর, মাহমুদুল হাসান, সামিউল ইসলাম, আজিজা বেগম, মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান, রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রফিকুল ইসলাম, ব্যাংকের ৫০ জন স্টাফ, মাদরাসার ১১২ জন ছাত্র, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সদস্য অংশ নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) নিজস্ব পদ্ধতিতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান)
শ্রেণির ‘সি’ ও ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
আজ
শনিবার (১৯ এপ্রিল) ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে ১১টায় এবং
‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বিকাল ৩টা থেকে শুরু হয়ে ৪টায় শেষ হয় । কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ
মোট ৯টি কেন্দ্রে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এবং ২৬টি কেন্দ্রে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, আজকে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে
সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হল ঘুরে দেখেছি।
কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কেন্দ্রগুলোতেও পরীক্ষার পরিবেশ ভাল ছিল। সুষ্ঠু পরীক্ষা
গ্রহণ ও জালিয়াতি প্রতিরোধে আমরা সতর্ক ছিলাম। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি করা
ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ছিল। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের
বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটস সদস্যরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের প্রত্যেকেই নিজ
নিজ দায়িত্বের প্রতি আন্তরিক ছিল বলেই ‘সি’ ও ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুন্দরভাবে
সম্পন্ন হয়েছে। সামনের ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষাতে আমরা আরও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা
করবো। পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রক্টরিয়াল বডি, কর্মকর্তা-কর্মচারী,
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ
জানান।
উপ-উপাচার্য
অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, আজকের পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী,
প্রক্টরিয়াল বডি, কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট,
সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভর্তি পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ ভাল
ছিল। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আগামী ২৫ তারিখ ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হবে। আজকের মতো ঐদিনও সবাই আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।
ট্রেজারার
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের দাবীর প্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
এ বছর স্বতন্ত্রভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবং নিরাপত্তা
নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, সাংবাদিক
সবাই সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ ভর্তি কার্যক্রম
সহজ করতে এগিয়ে এসেছে। আইন-শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্ন না ঘটে, পরিবহন সমস্যা যাতে না হয়, সেজন্য
তারা নিজ উদ্যোগে কাজ করেছে। তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং আগামীতেও তারা এভাবে সহযোগিতা
অব্যাহত রাখবেন বলে আমি আশাবাদী।
প্রক্টর
অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে সবাই কঠোর পরিশ্রম করেছেন। সকলের
সহযোগিতায় আমরা সুন্দরভাবে পরীক্ষা নিতে পেরেছি। আমরা সফল। আগামীতে আমরা আরো ভালো করতে
চেষ্টা করবো।
২৪০
আসনের বিপরীতে ‘সি’ ইউনিটে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ হাজার ৯৫২ জন। তারমধ্যে উপস্থিত ছিল
৭ হাজার ৬৪৬ জন। উপস্থিতির হার ৭৬.৮৩ শতাংশ। অপরদিকে ৩৫০ আসনের বিপরীতে ‘এ’ ইউনিটে
মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩২ হাজার ৬৫৭ জন।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
কুমিল্লা মহেশাঙ্গণ শ্রী শ্রী লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হারাধন ভৌমিক ও কুমিল্লা সরকারি কলেজের প্রাক্তন ভিপি চিত্তরঞ্জন ভৌমিক এর গর্ভধারিনী মাতা এবং চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার আবুতোরাবস্থিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ ধাম, শিব মন্দির ও কালীমাতা বিগ্রহ বাড়ী পরিচালনা পরিষদের প্রাক্তন উপদেষ্টা স্বর্গীয় গোপাল কৃষ্ণ ভৌমিক এর সহধর্মিণী এবং শ্রী শ্রী মা নয়নমণি শ্রীধাম পরিচালনা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শ্রী মিহির কান্তি নাথের শাশুড়ী মাতা স্বর্গীয় কিরণ বালা ভৌমিক এর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
গত বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) মৃতার নিজ বাসায় শ্রাদ্ধকার্য অনুষ্ঠিত হয়।
তদুপলক্ষে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শেষে পরদিন শুক্রবার দুপুরবেলা কুমিল্লা মহেশাঙ্গণে শাকান্নভোজ এর আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ যে, চলতি বছর ২৯ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রয়াত কিরণ বালা ভৌমিক বার্ধক্যজনিত কারণে ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন। তিনি মৃত্যুকালে হারাধন ভৌমিক, চিত্তরঞ্জন ভৌমিক, অমূল্য ধন ভৌমিক, পূর্ণধন ভৌমিক, জর্নাধন ভৌমিককে ০৫ (পাঁচ) পুত্র এবং বর্ণানী ভৌমিক ও জয়ন্ত ভৌমিককে (০২) দুই কন্যা, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনি ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
মন্তব্য করুন