

শনিবার (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে রমনায় নিরাপত্তার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে ব্রিফিংকালে বর্ষবরণ ঘিরে হামলার শঙ্কা নেই জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে আয়োজিত উৎসবে নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন,পহেলা বৈশাখের উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ কিন্তু সেই আয়োজনে অতীতে হামলা হয়েছে। তাই নিরাপত্তার জন্য আমরা শতভাগ প্রস্তুত রয়েছি। তবে সন্ধ্যার আগে সব অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, মানুষে পহেলা বৈশাখ পালনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। রাজধানীতে বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে। যেসব জায়গায় অনুষ্ঠান হবে, ডিএমপির পক্ষ থেকে সেসব জায়গা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ডিবি, এসবিসহ গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
হাবিবুর রহমান বলেন, ঢাকার বিভিন্ন স্পট ওয়াচ টাওয়ার, ড্রোন ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণ রাখবে ডিএমপি।
যানবাহন চলাচলের জন্য কিছু জায়গায় ডাইভার্শন দেওয়া থাকবে উল্লেখ করেও তিনি বলেন, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা হবে আজ সন্ধ্যা থেকেই। আগামীকাল রোববারও (১৪ এপ্রিল) যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে আজ থেকে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু।
শিক্ষকদের সাত দিনের এ প্রশিক্ষণ চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ।
এ প্রশিক্ষণ পরিচালনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে ডিসেমিনেশন অব নিউ কারিকুলাম স্কিম। এতে প্রশিক্ষণ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
প্রথম ধাপে ৪৭৭টি উপজেলায় ৫০৮টি ব্যাচে শিক্ষক প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে। আর এ প্রথম পর্যায়ে প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ইআইআইএন-ধারী (এডুকেশনাল ইনস্টিটিউট আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ।
নির্ধারিত দিনে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে এ শিক্ষক প্রশিক্ষণ।
মন্তব্য করুন


রোববার (২১ জানুয়ারি) স্পেকট্রাম বিভাগের পরিচালক ড. মো. সোহেল রানার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে ,দেশে ব্যবহৃত অবৈধ মোবাইল ফোন শিগগির নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে ।
এতে বলা হয়, বিটিআরসি জাতীয় পরিচিতি ও নিবন্ধিত সিম কার্ডের সঙ্গে ট্যাগিং করে প্রতিটি মোবাইল নিবন্ধনের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণ বা প্রদান নিশ্চিত করা, অবৈধভাবে উৎপাদিত বা আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ করার উদ্দেশ্যে এনইআইআরের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপে শুরু হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব আহরণ নিশ্চিত সম্ভব হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের চুরি ও অবৈধ ব্যবহার রোধ হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এনইআইআরের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপে চালু করে শিগগির অবৈধ মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে। এ পরিস্থিতিতে সবাইকে মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে বৈধতা যাচাই করে নিতে হবে।
বিটিআরসি জানিয়েছে ,মোবাইল কেনার আগে মেসেজ অপশন থেকে KYD ও ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর লিখে (উদাহরণ স্বরূপ: KYD 123456789012345) ১৬০০২ নম্বরে প্রেরণের মাধ্যমে হ্যান্ডসেটের বৈধতা যাচাই করা যাবে ।
১৬ জানুয়ারি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক দেশে অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন ।
ওইদিন তিনি বলেন, দেশে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিবন্ধনবিহীন মোবাইল ফোনগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। মোবাইল ফোনের ডেটাবেজ এবং অটোমেটিক রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা বিটিআরসির রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বুধবার (২০ মার্চ) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ‘প্রত্যয় স্কিম’ নামে নতুন স্কিম চালু করা হয়েছে। সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য প্রত্যয় স্কিমের রূপ রেখা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের ১ জুলাই ও তারপরে নতুন যোগদান করবেন তাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভূক্ত করেছে সরকার।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৩ মার্চ জারি করা এসআরও (নং-৪৭-আইন/২০২৪) এর মাধ্যমে সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরে নতুন যোগদান করবেন, তাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভূক্ত করেছে সরকার।
এছাড়া ১৩ মার্চ জারি করা এসআরও (নং-৪৮-আইন/২০২৪) এর মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য প্রত্যয় স্কিমের রূপ রেখা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রত্যয় স্কিম চালুর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান কর্মকর্তা/কর্মচারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হবে না এবং তাদের বিদ্যমান পেনশন/আনুতোষিক সুবিধা অক্ষুণ্ন থাকবে।
তবে, যাদের ন্যূনতম ১০ বছর চাকরি অবশিষ্ট আছে তারা আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অবসর জীবনে মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন বিধায় চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরবর্তী সময়ে নতুন যোগদান দেওয়া কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, বিদ্যমান ব্যবস্থায় খুব কম সংখ্যক স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে পেনশন স্কিম চালু রয়েছে। এ ধরনের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা আনুতোষিক স্কিমের আওতাভুক্ত এবং তাদের জন্য সিপিএফ ব্যবস্থা প্রযোজ্য। উক্ত ব্যবস্থায় কর্মচারীরা চাকরি শেষে অবসর সুবিধা হিসাবে এককালীন আনুতোষিক প্রাপ্য হন, কিন্তু মাসিক কোনো পেনশন প্রাপ্য হন না।
ফলে অবসরোত্তর জীবনে প্রায় ক্ষেত্রেই আর্থিক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হন। কর্মচারীদের অবসরোত্তর জীবনের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা প্রদানে বিদ্যমান ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে সরকার ‘প্রত্যয় স্কিম’ প্রবর্তন করেছে। প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর প্রাপ্ত মূল বেতনের ১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা, যাহা কম হয় তা কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বেতন থেকে কর্তন করা হবে এবং সমপরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা প্রদান করবে।
এরপর উভয় অর্থ ওই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ওই কর্মকর্তা/কর্মচারীর কর্পাস হিসাবে জমা করবে। এ প্রক্রিয়ায় ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীর পেনশন ফান্ড গঠিত হবে এবং ওই ফান্ড জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাভজনক খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রাপ্য মুনাফা এবং চাঁদা হিসাবে জমা করা অর্থের ভিত্তিতে পেনশন প্রদান করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যমান সিপিএফ ব্যবস্থায় কর্মচারী মূল বেতনের ১০ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠান মূল বেতনের ৮.৩৩ শতাংশ প্রদান করে থাকে। প্রত্যয় স্কিমে প্রতিষ্ঠান প্রদান করবে মূল বেতনের ১০ শতাংশ যা সিপিএফ ব্যবস্থা থেকে ১.৬৭ শতাংশ বেশি। প্রত্যয় স্কিমে একজন ব্যক্তি একটি প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা নিজ বেতন থেকে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে একই পরিমাণ টাকা ৩০ বছর চাঁদা প্রদান করলে তিনি অবসর গমনের পর অর্থ্যাৎ ৬০ বছর বয়স থেকে মাসিক ৬২ হাজার ৩৩০ টাকা হারে পেনশন প্রাপ্য হবেন।
তবে এ ক্ষেত্রে ৩০ বছর ধরে মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা হারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ বেতন থেকে প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ নয় লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ নয় লাখ টাকা। অর্থ্যাৎ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারী মিলিয়ে সর্বমোট চাঁদার পরিমাণ হবে ১৮ লাখ টাকা। তিনি যদি ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তবে ১৫ বছরে পেনশন প্রাপ্য হবেন এক কোটি ১২ লাখ ১৯ হাজার ৪০০ টাকা। যা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ জমার ১২.৪৭ গুণ।
মন্তব্য করুন


বিমান
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ থেকে আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে প্রায়
১৯ কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায়
আসা উড়োজাহাজ থেকে এই সোনা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় ঢাকা কাস্টম হাউজ।
সংস্থাটি
জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি (বিজি-১৪৮) আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। উড়োজাহাজটির কার্গো হোল্ড থেকে
সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা
কাস্টম হাউজের অতিরিক্ত কমিশনার কামরুল হাসান জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কাস্টমসের
কর্মকর্তাদের যৌথ দল উড়োজাহাজটির কার্গো হোল্ড থেকে স্কচটেপ পেঁচানো অবস্থায় মোট
১৬০টি সোনার বার উদ্ধার করে। এসব সোনার বারের ওজন ১৮ কেজি ৭০০ গ্রাম। দাম প্রায় ৪২
কোটি টাকা।
তিনি
বলেন, সোনার বারগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায়
মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক
এক দিনে ১ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
৭ জানুয়ারি কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০
বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিজিবির বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পৃথক পৃথক স্থান হতে সর্বমোট ১,০১,০৮,১৭৫/- (এক কোটি এক লক্ষ
আট হাজার একশত পঁচাত্তর) টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন প্রকার চোরাচালানী পন্য
সামগ্রী জব্দ করে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ, বিজিবিএমএস, পিবিজিএমএস,পিএসসি।
ভিডিও- কুমিল্লায় অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে বিজিবি
মন্তব্য করুন


ভেনেজুয়েলায়
ভয়াবহ ভূমিকম্পে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিখোঁজ আর্জেন্টাইন ফুটবলারের। এমন সংবাদ ছাপা
হয়েছিল দু’দিন আগে। অবশেষে খবর এলো, আর্জেন্টিনার সেই ফুটবলারের স্ত্রী
এবং সন্তানরা আর বেঁচে নেই। ভূমিকম্পে নিহত হয়েছে তারা।
আর্জেন্টাইন
ডিফেন্ডার লুকাস ত্রেহোর স্ত্রী ও দুই সন্তানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভেনেজুয়েলার
শীর্ষস্থানীয় ক্লাব দেপোর্তিভো লা গুয়াইরা। ভূমিকম্পে নিহত হয়েছেন ত্রেহোর স্ত্রী ইয়ানিনা
মারানেয়া এবং তাদের দুই সন্তান অ্যারন ও আইনহোয়া ত্রেহো।
ভেনেজুয়েলার
ইয়ারাকুই অঞ্চলে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানলে তাদের অ্যাপার্টমেন্ট ভবনটি
ধ্বসে পড়ে। ভবন ধ্বসের পর পরিবারটিকে নিখোঁজ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে উদ্ধারকারী দল তাদের
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।
ঘটনার
সময় ত্রেহো ঘটনাস্থলে ছিলেন না। ভেনেজুয়েলা লিগে খেলেন ত্রেহো। সামনের ম্যাচের প্রস্তুতির
জন্য ক্লাবের সঙ্গে রাজধানী কারাকাসে অবস্থান করছিলেন।
এক
বিবৃতিতে দেপোর্তিভো লা গুয়াইরা জানায়, ‘ক্লাবের পক্ষ থেকে আমরা খেলোয়াড় লুকাস ত্রেহোর
স্ত্রী ইয়ানিনা মারানেয়া এবং তার সন্তান অ্যারন ও আইনহোয়া ত্রেহোর মর্মান্তিক প্রয়াণে
গভীর শোক প্রকাশ করছি। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং লুকাস ও তার সকল প্রিয়জনের
প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
ত্রেহোর
পরিবার উপকূলীয় এলাকা প্লায়া গ্রান্দেতে অবস্থান করছিল, যা দুটো ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি। সেখানেই তাদের বসবাস করা আবাসিক ভবনটি ধ্বসে পড়ে।
পরিবারের
সদস্য, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক এবং পেশাদার উদ্ধারকর্মীদের সহায়তায় স্ত্রী ও সন্তানদের
খুঁজে পেতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছিলেন অভিজ্ঞ এই আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার। কিন্তু শেষ
পর্যন্ত সেই অনুসন্ধান শেষ হয় শোকাবহ পরিণতিতে।
মৃত্যুর
খবর নিশ্চিত হওয়ার আগে ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন এক পোস্টে তিনি পরিবারের খোঁজ চেয়ে লিখেছিলেন,
‘প্লায়া গ্রান্দেতে আমাদের ভবনটি ধ্বসে পড়েছে। আমার পরিবারের কোনো খোঁজ পাচ্ছি না।
দয়া করে তাদের জন্য প্রার্থনা করুন এবং কেউ যদি তাদের দেখে থাকেন, তাহলে এই বার্তাটি
ছড়িয়ে দিন। আমি বিশ্বাস করতে চাই, তারা ভবনের ভেতরে ছিল না। দয়া করে আমার পরিবারের
জন্য প্রার্থনা করুন।
শনিবার
জাতিসংঘের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা এই ডাবল ভূমিকম্পে প্রায়
৭০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এ পর্যন্ত ১৪০০’রও
বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
জাতিসংঘের
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, জনসংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য বিশ্লেষণ করে
তারা ধারণা করছে, ২৪ জুন ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা এই ভয়াবহ ভূমিকম্পে সর্বোচ্চ ৬৭ লাখ
৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লাসহ সারা দেশে আলোচিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রধান আসামি নিহতের স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়ের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
আজ ২০ মে বুধবার সোয়া ১১টার দিকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১ নং আমলী আদালত) মমিনুল হকের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অমর্ত্য মজুমদার আসামিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বিবাদী পক্ষের আইনজীবী মাসুদ সালাউদ্দিন ও মাহবুবুল হক খন্দকারসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানান। অপরদিকে, বাদী পক্ষের আইনজীবী তাফসীরুল আলমসহ ১০/১৫ জন আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে মামলার বাদী নিহত ফারিহার বাবা স্কুল শিক্ষক মো: হানিফ মজুমদার, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ফারিহার মায়ের আহাজারিতে আদালত প্রাঙ্গণ ভারী হয়ে ওঠে। তিনি তাঁর মেয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এবং মেহেদী হাসান হৃদয়ের বাসায় থাকা ফারিহার ব্যবহা্য জিনিসপত্র উদ্ধারের জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে আর্তনাদ জানাতে থাকেন।
মামলার প্রধান আসামি মেহেদী হাসান হৃদয়ের সাথে আদালত প্রাঙ্গণে কথা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, "আমি ঘটনার দিন বাড়িতে ছিলাম না। আমি মেঘনা উপজেলার ছোট সাতমোরা গ্রামে নানার বাড়িতে ছিলাম।"
অভিযুক্ত মেহেদী হাসান হৃদয়ের মামা মোটর পার্টস ব্যবসায়ী মো: আবদুর রহমান জানান, মেহেদী এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে ফারিহার ওপর কোনো চাপ ছিল না। মেয়ের মা সবসময় মেহেদী বেকার থাকায় বিরক্ত হতেন এবং তাকে অপমান করে কথা বলতেন। মেহেদীর মুন্সেফবাড়ির বাসাতেই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। মেহেদী হাসান হৃদয়ের নানা মো: আফজল মিয়া বলেন, "মেহেদী ঘটনার দিন আমার গ্রামের বাড়ি মেঘনার ছোট সাতমারা গ্রামে ছিল। আমরা যদি এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকি, তাহলে আল্লাহ যেন আমাদের বিচার করেন।"
এর আগে, গত ৫ মে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামে একটি বহুতল ভবনের স্বামী ও শ্বশুরের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ফারিয়া ও হৃদয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার বাসিন্দা আবদুর রহিমের ছেলে হৃদয়ের সঙ্গে ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে ফারিয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর থেকেই তাঁর স্বামী ও পরিবারের লোকজন ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। ফারিয়ার পরিবার সেই টাকা দিতে না পারায় তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয় এবং এ নিয়ে একাধিকবার ফারিয়াকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
এদিকে, মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী তাফসীরুল আলম অভিযোগ করে বলেন, "আমরা যেভাবে এজাহার জমা দিয়েছিলাম, পুলিশ সেভাবে এজহার গ্রহণ করেনি। এতে করে মামলার ভিত দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে। তারপরেও আমরা আশা করছি, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।"
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সব মিলিয়ে টানা ১০ দিনের ছুটি অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
আজ
মঙ্গলবার (৬ মে) সচিবালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ফলে
ছুটি শুরু হবে আগামী ৫ জুন, শেষ হবে ১৪ জুন। তবে ঈদের ছুটি শুরুর আগে ১৭ মে ও ২৪ মে
সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার সব সরকারি অফিস খোলা থাকবে।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানান। একই পোস্টে তিনি সাইবার
সুরক্ষা অধ্যাদেশ অনুমোদন হওয়ার তথ্যও জানান।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম পোস্টে বলেন, ক্যাবিনেট সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর
খসড়া অনুমোদন করেছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১০ দিনের ছুটি থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ ছুটির জন্য আগামী ১৭ মে ও ২৪ মে, শনিবার সরকারি অফিস খোলা থাকবে।
চাঁদ
দেখা সাপেক্ষ আগামী ৭ জুন বাংলাদেশে কোরবানির ঈদ হতে পারে। ঈদের আগের দুইদিন ও পরের
তিনদিন মিলিয়ে মোট ৬ দিনের ছুটি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল।
এর
সঙ্গে নির্বাহী আদেশে ১১ ও ১২ জুনের ছুটি যোগ করা হয়েছে। এর পরের দুইদিন শুক্র ও শনিবার
সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে এবার ৫ থেকে ১৪ জুন একটানা দশ দিনের দীর্ঘ ছুটি মিলছে সরকারি চাকরিজীবীদের।
মন্তব্য করুন


তরলীকৃত
প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ সংকট দ্রুত সমাধান করে আগামী সপ্তাহ থেকে জাতীয় গ্রিডে
গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে তিনি জানান, সংকট কাটাতে
সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার
(২৭ জুলাই) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।
এলএনজি
টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটিজনিত সংকট নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানির
নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জানান, আমদানিকৃত যন্ত্রাংশ
দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা গ্রহণ করে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা
হবে।
তিনি
আরও জানান, শিল্পখাতে গ্যাস সংকট কাটাতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে
কাজ করছে বর্তমান সরকার।
বিগত
সরকারের নীতিহীন স্বল্পমেয়াদী প্রকল্প গ্রহণের সমালোচনা করে তিনি টেকসই সমাধানের দৃঢ়
অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


নেত্রকোনার
কেন্দুয়ায় আশ্রয় দেওয়ার নামে সদ্য তালাকপ্রাপ্ত এক নারীকে (২৪) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
উঠেছে। এ সময় এক মাস বয়সী নবজাতক শিশুকে ছুড়ে ফেলে দেন অভিযুক্ত। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার
করেছে পুলিশ।
সোমবার
(১৮ মে) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আব্দুর রউফ মিয়া (৬০) মদন উপজেলার বাসিন্দা
এবং পেশায় একজন মুদি দোকানদার।
ভুক্তভোগী
নারী আনোয়ারার বাড়ি সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার নূরনগর গ্রামে। প্রায় এক বছর আগে
নেত্রকোনার মদন উপজেলার রিপন মিয়ার (৩০) সঙ্গে বিয়ে করেন তিনি। তাদের সংসারে এক মাস
৭ দিন বয়সী একটি নবজাতক শিশু রয়েছে।
তবে
যৌতুক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ১৫ মে স্বামী রিপন মিয়া আনোয়ালাকে একতরফা ডিভোর্স
(তালাক) দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন।
স্বামীর
ঘর থেকে বিতাড়িত হয়ে রোববার বিকেলে ভুক্তভোগী তার শিশুকে কোলে নিয়ে বাপের বাড়ি সিরাজগঞ্জের
উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে কেন্দুয়া উপজেলার কান্দিউরা ইউনিয়নের তেতুলিয়া কৈজানী নদী
পার হয়ে ঘাটে পৌঁছান তিনি। সেখানে ঘাট সংলগ্ন মুদি দোকানদার আব্দুর রউফের দোকানে গাড়ির
জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি।
পরেসন্ধ্যা
৭টার দিকে রউফ মিয়া রাতে তার বাড়িতে থেকে পরদিন সকালে রওনা দেওয়ার পরামর্শ দেন ভুক্তভোগীকে।
নারী রউফের সঙ্গে রওনা হন। কিন্তু পথে গিয়ালী খালের পাশে নির্জন স্থানে নিয়ে রউফ তাকে
‘কুপ্রস্তাব’ দেয়।
আনোয়ারা
এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রউফ ক্ষিপ্ত হয়ে শিশুটিকে নির্মমভাবে মাটিতে ছুড়ে ফেলে
দেয়। এরপর দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
ধস্তাধস্তির
একপর্যায়ে আনোয়ারা কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যান। তিনি সেখান থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে
চিরাং ইউনিয়নের সাজিউড়া বাজারে গিয়ে চিৎকার করে স্থানীয়দের বিস্তারিত জানান। স্থানীয়রা
তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেয়।
প্রায়
২ ঘণ্টা খোঁজাখুঁজিপ পর একটি পাটক্ষেত থেকে ওই নবজাতক শিশুটিকে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায়
উদ্ধার করা হয়।
খবর
পেয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী মাকসুদ দ্রুত ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে ছুটে
যান। তিনি ভুক্তভোগী মা ও শিশুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এরপর পুলিশ সুপারের নির্দেশ কেন্দুয়া
ও মদন থানা পুলিশ যৌথ অভিযান নামেন এবং সোমবার (১৮ মে) সকালে অভিযুক্ত আব্দুর রউফ মিয়াকে
গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
মদন
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী
হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তার আসামি আব্দুর
রউফকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে মা ও নবজাতক শিশুর শারীরিক অবস্থা
স্বাভাবিক রয়েছে।
মন্তব্য করুন