

চট্টগ্রামের
আনোয়ারায় সমাজের বাসিন্দা না হওয়ার অজুহাতে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার সদ্য মৃত্যুবরণ করা
মেয়ের মরদেহ বাবার বাড়ির সামাজিক কবরস্থানে দাফন করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার
(১৪ জুন) বিকেলে উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের ফকিরখীল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে স্থানীয়
বাসিন্দা ও ক্ষুব্ধ স্বজনদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা
গেছে, ঘটনার দিন সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় মারা যান হিজবুল্লাহ্ বাহার (৪৮) নামের এক নারী। তিনি ওই এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা
প্রয়াত সৈয়দুল হকের কন্যা। দুপুরে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হলে দাফনের জন্য বাবার
বাড়ির সামাজিক পুরনো কবরস্থানে কবর খনন শুরু করেন স্বজনেরা। এ সময় ‘ফকিরখীল এয়ার আলী
খান সমাজকল্যাণ সমিতি’র সভাপতিসহ স্থানীয় কয়েকজন সমাজ পরিচালনা
কমিটির নেতা কবর খননে বাধা দেন এবং সেখানে মরদেহ দাফন করতে অস্বীকৃতি জানান।
মৃত
হিজবুল্লাহ্ বাহারের ছোট ভাই মো. মুজিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘১৯৯৬ সালে বন্দর
থানা এলাকার বাসিন্দা আবদুর রশিদের সঙ্গে আমার বোনের বিয়ে হয়েছিল। তাদের সংসারে এক
ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। সেখানে নিজস্ব কোনো জমি না থাকায় বোন ও দুলাভাই আমার বাবার
পৈতৃক জমিতে ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানদের পড়াশোনা
ও জীবিকার তাগিদে বোন শহরে চলে যান। রোববার সকালে হাসপাতালে তিনি মারা যাওয়ার পর আমরা
আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নিই। কিন্তু সমাজের সভাপতি
জামশেদ উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন এসে বাধা দেন।
তিনি
বলেন, তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘বোন অন্য এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় এখানে দাফন করা যাবে
না।’
মো.
মুজিবুর রহমান আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা নিরুপায় হয়ে পড়ি। কোনো উপায় না
দেখে শেষ পর্যন্ত পৈতৃক কবরস্থান বাদ দিয়ে আমার এক চাচাতো ভাইয়ের নিজস্ব জমিতে কবর
খনন করে বোনের লাশ দাফন করতে বাধ্য হয়েছি। বিষয়টি আমরা পুলিশকেও জানিয়েছি।
ফকিরখীল
এয়ার আলী খান সমাজকল্যাণ সমিতির সভাপতি জামশেদ উদ্দিন বলেন, আমাদের মহল্লার নিয়ম অনুযায়ী
সমাজের বহির্ভূত কাউকে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করার সুযোগ নেই। এই কারণে তাদেরকে এখানে
কবর না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা বিষয়টি নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে
ফেলেছেন।
এ
বিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন,
ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পরে জেনেছি, ওই কবরস্থানের বাইরে
অন্য একটি জায়গায় লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় কোনো লিখিত
অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ও যুগ্মসচিব (পিআরএল) ড. মোঃ শাহ আলম সরকারি চাকরির দীর্ঘ ও বর্ণিল কর্মজীবন শেষে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। কর্মজীবনের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার প্রতি তাঁর এই নিরলস সাধনা শিক্ষা ও প্রশাসনিক অঙ্গনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলাধীন আড্ডা গ্রামের পূর্ব পাড়া আবদুল করিম মুন্সীবাড়ির মরহুম মোঃ আবদুল কাদিরের বড় ছেলে।
১৯৯৩ সালে ১৪তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে শিক্ষকতার মাধ্যমে তাঁর পেশাগত জীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজে সংক্ষিপ্ত সময় দায়িত্ব পালনের পর একই বছরের অক্টোবর মাসে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে যোগ দেন এবং ২০১০ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ২০১৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সেখানে সুনামের সাথে শিক্ষকতা করেন। এর মধ্যে ২০১৪ সালে তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের মার্কেটিং বিভাগের প্রথম বিভাগীয় প্রধান হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন। এছাড়া ২০০৫ সাল থেকে উচ্চমাধ্যমিক থেকে শুরু করে মাস্টার্স শ্রেণি পর্যন্ত একাডেমিক বিষয়ের অসংখ্য বইয়ের সহলেখক হিসেবে তিনি শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা রেখে চলেছেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল দায়িত্বও সফলতার সাথে পালন করেছেন ড. শাহ আলম। ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ তিনি মা.উ.শি কুমিল্লা অঞ্চলের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার মোট ২২টি বেসরকারি কলেজ সরকারীকরণের ঐতিহাসিক দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করেন। ২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়ে তিনি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের উপপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পরিচালক পদে যোগ দিয়ে তিনি পরিচালক (লাইফ), প্রশাসন, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সেন্ট্রাল রেটিং কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে বহুমুখী দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন কমিটির সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০২৩ সালে যুগ্মসচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে প্রায় ৪১টি জেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন এবং সর্বশেষ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আইএলও-এর কনভেনশন অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন কলকারখানায় শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে দেখভাল করেন।
শিক্ষকতার শুরু থেকেই উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের প্রবল ইচ্ছা থাকলেও চট্টগ্রাম সিটি কলেজে শিক্ষকতাকালেই জাপানের ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ পেয়েও পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় সে সময় তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। পরবর্তীতে ৪৫ বছর বয়সের পর সরকারি স্কলারশিপের সুযোগ না থাকায় তিনি ফ্রান্সের 'প্যারিস আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি' (Paris American International University, France) থেকে 'বাংলাদেশের বীমা খাতে মানবসম্পদের গুরুত্ব: লাইফ এবং নন-লাইফ বীমা খাতের উপর গবেষণা' শীর্ষক বিষয়ের ওপর নিজস্ব উদ্যোগে ও দৃঢ় মনোবল নিয়ে গবেষণা সম্পন্ন করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
কর্মদক্ষতা ও অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে শ্রীলঙ্কা থেকে তিনি মর্যাদাপূর্ণ আউটস্ট্যান্ডিং এইচআর লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সেরা কর্মকর্তা হিসেবে বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। একজন সফল শিক্ষক, দক্ষ প্রশাসক এবং গবেষক হিসেবে ড. মোঃ শাহ আলমের এই পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে তাঁর শুভানুধ্যায়ী ও সহকর্মীরা তাঁকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাঁর অর্জিত জ্ঞান দেশের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করেন।
মন্তব্য করুন


রংপুর রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে উঠেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
১৮৫ রানের জবাবে খেলতে নেমে ৯ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা ।
তবে
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। সুনীল নারিন শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তিনে নামা তাওহিদ হৃদয় লিটন দাসকে নিয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তাদের অসাধারণ এক জুটিতে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় রংপুর। পরে ৪৩ বলে ৬৪ রানে আউট হন হৃদয়। চারে নামা জনসন চার্লস ৩ বলে ১০ রানে ফেরেন। এর পরের ওভারে ৫৭ বলে ৮৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন লিটন। ততক্ষণে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
এর আগে, সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৫ রান তোলে সাকিব আল হাসানের দল।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। মাত্র ২৭ রান তুলতেই প্রথম ৩ ব্যাটার রনি তালুকদার (১৩), শামিম হোসেন (০) ও সাকিব আল হাসান (৫) ফিরেছেন দ্রুতই। পরে ঘুরে দাঁড়ায় নিশামের ব্যাটে। প্রথমে তাকে সঙ্গে দেন মাহেদী হাসান। ব্যাটিং অর্ডারের উপরে উঠে আসা মাহেদী ১৭ বলে ২২ রান করে ফেরেন ক্যারিবীয় স্পিনার সুনীল নারিনের বলে।
মাহেদীর পর নিশামের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন পুরান। কিন্তু তিনিও ব্যর্থ হন। তবে নিশাম একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট হাতে ঝড় তুলতে শুরু করেন। ৩১ বল খেলে ফিফটি তুলে নেন। এরপরও চলতে থাকে তার আগ্রাসী ব্যাটিং। রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ২৪ বলে ৩০ রান করে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন। তবে ১৯তম ওভারে তাকে ফেরান ক্যারিবীয় পেস অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল।
অপরপ্রান্তে উইকেট পতন হলেও নিশাম থামেননি। শেষ ওভারে মুশফিক হাসানের ওভারে ৩ ছক্কা ও ২ চারে তুলে নেন ২৮ রান। শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন নিশাম।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগরে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বিকেল ৪টায় মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় তিনি প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন।
বাংলাদেশ পুলিশের মুরাদনগর থানার একটি চৌকস ইউনিট উপদেষ্টাকে নিজ উপজেলায় প্রবেশের পর গার্ড অফ অনারে বরণ করে নেয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাবিদরা।
আয়োজকরা জানান, কোরআন হিফজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং মেধাবীদের সম্মাননা জানানোর উদ্দেশ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, "কুরআন হিফজকারীরা সমাজের গর্ব। তাদের মাধ্যমে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ সমুন্নত থাকবে। সরকারের পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগকে সবসময় উৎসাহিত করা হবে।"অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আয়োজক কমিটির হাফেজ মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান জানায়, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটার জেরে বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে ছোট ভাই ফয়সাল খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বড় ভাই মোর্শেদকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়নের গোয়ালগাঁও গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ফয়সাল (৩৫) গোয়ালগাঁও গ্রামের মৃত রাজা মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত মোর্শেদ তার আপন বড় ভাই।
ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানায়, স্থানীয় একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন অভিযুক্ত মোর্শেদের স্ত্রী। বুধবার দিবাগত রাতে তিনি নাইট শিফটে ডিউটি করে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি ফিরে ঘুমাতে যান। সকালে ঘরের পাশে শিশুরা হৈ-হুল্লোড় করলে মোরর্শেদ ঘর থেকে বের হয়ে স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত হচ্ছে বলে তাদের বকা দেন। এ সময় ছোট ভাই ফয়সাল বড় ভাইকে নিষেধ করলে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে তারা দুজনই বাড়ি থেকে বের হয়ে যান।
এরপর দুপুর দেড়টার দিকে দুই ভাই পুনরায় বাড়ি ফিরে আবারও বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে মোর্শেদ ঘর থেকে দা নিয়ে এসে ছোট ভাই ফয়সালকে কোপ দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় বিকেল সাড়ে ৩টায় স্থানীয় সুয়াগাজী বাজারে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মোর্শেদকে আটক করা হয়।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম ।
মন্তব্য করুন


প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তক উৎসব-২০২৪ এর জন্য পৃথক ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন,প্রাথমিকের বই উৎসব হবে ঢাকা মিরপুরে। আর মাধ্যমিকের বই উৎসব হবে কুমিল্লায়। উৎসব শুরু হবে সকাল ১০টায়।
নিয়মানুযায়ী, এক দিন আগে অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে নতুন এই পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর পরদিন পহেলা জানুয়ারি পৃথক পৃথক ভেন্যুতে বই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহমেদ বলেন,প্রাথমিকের বই উৎসব এবার মিরপুরের ন্যাশনাল (সকাল-বিকাল) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হবে। এটা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পাশেই অবস্থিত।
আর মাধ্যমিকের বই উৎসব সম্পর্কে এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম জানান, প্রতি বছরের মতো এবারো বছরের প্রথম দিন বই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। মাধ্যমিকের বই উৎসব কুমিল্লার সোয়াগঞ্জ তোফাজ্জল আহমেদ চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হবে।
বই ছাপানোর অগ্রগতি বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকের সব বই গত ৪ ডিসেম্বর উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এছাড়া নতুন কারিকুলামের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির প্রায় সব বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। অষ্টম শ্রেণির সব বই গত মঙ্গলবার প্রেসে দেওয়া হয়েছে। আর নবম শ্রেণির বিজ্ঞানের একটি বই গত শনিবার প্রেসে দিয়েছি। সামাজিক বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞানের আরেকটি বই আজ সোমবার প্রেসে যাবে।
জানা গেছে, ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে মোট ৩ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৪ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে ৩০ কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৭টি পাঠ্যবই ও শিক্ষক সহায়িকা (টিজি) বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিকে ৩০ লাখ ৮০ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে ৬১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৮টি পাঠ্যবই। প্রাথমিকে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত এক কোটি ৮২ লাখ ৫৫ হাজার ২৮৪ জনকে দেওয়া হবে ৮ কোটি ৭৪ লাখ ৪ হাজার ৬৯৭টি পাঠ্যবই। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৮৫ হাজার ৭২২ জন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে ২ লাখ ৫ হাজার ৩১টি পাঠ্যবই। এছাড়া প্রাথমিক স্তরের ইবতেদায়ি প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৬০৮ জন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে ২ কোটি ৭১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৭৬টি পাঠ্যবই।
মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ১ কোটি ৪ লাখ ৯০ হাজার ১০৭ জন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে ১৩ কোটি ২৩ লাখ ৬১ হাজার ৭৬৭টি পাঠ্যবই। দাখিল ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ২৪ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৮ জন শিক্ষার্থীর মাঝে বিতরণ করা হবে ৪ কোটি ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৬৪২টি পাঠ্যবই। ইংরেজি ভার্সনের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৫৫ জন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে ১১ লাখ ৭২ হাজার ৫৭টি পাঠ্যবই। কারিগরি ট্রেডের জন্য ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৩৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে বিতরণ করা হবে ৩৪ লাখ ৯৪ হাজার ৭০২টি পাঠ্য বই। এসএসসি ভোকেশনালের ৬ হাজার ১৫ জন শিক্ষার্থীকে ১ লাখ ৭৯ হাজার ২৯৫টি পাঠ্য বই দেওয়া হবে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে ৭২৮টি বই। এছাড়া শিক্ষকদের জন্য ৪০ লাখ ৯৬ হাজার ৬২৮টি শিক্ষক সহায়িকা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেপালে
আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি
আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার
(২৭ আগস্ট) এক শোকবার্তায় তিনি নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক
সমবেদনা জানান।
এর
আগে নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ
সরকার। একই সঙ্গে নেপালের বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে প্রয়োজনীয়
যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার
নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় প্রায়
৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি পর্যটক, নিরাপত্তাকর্মীসহ
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রয়েছেন।
আকস্মিক
বন্যায় ভোতেকোশি নদীসংলগ্ন দেশটির তিনটি জেলা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে
জানা গেছে, নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে লহেন্দে নদীর প্রবাহ তুষারধসে সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপে
আটকে যায়। পরে পানি ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত ভোতেকোশি নদীতে নেমে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি
করে। ওই এলাকায় বৃষ্টিপাত না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা বন্যার বিষয়ে কোনো ধরনের আগাম
সতর্কতা পাননি বলে জানা গেছে।
বন্যায়
অন্তত নয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকের নয়টি শাখা ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া
১৯টি যান চলাচলযোগ্য সেতু এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার মহাসড়ক বন্যার পানিতে ভেসে গেছে।
তবে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকারী দলগুলো
নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুরের
রায়পুরে মা ও তিন মেয়েকে হত্যার ঘটনায় গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত ঘাতক অন্তর মজুমদারের
(২৮) মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে স্বজনরা তাদের মরদেহ নিতে রাজি
হয়নি।
একপর্যায়ে
বাধ্য করে দূর সম্পর্কের চাচাতো ভাই টিটু মজুমদারের কাছে তার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
শুক্রবার
(২৬ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াকুব বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন।
পুলিশের
এসআই মো. ইয়াকুব বলেন, অন্তর নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর থানাধীন চরভাটা এলাকার
চরবজলুল করিম গ্রামের কার্তিক মজুমদারের ছেলে। তার মরদেহ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানা
পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
কিন্তু
স্বজনরা কোনোভাবেই নিতে রাজি ছিল না। পরে ওই থানা পুলিশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন
পরিষদের চেয়ারম্যানে মাধ্যমে নিহতের দূর সম্পর্কের এক চাচাতো ভাইকে আনা হয়। ময়নাতদন্তের
পর বিকেলে তার কাছে অন্তরের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
১০০
শয্যাবিশিষ্ট লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ
পাল বলেন, সুরুতহালের পর নিহত অন্তরের মরদেহের
ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।
পরে
মরদেহ আমরা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি।
রায়পুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, গণপিটুনিতে অন্তর মজুমদারের মৃত্যুর
ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। রায়পুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত
আসামিদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত,
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা নদীর পাড় এলাকার আমির হোসেন মাস্টারের
পাঁচতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে ঢুকে শাহিনুর বেগম ও তার তিন মেয়েকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে
জখম করেন অন্তর মজুমদার। এতে ঘটনাস্থলেই শাহিনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার
(২১), মেঝো মেয়ে নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) ও ফাতেমা আক্তার শিফা (৯) মারা যায়।
ঘটনার
পরপরই স্থানীয় জনতা অন্তরকে ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে তারও মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


তীব্র তাপপ্রবাহে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য
সুরক্ষায় আগামীকাল শনিবার (৪ মে) ঢাকা, রাজশাহী, খুলনাসহ মোট ২৫ জেলায় সব মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
শুক্রবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়
থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, দেশে চলমান তাপদাহের কারণে
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া পূর্বাভাসের ভিত্তিতে খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের সব জেলার,
ঢাকা বিভাগের ঢাকা ও টাঙ্গাইল জেলার, চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর জেলার এবং রংপুর বিভাগের
রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলার সকল মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও
কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামীকাল শনিবার ৪ মে বন্ধ থাকবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকার বারিধারায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে গিয়ে ‘বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট’ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডেএম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যেতে হতে পারে। সেজন্য আজকে উনি বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে আমেরিকান অ্যাম্বেসিতে গিয়েছিলেন।’
খালেদা জিয়া গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে রওয়ানা হয়ে পাজোরো জিপে বেলা ২টা ২০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে প্রবেশ করেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া দূতাবাসে পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান।
এ সময় সঙ্গে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, চেয়ারপার্সনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার এবং চেয়ারপার্সনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক মোহাম্মদ মামুন ছিলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, কিডনি, ডায়াবেটিক্সসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।
এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা হলেও তাঁর চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাল্টি ডিসিপ্লানারি সেন্টারে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে বেগম খালেদা জিয়া প্রথমে লন্ডন এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে চিকিৎসকরা জানান।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মিরপুরে টিসিবির পণ্য নিতে এসে দেয়াল ধসে নাছিমা বেগম নামে এক নারী নিহতের খবর পাওয়া
গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ থেকে ৫ জন।
মঙ্গলবার
(২৮ জুলাই) মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের পেছনের সীমানা প্রাচীর (লাভ রোড়, মন্দির রোড়)
ধসে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত
নাছিমা বেগম মিরপুর ২ নম্বর জনতা হাউজিংয়ের বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী
ওই এলাকার ডাব বিক্রেতা শাকিব বলেন, টিসিবির পণ্য নিতে অনেকে লাইন ধরে দাঁড়িয়েছিলেন।
হঠাৎ করে দেয়াল ধস পড়তে দেখে আমি দৌড়ে যাই। এ সময় দেয়াল চাপা পড়ে ৭ থেকে ৮ জন আহত হন।
এরমধ্যে মুখ তেঁতলানো ও পা ভেঙে যাওয়া এক নারীকে দেখতে পাই। নাসিমা নামে ওই নারীর মৃত্যু
হয়েছে।
নাসিমার
স্বজন তারেক বলেন, নাসিমা আমার পাশের বাসায় থাকেন। তিনি দেয়াল ধসে পড়ে মারা গেছেন।
ডিএমপির
মিরপুর জোনের পুলিশ সুপার মোস্তাক সরকার বলেন, আমি ঘটনাস্থলে আছি। হতাহতের সংখ্যা পরে
জানা যাবে।
মন্তব্য করুন