

দুই বাংলায় জনপ্রিয়তার শিখরে থাকা অভিনেত্রী জয়া আহসান। স্বাভাবিক ভাবেই তার ব্যক্তিজীবন নিয়ে কৌতূহলী তাঁর অনুরাগীরা।
কিছু দিন আগে আনন্দবাজার অনলাইনের একটি সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান বলেছিলেন, প্রেম নিয়ে কিছু বলা যাবে না। প্রেমের কথা বলতে গেলেই গন্ডগোল হয়ে যাচ্ছে।
তবে সম্প্রতি বাংলাদেশে একটি বেসরকারি চ্যানেলে এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন জয়া।
অভিনেত্রী জয়া আহসান জানিয়েছেন, বর্তমানে নিজের জীবন পুরোদমে উপভোগ করছেন। তার মতে, পরিবার শুধু স্বামী-স্ত্রীকেই ঘিরে নয় অথবা জীবনে কোনও সঙ্গী হলেই হয় না। আমার পরিবারে মা-বাবা আছেন, আমার বাড়িতে যে সব লোক কাজ করেন, তাঁরাও আছেন। আমার চারপেয়ে পোষ্য আছে।
১৯৯৮ সালে ঢাকার জমিদার পরিবারের ফয়সাল আহসানের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন জয়া। তখন জয়া মাসুদ থেকে হয়ে ওঠেন জয়া আহসান। সেই সময় ফয়সাল বাংলাদেশে খ্যাতনামা মডেল ও অভিনেতা। তাঁর মহিলা অনুরাগীর সংখ্যাও ছিল চোখে পড়ার মতো। ১৩ বছর সংসার করার পরে ২০১১ সালে দাম্পত্যে চিড় ধরে। তার পরে বিচ্ছেদের পথে এগিয়ে যান তাঁরা। কিন্তু তার পর পরস্পরকে নিয়ে কখনও নেতিবাচক মন্তব্য করেননি প্রাক্তন এই দম্পতি।
ফয়সাল রূপোলি পর্দার সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছেন। তবে ফয়সাল অন্তরালে চলে গেলেও জয়া চুটিয়ে অভিনয় করে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরায় লিফটে আটকে পড়েছিলেন অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা নীলা। প্রায় এক ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করেন।
ঘটনার পর নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করে বিষয়টি জানান নীলা। নিজের মোবাইলে ধারণ করা সেই ভিডিওতে দেখা যায়, আটকে থাকার মুহূর্তে তিনি কেমন অবস্থায় ছিলেন। আতঙ্ক সামলাতে ভিডিও বার্তায় কথা বলছিলেন নীলা। এমনকি ব্যাগ থেকে পানির বোতল বের করে পানি পান করতেও দেখা যায় তাকে।
পরে উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে লিফটের দরজা সামান্য ফাঁকা করে রাখেন যেন অভিনেত্রী শ্বাস নিতে পারেন। এরপর এক ঘণ্টা সময় ব্যয় করে নীলাঞ্জনা নীলাকে লিফট থেকে বের করা হয়।
নীলার আটকে পড়ার ভিডিওটি মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে অনেকেই দুশ্চিন্তা করছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে সুরক্ষিত অবস্থাতেই উদ্ধার করা গেছে দেখে স্বস্তি প্রকাশ করছেন নেটিজেনরা।
লাক্স তারকা হিসেবে শোবিজে পথচলা শুরু করেন নীলাঞ্জনা নীলা। কাজ করেছেন ছোট পর্দার বহু নাটক-টেলিছবিতে। জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে দেখা গেছে বদরুল আনাম সৌদের ‘শ্যামা কাব্য’ চলচ্চিত্রেও।
মন্তব্য করুন


টালিউডে নতুন জ্যোতির্ময়ী, প্রথম সিনেমাতেই দেবের সঙ্গে জুটি
টালিউডে নতুন মুখ জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। প্রথম সিনেমাতেই তিনি পেয়েছেন সময়ের আলোচিত নায়ক দেবের বিপরীতে অভিনয়ের সুযোগ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, দেবের নাম প্রথম শুনে তার গায়ে শিহরণ জাগেছিল। আর দেবকে সরাসরি দেখার দিনটিও ছিল কিছুটা ভয়ের—কিন্তু তা শীঘ্রই উচ্ছ্বাসে পরিণত হয়।
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে দ্বিতীয় গান প্রকাশের পর জ্যোতির্ময়ীর উচ্ছ্বাস যেন সীমাহীন। নতুন সিনেমা শুরুতে বিশ্বাস করাও কঠিন ছিল। তিনি জানান, অনুভূতি এতটাই চরম যে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। তিনি আরও বলেন, “লোকে আমার মুখ দেখে বোঝে না আমি খুশি নাকি দুঃখ পেয়েছি। পর্দায় দেবের বিপরীতে রোম্যান্স করলেও তিনি বুঝতে পারেননি আমার অনুভূতি।”
জ্যোতির্ময়ী বলেন, দেবের সঙ্গে প্রথম দেখা ততদিনের স্মৃতিতে অদ্ভুত। “সেই সময় দেবদা ওজন একটু বাড়িয়েছেন, মুখে দাড়ি-গোঁফ ছিল। প্রথমে একটু ভয় লেগেছিল। কিন্তু পর কিছু দিনের মধ্যে দেখলাম—এটাই আমার পর্দার ‘পাগলু’ দেবদা।” পরিচালক অভিজিৎ সেনের কাছে তার কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।
লন্ডনে দীর্ঘ শুটিং চলাকালীন অভিনেত্রী এবং দেবের কাজের ফাঁকে ঘুরাফিরা, খাওয়াদাওয়া এবং কেনাকাটা করাও স্মরণীয় হয়ে গেছে। দেবের জন্য কি কিনলেন—এই প্রশ্নে প্রথমে থমকে গেলেও পরে হেসে বলেন, “ওর পছন্দ কী করে জানব, সারাক্ষণ তো ওর সঙ্গে থাকি।”
অভিনেত্রী আরও উচ্ছ্বাসে জানান, মিঠুন চক্রবর্তী এই সিনেমায় আছেন। প্রথম সিনেমা তার জন্য অনেক নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে—‘প্রজাপতি ২’ তার অনেক ‘প্রথম’ স্মৃতি হিসেবে থাকবে। একই সঙ্গে ছোটপর্দার ধারাবাহিক ‘বঁধুয়া’র চরিত্র ‘পেখম’ তাকে দেবের সঙ্গে কাজের পথে নিয়ে এসেছে।
জ্যোতির্ময়ী হেসে বলেন, “পর্দায় এক মেয়ের বাবা হলেও দেবদার সঙ্গে রোম্যান্সে আমার কোনো আপত্তি নেই। বাস্তবে অবশ্য নয়—বাস্তবে দেবকে আমি খুবই শ্রদ্ধা করি।”
যদি ভবিষ্যতে পরিস্থিতি উল্টো হয়, অর্থাৎ দেব ছোটপর্দায় নায়ক হন, জ্যোতির্ময়ী খুশি কণ্ঠে বলেন, “তাহলে আমাদের কে ‘পাগলু’ উপহার দেবে?”
ছোটপর্দার নায়িকাদের বড়পর্দায় সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে তার মন্তব্য, “দেবদার মতোই সবার উচিত এমন ভাবা। প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরীও এর পক্ষে। মাধ্যম দেখে নয়, অভিনেতা-অভিনেত্রীর প্রতিভা মাপা উচিত।” ভবিষ্যতে ছোটপর্দায় ফিরতে রাজিও জ্যোতির্ময়ী।
এবং পরিশেষে, নিজের ‘প্রজাপতি’ কবে বসবে—এই প্রশ্নে প্রাণখোলা হাসি দিয়ে বলেন, “আরও ১০–১২ বছর অপেক্ষা, তারপর বসুক।”
মন্তব্য করুন


বিভিন্ন
ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর একুশে পদকের জন্য নয়জন বিশিষ্ট
ব্যক্তি এবং একটি সংগীত দলের নাম ঘোষণা করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ তালিকায়
প্রথমবারের মতো কোনো রক ব্যান্ড স্থান পেল।
এ
বছর একুশে পদক পাচ্ছেন—ফরিদা আক্তার ববিতা (চলচ্চিত্র), অধ্যাপক
মো. আব্দুস সাত্তার (চারুকলা), মেরিনা তাবাসসুম (স্থাপত্য), আইয়ুব বাচ্চু (সংগীত),
অর্থি আহমেদ (নৃত্য), ইসলাম উদ্দিন পালাকার (নাট্যকলা), শফিক রেহমান (সাংবাদিকতা),
অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার (শিক্ষা) এবং তেজস হালদার যস (ভাস্কর্য)। এছাড়া এ
বছর একুশে পদক পাচ্ছে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ওয়ারফেইজ।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৫ ফেব্রুয়ারি ) বিকেলে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
একুশে
পদক দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান। ভাষা আন্দোলনের স্মরণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে
বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি বছর এই পদক প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই
সিনেমার চিত্রনায়ক জায়েদ খান দুবাইয়ে এক অনুষ্ঠান মঞ্চে ডিগবাজি দিয়ে আবারও খবরের শিরোনাম
হয়েছেন।
রবিবার
(২৪ ডিসেম্বর) দুবাইয়ের ক্রাউন প্লাজা হোটেল হলরুমে এক অনুষ্ঠানে ডিগবাজি দেন জায়েদ।
অনুষ্ঠানে
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দুবাই কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন, এশিয়ান টেলিভিশন
ও এশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হারুন উর রশিদ (সিআইপি)। ইভেন্টের উপস্থাপনায়
ছিলেন দেবাশীষ বিশ্বাস ও মডেল প্রিয়াঙ্কা জামান। এ আয়োজনে ঢাকা থেকে গেছেন জায়েদ খান,
বিদ্যা সিনহা মিম, নুসরাত ফারিয়া, তানজিন তিশা, মুশফিক ফারহান, জিয়াউল হক পলাশ।
অনুষ্ঠানের
মাঝে দর্শকদের মধ্যে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। কী কারণে এই হট্টগোল হলো তা জানা যায়নি। তবে
হট্টগোলের সময় জায়েদ খান ডিগবাজি দেন। নায়কের ডিগবাজি দেখে আনন্দে মেতে ওঠেন আগতরা।
দর্শকদের অনুপ্রাণিত করতে একটি মিউজিকের তালে তালে দুহাতে ভর দিয়ে ডিগবাজি দেন জায়েদ
খান।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
গুলশানে এক বৃদ্ধ পথচারীকে মারধরের অভিযোগে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন
রুশ বংশোদ্ভূত মডেল মনিকা কবির। ঘটনাটি ঘিরে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্যও নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
গত
মঙ্গলবার বিকেলে গুলশান-২ এলাকায় টিকটক ভিডিও ধারণের সময় এক বৃদ্ধ পথচারীর ব্যাগের
কোণা তার গায়ে লাগলে মনিকা কবির ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের
দাবি, তিনি ওই বৃদ্ধকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং ব্যাগ ছুড়ে মেরে
তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।
ঘটনার
একটি ভিডিও মনিকা নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে
দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এই
ঘটনার জেরে তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি সাজ্জাদ
আল ইসলাম। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তাকে হাজির করার জন্য সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
জারির প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
এদিকে
সমালোচনার মধ্যেই এক মুঠোবার্তায় দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন
মনিকা কবির। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আপনারা মেয়েদের ওপর পানি ফেলেন ! আমি চলে গেলে এখানে
কোনো বিদেশি মেয়ে আসবে না—আমি কথা দিচ্ছি। বাংলাদেশ আমাকে কষ্ট
দিলে আমিও বাংলাদেশকে কষ্ট দেব।’
তিনি
আরও দাবি করেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিদেশে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং দেশের জন্য অনেক
কিছু করেছেন বলেও মন্তব্য করেন।
রাশিয়ায়
জন্ম নেওয়া এবং মস্কোতে বেড়ে ওঠা এই মডেলের প্রকৃত নাম মারিয়া ভ্যালিরিয়েভনা। পরিবারে
তাকে ‘মনিশকা’ নামে ডাকা হয়। তার মা রুশ নাগরিক ম্যারিয়া গোজেন এবং বাবা
একজন ভারতীয় চামড়া ব্যবসায়ী। বাবার ব্যবসার সূত্রে ২০১২ সালে প্রথম বাংলাদেশে আসেন
তিনি।
এর
আগে খোলামেলা পোশাক ও জীবনযাপন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তাকে ঘিরে নানা বিতর্ক ছিল। তবে
গুলশানের সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে সেই বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


বলিউড অভিনেতা সোনু সোদ মানবিক কাজের জন্য বরাবরই প্রশংসিত । এই অভিনেতাকে গরীবের ‘মাসিহা’ (ত্রানকর্তা) বলা হয়ে থাকে। করোনাকালীন সময় তিনি দুই হাত উজাড় করে সাহায্য করেছেন অসহায়দের।
তাছাড়াও বিভিন্ন সময় নিজের মানবিক কাজের জন্য শিরোনামে উঠে আসে তার নাম। এবারও তিনি এলেন লাইমলাইটে। জয়পুরের একটি ২২ মাস বয়সী ছেলের জীবন বাঁচানোর উদ্যোগ নিয়েছেন অভিনেতা সোনু সোদ। শিশুটির জীবন বাঁচাতে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ইনজেকশনের ব্যবস্থা করলেন এই অভিনেতা।
আর সেই ইনজেকশেনর দাম ১৭ কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে।
জানা গেছে, জয়পুরের এই শিশুটি ‘স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি টাইপ-২’রোগে আক্রান্ত। পেশির সঞ্চালনকে নিয়ন্ত্রণ করে যে মোটর নিউরোন, তা নষ্ট হওয়ার কারণেই মেরুদণ্ডের এই বিরল রোগ হয়। এই রোগের চিকিৎসা খুবই খরচসারপেক্ষ।
২২ মাসের এই শিশুটি এমনই জটিল রোগে ভুগছে। সেই শিশুর চিকিৎসা সাহায্যের হাত বাড়ান সোনু সুদ। বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থের ব্যবস্থা (ক্রাউডফান্ডিং) করেন অভিনেতা। মাত্র তিন মাসের মধ্যে নয় কোটি টাকা জোগাড় করেন তিনি। শিশুটিকে সুস্থ জীবন দান করার জন্য এভাবেই ১৭ কোটি টাকার ইনজেকশনের ব্যবস্থা করেন তিনি।
খুবই অল্প সময়ের মধ্যে এই বড় অঙ্কের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন অভিনেতা সোনু সোদ। আর তাই বরাবরের মতোই ভক্ত অনুরাগীদের প্রশংসায় ভাসছেন অভিনেতা।
এর আগেও বিভিন্ন ভাবে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সোনু সোদ। চিকিৎসায় সাহায্য করে প্রায় ৯ জনের জীবন বাঁচিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


সুচিত্রা
সেন আন্তর্জাতিক বাংলা চলচ্চিত্র উৎসবের সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে দুই বাংলার জনপ্রিয়
অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় আসেন। তাকে স্বাগত জানান ফ্যাশন
ডিজাইনার ও চলচ্চিত্র প্রযোজক পিয়াল হোসাইন।
পিয়াল
হোসাইন জানান, সুচিত্রা সেন স্মরণে আগামী ২০-২১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের জ্যামাইকা পারফর্মিং
আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠেয় চলচ্চিত্র উৎসবের সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে শুক্রবার কলকাতা
ফিরে যাবেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা।
এর
আগে, যুক্তরাষ্ট্রে বিচ্ছিন্নভাবে দুই বাংলার চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হয়েছে। কিন্তু একটি
পূর্ণাঙ্গ উৎসব এবারই ১ম। ২ দিনব্যাপী ৩৫ ঘণ্টার ‘সুচিত্রা সেন আন্তর্জাতিক বাংলা চলচ্চিত্র
উৎসব’-এ দুই বাংলার ১০টি ফিচার ফিল্ম, ৫টি তথ্যচিত্র ও ৫টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
প্রদর্শিত হবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি, মাতৃকালীন ছুটি কাটিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে একের পর এক কাজের খবর দিচ্ছেন তিনি।
প্রথমবারের মতো কলকাতার সিনেমায় কাজ করছেন পরীমণি। সিনেমার নাম ‘ফেলুবকশি’। এই সিনেমার মাধ্যমেই কলকাতায় শুরু পরীমণির নতুন ইনিংস। কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা সোহমের বিপরীতে কাজ করছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) থেকে সিনেমাটির প্রথম ধাপের শুটিং শুরু হয়েছে। শুটিংয়ে অংশ নিতে একদিন আগেই কলকাতা উড়ে গেছেন এই অভিনেত্রী। কলকাতার প্রথম সিনেমার জন্য দোয়াও চেয়েছেন তিনি।
পরীমণি বলেছেন, আগে থেকেই কলকাতার সিনেমাতে কাজের প্রতি লোভ ছিল। আমার মনে হয়েছে, তাদের কাজগুলো অনেক গোছানো হয়। শুটিংয়ের আগে–পরে কাজের দারুণ জার্নিও হয়। ফলে কাজটি সুন্দরভাবে শেষ হয়ে মুক্তি পায়। গত বছর ওখানে পুরস্কার গ্রহণকালে বলেছিলাম, কলকাতায় কাজ করতে চাই, এরপর থেকেই আমার হাতে চিত্রনাট্য আশা শুরু হয়। মনে হয়েছে, এটি দিয়ে শুরু করা যায়। এভাবেই শুরু।
জানা যায়, থ্রিলার গল্পে নির্মিত হচ্ছে ‘ফেলুবকশি’। পরীমণির চরিত্রের নাম লাবণ্য, রহস্যময় এক চরিত্র। শুটিংয়ের আগে তিনি পাঁচ দিনের গ্রুমিং ক্লাসে অংশ নেন। এর ফাঁকে কলকাতায় একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিংও করেন পরীমণি।
অন্যদিকে, নির্মাণ কাজ শেষের দিকে পরীমণি অভিনীত নির্মিতব্য ‘ডোডোর গল্প-Story of Dodo’ সিনেমার কাজ। অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি-সিরিজ প্রযোজিত সিনেমাটি পরিচালনা করছেন রেজা ঘটক। সিনেমায় পরীর বিপরীতে আছেন সাইমন সাদিক।
মন্তব্য করুন


দেশের ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী
রুকাইয়া জাহান চমক বর্তমানে ব্যস্ত আছেন আসন্ন ঈদের কাজ নিয়ে। চমক নতুন পরিচয়ে আত্মপ্রকাশ
করতে যাচ্ছেন। অভিনেত্রী পরিচয় ছাপিয়ে এবার নামছেন ব্যবসায়। সেখানেও চমক দেখাবেন চমক।
‘৯০ ডিগ্রি ওয়েস্ট’ নামের জুস বার ও
ট্রি হাউস দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। যেখানে জুসসহ অনেক কিছুই থাকছে। থাকবে গাছও। আগামী
৩ জুন বনানী ও উত্তরা আউটলেট দুটি চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী চমক।
অভিনেত্রী চমক বলেন, আমার বাবা একজন
বন বিভাগ কর্মকর্তা। ছোটবেলা থেকে বাবাকে প্রচুর গাছ লাগাতে দেখেছি। আগে থেকেই এবং
পারিবারিকভাবেই আমাদের গাছ লাগানোর একটা ঝোঁক আছে। আমার এখানে খেতে এসে কেউ যদি গাছ
নিতে আগ্রহী হয় সে ভাবনা থেকে এটা রাখা। এভাবে যদি প্রতিদিন একটু একটু করে গাছ বাড়ানো
যায় এবং গাছ লাগাতে আগ্রহী করা যায় তাহলে আমাদের শহরটা আরও একটু সুন্দর হবে। সে ভাবনা
থেকে এমন চিন্ত।
এই অভিনেত্রী ২০২০ সালে অভিনয়ে নাম
লেখান । তিনি টেলিভিশন নাটকে কাজ করেন।
মন্তব্য করুন


কেনিয়ার ২২ বছর বয়সি পরিবেশকর্মী ট্রুফেনা মুথোনি
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘকাল ধরে একটানা বৃক্ষআলিঙ্গনের
মাধ্যমে।
ট্রুফেনা একটি গাছের গায়ে ৭২ ঘণ্টা ধরে আলিঙ্গন করে
রেকর্ড স্থাপন করেছেন। পূর্বের রেকর্ডধারী ঘানার ফ্রেডেরিক বোয়াকি ছিলেন, যিনি ৫০
ঘণ্টা ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ড ধরে গাছ আলিঙ্গন করেছিলেন।
মুথোনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৪৮ ঘণ্টার একটি আলিঙ্গন
সম্পন্ন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, প্রথম চেষ্টার মাধ্যমে তিনি মানুষকে পৃথিবীর সঙ্গে
সংযোগ স্থাপনের একটি বার্তা দিতে চেয়েছিলেন।
দ্বিতীয় চেষ্টার বিষয়ে তিনি জানান, এটি ছিল একটি
প্রতিজ্ঞা। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, পৃথিবীর যত্ন নেওয়া কেবল প্রতীকী নয়; এটি ধৈর্য,
অধ্যবসায় এবং প্রমাণের মাধ্যমে দেখাতে হবে যে এটি একটি স্থায়ী দায়িত্ব। এই চ্যালেঞ্জ
পুনরায় করার উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশের জন্য সচেতনতা একবারের নয়, দীর্ঘমেয়াদি কর্তব্য
হিসেবে প্রদর্শন করা।
মন্তব্য করুন